Tips For Help
We Always Upload New - Motivate, Tips, Lifestyle, Islamic Lecture
Follow - #_Tips_For_Help
18/09/2023
প্রশ্ন: মসজিদে বিবাহ সম্পাদন করা কি সুন্নাত? অনেক আলেম এটিকে সুন্নাত বলেন, আসলে সঠিক কোনটি?
▬▬▬▬▬▬▬◄❖►▬▬▬▬▬▬▬▬
উত্তর: রাসূল (ﷺ)-থেকে এমন কোন বিশুদ্ধ হাদীস নেই,যেখানে তিনি মসজিদের বিবাহ চুক্তি সম্পাদনে উৎসাহিত করেছেন। সুতরাং মসজিদে বিবাহ চুক্তি করা সুন্নাহ;একথা সঠিক নয়। কেননা এই মর্মে যেমন সহীহ কোন হাদীস নেই; তেমনি মসজিদে এটা করা সুন্নাত বলে বিশ্বাস করারও কোনো প্রমাণ নেই। সুতরাং কেউ যদি সব সময় নিয়ম করে বিবাহের আকদ মসজিদের মধ্যে করে তবে শারঈ দৃষ্টিকোণ থেকে তা বিদআতে পরিণত হবে। কারণ সুন্নাত ইসলামী শরীয়তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান,যা দ্বিতীয় অহী বা অহীয়ে গাইরে মাতলু হিসাবে পরিগণিত। মানুষের ইহলৌকিক কল্যাণ ও পারলৌকিক মুক্তির জন্য সুন্নাতের জ্ঞান অপরিহার্য। তাছাড়া কোনো কিছুকে সুন্নাহ আখ্যা দিতে হলে অবশ্যই তার পক্ষে শরীয়তের অকাট্য দলীল থাকা আবশ্যক। এমনকী মসজিদে আকদ হলে তাতে বিশেষ ফজিলত পাওয়া যাবে মর্মে বিশ্বাস করাও বিদআত। কারণ, ফজিলত সাব্যস্ত করতে হলে তার পক্ষে প্রমাণ লাগবে। অথচ মসজিদে বিবাহ চুক্তি করা সুন্নাহ এর পক্ষে কুরআন-হাদীসে সহীহ কোন দলিল নেই। সুন্নাতের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, السُّنَّةَ هِيَ مَا قَامَ الدَّلِيْلُ الشَّرْعِيُّ عَلَيْهِ بِأَنَّهُ طَاعَةٌ لِلهِ وَرَسُوْلِهِ سَوَاءٌ فَعَلَهُ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ أَوْ فُعِلَ عَلَى زَمَانِهِ أَوْ لَمْ يَفْعَلْهُ وَلَمْ يُفْعَلْ عَلَى زَمَانِهِ لِعَدَمِ الْمُقْتَضِي حِينَئِذٍ لِفِعْلِهِ أَوْ وُجُودِ الْمَانِعِ مِنْهُ ‘সুন্নাত হলো ঐ সকল আমল, যা পালনে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-এর অনুগত হওয়ার ব্যাপারে দলীল রয়েছে। চাই তা রাসূল (ﷺ) নিজে পালন করেছেন বা তাঁর যুগে পালন করা হয়েছে অথবা চাহিদা না থাকায় কিংবা অসুবিধার কারণে সে যুগে তিনি নিজে করেননি ও অন্যরাও করেননি। এসবই সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।(ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ, মাজমূঊল ফাতাওয়া, খন্ড: ২১, পৃষ্ঠা: ৩১৭)। এই অর্থে সুন্নাত হলো- বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ সকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর হাদীসের অনুসরণ করা ও মুহাজির-আনসার সাহাবীদের আদর্শের অনুসরণ করা। (ইবনু তাইমিয়াহ, মাজমূঊল ফাতাওয়া, খন্ড:৩, পৃষ্ঠা:১৫৭)
