Perfect Computer Technologies
All kinds of Computer Parts and Servicing Available here.
11/06/2022
অভিনন্দন প্রিয় পাঠক আপনাদের-
30/05/2019
স্বামীকে ভালোবাসুন
কারন, যদি আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে সিজদা করার হুকুম থাকতো সে হতো আপনার স্বামী।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে ঘরে ফিরে আসে, এক টুকরো মিষ্টি হাসির মাধ্যমে। কারন সে আপনার হালাল রিজিকের চেষ্টায় সারাদিন খাটনি করে ক্লান্ত দেহে বাড়ী ফিরেছে।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনাকে বলে, বৌ! তুমি আমার মা- বাবা পরিবার পরিজনের খেদমত করো। কারন এই মা-বাপ ছাড়া আপনি আপনার স্বামীটিকেই পেতেন না, আর আপনার স্বামীর জান্নাত, আয় উন্নতি তার মা-বাবার দোয়া, সন্তুষ্টির মাধ্যম যা আপনার সাথে জড়িত।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে বলে, বৌ! সংসারের কাজের পাশাপাশি ওয়াক্ত মতো নামাজটাও পড়ে নিও। কারন সে জান্নাতেও আপনার সাথেই থাকতে চায়।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনাকে পরিপূর্ণ পর্দার সাথে চলতে বলে, কারন সে চায়না তার সুন্দরী বৌটিকে অন্য কোন পরপুরুষ দেখে ফেলুক এবং তার বৌ গুনাহগার হোক।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনাকে একাকী বাহিরে বের হতে নিষেধ করে, কারন সে জানে মাহরাম পুরুষ ছাড়া অযথা মেয়েদের জন্য বাইরে বের হওয়া হারাম।
★স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনার জন্য কোন গিফট নিয়ে আসে, যদিও তা কম দামী হয়, বা আপনার পছন্দ না হয়। কারন সে ভালোবাসে বলেই আপনাকে সারপ্রাইজ দিয়েছে।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনাকে সবসময় পরিপাটি হয়ে থাকতে বলে, কারন সে অন্য সকল নারীর থেকে দৃষ্টি হেফাজত করতে চায়।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনার কাছে একটু সোহাগ কামনা করে, কারন সে অন্য নারীতে আসক্ত নয়।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনার কাছে নিজেকে জাহির করতে চায়, কারন সব হাজবেন্ড-ই চায় তার স্ত্রীর কাছে সে হিরো হয়ে থাকুক।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে অসময়ে আপনার হাতের বিশেষ কোন আইটেমের খাবার খেতে চায়, কারন সে ভালবাসার মানুষটির সেই রান্নাটাকে এখন মিস করছে।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে কোন কারনে আপনার সাথে অভিমান করে, কারন অতিমাত্রায় ভালোবাসা থেকেই কিন্তু অভিমান সৃষ্টি হয়।
স্বামীকে ভালোবাসুন
যখন সে আপনার লাইফ পার্টনার, যার সাথে জীবনটা পার করবেন বলে মা- বাবার ঘর ছেড়েছেন তাকে যদি ভালো না বাসেন তবে জীবনটা পার করবেন কি করে ?
পরিশেষে একটি বিশেষ সতর্কবাণীঃ-
স্বামী যখন কোন কারনে রেগে যায় তখন ভুল করেও আপনি তর্ক করতে যাবেন না। একেবারে চুপ করে থাকবেন। যদিও আপনি নির্দোষ ছিলেন। আর দোষ থাকলে তো কথাই নাই। এক্কেবারে চুপ। রাগ থেমে গেলে বিষয়টি বুঝিয়ে বলবেন, তখন সে নিশ্চয়ই লজ্জিত হবে এবং পরবর্তীতে এমনটি হবে না।
আর স্বামীর কাছে কোনকিছুর আবদার করার হলে অবশ্যই তার মন- মর্জি সামর্থ্যানুযায়ী বুঝে আবদার করবেন। প্রয়োজনে একটু পটিয়েও নিতে পারেন। দেখবেন আকাশের চাঁদও হাতে তুলে দিতে প্রস্তুত সে।
আল্লাহ আমাদের সাংসারিক জীবনকে জান্নাতি জীবনের মতো করে দিন, আমীন
12/10/2016
আমি এবং আমাদের সদস্য ও গৃহকর্তা জাবের ইবনে বশির সকালে ঘুম থেকে উঠে একটি পিক তুল্লাম ।
12/10/2016
আমি এবং আমাদের সদস্য ও গৃহকর্তা জাবের ইবনে বশির সকালে ঘুম থেকে উঠে একটি পিক তুল্লাম ।
12/10/2016
মাদক চোরা চালানের নিরাপদ বাহন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এ্যাম্বুলেন্স।
বশিরুল ইসলাম:
মাদক চোরা চালানের নিরাপদ বাহন এ্যাম্বুলেন্স। ফেন্সিডিল, ইয়াবা সহ অন্যান্য মাদক চোরাচালানের জন্য অন্যতম মাধ্যম হিসেবে এটিকে ব্যবহার করছে একটি চক্র। বর্তমান সময়ে সরকার যখন মাদক সেবন ও বিক্রেতাদের ধরার অভিযানে নেমেছে ঠিক তখনি এ্যাম্বুলেন্সকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। তবে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো প্রাইভেট নাম্বার এ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ট্রাফিক পুলিশকে প্রতি মাসে গাড়ী প্রতি দুই হাজার টাকা করে দিতে হয়।
একাধিক সূত্র থেকে জানাযায়, কুমিল্লা সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এই এলাকা থেকে ঢাকা সহ আশে পাশের জেলা গুলোতে এ্যাম্বুলেন্স দিয়ে মাদক পাচার হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে মাদক পাচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এ্যাম্বুলেন্সকে। একটি চক্র এই রোগী বহনকারী এ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে নিরাপদভাবে মাদক পাচার করে থাকে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে মাঝে-মধ্যেই এ্যাম্বুলেন্সে রোগী সাজিয়ে তারা মাদক বহন করে । এতে বারবার তারা সফল হলেও গত ২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার পুলিশের নজরে পড়েছে। ভারত সীমান্ত থেকে এক ব্যক্তি ফেনসিডিল কুমিল্লায় পৌছে দেয়। কুমিল্লা থেকে এ্যাম্বুলেন্সে বিভিন্ন জনকে রোগী সাজিয়ে ফেন্সিডিল পাচার করে থাকে একটি চক্র। তবে কিছু কিছু গাড়ী প্রাইভেট নাম্বার দিয়ে এ্যাম্বুলেন্স পরিচালনা করে আসছে। মালিকদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, প্রাইভেট নাম্বার এ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করার জন্য আমরা কুমিল্লা ট্রাফিক পুলিশকে প্রতি মাসে গাড়ী প্রতি দুই হাজার টাকা করে দিয়ে আসছি। যদি মাসিক টাকা না দেই তাহলে ট্রাফিক সার্জন বিরক্ত করে।
এ্যাম্বুলেন্স মালিক আনোয়ার জানান, এ্যাম্বুলেন্স মূলত মুমূর্ষরোগী বহন করার জন্য। কিন্তু এটিকে যারা মাদকের বাহন হিসেবে ব্যবহার করে তাদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক। মাদক পাচারের সাথে কোন এ্যাম্বুলেন্স মালিক যদি জড়িত থাকে তাহলে তাকে ও আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হউক। তবে আমি মালিক হিসেবে মনে করি এই মাদক পাচারের সাথে কোন এ্যাম্বুলেন্স মালিক জড়িত থাকতে পারে না। কেননা এতো টাকা বিনিয়োগ করে কোন মালিক চাইবে না মাদকের কারণে একটি এ্যাম্বুলেন্স ও মালিক সাজা ভোগ করুক। তবে যদি এটি হয় তাহলে মালিকের অজান্তে ড্রাইভার ও মাদক ব্যবসায়ীদের যোগসাজসে হতে পারে।
এ্যাম্বুলেন্স মালিক দেলোয়ার জানান, কিছু কিছু এ্যাম্বুলেন্স আছে যাদের কোন এ্যাম্বুলেন্স নাম্বার নেই কিন্তু প্রাইভেট গাড়ীকে এ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে মাদক পাচারে ব্যবহার করছে। তবে আমি একজন মালিক হিসেবে মনে করি এই মাদকের সাথে কোন এ্যাম্বুলেন্স মালিক জড়িত নয়। যদি কোন মালিক এই অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত থাকে তাদের কঠিন বিচার করা উচিত। এ্যাম্বুলেন্স মালিক বা ড্রাইভার এসবের সাথে যদি জড়িত থাকে আমরা প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করবো।
এ্যাম্বুলেন্স মালিক কুচাইতলী গ্রামের আব্দুল বারেক জানান, এ্যাম্বুলেন্সে মাদক নিয়ে পাচার করা একটি ঘৃণ্য অপরাধ। আমি মালিক হিসেবে মনে করি এ্যাম্বুলেন্সের কোন মালিক এই ঘৃণ্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকতে পারেনা। এ্যাম্বুলেন্স একটি সেবামূলক যানবাহন আর এটিকে যদি কেউ কোন অবৈধ কাজে ব্যবহার করে তাদের কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা নিলে এ্যাম্বুলেন্স মালিকদের পক্ষ থেকে কোন দাবী থাকবেনা।
কুমিল্লা জেলার অতি: পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, যদি কেউ এ্যাম্বুলেন্সকে মাদকের বাহন হিসেবে ব্যবহার করে আমরা খবর পেলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেব। কুমিল্লা জেলায় কতটি এ্যাম্বুলেন্স আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কুমিল্লায় কতটি এ্যাম্বুলেন্স আছে তার কোন পরিসংখ্যান আমাদের কাছে নেই তবে জেলা সিভিল সার্জন অফিসে থাকতে পারে।
12/10/2016
মাদক চোরা চালানের নিরাপদ বাহন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এ্যাম্বুলেন্স।
বশিরুল ইসলাম:
মাদক চোরা চালানের নিরাপদ বাহন এ্যাম্বুলেন্স। ফেন্সিডিল, ইয়াবা সহ অন্যান্য মাদক চোরাচালানের জন্য অন্যতম মাধ্যম হিসেবে এটিকে ব্যবহার করছে একটি চক্র। বর্তমান সময়ে সরকার যখন মাদক সেবন ও বিক্রেতাদের ধরার অভিযানে নেমেছে ঠিক তখনি এ্যাম্বুলেন্সকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে মাদক ব্যবসায়ীরা। তবে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো প্রাইভেট নাম্বার এ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করার জন্য ট্রাফিক পুলিশকে প্রতি মাসে গাড়ী প্রতি দুই হাজার টাকা করে দিতে হয়।
একাধিক সূত্র থেকে জানাযায়, কুমিল্লা সীমান্ত এলাকা হওয়ায় এই এলাকা থেকে ঢাকা সহ আশে পাশের জেলা গুলোতে এ্যাম্বুলেন্স দিয়ে মাদক পাচার হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে মাদক পাচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এ্যাম্বুলেন্সকে। একটি চক্র এই রোগী বহনকারী এ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে নিরাপদভাবে মাদক পাচার করে থাকে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে মাঝে-মধ্যেই এ্যাম্বুলেন্সে রোগী সাজিয়ে তারা মাদক বহন করে । এতে বারবার তারা সফল হলেও গত ২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার পুলিশের নজরে পড়েছে। ভারত সীমান্ত থেকে এক ব্যক্তি ফেনসিডিল কুমিল্লায় পৌছে দেয়। কুমিল্লা থেকে এ্যাম্বুলেন্সে বিভিন্ন জনকে রোগী সাজিয়ে ফেন্সিডিল পাচার করে থাকে একটি চক্র। তবে কিছু কিছু গাড়ী প্রাইভেট নাম্বার দিয়ে এ্যাম্বুলেন্স পরিচালনা করে আসছে। মালিকদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, প্রাইভেট নাম্বার এ্যাম্বুলেন্স হিসেবে ব্যবহার করার জন্য আমরা কুমিল্লা ট্রাফিক পুলিশকে প্রতি মাসে গাড়ী প্রতি দুই হাজার টাকা করে দিয়ে আসছি। যদি মাসিক টাকা না দেই তাহলে ট্রাফিক সার্জন বিরক্ত করে।
এ্যাম্বুলেন্স মালিক আনোয়ার জানান, এ্যাম্বুলেন্স মূলত মুমূর্ষরোগী বহন করার জন্য। কিন্তু এটিকে যারা মাদকের বাহন হিসেবে ব্যবহার করে তাদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হউক। মাদক পাচারের সাথে কোন এ্যাম্বুলেন্স মালিক যদি জড়িত থাকে তাহলে তাকে ও আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হউক। তবে আমি মালিক হিসেবে মনে করি এই মাদক পাচারের সাথে কোন এ্যাম্বুলেন্স মালিক জড়িত থাকতে পারে না। কেননা এতো টাকা বিনিয়োগ করে কোন মালিক চাইবে না মাদকের কারণে একটি এ্যাম্বুলেন্স ও মালিক সাজা ভোগ করুক। তবে যদি এটি হয় তাহলে মালিকের অজান্তে ড্রাইভার ও মাদক ব্যবসায়ীদের যোগসাজসে হতে পারে।
এ্যাম্বুলেন্স মালিক দেলোয়ার জানান, কিছু কিছু এ্যাম্বুলেন্স আছে যাদের কোন এ্যাম্বুলেন্স নাম্বার নেই কিন্তু প্রাইভেট গাড়ীকে এ্যাম্বুলেন্স বানিয়ে মাদক পাচারে ব্যবহার করছে। তবে আমি একজন মালিক হিসেবে মনে করি এই মাদকের সাথে কোন এ্যাম্বুলেন্স মালিক জড়িত নয়। যদি কোন মালিক এই অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত থাকে তাদের কঠিন বিচার করা উচিত। এ্যাম্বুলেন্স মালিক বা ড্রাইভার এসবের সাথে যদি জড়িত থাকে আমরা প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করবো।
এ্যাম্বুলেন্স মালিক কুচাইতলী গ্রামের আব্দুল বারেক জানান, এ্যাম্বুলেন্সে মাদক নিয়ে পাচার করা একটি ঘৃণ্য অপরাধ। আমি মালিক হিসেবে মনে করি এ্যাম্বুলেন্সের কোন মালিক এই ঘৃণ্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকতে পারেনা। এ্যাম্বুলেন্স একটি সেবামূলক যানবাহন আর এটিকে যদি কেউ কোন অবৈধ কাজে ব্যবহার করে তাদের কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা নিলে এ্যাম্বুলেন্স মালিকদের পক্ষ থেকে কোন দাবী থাকবেনা।
কুমিল্লা জেলার অতি: পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, যদি কেউ এ্যাম্বুলেন্সকে মাদকের বাহন হিসেবে ব্যবহার করে আমরা খবর পেলে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেব। কুমিল্লা জেলায় কতটি এ্যাম্বুলেন্স আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কুমিল্লায় কতটি এ্যাম্বুলেন্স আছে তার কোন পরিসংখ্যান আমাদের কাছে নেই তবে জেলা সিভিল সার্জন অফিসে থাকতে পারে।
05/07/2016
আমাদের ছোট্ট সোনামনি জাবের ইবনে বশির সকলে দোয়া করবেন।
সবাইকে ধন্যবাদ
Perfect Computer Technologies All kinds of Computer Parts and Servicing Available here.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Comilla Medical College Gate, Kuchaitoly
Cumilla
3500