RadioTitas.com
কুমিল্লা এবং তিতাসের সকলল আপডেট নিউজ ?
মানবতা হলো মহাসমুদ্র।
এর কোনো এক বিন্দু যদি দূষিতও হয়,
সমুদ্র তাতে দূষিত হয়না।
যে হাত খেতে দেয়
সেই হাতে কামড় দিও না।
যেই মুখ তোমাকে কথা বলাতে শেখায়
সেই মুখে কখনো লাথি মেরোনা।
✍ জন্মের পর মানুষের কথা শিখতে
লাগে সর্বোচ্চ ২ বছর, কিন্তু কোন
জায়গায় কি কথা বলতে হবে সেটা
শিখতে লেগে যায় সারাটি
জীবন..!!
কুমিল্লার সকলের জন্য এই পোস্টটি।
আমরা প্রায়ই দেখি যে বিসিএস সহ যে কোন
চাকুরীর মৌখিক বা ভাইভা পরীক্ষায় নিজ
জেলা নিয়ে অনেক প্রশ্ন করা হয় । আমরা
কুমিল্লা জেলার অধিবাসী হিসাবে নিজ
জেলা সংক্রান্ত সব তথ্যগুলো জেনে রাখা
দরকার । তাই সকলের প্রয়োজনে কুমিল্লা
জেলা নিয়ে এই লেখাটি সম্পাদনা করেছি -
|||||||||
|||||||||||| যুগ্ম- সাধারণ সম্
|||||||||||| ভিসিডিএস
ভৌগোলিক অবস্থানঃ-
কুমিল্লা জেলা ২৩°-১’’ থেকে ২৪°-১১’’ উত্তর
অক্ষাংশে এবং ৯০°-৩৪’’ থেকে ৯১°-২২’’ পূর্ব
দ্রাঘিমাংশে বিস্তৃত। কুমিল্লা
ভৌগোলিকভাবে ২৩°২৭′০″ উত্তর এবং
৯১°১২′০″ পূর্বে অবস্থিত। কর্কটক্রান্তি রেখা
(২৩°৫') কুমিল্লা শহরের দক্ষিণ দিকে টমসন
ব্রিজের উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
কুমিল্লার মোট আয়তন ২৮০ কিলোমিটার বা
৩০৮৭.৩৩ বর্গ কিলোমিটার এবং
আন্তর্জাতিক সীমান্ত দৈর্ঘ্য ১০৬
কিলোমিটার। উত্তরে ব্রাহ্মণবাড়িয়
া জেলা, দক্ষিণে নোয়াখালী ও ফেনী,
পূর্বে ভারতের ত্রিপুরা এবং পশ্চিমে
মুন্সীগঞ্জ , চাঁদপুর জেলা ও নারায়ণগঞ্জ
জেলা। কুমিল্লার উপর দিয়ে যেসব নদী
প্রবাহমান, সেগুলোর মধ্যে গোমতি ও ছোট
ফেনী উল্লেখযোগ্য।
কুমিল্লার ইতিহাসঃ-
শিক্ষা-শিল্প-সাহিত্য- সংস্কৃতির পাদপীঠ
কুমিল্লা প্রাচীন ঐতিহ্য সমৃদ্ধ জেলা
হিসেবে এ উপমহাদেশে সুপরিচিত। কুমিল্লার
খাদি শিল্প, তাঁত শিল্প, কুটির শিল্প, মৃৎ ও
কারু শিল্প, রসমালাই, মিষ্টি, ময়নামতির
শীতল পাটি ইত্যাদি স্ব-স্ব ঐতিহ্যে
স্বকীয়তা আজও বজায় রেখেছে। কালের
বিবর্তনের ধারায় এসেছে অনেক কিছু,
অনেক কিছু গেছে হারিয়ে, হারায়নি
এখানকার মানুষের আন্তরিকতাপূর্ণ
আতিথেয়তা ও সামাজিক সম্প্রীতি।
কুমিল্লা অঞ্চলটি একসময় প্রাচীন সমতট
অঞ্চলের অধীনে ছিল। পরবর্তীকালে এটি
ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে যোগ দেয়। খ্রিস্টীয়
নবম শতাব্দীতে কুমিল্লা জেলা হরিকেল
অঞ্চলের রাজাদের অধীনে আসে। অষ্টম
শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব বংশ এবং
দশম থেকে একাদশ শতকের মাঝামাঝি
পর্যন্ত চন্দ্র বংশের শাসনাধীনে ছিল। ১৭৬৫
সালে এ অঞ্চলটি ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া
কোম্পানির অধীনে আসে। ১৭৯০ সালে
জেলাটি ত্রিপুরা জেলা হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬০ সালে এর নাম পরিবর্তন
করে কুমিল্লা রাখা হয়। ১৯৮৪ সালে কুমিল্লা
জেলার অন্তর্গত চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়
া মহকুমা পৃথক জেলায় পরিণত হয়।
ঐতিহাসিক ঘটনাসমূহঃ-
১৭৬৪ সালে ত্রিপুরার রাজার বিরুদ্ধে শমসের
গাজীর নেতৃত্বে পরিচালিত কৃষক আন্দোলন
এ অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। সাধারণ
কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেও শমশের
গাজী সম্পূর্ণ চাকলা রওশানাবাদ অঞ্চলের
শাসক হয়েছিলেন, যা পরবর্তীকালে দক্ষিণ
কুমিল্লা থেকে উত্তর নোয়াখালী পর্যন্ত
বিস্তৃত হয়। এক সময় তিনি সমগ্র কুমিল্লাকে
তার শাসনাধীনে নিয়ে আসেন।
পরবর্তীকালে তিনি নিজামপুর পরগনা জয়
করেন। এভাবে, তিনি মেঘনা, মুহুরি ও
মনুগঙ্গা নদীসমূহের মধ্যবর্তী বিশাল জনপদের
মুকুটবিহীন রাজায় পরিণত হন।
শমশের গাজী ১৭১২ সালে উত্তর চট্টগ্রামের
দক্ষিণ শিক পরগনার কুঙ্গুরা গ্রামে জন্মগ্রহণ
করেন, যা পরবর্তীকালে ত্রিপুরার মানিক্য
রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। স্থানীয় জমিদার
নাসির মোহাম্মদের অফিসে তেহশিলদার
হিসেবে কাজ করার সময় তিনি একজন
স্বর্গীয় পীরের আশীর্বাদ পেয়েছিলেন বলে
জনশ্রুতি রয়েছে।
শিশুকাল থেকেই শমশের গাজী ছিলেন
সাহসী এবং বুদ্ধিমান। তৎকালীন সময়ে
চাকলা রওশানাবাদ ত্রিপুরা রাজ্যের
অধীনে ছিল। এর জমিদার ছিলেন নাসির
মাহমুদ। নাসির মাহমুদ শমশেরকে অত্যন্ত
যত্নের সাথে বড় করে তোলেন। কিন্তু তরুণ
বয়সে শমশের অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ছিলেন।
তিনি জমিদারের কন্যাকে বিবাহ করতে
চাইলে, তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়
এবং তাকে বন্দী করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে শমশের গাজী একটি সশস্ত্র বাহিনী
গঠন করেন। এর মাধ্যমে ১৭৪৫ সালে তিনি
নাসির মাহমুদের রাজ্য দখল করেন।
ব্রিটিশ শাসনামলের শুরুর দিকে, জমিদারী
প্রথা কৃষকদের জীবনকে দুর্বিষহ করে
তুলেছিল। শমশের গাজী ছিলেন বিজ্ঞ,
যোগ্য, দয়ালু এবং উদার শাসক। তিনি দরিদ্র
কৃষকদের কষ্ট লাঘবের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ
নেন এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে সক্ষম
হন। ফলে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের
দাম কমতে থাকে। তিনি হিন্দু মুসলমান
কৃষকদের জন্য নিষ্কর ভূমির ব্যবস্থা করেন।
তিনি রাজধানী জগন্নাথ সোনাপুরের ভিতরে
ও বাইরে বহু সংখ্যক দীঘি খনন করেন এবং
বিদ্যালয় স্থাপন করেন। তিনি যেসব দীঘি
স্থাপন করেছিলেন, তার মধ্যে 'কাইয়ার
সাগর' ছিল সবচেয়ে বড়।
দক্ষিণ শিক এবং মেহেরকুল পরগনার শাসক
হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে, শমশের
ত্রিপুরার দিকে মনোনিবেশ করেন এবং ১৭৪৮
সালে রাজা কৃষ্ণ মানিক্যকে বেশ কয়েকটি
যুদ্ধের মাধ্যমে পরাজিত করে তাকে রাজ্য
থেকে বিতাড়িত করে ত্রিপুরা দখল করেন।
তবে রাজ্যের পাহাড়ী উপজাতিরা কৃষ্ণ
মানিক্যের পক্ষে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং
শমশেরের প্রবল বিরোধিতা করে।
কৃষ্ণ মানিক্য শমশের গাজীকে মোকাবেলা
করার জন্য কুকি সৈন্যদের দুইটি শক্তিশালী
অভিযান দল পাঠান। কিন্তু শমশেরের
অসাধারণ রণকৌশল ও বীরত্বের কাছে দুইটি
অভিযানই ব্যর্থ হয়। শমশের গাজী ত্রিপুরার
রাজধানী উদয়পুর দখল করেন। এরপর তিনি
আগরতলা যান এবং নবাব মীর কাসিমের
প্রতিরক্ষা বুহ্য ভেদ করার প্রচেষ্টা চালান।
কিন্তু মীর কাসিম শমশেরকে আলোচনার জন্য
মিথ্যা আমন্ত্রণ জানান এবং তার আহবানে
সাড়া দিতে গিয়ে ১৭৬০ সালে শমশের গাজী
নিহত হন। এভাবে কৃষ্ণ মানিক্য তার হারানো
রাজ্য পুনরুদ্ধার করেন।
১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের সময় কুমিল্লা শহরে
গুলিবর্ষণে একজন মুসলমান নিহত হলে, পুরো
কুমিল্লা জুড়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা
বিস্তৃত হয়। ১৯২১ সালের ২১ নভেম্বর
দেশব্যাপী হরতাল পালনের প্রস্তুতিগ্রহণের
সময়, এখানে কাজী নজরুল ইসলাম
দেশাত্মবোধক গান রচনা করেন এবং প্রিন্স
অফ ওয়েলসের ভারত সফরের বিরুদ্ধে জনমত
গড়ে তোলেন। এই সময়ে, অভয় আশ্রম একটি
বিপ্লবী প্রতিষ্ঠান রূপে উল্লেখযোগ্য
ভূমিকা পালন করে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও
মহাত্মা গান্ধী এই সময়েই কুমিল্লা সফর
করেন। ১৯৩১ সালে, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার
মোহিনি গ্রামে চার হাজারেরও বেশি কৃষক
একটি ভূমি রাজস্ব করের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ
করে। ব্রিটিশ গুর্খা সৈন্যরা সমবেত কৃষক
জনতার উপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করলে
চারজন নিহত হয়। ১৯৩২ সালে লাকসাম
উপজেলার হাসনাবাদে আরেকটি কৃষক
সমাবেশে পুলিশ গুলি চালালে দুইজন নিহত হয়
এবং বহুসংখ্যক আহত হয়।
১৯৩১ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফয়জুন্নেসা
বালিকা বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী সুনীতি
চৌধুরী ও শান্তি ঘোষ গুলি করে
ম্যাজিস্ট্রেট মিস্টার স্টিভেন্সকে হত্যা
করে। স্বাধীনতা আন্দোলনে কোন নারীর
অংশগ্রহণ সেবারই প্রথম ঘটে।
কুমিল্লার যেসব স্থান বাংলাদেশের
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ের গণহত্যার চিহ্ন বহন
করে চলেছে সেগুলো হলঃ লাকসাম, কুমিল্লা
ক্যান্টনম্যান্ট, হোমনা, বেলতলী ও রসুলপুর।
এছাড়াও বেতিয়ারা, মোজাফফরগঞ্জ,
নাগারিপাড়া, ক্যান্টনমেন্ট, কৃষ্ণপুর,
ধনাঞ্জয়, দিলাবাদ ও লাকসাম বিডি
ফ্যাক্টরি এলাকায় গণকবর পাওয়া গেছে।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ, বেতিয়ারা,
পুলিশ লাইন, ক্যান্টনমেন্ট, লাকসাম,
পলিটেকনিক ইনস্টিটিউশন এবং হারাতলীতে
শহীদদের উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ
রয়েছে।
জনসংখ্যাঃ-
২০০১ সালের আদমশুমারী অনুয়ায়ী মোট
জনসংখ্যা : ৪৫,৯১,৩৪০ জন, পুরুষ : ২৩,১০,৯৪০
জন, মহিলা : ২২,৮০,৪০০ জন, জনসংখ্যার ঘনত্ব
( প্রতি বর্গ কি:মিঃ ) : ১৪৮৭ জন (প্রায়),
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৮% (প্রায়) । আর
২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী জেলার ১৬
উপজেলার মোট জনসংখ্যা ৫৩ লাখ ৮৮ হাজার
২২৩ জন যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৩০
ভাগের ১ ভাগ ।
প্রশাসনঃ-
অন্যান্য জেলাসমূহের মত, কুমিল্লা
জেলাতেও একজন ডেপুটি কমিশনার (ডিসি)
বা জেলা প্রশাসক আছেন, যিনি জেলার
সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দু।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় শহরের
ধর্মসাগরের পূর্বদিকে ফৌজদারী এলাকায়
অবস্থিত। কুমিল্লা জেলা ষোলটি থানা বা
উপজেলায় বিভক্ত। এগুলো হল কুমিল্লা আদর্শ
সদর, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ, হোমনা, লাকসাম,
মুরাদনগর, দেবীদ্বার, দাউদকান্দি, বুড়িচং,
বরুড়া, চান্দিনা, তিতাস, মেঘনা, চৌদ্দগ্রাম,
নাঙ্গলকোট, ব্রাহ্মণপাড়া ও মনোহরগঞ্জ।
তাছাড়া রয়েছে সিটি কর্পোরেশন ০১ টি,
পৌরসভা ০৮ টি, ইউনিয়ন ১৭৮ টি, গ্রাম ৩,৬৮৭
টি, জোত ৫,৩৪,৩০৭ টি, মৌজা ২,৬০৩ টি,
ইউনিয়ন ভূমি অফিস ১৭২ টি, হাট-বাজার ৫৫৫
