SF Tech Solution BD
Committed to People, Committed to the Future.
(Your Trusted Importer & Retailer of all Kinds of Small Modern Gadgets, Electronics, and Lifestyle Online Shopping)
23/12/2025
বাড়ি কিনছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
একটি নতুন গাড়ি নিচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
নতুন ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
ছুটিতে যাচ্ছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
নতুন কোর্স শুরু করছেন? — মুখ বন্ধ রাখুন।
চাকরিতে পদোন্নতি হবে? — মুখ বন্ধ রাখুন।
জীবনের বড় বড় মুহূর্তে আমাদের মনে হয়, প্রিয়জন বা বন্ধুদের জানালে খুশি হবে। মনে হয়, সুখ ভাগ করলে দ্বিগুণ হয়। কিন্তু সত্যি বলতে কী, সব সময় তা হয় না। বরং অতি তাড়াতাড়ি মুখ খোলাই হয়ে দাঁড়ায় সবচেয়ে বড় ভুল।
আমাদের স্বপ্ন আসলে একেকটা বীজ। এই বীজকে মাটিতে রোপণ করার পর যত্ন চাই, সুরক্ষা চাই। কিন্তু যদি খুব তাড়াতাড়ি সবাইকে দেখাতে ব্যস্ত হই, তখন সেটি শেকড় গজানোর আগেই শুকিয়ে যায়। বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে—যত বেশি স্বপ্ন শেয়ার করবেন, তত বেশি হিংসা, ঈর্ষা আর বদনজরের চোখ আপনার দিকে পড়বে। আর এটাই অনেক সময় আপনার সাফল্যের পথে অদৃশ্য দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়।
আমরা যাদের "বন্ধু" বলে বিশ্বাস করি, তাদের সবাই আন্তরিক নয়। কেউ কেউ চায় আপনি ভালো থাকুন, কিন্তু কখনোই তাদের চেয়ে ভালো না। তাই তারা হাসিমুখে অভিনন্দন জানালেও মনে মনে আপনার ব্যর্থতা কামনা করতে পারে। এটা তিক্ত হলেও সত্যি।
আমরা ভেবে নিই, অন্তত পরিবার তো আমাদের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পরিবারের ভেতরেও সূক্ষ্ম হিংসা থাকতে পারে। ভাই, বোন, আত্মীয় কেউ কেউ চাইতে পারে যে আপনি তাদের ছাড়িয়ে না যান। এই গোপন প্রতিযোগিতা অনেক সময় আপনার আনন্দকে নিঃশব্দে বিষিয়ে দিতে পারে।
অনেকে বলে বদনজর শুধু কুসংস্কার। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে অন্য কথা। মানুষ যখন আপনার উন্নতি দেখে ঈর্ষায় পুড়ে যায়, তখন সেই নেতিবাচক এনার্জি আপনার জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। সনাতন হিন্দু ধর্ম , ইসলাম ধর্ম ও অন্য প্রায় সব ধর্মেই বদনজরের উল্লেখ আছে। অর্থাৎ, এটা কোনো কাল্পনিক ভয় নয়।
নীরবতা দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি। চুপ থাকা মানে ভেতরে ভেতরে প্রস্তুত হওয়া। কৃষক যেমন বীজ রোপণের পর প্রতিদিন হাটে গিয়ে ঘোষণা করে না, তেমনি বুদ্ধিমান মানুষও নিজের স্বপ্ন গোপন রাখে। সময় এলে ফলাফল নিজেই কথা বলে। তখন আর কাউকে বোঝানোর প্রয়োজন হয় না।
