Md Rasel Sarkar
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md Rasel Sarkar, Real Estate, Cumilla.
10/12/2023
বন্ধু আমার! পরমাত্মীয়! দুঃখ-সুখের সাথি!
তোমার মাঝারে প্রভাত লভিল আমার তিমির রাতি।
চাওয়ার অধিক পেয়েছি – বন্ধু আত্মীয় প্রিয়জন,
বন্ধু পেয়েছি – পাইনি মানুষ, পাইনি দরাজ মন।
চারিদিক হতে বর্ষেছে শিরে অবিশ্বাসের গ্লানি,
হারায়েছি পথ – আঁধারে আসিয়া ধরিয়াছ তুমি পাণি।
15/08/2023
😭😭😭😭😭
৭+৮
নীল_রক্ত
MD Neel Mahmud
পর্ব-০৭
,
রিতু এসে দেখলো পিচ্ছি মেয়েটি গায়েব আর সেই অদ্ভুত ডক্টরটিও নেই,
নীল সুস্থ হয়ে বসে আছে বেডে কি অদ্ভুত ব্যাপার,
রিতুর মনে হচ্ছে আমি কি ভুল দেখছি
এতক্ষণ, নাকি টাইম ট্রাবল করছি,
কোন টা কিছুই বুঝতে পারছি না,
রিতু ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে নিরব
দর্শকের মতো বসে আছে,
কিছু বলছে না,
অবুঝ শিশুর মতো বসে আছে রিতু মুখে কোন কথা নাই,
নীল আবার শুয়ে পড়লো।
রিতু নীলের দিকে তাকিয়ে আছে
কি কিউট ছেলে,
নীল কে দেখেই যে কোন মেয়ে
ক্রাশ খাবে সেখানে রিতু তো,,,,,,,?
নীলের চুল গুলো ফ্যানের বাতাসে উড়ছে,
রিতুর ইচ্ছে করছে নীলের চুল একটু স্পর্শ করতে,
কিন্ত কি ভাবে চুল গুলো ধরবে,
এমন সময় নীল বলল,যদি কিছু মনে না করেন একটা কথা বলি,
রিতু- হুম বলো,
নীল- আমার খুব মাথা ব্যথা করছে একটু হাত বুলিয়ে দিবেন,
রিতু- মনে মনে এই তো সুযোগ,
রিতু দেড়ি না করে মাথার কাছে বসে
নীলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো,
নীল মাঝে চোখ বুঝে আবার খোলে ঘুম ঘুম ভাব,
একটু পর নীল ঘুমিয়েই পড়লো,।
রিতু নীল কে রেখে হসপিটাল থেকে
বের হল,
বের হয়ে মনে হল রিতু কোন মায়াজাল থেকে বের হল,
হঠাৎ মনে হল রিতুর, নীলের কি হয়েছে
শরীরে তো এখন কোন ক্ষত নেই,
রিতুর মনে অনেক প্রশ্ন কিন্ত নীলের কাছে গেলে সব ভুলে যায়,
এই সব আর কিছুই মনে থাকে না,
রিতু রেগে আগুন হয়ে বাসার দিকে গেলো,
ফ্রেশ হয়ে ঠাস করে বিছানায় শুয়ে পড়লো,
রিতুর কাছে রুম টা কেমন নীল মন্র হচ্ছে, মনে হচ্ছে রুমের ভিতর নীল লাইট লাগানো,
রিতু পিঠের উপর ভর দিয়ে মাথা তুলে তাকালো দেয়ালের এক পাশ থেকে
নীল আলো আসছে,
রিতু দেখার জন্য লাফিয়ে উঠে বিছানা থেকে,
আসতে আসতে দেওয়ালের আলোর দিকে এক পা দু পা করে এগিয়ে যায়,
নীল আলোতে রুম টা ঝলমল করছে,
ঠিক নীল দরজার কাছে গিয়ে রিতু অজ্ঞান হয়ে যায় মানে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে,
যখন রিতুর জ্ঞান ফিরে তখন চোখ খোলে তার বাবা মা কে দেখতে পায়,
সবাই খাটের চার পাশে দাঁড়িয়ে আছে আর রিতু খাটে শুয়ে আছে,
কেমন সব উল্টপাল্ট লাগছে,
এটা তো নীলের ঘর বলে মনে হচ্ছে না
তাহলে আমি কই,
রিতু ভালো করে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখলো,
এটা তো রিতুদের নিজেদের বাড়ি রিতুর নিজের রুম,
দাঁড়িয়ে আছে বাবা মা বাড়ির কাজের লোক রহিমা খালা আর করিম চাচা
কিন্ত নীল নেই কোথাও,
রিতু মা কে ডেকে বলল,মা নীল কোথাই নীল কে তো দেখছি না,
রিতুর মা বাবা তখন রিতুর দিকে তাকিয়ে আছে,
রিতু মা কিছু বলবে তখন রিতুর ফোনের রিংটোন টা চেঁচিয়ে উঠলো,
ফোনের দিক তাকিয়ে দেখলো কনস্টেবল খালেক ভাই লিখা, রিতু ভাবলো এটা আবার কার নাম্বার
রিতু অবাকই হলো অচেনা অজানা একটা নাম্বার তাও সেভ করা
কিন্ত খালেক ভাই টা আবার কে?
রিসিভ করবে কি করবে না ভাবতে ভাবতে রিসিভ করে ফেলে,
রিতু কল টা রিসিভ করে কানে ফোন টা চেপে ধরলো,
রিতু- হ্যালো খালেক ভাই,
-- ম্যাডাম আপনি কোথায়?
--কেনো?আমি বাসায়।( অসংকোচ ভাব নিয়ে)
--ম্যাডাম ১০ নাম্বার স্যালের আসামি তো পালিয়েছে,
--কি......(অবাক হয়ে)দশ নাম্বার সেলের আসামি পালিয়েছে তাই আমার কি?
-কি বলেন ম্যাডাম, আপনার ডিউটির সময় পালিয়েছে আর আপনি বলছেন আপনার কি?
-বড় স্যারের কাছে তো আপনার জবাবদিহি করতে হবে তখন কি বলবেন,
রিতু কথার আগামাথা কিছুই বুঝলো বিরক্ত হয়ে ফোন টা কেটে দিলো,
রিতু ঘড়ির দিকে তাকালো দেখে বেলা ১১টা বাজে,
বিছানা থেকে উঠে ফ্রেশ হলো আগে, তারপর রিতুর মা কে জিজ্ঞেস করলো,
মা আমি কত ঘন্টা অজ্ঞান ছিলাম,
আর নীল কোথাই দেখছি না যে নাকি হসপিটাল থেকে রিলিজ পায়নি,
মা তখন মনে রান্না করে কিছু রান্না করছিলো,
কিন্ত এই সব বলাতে মা গরম খুন্তি নিয়ে তেড়ে এসে বলল তুই এখান থেকে যাবি নাকি,
এমন রাগ দেখিয়ে বলল মনে আমি আম্মার কাছে গুপ্তধনের সন্ধান চাইছি।
আমি নিজেও বুঝলাম না এমন করলো কেন,
এত কস্ট করে পুলিশ হয়ে যদি জারিই খেতে হয় তাহলে লাভ কি আমার,
তখন পিচ্ছি ভাইটার কাছে গেলাম বাবার কাছে যেতে সাহস পাইলাম না কারণ যদি উনিও জারি দেয়,
তাই পিচ্ছি ভাই এর কাছে গেলাম পিচ্ছি বলতে ক্লাস ১০ পড়ে,
গিয়ে বললাম এই রিয়াদ তোর দুলাভাই আসছিলো কি?
উমা রিয়াদও চিল্লাইয়া উঠলো মা মা বলে আর বলল তোমার মেয়ের মাথা
গেছে,
কিন্ত আমি কিছুই বুঝলাম না,
একে একে সবার জারি খেয়ে রুমে এসে টিভি দেখতে লাগলাম দুপুর গড়িয়ে সন্ধা, আর সন্ধ্যা শেষ হয়ে রাত,
কিন্ত আমি কিছু বুঝলাম না,
সবাই এমন করছে কেনো,
রাত ১০টায় সবাই কে ডেকে বললাম তোমরা সারাদিন আমার সাথে এমন করছো কেনো,
সবাই শুধু জারি দেয়,আমি জিজ্ঞেস করছি নীল কোথায়, এমন ভাব করছো মনে হয় নীল কে চিনিই না,
ও যে তোমাদের মেয়ের জামাই তা তোমরা মনেই করছো না,
রাগ দেখিয়ে বলল কথা গুলো রিতু,
মা- তুই আমাদের সাথে ফাইজলামি শুরু করছিস,
রিতু- আমি করছি?
মা- হুম তা না হলে আমরা? এটা বলবি তো নীল টা কে?
রিতু মুখে অবাক করা হাসি এনে,মা তোমরা নীল কে চিনো না,যার সাথে আমার বিয়ে দিলে?
বাবা- রিতু তোর কি মাথা ঠিক আছে তুই কি বলছিস,আমরা তোর বিয়ে দিলাম কবে,তোকে বিয়ের কথা কথা বলতে বলতে আমাদের গলা শুকিয়ে গেছে আর তুই বলছিস,
রিতু তখন বড় ধরেন একটা সর্ট খেলো,
দৌড়ে গিয়ে রিতুর প্রতিনের লিখা ডায়েরি টা খোলে দেখলো,
আর যা দেখলো তা অবাক করার চাইতে বেশি কিছু,,,,,,,,
গতকালের ডেট দেওয়া দেখে তো আমার হাতের লিখা মনে হচ্ছে মিলিয়ে নিলাম হ্যাঁ এটা আমি কিন্ত তাহলে কি নীল নামে কেউ নেই তাহলে যার সাথে বিয়ে হল সে কে?
আর খালেক ভাই টা কে, কি হচ্ছে আমার সাথে কিছুই বুঝছি না,,,,,,
বিঃদ্রঃ আগেই বলছি সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থী আমি,আমি খুব ব্যস্ত রাতে ছাড়া ফোন হাতেই নিতে পারি না ব্যস্ততার জন্য,খুব তারাতাড়ি কাজ শেষ হয়ে যাবে, অনেকই অনেক কথা বলছেন ভালো,খারাপ,হাস্যকর, অনেকে বাজে কথা বলে, সে গুলো নাই বললাম আসলে ব্যবহারে বংশের পরিচয়,
আর আমার ব্যবস্থা সারাজীবন থাকবে না,
(চলবে)
#নীল_রক্ত
MD Neel Mahmud
পর্ব-০৮
,
রিতু ডায়েরি দেখে অবাক এটা তো ২০২১ নয় ২০২০ সাল ২১ মে,
তাহলে বিয়ে নীল এই সব সব সপ্ন ছিলো,
কিন্ত গতকাল এর কথা মনে নাই কেনো,
মনে হচ্ছে এই সব আমার সাথে
বাস্তবেই হয়েছে,
রিতু চোখ বুঝে পুরনো কথা মনে করার
চেস্টা করলো কিন্ত পারলো না,
রিতুর একটা অভ্যাস ছিলো ডায়েরি লিখার সারাদিন যা করতো রাতে
তা লিখে রাখতো,
এই অভ্যাস টা হয় কলেজে থাকতে
রিতুর হাতের লিখা ছিলো খুব বাজে,
একদিন স্যার রিতু কে ধমক দিয়ে বলেছিলো কাল থেকে হাতের লিখার খাতা নিয়ে আসবা আর লিখে আমাকে দেখাবা,
কলেজে গিয়ে যদি হাতের লিখার খাতা দেখাতে হয় তাহলে কি আর মান সম্মান থাকে,
তখন রিতুর প্রিয় আলিম স্যার টিপস দেয় যে তুমি সারাদিন যা করবে তা রাতে ডায়েরিতে লিখে রাখবে,
এতে তোমার হাতের লিখাও ভালো হবে আর তোমার সুখ-দুঃখ হাসি কান্নার স্মৃতি ডায়েরির পাতায় গাথা থাকলো,
সেই থেকে ডায়েরি লিখা শুরু রিতুর তাই তো সেটার ফল আজ পাচ্ছে,
রিতু ডায়েরি টা নিয়ে বিছানায় হেলান দিয়ে বসে পড়া শুরু করলো,
টানা ৫ ঘন্টা পড়ার পর রিতুর অতীত কিছুটা মনে আসলো বলতে,,,, ভালোই মনে পড়ে পড়ে এমন,
রিতু বর্তমানে একজন জেলারের দায়িত্বে কর্মরত আছে কিন্ত অস্থায়ী।
কিছুদিন পরই পোস্টিং,..........থানায়।
২দিন পর বাসা থেকে বের হল রিতু ডিউটিতে যাওয়ার জন্য,
ঐদিকে জেল থেকে আসামী পালিয়েছে সেটাও ধরতে হবে দুদিন ডিউটি করিনি তার জন্য জবাবদিহি করতে হবে,
রিতু ভেবে দেখলো যদি আসামি ধরতে পারি তাহলে হয়তো স্যারের জারি শুনতে হবে না,
তাই ইবু স্যার কে নিয়ে আর কনস্টেবল
খালেক ভাই কে নিয়ে সিভিল বেশে বের হলাম,
রাত হলে যেমন অন্ধকার নেমে আসে তেমনি রিভার্স ক্লাবে রাত হলেই অপরাধীরা এক জায়গায় ঝড়ো হয়,
কিন্ত দূর্ভাগ্যবশত সেখানে পুলিশ ঢুকতে পারে না যদি জানতে আমরা পুলিশ তাহলে শেষ,
একবার রিভার্স ক্লাবে অপারেশন আসছিলো কিছু সাহসী অফিসার কিন্ত বের হয় লাশ হয়ে,
রিভার্স একজন মানুষের নাম, রিভার্স এর নাম শুনলে বড় বড় লিডারদের গলা শুকিয়ে যায়,
রিতু কালো জিন্স পড়ে গায়ে কালো শার্ট আর চোখে কালো চশমা,
একদম ম্যাচিং করা,
রিভার্স ক্লাবের সামনে সেই খাবার হোটেল যেটাতে স্বপ্নে এসেছিলো রিতু,
ক্লাবের ভিতর রিতুর বিশ্বস্ত সোর্স আছে যার ইনফরমেশন কখনো ভুল হয় না,
তার কাছে এসেছে দেখা করতে,
এমন সময় ইবু স্যার বলল,রিতু তুমি হোটেলে গিয়ে বসো আমি আর খালেক ভাই ভিতর থেকে আসি,
রিতু মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ বলল,
রিতু খাবার হোটেলের ভিতর ঢুকতেই বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো,
রেস্তোরাঁর মালিক সেই আছে যে স্বপ্নে ছিলো কিন্ত সে আড় চোখে তাকাচ্ছে।
ভুনা খিচুড়ির ঘ্রান আসছে বাবুর্জি কি আগে থেকেই জানতো বৃষ্টি হবে,
রিতু চেয়ারে বসতেই বিদ্যুৎ চলে গেলো মনে অনেক ভয় কাজ করছে স্বপ্ন কি সত্যি হবে নাকি,
অন্ধকারে কেউ এসে হাত চেপে ধরে রিতু চিৎকার দিয়ে উঠে,
রিতুর মন বলে এই বুঝি আমি শেষ কিন্ত যে হাত টি ধরেছে সে এই রেস্তোরাঁয় কাজ করে টেবিল চেয়ার এই সব পরিষ্কার করে পিচ্ছি ছেলে,ছেলেটি চেচিয়ে বলে,
--আপা আপা আমি আমি ভয় পাইবেন না,
বলেই মোমবাতি জ্বালিয়ে দেয় কিন্ত মোমবাতি জ্বালানোর পরেও ছেলেটি কে দেখা যাচ্ছে না শুধু দাঁত সাদা বালির মতো চিকচিক করছে কারণ ছেলেটি কালো কুচকুচে ছিলো,
ছেলেটি ছিলো বেজায় দুষ্টু দাঁত বের করে হাসি দিয়ে বলল আফা এত ডরাইন কেন,বলে চলে গেলো।
রিতুর ভয়ে গলা শুকিয়ে গেছে কিন্ত খালেক ভাই আর ইবু স্যার আসছে না কেনো,
যে অপরাধী পালিয়েছে তাকে রিতু কোন দিন দেখেনি, শুধু খালেক ভাই ছাড়া কিন্ত অবাক করা কথা হল ৪ বছর ধরে কারাগারে কিন্ত আজ পর্যন্ত নাকি কেউ দেখা করতে আসেনি,
আর সব সময় নাকি নিজেকে কালো চাদরে ঢেকে রাখতো,
রিতু বসে আছে এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখছে কিন্ত হঠাৎ কাটা চামচ এর শব্দ,
শব্দ শুনা যাচ্ছে কিন্ত মানুষ দেখা যাচ্ছে না,
হঠাৎ নীল আলোয় ভরে যায় হোটেল কেউ একজন বসে আছে কিন্ত তার মুখ দেখা যাচ্ছে না,
