Imexbizz

Imexbizz

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Imexbizz, Management Service, Mohakhali DOHS, Dhaka.

ImexBizz is an IT support and manage service, IT and Telecom Consultancy and advertising agency company that has built a strong reputation for delivering a quality service, on time, and at a competitive price.

Photos from Kaiser History Blogs's post 30/06/2022

সাতগ্রাম জমিদার বাড়ি, সাতগ্রাম আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
ছবি ও তথ্য: M Kaiser Hussain

এ বাড়িতে পা রাখতেই কেমন যেন একটা অদ্ভুত অনুভূতি গা ছম ছমে ব্যাপার, মেঘনা নদীর কূল ঘেষা এই উপজেলার স্থানীয়দের কাছে নানান গল্প শোনা যায় এ বাড়িটি ঘিরে। স্থানীয়রা এ বাড়িটিকে মনোরোমা বাস বা বাবুর বাড়ি নামে চিনে। ধ্বংশপ্রাপ্ত এ বাড়িটি ঠিক কবে তৈরী হয়েছিল সে বিষয়ে সঠিক কোন তথ্য নেই তবে স্থানীয়দের মতে এটি ব্রিটিশ শাসনামলের শুরুর দিকের বলে ধারনা করা হয়, এ বাড়িটির দোতলার সম্মুখ অংশে টানা কাঠের বারান্দা, পাশে ও বাড়ির ভিতরে পুকুর।

ব্রিটিশ আমলে ডেপুটি মেয়র ছিলেন শ্রী শরৎ গুপ্ত, তার নামে পুরান ঢাকায় অবস্থিত লক্ষ্মীবাজার এ শরৎ গুপ্ত রোড রয়েছে, তারই বড় ছেলে শ্রী যোগেশ গুপ্ত এর এই সাতগ্রামের বাড়িটি, তার বংশধররা এলাকায় কাপড়, সুতা ও পাট এর ব্যাবসা করে বিশাল সম্পত্তির মালিক হন, তারই এক উত্তরসুরী ছিলেন অত্যাচারী বাড়িতে রয়েছে কুয়ো, পুকুর, প্রচুর গাছ ও সুরঙ, যদিও এটি কালের বিবর্তনে চাপা পরে গেছে, কথিত আছে কর না দিতে পারলে জমিদার এর পেয়াদারা নিরীহ প্রজাদের ধরে এনে এখানে ফেলে রাখা হত. এক আমাবস্যার রাতে জমিদার বাবুর স্ত্রী, পর পর দুই সন্তান অজানা কারনে এ বাড়িতে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যুবরণ করে, আর সে থেকে তারা এ বাড়িটি অপয়া মনে করতেন, এরপর থেকে বাড়িটিতে বিভিন্ন ধরনের দু:ঘটনা হতে থাকে হয়ত পরিবারের কারো কারসাজি থাকতে পারে, রাত এর বেলা অদ্ভুত ধরনের আওয়াজ পাওয়া যেত. ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের সময় এ বাড়ির পরিবারের সদস্যরা কলকাতা চলে যান আর কিছু পরিবার নারায়ণগঞ্জ সহ পুরান ঢাকা বসবাস করেন, সেদিন থেকে এ বাড়িটি পরিত্যাক্ত হয়ে রয়েছে।

কিছুদিন এ বাড়িটির কিছু অংশে বিদ্যালয় হিসেবে ব্যাবহার করা হয় কিন্তু এক দু:ঘটনার কারনে বাড়িটির পশ্চিম পাশে বিদ্যালয়টি স্থানান্তরিত করা হয়, ১৯৭১ সালে বাড়িটির মাঠে মুক্তি যোদ্ধাদের ক্যাম্প হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছিল, বর্তমানে সাতগাও প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জমিদার বাড়ির জমির উপর স্থাপন করা হয়।

গ্রামবাসীরা এখনো নাকি এ পরিত্যাক্ত বাড়িটি থেকে বিভিন্ন ধরনের আওয়াজ শুনতে পান বিশেষ আমাবস্যার রাতে আরো বেশি, এ নিয়ে লোক মুখে ভূত প্রেত এর গল্পগুলোতো রয়েছেই, এ জন্য রাতের বেলা এ বাড়িটির আশে পাশেও কেউ যান না।

Photos from Kaiser History Blogs's post 29/06/2022

অতুল কৃষ্ণ রায় চৌধুরীর জমিদার বাড়ি/মৈশান বাড়ি

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় অবস্থিত জমিদার বাড়ি। প্রভাবশালী জমিদার মাতা যশোধা রানী চৌধুরানীর তিন পুত্র অতুল কৃষ্ণ রায় চৌধুরী, নবীন কৃষ্ণ রায় চৌধুরী ও চন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী, তারা এ অন্চলের জমিদার ছিলেন, তাদের পিতা জমিদার কৃষ্ণ রায় চৌধুরী প্রয়াত হলে তাদের মাতা জমিদারীর হাল ধরেন, তাদের ব্যাবসার প্রসার ও প্রায় একই আদলের বাড়ি নাকি কলকাতাতেও ছিল। তাদের সম্বন্ধে আর তেমন কিছু জানা যায়নি।