আপনার ভাগ্যে যা আছে, ঈশ্বরের লিখে রাখা পরিকল্পনা কেউ মুছে দিতে পারবে না। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে বেশি মুখ খোলার কারণে আপনি নিজের জন্য অযথা বাধা তৈরি করতে পারেন।তাই বিশ্বাস রাখুন, ধৈর্য ধরুন, পরিশ্রম করুন এবং যতটা সম্ভব মুখ বন্ধ রাখুন।
মনে রাখবেন, স্বপ্নকে আগেভাগে প্রকাশ করা মানে তাকে দুর্বল করে ফেলা। হিংসা, ঈর্ষা আর বদনজর সত্যিই আপনার সাফল্যকে ধ্বংস করতে পারে। তাই যখনই জীবন আপনাকে কোনো বড় সুখবর দেবে—নতুন বাড়ি, গাড়ি, বিয়ে বা পদোন্নতি—তখন আনন্দে চিৎকার না করে নীরবে উপভোগ করুন। সময় এলে আপনার সাফল্যই পুরো পৃথিবীকে জানিয়ে দেবে আপনি কী করেছেন।
07/07/2025
📲 সোশ্যাল মিডিয়াতে ইনকাম ও তার বাস্তবতা
🎥 বাস্তবতা না বুঝে রিলস বানানোর নামে জীবনের ভারসাম্য হারানো…
বর্তমানে বহু তরুণ-তরুণী ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবে ভিডিও বানিয়ে ইনকাম করার আশায় দিনরাত সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যস্ত।
সকাল-বিকেল রিলস বানানো, এডিটিং, ভিউ বাড়ানো নিয়ে এতটাই ডুবে থাকে যে
পরিবার, পড়াশোনা, চাকরি এমনকি সম্পর্কও উপেক্ষিত হয়ে যায়।
📉 ফলাফল: সংসারে অশান্তি, আত্মবিশ্বাসে ভাটা, ক্যারিয়ারে অনিশ্চয়তা।
🔍 সোশ্যাল মিডিয়া ইনকামের প্রকৃত চিত্র (বাংলাদেশ-ভারত ভিত্তিক সমীক্ষা)
✅ মাত্র ৫-১০% মানুষ নিয়মিত ইনকাম করে
❌ বাকিরা ইনকামের আশায় সময় ও শ্রম নষ্ট করে
✅ যাদের কাছে পরিকল্পনা, দক্ষতা ও ধৈর্য আছে, তারা সফল হয়
❌ ভিউ/লাইক কম হলে মানসিক হতাশা দেখা দেয়
🧩 যে বিষয়গুলো অনেকেই ভুল বোঝে
1. সবাই ইনফ্লুয়েন্সার হতে পারে না
👉 প্রতিভা, ধারাবাহিকতা এবং সত্যিকারের কনটেন্ট দরকার।
2. ভিউ মানেই টাকা না
👉 ফেসবুকে ইনকাম করতে হলে রয়েছে অনেক নিয়ম ও সীমাবদ্ধতা (যেমন: Reels Bonus, Ad Monetization, Affiliate Marketing)।
3. কেবল ভিডিও বানিয়ে ইনকাম আসবে এ ধারণা ভুল
👉 রেগুলার ও মানসম্মত কনটেন্ট, SEO, engagement strategy না থাকলে ইনকাম মেলেই না।
👨👩👧👦 এই প্রবণতার পারিবারিক প্রভাব
• ঘরের কাজ বা দায়িত্ব থেকে দূরে সরে যাওয়া
• স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য
• বাবা-মা বা সন্তানের জন্য সময় না থাকা
• অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা
• অন্যের সফলতা দেখে হিংসে, হতাশা
💡 সমাধান কী?
✅ আগে বুঝুন: আপনি কী বিষয়ে কনটেন্ট বানাতে পারবেন?