রিতুর মনে হলো নীল হয়তো আশেপাশে আছে,
কালো চাদরে ঢাকা লোক টি উঠে রিতুর দিকে আসছে,
এইদিকে ইবু আর খালেক ভাই হোটেলের দরজায়,
খালেক ভাই দেখেই এই তো আসামি ম্যাডাম ধরেন অকে,
হোটেল মালিক খালেক ভাই কে ডেকে বলল উনি কে জানেন রিভার্স,
খালেক ভাই থমকে দাঁড়ায় রিভার্স রিতুর সামনে যায়,
রিতু ভয়ে জড়ো হয়ে আছে,
রিভার্স রিতুর সামনে গিয়ে তাকিয়ে থাকে কিচ্ছুক্ষণ,
রিতুর কাছে চোখ দুটো চেনাচেনা লাগছে,
ইবু পিস্তল বের করে গুলি চালাবে এমন সময় রিভার্স মুখ থেকে কালো চাদর ফেলে দেয়,
রিতু দেখেই অজ্ঞান পড়ে যাবে তখন
রিভার্স রিতু কে কোলে নেয়,
আর হাত উঁচু করে হোটেল মালিক কে ইশারা দেয়, মোম নিভিয়ে ফেলতে।
হোটেল মালিক তাই করে ১০সেকেন্ড পর বিদ্যুৎ আসে কিন্ত রিভার্স আর রিতু নেই, ইবু পিস্তল তাক করে দাঁড়িয়ে আছে,
ইবু আর খালেকের কাছে সব স্বপ্নের
মতো লাগছে,
অনেক খোঁজাখুঁজি করে হতাশ হয়ে দুজনেই চলে যায় আর জানাজানি দুজনের ক্ষতি হবে,
এই দিকে রিতুর জ্ঞান ফিরে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখে সব নীল, চোখ বন্ধ করে আবার খোলে কিন্ত সব নীল।
এদিক সেদিক তাকিয়ে দেখে মনে হচ্ছে এটি একটি পাহাড়ের গুহা,
সূর্যের আলো টাও নীল মনে হচ্ছে গুহা থেকে বের হয় চার দিকে তাকিয়ে দেখে সব নীল গাছ-পালা,পাহাড়, পানি,রিতুর মনে হচ্ছে সে নীলদেশে আছে কিন্ত এমন দেশ কোথাও আছে জানা ছিলো না,,,
কিন্ত এই নীলের মধ্যে একজন দাঁড়িয়ে আছে কালো কুচকুচে মানুষ রিতুর বুঝতে বাকি রইলো না উনি রেস্তোরাঁয় ছিলেন,
তার পাশে বসে আছে একটি শিয়াল ,,
কালো লোকটি কিছু বলছে আর শিয়াল টি তা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনছে,
রিতু দাঁড়িয়েই আছে কিছুক্ষণ পর শিয়াল এসে বলল,আপনাকে কেনো ধরে আনা হয়েছে জানেন,
রিতু শিয়ালের কথা শুনে অবাক,
এখন শিয়াল কে আপনি বলবে না তুমি বলবে ভেবে পাচ্ছে না,
আর শিয়াল টি দুপায়ে ভর দিয়ে হাটে
কি অবাক কান্ড,
রিতু- কি রে শেয়াল তুই কথা বলতে পারিস কেমনে?
শিয়াল কে শিয়াল আর তুই বলাতে প্রচন্ড রেগে যায়,,৷
শিয়াল হুংকার ছেড়ে বলে, এই শহরের কিং আমাকে তুই বলে আর আপনি সামান্য পুচকি মেয়ে আমাকে তুই বলেন,আর আমাকে শেয়াল বলেন কেন,আমার নাম রিচি,
রিচি-আপনাকে ধরে আনা হয়ে হয়েছে তার কারণ হল আমাদের মহারাজ আপনার রক্ত মাথায় ঢেলে অভিশাপ মুক্ত হবে.......?
(চলবে)
Category
Website
Address
Cumilla
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Md Rasel Sarkar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.