Itz Risbi 007
Alhamdulillah
22/01/2024
ম্যাডাম: বলতো কে প্রথম চাঁদে গিয়েছিলো??
ছাত্র: সোনা মিয়া।
ম্যাডাম: ফাজিল কথাকার।
ম্যাডাম এবার বললো,"কে প্রথম এভারেস্ট জয় করেছিলো??
ছাত্র: দানা মিয়া।
এবার ম্যাডাম রে/গে ছেলেটার হা/ত ধরে টে/নে হেডস্যারের কাছে নিয়ে গেলো।
ম্যাডাম: কি ফা/লতু ছাত্র রাখেন, এরা স্কুলের নাম খা/রাপ
করবে।
হেডস্যার: কেনো কি হয়েছে??
ম্যাডাম: কিছুই পারে না। সব উ/ল্টা পা/লটা বলে।
হেডস্যার: ছাত্রকে, এই বলতো ২এ ২এ কতো হয়??
ছাত্র: স্যার, ৪ হয়।
হেডস্যার: ৪এ ৪এ কতো হয়??
ছাত্র: ৮ হয়।
হেডস্যার: এইতো পারে তো আ/স্তে আ/স্তে শিখে যাবে।
এবার ম্যাডাম আরও রে/গে গেলেন। তিনি হেডস্যারকে বললেন, রাখেন আপনার প্রশ্ন। ওকে প্রশ্ন আমি করবো।
যদি ১টাও ভু/ল হয় তাহলে স্কুল থেকে বের করে দিবো।
ম্যাডাম: বল তোর পে/ন্টের ভিতর কি আছে। যা আমার শারী/রের ভিতর নাই??
ছাত্র: পকেট।
ম্যাডাম: বল, গাভীর আছে ৪টা আমার আছে ২টা, বল এটা কি হবে??
ছাত্র: পা।
ম্যাডাম: কোন কাজটা খা/টেই করতে মজা ও আ/রাম??
ছাত্র: ঘুম।
ম্যাডাম: বল কোন জিনিস মুখের ভিতর ঢু/কে শ/ক্ত হয় আর বের হয় ন/রম হয়ে??
ছাত্র: চু/ইংগাম।
ম্যাডাম: ছেলেরা উত্তে/জিত হলে তাদের শরীরের কোন অ/ঙ্গ ছোট থেকে বড় হয়ে যায়??
ছাত্র: হৃদপিন্ড।
!
হেডস্যার: ম্যাডাম, থামেন থামেন। স্কুল বাদ দেন, এই ছাত্রকে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করে দেন। আপনি যে ভাবে
প্রশ্ন করলেন আর 'ও' যে ভাবে উত্তর দিলো, আমি তো অন্য
উত্তর মনে করেছিলাম।
নিয়মিত মজার সব গল্প পড়তে পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন Itz Risbi 007
20/01/2024
বলতো মা আমি কে......?
আমি হলাম তোমার গর্ভে রাতের আধাঁরে লুকিয়ে জন্ম নেয়া সেই হতভাগা সন্তান।
জানো মা? তুমি চলে আসার পর আমার সাথে কি হয়েছিলো? তুমি যখন কাপর দিয়ে ঢেকে আমায় ফেলে আসলে, আমি চোখ খুলে দেখি তুমি নেই। এদিক ওদিক সব দিক তোমায় খুজলাম, চারিদিক অন্ধকার, বুঝে নিলাম তুমি নেই। 😢
আমি তো তোমায় 'মা' ডাকতে শিখিনি তখনো,
কিন্তু আমি জানতাম আমার চিৎকার শুনে তুমি দৌড়ে ছিটে আসবে। তাই চিৎকার করে কাঁদতে লাগলাম।😭😭
জানো 'মা' আমার চিৎকারে তুমি এলেনা ঠিকই,
কিন্তু রাস্তার কুকুরগুলো আমার কান্না শুনে ঠিকই আমায় খুজে নিলো। আমি ভাবলাম কুকুর গুলো বুঝি আমায় তোমার কাছে নিয়ে যাবে।😇😇
কিন্তু না মা! তোমার কাছে নেওয়ার জন্য না। ওরা এসেছে আমায় খাওয়ার জন্য। একটা দুইটা কুকুর না ''মা" অনেক কুকুর! কি ধাঁ/রা/লো দাঁত ওদের?😭😭
আমায় দেখেই ওদের মুখ দিয়ে লা/লা পড়ছিলো। প্রথমে একটা কুকুর এসে ন/খ দিয়ে আমার নরম পা/জঁ/র গুলো ছিড়লো।
তারপর আরো দুইটা কুকুর মাথাটা নিয়ে কি টানাটানিই না করছিল, তখন কি য/ন্ত্র/নাই না মা হচ্ছিলো, তুমি বুঝবেনা মা!