✅ শেখার জন্য সময় দিন: Video Editing, Scripting, Voice-over, Lighting ইত্যাদি
✅ সময়কে ভাগ করে ব্যবহার করুন: সংসার, পড়াশোনা, চাকরি সবকিছুর প্রতি দায়িত্ববোধ রাখা জরুরি
✅ অর্থ না এলে হতাশ হবেন না: শুরুতে ফল না পেলেও শেখার জার্নিটা মূল্যবান
✅ প্রয়োজনে পারিবারিক আলোচনায় বসুন: সবাইকে বোঝান আপনার লক্ষ্য, এবং শোনার অভ্যাস গড়ুন
✍️ শেষ কথা
সোশ্যাল মিডিয়াতে ইনকাম করা সম্ভব, তবে সেটা ধৈর্য, দক্ষতা ও ভারসাম্যের মাধ্যমে।
শুধু “ভিউ” আর “লাইকের” পেছনে ছুটে গিয়ে বাস্তব জীবনের দায়িত্ব ও সম্পর্কগুলো হারিয়ে ফেলবেন না।
> 📌 রিলস নয়, বাস্তবতা আগে বুঝুন।
📌 ট্রেন্ড নয়, ভবিষ্যৎ গড়ার দিকেই মন দিন।
জেনে নেই স্বর্নের মাপ ও খুটিনাটি :
দেশীয় হিসাব স্বর্ণ পরিমাপের একক
১ ভরি = ১৬ আনা
১ ভরি = ৯৬ রতি
১ আনা = ৬ রতি
ভরি গ্রাম কেজি এ সমস্ত যেমন মাপের একক-ঠিক তেমনি ভরি সোনা ২৪ ক্যারেট ধরে হিসাব করা হয়। ৯৬ রতিতে হয় ১ ভরি। সে হিসাবে ৯৬ কে ২৪ দিয়ে ভাগ করলে হয় ৪ রতি,আর এই ৪রতি সমান ১ ক্যারেট।
কিন্তু বিদেশে বা আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ কিনতে গেলে ভরি হিসেবে কিনতে কেনা যায় না। কারণ, বিদেশে স্বর্ণ বিক্রির একক হিসেবে ওজন পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক “কিলোগ্রাম” বা “আউন্স” ব্যবহার করা হয়। কিলোগ্রামের ভগ্নাংশ হচ্ছে "গ্রাম"। স্বর্ণ যেহেতু অনেক মূল্যবান, তাই লোকে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে এটা কিনে থাকে।
তাই স্বর্ণের ওজন পরিমাপে গ্রাম বা আউন্স-ই বেশি ব্যবহার হয়। অবশ্য অনেকেই জানেন না, যে কত গ্রাম বা আউন্স -এ কত ভরি হয়। এটা জানা থাকলে দেশ-বিদেশে স্বাচ্ছন্দে স্বর্ণ কেনাকাটা করা যায় একই সঙ্গে দামের পার্থক্যটাও ধরা পড়ে।
৮ আনা = ৫.৮৩২ গ্রাম
১৪ আনা = ১০.২০৬ গ্রাম
১ ভরি = ১১.৬৬৩৮ গ্রাম
আবার,
১ আউন্স = ২৮.৩৪৯৫ গ্রাম
১ আউন্স = ২.৪৩০৫ ভরি
১ ভরি = ০.৪১১৪৩ আউন্স
স্বর্ণের বিশুদ্ধতা
অনেকে বিয়ে উপলক্ষে স্বর্ণ কেনার কথা ভাবছেন। এছাড়াও নতুন সন্তানের মুখ দেখতে, জন্মদিন ,আকিকা, সুন্নাতে খতনা, মুখে ভাত সহ বিবিধ উপলক্ষে স্বর্ণালংকারের চাহিদা থাকে বছরের সব সময়ই। অতি মূল্যবান ধাতু এই স্বর্ণের গহনা কেনার সময় এর বিশুদ্ধতা যাচাই করাও আবশ্যক। এতে করে ক্রেতা জানতে পারবেন যে তিনি কষ্টার্জিত অর্থ খরচ করে কতটুকু খাঁটি স্বর্ণ পেয়েছেন আর কতটুকু খাঁদ খাঁদ বা ভেজাল।
স্বর্ণালংকার কেনার সময় জানতে হবে ক্রেতা কত ক্যারেটের স্বর্ণ কিনবেন। স্বর্ণ সাধারনত: ২৪, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের হয়ে থাকে বা ১৪ এবং ১০ ক্যরেটেরও স্বর্ণ আছে। ২৪ ক্যারেট সোনা হচ্ছে খাঁটি সোনা। যা কেবল বার হিসাবে পাওয়া যায়।
তৈরি গহনার মধ্যে ২২ ক্যারেট সবচেয়ে ভালো। ক্যারেট হিসাবে তাতে ২ ক্যারেট বাদ গেলে ১ আনা ২ রতি খাঁদ বা ভেজাল থাকবে। আপনি যদি ২১ ক্যারেট গহনা কিনতে চান তাহলে তাতে খাঁদ থাকবে ২ আনা আর ১৮ ক্যারেট কিনলে খাঁদ থাকবে প্রতি ভরিতে ৪ আনা।
ক্যারেট অনুযায়ী বিশুদ্ধতার আন্তর্জাতিক তালিকা
ক্যারেট বিশুদ্ধতার পরিমাণ:
২৪ ক্যারেট ৯৯.৯৯ % পিউর
২২ ক্যারেট ৯১.৬০ % পিউর
২১ ক্যারেট ৮৭.৫০% পিউর
১৮ ক্যারেট ৭৫.০০ % পিউর
১৪ ক্যারেট ৫৮.৫ % পিউর
১০ ক্যারেট ৪১.৭ % পিউর
যখনই স্বর্ণালংকার ক্রয় করা হবে অবশ্যই অর্ণামেন্টেস-এর গায়ে খোদাই করা ক্যারেট লেখা দেখে নেয়া উচিত। অর্ণামেন্টেস-এর গায়ে অথবা চেনের হুকে খোদাই করা লেখা থাকবে ৯৯৯৯ অর্থাৎ ২৪ ক্যারেট , ৯১৬ অর্থাৎ ২২ ক্যারেট, ৮৭৫ অর্থাৎ ২১ ক্যারেট, ৭৫০ অর্থাৎ ১৮ ক্যারেট।
জেনে নিন!
