Arifur Rahman Rabbi
Advocate
20/01/2026
অনলাইনে প্রথমবার জমির খাজনা দিতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে?
খাজনা দেয়ার জন্য নিম্নলিখিত পেপার এর প্রয়োজন হবে:
1. সর্বশেষ রেকর্ড/খারিজ খতিয়ানের কপি।
2. পূর্ববর্তী দাখিলার কপি।
3. জাতীয় পরিচয়পত্র।
4. জমির অবস্থান অনুযায়ী-বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজার তথ্য, খতিয়ান নং ও হোল্ডিং নং।
N.B: বকেয়ার সাল চার এর অধিক হলে এবং পূর্ববর্তী খাজনার রশিদ আপনার নিকট থাকলে (যা অন লাইন নয়) প্রথম বার ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে খাজনা দিন।
অন লাইনে খাজনা দেয়ার ধাপ সমূহঃ
■ ধাপ-১- ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন (ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://ldtax.gov.bd)
■ ধাপ-২- নাগরিক নিবন্ধন করুন (মোবাইল নং, জন্ম তারিখ, আইডি নং দেয়ার পর ওটিপি নং পাবেন)।
✔ ধাপ-৩- প্রোফাইল সেটিং করুন (প্রফাইলের তথ্যগুলি পুরন করুন)।
ধাপ-৪ জমির খতিয়ান যুক্ত করুন।
ধাপ-৫ হোল্ডিং ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য পূরণ করুন।
ধাপ-৬ পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট করুন।
ধাপ-৭ ই-পেমেন্ট করুন।
✔ ধাপ-৮ খাজনা রশিদ ডাউনলোড করুন।
খতিয়ানে নাম থাকা যে কোন একজন খাজনা দিতে পারবেন। ওয়ারিশান হলে ওয়ারিশ সনদ সংযুক্ত করে খাজনা দেয়া যাবে। যাদের আইডি কার্ড নেই তারা প্রতিনিধির মাধ্যমে খাজনা দিতে পারবেন।
খতিয়ানে থাকা সব জমির খাজনা দিতে হবে। আংশিক খাজনা দেয়ার নিয়ম নেই। [ধারা-৬, ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩]
রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ।
১. সুদ (Riba):
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।
📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”
২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”
৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।” — বুখারি ২৯৮৬
৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।
৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হারাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।
📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২
৬. সালাত অবহেলা:
আজান–সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।
📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।” — সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত
৭. গীবত:
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
📖 সূরা হুজুরাত ১২
৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ। অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।” — মুসলিম ৯১
৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বংস হতে থাকে।
📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫
১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।” — ইবন মাজাহ ২৪৪৩
১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:
এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।
১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।
📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।” — বুখারি ৬৪৩৯
১৩. বাবা–মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।” — মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)
১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বংস ডেকে আনে।
১৫. সদকা অবহেলা:
সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।” — মুসলিম ২৫৮৮
১৬. হিংসা:
অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।
১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।
১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।
📖 বুখারি ২০৮৭
১৯. অলসতা:
রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে। যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।
২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:
আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “আল্লাহ্র সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।” — তিরমিজি ২৫১০
20/12/2025
“বিরোধীদের বলে দাও, তোমাদের ও আমাদের পার্থক্য হবে জানাযার দিন।”
[সিয়ারু আলামিন নূবালা, ১১/৩৪০]
আল্লাহ আপনাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুক।
বিপ্লবী বীর শহীদ ওসমান হাদি এক অসমাপ্ত মহাকাব্যের তরুন মহাবীরের নাম ।
বাংলাদেশ আপনাকে মনে রাখবে ভাই। 🇧🇩♥️
05/12/2025
কখনো কখনো মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের জীবনের সব দরজা–জানালা বন্ধ করে দেন।
আমরা ভাবি, সব পথই কেন হঠাৎ অচল হয়ে গেল?
কিন্তু সত্য হলো—
বাইরে তখন প্রবল ঝড় বয়ে যায়, আর মহান রব আমাদের সেই ঝড় থেকে আড়াল করে রাখেন।
আবার কখনো সৃষ্টিকর্তা আপনাকে নদীতে নিক্ষেপ করেন বলে মনে হয়—
কিন্তু সেটিও তাঁর রহমত।
কারণ আপনার শত্রু সাঁতার জানে না;
আপনাকে বাঁচানোর জন্যই সৃষ্টিকর্তা সেই পরীক্ষার ভেতর দিয়ে নিয়ে যান।
কখনো কখনো সৃষ্টিকর্তা আপনাকে একটি জায়গায় আটকে দেন,
যেন বিপদ সামনে দিয়ে চলে যায়
আর আপনাকে ছুঁতেও না পারে।
সৃষ্টিকর্তা এই সিদ্ধান্তগুলো আমরা বুঝতে পারি না,
কিন্তু প্রত্যেকটির পেছনেই থাকে অগাধ হিকমাহ।
তাই মানসিকতা বদলান।
বিশ্বাস রাখুন—
আপনি ঠিক সেই জায়গাতেই আছেন যেখানে থাকার প্রয়োজন ছিল।
না খুব দ্রুত, না খুব ধীরে—
সৃষ্টিকর্তা সময়ই সবচেয়ে নিখুঁত, সবচেয়ে যথাযথ।
তাঁর উপর সম্পূর্ণ ভরসা (তাওয়াক্কুল) রাখুন,
আর ক্রমাগত দোয়া করে যান যেন তিনি আপনার পথ সহজ করে দেন।
23/05/2025
🥰 সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে 🥰
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০টি শব্দের অর্থের তালিকা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —
১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি
শেষ কথা:
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে। সেভ করে রেখে দিন — প্রয়োজনে অমূল্য হয়ে উঠবে।
ধন্যবাদ
22/05/2025
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ রদ ও রহিত করে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি।
কবে মানুষ হবো আমরা??
আল্লাহ সবাইকে বোঝার তৌফিক দান করুক।
আমিন
09/04/2025
মুসলিম বিবাহ ও তালাক নীতিমালা।
07/04/2025
"ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনে ই*সরা*য়েলের কী ক্ষতি হবে ? পোলাপাইনের সামনে পরীক্ষা ! এগুলোর কি গুরুত্ব রয়েছে ? —যারা এমন প্রশ্ন তুলেছেন তাদের জন্য......
ইবরাহিম (আ.)-কে যখন বিশাল অ'গ্নিকু'ণ্ডে নি'ক্ষেপের আয়োজন চলছিল, চারপাশে উত্তপ্ত আ'গুন জ্বলছিল ভ'য়ংকরভাবে। তখন এক ছোট পাখিকে দেখা গেল—সে বারবার গিয়ে ঠোঁটে সামান্য পানি নিয়ে আগুনের দিকে ছুঁড়ে দিচ্ছে।
লোকেরা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কি সত্যিই বিশ্বাস করো, এই সামান্য পানিতে আগুন নিভবে?”
পাখিটি শান্তভাবে বলল,
“না, আমি জানি এ আ'গুন আমার পানিতে নিভবে না।
কিন্তু আ'গুনের পক্ষে না হয়ে, আমি অন্তত জানাতে চাই—আমি জা'লেমের পক্ষে না আমি মজলুমের পক্ষে।
আমার রব যখন প্রশ্ন করবেন, আমি কী করেছিলাম—
আমি বলব, আমি চুপ থাকিনি আমি আমার পক্ষে যতটুকু পারি, ততটুকুই করছি—অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে।"
আজ যখন গা*জা।য় নিষ্পাপ শিশুদের উপর বো*মা প'ড়ছে, হাসপাতালের ছাদ ভে'ঙে পড়ছে, আর্তনাদে কাঁপছে আকাশ—তখন বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাস, পরীক্ষা, ভবিষ্যত সবকিছু ঝুঁকিতে ফেলে দাঁড়িয়েছে সত্যের পক্ষে।
হয়তো এতে ই*স*রা*য়েলের কোন ক্ষতি হবে না। এতে যু*দ্ধ থেমে যাবে না,
কিন্তু আমাদের অবস্থান ইতিহাসে লেখা থাকবে—আমরা নিরব ছিলাম না।
"আমরা অন্যায়ের বি'রুদ্ধে। আমরা মানবতার পক্ষে।"
26/03/2025
শুধু বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে S*x করলেই অপরাধ হবে না। Active Confidence থাকতে হবে। এখানে আইনের জটিল ব্যাখ্যা রয়েছে!
যেমন: স্বপ্নঘোষ নামের এক বিবাহিত ব্যক্তি স্বপ্ন দেবীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে in*******se করলেন। স্বপ্ন দেবী জানেন যে স্বপ্ন ঘোষ বিবাহিত। এখানে বিয়ের প্রলোভন প্রযোজ্য হবে না কারণ স্বপ্ন ঘোষ MFLO এর অধীনে Council এর অনুমোদন ছাড়া বিয়ে করলে legal consequences হবে। (নাম হিন্দু মুসলিম হয় না)
যেমন: বফ গফকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে physical relations করেছে। এখানে offence হবে না কারণ তাদের মধ্যে active confidence নেই।
প্রলোভন কি, কখন active confidence ছিল বলা যাবে তা উল্লেখ করা হয়নি যার ফলে তা আদালতের Discretion, guided by global developments অর্থাৎ আইনজীবীরা চাইলে black to white or white to black করতে পারে। তবে সবই to do justice.
ধর্ষকের পক্ষে কোন আইনজীবী দাঁড়ায় না, কোন আদালত ধর্ষকে জামিন Grant করে না। একজন ব্যক্তি কেবল তখনই ধর্ষক যখন আদালত তাকে ধর্ষক বলে convict করেন এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত সর্বোচ্চ আদালত তা upheld করেন। তার আগে কেউ ধর্ষক নয় বরং অভিযুক্ত (if the court takes cognizance) অথবা সন্দেহভাজন (until court takes cognizance)
ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত বা সন্দেহভাজনের পক্ষে আইনজীবী থাকা প্রয়োজন কারণ এমন অভিযোগ মিথ্যা, ভাওতাবাজি, গায়েবী, গুজব, conspiracy & ulterior motive, politically & financially vested হতে পারে। চোখে দেখার পরেও ভুল হতে পারে কারণ প্রত্যেকটি ঘটনার কমপক্ষে দুটি ভার্সন থাকে। ধর্ষণের অভিযোগে থেকে ৯০% + অভিযুক্ত খালাস পায়।
অন্যদিকে, ধর্ষণের শিকার অনেক নারীর আর্তনাদ কংক্রিটের দেওয়াল ভেদ করে আদালতের কান পর্যন্ত পৌঁছায়নি। স্থানীয় প্রভাবশালী, মেম্বার, চেয়ারম্যানদের চাপের মুখে সে নারী মুখ খুলতে পারেনি। নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে, নিজের প্রতি যত্ন হারিয়ে ফেলেছে, যৌবন বয়সেও চুল তার অযত্নে মলিন হয়ে এসেছে। সে দায় কেবলই পুরুষের।
"সম্পূর্ণ আইনটি যুক্ত করা হয়নি"
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the restaurant
Telephone
Website
Address
Cumilla Judge Court
Cumilla
3500
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 21:00 |
| Tuesday | 10:00 - 21:00 |
| Wednesday | 10:00 - 21:00 |
| Thursday | 10:00 - 21:00 |
| Friday | 15:00 - 21:00 |
| Saturday | 10:00 - 21:00 |
| Sunday | 10:00 - 21:00 |