ALFA

ALFA

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ALFA, Shopping & retail, 36/A Aziz co-oparativ supar market, Dhaka.

17/08/2025
Photos from ALFA's post 09/10/2020
Photos from ALFA's post 29/09/2020

৩ রং এর কিসমিস....💛🖤💚
গোল্ডেন, সবুজ,কালো

⭕ :- কিসমিস হল আঙুর ফলের শুকনা রূপ। যা তৈরি করা হয় সূর্যের তাপ অথবা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাহায্যে। তাপের কারণে আঙুরের ফ্রুক্টোজগুলো জমাট বেঁধে পরিণত হয় কিশমিশে এটি রক্তে শর্করার মাত্রায় ঝামেলা তৈরি করে না। আর শতকরা ৭০ ভাগ খাঁটি এই ফ্রুক্টোজ সহজেই হজমযোগ্য।
⭕এছাড়া আঙুরের বিভিন্ন পুষ্টিগুণ যেমনঃ--
ফসফরাস, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, জিংক, লৌহ, ফ্লোরাইড, পোটাসিয়াম, ফোলাট, নিয়াসিন, কোলিন, ভিটামিন বি সিক্স, সি, কে এবং রিবোফ্লাবিন কিসমিসেও পাওয়া যায়।
⭕প্রতিদিন এই ছোট শুকনা ফলের ১২টি খেলেই যাদুমন্ত্রের মতো কাজ করবে ইনশাআল্লাহ...

💛💛💛
গোল্ডেন কিসমিস বিচি ছাড়া :--
৳:- ৫৫০/= টাকা কেজি

🖤🖤🖤
কালো কিসমিস :--
৳:- ৯৫০/= টাকা কেজি

💚💚💚
সবুজ কিসমিস :--
৳:- ৬৫০/= টাকা কেজি

Photos from ALFA's post 26/09/2020

চিয়া সীড....

ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে : চিয়া বীজ আমাদের ওজনকে নিয়ন্ত্রণ করতেও সহায়তা করে থাকে| আসলে এটি ভিজালে পরে একপ্রকার জেলের মতো হয়ে যায় তাই যদি এটা খাওয়া হয় তাহলে এটি পেটের ভিতর ছড়িয়ে যায় ফলে অনেকক্ষণ অবধি পেট ভর্তি থাকে| চিয়া বীজে অতিরিক্ত ক্যালোরি থাকে না তাই যদি কেউ ওজন কমানোর জন্য এটি খেতে চান তাহলে এটি একটি আদর্শ খাবার হতে পারে
প্রাচীন মায়া ভাষায় "চিয়া" মানে "শক্তি" তো নাম শুনেই বুঝা যাচ্ছে এটি যে একটি সুপারফুড। খুব সামান্য ক্যালরিতে প্রচুর পুষ্টি দেয় চিয়া সিড।

Photos from ALFA's post 16/09/2020

পবিত্র কোরআন শরীফের ৯৫ নম্বর সূরার নাম “আত্ তীন”। তীন আরবি শব্দ, যার অর্থ আঞ্জির বা ডুমুর। এ সূরায় মহান আল্লাহ এরশাদ করেছেন “ওয়াততীন ওয়াঝঝাইতূন। ওয়া তূরি ছীনীন। ওয়া হা-যাল বালাদিল আমীন। ” অর্থ : শপথ তীন ও যাইতূন এর। শপথ সীনাই পর্বতের এবং শপথ এই নিরাপদ ও শান্তিময় নগরীর। (আয়াত :১-৩)। পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কুরআনে ‘ত্বীন’ বা আঞ্জির ফলকে আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত বা অনুগ্রহরূপে ব্যক্ত করা হয়েছে।