১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।
এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।
৩টি গল্পঃ
০১. নকিয়া অ্যান্ড্রয়েডকে গ্রহণ করেনি।
০২. ইয়াহু গুগলকে প্রত্যাখ্যান করেছিলো।
০৩. কোডাক এড়িয়ে গিয়েছিলো ডিজিটাল ক্যামেরাকে।
শিক্ষাঃ
০১. ঝুঁকি নিতে হয়।
০২. পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে হয়।
০৩. সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে না-চাইলে, বাতিল হয়ে যেতে হয়।
আর ২টি গল্পঃ
০১. ফেসবুক নিয়ে নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ ও ইন্সটাগ্রামকে।
০২. দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় গ্র্যাব নিয়ে নিয়েছে উবারকে।
শিক্ষাঃ
০১. অতো ক্ষমতাধর হতে হবে, যাতে প্রতিদ্বন্দ্বীরা মিত্রতা করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
০২. শীর্ষে উঠে যেতে হবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বিনাশ করে দিতে হবে।
০৩. নতুন আইডিয়ায় মনোযোগ দিতে হবে।
আরও ২টি গল্পঃ
০১. কর্নেল স্যান্ডার্স কেএফসি প্রতিষ্ঠা করেছেন ৬৫ বছর বয়সে।
০২. জ্যাক মা, যিনি 'কেএফসি'-তে চাকরি পাননি, প্রতিষ্ঠা করেছেন 'আলিবাবা' এবং ৫৫ বছর বয়সে অবসরে চলে গেছেন।
শিক্ষাঃ
০১. বয়স একটি সংখ্যা মাত্র।
০২. যারা চেষ্টায় থাকে, শুধুমাত্র তারাই সফল।
শেষ, কিন্তু শেষ নয়ঃ
০২. ল্যামবোর্ঘিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন একজন ট্রাক্টর-নির্মাতা, ফেরারি'র প্রতিষ্ঠাতা তাকে অপমান করেছিলো বলে এবং এর প্রতিশোধ হিসেবে।
শিক্ষাঃ
কাউকে তুচ্ছ ভাবতে নেই, কক্ষনো না।
স্রেফ পরিশ্রম করে যেতে হবে,
সময়কে বুদ্ধিমত্তার সাথে ইনভেস্ট করতে হবে,
ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়া যাবে না।
সংগৃহীত
সংসারের টুকিটাকি কিছু টিপস জেনে নিন 👇
১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজা যেমন সাদা হবে তেমনি মোলায়েম থাকবে।
২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।
৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।
৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।
৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।
৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।
৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।
৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।
৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।
১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।
১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।
১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।
১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।
১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।
১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।
১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।
১৭। সেদ্ধ ডিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চাইলে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।
১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।
২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশিয়ে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।
২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।
২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।
২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।
২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।
২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।
২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।
২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।
২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।
৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।
৩১। অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।
৩২। আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
House No # 07, Road No # 13, Kallyanpur
Dhaka
1207