প্রিয় পাঠক! এতে কোন সন্দেহ নেই যে,মসজিদ পৃথিবীর মধ্যে আল্লাহর নিকটে সবচেয়ে পছন্দের জায়গা। প্রত্যেক মুমিন প্রতিদিন কমপক্ষে পাঁচবার তার প্রভূর আদেশ পালনার্থে সেখানে সমবেত হয়। মসজিদে আসা-যাওয়া ও অবস্থানের অনেক ফযীলত ও নিয়ম-কানুন রয়েছে। তবে শরীয়ত সম্মত পদ্ধতিতে মসজিদে বিবাহ চুক্তি করা জায়েজ এটি নিয়ে কোন মতানৈক্য নেই। যদিও জমহূর ফক্বীহগণ বারাকাহ এবং বিবাহের প্রচারের স্বার্থে মসজিদে বিবাহ পড়ানোকে সুন্নাত বা মুস্তাহাব বলেছেন। যেমন: মাজমাউল আনহার গ্রন্থে বলা হয়েছে- মসজিদে বিবাহ চুক্তি করা এবং শুক্রবারে করা মুস্তাহাব, তবে মসজিদে বিবাহের অনুষ্ঠান করা মাকরূহ কিনা তা নিয়ে তাদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। সর্বোত্তম দৃষ্টিভঙ্গি হলো যে,ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর কোনো কিছু জড়িত না থাকলে তা মাকরূহ নয়। (মাজমাউল আনহার ফী শরহি মুনতাক্বাল আবহার খন্ড:১ পৃষ্ঠা:৩১৭)। কাশফুল কিনা গ্রন্থে বলা হয়েছে: মসজিদে বিবাহের আকদ করা জায়েজ, বরং এটি মুস্তাহাব,যেমনটি আমাদের কয়েকজন সাহাবী উল্লেখ করেছেন।(কাশফুল কিনা:২/৩৬৮)। নিহায়াতুল মুহতাজ লির রামালিতে বলা হয়েছে: শাওয়াল মাসে বিয়ে সম্পন্ন করা, মসজিদে বিয়ের চুক্তি করা, একদল লোকের সামনে করা সুন্নাত। (নিহায়াতুল মুহতাজ:৬/১৮৫) তারা সবাই তাদের মতের পক্ষে প্রমাণ হিসেবে নিম্নোক্ত হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন;
আম্মিজান আইশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) [মৃত: ৫৭/৫৮ হি.] হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন; তোমরা বিয়ের ঘোষণা দিবে, বিয়ের কাজ মসজিদে সম্পন্ন করবে এবং এতে দফ পিটাবে। (তিরমিযী হা/১৮৫; ইরওয়া হা/১৯৯৩; মিশকাত হা/৩১৫২)। অধিকাংশ আলেমগণের ফাতাওয়া যে সবসময় দলিল নয়, তার একটি উদাহরণ এই হাদিসটি। চলুন হাদীসটির তাহক্বীক পর্যালোচনা করি। তাহক্বীক: উপরোক্ত হাদীসটি ইমাম তিরমিযী (রাহিমাহুল্লাহ), ঈসা ইবনু মায়মূন আল-আনসারী হতে, তিনি কাসেম ইবনু মুহাম্মাদ হতে, তিনি আয়েশা (রাঃ) হতে মারফু হিসাবে বর্ণনা করেছেন। (তিরমিযী: ১/২০২, হা/১০৮৯ ও ইমাম বাইহাকী:৭/২৯০, হা/১৫০৯৫)
(১). হাদীসটি বর্ননা করে ইমাম তিরমিযী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন; হাদীসটি হাসান গারীব। ঈসা ইবনু মায়মূনকে হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল আখ্যা দেয়া হয়েছে। (তিরমিজি হা/১০৮৯)
(২). ইমাম বাইহাকী এবং ইবনু হাজার আসক্বালানী (রাহিমাহুল্লাহ) তার আত-তাকরীব গন্থে ঈসা ইবনু মায়মূনকে যঈফ বা দুর্বল রাবী হিসাবে উল্লেখ করেছেন। (ইমাম বায়হাকী হা/১৫০৯৫, ইসলাম ওয়েব ফাতওয়া নং-৯৪৪২৩)
(৩). ইবনু মাঈন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন; ঈসা ইবনু মায়মূন কিছুই না। আবু হাতিম বলেন; তিনি মাতরূকুল হাদীস (হাদীসের ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য)।
(৪). বিগত শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ও ফাক্বীহ, ফাদ্বীলাতুশ শাইখ, ইমাম মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.] বলেছেন, "তোমরা বিবাহ কর মসজিদগুলোর মধ্যে" এ অংশটুকু ব্যতীত হাদীসটি হাসান। রাবী'আহ ইবনু আবী আবদির রহমান কাসেম হতে বর্ণনা করতে তার (ঈসার) মুতাবায়াত করেছেন। ইমাম তিরমিযী হাদীসটির প্রথম অংশটির দিকে লক্ষ্য করে হাসান বলেছেন। কারণ আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবায়ের হতে তার মারফু হিসাবে শাহেদ রয়েছে। এটি ইমাম তিরমিযী "ই'লানুন নিকাহ" অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। তার পরের বাক্যগুলোর কোন শাহেদ মিলছে না। এ কারণেই সেগুলো মুনকার। আমি প্রথম বাক্যটির শাহেদগুলো "আদাবুয যুফাফ"পৃষ্ঠা: ৯৭ এবং “ইরওয়াউল গালীল” হা/২০৫৩) গ্রন্থে বর্ণনা করেছি। (দেখুন, সিলসিলা যঈফাহ, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪০৯, হা/৯৭৮, য‘ঈফ আল জামি হা/ ৯৬৬)
মসজিদে বিবাহ চুক্তি সুন্নাত নয় এই মর্মে সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের সম্মানিত সদস্য, বিগত শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফাক্বীহ, মুহাদ্দিস, মুফাসসির ও উসূলবিদ, আশ-শাইখুল আল্লামাহ, ইমাম মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) [মৃত: ১৪২১ হি./২০০১ খ্রি.] বলেছেন:
استحباب عقد النكاح في المسجد لا أعلم له أصلاً
، ولا دليلاً عن النبي صلى الله عليه وسلم ، لكن إذا صادف أن الزوج والولي موجودان في المسجد وعقد : فلا بأس ؛ لأن هذا ليس من جنس البيع والشراء ، ومن المعلوم أن البيع والشراء في المسجد حرام ، لكن عقد النكاح ليس من البيع والشراء ، فإذا عقد في المسجد : فلا بأس ، أما استحباب ذلك بحيث نقول : اخرجوا من البيت إلى المسجد ، أو تواعدوا في المسجد ليعقد فيه : فهذا يحتاج إلى دليل ، ولا أعلم لذلك دليلاً
আমি মসজিদে বিবাহ চুক্তি করা মুস্তাহাব হওয়ার পক্ষে রাসূল (ﷺ) থেকে কোন ভিত্তি বা প্রমাণ জানি না। কিন্তু যদি এমন হয় যে,পাত্র এবং পাত্রীর অভিভাবক মসজিদে উপস্থিত থাকে এবং তারা বিবাহ চুক্তি করে, তাতে দোষের কিছু নেই। কারণ হাদিসে মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করা নিষেধ কিন্তু বিয়ে ক্রয় বিক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত নয় ফলে মসজিদে বিয়ে সম্পাদন করায় কোনো সমস্যা নাই।কিন্তু এটিকে মুস্তাহাব এই অর্থে বলা যে, আমরা তাদেরকে বলবো ঘর থেকে বের হয়ে মসজিদে যেতে, অথবা তোমরা তা সম্পাদন করার জন্য মসজিদে সাক্ষাৎ করো।এটি এমন একটি বিষয় যার জন্য প্রমাণ প্রয়োজন, কিন্তু এর কোন প্রমাণ আমার জানা নেই। (উসামীন লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ :১৬৭/১২)।
সৌদি আরবের ইলমী গবেষণা ও ফাতাওয়া প্রদানের স্থায়ী কমিটির (আল-লাজনাতুদ দাইমাহ লিল বুহূসিল ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা) আলিমগণকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল; মসজিদে নিয়মিতভাবে বিবাহ পড়ানো রাসূল (ﷺ) এর সুপারিশকৃত সুন্নাত হিসেবে বিবেচিত, নাকি এটি একটি বিদআত বলে বিবেচিত?
জবাবে তারা বলেন: মসজিদে বিবাহ পড়ানোর বিষয়টি বিস্তৃত, এবং আমরা যতদূর জানি, বিশেষ করে মসজিদে বিবাহ চুক্তি সম্পাদন করা সুন্নাত বলে কোন দলীল প্রমাণিত হয়নি। তারা আরো বলেছেন; মসজিদে বিবাহ চুক্তি সম্পাদন করা সুন্নাতের অংশ নয়।মসজিদের মধ্যে নিয়মিতভাবে এটি সম্পাদন করা এবং এটিকে সুন্নাতের অংশ বলে বিশ্বাস করা বিদআত। যখন এটা প্রমাণিত হলো যে,রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছুর উদ্ভব ঘটাল, যা তার মধ্যে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত’ (সহীহ বুখারী,মিশকাত হা/১৪০ ফাতাওয়া লাজনাহ দায়িমাহ; গ্রুপ: ২; খণ্ড: ১৮; পৃষ্ঠা:১১০-১১২, ফাতওয়া নং-৯৫৫৩, ইসলামি সওয়াল-জবাব ফাতাওয়া নং-১৩২৪২০)
পরিশেষে, প্রিয় পাঠক! উপরোক্ত আলোচনা থেকে একথা পরিস্কার যে, মসজিদে বিবাহের আকদ সম্পাদন করা সুন্নাত নয়। শরিয়ত বিরোধী গর্হিত কোন কার্যক্রম সংঘটিত না হলে প্রয়োজনে মসজিদে বিয়ের আকদ সম্পন্ন হওয়া জায়েজ রয়েছে। এক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হবে যে, এর ফলে মসজিদের প্রতি কোনো অসম্মান করা বা সেখানে কোনো গর্হিত বা নিন্দনীয় কাজ করা। যেমন: গান বাজনা কিংবা ইসলামী গজলের নামে কোনো নাশীদ গাওয়া অথবা বেপর্দা নারী-পুরুষের সমাবেশ ইত্যাদি না হয়। বরং মসজিদে বিবাহের চুক্তিই যথেষ্ট, তবে যদি সেখানে কুরআন তেলাওয়াত করা হয় কিংবা প্রয়োজনীয় কোন বক্তব্য দেওয়া হয় তবে তাতে দোষের কিছু নেই। কিন্তু এটি সর্বদা করা উচিত নয়, কারণ বিবাহের অনুষ্ঠানে কুরআন তেলোয়াতের কোনো প্রমাণ নেই। এজন্য কিছু আলেম এটিকে বিদআত বলে মনে করেন।দেখুন ইসলাম সওয়াল-জবাব ফাতাওয়া নং- ৮৭৮৯৮)(আল্লাহই সবচেয়ে জ্ঞানী)
___________________________
আপনাদের দ্বীনি ভাই
জুয়েল মাহমুদ সালাফি
15/08/2023
প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিয়ে চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ কটূক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হোক ইসলামের দুশমন আসাদ নূরের বিরুদ্ধে:
যে সব কথিত তথাকথিত ইসলামি বক্তারা ভুলভাল ও উল্টাপাল্টা কথা বলে বা ওয়াজ মাহফিলে চাপাবাজি করে তারাই সে সব কথার দায়-দায়িত্ব বহন করবে। তাদের কথা ইসলামের কথা নয়। আর আসলে এগুলো আদৌ ইসলামের সাথে সম্পৃক্ত কুরআন-হাদিসের কোনও কথা নয়। এ সব উল্টাপাল্টা কথা বলার কারণে এরা সবার কাছেই হাসির পাত্র হয়েছে।
কিন্তু তাই বলে সে বিষয়ে কথা বলার সময় অপ্রাসঙ্গিক ভাবে বিশ্ব মুসলিমের হৃদয়ের স্পন্দন, বিশ্বমানবতার সর্বোত্তম আদর্শ, দয়ার মূর্ত প্রতীক, সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আল্লাহর রসুল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে নিয়ে কটূক্তি করা, তাকে ‘সাইকোপ্যাথ (মানসিক রোগী), নিষ্ঠুর, আরবের কুখ্যাত ডাকাত, পরকীয়া কারী বলে অভিহিত করা, পাশাপাশি কুরআন-হাদিসকে আফিম এবং কুরআনের বাণীকে অন্যান্য পুস্তক থেকে চুরি করা ইত্যাদি বলা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কোনও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন মানুষ তা মেনে নিতে পারে না।
বহুদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ব্যক্তিটি ইসলাম, মুসলিম, আল্লাহর কিতাব, তার রসুল ইত্যাদির বিরুদ্ধে অত্যন্ত আপত্তি জনক নোংরা কথাবার্তা বলে যাচ্ছে।
সরকারের কাছে আবেদন জানাবো, ধর্ম অবমাননা বা ধর্ম অনুভূতিতে আঘাত এবং মুসলিমদের মাঝে বিশৃঙ্খলাকে উসকিয়ে দেওয়ার অপরাধে এই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় শাস্তির ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় দেশে কোনও ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির জন্য সরকারকে দায়ী থাকতে হবে।
উল্লেখ্য যে, ইতোপূর্বে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা করা হয় ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারিতে। অত:পর ২৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ৷সে তখন নেপালের কাঠমান্ডু যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন চ্যানেল পার হচ্ছিল। মামলার পর কিছু দিন ভারতে পালিয়ে আবারো দেশে ফিরে নেপালে যাওয়ার চেষ্টা করছিলো সে। (সূত্র: dw)
কিন্তু মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর সে পুনরায় এহেন নিকৃষ্ট কাজে আত্মনিয়োগ করছেে।
আমরা হৃদয়ের সবটুকু ঘৃণা মিশিয়ে এই চরম বেয়াদব নিকৃষ্ট ব্যক্তিটির এ সব নোংরা কথাবার্তার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
-আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
হে আল্লাহ্! আপনার যিক্র করতে, আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে, আমাকে সাহায্য করুন।
মসজিদ-মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিরদের সতর্কবার্তা - শায়েখ মোখলেছুর রহমান বিন আরশাদ মাদানী হাফিঃ
স্থানঃ আত-তাক্বওয়া মসজিদ লালমাই, কুমিল্লা।
15/12/2021
মনে পরে সেই ভাইটির কথা....!
03/10/2021
বিশেষ পর্ব ০৩ এর বিজয়ী-
আপনাদের সকলকে জানাই অভিনন্দন🌹💐
পরবর্তী কুইজে অংশ নিতে সাথেই থাকুন। ইনশাআল্লাহ
22/09/2021
__________꧁‘কুইজ প্রতিযোগীতা’꧂___________
বিশেষ পর্ব-০৩
« প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে »
❝ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জ্ঞান অর্জন করুন দলিলসহ, আমল করুন এবং প্রচার করুন।❞
নিয়মাবলি :-
▪️প্রথমত পেইজে লাইক দিতে হবে।
▪️এই পোস্টটি TimeLineএ শেয়ার করতে হবে।
▪️কমেন্টে কমপক্ষে ৫জনকে মেনশন করতে হবে।
▪️উত্তরের সাথে নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর দিতে হবে।
▪️উত্তর ইনবক্সে দিতে হবে।
▪️১০০% সঠিক উত্তরদাতাদের হতে, লটারির মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করা হবে ইনশাআল্লাহ।
👑 বিজয়ী নির্বাচন করা হবে ৩জনকে
✉️ উপহারঃ- মোবাইল রিচার্জ
শেষ সময়: ৩০- সেপ্টেম্বর -২০২১ইং রাত ১১:০০টা পর্যন্ত।
#আলোকিত_মুসলিম
#কুইজ_প্রতিযোগীতা
#সাপ্তাহিক_কুইজ
#কুইজ
#বিশেষ_পর্ব
ইনশাআল্লাহ আগামীকাল
বিশেষ পর্বের প্রশ্ন দেওয়া হবে।
আপনি অংশ নিবেন তো?
13/09/2021
অহংকার করা থেকে বিরত থাকুন!!
02/09/2021
আল্লাহ আমাদের অপচয় করা হতে বিরত রাখুন। আমীন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Cumilla