হিন্দুদের ক্ষেত্রে অশ্বত্থ একটি ধর্মীয় গাছ। বাইবেলে এই ফলের উল্লেখ আছে; সেখানে বলা হয়েছে, ক্ষুধার্ত যীশু একটি ডুমুর (আঞ্জির) গাছ দেখলেন কিন্তু সেখানে কোনো ফল ছিল না। বৌদ্ধ ধর্মেও এই গাছ পবিত্র হিসেবে গণ্য। গৌতম বুদ্ধ যে বোধিবৃক্ষতলে মোক্ষ লাভ করেন তা ছিল অশ্বত্থ গাছ, যা একটা ডুমুর জাতীয় গাছ (Ficus religiosa বা Pipal)।

বাংলায় ডুমুর, এবং ইংরেজি: Ficus, Fig tree; বৈজ্ঞানিক নাম : Sycamore Fig, Ficus sycamore. মোরাসিয়ে গোত্রভূক্ত ৮৫০টিরও অধিক কাঠজাতীয় গাছের প্রজাতিবিশেষ। এ প্রজাতির গাছ, গুল্ম, লতা ইত্যাদি সম্মিলিতভাবে ডুমুর গাছ বা ডুমুর নামে পরিচিত।

ডুমুর নরম ও মিষ্টিজাতীয় ফল। ফলের আবরণ ভাগ খুবই পাতলা এবং এর অভ্যন্তরে অনেক ছোট ছোট বীজ রয়েছে। এর ফল শুকনো ও পাকা অবস্থায় ভক্ষণ করা যায়। উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চলে এ প্রজাতির গাছ জন্মে। কখনো কখনো জ্যাম হিসেবে এর ব্যবহার হয়ে থাকে। এছাড়াও, স্ন্যাকস জাতীয় খাবারেও ডুমুরের প্রয়োগ হয়ে থাকে।

ডুমুর কয়েক প্রজাতির হয়। বাংলাদেশে সচরাচর যে ডুমুর পাওয়া যায় (Ficus hispida) তার ফল ছোট এবং খাওয়ার অনুপযুক্ত। এর আরেক নাম ‘কাকডুমুর’। এই গাছ অযত্নে-অবহেলায় এখানে সেখানে ব্যাপক সংখ্যায় গজিয়ে ওঠে। গাছ তুলনামূলকভাবে ছোট। এটি এশিয়ার অনেক অঞ্চলে এবং অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়। পাখিরাই প্রধানত এই ডুমুর খেয়ে থাকে এবং পাখির বিষ্ঠার মাধ্যমে বীজের বিস্তার হয়ে থাকে। অনেক এলাকায় এই ডুমুর দিয়ে তরকারি রান্না করে খাওয়া হয়। এই ডুমুরের পাতা শিরিশ কাগজের মত খসখসে। এর ফল কান্ডের গায়ে থোকায় থোকায় জন্মে।

মধ্যপ্রাচ্যে যে ডুমুর (আঞ্জির) পাওয়া যায় (Ficus carica) তার ফল বড় আকারের; এটি জনপ্রিয় ফল হিসেবে খাওয়া হয়। বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হয়ে থাকে আফগানিস্তান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত। এর আরবি নাম ‘তীন’; হিন্দি, উর্দু, ফার্সি ও মারাঠি ভাষায় একে ‘আঞ্জির’

Photos from ALFA's post 15/09/2020

Mixed dry fruits/মিক্সড ড্রাই ফ্রুটস... 🙂🙂🙂

যা যা থাকে মিক্স ড্রাই ফ্রুটস এ
১. কাজুবাদাম ২. কাঠ বাদাম ৩. চিনা বাদাম ৪. পেস্তা বাদাম ৫. লাল খুরমা ৬. সাদা খুরমা ৭. কালো কিচমিচ ৮. গোল্ডেন কিচমিচ ৯. শুকনো আলু বোখারা ১০. মিষ্টি কুমড়ার বীজ ১১. এপ্রিকোট ১২. আখরোট

এটি অনেক মজাদার আর পুষ্টিকরও বটে!!
সরাসরি খেতে পারবেন, ছোট্ট বাচ্চাদের সুজি বা সিরিয়ালের সাথে গুড়ো/ব্লেন্ড করে খাবার করে তুলতে পারেন আরো পুষ্টিকর!!

#প্রেগন্যান্ট_মা ও #যারা_ডায়েট_করছেন তাদের জন্য এটি কিন্তু সুপারফুড!! কারণ এতে পাবেন প্রচুর পুষ্টি ও ক্যালরি 😀

উপকারিতা :
👉কাঠবাদাম : কাঠবাদামে আছে ভিটামিন "বি" "ই" ও "ডি", ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস! এছাড়াও রয়েছে প্রচুর মিনারেলস!
#স্মৃতিশক্তি_প্রখর_করে_কাঠবাদাম
প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম প্রখর করে স্মৃতিশক্তি। কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি। যা মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উন্নত করতে সহায়তা করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকেই প্রতিদিন কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করলে স্মৃতিশক্তি অনেক বেশি প্রখর হয়।
👉কাজুবাদাম : কাজুবাদামে আছে ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, পটাসিয়াম, ভিটামিন ই।
👉পেস্তাবাদাম : এতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি 6, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার ও মিনারেলস।
👉আখরোট : এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আনসাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা থ্রি, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, আয়রন, প্রোটিন, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ফাইবার!
👉কিসমিস : হজমে সাহায্য করে, রক্তশূন্যতা দূর করে, এতে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম যা দাঁত আর হাড় মজবুত করে, দেহে শক্তি সরবরাহ করে: দুর্বলতা দূরীকরণে কিসমিসের জুড়ি মেলা ভার। কিসমিসে রয়েছে চিনি, গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ, যা তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহ করে।
👉পাম্পকিন সিডস : এতে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে!! এতে ওমেগা-৩ থাকায় তা আপনার দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য এটি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। এতে প্রচুর আয়রন থাকায় তা আপনাকে শক্তি জোগাবে!
👉Dried prune/আলুবোখারা : এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি এবং ই। এছাড়া রয়েছে মিনারেল ও আঁশ। যা একজন সুস্থ মানুষের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। আলু বোখারা মানুষের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। প্রতি ১০০ গ্রাম আলুবোখারায় রয়েছে ৫০ গ্রাম ক্যালরি।

Photos from ALFA's post 10/09/2020

খুরমা খেজুরের বৈজ্ঞানিক নাম-Phoenix dactylifera Linn. খোরমা খেজুর সাধারণতঃ মধ্যপ্রাচ্য অর্থাৎ ইরান,ইরাক সৌদি আরব এবং পাকিস্তানে হয়ে থাকে। বৈজ্ঞানিক গবেষনায়, খোরমা খেজুর পষ্টিকর ও যৌনশক্তি বর্দ্ধক।

নিন্মে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়-
খেজুরের পুষ্টিগুণ : খেজুর অতি মিষ্টিজাত ফল। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালোরি এবং রয়েছে প্রচুর খাদ্যগুণ, যেমন ভিটামিন-বি,-সি, আয়রন এবং প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন-কে।
হৃদপিন্ড : খেজুর হৃদপিণ্ডকে সুস্থ্য সবল রাখে এবং রক্তচাপের জন্য খুবই উপকারী। ভালো ঘুম হতে সহায়তা করে৷
শারীরিক শক্তিবৃদ্ধি : খেজুর সেবনে শারীরিক শক্তি যোগাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শুকনো খেজুরের শতকরা ৮০ ভাগই চিনি এবং সে কারণেই সরাসরি রক্তে চলে যায়। আর সে কারণেই শুকনো খেজুরকে মরুভূমির গ্লুকোজ বলা হয়ে থাকে৷
বিশেষজ্ঞের মতে, খেজুরে থাকা উচ্চ মাত্রার ভিটামিন-বি’ নার্ভকে শান্ত করে রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে৷
মনের প্রফোল্লতায় : খেজুরে রয়েছে অ্যামিনো অ্যাসিড ও ট্রিপটোফেন, যা সিরোটোনিন হরমোন তৈরিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ এছাড়া এই মিষ্টি ফল মনে আনন্দের অনুভূতি ছড়িয়ে দেয়। ফলে মনকে সতেজ রাখে।
কোষ্ঠকাঠিন্য : খেজুর মানসিক চাপ, রাগ বা অন্য অনেক কারণেই হঠাৎ করে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়৷ আবার এর সঙ্গে পেট ব্যথাও হয়ে থাকে অনেক সময়৷ এরকম পরস্থিতিতে শুকনো খেজুর খেলে খুব সহজে পেট পরিষ্কার হতে পারে৷ তবে সাথে প্রচুর পানি পান করতে হবে৷ একমাত্র তবেই সঠিক ফল পাওয়া যাবে৷
অরুচি : খেজুর রুচি বাড়াতে খেজুরের কোন তুলনা হয় না। অনেক শিশুরা তেমন একটা খেতে চায় না, তাদেরকে নিয়মিত খেজুর খেতে দিলে রুচি ফিরে আসবে।
দৃষ্টিশক্তি : খেজুরে পর্যাপ্ত ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ ফল হওয়া দৃষ্টিশক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল বিদ্যমান থাকায় অনেক রোগ নিরাময় করা সম্ভব। সাথে সাথে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সহায়তা করে।
ক্যান্সার প্রতিরোধক : খেজুর বিভিন্ন ক্যান্সার থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে অনেক ভূমিকা পালন করে থাকে। যেমন খেজুর লাংস ও ক্যাভিটি ক্যান্সার থেকে শরীরকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
হজমকারক : খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড যা সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে। এতে করে খাবার হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
কলেস্টোরল : খেজুরে আছে ডায়েটরই ফাইবার যা কলেস্টোরল থেকে মুক্তি দেয়। ফলে ওজন বেশি বাড়ে না, সঠিক ওজনে দেহকে সুন্দর রাখা যায়।
রোগ প্রতিরোধক : খেজুর রোগ প্রতিরোধক হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।ক্ষমতা বাড়ায়। পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য খেজুর খুবই উপকারী।
রক্তশূণ্যতায় : খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। নিয়মিত কিছুদিন খেজুর সেবন করলে দেহের আয়রনের অভাব পূরণ করে এবং রক্তস্বল্পতা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। যাদের এই রক্তস্বল্পতার সমস্যা রয়েছে তাদের প্রতিদিন খেজুর খাওর অভ্যাস করা উচিত। কারণ, রক্তস্বল্পতা ও শরীরের ক্ষয়রোধ করতে খেজুরের রয়েছে বিশেষ গুণ।
বার্ধক্যরোধক : খেজুর সেবনে যৌবন বা তারুণ্য ধরে রাখে এবং যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি ও ঘনত্ব বাড়ায়।
সেবনবিধি : প্রতিদিন ৬ থেকে ১৫ গ্রাম পর্যন্ত সেবন করা যায়।

Photos from ALFA's post 10/09/2020

শুকনো আলুবোখরা....!!!
# কাটিংকা, ফ্লাউমেন, হানিটা, আওয়াবাখার, প্রেজেন্টাসহ নানা নামে বিশ্ব জুড়ে পরিচিত ফলটিকে বাঙালিরা চেনেন আলুবোখারা হিসেবে। সারা বিশ্বে মোট দুই হাজার প্রকারের আলুবোখারা পাওয়া যায়।
# ছোট, লম্বাটে ফলটিতে রয়েছে মিনারেল, ভিটামিন ও আঁশ, যা একজন সুস্থ মানুষের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। বিশেষ করে আলুবোখারায় যথেষ্ট পরিমাণে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন A, B, C এবং E রয়েছে।
# আলু বোখারার উপকারিতা প্রাকৃতিক ল্যাক্সোটিভ ও বাধ্যক্য বিরোধী গুণাগুণ যা সারা বিশ্ব জুড়ে বয়স্ক মানুষের কাছে সমাদৃত। তাজা বা শুকনো যেকোনোভাবেই এটি খাওয়া হোক না কেন এই ফলটি তারুণ্য ধরে রাখার অন্যতম একটি খাবার।
# আলু বোখারা নার্ভের জন্য খুবই উপকারী। এটি মানসিক চাপ দূরে রাখতেও সহায়তা করে।
# গড়ে ১০০ গ্রাম আলুবোখারায় রয়েছে মাত্র ৫০ গ্রাম ক্যালরি, যা ফিগার সচেতনদের জন্যও উপযুক্ত। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে আলু বোখারার জুড়ি নেই।
# আলু বোখারা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
# আলু বোখারা সহজে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। আলু বোখারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। ওজন কমানো এবং তা ধরে রাখা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
# গবেষণায় দেখা গেছে মানুষ কষ্ট করে ওজন কমানোর পর শিগগিরই তা ফিরে পায়। তবে খাবারের তালিকায় আলু বেখারা যুক্ত হলে মানুষের স্থুলতা শুধু কমবেই না তা ধরে রাখতেও সহায়ক হবে।

Photos from ALFA's post 06/09/2020

অ্যাপ্রিকটস (খুবানি) :-
# ক্যানসার...!!!!
স্বাস্থ্যজ্বল ত্বকের ক্ষেত্রে এই ফল খুব উপকারী । ত্বককে যাবতীয় রেডিক্যাল ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার পাশাপাশি ক্যানসার রোধ করতেও সহায়ক । খুবানি বা অ্যাপ্রিকটে থাকা অ্যান্টিওক্সিডেন্ট শরীরের ফ্রি রেডিক্যালসগুলি দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখে ।
# ডায়বেটিস বা মধুমেহ...!!!
মধুমেহ রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের এই ফল খাওয়া উচিৎ । দিনে অন্তত চারটি অ্যাপ্রিকটস খেলে মধুমেহ বা ডায়বেটিসের সমস্যায় জর্জরিত ব্যক্তি উপকার পাবেন ।
# রক্তস্বল্পতা....!!!
অ্যাপ্রিকটসে ভরপুর মাত্রায় আইরন ও কপার আছে । যা এইডস ও রক্তস্বল্পতা দূর করতে সহায়ক ।

06/09/2020

কালো কিশমিশ.....!!!!
কিশমিশের পুষ্টি উপাদানগুলি:-
১.ফাইবার...!!!
কিশমিশ ফাইবার সমৃদ্ধ উৎস।এগুলি হজম করা সহজ এবং আপনার পাচন তন্ত্রকে সঠিক পথে রাখতে সহায়তা করতে পারে।ফাইবার আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ন ঠিকই তবে সেটি একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য আরও বেশি জরুরি।গর্ভাবস্থায় একজন মহিলার দেহকে খাদ্য ভাঙ্গনের জন্য লড়াই করতে হয়।হরমোনীয় ভারসাম্যহীনতাগুলি বহুবিধ হজমজনিত সমস্যার কারণ হয়ে উঠতে পারে, তবে কিশমিশ সেগুলি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
২.আয়রণ বা লোহা...!!!
কিশমিশ খাওয়ার অপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা হল এগুলি শরীরে আয়রণ বা লোহা সরবরাহ করে থাকে।শরীরের জন্য আয়রণ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, হৃদযন্ত্রের সু–স্বাস্থ্য বজায় রাখে এবং অক্সিজেন বহনকারী রক্ত কোষগুলির ফুসফুসের মধ্যে গ্যাসীয় আদান প্রদানকে নিশ্চিত করার একটি স্বাস্থ্যকর উৎস হিসেবে কাজ করে। আর এটি আপনার ফুসফুসের সুস্থভাবে কাজ করাকে সুনিশ্চিত করে।আয়রণের ঘাটতির কারণে আয়রণ–ঘাটতি জনিত অ্যানিমিয়া নামক এক ধরণের অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা দেহের মধ্যে দেখা দিতে পারে।
৩.ক্যালসিয়াম...!!!
আপনার দেহের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খনিজ হল ক্যালসিয়াম।এই খনিজটি হাড়ের স্বাস্থ্য, দাঁতের স্বাস্থ্য, কোলেস্টেরল বিশোষণ, ত্বকের স্বাস্থ্য এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ঠিকমত বজায় রাখতে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এটি আপনার দেহে প্রয়োজন হয় দৈহিক ক্রিয়াগুলিকে যথাযথভাবে অব্যাহত রাখার জন্য আর কিশমিশ হল সেই ক্যালসিয়ামেরই এক সমৃদ্ধ উৎস।এমনকি, গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ক্যালসিয়াম দ্বিগুণ গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি গর্ভে শিশুর হাড়ের বিকাশের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এটি শিশুর হাড়ের ঘনত্ব স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকা এবং তা যথাযথ ভাবে বিকাশ হওয়াকে নিশ্চিত করে।

06/09/2020

গোল্ডেন কিসমিস...!!!
খাবারের স্বাদ দ্বিগুণ করতে কিসমিস এর জুড়ি নেই। বিভিন্ন রকমের মিষ্টি খাবারের রেসিপিতেই যেন কিসমিস বেশি শোভা পায়। শুধুমাত্র স্বাদেই অতুলনীয় নয় ছোট এই ড্রাই ফ্রুট। অনেক উপকারিতাও রয়েছে এই কিসমিসের। এছাড়া রোজই নিয়ম করে কিসমিস অথবা কিসমিস ভেজানো পানি খেলে অনেক উপকার হয়। তাহলে জেনে নিন কিসমিস এর ৭টি উপকারিতা-

১। এক গবেষণায় দেখা গেছে দিনে নির্দিষ্ট পরিমাণ কিসমিস খাওয়া উচিত প্রত্যেক মহিলার। এর ফলে শরীর প্রয়োজনীয় ক্যালোরি পাবে কিন্তু কোনও ফ্যাট থাকবে না।

২। কিসমিস এর মিষ্টি স্বাদ শরীরে শক্তি জোগায়। কারণ এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট।

৩। কিসমিসে প্রচুর মাত্রায় আয়রন থাকে। অনেক মহিলার শরীরে আয়রনের কমতি থাকে। আর এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য কিসমিস ভীষণ উপকারে লাগে।

৪। কিসমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এটি স্নায়ুতে রক্তপ্রবাহের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। এছাড়া পেশি সংকোচনের হার কমিয়ে দেয়।

৫। যাদের হৃৎপিণ্ডের সমস্যা রয়েছে, তারা নিয়মিত কিসমিস খান। কারণ কিসমিস হৃৎস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৬। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা এড়াতে নিয়মিত কিসমিস খান। কিসমিস রক্তে সোডিয়ামের পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৭। কিসমিস ভেজানো পানি শরীরের জন্য অনেক উপকারি। লিভার ও কিডনির সমস্যাতেও কিসমিস ভীষণ উপকারি।

জেনে নিন কিভাবে কিসমিস ভেজানো পানি পান করবেন:

প্রথমে একটি পাত্রে ২ কাপ পরিমানে পানি নিয়ে নিন। এরপর এরমধ্যে দেড়শো গ্রাম কিসমিস সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে কিসমিস গুলো ছেঁকে নিয়ে পানিটা হালকা একটু গরম করে পান করুন কিসমিস ভেজানো পানি।

Want your business to be the top-listed Shop in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


36/A Aziz Co-oparativ Supar Market
Dhaka
1000