Round Table Conference RTC
আমরা পৃথিবীকে কিছু বলতে চাই।
দুটি কথা
২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলীয় প্রধান নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে যতবার রাজনৈতিকভাবে আপোষ রফার চেষ্টা করেছেন ততবার বেগম খালেদা জিয়াকে ভুল পথে চালিত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সাংবাদিকরা যখন তাকে জিজ্ঞেস করল সৈয়দ আশরাফের সাথে আপনারা বসলেন কোন ধরনের সিদ্ধান্ত হলো বা আলোচনা কোন পর্যায়ে গেল? মির্জা ফখরুল সেদিন মিথ্যা কথা বলেছিলেন একদম অস্বীকার করলেন ।বললেন কোন বসাবসিই হয়নি।
যুদ্ধাপরাধী ইস্যুতে যখন বিচারকার্য শুরু হলো বিএনপি একটা মুক্তিযোদ্ধাদের দল হওয়া সত্বেও এই বিচারকে স্বাগত জানানোর ক্ষেত্র তৈরিতে বাধার সৃষ্টি করেছে । থাকতে পারে বিচারকার্যের ক্ষেত্র তৈরিতে নানা প্রতিবন্ধকতা । স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে এসে দায়মুক্তির যুদ্ধ। উচিৎ ছিলো এই বিচার কার্যে সরকারকে পুর্ণ সহযোগীতা করা । বরং বেগম খালেদা জিয়ার মুখ থেকে এই বিচারকার্যকে যথাযথ নয় বলে বিবৃতি দেওয়ানো হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একটা রাজনৈতিক জোটকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে বিএনপি যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে চরম ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো সেদিন। এখন কেন রাজনীতির মাঠে বিএনপি সেই একাত্তরের চেতনা ব্যবহার করে জামাতের রাজনীতির বিরোধীতা করছে ? জোট নেই সে কারনে?ট্রাইবুনালকে যদি যদি বিএনপি সেদিন স্বাগত জানাত আমি মনে করি বাংলাদেশের অনেক রাজনৈতিক সংকট কেটে যেত । জাতি অন্তত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায পরিপুর্ণভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকতো।
বাংলাদেশ মিয়ানমারের কাছ থেকে যখন সমুদ্রসীমা জয় করল তখন বিএনপির পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছিল শুভেচ্ছা জানানো হয়েছিল। ঠিক পরক্ষণেই সেই শুভেচ্ছা বার্তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এটা একধরনের রাজনৈতিক দেওলিয়াত্বের প্রমাণ।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাত্র দুদিন আগে বললেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সঠিক হয়নি আবার আজ বলছেন জামাত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিল। তারা ৭১ এ হত্যা করেছে খুন করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছে ।
মিস্টার ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডক্টর ইউনুচের ভিতর জিয়াউর রহমানকে দেখতে পান। বিএনপির ভাইদের জিজ্ঞাসা করি তারা কি জনাব আলমগীরের এই বক্তব্যকে সমর্থন করেন? জুলাই সনদের নামে সই করালো এক কাগজে সামনে আনলো আরেক কাগজ। ফখরুল সাহেব এর পরেও যদি ইনুচের মাঝে জিয়াকে দেখেন তবে বলার কিছু নাই।
৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবেশটা সম্পূর্ণ বিএনপি ওন করেছিল। বিএনপি আবারো পরাজিত হলো শুধুমাত্র মির্জা ফখরুল ইসলামের কারণে । আমার দৃষ্টিতে বিএনপির সমস্ত ব্যর্থতার তাই আলমগীরের ঘাড়ে ভর্তায় কারণ তার শঠতা, দ্বিচারিতা এবং মিথ্যাচার বিএনপিকে বারবার ডুবিয়েছে । খুবই দুঃখজনক ব্যাপার , মিঃ আলমগীর ৫ আগষ্ট থেকে শুরু হওয়া নাশকতা হত্যা চাদাবাজি মববাজি প্রতিরোধে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন ।এখন কথা হচ্ছে জনাব আলমগীর বিশেষ কোন ব্যক্তির কাছ থেকে পরামর্শক্রমে এযাবৎকাল দল পরিচালনায় এমন ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন তাহলে সেটা ভিন্ন কথা। প্রবীণ্ এই রাজনীতিবিদকে আজ এনসিপির বাচ্চা ছেলেরা তাদের কাতারে নামাত চেষ্টা করছে। ট্রেলার কেবল শুরু
01/11/2025
এই ছেলেটি শিশু হয় তাহলে শিশুর সংজ্ঞা নতুন করে জামাত শিবির থেকে নিতে হবে। ৫ তারিখের পরে কোন এক অনুষ্ঠানে শিবিরের সাবেক সভাপতি ডঃ শফিকুর রহমান তাকে মঞ্চে ডেকে সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিল শিবিরের সাথী হিসাবে । সেটা কিভাবে সম্ভব ?
