Boost Rider
facebook marketing
05/09/2021
ব্রান্ডিং কি? এটা কি শুধু বড় কোম্পানির জন্য?
ব্রান্ডিং বলতে আমরা কি বুঝি? একটা ভালো লোগো, ওয়েবসাইট, ব্যানার, বিলবোর্ড, লোগো সম্বলিত মগ অথবা টি শার্ট?
মোটেই এগুলা ব্রান্ডিং না, এগুলা শুধু মাত্র আপনার কোম্পানিকে ব্র্যান্ড হতে সহযোগিতা করবে মাত্র, যেটাকে বলা হয় ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি।
তাহলে ব্র্যান্ডিং এর ব্যাপারটা কেমন
আমার কাছে ব্র্যান্ডিং এর ব্যাপারটা কোন ফিজিক্যাল ব্যাপার মনে হয় না, এটা সম্পূর্ণভাবেই মানুষের মনের ভিতর বসবাস করে, একটা অনুভুতি, একটা বিশ্বাস, বিশ্বাস না বলে আত্মবিশ্বাস বললে আরো ভালোভাবে বুঝা যায়, আমি একটা কোম্পানি থেকে একটা প্রডাক্ট কিনবো অথবা সার্ভিস আর কেনার আগেই আমি জানি, আমার মন বলে, আমি আত্মবিশ্বাসী থাকি যে, যে প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস আমি নিচ্ছি এটা অবশ্যই ভালো হবে।
নাম বলবো না, শুধু উদাহারন হিসেবে বুঝানোর জন্য আমার যখন কম্পিউটারের জন্য কোন কিছু কিনতে প্রয়োজন হয় তখন আমি বেশিরভাগ সময় ই একটা নির্দিষ্ট দোকানে যাই, কারন উপরে উল্লেখ করেছি। এর থেকে যা হয় তাতে আমার মন প্রশান্তি পায় যে আমি যেটা কিনেছি সেটা ভালো হবে, এরা মানুষকে ঠকায় না, এদের কাস্টোমার সার্ভিস ভালো ইত্যাদি। ক্রেতার মনে এরকম একটা ফিলিংস তৈরি হওয়াকেই আমি ব্র্যান্ডিং বলতে চাই। অনেকেই আমার সাথে একমত না ই হতে পারেন তবে আমার এটা ধারনা।
এটা গেলো ক্রেতা হিসেবে আমার মনভাব একটা কোম্পানি সম্পর্কে কি রকম সেটা, এখন ক্রেতা হিসেবে এই যে আমার মনভাবগুলো তৈরি হলো সেটা কিন্তু এমনি এমনিই হয় নাই, তার ফলে সব অবদান ছিলো সেই কোম্পানির, সেই কোম্পানি শুরু থেকেই কাস্টোমারকে ভালো প্রোডাক্ট দিয়েছে, ভালো কাস্টোমার কেয়ার দিয়েছে, ক্রেতার মনে বিশ্বাসের জায়গাটা করে নিয়েছে, সেটাই জরুরি, এখানে আপনাকে কোটি কোটি টাকা দিয়ে ব্রান্ডিং করতে হবে সেটা কিন্তু না, আপনি অনেক অল্প বাজেট দিয়েও আপনার ছোট বিজনেস নিয়ে মানুষের বিশ্বাসেরে জায়গাটা করে নিতে পারবেন।
কিভাবে হতে পারে এই বিশ্বাসের জায়গাগুলো তৈরি? কিছু পয়েন্ট নোট আকারে দিচ্ছি
একদম শুরু থেকেই ভালো প্রডাক্ট অথবা সার্ভিস দেন
হতে পারে তাহলে প্রথম দিকে লাভ একটু কম হবে তবে ভালো প্রডাক্ট দিবেন। তবে প্রোডাক্টের মানের সাথে যেহেতু আবার দামের একটা কানেকশন আছে তাই আপনি ক্রেতার অর্থনৈতিক অবস্থার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন মানের প্রোডাক্ট দিতে পারেন, তবে এখানে খেয়াল রাখতে হবে ঠিক জায়গায় ঠিক মানুষ যেন আপনার প্রডাক্ট দেখতে পায়, অথবা আপনি ইচ্ছা করলে কিছু নির্দিষ্ট মানুষের কথা চিন্তা করে প্রোডাক্ট দিতে পারেন, সার্ভিসের খেত্রেও ব্যাপার টা অনেকটা এরকম ই।
কাস্টোমারের লাইফ স্টাইলে সম্পর্কে জানুন
যদি অনলাইনে বিজনেস করে থাকেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই আপনার কাস্টোমারের লাইফস্টাইল সম্পর্কে জানা থাকা লাগবে এবং সে অনুযায়ী কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে, সব সময়ই বলে থাকি প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস সেল করছেন এগুলার বাইরেও বিভিন্ন রকম কন্টেন্ট তৈরি করতে আপনাকে, সে জন্য যাদের জন্য কন্টেন্ট তৈরি করছেন তাদের লাইফ স্টাইলে জানা প্রয়োজন।
সার্ভিস অবশ্যই ভালো হতে হবে
কাস্টমার সার্ভিস অবশ্যই ভালো হতে হবে, আমি ধরে নিচ্ছি আপনি ফেসবুকের মাধ্যমে ক্রেতাকে সার্ভিস দিচ্ছেন তাহলে লক্ষ্য রাখতে হবে তাদের কমেন্ট এবং ম্যাসেজের উত্তর যতটা দ্রুত দেয়া যায়, চ্যাটিং করার সময় লেখাতে রবোটিক ভাব আসাটা মোটেও ভালো নয়, মনে করতে হবে আপনি তার সাথে সামনা সামনি কথা বলছেন আন্তরিকতার সাথে।
অনেক কাস্টোমার থাকবে তারা আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস নিয়ে অসন্তুষ্ট হতেই পারে আর সে জন্য তারা আপনার মেসেঞ্জারে অভিযোগ করে ম্যাসেজ করতেই পারে, এটাকে খারাপ ভাবে না নিয়ে বরং ভালোভাবে নিতে হবে কারন তাদের অভিযোগ থেকেই আপনি নিজেদের ভুলগুলো ঠিক করার সুযোগ পাবেন। কেউ অভিযোগ করলে সেটা যদি আপনাদের কাছে সত্যিও না মনে হয় তাহলে বিনয়ের সাথে তাকে বুঝিয়ে বলুন, কোনভাবেই তাদের সাথে রুক্ষ ব্যবহার করা যাবে না।
রিটার্ন পলিসি, রিফান্ড পলিসি রাখুন
অনেকেই রাখছেন এগুলি সেটা আমি জানি তবে এ ক্ষেত্রে যেটা বলতে পারি সেটা হচ্ছে এগুলার শর্ত আরো সহজ করা যায় কিনা সেটা চিন্তা করুন, মনে রাখবেন কাস্টোমার যত সহজে আপনার সার্ভিসটি পাবে সে তত আপনার উপর নির্ভরশীল হবে।
আলাদা করে কিছু করার চেস্টা করুন
আপনি লাইভ করছেন ঠিক আছে, তবে চেস্টা করুন সেখানে অন্যকিছু করা যায় কিনা, সবাই যেরকম ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করছে সেটা না করে নিজের মত অন্যরকম কিছু করা যায় কিনা, অথবা সবাই যেমন ফটোগ্রাফি করছে সেখানে আলাদা ভাবে কিছু করা যায় কিনা, বলতে চাচ্ছি এমন ভাবে আগানোর চেস্টা করুন যেন কাস্টোমার আপনাকে অনেক ভিড়ের মধ্যেও আলাদা করে চিনতে পারে, অনেক দূর থেকেও বুঝতে পারে এটা আপনার কোম্পানি, চিন্তা করুন ১ লক্ষ লাল ছাতার মাঝে যদি ১০-১২ টা হলুদ ছাতা থাকে তাহলে কিন্তু সেগুলা আগে মানুষের চোখে পরবে।
শেষে যেটা বলতে চাই, আমার কাছে একটা কোম্পানিকে ব্র্যান্ড করতে যাওয়াই মানে টাকা আর টাকা না। আপনি লাখ লাখ টাকা খরচ করে যদি ভুল উপায়ে কাজ করেন আপনার কোম্পানি ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে উঠবে না কিন্তু আপনি যদি সঠিক প্ল্যান করে এগুতে পারেন তাহলে আপনার খরচও কম হবে আবার আপনার বিজনেস মানুষের মনের ভিতর জায়গা তৈরি করে নিবে।
28/08/2021
#ফেসবুকের ১১ ক্যাটাগরীর এ্যাড এর ধরণ ও কার্যকারিতা
স্যোসাল মিডিয়া সাইট গুলোর মধ্যে সব থেকে জনপ্রিয় সাইট ফেসবুক। এই ফেসবুকের মাধ্যমেই মানুষ তার নিত্য দিনের জিনিসপত্র কিংবা সার্ভিস সেল করছে । এবং বলা বাহুল্য নি:সন্দেহে ফেসবুক প্লাটফর্ম বেচাকেনা করার সব থেকে জনপ্রিয় মাধ্যম।
কিন্তু আমরা ফেসবুকে কত ক্যাটাগরিতে বুস্ট কিংবা ক্যাম্পেইন করা যায় তা সঠিকভাবে জানি না । ফেসবুকে ১১ টি ক্যাটাগরিতে আপনি ক্যাম্পেইন রান করতে পারবেন। তো চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক ১১ ক্যাটাগরির ধরণ গুলো সম্পর্কে :
১. রিচ ক্যাটাগরি :
এই ক্যাটাগরি এ্যাডের মূল লক্ষ্যেই হলো আপনার পেজ মানুষের কাছে পরিচিত করানো। কারণ অনলাইনে কখনই হুট করে পেজ খুলে কেনাবেচা এত তাড়াতাড়ি সম্ভব নয়। এর জন্য চাই আপনার পেজের ব্র্যান্ডিং বা পরিচিতি। আপনার পেজের ব্র্যান্ডিং ভাল অবস্থায় না থাকলে কখনই আপনি সঠিকভাবে সেল জেনারেট করতে পারবেন না। তাই রিচ ক্যাটাগরি এ্যাডের আসল উদ্দেশ্য হলো মানুষকে আপনার পেজ সম্পকে জানানো।
২. ব্র্যান্ড এয়ারনেস :
কে না চায় তার নিজের অনলাইন পেজকে ব্র্যান্ড করতে। যদি এক কথায় লিখি, তাহলে ব্র্যান্ড এওয়ারনেস বলতে আমরা বুঝি আপনার ব্র্যান্ড আপনার টার্গেট গ্রুপের কাছে কতটুকু পরিচিত এবং কতটুকু ভ্যালুয়েবল। আপনার ব্র্যান্ডের নাম শুনলেই সে কী আপনাকে রিকগনাইজ করতে পারে। আপনি যত বেশি পরিচিত আপনি তত বেশি কম্পেটিটিভ এডভান্টেজ পাবেন। বেশি পরিচিত ব্র্যান্ডগুলোকে আমরা পপুলার ব্র্যান্ড, অথবা ট্রেন্ডিং ব্র্যান্ড বলে থাকি।
৩. ট্র্যাফিক :
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের একটা বিরাট অংশ দখল করে রেখেছে ফেসবুক বিজ্ঞাপণ। বিশ্বের সর্ব বৃহৎ সোশ্যাল মিডিয়া সাইট হওয়ার সুবাধে প্রতিমাসে প্রায় ২.৪১ বিলিয়ন মানুষ সক্রিয় ভাবে ফেসবুক ব্যবহার করে। এত বিশাল একটা ইউজারবেস থাকায় বিজ্ঞাপনদাতাদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে ফেসবুক।
তাই বিজ্ঞাপনদাতাদের আরও আকৃষ্ট করতে ফেসবুক প্রতিনিয়ত বিজ্ঞাপনের নতুন নতুন বিষয় যুক্ত করার ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছে। ট্রাফিক ঠিক সে রকম একটি ক্যাটাগরি। ট্র্যাফিক ক্যাটাগরির কাজ টা মূলত কি আসলে সে বিষয়টা পরিষ্কার হওয়া যাক।
৪. এ্যানগেজমেন্ট ক্যাটাগরী :
এই ক্যাটাগরীতে ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য হলো কাস্টমারের সাথে এ্যানগেজমেন্ট তৈরি করা। মূলত এই এ্যাডের মাধ্যমে আপনার করা পোস্টটি দ্রুত মানুষের কাছে ছড়িয়ে পড়ে। যার ফলে কাস্টমার এ্যানগেজমেন্ট বৃদ্ধি পায়। এবং এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আপনার পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।
৫. এ্যাপ ইন্সটল :
ধরুণ অনলাইনে আপনার একটি ই-কমার্স পেজ রয়েছে। আপনার ই-কমার্স ওয়েবসাইটটির যদি মোবাইল অ্যাপ থাকে তবে সেই অ্যাপটি কাস্টমারদের ইনস্টল করতে উৎসাহিত করার জন্য অ্যাপ ইনস্টল ক্যাম্পেইন ব্যবহার করতে পারেন। এবং এই ক্যাম্পেইনে ব্যবসায়িক সফলতা খুবই লাভজনক।
৬. ভিডিও ভিউ :
আপনি যদি ফেইসবুক লাইভ ব্যবহার করে প্রোডাক্ট সেল করেন অথবা প্রোডাক্ট রিভিউ ভিডিও তৈরি করেন তবে এই ক্যাম্পেইন আপনার জন্য আদর্শ।বড় অডিয়েন্স গ্রুপের কাছে আপনার ভিডিওটি পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে আপনার পেইজের বা ওয়েবসাইটের সাথে কাস্টমার এনগেজ হয়।
এই ক্যাম্পেইন চালানোর জন্য অ্যাড অবজেকটিভের এনগেজমেন্ট ক্যাম্পেইনের অবজেক্টিভস ভিডিও ভিউ অবজেক্টিভ সিলেক্ট করে দিতে হবে। পারফরম্যান্স নির্ধারণ করা হয় একজন অডিয়েন্স ৩ সেকেন্ড বা তারও বেশি যদি ভিডিওটি দেখে তার উপরে।
৭. লিড জেনারেশন :
কাস্টমারদের তথ্য যেমন: ফোন নম্বর নাম ইমেইল পেতে হলে লিড জেনারেশন ক্যাম্পেইন চালাতে হয়। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে একজন কাস্টমার আপনার ফেইসবুক পেইজের মেসেঞ্জারে অথবা ওয়েবসাইটের লিড জেনারেশন ফর্ম পূরণ করার মাধ্যমে আপনার সাথে যুক্ত হয়।
৮. মেসেজ ক্যাটাগরী :
টার্গেট অডিয়েন্স সরাসরি আপনার সাথে মেসেঞ্জারে যুক্ত হোক এটা চাইলে মেসেজ এড ক্যাম্পেইন চালাতে পারেন। অনেক সময় প্রোডাক্টের বিস্তারিত জানতে বিজনেস সম্পর্কে ব্যক্তিগতভাবে জানতে অথবা সেলারের সাথে সরাসরি কথা বলতে এ ক্যাম্পেইন অবজেক্টিভ ব্যবহার করা হয়। এই ক্যাম্পেইনে সাধারণত গ্রাহকের কাছে সরাসরি মেসেজ চলে যায়। এবং সেখানেই প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
৯. কনভার্শন ক্যাম্পেইন :
ফেসবুকের অ্যাড ক্যাম্পেইনের উপযোগিতা এবং যথার্থতা নির্ধারণ করতে এই অ্যাড অবজেক্টিভ ব্যবহার করা হয়।
এজন্য আপনার ফেইসবুক পিক্সেল যুক্ত থাকা প্রয়োজন। ফেইসবুক পিক্সেল যুক্ত করতে হলে অবশ্যই আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। একটি অ্যাড চালানোর পরে ঠিক কি
পরিমাণ টার্গেট অডিয়েন্স আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করছে সেটি জানা সম্ভব।
এর মাধ্যমে রিটার্ন অফ ইনভেস্টমেন্ট বের করা সম্ভব । তবে আপনাকে খেয়াল করতে হবে আপনার ইকমার্স ওয়েবসাইট টি অবশ্যই যেন ফেইসবুক পিক্সেল ব্যবহার করার উপযোগী হয়।
১০.ক্যাটালগ সেল:
এই অ্যাড অবজেক্টিভ এর মাধ্যমে সরাসরি একজন অডিয়েন্সকে নির্দিষ্ট একটি ছবি বা প্রোডাক্ট ক্যাটালগে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। ফেসবুক ব্যবহারকারী দের আগ্রহের উপর ভিত্তি করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার প্রোডাক্ট আগ্রহী দর্শকদের দেখাবে।
কারা কারা আপনার ক্যাটালগ এর প্রতি আগ্রহী সেটি ফেসবুক বের করে আপনার পেইজে যুক্ত থাকা পিক্সেল এর মাধ্যমে।
১১.স্টোর ভিজিট :
এই অ্যাড অবজেক্টিভ এর মাধ্যমে ফেসবুক আপনার শোরুম বা দোকানের অবস্থান কাস্টমারদের সামনে উপস্থাপন করে এবং তাকে আপনার শোরুমে বা দোকানে যেতে জন্য লোকেশন টেকনোলজির মাধ্যমে গাইড করে।
Boost এর ভয় দূর করুন
27/08/2021
Boost is going on
25/08/2021
Boost is going on,,,,
Customers satisfied
নতুন ভাবে শুরু করলাম,আবারও পরিচিত রা লাইক দিন, নতুনরা যোগ দিন।
10/08/2021
বিদ্রঃ উত্তরার মধ্যে যারা রয়েছেন, অফিসে এসে কাজ করে নিতে পারবেন।(ঢাকা)
ব্যবসায় সাফল্য পেতে টার্গেট কাস্টমারকে আপনার প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন দেখানো খুবই জরুরী। করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, ফেসবুকে প্রোডাক্ট ও সার্ভিসের বিজ্ঞাপন অনেকাংশে বেড়ে গিয়েছে।
মানুষ এখন অনেকটাই অনলাইন নির্ভর হয়ে উঠেছে। অনলাইনে এখন হরদম বেচা কেনা হচ্ছে। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুযোগ নিয়ে অধিক মানুষের কাছে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের পরিচিত বাড়াতে পারেন।
আমাদের দক্ষ ফেসবুক মার্কেটারেরা আপনার পেজ মনিটর করার পাশাপাশি আপনাকে এনে দিবে আপনার ব্যবসা সংক্রান্ত টার্গেট অডিয়ান্স।
এবার চলুন ফেসবুকে বুস্টিং এর সুবিধা ও কেন আপনার পেজ বুস্টিং করা জরুরী :
১. ফেসবুকে বুস্টিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস রিলেটেড টার্গেট অডিয়্যান্সের কাছে আপনার বিজ্ঞাপনটি পৌছাতে পারবেন।
২. লোকেশন অনুসারে আপনার বিজ্ঞাপন দেখানোর সুবিধা।
৩. বয়স, লিঙ্গ, ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে বিজ্ঞাপন দেখানোর সুবিধা।
৪. অল্প সময়ে অধিক মানুষের কাছে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিসের প্রয়োজনিয়তা বুঝিয়ে দেওয়া।
৫. কারা আপনার বিজ্ঞাপন দেখলো, কতজন আপনার বিজ্ঞাপন দেখলো, তা সরাসরি দেখার সুবিধা।
৬. কোথায় আপনার ব্যবসা সংক্রান্ত টার্গেট অডিয়্যান্স সব থেকে বেশি তা সহজেই জানা যায়।
৭. কত বয়সের অডিয়্যান্স সব থেকে বেশি আপনার পেজ ভিজিট করেছে তা সহজেই জানা যায়।
৮. বুস্টিং শেষে আপনার বিজ্ঞাপণের রিপোর্ট দেখার সুবিধা।
বিদ্র : আপনি কত ডলারে বুস্টিং করবেন তার উপর বিবেচনা করে আমরা সার্ভিস চার্জ নিব।
কোন বড় অর্ডার দেওয়ার আগে,আমাদের মিনিমাম অর্ডারটি নিয়ে দেখতে পারেন। আশা করি দীর্ঘকালীন ব্যবসায়িক সুসম্পর্ক বজায় থাকবে।
Page supported website
আমাদের সার্ভিস সম্পর্কে জানতে এখনি যোগাযোগ করুন-
01871-753913
01876-948352
ধন্যবাদ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Joynal Market
Dhaka
1230