Find Islam
"এই দুনিয়ার বিনিময়ে তোমার দ্বীনকে বিক্রি করে দিও না"
21/06/2021
হতাশ হই!
শহিদ ওমর ফারুক ত্রিপুরাকে নিয়ে কোনো আওয়াজ নেই কেন?
বান্দরবানের তুলাছড়ি পাহাড়ের অধিবাসী প্রথম নওমুসলিম ওমর ফারুক কে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার রাত নয়টায় তিনি এশার নামাজের আযান দেন। কিন্তু নামাজের আগেই একদল বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা দুটি গুলি মাথা ও বুক করে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
তিনি ২০১৪ সালে খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি ত্রিপুরা উপজাতির ছিলেন। থানচি থাকাকালীন এক বন্ধুর দাওয়াতে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন।এরপর তিনি নিজেই অনেককে ইসলামের দাওয়াত দেন।
তার মাধ্যমে ৩২ টি পরিবার মুসলিম হয়। তিনি নিজ জমিতে নিজ হাতে গড়া ওই পাহাড়ের সর্বপ্রথম মসজিদ নির্মাণ করেন। তার দাওয়াতি কাজকে প্রতিহত করতে এবং ইসলামের আওয়াজকে বন্ধ করার জন্য সন্ত্রাসীরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।
কিন্তু ওই নির্বোধরা জানে না যে, এতে ইসলামের দাওয়াতের গতি আরো বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তাকে শহীদি মর্যাদা নসীব করুন।আমিন।
15/06/2021
অনুর্ধ ১৯ জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পরেও উনি ইসলামের জন্য সেটা নাকোজ করে দেন! ফিলোসফি তে অনার্স-মাস্টার্স করা ছেলেটি ইসলামের জন্য অদম্য ভালোবাসার থেকেই মাদ্রাসায় পরাশুনা না করেই জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা হয়ে উঠেন। অবশ্য এর জন্য তিনি প্রচুর ইসলামিক বই পরে ব্যসিক ইসলামী জ্ঞান অর্জন করেছেন।
এই কথা শুনে তার প্রতি ভালোবাসাটা কয়েকগুন বেড়ে গেলো, আল্লাহ আপনাকে হেফাজতে রাখুক, নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করবেন।
#আবু_ত্বহা_আদনান
#আবু_ত্বহা_আদনানের_সন্ধান_চাই
#আবু_ত্বহা_আদনানের_মুক্তি_চাই
#বাংলাদেশে_ইসলামধর্ম_পালনের_স্বাধীনতা_চাই
#ইমাম_মাহদির_দলের_কথাবলা_অপরাধ_নয়
#দাজ্জালের_বিরুদ্ধে_বলা_অপরাধ_নয়
13/06/2021
যিনা কি?প্রেম কি? এবং
এর শাস্তি কি?
বিয়ের পূর্বের প্রেম= যিনা, (অবৈধ, হারাম)
বিয়ের পরে প্রেম= ইবাদত,(বৈধ, হালাল!)
রাসুলুল্লাহ (স) বলেছেন,
“কোন বেগানা নারীর প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা।
,অশ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যিনা,
,অবৈধভাবে কাউকে স্পর্শ করা হাতের যিনা,
,ব্যাভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা,
খারাপ কথা শোনা কানের যিনা, আর
যিনার কল্পণা করা ও আকাংখা করা মনের যিনা। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়”।
---[সহীহ আল-বুখারী, মিশকাত:৮৬, সহীহ আল-মুসলিম:২৬৫৭, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসায়ী]
★যিনা হারাম ও অত্যন্ত মন্দ কাজ আল্লাহ তাআ’লা যিনাকে হারাম ঘোষণা করে বলেছেন, “তোমরা যিনার কাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।”
---[সুরা বনী-ইসরাঈল : ৩২]
★রাসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, “আল্লাহর দৃষ্টিতে শিরকের পর সবচাইতে বড় গুনাহ হচ্ছে এমন কোন জরায়ুতে একফোটা বীর্য ফেলা, যা আল্লাহ তার জন্য হালাল করেন নি।”
---[সহীহ বুখারী]
★রাসুলুল্লাহ (স) বলেছেন, “যিনাকারী যখন যিনা করে, তখন তার ঈমান থাকে না।”
---[বুখারি ও মুসলিম]
(সংগৃহীত)
যিনার শাস্তি:
