A RIDERSeye

A RIDERSeye

Share

Activities while Riding Moto.

12/04/2024

New session coming soon

10/04/2024
Photos from A RIDERSeye's post 19/02/2024

18/02/2024

Random upload

Photos from A RIDERSeye's post 16/07/2023

ইহা একটি মুসলিম জমিদার বাড়ি। বাড়ির নাম ফলক এবং বাড়ির শিল্প থেকে আমার তাই মনে হয়েছে।
স্থান: ডাঙ্গা,পলাশ, নরসিংদী
তারিখ: ১৫ জুলাই ২০২৩
সদস্য সংখ্যা: দুই জন
বাহন: ইয়ামাহা রে জে আর ১১৩সিসি

Photos from A RIDERSeye's post 14/07/2023

Random Friday

Photos from A RIDERSeye's post 27/06/2023

বিক্রি করে দিয়েছি, নতুন কিছু আসবে আশায়

Photos from A RIDERSeye's post 04/06/2023

গরমে সান্ধ্য টূর শুরু করতে কেমন লাগে, এজন্য একটু বের হলাম।

02/05/2023

তথ্যটি আমার শ্রদ্ধেয় এক দাদা আমাকে শেয়ার করেছেন আমি তাই সকলের জন্য শেয়ার করলাম

সড়কপথে গাড়ীর টায়ার ফেটে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়েছি বা শুনেছি এমন সংখ্যা নেহায়েৎ কম না। হয়তো আমাদের পরিচিত অনেকের জীবনেই এমনটা ঘটেছে। কেউ হয়তো ভাগ্যজোরে বেচে গেছেন, কাউকে কাউকে হয়তো চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।

ছবির গাড়ির যাত্রিরাও প্রাইভেট কারে যাচ্ছিল। সামনের বামদিকের টায়ার ফেটে গেলে ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বা-পাশে পার্ক করে রাখা এক লরীতে গিয়ে আঘাত করে। সাথে সাথেই ঝরে পড়ে একটি অমূল্য প্রাণ।

এই দূর্ঘটনার কারন কি? নিচে বলছি

১। টায়ার প্রেশার
ভারতে যখন নতুন এক্সপ্রেস হাইওয়ে তৈরী হল, ওখানেও একটার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটতে থাকল। অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারন একটাই- টায়ার ফেটে যাওয়া। নিন্দুকেরা চালকের দোষ দিল। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলল রাস্তা নির্মাণ নিয়ে। কিন্তু একজন ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি ভাবলেন, দেশের আধুনিকতম সড়কে বারবার এ-ধরণের দুর্ঘটনা ঘটছে কেন! এর অন্য কোন কারণ নেই তো? তিনি ব্যাপারটা নিয়ে গবেষণা করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে তিনি গাড়ী নিয়ে নেমে পড়লেন এক্সপ্রেস হাইওয়েতে। সবগুলো চাকার এয়ার প্রেশার নিলেন ২৫ পি এস আই। এটাই আন্তর্জাতিক মান। পৃথিবীর সব উন্নত দেশে চালকেরা এই প্রেশারই মেইন্টেইন করে। এরপর গাড়ী ছোটালেন ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার স্পীডে। গাড়ী চলল প্রায় দু-ঘন্টা। থামলেন। টায়ারের প্রেশার চেক করলেন।

সর্বনাশ! প্রেশার ৫২ পি এস আই! ঠান্ডা অবস্থায়, গাড়ী স্টার্ট নেয়ার আগে টায়ারের যে প্রেশার ছিল তাঁর দ্বিগুণেরও বেশী!! আর তাপমাত্রা? ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস! তাপমাত্রা আর মোটে ৭.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়লেই বয়েলিং টেম্পারেচারে পৌছে যেত; অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, আর কিছুদূর ওই স্পীডে ছুটলেই হয়ত তাকেও দুর্ঘটনার শিকার হতে হত।

কেন এমন হল? এটা হলো পদার্থ বিজ্ঞানের তিনটি সূত্র অনুসরণ করে।
ক। পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র বলে friction generates heat, অর্থাৎ ঘর্ষণে তাপ উৎপন্ন হয়। ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার বেগে দু-ঘন্টা রাস্তায় ছুটতে গিয়ে গাড়ীর চাকাগুলোর সাথে রাস্তার কি পরিমাণ friction (ঘর্ষণ) হয়েছে তা আমরা কল্পনা করতে পারি। আর, এর মধ্যে যতবার আমরা ব্রেক চাপব, ততোবার হুইল ড্রামের সাথে ব্রেক প্যাডের ফ্রিকশন হবে। এই ফ্রিকশনের কারনে টায়ারের ভেতরে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যায়।
খ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র হল, Heat lost equals to heat gained, অর্থাৎ একজন যতটুকু তাপ হারায়, অন্যজন ঠিক ততোটুকু তাপ অর্জন করে। গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহে রাস্তাগুলো আগুনের মত গরম হয়ে থাকে। রাস্তা তার এই তাপ গাড়ীর চাকার সাথে শেয়ার করে। চলার পথে রাস্তা যতটা তাপ ছেড়ে দিয়েছে, গাড়ীর চাকা ঠিক ততোটুকু তাপ শুষে নিয়েছে।

এই এতো এতো সোর্স থেকে তাপ নিতে নিতে ওর ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসে।

গ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র- তাপে যে কোন জিনিষ আয়তনে বাড়ে। সেই অনুযায়ী টায়ারের তাপে, টায়ারের ভিতরের বাতাসের আয়তন বাড়ে। কিন্তু টায়ার কিম্বা টিউবের আয়তন সহজে বাড়েনা। কারণ, ওগুলো সলিড, ওদের ‘ইলাস্টিক লিমিট’ সীমিত। ঐ লিমিট ক্রস করলেই ওরা ফেটে যায়। ওদিকে ভেতরের বাতাসের আয়তন তো বেড়েই চলেছে। ফলে বাড়ছে টায়ারের ভেতরে বাতাসের চাপ। একসময় টায়ার আর এই চাপটা নিতে পারে না। তখনই- বুমমম।

এখন দেখা যাক আমরা কি করছি। বেশীরভাগ প্রাইভেটকার চালকরাই চাকার এয়ার প্রেশার ৩৫ থেকে ৪৫ এ রাখে। কারণ, চাকায় হাওয়া বেশী থাকলে তেল খরচ কম হয়। একবার ভাবুন, ভারতের ঐ ভদ্রলোকের গাড়ী দু-ঘন্টা চলার পর যদি এয়ার প্রেশার ২৫ থেকে বেড়ে ৫২ তে গিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আপনার ৪০ পি এস আই কত তে গিয়ে দাঁড়াবে? ৮০ বা ৮৪? ঐ পর্যন্ত প্রেশার নেয়ার ক্ষমতা পৃথিবীর কোনো টায়ারের নাই।
এখন সিদ্ধান্ত আমাদের, তেলের মূল্য বেশী, না আমার এবং প্রিয়জনদের জীবনের মূল্য বেশি?

২। টায়ারের মেয়াদ।
আমরা ভাল করে লক্ষ্য করলে দেখব প্রতিটা টায়ারের গায়ে সেটার প্রস্তুতকাল লেখা থাকে। এটা একটা চার ডিজিটের নাম্বার। প্রথম দু-টো ডিজিট প্রস্তুতের সপ্তাহ এবং শেষ দু-টো ডিজিট সাল নির্দেশ করে। ধরা যাক ডিজিট চারটা যদি ১৮১৯ হয়, তাহলে টায়ারটি তৈরী করা হয়েছিল ২০১৫ সালের ১৮ তম সপ্তাহে, অর্থাৎ ২০১৯ সালের মে মাসের প্রথম সপ্তাহে। সাধারণত একটা টায়ারের মেয়াদকাল সেটার প্রস্তুতকাল থেকে ৪ বছর (অথবা মতান্তরে ৫ বছর)। সে-ক্ষেত্রে এই টায়ারটির মেয়াদ ২০২৩ (অথবা বড়জোড় ২০২৪) সালের মে মাস পর্যন্ত। আজই চেক করে নেই টায়ারের মেয়াদ পার হয়ে গেছে কি না। মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে টায়ার বদলে নিন। নয়তো টায়ার ফেটে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থেকেই যাবে।

আমরা অধিকাংশ সময়েই টায়ার যতদিন যায় ব্যাবহার করি। তারপর তাকে রিসোল করে চালাই। আবার বদলানোর সময় সামান্য টাকা বাচাতে পুরাতন মেরামত টায়ার কিনে লাগাই। অনেক সময় ড্রাইভাররা চুরি করে রিসোল টায়ার লাগাই। কম দামে নিম্নমানের টায়ার লাগাই। আর ফলাফল?.....

৩। গাড়ির গতি।
গাড়ীর গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। জোরে চালানো নয়, নিরাপদের চালানোই একজন ভাল ড্রাইভারের বৈশিষ্ট্য। একটি জরিপে দেখা গেছে, নিরাপদে চালিয়ে একজন চালক যে সময়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে পৌছাবে, বেপরোয়া গতিতে চালিয়ে আমি তারচে বড়জোড় আধঘন্টা আগে পৌছাব। ঢাকা চট্টগ্রাম দূরত্ব ২৪৫ কিলোমিটার। অর্থাৎ প্রায় আড়াইশ কিলো চালিয়ে ত্রিশ মিনিট বাচাচ্ছি। আর যদি ১০০ কিলো হয়? ১৫ মিনিটও বাচে না।

সাবধান হই, সতর্ক হই।
১। টায়ার প্রেশার নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখুন।
২। মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে টায়ার পাল্টে ফেলুন।
৩। অধিক গতিতে গাড়ী চালাবেন না, গতি নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪। দূরপাল্লার ভ্রমনে অন্তত দু-ঘন্টা পর পর ড্রাইভারকে রেস্ট দিন, গাড়ীকে রেস্ট দিন, নিজেরা রেস্ট নিন।
সবাই নিরাপদে থাকুন।
Collected ||||

Want your business to be the top-listed Transport Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


N/A
Dhaka
1219