অথচ সক্রিয়ভাবে দেশ ধ্বংসের সাথে জড়িত নাশকতাকারীদের যখন সরকার প্রতিহত করতে ব্যর্থ হচ্ছে , তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে তখন এইসব নাশকতাকারীদের তারা শিশু হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে।
নিজেকে প্রগতিশীল, মুক্তমনা, নাস্তিক বা আস্তিক বা ধার্মিক ইত্যাদি ট্যাগে প্রকাশ করার জন্য স্যোসাল মিডিয়ায় জাহির করার কোন প্রয়োজন নেই। আপনি কি সেটা আপনি নিজেও জানেন না। আজ আপনি রাম কাল রহিম হয়েও যেতে পারেন । সক্রেটিস বলেছেন "নিজেকে জানো"। বিশ্ব জোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র। দর্শনের বই পড়ুন। দেখবেন ফেসবুকে এসে এসব আস্তিক নাস্তিক চুলকানি অনেকাংশে কমে যাবে।
আপাতত আমিনুল ইসলাম স্যারের প্রাচীন ও মধ্যযুগের পাশ্চত্য দর্শন পড়ুন। আর নিজের ভিতর উইজডম অফ নলেজ গড়ে তুলুন। ধন্যবাদ।
যারা কোটা বিরোধী আন্দোলন করছে তাদের ঢালাওভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী বলা যাবে না। এই নবীন প্রজন্মও বাঙলাদেশের পতাকাকে বুকে ধারন করে। তাছাড়া সময়ের বাস্তবতা আর বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের যায়গা, প্রকৃত মেধাবী এবং যোগ্যদের সুযোগ প্রদান, জব সার্কুলেশনে চাহিদীর বিপরীতে পদের সংখ্যায় টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ এগুলোকে অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।
আমার মনে হয় ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বাছাইয়ে সরকারকে এখনই তৎপর হওয়া উচিৎ। ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা বাছাই করা সম্ভব হলে এত কোটা রাখা দরকার হবে না। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানসন্ততিতের জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক কোটার ব্যবস্থা রেখে চাকুরী প্রতিযোগীতা সহজীকরন করা সময়ের দাবী।
এখানে বলে রাখা ভাল এই নতুনদের মধ্যে একটা বড়সংখ্যক ছেলে মেয়ে বাঙলাদেশ , স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং বাঙালি কালচারকে ঘৃণা করার মধ্য দিয়ে বড় হচ্ছে । আমি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। এখানে দুইটা ধারা এই সর্বনাশের পিছনে দায়ী একটা হচ্ছে উগ্র ইসলামিক মৌলবাদি সেন্টিমেন্ট যদিও এরা সেভাবে ইসলামী আকিদা পালন করে না । আরেকটা ধারা উগ্র বাম ঘরানার। এদের কমরেডগন এই নবীনদের কাছে দেবাদি দেব মহাদেব থেকেও বেশি পুজনীয়। এদের তাত্বিকগুরুরা এদেরকে স্যোসালিজম বোঝাতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধ এবং বাঙলাদেশের চেতনা বিরোধী হিসেবে গড়ে তুলেছে।
এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য দরকার আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন।
ঘুষের বিনিময়ে অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করতে হবে। দেশ আর স্বাধীনতাকে অন্তরে লালন করে এমন শিক্ষকদের নিয়োগ দিতে হবে( অবশ্যই মেধার ভিত্তিত)। আমি দেখেছি এই শিক্ষকরা কিভাবে বাচ্চাদের নষ্ট করে। শিক্ষার কারিকুলামে একটা যুৎসই আধুনিক প্রগতিশীল চেতনা সম্পন্ন কাঠামো দিতে হবে। প্রচুর সাংস্কৃতি চর্চার পরিবেশ রাখতে হবে। যেখানে আমাদের শিশুরা দেশাত্ববোধকে ধারন করতে শিখবে। গ্রামে গ্রামে কালচারাল একাডেমি করতে হবে।
মনে রাখা জরুরী বাঙালি কালচার অধিক চর্চা ছাড়া সৎ যোগ্য বাঙালি সোসাইটি পাওয়া সম্ভব হবে না।
কোটার সংস্কার হোক। বাতিল নয়।
আমার উপলব্ধি বলছে তথাকথিত স্রষ্টা একজন সিদ্ধি সেবনকারী। কারন যদি ব্যাখ্যা করতে বলা হয়, তবে আমার ব্যক্তি জীবনের একটা ছোট্ট উপলব্ধি শেয়ার না করে পারছি না। আমি আমার ছাত্র জীবনের কোন এককালে বন্ধুদের সাথে মিলেমিশে গঞ্জিকা সেবন করতাম। কিছুটা সুখটানের পর আমার ফিলিংসটা এমন ছিলো যে আমি খোলা আকাশের নিচে ছাদের কার্নিশে শুয়ে নিজেকে রাজা মনে করতাম। আরও কত যে কি ভাবতাম তা শুধু তারাই উপলব্ধি করতে পারবে যারা বস্তুত সিদ্ধি সেবক ( এখানে বলে রাখা ভালো আমি বর্তমানে দীর্ঘকাল যাবত একজন অধুমপায়ী।)। আমার মেসের অন্যান্য পোলাপান আমার ওই চিন্তামগ্ন সময়ে আমার সাথে অসম্ভব রকম বাজে মজা নিতো। দুর্ব্যবহার করতো, আমাকে লাথি উষ্ঠা মারতো। আমি এমনও করেছি আমার সিনিয়র রুমমেটের সাথে বেয়াদবি করেছি যা সকালে মনে করতে পারি নাই। পরে রুমমেট আমাকে ছেড়ে গেছে।
মোটামুটি গাজা সেবন করে আমি ওই ঘোরের মধ্যে সারা পৃথিবীকে নিজের মতো করে সাজানো শুরু করতাম। ঘোর কাটলে সব শেষ। সকালে গায়ে ব্যথা উপলব্ধি করে বুঝতাম ওরা রাতে ঘোর মাঝে আমারে যেমনে পারছে পেদায়ছে।
তামাম বিশ্বের নিয়ন্ত্রক গঞ্জিকা সেবক স্রষ্ঠা এখন ঘোরমাঝে আছে। পৃথিবী ধরে ঝাকি মেরে তুরষ্কে , সিরিয়ায়, আলেপ্পয় মজা লুটছে। মজা লুটছে ইউক্রেণ রাশিয়ায় নাড়া দিয়ে। মোদ্দা কথা হইলো গঞ্জিকা সেবনের কুফলে পুথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর যে মিথ্যা প্রতিনিয়ত প্রতিকালে প্রতি সমাজে বারবার উচ্চারিত হয় তা হইলো , তোমরা যে যা করো করো একজন আরেকজনের পুটকি মারো না কেন, তিনি কিন্তু সব দেখছেন নাটাই কিন্তু তার হাতে।"
স্রষ্ঠা এখন ঘুমায়, জানি না সকালে তার সর্বাঙ্গের ব্যথার যন্ত্রণা তাকে রাতের স্মৃতি স্মরণে বাধা সৃষ্টি করবে কিনা?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka