ASTHA BD
রিজনএবল প্রাইজে বেস্ট কোয়ালিটি প্রডাক্ট দিতে বদ্ধ পরিকর।
মাঝে মাঝে মধু দিয়ে রুটি খাই। যেকোন মধু অর্ডার করতে মেসেজ বা কল করুন।
#মধু #সরিষামধু #সুন্দরবনেরমধু
13/11/2025
✅শিত এ ঠান্ডা জনিত রোগের পাদুর্ভাব বারে, আর ঠান্ডা জনিত রোগ দূরে রাখার প্রধান অস্ত্র মধু সেবন করা।
✅তাছাড়া শিত এ শরীর গরম রাখার জন্য মধু সেবনের বিকল্প নেই।
🔥একারণেই শিতের আমেজ শুরু হতেই দাম বেরে যায় সকল ধরনের মধুর।
🔥দাম বাড়ার আগেই যেকোন ধরনের খাটি মধু অর্ডার করতে পেজে মেসেজ করুন m.me/asthabd7 অথবা কল করুন 01629-674540 নাম্বারে।🔥
🔥এছাড়াও আমাদের কাছে পাচ্ছেন সাশ্রয়ি মূল্যে ঘি, বিটরুট পাউডার, সজনে পাতার গুড়া, চিয়া সিড, সকল ধরনের মসলা, বাদাম, খেজুড় ইত্যাদি।🔥
25/08/2025
চিনি একটি নীরব ঘাতক। চিনি শরীরে অনেকটা বিষের মতো কাজ করে। স্লো পয়জনিংয়ের মাধ্যমে শরীরকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। চিনি খাওয়া অনেকটা নেশার মত বলা যায়। বারবার খেতে ইচ্ছে করে। বাজার থেকে যে চিনি কিনে এনে চা কিংবা মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়, সেটি শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
অনেকে সাদা চিনির পরিবর্তে লাল চিনি ব্যবহার করে থাকেন। লাল চিনিকে সাদা চিনির থেকে তুলনামূলক ভালো বলা হয়, কারণ এটি রিফাইন করা হয় না বলে ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি খনিজ লবণ বিদ্যমান থাকে। চিনিকে রিফাইন করে সাদা করা হলে এর মধ্যে কোনো খনিজ লবণ অবশিষ্ট থাকে না। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে লাল চিনি গ্রহণ করাও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
চিনি না খাওয়াই সবচেয়ে ভালো। তবে প্রয়োজনে একজন ব্যক্তি দৈনিক ২৫ গ্রাম থেকে ৩৬ গ্রাম নন রিফাইন্ড লাল চিনি গ্রহণ করতে পারেন। একজন নারী দৈনিক ২৫ গ্রাম এবং একজন পুরুষ দৈনিক ৩৬ গ্রাম নন রিফাইন্ড লাল চিনি খেতে পারেন। এর থেকে বেশি চিনি গ্রহণ করলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
চলুন জেনে নিই সেগুলো কী-
শরীরে ফ্যাট জমতে শুরু করে
চিনি খেলে তলপেট, চিবুক, হাত ও পায়ের পেশীসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ফ্যাট জমতে শুরু করে। ফলে শরীর খুব দ্রুত মোটা হয়ে যায়। অতিরিক্ত ফ্যাট জমে গেলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়
অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যদি দৈনিক চিনি থেকে ১৫০ ক্যালরি গ্রহণ করা হয়, তাহলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় ১ দশমিক ১ শতাংশ। এ ছাড়া যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তাদের জন্য চিনি অত্যন্ত ক্ষতিকর।
অতিরিক্ত চিনি খেলে লিভারের চারপাশে অতিরিক্ত চর্বির স্তর তৈরি হয়। ফলে লিভারের কার্যক্ষমতা কমে যেতে থাকে।
রক্ত চলাচলে বাধা
শরীরের রক্ত চলাচলের ধমনীর দেয়ালের পুরুত্ব বাড়িয়ে দিতে পারে চিনি। ফলে রক্ত স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না এবং রক্তচাপ বেড়ে যায়।
স্মৃতিশক্তি কমিয়ে দেয়
চিনির কারণে আলঝেইমারসের মতো রোগ হতে পারে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় চিনি।
বিষণ্নতা
