Glorious Hadith
Assalamu Alaykum. We are under obligation to convey ALLAH's Message to the rest of mankind.
কষ্টদায়ক জিনিস থেকে মুক্তির দু‘আ
সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা নাস (৩বার)
সূরা ইখলাস:
১. قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ
২. اللَّهُ الصَّمَدُ
৩. لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ
৪. وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
সূরা ফালাক্ব:
১. قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
২. مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
৩. وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
৪. وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ
৫. وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
সূরা নাস:
১. قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ
২. مَلِكِ النَّاسِ
৩. إِلَـٰهِ النَّاسِ
৪. مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ
৫. الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ
৬. مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
সূরা ইখলাস:
১. কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ।
২. আল্লা-হুসসামাদ।
৩. লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইঊলাদ।
৪. ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূকুফুওয়ান আহাদ।
সূরা ফালাক্ব:
১. কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক
২. মিন শাররি মা-খালাক।
৩. ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব।
৪. ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ।
৫. ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ।
সূরা নাস:
১. কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ,
২.মালিকিন্না-ছ,
৩. ইলা-হিন্না-ছ।
৪. মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ।
৫. আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-।
৬. মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ।
সূরা ইখলাস:
১. বলে দাও, কথা হল আল্লাহ সব দিক থেকে এক।
২. আল্লাহই এমন যে, সকলে তাঁর মুখাপেক্ষী, তিনি কারও মুখাপেক্ষী নন।
৩. তার কোন সন্তান নেই এবং তিনিও কারও সন্তান নন
৪. এবং তার সমকক্ষ নয় কেউ।
সূরা ফালাক্ব:
১. বল, আমি ভোরের মালিকের আশ্রয় গ্রহণ করছি
২. তিনি যা-কিছু সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে
৩. এবং অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে, যখন তা ছেয়ে যায়
৪. এবং সেই সব ব্যক্তির অনিষ্ট হতে, যারা (তাগা বা সুতার) গিরায় ফুঁ দেয়
৫. এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।
সূরা নাস:
১. বল, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি সমস্ত মানুষের প্রতিপালকের
২. সমস্ত মানুষের অধিপতির
৩. সমস্ত মানুষের মাবূদের
৪. সেই কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে, যে পেছনে আত্মগোপন করে
৫. যে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা দেয়,
৬. সে জিনদের মধ্য হতে হোক বা মানুষের মধ্য হতে।
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে খুবাইব (রাযি) থেকে বর্ণিত, আমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, বল! আমি চুপ রইলাম। পুনরায় বললেন, বল! আমি চুপ রইলাম। আবার বললেন, বল! আমি আরয করলাম, কি বলব! ইরশাদ করলেন, সকাল বিকাল তিনবার সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক্ব, সূরা নাস পড়ে নিবে। এই সূরাগুলি প্রত্যেক কষ্টদায়ক জিনিস থেকে তোমার হিফাযত করবে। ফায়দা
কোনো কোনো ওলামায়ে কেরামের মতে হাদীস শরীফের উদ্দেশ্য এই যে, যারা বেশি পড়তে না পারে তারা যদি কমপক্ষে সকাল বিকাল এই তিনটি সূরা পড়ে নেয় তবে ইনশাআল্লাহ যথেষ্ট হবে।
(শরহুত তীবী)
#কষ্টদায়ক_জিনিস_থেকে_মুক্তির_দুআ
یُرِیۡدُوۡنَ لِیُطۡفِـُٔوۡا نُوۡرَ اللّٰہِ بِاَفۡوَاہِہِمۡ وَاللّٰہُ مُتِمُّ نُوۡرِہٖ وَلَوۡ کَرِہَ الۡکٰفِرُوۡنَ
মুফতী তাকী উসমানী
তারা তাদের মুখ দিয়ে আল্লাহর নূর নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তার নূরকে অবশ্যই পরিপূর্ণ করবেন, তা কাফেরদের জন্য যতই অপ্রীতিকর হোক।
মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তারা মুখের ফুঁৎকারে আল্লাহর আলো নিভিয়ে দিতে চায়। আল্লাহ তাঁর আলোকে পূর্ণরূপে বিকশিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এরা আল্লাহ্ র নূর ফুৎকারে নিভাইতে চায়, কিন্তু আল্লাহ্ তাঁর নূর পূর্ণরূপে উদ্ভাসিত করবেন, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।
—আস সাফ - ৮
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন : যখন কোন ব্যক্তি তার ঘর থেকে মসজিদের দিকে বের হয়, তখন তার এক পদক্ষেপে একটি নেকী লেখা হয় আর এক পদক্ষেপে একটি গুনাহ মুছে যায়।
সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৭০৫
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট বাকিতে তার পণ্য বিক্রয় করার পর ক্রেতা দেউলিয়া হয়ে গেলে এবং তার পণ্য অবিকল অবস্থায় তার নিকট বিদ্যমান থাকলে সে-ই তা ফেরত পাবে। আর তার পণ্যের কিছু মূল্য আদায় করে থাকলে সে অন্যান্য পাওনাদারের অন্তর্ভুক্ত হবে। [২৩৫৯]
ফুটনোট: [২৩৫৯] মাজাহ ২৩৫৮, ২৩৬০, ২৩৬১, সহীহুল বুখারী ২৪০২, মুসলিম ১৫৫৯, তিরমিযী ১২৬২, নাসায়ী ৪৬৭৬, ৪৬৭৭, আবূ দাউদ ৩৫১৯, ৩৫২০, ৩৫২৩, আহমাদ ৭০৮৪, ৭৩২৫, ৭৩৪৩, ৭৪৫৫, ৮৩৬১, ৮৭৬৯, ৯০৬৫, ৯০৮৩, ৯৭০৫, ৯৭৮১, ৯৯৪৯, ১০৪১৫, মুয়াত্তা মালেক ১৩৮৩, দারেমী ২৫৯০, ইরওয়া ৫/২৬৯, ১৪৪৪। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইসমাঈল বিন আয়্যাশ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, আহলে শাম থেকে হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনু আবু শায়বাহ, আমর ইবনুল ফাল্লাস ও দুহায়ম বলেন, শাম শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় তিনি সিকাহ কিন্তু অন্য শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭২, ৩/১৬৩ নং পৃষ্ঠা)
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ২৩৫৯
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
জানাযা নামাযের দু‘আ
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا. وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا. وَصَغِيْرِنَا وَكَبِيْرِنَا، وَذَكَرِنَا وَاُنْثَانَا اَللّٰهُمَّ مَنْ اَحْيَيْتَهٗ مِنَّا فَاَحْيِهٖ عَلَی الْاِسْلَامِ. وَمَنْ تَوَفَّيْتَهٗ مِنَّا فَتَوَفَّهٗ عَلَى الْاِيْمَانِ.
আল্লাাহুম্মাগফির লিহাইয়্যিনাা ওয়া মায়্যিতিনাা ওয়া শাা হিদিনাা ওয়া গাা ইবিনাা ওয়া সগী রিনাা ওয়া কাবী রিনাা ওয়া যাকারিনাা ওয়া উনসাা নাা, আল্লাাহুম্মা মান আহইয়াইতাহূ মিন্নাা ফা আহইহী ‘আলাল ইসলাাম, ওয়া মান তাওয়াফ ফাইতাহূ মিন্নাা ফাতা ওয়াফ্ফাহূ ‘আলাল ঈ মাান।
হে আল্লাহ, আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং পুরুষ ও নারী – সকলকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ, আপনি আমাদের মধ্য থেকে যাঁদেরকে জীবিত রেখেছেন ইসলামের উপর জীবিত রাখেন আর যাদেরকে মৃত্যু দান করেছেন তাদেরকে ঈমানের সাথেই মৃত্যু দান করেন।
(সুনান তিরমিজি, হাদীস নং-১০২৪, আবু দাউদ ২ : ৪৫৬, সহীহ ইবনে হিব্বান ৭ : ৩৪৩)
হাদিসটি বিশুদ্ধ ।
আলী ইবন হুজর (র.) ..... আবূ ইবরাহীম আল-আশহালী তার পিতা থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতুল জানাযায় এই দু’আ পড়তেন:
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا، وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا، وَصَغِيرِنَا وَكَبيرِنَا، وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا.
হে আল্লাহ আপনি ক্ষমা করুন আমাদের যারা জীবিত, যারা মৃত, যারা উপস্থিত, যারা অনুপস্থিত, যারা ছোট, যারা বড় এবং পুরুষ ও মহিলা সকলকে।
ইয়াহইয়াহ বলেন আমাকে আবু সালামা ইবন আব্দুর রহমান হাদীছটি অনুরূপ আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রিওয়ায়াত করেছেন। তবে এতে আরো বাড়িয়ে বলেছেন:
اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلاَمِ، وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الإِيمَانِ
হে আল্লাহ! আমাদের মাঝে যাদের জীবিত রেখেছেন তাদেরকে ইসলামের উপর যিন্দা রাখুন। আর যাদেরকে মৃত্যু দিয়েছেন তাদেরকে ঈমানের উপর মৃত্যু দান করুন। এই বিষয়ে আব্দুর রহমান ইবন আওফ, আয়েশা, আবু কাতাদা জাবির ও আওফ ইবন মালিক (রা.) থেকে ও হাদীছ বর্ণিত আছে।
وَمَا کَانَ اللّٰہُ لِیُعَذِّبَہُمۡ وَاَنۡتَ فِیۡہِمۡ ؕ وَمَا کَانَ اللّٰہُ مُعَذِّبَہُمۡ وَہُمۡ یَسۡتَغۡفِرُوۡنَ
মুফতী তাকী উসমানী
এবং (হে নবী!) আল্লাহ এমন নন যে, তুমি তাদের মধ্যে বর্তমান থাকা অবস্থায় তাদেরকে শাস্তি দেবেন এবং তিনি এমনও নন যে, তারা ইস্তিগফারে রত থাকা অবস্থায় তাদেরকে শাস্তি দেবেন। ২০
মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
অথচ আল্লাহ কখনই তাদের উপর আযাব নাযিল করবেন না যতক্ষণ আপনি তাদের মাঝে অবস্থান করবেন। তাছাড়া তারা যতক্ষণ ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকবে আল্লাহ কখনও তাদের উপর আযাব দেবেন না।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আল্লাহ্ এমন নন যে, তুমি তাদের মধ্যে থাকবে, অথচ তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন, আর আল্লাহ্ এমনও নন যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে অথচ তিনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন।
—আল আনফাল - ৩৩
11/04/2025
আস সালামু আলাইকুম।
আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ফেইজবুকে ফিলিস্তিন ছাড়া অন্য পোস্ট দেখলে বিরক্ত লাগছে।
এত আবেগ কাজ করছে আমাদের মধ্যে যা নিঃসন্দেহে উত্তম হৃদয়ের পরিচয় বহন করে।
তবে বন্ধুরা ,
আমরা যেন আল্লাহর সাথে আবেগে এমন কথা না বলে ফেলি,যা কুফরির শামিল।
গাজার এই অবস্থা একদিনে হয়নি।
আমরা কি জানি?
বিগত ১২ বছর ধরে এই যুদ্ধ চলছে!
মুসলিম জাতির প্রতিহত করা উচিৎ ছিল।তারা যে করবেনা এটা আল্লাহ জানেন।ভবিষ্যৎ বানী আছে।
তবে এটাই সত্য "ফিলিস্তিনিরা বিশ্বে সবচেয়ে খাঁটি ঈমানদার। আর ঈমানের স্তর অনুযায়ী পরীক্ষা কঠিন হয়ে থাকে।
তবে তাঁরা ত সৌভাগ্যবান যে শহীদ হচ্ছেন ঈমান নিয়ে মৃত্যু বরণ করছেন।
লক্ষ্য করেছেন?
মৃত্যুর আগে তাঁরা মুসলিম জাতির প্রতি অভিযোগ করেছেন,কিন্তু আল্লাহর প্রতি করেন নি!
হ্যাঁ ,সত্যি ই তাই!
তাদের ঈমান ও শ্রেষ্ঠত্বের সাক্ষী নবী স দিয়েছেন।
আমরা কিছু বদলাতে পারবোনা শুধু একাত্ম হতে পারব।মোজাহিদ হয়ে সাহায্যের মাধ্যমে নিজেদের জবাবদিহিতা হতে মুক্তিলাভ ও নিজের মৃত্যুকে সফল করতে পারব।
আমরা ধন উপার্জনকে জীবনের সফলতা ভাবি।আসলে সত্যিকারে সফলতা হচ্ছে
ঈমানি জীবন যাপন ও ঈমানি মৃত্যু।
আর পুরো জীবন আল্লাহর বিধান পালনের মধ্য দিয়ে আল্লাহর সেবা ও মানুষের সেবা করা।
আমাদের করনীয় ও আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে পরবর্তী পোস্টে লিখব।
নবীজি স সেই হাদিসঃ
"নবীজি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভবিষ্যৎ বাণী দেখুন...
আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের একটি দল সত্যের ওপর বিজয়ী থাকবে। শত্রুর মনে পরাক্রমশালী থাকবে। দুর্ভিক্ষ ছাড়া কোনো বিরোধীপক্ষ তাদের কিছুই করতে পারবে না।
আল্লাহর আদেশ তথা কিয়ামত পর্যন্ত তারা এমনই থাকবে। সাহাবায়ে কেরাম রা. জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! তারা কোথায় থাকবে? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,তারা বায়তুল মাকদিস ও তার আশপাশে থাকবে।"(মুসনাদে আহমদ: ২২৩২০)
সবাই ভাল থাকুন।
যাযাকিল্লাহ খইরুন।
মনোয়ারা ইসরাত মিনু ভূঁইয়া
০৭/০৪/২০২৫
সা’ঈদ ইবনু যায়দ ইবনু ‘আমর ইবনু নুফায়ল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
‘আরওয়া’ নামক এক মহিলা বাড়ীর কিছু অংশ নিয়ে তার সাথে ঝগড়া বাধায়। তিনি বললেন, তোমরা ওকে বলতে দাও এবং তার দাবীকৃত জমি ছেড়ে দাও। কারণ, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছিঃ যে কেউ অন্যায়ভাবে এক বিঘত জমি জবর দখল করবে কিয়ামতের দিন তাকে সাত স্তর জমিনের বেড়ি (তার গলায়) পরিয়ে দেয়া হবে। হে আল্লাহ! ‘আরওয়া যদি মিথ্যাবাদিনী হয় তবে তার চোখ অন্ধ করে দিন এবং তার ঘরেই তার কবর করুন।রাবী বলেন, পরবর্তীকালে আমি আরওয়াকে অন্ধ অবস্থায় দেখেছি, প্রাচীরে প্রাচীরে সে আঘাত খেয়ে খেয়ে চলত। সে বলতো, সা’ঈদ ইবনু যায়দের বদ্দু’আ আমার লেগেছে। একদিন সে বাড়ির মধ্যে চলাচল করছিল। বাড়ির মধ্যে এক কুয়ার কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় সে তাতে পড়ে যায়, কুয়াই তার কবর হয়। (ই. ফা. ৩৯৮৮, ই. সে. ৩৯৮৭)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৪০২৫
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সঠিক পথে কায়িম থাকো এবং কমপক্ষে তার কাছাকাছি থাক। নিশ্চিতভাবে তোমরা জেনে রাখো, তোমাদের কেউ ‘আমালের দ্বারা মুক্তি পাবে না। সহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আপনিও নন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমিও নেই। তবে আল্লাহ তা‘আলা যদি স্বীয় রহ্মাত ও অনুগ্রহ দ্বারা আমাকে ঢেকে রাখেন। (ই.ফা. ৬৮৫৬, ই.সে. ৬৯১৩)
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭০১০
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যে কেউ সুন্দর করে অযূ করে বলে, ‘আশহাদু আনলা ইলাহা ইল্লা-ল্লাহু ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আ’বদুহু ওয়া রাসূলুহ’ তাঁর জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। সে যেটা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করবে।” (মুসলিম ২৩৪)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস, হাদিস নং ৮
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
এক দর্জি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দাওয়াত করে। তাঁর খাবারের জন্য লাউ মিশ্রিত সারীদ উপস্থিত করা হয়। লাউ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খুব প্রিয় খাদ্য ছিল। এজন্য তিনি লাউ খেতে শুরু করেন।
সাবিত বলেন, আমি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, এরপর হতে আমার জন্য যে তরকারী রান্না করা হতো, তাতে লাউ দেয়া হতো, যদি তা সম্ভব হতো হতো।[১]
ফুটনোট: [১] শু’আবুল ঈমান, হা/৫৫৪৬; মুস্তাখরাজে আবু আওয়ানা, হা/৬৭২০; মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হা/১৯৬৬৭।
শামায়েলে তিরমিযি, হাদিস নং ২৬২
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong