Hasibul Islam
Here is Provide's Legal Aid and Legal Services.
06/11/2022
ওয়ারিশ ঠকানো ব্যক্তির ইবাদত কবুল হয় না......
👇
👇
👇
কোনো মুসলমান মারা গেলে তাকে কবরস্থ করার পর পর তার আত্মীয়দের প্রথম কর্তব্য হলো- তার সম্পদের বিষয়ে পারিবারিক পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। এক্ষেত্রে মৃতের পরিবারের যিনি অভিভাবক মূলত: প্রধান দায়টা তার ওপর বর্তায়। কিন্তু আমাদের দেশে মৃতের সম্পদের ক্ষেত্রে এটা হয় প্রথম ভুল। কবরস্থ করার পরপরই এ বিষয়ে পরামর্শে বসা হয় না। অনেক পরিবারে দেখা যায় বিশ বছর-ত্রিশ বছর হয়ে গেছে তাও সম্পদ বণ্টন করা হয়নি। অথচ দায়িত্ব ছিল কবর দিয়ে এসেই সম্পদ বণ্টন করা।
👉মৃতের সম্পদ বণ্টনের প্রচলিত কিছু ত্রুটি :-
১. বোন, ফুফুদের জমির অংশ না দেওয়া। নামে কিছু দিলেও কিনে রাখা হয়, আবার সঠিক বাজারমূল্যও দেওয়া হয় না। নামমাত্র পরিমাণে অনেক অনেক কম মূল্য দেওয়া হয়।
২. বোন, ফুফুরা পিতার ওয়ারিশ দাবি করলে খারাপ নজরে দেখা হয়। তাদের মন্দ ভাবা হয়। অথচ এটা তাদের হক। আল্লাহ প্রদত্ত পাওনা। নিজের পাওনা দাবি করা কি কোনো অন্যায়?
৩. বোন, ফুফুদের আতিথেয়তা, ঈদের উপহার ইত্যাদিকে ওয়ারিশের বিনিময় গণ্য করা হয়। অথচ পিতা মারা যাওয়ার সাথে সাথেই বোন, ফুফুদের পুরোপুরি ভাগ তাদের ভোগদখলে বুঝিয়ে দিতে হবে। আবার এর পরেও তারা বেড়াতে আসলে তাদের আতিথেয়তা করতে হবে, সামর্থ্য অনুযায়ী ঈদে তাদের উপহার দিতে হবে। আতিথেয়তা আর ঈদের উপহার এটাতো পিতার ওয়ারিশ নয়। এটা হলো ভাই-বোনের সম্পর্কের হক, ফুফু-ভাতিজার সম্পর্কের হক।
৪. বোন, ফুফু ওয়ারিশ দাবি করলে তাদের ওয়ারিশ দিয়ে দিয়ে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক চ্ছিন্ন করা হয়। অথচ ওয়ারিশ দিয়ে দেওয়া ফরজ আবার সম্পর্ক রক্ষা করাও ফরজ। ওয়ারিশ দেওয়ার পরেও বোন-ফুফুর সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করতেই হবে।
৫. স্বামী মারা যাওয়ার পর স্ত্রী যদি অন্যত্র বিবাহ বসে তবে তাকে তার মৃত স্বামীর সম্পদের ভাগ দেওয়া হয় না। অথচ এটা বড়ো জুলুম। মৃত স্বামীর সম্পদের ভাগ পাওয়ার জন্য তো মহান আল্লাহ বিধবা থাকার শর্ত জোড়ে দেননি। তাই অন্যত্র বিবাহ বসলেও সে তার পূর্বের মৃত স্বামীর সম্পদের ভাগ পুরোপুরিই পাবে।
৬. স্থাবর সম্পদ ভাগ করা হলেও অস্থাবর সম্পদ ভাগ করা হয় না। আগে থেকে যার দখলে যেটা ছিল সে সেটা রেখে দেয়। এটাও অন্যায়। সম্পদ বণ্টনের পরামর্শ সভায় সবকিছু উপস্থিত করতে হবে। স্থাবর সম্পদের মতো অস্থাবর সম্পদও আল্লাহর আইন অনুযায়ী ভাগ হবে। সে বস্তু ভাগ করা যায় না, বা ভাগ করলে তা ব্যবহার উপযোগী থাকে না সেই বস্তু ওয়ারিশদের ভেতরে বা বাইরে নিলামে বিক্রি করে যে পরিমাণ মূল্যই পাওয়া যাবে তা-ই ভাগ করতে হবে।
৭. মৃতের ব্যবহারের জিনিষপত্র ভাগ না করে কোনো মিসকিনকে দান করা হয় বা স্মৃতি হিসেবে কেউ রেখে দেয় বা বরকত হিসেবে কেউ রেখে দেয়। এটাও ভুল। মৃতের সম্পদের সামান্য-বেশি কোনোঅংশই কাউকে দান করা যাবে না, স্মৃতি রক্ষার জন্য, বরকত হাসিলের জন্য কাউকে দেওয়া যাবে না। সব ভাগ করতে হবে। ভাগে যিনি পাবেন তিনি ইচ্ছে হলে দান করবেন বা অন্য কিছু করবেন।
৮. ওয়ারিশদরর মধ্যে শিশু থাকলে তার ভাগ আলাদা করা হয় না। বড়োরা নিজের মতো করে ভোগ করতে থাকে।
৯. মেয়েকে ঠকানোর জন্য পিতা ছেলেদের নামে সম্পদ লিখে দেয়ে, এটাও অন্যায় ও গোনাহের কাজ।
১০. অনেকে সময় আল্লাহর বণ্টনকৃত ভাগ থেকে ভাতিজাদের বঞ্চিত করার জন্য ছেলে না থাকলে মেয়েদের নামে সম্পদ লিখে দেয়। এটাও পাপের কাজ। সর্বাবস্থায় আল্লাহর সিদ্ধান্ত মেনে চলতে হবে।
CP
BANGLADESH এর পূর্ণরূপ : -
————————
B=Blood (রক্তে)
A=Achieve (অর্জিত)
N=Noteworthy (স্মরণীয়)
G=Golden (সোনালী)
L=Land (ভূমি)
A=Admirable (প্রশংসিত)
D=Democratic (গণতান্ত্রিক)
E=Evergreen (চিরসবুজ)
S=Sacred (পবিত্র)
H=Habitation (বাসভূমি)
অর্থাৎঃ
'রক্তে অর্জিত স্মরণীয়
সোনালী ভূমি, প্রশংসিত
গণতান্ত্রিক চিরসবুজ পবিত্র বাসভূমি'।
20/02/2022
বাংলা আমার ভাষা আমার অহংকার।
#বাংলা #ভাষা_দিবস
30/10/2021
আপনার মৃত্যুতে আপনার ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা, সম্পদ বা বেনিফিট কে পাবে- নমিনি নাকি উত্তরাধিকার?