বুঝলে কি আর আমায় ফেলে যেতে?😪😪
জানো 'মা'! ওরা যখন আমায় টানাটানি করছিলো, একটা সময় আমার যন্ত্রনাটাও কমে গেল। কমবে না কেন বল?
আমার তুলতুলে নরম খাঁচাটি ভেঙে প্রান পাখিটা তো ততক্ষণে উড়ে গেছে।😥😢😭
জানিনা কে তোমায় ভালবাসি বলে কাছে টেনে নিয়ে আমায় জন্ম দিয়ে গেল। ও না হয় অমানুষ ছিল, কিন্তু তুমি তো মা! তবে তুমি কেমনে পারলে আমায় আবর্জনার স্তূপে ফেলে দিতে?😓😒😒
যদি নিজের মান সম্মানের কথা এতই ভাবতে, তবে মানুষরূপী ঐ পশুটির কাছে গিয়ে আমাকে জন্ম দিলেই বা কেন.? কেনই বা এমন মানুষের কাছে নিজের সব কিছুই উজাড় করে দিলে.? 😒
ভালবাসার অর্থ কি মা বিবাহের পূর্বে এক বিছানায় রাত্রি যাপন করা? ভালবাসার অর্থ কি মা আমার মত নিষ্পাপ সন্তানকে লোকের অগোচরে জন্ম দিয়ে কুকুর দিয়ে খাওয়ানো.?, 😭😭
তবে শোন মা! এমন ভালবাসা পাওয়ার আগেই ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমি দুনিয়া থেকে বিদায় নিলাম! আমি হাশরের দিন তোমার জন্য সুপারিশ করবো মা। আল্লাহ তায়ালা তোমায় যাতে ক্ষমা করে দেয়। 😊😊
কি করবো বলো? তুমি আমার কথা না ভাবলেও আমি তোমার কথা ঠিকই ভেবে রেখেছি।
মা! তোমার কাছে শুধু একটা অনুরোধ, যদি সন্তানকে লোকের সামনে আনতে এতই লজ্জা করে তোমার, তবে আর কখনো আমার মত অবৈধ সন্তানেরর জন্ম দিওনা!🥀😊
20/01/2024
বালকঃ আই লাভ ইউ।
বালিকাঃ কি করতে পারবা আমার জন্য?
বালকঃ তাজমহল বানাবো।
বালিকাঃ কোথাকার রাজা তুমি?
বালকঃ আমি আমার মনের রাজা!
বালিকাঃ ও, ফকিন্নি মার্কা রাজা!!!
বালকঃ অবহেলা করো না বালিকা, হয়তো আমার কাছে আমার বন্ধুর মত গাড়ি নেই, বড় ঘর নেই; কিন্তু তোমাক মাথায় নিয়ে ঘুরাবো, এই বুকে রাখব তোমায়,
বালিকাঃ আচ্ছা । তোমার বন্ধুর নাম্বার দাও।
বালকঃ বন্ধুর নাম্বার দিয়া কি করবা?
বালিকাঃ তুমি না আমায় ভালোবাসো?
বালকঃ খুব!
বালিকাঃ চাওনা আমি সুখে থাকি?
বালকঃ অবশ্যই!!!
বালিকাঃ এ জন্যে তোমার বন্ধুকেই আমারচাই –। যার এত কিছু আছে, তার কাছে তো সুখেই থাকার কথা।
বালকঃ ( মলিন মুখে) এই নাও।
বালিকাঃ থ্যাঙ্কু – বাবু ।বাইই।
বালকঃ দোস্ত অপারেশন সাকসেস। তোর নাম্বার নিয়া নিছে, অপেক্ষায় থাক – মিসড কল, আসলেই ব্যাক করবি।
দোস্তঃ থ্যাঙ্ক ইউ দোস্ত, এই গরিবের মহা উপকার করলি – কিচ্ছু না দিতে পারলেও
দোয়া দিমু 🙂
©
16/01/2024
১.যে স্বামী সকালে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে কমপক্ষে পাঁচ মিনিট জড়িয়ে ধরে রাখে তাঁর কর্মক্ষেত্রে বিপদের আশঙ্কা কম থাকে।.. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
২.বউয়েরা ঘরের লক্ষী। এদেরকে যত বেশি ভালোবাসা দেয়া হয়, তত বেশি সংসার এ শান্তি আসে।..হুমায়ুন আহমেদ।
৩.স্ত্রীকে যথেষ্ঠ পরিমাণ সময় দিন, না হয় যথেষ্ঠ পরিমাণ বিশ্বাস করুন। সংসার আর যুদ্ধক্ষেত্র মনে হবে না।..সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
৪.সেই পুরুষই কাপুরুষ, যে স্ত্রীর কাছে প্রেমিক হতে পারেনি।..কাজী নজরুল ইসলাম।
৫.প্রতিদিন একবার স্ত্রীকে " আমি তোমাকে ভালোবাসি" বললে মাথার সব দুশ্চিন্তা দূর হয় যায়।..সত্যজিৎ রায়।
৬.মন ভালো রাখতে বউকে ফেসবুক, ফোনবুক, নোটবুক সহ সব ধরনের এ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন।..মার্ক জুকারবার্গ।
৭. মেয়েদের মন এ ভালোবাসা এবং অভিমান দুটোই থাকে বেশি। তাই অভিমানটাকে ভালোবাসার চেয়ে বড় করে দেখা যাবেনা। তাই স্বামীদের উচিত স্ত্রীর সব অভিমান ভালোবেসে ভাঙানো।.. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
৮.একটা শিশুকে দুনিয়ার মুখ দেখাতে মা যে কষ্ট সহ্য করে তা বাবা সারা জীবন ভালোবেসেও শোধ করতে পারেনা। তাই প্রত্যেকটা স্বামীর উচিৎ তার সন্তানের মাকে কোন রকম কষ্ট না দেয়।......জীবনানন্দ দাশ।
কবিদের দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রেম কত সুন্দর! তাই না?আবার দেখুন,কবিদের নিজেরি প্রেয়সী থাকে না🌸
এমন বাস্তবসম্মত পোস্ট এবং রোমান্টিক সকল গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখুন।
14/01/2024
🤣🤣অস্থির হাসির গল্প 🤣🤣
বল্টুর বউয়ের বাচ্চা হবে😫
বল্টু ডাক্তারকে ফোন দিল।
ডাক্তার সোজা বাসায় এল একটা কাঠের বাক্স নিয়ে😊
ডাক্তার:রোগী কোথায়?😒
বল্টু:ওই ঘরে✋
ডাক্তার ভেতরে গিয়ে দরজা আটকে দিল।
কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে বলল,যদি বউকে বাচাতে চাও তবে হাতুরি নিয়ে আসো😲
বল্টু হাতুরি দিলে সে দরজা আটকে দিল।
কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে এসে বলল,যদি বউকে বাচাতে চাও তাহলে করাত নিয়ে আসো😱
বল্টু করাত দেওয়ার কিছুক্ষণ পর ডাক্তার বেরিয়ে এল প্রচুর ঘামতে ঘামতে😰
বল্টু:কি হল?
ডাক্তার:তোমার কাছে কি ছেনি আাছে?😖
বল্টু:ওই মিয়া অপারেশন করতে এগুলা লাগে?
আপনি কোন বা*লের ডাক্তার?😡
ডাক্তার:আরে ব্যাটা আমার বাক্সের তালার চাবি হারায়ে গেছে😞
এখনও খুলতে পারিনি তাই ছেনি চাচ্ছি তাড়াতাড়ি নিয়ে আসেন!😂😂
14/01/2024
মধ্য রাতে ঘুম ভেঙ্গেই নীলা খেয়াল করলো সে উলঙ্গ অবস্থায় বিছানায় পরে আছে!!নীলা খুব ভয়ে পেয়ে গেল!! ওর শরীর ঘামতে থাকলো!! নীলা তারা তারি কাপড় পরিধান করলো!! নীলা বুঝতে পারলো প্রতিরাতের মত আজও কেউ ওকে ধর্ষন করেছে!! নীলা তার রুমের দরজা চেক করলো!! দরজা তো ঠিকই আছে!! কিন্তু এ কি করে সম্ভব!! দরজা না খুলেই কেউ আমার সাথে কী ভাবে এমন করতে পারে!!
পর দিন নীলা এই বিষয়টি নিয়ে অনেক ভাবলো কিন্তু কিছুই বুঝতে পারছিলো না!! নীলা তার বাবা মাকে ও কিছু বলতে পরছে না!! কী-বা বলবে!! কী করে একটা মেয়ে তার বাবা মাকে বলবে যে তাকে কেউ প্রতি রাতে ধর্ষন করে!!নীলা ভাবলো এটা হয়তো তার মনের ভুল হতেপারে!! তাই নীলা ভাবলো আর একটা রাত দেখা যাক!! পরের দিন রাতে নীলা ঘুমিয়ে ছিলো!! সেই দিন ও ওর সাথে একি ঘটনা ঘটলো!!
নীলা সেই রাতে বিছানা থেকে উঠতে পারছিলো না!! আসলে একটা মেয়ের সাথে তার অনিচ্ছার পরও জোর করে মিলন করলে যা হয় আর কী!! নীলা কোন মতে বিছানা থেকে উঠে জামা কাপড় পরে নিলো!! নীলার খুব ক্লান্ত লাগছিলো!! সে বুঝতেছে না তার কী করা উচিত!! নীলা সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে পড়লো!! আর ভার্সিটিতে চলে গেল!!
নীলা ভার্সিটির কেম্পাসে বসে বসে ভাবছে তার সাথে কেন এমন হচ্ছে!! পরক্ষণেই নীলার বান্ধবী আসলো!! আর এসেই জিজ্ঞেস করলো!! কি হয়েছে নীলা?? কী ভাবছিস?? নীলা বুঝতেছে না কথা গুলো ওর বান্ধবীকে বলা উচিত হবে কি না?? আর একবার ভাবলো!! ও ছাড়া ত আর কারো সাথে বলতে ও পারবো না!! তাই নীলা সিদ্ধান্ত নিলো ওকে সব খুলে বলবে!!
নীলা ওর বান্ধবীকে সব খুলে বললো!! ওর বান্ধবী সব শুনে হাসতে থাকলো!! কিন্তু নীলার এমন চিন্তিত মুখ দেখে ওর একটু সন্দেহ হলো!! কথাটা কি সত্যি নাকি নীলা?? নীলা কান্নার সুরে বললো হুম!! ওর বান্ধবী বললো ভয় পাস না আমি তো আছি!! আজ রাতে আমি তোর বাসায় তোর সাথে থাকবো!! নীলা একটু খুশি হলো!! অন্তত আজ একা একা থাকতে হবে না এই কথা ভেবে!!
ওর বান্ধবী নীলার সাথে ওর বাসায় চলে গেল!! ওরা খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়লো!! ওরা দুজনে পাশা পাশি শুয়ে ছিল!! ঠিক মধ্য রাতে ওর বান্ধবী খেয়াল করলো বিছানাটা কাপছে!! নীলার বান্ধবী তারা তারি রুমের লাইট জ্বালালো!! আর দেখতে পেল নীলা সারা শরীর ঘেমে গেছে!! আর নীলা ছট ফট করছে!! নীলার নিশ্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে!! এই অবস্থা দেখে নীলার বান্ধবী খুব ভয় পেয়ে যায়!
নীলার বান্ধবী খেয়াল করলো নীলার সমস্ত শরীর ঘামতেছে!! নীলা পুরো ছট ফট করছে!! নীলার বান্ধবী নীলাকে ডাকলো!! প্রায় ১০ মিনিট ডাকার পর নীলা তার চোখ খুললো!! আর খুলেই তার বান্ধবীকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেললো!! আর বললো কে যেন তাকে জড়িয়ে ধরেছিলো!! তাই নীলার নিশ্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো!!
আর কে যেন ওর ঠোঁট দুটো কামড়ে ধরে ছিলো!! নীলার বান্ধবী খেয়াল করলো নীলার ঠোঁটের এক পাশ থেকে হালকা রক্ত বের হচ্ছে!! এবার ওর বান্ধবী একটু নয় অনেকটাই ভয় পেয়ে গেল!! এবার ওর পুর পুরি বিশ্বাস হয়েছে যে নীলার সব কথা গুলোই সত্যি তাহলে!! ও নীলাকে বললো নীলা এই বিষয়টি লুকিয়ে রাখার বিষয় নয়!! তুই সব কিছু আন্টি আঙ্কেল কে খুলে বল রে!!
একটা না একটা রাস্তা ঠিক বের হবেই!! নীলা বুঝতেছে না ও কি করবে?? সকালে উঠে ফ্রেস হয়ে নিলো নীলা!! আজ আর ভার্সিটিতে গেল না নীলা!! নীলা ওর রুমে বসে ভাবছিলো কী করা যায়!! ঠিক সেই সময় নীলার মা ওর রুমে আসলো!! আর নীলাকে জিঙ্গেস করলো কী হয়েছে?? আজ ও ভার্সিটিতে গেল না কেন?? নীলা ওর মাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে কেঁদে সব খুলে বললো!!
বললো প্রতি রাতেই কেউ একজন ওকে ধর্ষন করে!!নীলার মা কথা গুলো শুনে অবাক হয়ে যায়!! আর উনি বললো এই সব কথা তুই আমাকে এখন বলছিস কেন?? আগে কেন বলিস নি?? নীলা বললো আমি খুব ভয় পেয়ে গিয়ে ছিলাম মা!! নীলার মা নীলাকে বললো ভয় পাস না মা!! আমি তোর বাবার সাথে কথা বলছি!! নীলার বাবা ও কথা গুলো শুনে খুবই অবাক হয়ে ছিলো!! এটা ও কী সম্ভব!!
পরের দিন রাতের কথা!! নীলা তার রুমে শুয়ে ছিলো!! ঠিক মধ্য রাতে নীলার রুম থেকে চিৎকার এর আওয়াজ শুনা গেলো!! নীলা বাবা মা নীলার রুমে গেল!! আর গিয়ে দেখতে পেল নীলা অজ্ঞান হয়ে পরে আছে!! আর তার মা দেখলো নীলার চুল গুলো এলো মেলো!! শরীরে কিসের যেন জখম!! নীলার মা বুঝতে পারে আজ ও নীলার সাথে খারাপ কিছু হয়েছে!! ওনার নীলাকে ওনাদের রুমে নিয়ে গেল!!
পরদিন নীলার মা বলে মসজিদ এর হুজুর কে একটু ডেকে আনতে!! একটু ওনার কাছে নীলাকে দেখাতে হবে!! হুজুর কে ডাকা হলো!! হুজুর বাড়ি ডুকেই অবাক হয়ে গেল!! কেউ একজন হুজুরের কানের কাছে গিয়ে বলছে!! চলে যা!! চলে যা এখান থেকে!! হুজুর শুধু বললো আপনার মেয়ের অবস্হা বেশি ভাল না!! যত তারা তারি সম্ভব ওর বিয়ে দিয়ে দিন!! নয়তো ওকে বাঁচানোর আর কোন উপায় নেই!! পর দিন নীলার আব্বু শুনতে পাই যেই হুজুর তাদের বাড়ি এসে ছিলো সেই হুজুরটা নাকি মারা গেছে!!
হুজুরের লাশ টা পাশের কবরাস্হানে পরে ছিল!!নীলার বাবা হুজুরের জানাজায় উপস্থিত হয়ে ছিল!! উনি এসে নীলাকে বললো হুজুরকে খুব খারাপ ভাবে মেরে ফেলা হয়েছে!! উনি আরো বললো এটা কোন সাধারন মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়!! এটা অন্য কোন কিছুর কাজ!! নীলা ভয়ে ভয়ে ওর বাবার দিকে তাকালো আর জিজ্ঞেস করলো!! অন্য কিছু মানে বাবা??
নীলার বাবা বলতে গিয়েও থেমে গেল!! ওনি বললো কিছু না মা!! তুই চিন্তা করিস না!! হয়তো নীলা ভয় পাবে এই কথা ভেবে উনি কিছু বললো না!! হুজুরে মৃত্যুর পর থেকে নীলার বাবা খুবই ভয় পেয়ে আছে!! ওনি এখন বুঝতে পেরেছেন যে এ যেই হউক ও খুব শক্তিশালী একজন!! ওর কাছ থেকে আমার মেয়েকে বাঁচানোটা অতটা সহজ হবে না!! ওনি ওনার স্ত্রীকে ডাকলেন আর বললেন নীলার খেয়াল রাখতে!!
পরের দিন রাতের ঘটনা!! নীলা আজ একা ঘুমোই নি!! আজ ওর সাথে ওর মা শুয়ে আছে!! ঠিক মধ্যরাতে নীলার মায়ের ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো!! আর তিনি দেখতে পেলেন!! নীলা খাটের উপর নেই!! নীলার মা অন্ধকারে নীলাকে দেখতে না পেয়ে খুব ভয় পেয়ে গেলো!!ওনি তারা তারি রুমের লাইট জ্বালালো!! আর লাইট জ্বালিয়ে ওনি একটা চিৎকার দিয়ে উঠলো!!
উনি দেখতে পেল নীলা বিছানার উপর হাওয়ায় শুয়ে আছে!! উনি তারাহুরো করে নীলার বাবার রুমে চলে গেলো!! আর উনাকে সাথে নিয়ে নীলার রুমে আসলো!! কিন্তু একি!! এখন তো সব ঠিকই আছে!! নীলা খাটের উপর বিছানায় শুয়ে আছে!! ওনারা নীলাকে ডাকলো আর নীলা জিজ্ঞেস করছে কী হয়েছে মা?? এত রাতে তোমরা দুজনে এক সাথে আমার রুমে যে?? তার মানে নীলা কিছুই জানে না!! ওনারা নীলাকে কিছু বললো না!!
নীলার মা আর ওর বাবা দুজনে মিলে খুবই চিন্তিত!! ওনারা বসে আলোচনা করছে কি করা যায়!! তখন নীলার বাবা নীলার মাকে বললো!! একটা কবিরাজ এর সাথে কথা বললে কেমন হয়?? নীলার মা বললো হ্যা তুমি তাই করো!! নীলার বাবা বললো আগে যে করেই হউক নীলাকে বাড়ি থেকে দূরে কোথাও সরাতে হবে!! ঠিক সেই সময় গ্রাম থেকে একটা ফোন আসলো!!
আর নীলার বাবার ভাই জানাল ওনার মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছে!! নীলার বাবা ভাবলো এটাই সময় নীলাকে বাড়ি থেকে দূরে সরানোর!! পরের দিন নীলার বাবা নীলাকে গ্রামে পাঠালো!! নীলা গ্রামে গিয়ে একটু সস্তি পেল!! ভাবলো হয়তো কয়কটা দিনের জন্য ওই সব থেকে মুক্তি পাবে!! সারা দিন নীলার ভালই কাটলো!
রাতের কথা নীলা একটা রুমে একাই শুয়ে ছিলো!! মধ্যরাতে নীলা খেয়াল করলো কেউ একজন ওর সাথে ওর রুমে আছে!! নীলা খুব ভয় পেয়ে গেল!! নীলা খেয়াল করলো কেউ একজন ওর কানের কাছে এসে বলছে কিরে তোর কি মনে হয়?? তুই নিজে এই গ্রামে এসেছিস!! না আমি তকে এই গ্রামে টেনে এনেছি!!
চলবে..??
কেমন লাগলো কমেন্টে জানাবেন!!আর এই গল্প সম্পর্কে কোন অভিযোগ বা উপদেশ থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। যদি পাঠক রা না চাই তাহলে nxtপর্ব আর পোস্ট করবো না।
#অদৃশ্য_মানব
#পর্বঃ_০১
𝘳𝓲𝘴᥇𝓲
পরবর্তী পার্ট পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখুন।
21/11/2023
বিয়ে করে কি পেয়েছি?
-বিয়ে করে সর্বপ্রথম একটা বউ পেয়েছি!
-পকেটে একটা মোবাইল থাকার পরও সারাদিনে যখন একটাও কল আসেনা তখন একটা কল করে ' তুমি এখন কোথায়? বলার মানুষ পেয়েছি! তখন নিজেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ 'পাবলিক' মনে হয়।
- একজন কুকার/সেফ/পাঁচক/রাঁধুনি পেয়েছি। একটা ওয়াসিং মেশিন পেয়েছি। পাঞ্জাবীটা ময়লা হয়েছে বললেই, মেশিন অটো চলে!
-একটা অটো টেপরেকর্ডার পেয়েছি, মাঝে মাঝে ' টেপা ছাড়াই বাজতে থাকে! কখনো জোড়ে 'স্টপ' বললে বন্ধ হয়, কখনো শব্দ পরিবর্তন হয়ে 'বৃষ্টি' চালু হয়! কখনো 'হাইফাইভ' দেখালে অটো বন্ধ হয়ে যায়। বড় বিচিত্র এই রেকর্ডার!
-সপ্তাহ পাঁচ-সাত দিন পর পর অতি যত্ন সহকারে বাজার-সদায়ের লিস্ট ধরিয়ে দেয়ার জন্য একজন 'কেয়ারটেকার' পেয়েছি!
-আমার ঘরে রাত ১১টা সাড়ে ১১টার পর আমাকেই প্রবেশ নিষেধ বলে হুমকি দেয়ার 'দারোয়ান' পেয়েছি!
-ছোট একটা 'এলার্মক্লক' পেয়েছি!
-বাড়তি প্রাপ্তি হিসেবে (শ্বশুড় )নাই মারা গেছে-শ্বাশুড়ি, -শালী, সম্বন্ধী পেয়েছি। সম্পূর্ণ অপরিচিত কিছু মানুষকে নিকটাত্মীয় হিসেবে পেয়েছি।
- একটা মেয়ে সন্তান পেয়েছি। সে যখন Baba বলে কোলে চড়ে বসে কিংবা জড়িয়ে কোলে তুলে নেই তখন বাগানে ফুল ফুটলে মালির যে অনুভুতি হয় তার চেয়েও বেশি মনটা শীতল হয়!
-এত এত প্রাপ্তির মাঝে কিছু হারিয়েছিও!
-মানিব্যাগ আর রিমোর্টের একছত্র অধিকার হারিয়েছি। মাঝে মাঝে মোবাইলটাও বেদখল হয়ে যায়!
সর্বশেষ সুখে- দুখে একটা কথা বলার সঙ্গী পেয়েছি!
#আলহামদুলিল্লাহ্
03/11/2023
Hummm go mention koro
12/10/2023
l follow me Itz Risbi 007
19/07/2023
কী একটা অবস্থা!😬
হিরো আলম লাইভে মার খাচ্ছে কিন্তু কেউ বিশ্বাস করছে না সবাই ভাবছে শুটিং চলছে
"Collected post" @@@@@ Friends
19/06/2023
https://youtube.com/watch?v=9_REZlW9kVI&feature=share
কি ভাবে ফেসবুক থেকে রিলস ভিডিও ডাউনলোড করবো। how to make facebook reels video downlod। #fbreels #TR কি ভাবে ফেসবুক থেকে রিলস ভিডিও ডাউনলোড করবো। how to make facebook reels video downlod। ...
10/06/2023
এদের বাচ্চার বাবা পাওয়া যাচ্ছে না । কেউ কি বলবা এদের বাচ্চার বাবার নাম কি ❓❗
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
888