GastroPlus

GastroPlus

Share

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল

24/03/2023
23/03/2023

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানের প্রাকৃতিক উপায়

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানের প্রাকৃতিক উপায়
এসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা আজকাল নিত্তনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়ম মেনে খাবার না খাওয়া, অতিরিক্ত ঝাল মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া, মানসিক চাপ ও মদ্যপানের কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। এছাড়া বাইরের খাবার খাওয়া ও অতিমাত্রায় ফাস্টফুডে আসক্তির কারণে গ্যাস্টিক সমস্যা বাড়ছে।

গ্যাস্টিকের লক্ষণ:
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হলে খিদে কম পায়, পেটে গ্যাস হয়, বুক জ্বালা করে ও পেটের মাঝখানে চিনচিন ব্যথা, বুক ও পেটে চাপ অনুভূত, হজমে অসুবিধা এবং বমি হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা বেশি হলে সবাই কম বেশি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেয়ে থাকেন হয়তো। বিশেষজ্ঞের মতে, ওমিপ্রাজলজাতীয় গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ বছরের পর বছর খাওয়া বিপজ্জনক। এতে পাকস্থলীর পিএইচ পরিবর্তিত হয়ে যায়, ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে, রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে।

তবে আপনি জানেন কি- ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়?

👉 আল্লাহ যেমন আমাদের রোগ দিয়েছেন,ঠিক তেমনি সমাধানও দিয়েছেন আর এই সমাধান রয়েছে প্রকৃতির মধ্যে।

👉 এই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা তৈরি করেছি গাস্ট্রো প্লাস পাউডার। এই পাউডার তৈরি করা হয়েছে মহা মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য ২০ টিরো অধিক দেশী ও বিদেশী ভেজষ উপাদান দিয়ে।

👉এই গ্যাস্ট্রো প্লাস পাউডার আপনাকে গ্যাস্ট্রিকের স্থায়ী সমস্যা সমাধান করবে ইনশাআল্লাহ। এটি খাওয়ার সাথে সাথেই আপনি এর রেজাল্ট অনুভব করবেন। এটির রেগুলার এক দুই মাস খাওয়ার পর আপনার গ্যাস্ট্রিকের একটা ভালো ফলাফল পাবেন ইনশাআল্লাহ।

👉 এই গেস্ট্রো প্লাস পাউডারটি পেতে চাইলে আমাদের পেইজে মেসেজ করতে পারেন অথবা স্ক্রিনে দেওয়ার নাম্বারে মোবাইল করতে পারেন👇

☎️01315886363 (ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপ)

16/03/2023

গ্যাস্ট্রিকে বিদায় বলুন ❤️

11/03/2023

গ্যাস্ট্রিক হলে প্রথমেই যে সব লক্ষণ ধরা পড়ে এমনটা নয়। হেলিকোব্যাকটর ফাইলোরি নামক এক ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবেই গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যার সূত্রপাত হয়। তবুও প্রাথমিক যে লক্ষণ গুলি দ্খে আপনি বুঝবেন যে গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যায় ভুগছেন

বমি- বেশিক্ষণ পেট খালি থাকলেই যকৃৎ থেকে যে বিনি নির্গত হয় তা গলব্লাডারে জমা হয়। এই তরল হজমে বাধা দেয়। ফলে বারবার বমি, পিত্তবমির মতো লক্ষণ দেখা যায়। এছাড়াও খাবারের সংক্রমণ থেকে প্রায়শই পেটে ইনফেকশনের মতো সমস্যা দেখা দেয়। অ্যাসিড বেশিমাত্রায় ক্ষরণ হয় বলে গলা জ্বালা, পেট ব্যথার মতো সমস্যা দেখা যায়।

ভিটামিন বি১২ এর অভাব- ভিটামিন বি ১২ এর অভাব অনেক সময়ই আমরা বুঝতে পারি না। ডি এন এ এবং রক্ত সঞ্চালনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এছাড়াও ডাইরিয়া,কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস, ডিপ্রেশন, শ্বাসের সমস্যা দেখা যায়। যাঁরা গ্যাসট্রিকের সমস্যার ভুগছেন তাঁরা যদি ডিম,লো ফ্যাট মিল্ক, লো ফ্যাট মিল্কের দই, চিকেন ব্রেস্ট খেতে পারেন তাহলে উপকার পাবেন।

ডায়েরিয়া ও পেটে ব্যথা- প্রায়শই ডায়েরিয়া হয়? আপনি ভাবেন বোধহয় খাবার সমস্যা বা জলের থেকে কোনও কারণে হয়েছে। কিন্তু সাতদিন ছাড়াই যদি এই সমস্যা দেখা যায় তাহলে বুঝতে হয়ে গ্যাস্ট্রিকের জন্য এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই সঙ্গে হঠাৎ করে পেট ব্যথা, বমি, ফুড পয়জন মানেই সমস্যা অন্য।

খিদে পেলে খুব দ্রুত পেট ভরে যায়- অনেকক্ষণ হল খিদে পেয়েছে কিন্তু একটু খেলেই মনে হয় আর খেতে পারছি না এ কিন্তু গ্যাস্ট্রিকের লক্ষণ।

অভ্যন্তরীন ব্লিডিং- যদি বুঝতে পেরে থাকেন ভেতরে রক্তক্ষরণ হচ্ছে তাহলে প্রথমেই সতর্ক হল। রক্ত বমি, রক্ত আমাশয় , র্কত্ পায়খানা হল এর লক্ষণ।

ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়া- বেশি ফ্যাট জাতীয় খাবার খাওয়া, ওজন বেড়ে যাওয়া, বেশি পরিমাণ নুন খাওয়া প্রভৃতি কারণে পেটে মেদ জমে। এর ফলে শুধুই যে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয় তা নয়, প্রায়শই গ্যাস, মেয়েদের মাসিক সংক্রান্ত সমস্যা

পেটে প্রায়শই ব্যথা- প্রায়শই পেটে ব্যথা হলে তা অবহেলা করবেন না। অনেক কিছুরই লক্ষণ হতে পারে।

05/03/2023

গ্যাস্ট্রিক বা পেপটিক আলসারের ঘরোয়া প্রতিকার
গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা প্রায় সবারই থাকে। গ্যাস্ট্রাইটিসের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে পেটের প্রদাহ, বদহজম, বমি বমি ভাব, বমি, ক্ষুধা হ্রাস, ক্ষুধা হ্রাস এবং খাওয়ার পরে পেটের উপরের অংশে পূর্ণতা অনুভব করা। গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু ঘরোয়া উপায়-

আলুর রস
1. আলুর রস গ্যাস্ট্রিক সমস্যা প্রতিরোধের অন্যতম সেরা উপায়। আলুতে থাকা ক্ষারীয় উপাদান গ্যাস্ট্রিক সমস্যার লক্ষণ প্রতিরোধ করে।
2. এক বা দুটি আলু গ্রেট করুন। এর থেকে গ্রেট করা আলুর রস বের করে নিন। এরপর আলুর রসে গরম পানি দিন। এই পানীয়টি দিনে 3 বার পান করুন। প্রতিটি খাবারের 30 মিনিট আগে আলুর রস খান। তবে এই পানীয়টি অন্তত ২ সপ্তাহ পান করুন।

আদা
1. আদাতে আছে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা গ্যাস্ট্রিক আলসার প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে। আদা খেলে বমি, বদহজম ও বমি কমায়।
2. আপনি মধুতে রস যোগ করতে পারেন। লাঞ্চ এবং ডিনারের আগে খান।

3. আদা পানি দিয়ে পিষে ফুটিয়ে নিন। 10 মিনিটের জন্য ছেড়ে দিন, একটু মধু যোগ করুন এবং চা তৈরি করুন। এই পানীয়টি দিনে ২/৩ বার পান করলে উপকার পাবেন।
4. ইচ্ছা হলেআদা পুরোটা ধুয়ে চিবিয়ে খাওয়া যায়।

দই
1. প্রতিদিন 2/3 চা চামচ দই খান।
2. দই আমাদের পেটকে ‘এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়া’ থেকে রক্ষা করে যা গ্যাস্ট্রাইটিসের সবচেয়ে কম সাধারণ কারণ। এর পাশাপাশি দই আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।
3. আপনি চাইলে কলা, দই ও মধু একসাথে খেলে পেটের সমস্যা দূর হবে।

শসা
পেট ঠান্ডা রাখতে শসা খুবই কার্যকরী একটি খাবার। সবুজ শসা হজমেও সাহায্য করে। এতে ফ্ল্যাভোনয়েড এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে যা ফুসকুড়ি কমায়। এছাড়াও এটি সিলিকা এবং ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ। এটি ওজন কমানোর জন্য একটি আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর হয়।

পেঁপে
পেঁপেতে রয়েছে প্যাপেইন নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। তাই নিয়মিত পেঁপে খেলে গ্যাসের সমস্যা কমে যাবে। পেঁপে কাঁচা বা রান্না করে খাওয়া যায়। আপনি সবকিছু থেকে উপকৃত হবেন.

আনারস
আনারসে 75% জল এবং ব্রোমেলেন নামক একটি প্রাকৃতিক পাচক এনজাইম রয়েছে, যা সবচেয়ে কার্যকর হজমকারী জুসার। এটি পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে। তা ছাড়া আনারস ত্বকের জন্যও ভালো।

হলুদ
হজম সংক্রান্ত সব ধরনের সমস্যা দূর করতে হলুদ খুবই কার্যকরী। এটি চর্বি হজমে ভূমিকা রাখে। এছাড়াও, হলুদে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা প্রদাহ কমায়।

কলা
যারা প্রচুর লবণ খান তাদের গ্যাস এবং হজমের সমস্যা হতে পারে। কলায় থাকা পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়াম ও পটাসিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। কলা হজমেও সাহায্য করে। শরীর থেকে ময়লা দূর করে।

পানির
কয়েকবার জল। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই গ্লাস পানি পান করুন, দেখবেন সারাদিন পেটের ব্যথার মোকাবিলা করতে হবে না। কারণ পানি হজম শক্তি বাড়াতে খুবই কার্যকরী। এছাড়াও পানি পরিপাকতন্ত্র পরিষ্কার রাখতেও কাজ করে।

গ্যাসের সমস্যা থেকে বের হওয়া খুব একটা কঠিন কাজ নয়। আপনি অন্য লোকেদের প্রতি যে সহায়তা প্রদান করেন তার সাথে আপনাকে আরও বৈষম্যমূলক হতে হবে। নির্দিষ্ট খাবারের পাশাপাশি বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া শুরু করুন, তাহলে দেখবেন আপনি আর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন না। ওষুধ কিনতে এবং আপনার উপার্জন করা অর্থ সঞ্চয় করার দরকার নেই।

Want your practice to be the top-listed Clinic in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Keranigonj
Dhaka