যে সব বড় পাপ করলে দুনিয়াতেই কঠোর শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে যেনা তার মধ্যে অন্যতম। দুনিয়াতে দু'টি বড় পাপের প্রতিক্রয়া খুবই নিন্দনীয়। যেনা তার একটি। যেনাকারীর বাস্তব বিচার বা সামাজিক বিচার যেমন অপমানজনক তেমনি সমাজে দুর্নাম ছড়িয়ে যাওয়াও অপমানজনক। কাজেই যেনাকারী ইহকালেও ক্ষতিগ্রস্ত, পরকালেও ক্ষতিগ্রস্ত। এটা এমন একটা পাপ যার মাধ্যম অনেক। যেমন:- চোখ, হাত, পা, কান, মুখ, অন্তর ও লজ্জাস্থান। এগুলির দ্বারা মানুষ যেনার মত জঘন্য পাপ করে থাকে।
★★অাল্লাহ তা'য়ালা বলেন :- তোমরা যেনার নিকটবর্তীও হয়োনা, এটা অশ্লীল ও নিকৃষ্ট পথ।
---[সুরা বানী-ইসরাঈল : ৩২]
★★ব্যভিচারিনী নারী ও ব্যভিচারী পুরুষ তাদের প্রত্যেককে একশত_করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর আইন কার্যকর করার ব্যাপারে তাদের প্রতি দয়ামায়া তোমাদেরকে যেন প্রভাবিত না করে, যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাত দিনের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে থাক। একদল মু’মিন যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে।
---[সুরা নূর : ২]
যিনার শাস্তি হাদিস শরিফ থেকেঃ
হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) ও যায়দ ইবনে খালিদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নিকট অভিযোগ উত্থাপন করল।
একজন বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ ﷺ
আমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব মোতাবেক ফয়সালা করে দিন। অপরজন ছিল অধিক
বুদ্ধিমান। সেও বলল, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলুল্লাহ ﷺ
আমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব মোতাবেক ফয়সালা করে দিন। রাসূলুল্লাহ
ﷺ বললেন, আচ্ছা বল। লোকটি বলল,
আমার ছেলে এই ব্যক্তির কাজ করত।
সে তার স্ত্রীর সাথে যিনা করল। তখন তারা আমাকে বলল যে, আমার ছেলেকে প্রস্তর নিক্ষেপ করে হত্যা করা হবে। তখন আমি আমার ছেলের মুক্তিপণ হিসেবে একশত বকরী ও আমার একটি বাঁদী দিয়ে দিলাম।তারপর আমি আলেমদের জিজ্ঞাসা করলাম। তাঁরা বলল, আমার ছেলেকে একশত বেত্রাঘাত করতে হবে এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর করতে হবে।
আর তার স্ত্রীকে প্রস্তর নিক্ষেপে হত্যা করতে হবে।
তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন,
শোন, আমার জান যার হাতে তার শপথ করে বলছি, আমি অবশ্যই তোমাদের মাঝে আল্লাহর কিতাব মোতাবেক ফয়সালা করব। তোমার বকরী এবং বাঁদী তোমার নিকট ফিরিয়ে দেয়া হবে। তোমার ছেলেকে একশত বেত্রাঘাত করে হবে এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর করা হবে। তারপর উনায়স আসলামী (রাঃ) কে বললেন, হে উনায়স! এই লোকের স্ত্রীর নিকট যাও। যদি সে স্বীকার করে, তবে তাকে প্রস্তর নিক্ষেপ করে হত্যা করো। তারপর
মহিলাটি যিনার কথা স্বীকার করলে তাকে প্রস্তর নিক্ষেপে হত্যা করা হল।” (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ,
আবূ দাউদ, ইবনে মাজাহ, মুসনাদে আহমদ,
মুয়াত্তা মালিক, দায়িমী)
বর্তমানে, একশ্রেনীর জ্ঞানহীন কিছু যুবক- যুবতী, লজ্জা-শরম ভুলে গিয়ে পরকিয়া প্রেমে অাসক্ত হয়ে যেনা করছে ও মা-বাবার অবাধ্য হচ্ছে।
যৌনাচারের মত বিষাক্ত ভাইরাস ছড়িয়েছে চারদিকে।
হে আল্লাহ, এই যিনা থেকে হেফাজত করুন সকল মুমিন মুসলিম উম্মাহকে।
Collected
“অভিভাবক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট এবং সাহায্যকারী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট।”
- সূরা নিসা, আয়াত ৪৫
সূরা ফাতিহা পড়ে যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে রোগের শেফা চাইবে, আল্লাহ তাঁর বান্দাকে ওই রোগ থেকে শেফা দান করবে!
[নাসায়ী ৩১৯]
I still believe in this line,
"সৃষ্টিকর্তা ছাড় দেন কিন্তু ছেড়ে দেন না"🖤🥀
05/06/2021
আমরা জানি আপনি একদিন আসবেন ফিরে ❤️
সে পর্যন্ত না হয় অপেক্ষায় রইলাম.....
04/06/2021
সেরা নাহ! 😇
04/06/2021
একটু লজ্জায় সারাজীবনের ইবাদত বরবাদ হতে পারে!–
➤ যে সব কারণে গোসল ফরজ হয় :
◉ ১. স্বপ্নদোষ বা উত্তেজনাবশত বীর্যপাত হলে।
◉ ২. সহবাসে (সহবাসে বীর্যপাত হোক আর নাই হোক)।
◉ ৩. মেয়েদের হায়েয-নিফাস শেষ হলে।
➤ গোসলের ফরজ তিনটি :
◉ ১. গড়গড়াসহ কুলি করা, যাতে পানি গলার হাড় পর্যন্ত পৌছে।
◉ ২. হাতে পানি নিয়ে নাকের নরম হাড় পর্যন্ত পানি পৌঁছানো।
◉ ৩. সমস্ত শরীর উত্তম রুপে ধৌত করা।
➤ ফরজ গোসলের সঠিক নিয়ম :
গোসলের নিয়ত করা, ‘বিসমিল্লাহ’ বলে গোসল শুরু করা। দুই হাত কবজি পর্যন্ত ধোওয়া (বুখারী–২৪৮)। পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান পরিষ্কার করা (বুখারী–২৫৭)। বাম হাতটি ভালভাবে ঘষে ধুয়ে নেওয়া (বুখারী–২৬৬)। নামাজের ওজুর মতো ভালভাবে পূর্ণরূপে ওজু করা। এক্ষেত্রে শুধু পা দুটো বাকি রাখলেও চলবে, যা গোসলের শেষে ধুয়ে ফেলতে হবে। (বুখারী–২৫৭, ২৫৯, ২৬৫)।
মাথায় পানি ঢেলে চুলের গোড়া ভালভাবে আঙ্গুল দিয়ে ভিজানো। (বুখারী–২৫৮)।
পুরো শরীরে পানি ঢালা; প্রথমে ডানে ৩বার,
পরে বামে ৩বার, শেষে মাথার উপর ৩ বার। (বুখারী–১৬৮)। (যেন শরীরের কোন অংশ বা কোন লোমও শুকনো না থাকে।পুরুষের দাড়ি ও মাথার চুল এবং মহিলাদের চুল ভালোভাবে ভিজতে হবে। নাভি, বগল ও অন্যান্য কুঁচকানো জায়গায় অবশ্যই পানি ঢালতে হবে)। গোসলের জায়গা থেকে একটু সরে গিয়ে দুই পা ধোওয়া।(বুখারী–২৫৭)।
➤ এটাই হচ্ছে গোসলের পরিপূর্ণ পদ্ধতি। উল্লেখ্য, এইভাবে গোসল করলে এর পরে নামায পড়তে চাইলে আলাদা করে ওযু করতে হবেনা, যদি না গোসল করার সময় ওযু ভংগের কোনো কারণ ঘটে থাকে।
➤ গোসলের পরে কাপড় চেঞ্জ করলে বা হাঁটুর উপরে কাপড় উঠে গেলে ওযু ভাংবেনা, এটা ওযু ভংগের কারণ না।
➤ আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে ফরয গোসল করার ও এ জ্ঞান সকলের কাছে পৌছে দেয়ার তওফিক দান করুন। আমিন।
#প্রিয়_দ্বীনী_ভাইদের_লেখা_গুলো
অন্তরকে বিষাক্ত করে দেয় চারটি জিনিসঃ
১) অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা
২) অনিয়ন্ত্রিত দৃষ্টি
৩) অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণ
৪) খারাপ বন্ধু ।
এসব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন, ঈমানের স্বাদ পাবেন ইং শা আল্লাহ্।
31/05/2021
CONGRATULATION 🥀
কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বর্ণপদক পেলেন বাংলাদেশি কওমি শিক্ষার্থী আবু তালেব আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদক পেয়েছেন বাংলাদেশি কৃত...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka