Valothakun24.com
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Valothakun24.com, Digital creator, Agrabad, Chittagong.
05/02/2023
04/03/2018
যে ৮টি খাবারে থাকে ক্যান্সারের ঝুকি-
১. পরিশোধিত সাদা আটা।
২. পপর্কন।
৩. আলুর চিপস
৪. ধোয়ায় প্রস্তুতকৃত যেকোনো খাবার
৫. চাষকরা মাছ
৬. ধূমপান
৭. কৃত্রিম উপায়ে প্রস্তুতকৃত চিনি
৮. চর্বিযুক্ত মাংস।
04/03/2018
নবীর জীবনী, পড়ে দেখুন মন ভাল হয়ে যাবে।
নবীজীর কাছে তাঁর ৪ বিবি বসা ছিলেন।
এমন সময়,একজন বিবি প্রশ্ন করলেন,
"হুজুর, আপনার ৪ বিবিগণের মাঝে কাকে বেশি
ভালবাসেন?"
কেমন কঠিন প্রশ্ন? কারন ৪ বিবি'ই এখানে
উপস্থিত। নবীজী কাকে হাসাবেন আর কাকে
কাঁদাবেন!
বিশ্বনবী কৌশলে বললেন, "আমি আগামী কালকে
এই পশ্নের জবাব দেব।"
অতপর, নবীজী সাঃ তাঁর কুমারী স্ত্রী আয়েশার
ঘরে প্রবেশ করলেন, এবং ২টি খেঁজুর দিলেন
আর
বললেন, "আয়েশা এই খেঁজুরের কথা কাউকে
বলবে
না।"
এভাবে সকল বিবিগণের ঘরে প্রবেশ
করে সকলকেই ২টি করে খেঁজুর
দিলেন আর বললেন, "এই খেঁজুরের কথা
কাউকে বলবে না!"
অতপর পরের দিন সকল বিবিগণ
একত্রিত হলেন আর বললেন, "হুজুর জবাব
দেন? আপনি কোন স্ত্রীকে বেশি
ভালবাসেন?"
নবীজী উওরে বললেন,
"গত রজনীতে যাকে আমি ২টি খেঁজুর দিয়েছিলাম
তাঁকেই আমি সবচাইতে
বেশি ভালবাসি! "
তখন সকল বিবিগণ মনে মনে অত্যান্ত আনন্দিত
হলেন!
নবিজী মুচকি হাসলেন,
কারন নবিজী তো সকলকেই ২টি খেঁজুর
দিয়েছিলেন। কিন্তু একজনেরটা অন্যজন জানে না।
অতএব নবীজীর ভালবাসা সকলের
উপর সমান ভাবে চলে গেল কেউ
নারাজ হয়নি।
27/02/2018
রাত জাগার ক্ষতিকর দিক-
প্রায় সবাই কমবেশী রাত জাগে রাত জাগলে শরীরের ক্ষতি হয়।
১. রাত জাগার ফলে স্বাস্থের হানি ঘটেl
২. মাথার চুল পড়ে যায়।
৩. মাথার চুল পেকে যায়।
৪. মুখে ব্রণ কিংবা বিভিন্ন ধরনের গুটি উঠতে দেখা যাবে।
৫. খাবারে অনীহা আসবে।
৬. নির্ঘুমতার ফলে গ্যাস্ট্রিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।
৭. চেহারার বর্ণ মলিন হয়ে যায়।
৮. খাদ্য হজমে সমস্যা দেখা দেবেl
৯. নির্ঘুম থাকলে বিভিন্ন রকমের টেনশন এ ভুগেl
27/02/2018
যেসব খাবার জ্বর কমাতে
সাহায্য করে-
১. কালোজিরা ভর্তা জ্বর
কমাতে সাহায্য করে।
২. আদা চায়ের সাথে অথবা
গরম পানির সাথে মিশিয়ে তার
সাথে লেবুর রস মিশিয়ে
খেলে।
৩. ১ চা চামচ জিরা এবং ৪--৬
টা তুলসীপাতা এক গ্লাস
পানিতে নিয়ে সিদ্ধ করে
খেলে।
৪. চালের সুজির সাথে আদা
কুচি সিদ্ধ করে খেলে।
৫. কিশমিস খেলে জ্বর কমে।
৬. শিং ও মাগুর মাছের ঝোল
খেলে।
৭. গোলমরিচ ও লবঙ্গ
গরম ভাতের সাথে খেলে।
৮. রসুন,মধু ও গাজর খেলে।
25/02/2018
জীবনে সুখি হবার কিছু উপায়ঃ
১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০ মিনিট কাটান ও নিজেকে নিয়ে ভাবুন৷
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাবেন।
৫. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয় করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয় করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন ভিক্ষুকের মত।↓
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার নাও মেনে নিতে পারেন।
১. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন, ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন, গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই বরং অাপনি অাপনাকে কি ভাবছেন সেটা মুল্যায়ন করুন ও সঠিক কাজটি করুন।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায় তাই কষ্টের ব্যাপারে খোলামেলা অালাপ করুন ও ঘনিষ্টদের সাথে শেয়ার করুন।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ হোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।
২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে। পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট করুন।কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন।
২৪. মনে রাখুন জীবনের কোন কোন ভুলের জন্য আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. সবসময় ন্যায়ের পক্ষে কথা বলুন। আদর্শে জীবন চলে না, কিন্তু আপনি আদর্শ অনুসরণ না করলে জীবনে শান্তি পাবেন না।
25/02/2018
একটি শিক্ষণীয় গল্প....
একবার এক ফকির ব্যাক্তি নদীর কিনারায় বসে ছিল। তখন এক ব্যাক্তি তাকে বললঃ হে ফকির বাবা তুমি নদীর কিনারায় কেন বসে রয়েছ?
তখন সেই ফকির বললঃ আমি নদী পার হওয়ার জন্য বসে রয়েছি যখন নদির সমস্ত পানি শুকিয়ে যাবে তখন আমি নদি পার হব ।
তখন সেই লোকটি তাকে বললঃ তাহলে আপনাকে আর নদী পার হতে হবেনা কারণ নদীর পানি কি কখনো পুরো শুকাবে? আপনার তো এই পানির উপর দিয়েই পার হতে হবে ।
তখন সেই ফকির বললঃ হা হা হা আমি তো তোমাদেরকে এই বিষয়টাই বুঝাতে চাচ্ছি কারণ তোমরা বল যে,যখন ঘরের পুরা যিম্মাদারী শেষ হবে তখন আমি নামাজ পরব, যখন পুরা যিম্মাদারী শেষ হবে তখন আমি যাকাত আদায় করব, যখন শেষ হবে আমি হজ্জ আদায় করব ।
দেখ, যেমনভাবে নদীর সব পানি কখনো শুকাবেনা বরং আমাকে এই পানির উপর দিয়েই পার হতে হবে। ঠিক তেমনভাবে তোমাদের যিম্মাদারী কখনো শেষ হবেনা বরং এই যিম্মাদারী সহই তোমাদেরকে নামাজ পরতে হবে হজ্জ আদায় করতে যাকাত আদায় করতে হবে।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বুঝার তৌফিক দান করুক।
25/02/2018
শিক্ষনীয় গল্প এক মিনিট
সময় নিয়ে পড়ুন...
এক মা তার ছোট্ট ছেলেকে
ছোট বেলা থেকে আল্লাহর
প্রতি বিশ্বাস গড়ে তোলার
জন্য প্রতিদিন একটা কৌশল
অবলম্বন করতো। যেমন :
ছেলেটি যদি তার মাকে
এসে বলতো, মা, আমার ক্ষুধা
লেগেছে খেতে দাও।
তখন মা বলতো আমার
কাছে না, আল্লাহর কাছে চাও।
তাহলেই পেয়ে যাবে।
ছেলেটি জিজ্ঞেস করলো,,
আল্লাহর কাছে কিভাবে চাইবো?
মা বললেন,, নামাজ পড়ে
আল্লাহর কাছে দোয়া করে চাইতে
হয়। তাহলেই আল্লাহ তাআলা
তোমাকে খাবার দিবেন।। ছোট্ট
ছেলেটি মায়ের কথা অনুযায়ী অযু
করে নামাজে দাড়িয়ে গেলো।
আর আল্লাহর কাছে দোয়া করতে
লাগলো,, 'হে! আল্লাহ আমার প্রচন্ড
ক্ষুধা পেয়েছে,, আমাকে কিছু খাবার
দাও '। আড়ালে লুকিয়ে মা ছেলেকে
নামাজ পড়ছে রেখে মনে মনে খুব
খুশি হয়। ছেলের নামাজ পড়া শেষ
হওয়ার আগেই ছেলের পেছনে
খাবারের থালা রেখে চলে যায়।
আর ছেলেটি যখন নামাজ শেষ
করে পেছন ফিরে খাবার দেখে,,
সে তো মহাখুশি। দৌড়ে মাকে
ডেকে এনে দেখায়,, মা দেখো,,
আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করেছেন।
আমাকে খাবার দিয়েছেন।
মা হেসে বলেন, হ্যাঁ বাবা,
আল্লাহর কাছে তার বান্দা
কিছু চাইলে আল্লাহ অবশ্যই
তাকে দেন।। ছেলেটি এখন প্রতিদিন
নামাজ পরতো। যখনই ক্ষুধা
লাগতো তখনই নামাজে দাড়িয়ে
আল্লাহর কাছে চাইতো। আর পিছনে
ফিরলেইই খাবার পেতো। এমনিভাবে
সে খুব আল্লাহ ভক্ত হয়ে যায়। হঠাৎ
একদিন ছেলেটির মা কোথায় যেন
বেড়াতে গিয়েছিলেন। কিন্তু
আত্মীয়-স্বজনদের জোরাজুরিতে
আসতে
পারছিলেন না। অবশেষে ঐ দিন ঐ
আত্মীয়ের বাড়িতে ই থেকে গেলেন।
কিন্তু মায়ের মন..তিনি তো খুব
চিন্তায় আছেন,ভাবছেন আজ যদি
ছেলের ক্ষুধা লাগে, আর ছেলে
যদি নামাজ পড়ে খাবার না পায়,
তাহলে তো আল্লাহর উপর তার
বিশ্বাস টা নষ্ট হয়ে যাবে। এতদিন
তো মা তার ছেলের পিছনে খাবার
রাখতো। কিন্তু আজ কি হবে? এই
ভাবতে
ভাবতে মা খুব কান্না করলেন। পরদিন
খুব
সকালেই মা বাড়িতে এসে ছেলেকে
জিজ্ঞেস
করলেন, তুমি কি গতকাল খাবার
খেয়েছো?
ছেলে বললো, হ্যাঁ খেয়েছি। মা অবাক
হয়ে জিজ্ঞেস করেন, কিন্তু কিভাবে?
ছেলে বললো, কেন এতদিন যেভাবে
খেয়েছি,
সেইভাবেই। বরং গতকাল সবচাইতে
সুস্বাদু খাবার খেয়েছি। এতদিন তো,
প্রতিদিন ই খুব সাধারণ খাবার
খেয়েছি। কিন্তু গতকাল, নামাজ
শেষ করার আগেই খাবারের সুঘ্রাণ
আমার নাকে আসে, তখনি বুঝতে
পারি আমার খাবার এসে গেছে।
ছেলের মুখ থেকে এই কথা শুনে
মা সাথে সাথে শুকরিয়ার নামাজে
দাড়িয়ে আল্লাহর শুকরিয়া আদায়
করেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর সকল
বান্দাদেরকে ই ভালবাসেন। শুধু
আল্লাহর প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে
যে কোন কাজ ই সফল হওয়া যায়।
প্রয়োজনে একটু ধৈর্য আর আল্লাহর
প্রতি বিশ্বাস। হে আল্লাহ আমাদের
কে আপনি সেই তৌফিক দান করুন.
