ctv71
সত্যের সন্ধানে সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ
একজন সফল উদ্যোক্তার সফলতার গল্প
লাকসামে ছাপ কবলা মালিকাধীন জায়গা আত্মসাতের অপচেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা। জেলার লাকসাম উপজেলার পূর্ব ফতেপুর মৌজার দলিল নং ৬৩৭০ এ ছাপ কবলা মালিকাধীন জায়গা দখল করে আত্মসাতের অপচেষ্টা চালাচ্ছে স্থানীয় জনৈক ব্যক্তি গন। জানা যায়,২৯.০৭.১৯৪৬ ইং তারিখে ছাপ কবলা দলিল সূত্রে উক্ত মৌজায় আব্দুল হাকিম মিয়া, পিতা মৃত ফজলে আলী মিয়া,সা; গাজিমুড়া,থানা লাকসাম জিলা কুমিল্লা মালিক হয়। কিন্তু বিগত মাঠ জরিপ চলা কালীন হাবিবুর রহমান মজুমদার পিতা মোহাম্মদ আলী, শাহজাহান মজুমদার, সামছুল আলম, মোরশেদ আলম সহ কতেক ব্যক্তিগণ উপরিউলিলখিত ব্যক্তির অনুপস্থিতে নিজেদের নামে খতিয়ান নং ২৮৭,জেল নং ২০৯, সৃজন করে মালিকানা দাবি করেন ও বর্তমানে উক্ত জায়গা আত্মসাত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানান,ছাপ কবলা মালিকাধীন জায়গার বর্তমান মালিক ওয়ারিশগণ।তাই অসহায় ছাপ কবলা দলিল সূত্রে মালিক ওয়ারিশগণ জায়গাটি ভোগদখল করতে প্রশাসন সহ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
28/10/2023
1 year since... 3 new items · Memory by Md. Nurur Rahman
নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জে অসহায় বৃদ্ধের জায়গা জমি দখলের চেষ্টা
নোয়াখালী প্রতিনিধি, টিপু সুলতান।
সরেজমিন তথ্য অনুসন্ধান করে জানা যায়, মোহাম্মদ মোস্তফা মিয়ার নামে শর্ত দখল দৃষ্টে ১৬১ নং তিতাহাজরা মৌজার রিভিশনাল ৪৩৬ নং খতিয়ানেৱ ৮১১ দাগের এক আনা ২৯ শতাংশ ভূমি রেকর্ডে হয়।
রেকর্ডের পূর্ব থেকে মোস্তফা মিয়া মালিক দখলদার আছে।
১৬১ নং তিতা হাজরা মৌজার জেলা জরিপে ৫৮৯,৫৮৯ একুনে দুটি দাগে ৪৪ শতাংশ অন্ধরে ২৯ শতাংশ ভূমিতে মোস্তফা মিয়া ভোগ দখল করিয়া আসিতেছে। স্থানীয়রা জানায়, জেলা জরিপে ৫৮৯,৫৯৪ একুনে দুই দাগের ১৫ শতাংশ
ভূমি খাল ও রাস্তায় চলে যায়।মোস্তফা মিয়া অত্র সম্পত্তির খাজনা আদায়ে মালিক দখলকরা থাকা বস্থায় বিগত ১৩/১১/২০১৯ ইং তারিখে সম্পাদিত ও রেজিস্ট্রিকৃত ৯২৫৮ নং হেবা ঘোষণা দলিল মূলে উক্ত তিতা হাজরা মৌজার জেলা জরিপের সময় ৯৫নং ও সংশ্লিষ্ট এম আর আর ১২৩ নং জোনাল জরিপী ৪৩৬ নং খতিয়ান ভুক্ত
৫৮৯,৫৯৪ ও হালে ৮১১ দাগ দুই আনা ২৯ শতাংশ ভূমি তার স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে দখল অর্পনে হেবা করিয়া নালিশি জমার জমি হইতে চিরতরে নিঃস্বার্থবান ও দখল চ্যুত হইয়া জান।
রাবেয়া বেগম হেবা সূত্রে মালিক হইয়া উক্ত সম্পত্তি জমা খারিজ খতিয়ান জন্য বেগমগঞ্জ সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসে ২০১৯/২০২০ সনে ২৭২০(1x-1)নং নামজারি মোকাদ্দমা করিলে সরজমিনে তদন্তে, সহকারী কমিশনার ভূমি, রাবেয়া বেগমের স্বত্ব দখল পাইয়া স্থানীয় তশিলদারের রিপোর্টের ভিত্তিতে বিগত ২৯/০৬/ ২০২০ ইং তারিখে আদেশে ৪৫৮ নং জমা খারিজ খতিয়ান ও সৱকারী রাজস্বাদি দাখিল মূলে আদায় করিয়াছেন।রাবেয়া বেগম নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি হইতে উক্ত ঘরগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন। ভাড়াটিয়াগণ মেয়াদ অন্তে ভাড়াটিয়া চুক্তিনবায়ন করিয়া আসিতেছে।নালিশি এক ইঞ্চি ভূমি ও ততস্থিত উক্ত ঘরে তাজুল ইসলাম গংদের কোন স্বত্ব স্বার্থ দখল কিছুই নাই।তাজুল ইসলাম গং ২০১২ সালে বেগমগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বন্টনের প্রার্থনা ৩৭৬ নং দেওয়ানী মোকাদ্দমা আনয়ন করেন।
নালিশিভূমিতে বাদিগণের কোন স্বত্ব দখল না থাকায় বাদিগণ পরবর্তীতে উক্ত মোকাদ্দমা উঠাইয়া নেয়। তাই অসহায় বৃদ্ধের জায়গা জমি ভোগদখলের জোর পূর্বক চেষ্টার বিচার চেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা ও এলাকাবাসী।
চলবে. . . . . . . . . . . . . . .
উৎসব মুখর পরিবেশে চলছে মনোহরগঞ্জ উপজেলার নাথেরপেটুয়ায় আনন্দ মেলা
নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছিলোনিয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন অত্যন্ত উৎসব মুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে,আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রসাশন, সাংবাদিক,ব্যবসায়ীদের আন্তরিক সহযোগিতায় উক্ত নির্বাচন সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
14/10/2023
#সবিনয়_জানতে_চাই (পুরোটা পড়ুন)
কিছু প্রতিষ্ঠান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদিত বলে ফাউন্ডেশনের নামে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিয়ে নিজেরা পরীক্ষা নিয়ে নিজেরাই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হয়ে নিজেরাই সার্টিফিকেট ইস্যু করে সাধারন মানুষকে সরকারি সার্টিফিকেট দিচ্ছে বলে বোকা বানাচ্ছে, কিন্তু তারা এটা বুঝেনা যে, সরকারি সার্টিফিকেট শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানই প্রদান করতে পারে এবং সরকারি পরীক্ষাগুলো সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারিদের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানেই হয়ে থাকে, কোন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মচারির মাধ্যেমে কোন ব্যাক্তিগত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নয়, এবং পাস- ফেল ছাড়া পাইকারিভাবে সরকারি সার্টিফিকেট বলে সরকারি লোগো লাগিয়ে ডিজাইন করে প্রদান করতে পারেনা, এটা অবৈধ এবং বেআইনি কাজ। সরকারি সার্টিফিকেট হলো যুবউন্নয়ন,সমাজসেবা অধিদপ্তর,বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ইত্যাদি।
অর্থাৎ সরকারি আমলাদের সংশ্লিষ্টতায় সরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিক্ষার মাধ্যমে যে সার্টিফিকেট ইস্যু হয় সেটাই সরকারি সার্টিফিকেট, কোন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে নিজেরা ব্যাক্তিগতভাবে পরীক্ষা নিয়ে পাশ ফেল বিহীন পাইকারি ভাবে প্রাদান করা সার্টিফিকেটকে সরকারি সার্টিফিকেট হতে পারেনা, কারন তাদেরকে সরকারিভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়নি, এবং তারা কোন সরকারি কর্মকর্তা;কর্মচারি নয়, আর তথ্য প্রযুক্তির দক্ষতা এবং পড়াশুনার জন্য সরকার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড নামের একটি শিক্ষা বোর্ড গঠন করে দিয়েছে, যেখানে TTC এবং BTEB বিভিন্ন মেয়াদি প্রশিক্ষণের পরীক্ষা নিয়ে মূল্যায়ন করে কৃতকার্যদের মাঝে সরকারি সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে। এই সরকারি সার্টিফিকেট যেকোন সরকারি ও বেসরকারি চাকুরীর ক্ষেত্রে গ্রহণ যোগ্য। যদি কেউ চ্যালেঞ্জ করেন তাহলে মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক বা সরকারি কোন জবের ক্ষেত্রে এই সার্টিফিকেট ব্যথিত অন্যসার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্যতা পায়না। তাই কেউ বোকা না হয়ে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সরকারি সার্টিফিকেট গ্রহণ করুন।
আর যারা নিজেরা পরীক্ষা নিয়ে নিজেরা পরীক্ষা নিরীক্ষক সেজে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নামে নিজেরা সার্টিফিকেট বানিয়ে দিচ্ছেন তাদের প্রতি অনুরোধ হয়তো তথ্য প্রমান দিয়ে বুঝিয়ে দিন যে আপনাদের সার্টিফিকেটগুলো আদৌ সরকারি কি না, নয়তো এসব মানুষ ঠকানো ব্যবসা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে ইনশাআল্লাহ, লাকসাম উপজেলার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে, ধারাবাহিক নিউজ প্রচার করা হচ্ছে
বি: দ্র: বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ড কর্তৃক সরকারি সার্টিফিকেটের নমুনা পোষ্টে দেখানো হলো।
ছবিগুলো কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লায়।
05/10/2023
আছি দেশ জুড়ে
24/08/2023
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Comilla