Akhdar Nation

Akhdar Nation

Share

Welcome to Akhdar Nation(Clothing Brand) �
We believe in quality. We sell ladies dress ,tops, orna

Photos from Akhdar Nation's post 08/07/2025

Diamonded print gown dress three pieces
Fabric-top:organza pure+
Butter silk
Selwer-sus India butter silk
Dupatta- Sami pure
Size :free
Long:50
Gher: 100

Order to inbox

Photos from Akhdar Nation's post 27/05/2025

কালার: ড্রাগন কালার

কাজ: সিকুয়েন্স এমব্রয়ডারি ও পার্ল ওয়ার্ক

ওড়না: পাঁচ হাত লম্বা

প্যান্ট কাপড়: টপেটা ফেব্রিক্স

ভেতর: ইনার এডজাস্ট করা

সাইজ: ৩৬ থেকে ৪৬

স্পেশাল ফিচার: সামনের সাথে পেছনের দিকেও সুন্দর এমব্রয়ডারি কাজ

🥰নিতে চাইলে ইনবক্সে করুন 😘

Photos from Akhdar Nation's post 05/05/2025

টপ্স 2 পিছ গারারা
জামা ডায়মন্ড জরজেট কাপর
গারারা সিল্ক কাপর
নিতে চাইলে ইনবক্স

Photos from Akhdar Nation's post 03/05/2025

💠 Slap Cotton Three Piece || স্লাব কটন থ্রি পিস।
🔹স্লাব কটন থ্রি পিস 🎊 অরজিনাল আড়ং স্ল্যাব এর উপর!

☘️রুচিসম্মত ড্রেস হোক আপনার প্রতিদিনের সঙ্গী!
🔵অফিস কিংবা ইউনিভার্সিটি সব জায়গায় নিজেকে সাজিয়ে তুলুন আপন রুচিতে ।

:
🔳 100% Color Guarantee.
🔳 লম্বাঃ 45 ইঞ্চি লং ।
🔳 ওড়না ৫ হাত এবং সালোয়ার 2.5 গজ।
নিতে চাইলে ইনবক্স করুন

Photos from Akhdar Nation's post 02/05/2025

✅নিউ স্টক কালেকশন
✅থ্রি পিছ
✅দুবাই সিল্ক
✅আরি আমদানি কাজ করা
✅ প্রিন্ট ডিজিটাল
✅আরি এমব্রয়ডারি জোরে সুতার কাজ
✅সাইজ ৩৮/৪০/৪৪/৪৬
✅কালার হলুদ রানী

Photos from Akhdar Nation's post 01/05/2025

কারচুপি কাজ করা নিকাব গুলো
দুবাই চেরি কাপড় এর তৈরি
নিতে চাইলে ইনবক্স

Photos from Akhdar Nation's post 30/04/2025

❤️original indian AC Kundon❤️
❤️ nite chaile inbox❤️

07/08/2024

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা , যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর দা‌ড়িয়ে আ‌ছে আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় , ঢাকা মেডিকেল , বুয়েট সেই নবাব স্যার সলিমুল্লাহর কে স্মরণ করে না।

নোংরা রাজনী‌তির জন‌্য এই স্বপ্নদ্রষ্টা‌কে ভু‌লতে ব‌সে‌ছে জা‌তি, অথচ এক‌টি চক্র মুস‌লিম‌দের উচ্চ‌শিক্ষায় বি‌রোধীতাকা‌রি রবীন্দ্রপূজায় মত্ত।

আসুন আমরা সং‌ক্ষিপ্ত প‌রিস‌রে হ‌লেও এই জা‌তির উচ্চ‌শিক্ষার মহানায়‌ককে জানার চেষ্টা ক‌রিভ

***জীবনী :
নবাব সুলিমুল্লাহর জন্ম ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন। তাঁর বাবা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আহসানউল্লা (১৮৪৬-১৯০১) এবং দাদা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আবদুল গণি (১৮১৩-৯৬)। এই দুজনই ঊনবিংশ শতকের বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। নিঃসন্দেহে পরিবারটি ছিল অভিজাত ও ধনাঢ্য। কিন্তু অভিজাত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখকে তিনি নিজের দুঃখ মনে করতেন। তিনি আকাতরে দান-খয়রাত করে গেছেন।
স্যার সলিমুল্লাহর বাবা আহসানউল্লা ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করে ঢাকায় তথা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো #বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছিলেন, প্রথম বিজলি বাতির আলো জ্বলেছিল #আহসান_মঞ্জিলে।

(১)নবাব সলিমূল্লাহ সেই যিনি সর্বপ্রথম পানীয় জল এবং টেলিফোন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে আধুনিক ঢাকার জন্ম দেন।
(২)ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯০২ সালে তিনি ১লাখ ২০হাজার টাকা দান করেছিলেন। সেই টাকায় এবং তাঁর দান করা জমিতে স্থাপিত হয়েছিল আহসানউল্লা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৯২২ সালে যা আহসানউল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১৯৬০ সালে আহসানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে উন্নীত হয়। সেটিই এখনকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(BUET)।

(৩) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৩ সালে বড় লাট লর্ড কার্জন ঢাকায় সফরে এলে আহসান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ বৈঠককে তার নিকট পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।শেষ পর্যন্ত ঢাকাকে কেন্দ্র করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয়ে ইংরেজরা মত দেয়।

(৪)নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯১১ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার কার্জন হলে ল্যান্সলট হেয়ারের বিদায় এবং চার্লস বেইলির যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নওয়াব আলী চৌধুরীকে নিয়ে পৃথক দুটি মানপত্র নিয়ে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
(৫) (DU) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি জমিই শুধু দান করেননি, প্রধান অর্থদানকারীও ছিলেন। এতে তাঁর অর্থভাণ্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। শেষে সরকারের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে মহাজনদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছিল। জমিদারি চলে গিয়েছিল কোর্ট অব ওয়ার্ডসে।

(৬) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৬ সালে নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য এবং ধর্ম রক্ষায় প্রায় ছয় মাসের প্রচেষ্টায় পাক-ভারত উপমহাদেশে ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ’ গঠন করেন।
(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক শিক্ষা বিভাগে মুসলমানদের জন্য সহকারী পরিদর্শক ও বিশেষ সাব ইন্সপেক্টরের পদ সৃষ্টি করেন।
(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি বর্ণবাদী-ব্রাহ্
মণ্যবাদী চক্রান্তে বিট্রিশ সামাজ্যবাদে শত বছরের অধিক চাষাভূষা, কচোয়ান-দাঁরোয়ান ও গোলাম বানিয়ে রাখা মুসলিমদের কথা ভেবে প্রথম জেগে উঠেন তারপর মুসলিমদের সংগঠিত করার কাজ শুরু করেন।
(৮)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি সুদূর তুরস্কের ভূমিকম্পে মানুষের কষ্টের কথা শুনে সাহায্যের জন্য টাকা-পয়সা পাঠিয়েছিলেন।
(৯)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি মানুষকে তার সকল সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে ঋণী হয়েছিলেন। সোনালী ব্যাংক সদরঘাট শাখায় এখনও তার বন্ধক রাখা সিন্ধুক “দরিয়ায়ে নূর” রক্ষিত আছে।

আচ্ছা আমরা ক'জন জানি এই মহান ব্যক্তির কথা? তার অসামান্য কীর্তির কথা?
এই বুয়েট না থাকলে কারা বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ করে দিত?
আজ যত-শত আবর্জনারই আমাদের জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাড়িয়েছে যেখানে এই মহান ব্যক্তিদের একটু জায়গা কোথায়!!
****রহস্যজনক মৃত্যুঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে তৎকালীন হিন্দু সমাজ এবং লাটের সাথে তার বাদানুবাদ হয়।
কথিত আছে যে, বড়লাট রাজি ছিলেন না ঢাকায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। এই নিয়ে নবাবের সাথে বড় লাটের তীব্র বিতর্ক হয়। এসমসাময়িক সময়েই তার মৃত্যু হয় কলকাতায়। পরে প্রচার করা হয় যে হৃদরোগে তিনি মারা গেছেন।
তিনি সেদিনই কলকাতায় অনুষ্ঠিত তাঁর জানাজায় বিপুল জনসমাগম হয়েছিল। পরদিন লাশ ঢাকায় আনা হয় এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ঢাকার বেগমবাজারে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি , আল্লাহ্‌ উনাকে জান্নাত দান করুন (আমিন)।
( সংগৃ‌হিত)

Photos from Akhdar Nation's post 06/08/2024

ইতিহাস✌️

📍সংসদ ভবন

🗓️৫.০৮.২০২৪

~ Wing Shots

29/04/2024

লোকটির ছবি ১৯৪৬ সালে তোলা হয়েছিল। এই লোকটির নাম কেন শিমিজু। তার বয়স ছবি তোলার সময় ছিল ৩৫ বছর। তার ২ টি সন্তান ছিল। শিমিজু তেমন হাটাচলা করত না। দেরি করে ঘুমাইত। তার যা ইচ্ছে তাই খাইত, ডুবা তেলে ভাজা, প্রচুর চিনিযুক্ত খাবার, তারপর মনে করেন কোক, ফান্টা, মোজো, আরসি কোলা যখন যা মন চাইত খাইত। ১৯৪৬ এ মোজো, আরসি অন্যনামে হইলেও পাওয়া যাইত। জিলাপি বেশি মিষ্টি লাগলে তা বাদ দিয়ে আমেত্তি খাইত। প্রতিদিন দুপরে লাঞ্চের আগে ডিনার খাইত, প্রতিদিন রাতে ডিনারের পর লাঞ্চ।

হুম,এভাবেই তার বডি এমন হইল। কোনও গোপন ব্যাপার ছিল না!

শিমিজু সেই ব্যক্তি যে ছবির নীচের বাম কোনায় বসে আছে... মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটির ব্যাপারে আমার কিছু জানা নাই!!

অনুবাদিত

07/01/2024

04/01/2024

The Power Of " সূরা মূলক
" মনে করুন , আপনি মারা গেছেন ! আপনার জানাজার নামাজ শেষ ! আপনাকে কবরে রাখা হলো ! আপনি অপেক্ষা করতেছেন মুনকার নাকির ফেরেশতার জন্য ! কিন্তু , তাঁরা আসছে না ! অথচ জান্নাতের সুঘ্রাণ পাওয়া শুরু করেছেন আপনি ! একটু পরেই– কবরের সাথে জান্নাতের একটি সুড়ঙ্গপথ তৈরি হয়ে গেলো ! আপনি ভাবলেন , এ কেমন কথা ! প্রশ্ন - উত্তর কই !? তখন আপনার মনে পড়ল— ' প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করলে কবরে প্রশ্ন উত্তরের ঝামেলা নাই ! কবর আজাবেরও কোনো চান্স নাই ! অতঃপর , রেশমী চাদরের নরম বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে আপনি বললেন- · ' আলহামদুলিল্লাহ ' !
~ ( তিরমিজি -২৮৯০ এর সহীহ অংশ থেকে )।

Want your business to be the top-listed Shop in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Aftabnagar
Dhaka
1219