73 DLR (2021) এ ২৭/০৮/২০১৯ এ মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের দেওয়া এই রায়টা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। রায়ে নমিনিকে একচ্ছত্র অধিকার দেওয়া হয়েছে ব্যাংকে গচ্ছিত সম্পদের উত্তোলনে ব্যাংকের সাথে আদান-প্রদানের।
রায়ের পর অনেকের মাঝেই কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
নমিনি কি তাহলে ঐ গচ্ছিত সম্পদের মালিক হয়ে যাচ্ছে?
উত্তর হচ্ছে- না।
নমিনি শুধু টাকা উত্তোলনের অধিকার পেয়েছে।
টাকার মালিক কে কে হবে সে বিষয়টার সিদ্ধান্ত উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী অথবা সাকসেশন মামলায় হবে।
রায়ের চৌম্বক অংশটুকু ছবিতে দেয়া হলো।
16/10/2021
আজকে লক্ষ্মীপুর আইন ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে রায়পুরের স্বনামধন্য কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজে আইন সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় এবং কুইজে অংশগ্রহনকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করা হয়।
উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মারুফ বিন জাকারিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান রায়পুর সদর উপজেলা।
অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করেন মু. নুরুল আমিন, এমফিল, অধ্যক্ষ, প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ ও
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের কো-চেয়ারম্যান, ডাঃ কাজী নুর উল ফেরদৌস (সহযোগী অধ্যাপক, শিশু সার্জারী বিভাগ, ঢাকা শিশু হাসপাতাল, ঢাকা)
সেমিনারটি সঞ্চালনায় ছিলেন লক্ষীপুর আইন ছাত্র পরিষদের সহ-প্রচার সম্পাদক এবং Northern University Bangladesh এর আইন বিভাগের ছাত্র Hasibul Islam
লক্ষীপুর আইন ছাত্র পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত কমল নগরের ঐতিহ্যবাহী স্কুল হাজিরহাট মিল্লাত একাডেমীতে হয়রানি, সচেতনতা ও প্রতিকার নিয়ে আইন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং সাইবার বুলিং, পিতা-মাতার ভরন-পোষন, ডিস্ক্রিমিনেশন,এবং পেনাল কোড এর উপরে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন জেলা আইন ছাত্র পরিষদ এর সহ-প্রচার সম্পাদক এবং নর্দান বিশ্ব্যবিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র Islam
30/09/2021
লক্ষীপুর আইন ছাত্র পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত কমল নগরের ঐতিহ্যবাহী স্কুল হাজিরহাট মিল্লাত একাডেমীতে হয়রানি, সচেতনতা ও প্রতিকার নিয়ে আইন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন লক্ষীপুর আইন ছাত্র পরিষদের সহ-প্রচার সম্পাদক এবং নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র Islam.
আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং লক্ষীপুর আইন ছাত্র পরিষদের সভাপতি ,সাধারন সম্পাদক সহ আরো কার্যরত সদস্যগন।
লক্ষ্মীপুর আইন ছাত্র পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত হয়রানি,প্রতিকার,সচেতনতা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠানে লক্ষীপুর পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইবার অপরাধ এবং সচেতনতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন লক্ষীপুর আইন ছাত্র পরিষদের সহ-প্রচার সম্পাদক ও নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র হাসিবুল ইসলাম।
15/08/2021
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস।
বিনম্র শ্রধাঞ্জলি
সকল শহীদদের প্রতি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Website
Address
Panthapath
Dhaka
DHAKA-1207
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 23:59 |
| Tuesday | 10:00 - 23:59 |
| Wednesday | 10:00 - 23:59 |
| Thursday | 10:00 - 23:59 |
| Friday | 10:00 - 23:59 |
| Saturday | 10:00 - 23:59 |
| Sunday | 10:00 - 23:59 |