CrickPost

CrickPost

Share

খেলাধুলা প্রেমিদের সাথে সবসময়

19/07/2022

আমার জীবনের সেরা ১০ টি লজ্জা -
ড. মাহফুজুর রহমান :
১) ক্লাস ফাইভে পড়ি, পাশের বাড়ির আমার বয়েসি এক ছেলের সাথে ওর বিদেশী লেগো সেট নিয়ে খেলা করি। একদিন ওর সেটের একটা পার্টস খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমি ও খুঁজলাম। আমি ওর বাসা থেকে বের হবার সময় ওর মা আমার শার্ট প্যান্টের পকেট চেক করলো।
২) আমার এক কাজিন একটা দূর্দান্ত আই,বি,এম পিসি কিনলো। মানে ওর বাবা কিনে দিয়েছিলো। উনি তখন ইন্টার পড়তেন। সবাই কে দাওয়াত করে এনে কম্পিউটার দেখাচ্ছে। আমি ওই পিসি র মাউস টা একটু নাড়ানোর অপরাধে কষে থাপ্পড় খেলাম।
৩) কুরবানি ঈদের পরের দিন আমি বাড়িওয়ালার বাসায় দেখা করতে যাই। উনারা কথা বার্তা বললেন। আমি টেবিলে বসে আছি। পরিচারিকা পোলাও মাংস, কাবাব নিয়ে এলো। আমি হাত ধুতে বাথরুমে গেলাম। এসে দেখি কিছুই নেই। সে তাদের আত্মীয় কে খাবার দেবার পরিবর্তে ভুল করে আমাকে দিয়েছে। পরে সেমাই খেয়ে চলে এলাম।
৪) পাড়ার সবাই একটা রেস্টুরেন্ট এ খেতে গিয়েছি। এক ভাইয়ার বাবা গাড়ি কিনেছেন সেই সেলিব্রেশনে। আসার সময় দামী মাইক্রোবাস এ সবার যায়গা হলো। আমার হলো না। এক বড় ভাই বল্লো, তুমি একটা রিকশা করে চলে আসো। আমি গাড়ি থেকে নেমে গেলাম। একটা মেয়ে ফিক করে হেসে ফেল্লো।
৫) আমার ক্যালকুলেটর নষ্ট, বন্ধু কে বললাম এক্সাম চলছে কলেজে, দুই/তিন দিনের জন্য ক্যালকুলেটর টা ধার দে। ওর ক্যালকুলেটর টা এক্সপেনসিভ। ও দিলো না। হেসে হেসে বল্লো, এইটা হারায়া ফেললে তোর আব্বাও এইটা কিনে দিতে পারবে না।
৬) স্কুল লাইফে একটা মেয়ে কে অনেক পছন্দ করতাম। তাকে বলার সাহস কখনো হয়নি। একদিন সাহস করে ওর বার্থডে তে একটা গোলাপ দিয়ে ওকে বললাম, হ্যাপি বার্থডে।
ওর গোলাপ টা ছুড়ে ফেলে আমাকে বল্লো, যেমন ফকিন্নি মার্কা চেহারা তেমন ফকিন্নি ছাত্র। এতো সাহস ক্যান তোমার!! পাশে ওর অনেক বান্ধবী ছিলো, সবাই হো হো করে হেসে ফেল্লো।
৭) ক্রিকেট ম্যাচ হবে। পাশের পাড়ার সাথে। চ্যালেঞ্জ ম্যাচ। আমি খুব ই এক্সাইটেড। আগের দিন ব্যাট মুছে রেডি করলাম। সকালে আমার মা আমাকে আদর করে দোয়া পড়ে দিলেন। মাঠে গিয়ে দেখি আমাদের টিমে ১৪ জন। আমি ওপেনিং বোলিং করবো। হালকা প্র্যাক্টিস করছি। ক্যাপ্টেন বড় ভাই ১১ জন সিলেক্ট করে দুই জন এক্সট্রা রাখলেন। আমি রিকশা করে মাথা নিচু করে বাড়ি ফিরে এলাম। ১৪তম লোক টা আমি।
৮) নাইনে অংকে পেলাম ৩৯। ক্লাস টেনে রোল নাম্বার পিছিয়ে ৬০। আমার আত্মীয় স্বজন আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করে। একবার আমার মামার বাসায় বেড়াতে গেলাম। ক্লাস থ্রি তে পড়া মামাতো বোন আমার কাছে একটা অংক নিয়ে এলো। সুন্দর করে বুঝিয়ে দিলাম। আমার মামী বল্লো, যাও সুমনের (আমার আরেক কাজিন) কাছে বুঝো। ও অংক বুঝে নাকি?
যথারীতি সবাই হেসে ফেল্লো।
ক্লাস থ্রি এর অংক ও আমি বুঝি না।!!
৯) ছোট্ট বেলায় খুব রোগা ছিলাম। দেখতেও ভালোf ছিলাম না। একসাথে পাড়ার সব ছেলেরা যখন খেলতাম, কোনো সুন্দর মেয়ে আশেপাশে এলে অন্য রা আমাকে আব্দুল আব্দুল করে ডাকতো। একবার আমি শুনতে পেরেছিলাম একটা ছেলে বলছিলো, ওর নাম ও আব্দুল, দেখতে ও আব্দুলের মতো।
১০) কলেজ লাইফে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা আমার করার কথা, কিন্তু উপস্থাপিকা আমার সাথে উপস্থাপনা করতে চায় নি। কারন, আমি ওর লেভেলের স্মার্ট নই। আমাকে অনুষ্ঠানের দিন রিহার্সেল সত্ত্বেও দর্শক সারি তে বসতে হলো, যদিও বেশীক্ষণ থাকা লাগেনি, অন্য ছাত্র ছাত্রী র হাসাহাসির কারনে বাধ্য হয়ে বাসায় চলে এসেছিলাম
এই ঘটনা গুলো প্রতি টা ই আমার সাথে ঘটা। আমি নিজের ব্যাপারে সত্যিই কনফিডেন্ট ছিলাম না। খুব কষ্ট হতো। মাঝে মাঝে মনে হতো মরে যাই না কেনো?
আমি বড়লোক নই, সুদর্শন নই, স্মার্ট নই, কথা বলতে পারি না, খারাপ ছাত্র। কি দরকার আমার পৃথিবী তে থাকার? অনেক সময় শিক্ষক দের বকা খেতাম, মার খেতাম। কিন্তু আমি বেচে রইলাম, মরতে ভয় হয়। আমি চেষ্টা করে গেলাম।
আমার ভালো কোনো গুন না থাকলে ও একটা শক্তি ছিলো। স্বপ্ন কে বাস্তবতার রূপ দেবার জন্য সাহস। একা একাই যুদ্ধ করেছি। পাশে পেয়েছি আমার মা আর বাবা কে। আমার উপর তাদের অনেক বিশ্বাস ছিলো।
মানুষের সব অপমান, লাঞ্ছনা সহ্য করে, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আমি নিজেকে পরিবর্তন করেছি। I always forgive, but never forget.
আমার জীবন টা খুব সহজ সুন্দর ছিলো না। আমাকে জীবনে অনেক অনেক ধাক্কা খেতে হয়েছে। আর আমি শিখেছি – “জীবনে তোমার সব চেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু তুমি নিজেই।”
চোখের পানি কেউ মুছে দেয় না, নিজেকেই মুছতে হয়। ঘুরে দাঁড়াতে হয়। যখন কোনো আশা থাকেনা, আশা তৈরী করে নিতে হয়। লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে চলে যাবার পর ও সেখানে যাবার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে হয় মাথা উচু করে সবার মাঝে নিজেকে আলোকিত করতে।
আমি কষ্ট করেছি, সবাই যখন আনন্দ করতো, আমি তখন পারতাম না। কিন্তু একদিন পেরেছি। এবং সেই জয়ের তৃপ্তি যে কত খানি, আমি জানি।
আমি কষ্ট করেছি, সবাই যখন আনন্দ করতো, আমি তখন পারতাম না। কিন্তু একদিন পেরেছি। এবং সেই জয়ের তৃপ্তি যে কত খানি, আমি জানি।
আজ আমাকে যে কোনো প্রোগ্রামে সন্মান করা হয়। আমাকে লজ্জা পেতে হয় না। মোটামুটি সফল একজন প্রকৌশলী বলা চলে।
আমার যে পরিমান লেগো সেট আছে, অনেকেই ঈর্ষান্বিত হবে। আমি যে কম্পিউটার ব্যবহার করি ওই ভ্যালু তে সাধারন মানের দশ টা কম্পিউটার কেনা যাবে। অনেক অনেক ইলেকট্রনিক গেজেট আমি কিনি। অপচয় হয়তো, কিন্তু তৃপ্তি পাই।
প্রতি টা লজ্জার, চড়ের, লাঞ্ছনার হিসাব আদায় করি।
অসুন্দর বলে অনেক অপমানিত হয়েছি, এখন হইনা বরং সবাই বেশ হ্যান্ডসাম ই বলে কথা না বলতে পেরেও এখন ভালো বক্তা। আনস্মার্ট হয়েও এখন অফিসে স্মার্টনেসের রেফারেন্স।
ঘুরে দাঁড়ানো খুব কষ্টের কিছু না। প্রয়োজন শুধু সাহস আর দমের। বুকে দম থাকলে হারতে চাইলেও হারা যায় না। আর আশা, সুন্দর একটা স্বপ্ন। যা পূরন করা একমাত্র লক্ষ্য হতে হবে।
Don’t expect help…. help yourself. আমি যখন ভেঙ্গে পড়েছিলাম, তিন টা ওষুধ, আমার কাজে লেগেছিলো…
Self motivation
Self Confidence
Self Coaching
পরিশেষে এটাই বলবো আমার কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা না করে নীজেদের নিয়ে চিন্তা করো তবেই সাফল্য ধরা দিবে।
ধন্যবাদ
[লেখক এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান]
লেখা সংগ্রাহিত।

19/07/2022

কে আপনার কাছে সবথেকে বেশি প্রিয়?!

19/07/2022

ইউরোপের একটি দেশ যেখানে এই দৃশ্য অহরহ দেখতে পাবেন ।
একটি রেস্তোরা। ঐ রেস্তোরার ক্যাশ কাউন্টারে এক ভদ্রমহিলা এলেন আর বললেন ৫ টা কফি আর একটা সাসপেনশন। তারপর উনি পাঁচটি কফির বিল মেটালেন আর চার কাপ কফি নিয়ে চলে গেলেন।
কিছুক্ষণ পরে এক ভদ্রলোক এলেন আর অর্ডার করলেন দুটো লাঞ্চ প্যাক করুন আর দুটো সাসপেনশন রাখুন। উনি চারটে লাঞ্চের বিল মেটালেন আর দুটো লাঞ্চ প্যাকেট নিয়ে চলে গেলেন।
তার কিছুক্ষণ পর আরো একজন এলেন। অর্ডার করলেন দশটা কফি ছটা সাসপেনশন। উনি দশটা কফির পেমেন্ট করলেন আর চারটে কফি নিয়ে গেলেন।
এভাবেই একের পর এক চলতে লাগলো। বেশ কিছুক্ষণ পরে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি জর্জর অবস্থায় কাউন্টারে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কোনো সাসপেনশন কফি আছে ?
কাউন্টার থেকে জানানো হলো অবশ্যই আছে এবং এক কাপ গরম কফি ওনাকে দেওয়া হলো।
তারও অল্প কিছুক্ষণ পরে এক দাড়িওয়ালা ভদ্রলোক ভিতরে এসে জিজ্ঞাসা করলেন আজ কি কোনো লাঞ্চ সাসপেনশনে রাখা আছে ? কাউন্টার থেকে যথারীতি সম্মতি জানিয়ে তাকে গরম খাবারের একটি পার্সেল আর এক বোতল পানি দেওয়া হলো।
এই ব্যাপারটা সারাদিন চলছে তো চলছেই। কিছু মানুষ নিজেদের পকেট থেকে নিজেদের অর্জিত রোজগার থেকে কিছু অজানা মানুষের খাওয়ার জন্যে পেমেন্ট করছেন আর কিছু গরীব দুস্থ মানুষ বিনা পেমেন্টে নিশ্চিন্তে খাওয়া দাওয়া করছেন। দিনভর চলছে এই কান্ড।
অথচ কেউ জানেনা কারোরই পরিচয়। না দাতা জানে গ্রহীতার পরিচয় না গ্রহীতা জানে দাতার পরিচয়।
প্রয়োজন নেই পরিচয় জানার,
প্রয়োজন নেই নিজের নাম জাহির করার।
কিন্ত প্রয়োজন আছে কিছু অভুক্ত মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেবার এবং সেটা একেবারেই গোপনে।
মানবিকতার এই চরম শিখরে পৌঁছনো দেশটির নাম "নরওয়ে", এবং নরওয়ের দেখাদেখি এই পরম্পরা ছড়িয়ে পড়ছে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও!!

08/07/2022

বাংলাদেশের তিন লিজেন্ড

28/06/2022

শুনেছি ৪০ জন আমিন বললে দোয়া কবুল হয়,
আল্লাহ যেন সিলেট ও সুনামগঞ্জের সকল মানুষ কে রক্ষা করেন

28/06/2022

সিলেটের জন্য এক মাসের বেতন অনুদান দিলেন মুশফিক

ইংল্যান্ডে সিরিজের আগে ভারত শিবিরে বড় দুঃসংবাদ | করোনা আক্রান্ত যে তারকা ক্রিকেটার 26/06/2022

ইংল্যান্ডে সিরিজের আগে ভারত শিবিরে বড় দুঃসংবাদ | করোনা আক্রান্ত যে তারকা ক্রিকেটার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বার্মিংহাম টেস্টের আগে বড় একটি ধাক্কাই খেল ভারত দল। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ভারতের অধিনায়ক .....

26/06/2022

ইংল্যান্ডে সিরিজের আগে ভারত শিবিরে বড় দুঃসংবাদ; করোনা আক্রান্ত যে তারকা ক্রিকেটার

26/06/2022

Just Lesson:

গাধাকে সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা বললেন :
"তুই আজীবন কঠোর পরিশ্রম করবি, অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি। তোর মাথায় কোনো বুদ্ধিও থাকবেনা। তোকে আয়ু দিলাম ৫০ বছর।
👉 গাধা : সে কি !! এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন বাঁচতে চাইনা। প্লিজ, আমার আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন।
👉 সৃষ্টিকর্তা : যাহ, তাই দিলাম।
👉 কুকুরকে বললেন : "তুই হবি মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু, কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বেঁচে থাকবি। তোর আয়ু হবে ৩০ বছর।" শুনে, কুকুর বলল : দয়া করে একটু শর্ট করে ঐটা ১৫ করান। এতদিন বাঁচতে চাইনা। এইবারও রাজি হয়ে গেলেন।
👉 এরপর উনি বানরকে বললেন : "হে বানর, তোর একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক গাছে যাওয়া, আর তামশা দেখিয়ে মানুষকে বিনোদন দেওয়া। তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর।
👉 সে আবেগে কেঁদে বলল : দিবেনই যখন ১০ বছর দেন, আমি এত বড় জীবন দিয়ে কি করব??
👉 এইবার মানুষকে বলল : "তুমি হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ। তোমার আয়ুও হবে ২০ বছর।" সে তো খুশিতে পাগল হয়ে গেল,কিন্তু এত মহত জীবন নিয়ে মাত্র ২০বছর??
👉 সে করজোরে প্রভুকে বলল : একটা কাজ করা যায়না?আপনি আমাকে গাধার ফেরত দেওয়া ৩০ বছর,
কুকুরের ১৫ বছর,
বানরের ১০ বছর দিয়ে দেন।
👉 সৃষ্টিকর্তা বললেন : নিজের ভালো পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না। যাহ, দিলাম।
সেই থেকে মানুষ সুন্দর ভাবে বাঁচে ২০ বছর,
পরের ৩০ বছর গাধার মত সংসারের বোঝা টানে,
তার পরের ১৫ বছর ছেলে মেয়ে যা দেয় তাই খেয়ে পরে বেঁচে থাকে কুকুরের মতো, আর তার পরের দশ বছর বানরের মত, কখনো এক সন্তানের বাসা তো কখনো আরেক সন্তানের বাসায় ঘোরে আর নাতি নাতনিদের বিনোদন দেওয়াই হয় তাদের প্রধান দায়িত্ব।
হরে কৃষ্ণ।??? 🙏🙏
(সংগ্রহীত)

25/06/2022

মানুষের চাওয়া:একটু সময় নষ্ট হলেও পড়বেন- সংগৃহীত
=======================
❐ উকিল চায় আপনি ঝামেলায় পড়ুন।
❐ ডাক্তার চায় আপনি অসুখে পড়ুন।
❐ পুলিশ চায় আপনি বেআইনী কাজ
করুন।
❐ ইলেকট্রিশিয়ান চায় আপনার
বাড়ির ওয়্যারিং জ্বলে যাক।
❐ বাড়িওয়ালা চায় আপনি যেন
জীবনে বাড়ি করতে না পারেন।
❐ মুচি চায় আপনার নতুন জুতো ছিঁড়ে
যাক।
❐ ব্যাংকার চায় আপনি টাকা লোন
নিয়ে ঋনগ্রস্থ হোন।
❐ প্রাইভেট টিউটর চায় আপনার
সন্তান পাঠ্যপুস্তকের পড়া কম বুঝুক।
**শুধুমাত্র চোর চায় আপনি ধনী
হোন আর মহাসুখে নাক ডেকে ঘুমান।
এতএব, চোরই আপনার প্রকৃত বন্ধু।
--------------প্রমানিত
😃😃😃😃😃😃
৩টি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়।
১| নদীর পাড়ের বাড়ি
২। ব্রেক ছাড়া গাড়ি
৩। ঘর ছাড়া নারী।
তিনটি জিনিস একবার আসেঃ
(১) মাতা-পিতা
(২) সৌন্দর্য্য
(৩) যৌবন।
তিনটি জিনিস
ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ
(১) বন্দুকের গুলি
(২) কথা
(৩) রূহ।
তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ
(১)সু-সন্তান
(২)ভাল কাজ
(৩) ইলম।
তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ
(১)চুরি
(২)চোগলখুরী
(৩)মিথ্যা।
তিনটি জিনিস
পিছনেতে রাখোঃ
(১)হিংসা
(২)অভাব
(৩)সন্দেহ।
তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রেখঃ
(১) উপদেশ
(২) উপকার
(৩) মৃত্যু।
তিনটি জিনিস কে আয়ত্বে রেখঃ
(১) রাগ
(২) জিহবা
(৩) মন।
তিনটি জিনিস অভ্যাস করঃ
(১) সততা
(২) ভক্তি
(৩) ভালোবাসা
তিনটি জিনিস থেকে দূরে থেকঃ
(১) মিথ্যা
(২) অহংকার
(৩) অভিশাপ।
তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করঃ
(১) কলম
(২) কথা
(৩) কদম
নুপুরের দাম হাজার টাকা,,
কিন্তু তার স্থান পায়েই হয়,,
টিপের দাম এক টাকা হলেও ,,
তার স্থান কপালে। "যে নুনের মতো
তিতকুটে জ্ঞান দেয়, সে আসল বন্ধু"।
ইতিহাস সাক্ষী আছে, নুনে কখনো পোকা ধরেনি,,
আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই পোকা ধরে, পিঁপড়ারাও ছাড়েনি।
মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ করা হয় ,,
আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়।
মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না,,
আর বাঁকা পথের প্রতি সবারই
আগ্রহ বেশী।
এজন্যই তো মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে যেতে হয় না,,
আর দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায় পাড়ায় যেতে হয়।
আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি, "জল মেশাননি তো?",,
আর মদে নিজেরাই জল মিশিয়ে খাই।
আজ পর্যন্ত মানুষকে এটুকুই বুঝলাম,,,
যে "তাকে জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায়,,
কিন্তু সিংহ বললে খুশি হয় !!
*মানুষ বড় আজব প্রাণী*

একই দলে খেলবেন সাকিব আল হাসান,বাবর ও কোহলি 25/06/2022

একই দলে খেলবেন সাকিব আল হাসান,বাবর ও কোহলি

একই দলে খেলবেন সাকিব আল হাসান,বাবর ও কোহলি একই দলে খেলবেন সাকিব আল হাসান,বাবর ও কোহলি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে ভারত বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সি...

Want your business to be the top-listed Media Company in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Dhaka
1216