টি ।
কুমিল্লা মূল শহরটি আদর্শ সদর থানার
অন্তর্ভুক। কুমিল্লা ক্যান্টনম্যান্ট
বাংলাদেশের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ
সামরিক স্থাপনা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়
ব্রিটিশ ভারতীয় আর্মি ব্যাপকভাবে
ক্যান্টনম্যান্টটিকে ব্যবহার করত। দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত বিভিন্ন দেশের
সৈন্যদের কবর এখানে রয়েছে।
কুমিল্লাতে একটি 'এক্সপোর্ট প্রসেসিং
জোন' (ইপিজেড) রয়েছে। বর্তমানে, এটি
বাংলাদেশের একটি অন্যতম দ্রুত
উৎপাদনকারী ইপিজেডে পরিণত হয়েছে।
কুমিল্লা একটি শিক্ষানগরী হিসেবেও
পরিচিত। এখানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়,
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ, কুমিল্লা
ভিক্টোরিয়া কলেজ, কুমিল্লা ক্যাডেট
কলেজ প্রভৃতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবস্থিত।
পল্লী অঞ্চলের উন্নয়নের জন্যে ডক্টর
আখতার হামিদ খান কর্তৃক স্থাপিত
'বাংলাদেশ একাডেমি অফ রুরাল
ডেভেলপমেন্ট' (বার্ড) এখানে অবস্থিত।
কুমিল্লার বাখরাবাদে একটি গ্যাসক্ষেত্রও
রয়েছে।
যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ-
কুমিল্লার যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থা
অত্যন্ত উন্নতমানের। উপমহাদেশের অন্যতম
প্রাচীন সড়ক 'গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড' কুমিল্লা
শহরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।
বর্তমানে, বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক কুমিল্লা
শহরের পাশ দিয়ে গেছে। রাজধানী ঢাকা
থেকে কুমিল্লার দূরত্ব ৯৭ কিলোমিটার। সড়ক
অথবা রেলপথের মাধ্যমে ভ্রমণ করা যায়।
তবে রেলপথে ঢাকা থেকে কুমিল্লা যেতে
মোট ১৯৭ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে
হয়।
স্থানীয় প্রশাসন আরএইচডি, এলজিইডি ও
পৌরসভা সকল রাস্তা তদারকি করে থাকে।
কুমিল্লাতে আরএইচডি এবং এলজিইডি'র
আঞ্চলিক সদর দপ্তর রয়েছে।
কুমিল্লাতে মোট ১৮০৬ কিলোমিটার সড়কপথ
রয়েছে। এর মধ্যে ১২১৯ কিলোমিটার পাকা
ও ৫৮৭ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক। রেলপথের
পরিমাণ ১০৮ কিলোমিটার। কুমিল্লাতে
একটি বিমানবন্দর রয়েছে।
শিক্ষাঃ-
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক
শিক্ষাবোর্ড কুমিল্লা শহরে অবস্থিত।
কুমিল্লাসহ বেশ কয়েকটি জেলার প্রাথমিক,
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা এই
বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয়। আগে সম্পূর্ণ
চট্টগ্রাম বিভাগ কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের
অধীনে ছিল। সাম্প্রতিককালে,
আলাদাভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেট
শিক্ষাবোর্ড গঠিত হয়েছে। বর্তমানে
কুমিল্লায় শিক্ষার হার ৫৫%-এর বেশি।
কুমিল্লাতে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানসমূহ
কুমিল্লাতে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রয়েছে:
• কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
• কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ
• কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
• ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ
• কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট হাই স্কুল
• ইউনিভার্সিটি অফ কুমিল্লা (ইউ এন আই সি)
• কুমিল্লা টিচার্স ট্রেইনিং কলেজ
• কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
• কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ
• কুমিল্লা জিলা স্কুল
• কুমিল্লা ঈশ্বর পাঠশালা
• নবাব ফয়জুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চ
বিদ্যালয়
• আওয়ার লেডি অফ ফাতিমা গার্লস হাই
স্কুল
• রোজ গার্ডেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
• কুমিল্লা হাই স্কুল
• শিলারাণী দেবী গার্লস হাই স্কুল
• ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ
• কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল
• কমল পুর হাই স্কুল
• মাথাভাঙ্গা ভৌরব উচ্চ বিদ্যালয়
• বেলতলী উচ্চ বিদ্যালয়
পর্যটনঃ-
কুমিল্লাতে বহুসংখ্যক পর্যটন আকর্ষন
রয়েছে। কুমিল্লার লালমাই ময়নামতি
পাহাড়ে একটি সমৃদ্ধ প্রাচীন সভ্যতার
নিদর্শন রয়েছে। এখানে রয়েছে শালবন
বিহার, কুটিলা মুড়া, চন্দ্রমুড়া, রূপবন মুড়া,
ইটাখোলা মুড়া, সতের রত্নমুড়া, রাণীর
বাংলার পাহাড়, আনন্দ বাজার প্রাসাদ,
ভোজ রাজদের প্রাসাদ, চন্ডীমুড়া প্রভৃতি।
এসব বিহার, মুড়া ও প্রাসাদ থেকে বিভিন্ন
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সামগ্রী উদ্ধার করা
হয়েছে যা ময়নামতি জাদুঘরে সংরক্ষিত
রয়েছে। ময়নামতি একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ
প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা। ময়নামতি জাদুঘরটি
একটি অন্যতম পর্যটন আকর্ষন হিসেবে
পরিচিতি পেয়েছে। ১৯২১ সালে বিশ্বকবি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ভারতের নেতা মহাত্মা
গান্ধী কুমিল্লায় এসেছিলেন। কুমিল্লাতে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত বিভিন্ন
দেশের সৈন্যদের কবর ও ওয়ার সেমেট্রি
রয়েছে। বতর্মানে রাজশে পুর ইকোপার্ক
এবং তদসংলগ্ন বিরাহিম পুরের সীমান্তবর্তী
শাল বন টুরিস্ট স্পট হিসেবে ব্যপক
জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গঃ-
মুক্তিযোদ্ধা-
• ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬-১৯৭১) - সাবেক
আইনমন্ত্রী, ভাষা আন্দোলনে
অংশগ্রহণকারী ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে
শহীদ।
• আকবর হুসাইন (১৯৪২-২০০৬) - মুক্তিযোদ্ধা,
সাবেক খনিজ সম্পদ মন্ত্রী (১৯৭৮), সাবেক বন
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী (১৯৯১) এবং নৌ পরিবহন
মন্ত্রী (২০০১)।
• মমতাজ বেগম - মহিলা মুক্তিযোদ্ধা ও
মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনীর সদস্য।
• আব্দুল কুদ্দুস মাখন - মুক্তিবাহিনীর সদস্য ও
অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, ছাত্রনেতা,
মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
চারজন নেতার অন্যতম।
• শিব নারায়ণ দাস - মুজিব বাহিনীর সদস্য।
• মমতাজ উদ্দিন - মুক্তিবাহিনীর সদস্য ।
রাজনীতিবিদ-
• নবাব মুশারফ হুসেইন (১৮৭১-১৯৬৬) - সাবেক
শিক্ষামন্ত্রী।
• কামিনী কুমার দত্ত (১৮৭৮-১৯৫৮) - সাবেক
মন্ত্রী।
• খন্দকার মুশতাক আহমেদ (১৯১৮-১৯৯৬) -
বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, সাবেক
মন্ত্রী ও মুজিবনগরে গঠিত প্রথম মন্ত্রীসভার
সদস্য।
• ক্যাপ্টেন সুজাত আলী (১৯২৬-২০০৭) - সাবেক
মন্ত্রী ও সুজাত আলী কলেজের প্রতিষ্ঠাতা।
• কাজী জাফর আহমেদ (১৯৩০-) - জাতীয়
পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক
প্রধানমন্ত্রী (১৯৮৮) ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী
(১৯৮৬)।
• ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন -
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের স্থায়ী
কমিটির সদস্য, সাবেক শক্তি ও খনিজ সম্পদ
মন্ত্রী (১৯৯১) এবং সাবেক স্বাস্থ্য ও
পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী (২০০১)।
• এম কে আনোয়ার - বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট,
সাবেক কৃষিমন্ত্রী (২০০১)।
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ
• শওকত মাহমুদ (১৯৫৯-) সিনিয়র সাংবাদিক,
সাপ্তাহিক ইকোনোমিক টাইমসের সম্পাদক,
খালেদা জিয়া'র উপদেষ্টা এবং জাতীয়
প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত সভাপতি
(২০০৭-২০০৮, ২০০৯-বর্তমান)।
সমাজসেবক-
• নবাব ফয়জুন্নেসা (১৮৩৪-১৯০৪)- লেখিকা,
নারী শিক্ষার অগ্রদূত, উপমহাদেশের এক
মাত্র মহিলা নবাব, ফয়জুন্নেসা বালিকা
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা।
• মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য্য (১৮৫৪-১৯৪৪)
• ক্যাপ্টেন নরেন দত্ত - শ্রীকাইল কলেজের
প্রতিষ্ঠাতা।
• ডক্টর জোবাইদা হান্নান - চিকিৎসক,
সমাজসেবক ও একুশে পদক প্রাপ্ত।
• মুন্সী ফারুক আহমেদ (১৯৫৫) - জাতীয়
সমাজতান্ত্রিক দলের সাবেক যুগ্ম সচিব এবং
সামাজিক উন্নয়ন সংগঠনের সদস্য।
শিক্ষাবিদ ও গবেষক-
• মহাস্থবির শীলভদ্র (৫২৯-৬৫৪) - নালন্দা
বিহারের প্রধান।
• মোহাম্মদ আলী আজম (১৯০৮-১৯৭৮) -
ঔপন্যাসিক ও গ্রন্থকার, এনসাইক্লোপিডিয়
া ব্রিটানিকার অন্যতম অবদানকারী।
• ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান -
স্যাটেলাইট ও মহাকাশ রোবোটিক
সিস্টেমের গবেষক।
• আতাউর রহমান খাদিম (১৯৩৩-১৯৭১) -
গবেষক, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ অপারেশন
সার্চলাইট নামের গণহত্যার সময় নিহত।
• ডক্টর ফজলুল হালিম চৌধুরী - ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর।
• ডক্টর শামসুল হক - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর।
সাহিত্যিক-
• বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪) - বিখ্যাত বাংলা
কবি, ঔপন্যাসিক, অনুবাদক ও সম্পাদক।
• আনিস চৌধুরী (১৯২৯-১৯৯০) - ঔপন্যাসিক ও
নাট্যকার।
• মোহাম্মদ কাসেম (১৯০৫-১৯৫৭) - সম্পাদক ও
প্রকাশক।
• আব্দুল কাদির (১৯০৬-১৯৮৪) - গবেষক, কবি ও
সম্পাদক।
• এ কে এম আলী আকবর খান (১৯৩১-১৯৯৯)
স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত শিক্ষক, কবি, বিভিন্ন
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের
প্রতিষ্ঠাতা। তিনি অসংখ্য পুরস্কার ও পদক
অর্জন করেছেন।
সঙ্গীত-
• শচীন দেব বর্মণ (১৯০৬-১৯৭৫) - এস ডি বর্মণ
নামে পরিচিত, গায়ক, সুরকার ও সঙ্গীত
পরিচালক।
• জান-এ-আলম চৌধুরী (১৮৮৪-১৯৬৭) -
তবলাবাদক।
• ওস্তাদ মোহাম্মদ হুসাইন খসরু (১৯০৩-১৯৫৯) -
ক্লাসিকাল সঙ্গীতের গায়ক ও সুরকার।
• হিমাংশু কুমার দত্ত (১৯০৮-১৯৪৪) - সুরকার ও
গায়ক।
• সুখেন্দু চক্রবর্তী (১৯২৮-১৯৮৯) - গীতিকার,
গায়ক ও সুরকার।
• শয়লা দেবী (১৯১৬-১৯৪৪) - গায়িকা।
• রাহুল দেব বর্মণ - আর ডি বর্মণ নামে
পরিচিত, এস ডি বর্মণের ছেলে, সুরকার ও
সঙ্গীত পরিচালকর
অন্যান্য-
• মেজর আব্দুল গণি - ইস্ট বেঙ্গল
রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা।
• মুজিবুর রহমান - আইনজীবী এবং কুমিল্লা
বার অ্যাসোসিয়েশনের অপ্রতিদ্বন্দ্ব্বী
চেয়ারম্যান।
• কৈলাশচন্দ্র সিনহা (১৮৫১-১৯১৪) -
ঐতিহাসিক, রাজমালা বই এবং বহু ইতিহাস
সম্পর্কিত প্রকাশনার গ্রন্থকার।
• এয়ার ভাইস মার্শাল জামালউদ্দীন আহমেদ
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক চিফ
এয়ার স্টাফ।
• কাজী এম সেলিম (১৯৪১-২০০৮) - শিক্ষক ও
আইনজীবী।
• এম আব্দুল আজিজ - বাংলাদেশ সরকারের
ক্যাবিনেট সেক্রেটারি।
• ডক্টর কামরুজ্জামান খান - সাবেক সংসদ
সদস্য ও বিশ্ব ফেমিনিয়েস্ট মেন্টাল
ফিজিশিয়ান।
ত্রিপুরা থেকে কুমিল্লা নামকরণের
ইতিহাসের তথ্য বিভিন্নভাবে পাওয়া যায়
তবে উল্ল্যেখযোগ্য কয়েকটি কারণ নিচে
উল্ল্যেখ করা হলো–
১/ কুমিল্লা প্রাচীনকালে এটি সমতট
জনপদের অন্তর্গত ছিল এবং পরবর্তীতে এটি
ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ হয়েছিল। কুমিল্লা
নামকরণের অনেকগুলো প্রচলিত মতের মধ্যে
মোটামুটি গ্রহণযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়
চৈনিক পরিব্রাজক ওয়াং চোয়াঙ কর্তৃক
সমতট রাজ্য পরিভ্রমণের বৃত্তান্ত থেকে। তার
বর্ণনায় কিয়া-মল-ঙ্কিয়া (Kiamolonkia) নামক
যে স্থানের বিবরণ রয়েছে সেটি থেকে
কমলাঙ্ক বা কুমিল্লার নামকরণ হয়েছে বলে
পন্ডিতেরা অভিমত দিয়েছেন।
২/ ত্রিপুরা থেকে কুমিল্লা নামকরণে বিরাট
ধর্মীয় ইতিহাস প্রচলিত আছে। চতুর্দশ শতকে
হযরত শাহজালাল তাঁর মামা আহমেদ কবীর
এর নির্দেশে একমুঠো মাটি নিয়ে ধর্ম
প্রচারে বের হন। মামা নির্দেশ দেন এই
মাটির মত মাটি যেখানে পাবে সেখান
থেকেই ধর্ম প্রচার শুরু করতে। হযরত
শাহজালাল বিভিন্ন জায়গা ঘুরে এই
কুমিল্লাতেই সেই মাটির মত মাটি খুঁজে পান।
যখন খুঁজে পান তখন তিনি আনন্দে বলে উঠেন
‘কোহমিলা’ যার অর্থ কাঙ্ক্ষিত মাটি। সেই
কোহমিলা থেকেই কুমিল্লা নামকরণ করা
হয়েছে আর এখান থেকেই হযরত শাহজালাল
ধর্ম প্রচার শুরু করেন।
৩/ কুমিল্লা একসময় বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা
রাজ্যের অংশ ছিল এবং সেই সময়
নোয়াখালীও এর অংশ ছিল। ১৭৩৩ সালে
বাংলার নবাব শুজাউদ্দিন ত্রিপুরা রাজ্য
আক্রমণ করে এর সমতল অংশ সুবে বাংলার
অন্তর্ভুক্ত করেন। ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া
কোম্পানী কুমিল্লা দখল করে। ১৭৮১ সালে
নোয়াখালীকে কুমিল্লা থেকে পৃথক করা হয়।
১৭৯০ সালে কোম্পানী শাসনামলে ত্রিপুরা
নামের জেলার সৃষ্টি। ১৯৬০ সালে জেলার
নাম করা হয় কুমিল্লা।
02/10/2015
তিতাস উপজেলাধীন বলরামপুর গ্রামের সকল গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গদের মাধ্যমে সকল যুবকদের নিয়ে "বলরামপুর সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি" নামক একটি সামাজিক সংগঠন এর উদ্ভোদন উপলক্ষে আজ (মঙ্গলবার ২৯/০৯/২০১৫) বিকেল ৫ টায় এক দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়,,,,,এ সময় গ্রামের সকল জনতার ভিরে আমাদের CNN টিভির স্থানিয় সংবাদ দাতা সমস্থ অনুষ্ঠান রেকর্ড করেন,,,,, ৬ টি মৌলিক উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই কমিটি টি গঠন করা হয়,,,,
আর তা হল :
১. গ্রামের অশ্লীল ও অসামাজিক কার্যকলাপ দমনন করা।
২. গ্রামের মদ,গাজা,ভিয়ার সহ যে কোন প্রকার মাদক দ্রব্য সেবন ও ক্রয়--বিক্রয় এর বিরুদ্ধে কাজ করা।
৩. গ্রামের জুয়া খেলার মত যে কোন অপরাধ কর্ম দমন করা।
৪. গ্রামের উন্নয়নমুলুক কার্যকলাপ এ অংশ নেয়া।
৫. গরীব,দু:খি ও অসহায় দরিদ্র মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করে তাদের পাশে দাঁড়ানো।
৬. এবং সর্বোপরি গ্রামে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষে কাজ করা।
উক্ত অনুষ্ঠানে গ্রামের বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের উপস্থাপনায় এই কমিটির সভাপতি মো: কবির হোসেন কুতুব এবং সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম মাহি কে নির্বাচিত করে এই কমিটি পরিচালনা করার দায়িত্ব দেয়া হয়,,,,,
এ ছাড়া এই কমিটির সহ সভাপতি মোঃ শাহজাহান ফকির,মোঃ উমর ফারুক,মোঃ মাহদি হাসান,ও মোঃ দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহমুদ হেলাল,সাংঠনিক সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন, সহ সাংঠনিক সম্পাদক মোঃ জালাল উদ্দিন,মোঃ বাদল কে নির্বাচিত করা হয়।তাদের সাথে আরও ২০০ কার্যকরী সদস্য তাদের সাথে একাত্বতা ঘোষনা করে,,,,,
সমস্থ অনুষ্ঠানটি মাহদি হাসান(সহ সভাপতি) এর দ্বারা পরিচালিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যাক্তি বর্গ সহ এই কমিটির সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদক বক্তব্য রাখেন। সভাপতির বক্তব্যে মোঃ কবির হোসেন বলেন,তারা ভালো কাজে হাত দিয়েছে,তাই তারা সকলের সমর্থন চান। সেই সাথে সকলের কাছে দোয়া ও সহযুগিতা চান।
সাধারন সম্পাদকের বক্তব্যে নুরে আলম মাহি বলেন, তারা সকলের সমর্থন চান, তার বক্তব্যে সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন,এবং এই বয়সে তাদের এত বড় দায়িত্ব দেয়াতে সকল উপদেষ্টা কে ধন্যবাদ জানান। তারা সামাজিক স্বার্থে ব্যাক্তি স্বার্থ ত্যাগ করার অঙ্গিকার করেন। এই গ্রামে আরও একটি সংগঠন কে উল্লেখ করে তাদের উদ্দেশ্য বলেন,তারা কারো প্রতিপক্ষ হয়ে কাজ করতে চান না,তারা একে অন্যের পরিপুরক হয়ে কাজ করতে চান,ঐক্যের ভিত্তিতে সবাই হাতে হাত রেখে,কাধে কাধ মিলিয়ে গ্রামের উন্নয়নমমুলক কাজে অংশগ্রহণ চান,অংশগ্রহণমুলক প্রতিনিধিত্ব চান। কারো সাথে তাদের বিবেধ বিরুধ নেই বলে তিনি Open challenge করেন। পরিশেষে সকলের সমর্থন চেয়ে দোয়া কামনা করেন।
-নিজস্ব সংবাদকর্মী, CNN News
02/10/2015
দ্বেবিদার উন্নয়ন মেলায়
কুমিল্লা ৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য রাজী
মোহাম্মদ ফকরুল এমপি কে ফুলেল শুভেচ্ছা
জানাচ্ছেন
কুমিল্লা (উঃ) জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সফল
সাধারন সম্পাদক, কুমিল্লা (উঃ) জেলা আওয়ামী
যুবলীগের সংগ্রামী যুগ্ম আহবায়ক জনাব মোঃ
সারওয়ার হোসেন বাবু ভাই
02/10/2015
বলরামপুর
02/10/2015
গাজীপুর খান মডেল বহুমুখী হাই স্কুল এন্ড কলেজ
02/10/2015
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Cumilla