SNBD
Online News and Lifestyle Magazine in Bengali
03/02/2026
শেখ মুজিবর রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মহীরুহ; তাঁর সমতুল কেউ নেই, আর কেউ হতেও পারবে না— বঙ্গবন্ধুর মর্যাদা এত সমুচ্চ যে অন্য কাউকে তার সমত্বে উত্তোলন করা সম্ভব নয়, তাই শুরু থেকে তাঁকে খানিক নিচে নামিয়ে অন্যদের সমপর্যায়ে আনার চেষ্টা চলেছে, এখনও চলছে।
বিশেষ করে স্বাধীনতা বিরোধীরা বেশ কিছু চরিত্র কল্পনা করেছে শেখ মুজিবের বিকল্পে— কোথাও তাদের সফলতা শতভাগ হাসিল হয়নি; বলা চলে একভাগও হয়নি।
ভাষানী স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন, এমন প্রচারণা খুব একটা প্রাণে পানি পায়নি। পরে জিয়াউর রহমানকে ঘোষক বানানো হলো, এখানে সাফল্য আছে, বিএনপি লুপে নিয়েছে এই প্রচারণা।
অথচ, জিয়াউর রহমান রচিত ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধে, অথবা তাঁর শাসনামলে এই বিষয়ে তিনি নিজে কোন দাবি করেননি। তিনি বরং নির্দ্বিধায় বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির জনক’ স্বীকার করেছিলেন। তিনি নিজেকে কখনও বঙ্গবন্ধুর সমতুল নেতা বিবেচনা করেননি, যদিও তাঁর রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ সর্বজন বিদিত।
এরপর খালেদা জিয়া বিএনপির কাণ্ডারি হওয়ার পর জিয়াউর রহমানকে বঙ্গবন্ধুর সমতুল করার নিমিত্তে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ টার্মটিকে লুপে নেয় বিএনপি।
এরপর ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে খালেদা জিয়া ১৫ আগস্টকে নিজের জন্মদিন বানিয়ে এক হিংসাত্মক হাস্যকর নজির স্থাপন করলেন। বিএনপি এই টার্মটিকেও লুপে নিয়েছে।
সম্প্রতি জামায়াত আমির কর্নেল অলি আহমদকে পরোক্ষভাবে স্বাধীনতার ঘোষক বানালেন, তিনি বললেন— এখান থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা এসেছে, কর্নেল অলি সর্বপ্রথম we revolt বলেছিলেন।
১৯৭১ সালে কর্নেল অলি ছিলেন জিয়ার অধীনস্থ, জিয়া ছিলেন জানজুয়ার অধীনস্থ। জিয়াউর রহমান লিখেছেন, বালুচ রেজিমেন্ট সিভিল পোশাকে বের হয়ে বিহারিদের সাথে মিলে বাঙালিদের উপর নির্যাতন চালাত। এই সময় পাকিস্তানি অফিসারেরা কৌশলে জিয়াকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে।
জিয়া কী করে এই পরিকল্পনা জানলেন, সেই কথা উল্লেখ না করলেও তিনি তখন revolt করেন। এই revolt কার মাথা থেকে বেরিয়েছে, জিয়া সে কথাও উল্লেখ করেননি, বরং তিনি তখন আরও অনেক বাঙালি সেনা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে জানালেন, we revolt.
জিয়া ও তাঁর অধীনস্থেরা যখন revolt করেছেন, তার আগেই যথারীতি রাজারবাগের পুলিশ ও ইপিআর সদস্যেরা পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে যুদ্ধ শুরু করে দিয়েছেন। তাঁরাই প্রথমে কার্যকর revolt করেছেন।
এরপর জিয়াউর রহমান ও তাঁর অনুসারীরা revolt করে যখন বেতারে মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর পক্ষ থেকে ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’ পাঠ করলেন, তখন মুক্তিযুদ্ধের দুইদিন হয়ে গেছে।
জিয়াউর রহমান দাবি করেননি তিনি বা তাঁর অধীনস্থ কেউ প্রথমে revolt করেছেন, বরং তিনি লিখেছেন— বাঙালি সেনা কর্মকর্তা ও সেনাদের ফাঁকি দিয়ে বালুচ সেনারা সিভিল বেশে বিহারিদের সাথে মিলে বাঙালি জনগণের উপর আক্রমণ করে তাদের হত্যা করা শুরু করেছে। এই খবর নিশ্চিত হতে জিয়াউর রহমানের দুইদিন সময় লেগেছে।
অলি আহমেদ we revolt বলেছেন, নাকি জিয়াউর রহমান বলেছেন, সেটা বড় ব্যাপার নয়, ব্যাপার হলো, তখন যুদ্ধের দ্বিতীয় দিন। তাদের আগেই পাকিস্তানি বাহিনীদের প্রতিরোধ করেছিল পুলিশ ও ইপিআর সদস্যেরা।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী সর্বপ্রথম পুলিশদের নির্মূল করার পরিকল্পনা করেছিল, ২০২৪ সালেও পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা পুলিশের উপর হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে নিষ্ঠুরভাবে।
বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধীদের ন্যারেটিভ গ্রহণ করে জিয়া ও খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধুর সমপর্যায়ে তোলার চেষ্টা করেছে—সফল হয়েছে কি? এখন সেই একই গোষ্ঠী অলি আহমদকে জিয়ার উপরে তোলার নূতন ন্যারেটিভের জন্ম দিয়েছে— বিএনপি এই ব্যাপারে পুরাই নিশ্চুপ। বিএনপি হয়ত ভেবেছে, অলির দল এত বড় নয় যে অলিকে জিয়ার উপরে তুলে ধরবে।
08/11/2025
তারেকের একটা ভিডিও দেখলাম, তিনি কাঁদছিলেন যে আর থাকতে পারছেন না! সাপের চুঁছো গিলার মত, তিনি না পারছেন অনশন হজম করতে, না পারছেন অনশন ত্যাগ করতে।
দুঃখজনক সত্য হল, গণতন্ত্রের জন্য রোদন করা লোকেরা তাকে যাচ্ছেতাই গালাগালি করছে। অথচ তারেক একা হলেও তিনি তার গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের জন্য বসেছেন।
20/05/2025
*বর্তমানের সুখাদ্যগুলি কি জানেন?*
লোকে ভাত খাচ্ছিলো। ডাল খাচ্ছিলো। জুটলে মাছ খাচ্ছিলো। কেউ কেউ ডুবে ডুবে জল খাচ্ছিলো। সুদখোর তো ছিলোই। পাড়ায় পাড়ায়। সুদ ছাড়া কিছু খেতো না তারা।
এরপর নিয়ম করে ঘুষ খাওয়া শুরু হলো। ঘুষে যে এত ভিটামিন তা জানা ছিলো না। গরীবের চেহারা ভেঙে যায় ভিটামিনের অভাবে, আর ঘুষখোরের জেল্লা বেড়ে যায়। শরীরটা বেশ চনমনে থাকে।
তারপর এলো কমিশন খাওয়া। আহা! তার স্বাদই আলাদা। বড় বড় কোম্পানি খেত। সরকার খেত। কিন্তু জনে জনে খেত না। একটা সময়ের পর এ হেন পুষ্টিকর খাদ্য ' আগে কেন খাইনি রে' বলে লোকে ঝাঁপিয়ে পড়লো। আট লাখ টাকার কাজ, যে করলো সে পেলো আশি টাকা, বাকি সাত লাখ নিরানব্বই হাজার আর যা হয়.......কমিশন। বসে বসে। এ হচ্ছে সুপার ভিটামিন। যারা খায় তাদের চেহারাই আলাদা। ত্বকে একটা গোলাপি ভাব এসে গেছে.......
কিছু লোক কমিশন খেতে পারছিলো না। তারা গুরুর কাছে গিয়ে বললো - গুরু, কী করি? গুরু বললো - লুটে খা।
ব্যস! শুরু হয়ে গেল কাটমানি খাওয়া। এও কমিশন জাতীয়। কিন্তু ঠিক কমিশন নয়। এ হচ্ছে হরলিক্স কমপ্ল্যান তফাৎ। কাটমানিতে প্ল্যান করতে হচ্ছেনা। কমপ্ল্যান। কে বাড়ি করছে, মার শালাকে, আগে আমাদের পয়সা দে। কে দোকান করেছে, দে শালা পয়সা......কে মেলায় দোকান বেঁধেছে.....মাল দ্দে শালা...... কাটমানির ওপর বিটলবণ ছড়িয়ে দিলে হপ্তা হয়ে যায়। সেই ভীষণ টেস্টি হপ্তা এমন মুখে রুচে গেল যে আর কিছু খায়ই না।
এর মধ্যে কিছু লোক প্রোটিনের সন্ধানে বেরোল। শুধু ভিটামিনে কি শরীর ট্যাঁকে? প্রাণীজ প্রোটিন চাই। আর প্রোটিনের উৎস তো জানাই আছে। পা চাটো। চারদিকে কত পা। মালিকের পা, মাতব্বরের পা, কায়দাবাজের পা, নেতার পা, .......আহা চেটে সুখ। লজেন্স খাওয়ার মতন। খাবি পরে। চেটে অস্থির। আর সে কী প্রোটিন.....সে কী প্রোটিন......যারা চেটেছে তাদের চেহারাগুলো দেখলেই বুঝবেন। জমিদারের মতন একটা ভাব আসে চোখেমুখে। সবসময় পা না পাওয়া গেলে অসুবিধে নেই, জুতো, চটি, মোজা, গামবুট যা পাবে চেটে মেরে দাও। দধিভান্ড! দই নাই পেলে, ভাঁড় চাটলেও গায়ে লেগে আছে খানিক।
এই সব খেতে খেতে যখন নিজেকে বেশ একটা সফল মনুষ্য বলে মনে হচ্ছে এবং যারা খায়নি তাদের নিতান্ত গরীব-দুখী, জীর্ণ- শীর্ণ বলে বোধ হচ্ছে, তখনই আসে সেই খাদ্য...... খাবি খাওয়া। খাবি এমন জিনিস, সে আর কী বলি, ক্ষীরের পায়েস, নলেন গুড়ের রসবড়া...... সে না খেয়ে উপায় নেই। সুতরাং খাব্বেই। আগেরগুলো খেয়ে তুমি উঠে যাবে, তা হবেনা।
*সংগৃহিত*
মহামূল্য চা এখন কে জ্বাল দিবে? এ-বাড়ির বড়বৌ ও-বাড়ির ছোটবৌ—সকলে মিলিয়া পরামর্শ করিয়া যাহার যত রন্ধন-বিদ্যা জানা ছিল সমস্ত উজাড় করিয়া সেই অপূর্ব চা রন্ধন-পর্ব সমাধা করিল। অবশেষে চা বদনায় ভর্তি হইয়া বৈঠকখানায় আগমন করিল। কবির সঙ্গে আমরাও তাহার কিঞ্চিৎ প্রসাদ পাইলাম। কবি তো মহাপুরুষ। চা পান করিতে করিতে চারাঁধুনিদের অজস্র প্রশংসা করিয়াছিলেন। আমরাও কবির সঙ্গে ধুয়া ধরিলাম। গ্রামচাষীর বাড়িতে যত রকমের তরকারী রান্না হইয়া থাকে, সেই চায়ের মধ্যে তাহার সবগুলিরই আস্বাদ মিশ্রিত ছিল। কমিউনিস্ট-কর্মী আবদুল হালিম বড়ই সমালোচনাপ্রবণ। তাঁহার সমালোচনা মতে সেই চা-রামায়ণের রচয়িত্রীরা নাকি লঙ্কাকাণ্ডের উপর বেশী জোর দিয়াছিলেন। আমাদের মতে চা-পর্বে সকল ভোজনরসের সব গুলিকেই সম মর্যাদা দেওয়া হইয়াছিল। পরবর্তীকালে বহু গুণীজনের কাছে এই চা খাওয়ার বর্ণনা করিয়া কবি আনন্দ পরিবেশন করিতেন।
বিভ্রান্ত হবেন না, যারা স্বার্থের প্রয়োজনে কুরআন-হাদীসে বিকৃতি করতে পারে, তারা ইতিহাসে বিকৃতি করবে না এমন আশাও করবেন না। আংশিক সত্য সত্য নয়, আংশিক সত্য হচ্ছে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করার কূটকৌশল।
তমদ্দুন মজলিস কাদের ছিল— মুসলিম লীগের, আওয়ামী মুসলিম লীগের, নাকি জামায়াতে ইসলামীর?
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হতেই বৃটিশ সরকার যুদ্ধ শেষে ভারতকে স্বাধীনতা দিবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল, শর্ত ছিল যুদ্ধে বৃটিশদের সহযোগিতা করতে হবে। তখন থেকেই স্বাধীন ভারতের রাষ্ট্রভাষা কী হবে, এরপর পাকিস্তান প্রস্তাবের পর স্বাধীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে, এই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তমদ্দুন মজলিসের আগেও বহু লেখক রাষ্ট্রভাষা প্রসঙ্গে আলোচনা করেছেন। এই সব আলোচনা, রচনার কোনটিই সরকারি ছিল না। এমনকি তখনও সরকারি কোন সিদ্ধান্তও ছিল না যে রাষ্ট্রভাষা কী হবে।
কিন্তু, জিন্না যখন 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা' বলে ঘোষণা করলেন, তখন তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেছিল কারা? কারা মানি না মানব না বলে জিন্নার সভায় শ্লোগান তুলেছিল? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রেরা। তারা কোন নির্দিষ্ট দলের ছিল না, আন্দোলন চালানোর জন্যই পরে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়েছিল।
যখন আন্দোলন শুরু হয়, যখন পাকিস্তানি পুলিশ ছাত্র-জনতার উপর গুলি চালায়, তখন তমদ্দুন মজলিশ কোথায় ছিল? তারা কি সংগ্রাম পরিষদের সাথে একাত্ম ছিল? তারা কি তখন পৃথক ভাবে আন্দোলন পরিচালনা করেছিল? না, তারা তখন মুখে কুলপ এঁটেছিল।
তমদ্দুন মজলিসের মুখপত্রের যে সংখ্যায় রাষ্ট্রভাষা প্রসঙ্গে তিনটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল তা ভিন্ন ভিন্ন তিনজন লেখকের। তাদের মধ্যে একজন পাকিস্তান আন্দোলনের বিপক্ষে ছিলেন, অবশ্য তার পুত্রেরা এখন পাকিস্তানের দাসানুদাস। আরেকজন মোতাহার হোসেন চৌধুরী। এবং তমদ্দুন মজলিসের পক্ষে আবুল কাসেম।
একই বিষয়ে তিনজনের লেখা একই পত্রে প্রকাশিত হওয়ার পর, দুইজনের নামকে অস্বীকার করে একজনের নাম সামনে নিয়ে আসার লক্ষ্য সত্য প্রকাশ নয়, বরং সত্যকে ঢেকেঢুকে আংশিক প্রকাশ। অথচ যে দুইজনের নাম পেছনে ফেলে রাখা হচ্ছে, তাঁরা দুইজনেই বাংলা ভাষায় স্বনামধন্য সাহিত্যিক, কবি, বিজ্ঞান লেখক।
মায়া উঠিয়া মুখ ধুইয়া আসিয়া চুল আঁচড়াইতে আঁচড়াইতে গান ধরিল–
তোমার আনন্দ ঐ এলো দ্বারে
এলো–এলো–এলো গো!
বুকের আঁচলখানি I beg your pardon, miss–
সুখের আঁচলখানি ধূলায় পেতে
আঙ্গিনাতে মেল গো—’
নাঃ, আমার মুখটা দেখছি সত্যিই খারাপ হয়ে গেছে। ভাগ্যিস কেউ ছিল না—‘বুকের আঁচল’ বলে ফেলেছিলাম!
দীপ্তি হাসিয়া বলিল—বাঃ বাঃ! দিদি, তোকে পারবার যো নেই!
মায়া। কেন, দোষটা শুধরে নিলাম তাতেও অপরাধ?
দীপ্তি। ওর নাম দোষ শুধরে নেওয়া? ও ত চিমটি কাটা।
মায়া। তা হলে আমার দ্বারা হয়ে উঠল না সভ্য হওয়া। তোদের মত ভাল মেয়ের পাশে থেকে যে একটু-আধটু দেখে শুনেও শিখব, তাও দিবি না? আচ্ছা সবাই এত রেগে যায় কেন বলতে পারিস? সেদিন যখন কমলা ঐ গানটা গাইছিল, মিসেস ডি এমন করে তার দিকে তাকালেন যে বেচারীর বুকের আঁচল বুকেই রইল, তাকে আর ধূলায় মেলতে হল না। মিসেস ডি বলে দিলেন, বই-এ ওটা ছাপার ভুল কমল, সুখের আঁচল হবে–
কমলা বলল—কিন্তু রবিবাবুকে আমি ওটা বুকের আঁচল–
মিসেস ডি বলিল—তর্ক কোর না, যা বলছি শোন। আর কমলাটারও আচ্ছা বুদ্ধি! না হয় রবিবাবু গেয়েছিলেন বুকের আঁচল–কিন্তু এদিকে বুকের আঁচলটা ধূলায় পাততে গেলে যে ব্যাপারটা হবে তার সম্বন্ধে কবির অনভিজ্ঞতাকে কি প্রশ্রয় দেওয়া উচিত?…
06/08/2024
যার মনে যাই থাকুক। গণভবন থেকে যাঁরা প্রাণিগুলিকে উদ্ধার করে নিয়ে গেছেন মনে ও মননে তাঁরাই মহান। নিয়ে না গেলে না খেয়ে করুণ মৃত্যু হতো প্রাণি গুলোর।
06/08/2024
আমার গোটাই ঘাস ছিল।
আর তোমার কোটায় হাঁস ছিল গো,
হাঁস ছিল, হাসছিল...
কিছু একটা কেবল দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসছে বলেই তা ভাল হয়ে যায় না। মাঝে মাঝে তাকে যাচাই করে বিচার করে নিতে হয়। যে মমতায় চোখ বুঁজে থাকতে চায় সেই মরে।
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
যাহার প্রাসাদতুল্য অট্টালিকা নদীগর্ভে ভাঙ্গিয়া পড়িতেছে, সে আর খান কতক ইট বাঁচাইবার জন্য নদীর সহিত কলহ করিতে চাহে না৷
— শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Cumilla
3500