এলাকার শিক্ষার প্রসারে ১৯২৩ সালে যুগের প্রয়োজনে তৎকালীন সময়ের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক বাবু গুরম্ননাথ মিত্রের উদ্যোগে এবং অতুল কৃষ্ণ রায় চৌধুরী, নবীন কৃষ্ণ রায় চৌধুরী ও চন্দ্র কুমার রায় চৌধুরীর যৌথ উদ্যোগ ও ঐকান্তিক সহযোগিতায় এই ঐতিহ্যবাহী লাকসাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়টি কুমিল্লা জেলার অন্তর্গত লাকসাম উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়া তাদের প্রতিষ্ঠিত আরো প্রতিষ্ঠান রয়েছে আর তাদের বাড়িটি সংরক্ষিত রয়েছে।

Coordinates : 23°14'06.2"N 91°07'39.8"E

Photos from Kaiser History Blogs's post 20/06/2022

ঢাকা শহরের নিকটে তুরাগ নদীর পাড়ে সাভার উপজেলার প্রাচীন জনপদ ও ছোট্ট একটি গ্রাম নাম বিরুলিয়া। জমিদার/বনিক রজনীকান্তের সুদৃশ্য বাড়ি, তার মূলত পাট, কাপড় ও কাপড়ের রং এর ব্যাবসা ছিল, কলকাতায়ও ছিল তার কাপড় ও কাপড় এর রং এর ব্যাবসা। প্রায় ১১টি প্রাচীন স্থাপনার জন্য বিরুলিয়া বিখ্যাত। তা ছাড়া এখানে রয়েছে বেশ কয়েকটি মন্দির।

গ্রামের শেষ ঠিক মাথায় নদীর তীর ঘেঁষে বাড়িটি জমিদার রজনীকান্ত ঘোষের। সেখানে এখন বাস করছেন রজনীকান্ত ঘোষের কথিত বংশধররা। স্থানীয় অধিবাসী এবং জমিদারের উত্তরসূরিদের কাছ থেকে জানা, সেই সময়ের জমিদার নলিনী মোহন সাহার কাছ থেকে রজনীকান্ত ঘোষ ৮৯৬০ টাকা ৪ আনি দিয়ে বাড়িটি কেনেন। পুরানো ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় জমিদার/বনিক রজনীকান্ত ঘোষের কয়েকটি বাড়ি থাকলেও পরিত্যাক্ত বাড়িগুলো এখন প্রায় গুলো অন্যদের দখলে। বাড়িগুলোতে আছে সদরঘর, বিশ্রামঘর, বিচারঘর, পেয়াদাঘর, ঘোড়াশালাসহ উল্ল্যেখযোগ্য আরও কিছু ঘর।

দেশের বিভিন্ন স্থানে বিরুলিয়ার মিরচিনি মুরালির খুব কদর। তাই তো সারা দেশের বিভিন্ন মেলায় সোনারগাঁয়ের পাশাপাশি বিরুলিয়ার এসব পণ্য বিক্রি হতে দেখা যায়। আর বিরুলিয়া বিখ্যাত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য। বিরুলিয়া গ্রামের একেবারে শেষ প্রান্তে নদের পারে অবস্থিত জমিদার রজনীকান্তের সুদৃশ্য বাড়িটি আর বাড়ির ভিতর অংশে তৎকালীন নদে নেমে গেছে পুরানো একটি ঘাট, এ ঘাটেই এক সময় ভিড়তো জমিদার বাবুদের বড় বড় বজরা নৌকো।
(*ছবিগুলো সাইকেলে ইতিহাসের খোঁজের সময় তোলা)

24/05/2020

ঘরে থাকি ঈদ করি পরিবারের সাথে

যেভাবে এলো এন নাইন্টি ফাইভ মাস্ক 26/04/2020

যেভাবে এলো এন নাইন্টি ফাইভ মাস্ক চলুন জেনে নেয়া যাক মাস্কটির চমকপ্রদ ইতিহাস

25/04/2020
সাধারণ ছুটি আরও বাড়তে পারে 22/04/2020

সাধারণ ছুটি আরও বাড়তে পারে করোনা–পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে না আসায় সাধারণ ছুটি আরও বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। এ বিষয়ে আগামীকাল বুধবার ঘোষণা আসত.....

21/04/2020

রাসায়নিক মুক্ত সকল প্রকার আম
হোম ডেলিভারি পেতে যোগাযোগ করুন

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Mohakhali DOHS
Dhaka
1209