অতিরিক্ত চিনে খেলে বিষণ্নতা তৈরি হয়। শরীর সবসময় ক্লান্ত লাগে।
হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়
বেশি মাত্রায় চিনি খেলে রক্তের প্রবাহ পরিবর্তিত হয়। ফলে হার্ট অ্যাটাক, হার্টফেল করার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।
ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়
ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আয়ু কমিয়ে আনে চিনি। এ ছাড়া চিনি বেশি খেলে ক্যান্সারের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।
#সাদাবিষ
09/08/2025
🔥আমাদের কাছে পাচ্ছেন সাশ্রয়ি মূল্যে সকল ধরনের মধু, ঘি, বিটরুট পাউডার, সজনে পাতার গুড়া, চিয়া সিড, সকল ধরনের মসলা, বাদাম ইত্যাদি।🔥
🔥ডিস্কাউন্ট অফার জানতে ও অর্ডার করতে মেসেজ করুন অথবা কল করুন 01629-674540 নাম্বারে।🔥
05/08/2025
🐝🍯যত ধরণের মধু পাওয়াযায় তার মধ্যে কালোজিরা ফুলের মধু অন্যতম। কারণ এই মধু শুধুমাত্র স্বাদে অনন্য নয়, এর রয়েছে অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের পছন্দের তালিকায় রয়েছে এটি।
অর্ডার করতে বা ডিস্কাউন্ট অফার জানতে পেজে মেসেজ করুন, অথবা কল করুন 01629-674540 নাম্বারে।
কালোজিরা ফুলের মধুতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ বিদ্যমান, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
কালোজিরা ফুলের মধুতে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত এটি গ্রহণ করলে ঠান্ডা, কাশি এবং মৌসুমী অসুস্থতা হওয়ার সম্ভাবণা কমে।
এই মধু হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং গ্যাস্ট্রিক ও অ্যাসিডিটির সমস্যা কমায়। সকালে এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সঙ্গে এক চামচ কালোজিরা মধু মিশিয়ে খেলে পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে।
কালোজিরা মধু ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ব্রণ দূর করে। এটি ত্বকের গভীরে আর্দ্রতা পৌঁছে দেয় এবং বার্ধক্যের লক্ষণ দূর করে। চুলে ব্যবহার করলে খুশকির সমস্যা কমায় এবং চুল পড়া রোধ করে।
কালোজিরা মধুতে থাকা প্রাকৃতিক এনজাইম এবং অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরের হজম শক্তি বাড়ায়, যা অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
এই মধুতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হার্টের রোগ প্রতিরোধ করে।
প্রাকৃতিক চিনি ও ভিটামিন সমৃদ্ধ কালোজিরা মধু শরীরকে তাৎক্ষণিক শক্তি দেয়। এটি ক্লান্তি দূর করে এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়।
কালোজিরা ফুলের মধু প্রকৃতির এক অমূল্য সম্পদ, যা আমাদের শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী।
অর্ডার করতে বা ডিস্কাউন্ট অফার জানতে পেজে মেসেজ করুন, অথবা কল করুন 01629-674540 নাম্বারে।
#খাটিমধু #কালোজিরামধু #মধু
30/07/2025
🐝🍯সকল মধুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মিস্টি ও সুস্বাদু মধু হচ্ছে লিচু মধু (Litchi Honey)।
লিচু মধু মূলত লিচু ফুল থেকে মৌমাছিরা সংগ্রহ করে থাকে।
সকল ধরণের মধু অর্ডার করতে বা ডিস্কাউন্ট অফার জানতে মেসেজ করুন, অথবা কল করুন 01629-674540 নাম্বারে।
লিচু মধুর কিছু বৈশিষ্ট্য হলো...
1. লিচু মধু খুবই মিষ্টি ও হালকা স্বাদের, এবং এতে লিচু ফুলের হালকা সুগন্ধ থাকে।
2. লিচু মধু সাধারণত হালকা সোনালি বা অ্যাম্বার রঙের হয়।
3. এতে থাকে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
সব ধরনের মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সহায়তা করে
ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে, সর্দি-কাশি উপশমে কার্যকর
ভুমিকা পালন করে ও ক্লান্তি দূর করে।
সকল ধরণের মধু অর্ডার করতে বা ডিস্কাউন্ট অফার জানতে মেসেজ করুন, অথবা কল করুন 01629-674540 নাম্বারে।
#খাটিমধু #মধু #লিচুমধু
26/07/2025
🔥এত কম দামে খাটি মধু?😲
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় সরিষা ফুলের মধু, তার কারন হল আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণে সরিষা ক্ষেত করা হয় ,আর ক্ষেত মানে সেখানে ফুল হয়, আর ফুল থেকে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে। বেশি পরিমাণে উৎপাদন হওয়ার ফলে এবং এই মধু প্রসেস করার আগের মানে র-raw honey অবস্থার কিছু বৈশিষ্টের কারনে এটির দাম তুলনামুলক কম। এটি প্রসেসড করা না হলে ঠান্ডা আবহাওয়ায় জমে যায়, ফলে অনেকে মনে করেন এটি খাটি মধু নয় তাই কিনতে চান না। বাস্তবতা হল সরিষা ফুলের মধুতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকার ফলে এটি জমে যায়।
সরিষা ফুলের প্রাকৃতিক Raw মধু তে অ্যাক্টিভ এনজাইম, প্রোটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এবং মধু একটি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় পদার্থ যাতে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ থাকে। আর গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ- কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত। এ জন্য সরিষা ফুলের প্রাকৃতিক Raw মধুতে যদি ময়েশ্চারের পরিমাণ বেশি থাকে, অর্থাৎ মধুর ঘনত্ব কম হয় বা মধু পাতলা হয় এবং মধু যদি ঝাঁকি লাগে, তখন মধুর মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি করে। এতে মধুর মধ্যে বায়ু বুদবুদ সৃষ্টি হয় এবং একই সাথে মধু ফেনা হতে দেখা যায় ও পাত্রের ভেতরে গ্যাস হতে পারে, যার ফলে প্ল্যাস্টিক এর বোতল কিছুটা ফুলে যেতে পারে।
লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে- ফেনা কম বা বেশি হবে ময়েশ্চারের পরিমাণ কম-বেশির কারনে। তবে সরিষা মধু যদি খুব ঘনও হয় তারপরও অনেক সময় সামান্য ফেনা হতে দেখা যায়। মধুতে ফেনা তৈরি হলে সেটাকে কিছুক্ষণ স্থিরভাবে রেখে দিলে আবার সেই ফেনা মধুতে পরিণত হবে। এতে মধুতে কোন ক্ষতি বা সমস্যা হবে না।
যেকোন মধু অর্ডার করতে পেজে মেজেজ করুন, অথবা কল করুন - 01629-674540
#খাটিমধু #মধু #সরিষাফুলেরমধু
17/07/2025
সস্তায় Canva Pro নিয়ে কদিন পর প্রিমিয়াম ফিচার খুজে পান না?
আমরা দিচ্ছি মানিবেক গেরান্টি সহ মাত্র ১৫০ টাকায় একবছরের জন্য কেনভা প্রো এর টিম এক্সেস।
মাত্র ১০০ জন এই সুযোগটি পাবেন।
🔥 ইনেস্টেন্ট ডেলিভারি।
🔥 সকল প্রিমিয়াম ফিচার আনলকড।
🔥 মিলিয়ন প্রিমিয়াম ইমেজ ,ফন্ট, গ্রাফিকস, ভিডিও, এনিমেশন।
🔥 অরিজিনাল একাউন্ট, কোন ক্র্যাক বা হ্যাকড একাউন্ট নয়।
🔥 হাই রেজুলেশন ও আনলিমিটেড ডাউনলোড।
🔥 মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটার দুটোতেই চলবে।
🔥 যেকোনো সমস্যা হলে রয়েছে সাপোর্টের সুবিধা।
📩 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন 👇
14/07/2025
খাটি ঘি শুধু খাবারের স্বাদ ও গন্ধ ই বাড়ায় না এতে রয়েছে নানা স্বাস্থ উপকারিতা, যা জানলে আপনিও প্রতিদিন ঘি খাওয়া শুরু করবেন। চলুন জানা যাক।
দুধের স্বর থেকে তৈরি করা ঘি বাঙালিদের ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় একটি খাদ্য। গরম ভাতের সঙ্গে ঘি লোভনীয় খাবার। শুধু ঘি দিয়েই ভাত খাওয়া শেষ করা যায়। এ ছাড়া বিভিন্ন রান্না, বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরিতে ঘি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন খাবারের স্বাদ-গন্ধ বাড়াতে কাজ করে ঘি। কিন্তু এটি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এতে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতাও।
পুষ্টিবিদ মাহফুজা নাসরিন শম্পা বলেন, ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাদ্য। এতে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় প্রচুর পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি বাচ্চাদের জন্য ভীষণ উপকারী। ঘি'তে কার্বোহাইড্রেট নেই, আছে বিভিন্ন ধরনের ফ্যাট যেমন: বুটিরিক অ্যাসিড, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, লিনোলেনিক অ্যাসিড, অ্যারাকিডনিক অ্যাসিড। রয়েছে প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলসও। এই পুষ্টি উপাদানগুলো আমাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
প্রতি ১০০ গ্রাম ঘি'তে আছে—ক্যালোরি: ৮৭০ গ্রাম, ফ্যাট: সাড়ে ৯ গ্রাম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট: ৬১ দশমিক ৯ গ্রাম, মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট: ২৮ দশমিক ৭ গ্রাম, পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট: ৩ দশমিক ৬৯ গ্রাম, প্রোটিন: দশমিক ৩ গ্রাম, পানি: দশমিক ২৪ গ্রাম, কোলেস্টেরল: প্রায় ২৫৬ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম: ৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম: ৩ মিলিগ্রাম, ও সোডিয়াম: ২ মিলিগ্রাম।
ঘি'র উপকারিতা
ঘি'তে প্রয়োজনীয় ফ্যাট দ্রবণীয় ভিটামিন ডি, কে, ই এবং এ রয়েছে। এই উপাদানগুলো রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ দেহের বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে। ঘি শরীরকে অন্যান্য খাবার থেকে চর্বিযুক্ত দ্রবণীয় খনিজ এবং ভিটামিন শোষণে সহায়তা করে এবং আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
নিয়মিত ঘি খেলে ভিটামিন-মিনারেলসের ঘাটতি পূরণ হওয়ার পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণও বাড়ে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর ফ্রি-রেডিক্যাল বা টক্সিন বের করতে সাহায্য করে। এতে ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে।
ঘি খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে, কারণ এতে আছে বুটিরিক অ্যাসিড। এটি হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। ফলে বদহজম, গ্যাস-অম্বল হওয়ার আশঙ্কা কমে।
ক্যালসিয়াম, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের একটি উৎস ঘি। এই উপাদান হাড় ও জয়েন্টের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এ ছাড়া ঘি খেলে যে হরমোন নিঃসরণ হয়, তা জয়েন্টের জন্য প্রয়োজনীয়। পাশাপাশি আর্থ্রাইটিস ও হাড়ের যেকোনো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে। যাদের জয়েন্টের সমস্যা আছে, তারা খাদ্য তালিকায় ঘি রাখতে পারেন।
ঘিতে থাকা ওমেগা-৬ ও ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড নার্ভের কার্যক্ষমতা ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। এই পুষ্টি উপাদান ডিমেনশিয়া ও অ্যালঝাইমারের মতো মস্তিষ্কের রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
নিয়মিত ঘি খেলে শরীর ভেতর থেকে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ত্বকের ভেতরে কোলাজেনের উৎপাদনও বেড়ে যায়। ফলের ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বাড়ে। ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়ে আদ্রতা বজায় থাকে।
খালি পেটে ঘি খেলে শরীরে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের মাত্রা বাড়তে থাকে, যা রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে হার্টের কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকে। ফলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
ঘি'তে ভিটামিন এ থাকে, যা চোখের জন্য ভালো। গ্লুকোমা রোগীদের জন্য উপকারী।
ঘি অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি ভাইরাস, কাশি প্রভৃতির বিরুদ্ধে লড়াই করে।
ঘি খেলে কি ওজন বাড়ে?
অনেকের ই ভ্রান্ত ধারনা যে ঘি খেলে ওজন বাড়ে, কিন্তু ঘি ওজন বাড়ায় না, বরং কমাতে সাহায্য করে। কারন ঘিতে আছে লিনোলেনিক এবং অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড, যা শরীরের জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে। ফলে ওজন কমতে শুরু করে। এ ছাড়া ঘি খেলে ক্ষুধা ভাবও কম হয়, ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের ইচ্ছা কমে। সকালে উষ্ণ গরম পানির সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে এটি শরীরের বিপাক হার বাড়িয়ে ক্যালরি পোড়াতে সাহায্য করে। তবে যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘি খাওয়া হয়, উপকারের বদলে অপকার হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
ঘি খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দিনে দুই চা-চামচের বেশি ঘি খাওয়া উচিত নয়। আবার ঘি খেলে সেদিন অন্যকোনো তেলজাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও কিডনির গুরুতর সমস্যা আছে, তারা ঘি খাওয়ার ব্যাপারে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে তবেই খাবেন।
12/07/2025
দেখি কে কে বলতে পারেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1361
Opening Hours
| Monday | 07:00 - 00:00 |
| Tuesday | 07:00 - 00:00 |
| Wednesday | 07:00 - 00:00 |
| Thursday | 07:00 - 00:00 |
| Friday | 14:00 - 00:00 |
| Saturday | 07:00 - 00:00 |
| Sunday | 07:00 - 00:00 |