আমরা যেন ।। আপনার উপরে বিশ্বাস।
রাখেতে পারি । এবং ধৈর্য ধারণ করতে
পারি ।...
আমিন ছুম্মাহ
আমিন...
20/02/2018
জেনে নিন হঠাৎ কেউ স্ট্রোক করলে কি করবেন?
এই অকালমৃত্যু ঠেকাতে, যা করণীয়-
চীনের অধ্যাপকরা বলেছেন-
স্ট্রোক অাজকাল অকালে কেড়ে নিচ্ছে মানুষের প্রাণ৷ যদি দেখেন কারো স্ট্রোক হচ্ছে, তাহলে রোগীকে বাঁচানোর জন্য আপনাকে জরুরী ভিত্তিতে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে-
যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তখন তার রক্তচাপ বেড়ে যায়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরন হয় ও মস্তিষ্কের কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়। এসময় একজন মানুষের জরুরী ভিত্তিতে ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।
যদি স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগী দেখেন তবে তাকে তাৎক্ষনিক সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে, আপনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে এটি জীবাণুমুক্ত হয়৷
তারপর রোগীর হাতের ১০ আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত বা বিদ্ধ করতে এটি ব্যবহার করুন। এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন নেই। কেবলমাত্র নিশ্চিত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না। এবার ১০ আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।
যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে। তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে রোগীর অবস্থা একটু স্বাভাবিক হলে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান।
জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয়ের এই পদ্ধতি চীনে প্রথাগতভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ, ১০০% কার্যকরী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
13/01/2018
শিক্ষণীয় একটি গল্পঃ....
এক বিবাহিত যুবক, কঠিন রোগে মৃত্যু শয্যায় তার স্ত্রীকে ডাকলেন। তার চোখ দিয়ে অনুশোচনার অশ্রু ঝরছে। যুবকের স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন,এবং এটিই তাদের প্রথম সন্তান!
সে স্ত্রী কে বললো: দেখো, আমি সারা জীবনে নামাজ-রোজা করিনি! আজ মৃত্যু সময়ে ভুল ভেঙ্গে গেছে, কিন্তু আমি নিরুপায় আমার আর কিছু করার সময় সুযোগ হলো না। যদি তোমার গর্ভের সন্তান বেঁচে থাকে,বড় হয় তাহলে তুমি তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিও। শুনেছি সন্তানের উসিলায়ও বাবা মা বেহেশতে যেতে পারে!
স্ত্রী তাকে শান্তনা দিয়ে বললেন, তোমার কথাই রাখবো!
দু দিন পর যুবক মারা গেলেন। এর কয়েক দিন পর তার স্ত্রীর একটি ছেলে জন্ম নিলো! অনেক কষ্টের মাঝে যখন
ছেলেটির বয়স ছয় বছর পুর্ণ হলো তার মা তাকে মাদ্রাসায় ভর্তি করে দিলেন!
প্রথম দিন মাদ্রাসায় শিক্ষক তাকে একটি আয়াত শিখালেন।
আয়াতটি হলো: 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম!
(পরম করুনাময় মহান আল্লাহ্ তায়ালার নামে শুরু করছি! )
মাদ্রাসা থেকে বাড়ীতে যাওয়ার পর ছেলেকে নিয়ে স্ত্রী স্বামীর কবরের কাছে জিয়ারতে গেলেন!
ছেলেকে কবরের কাছে পাঠিয়ে দিয়ে মা বললেন,ঐ তোমার বাবার কবর। ওখানে গিয়ে তোমার বাবার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবে!
(মাদ্রাসায় পড়া শিশুরা প্রায় সব সময় তাদের শিখিয়ে দেয়া আয়াত বা কালাম এমনি এমনি পড়তে থাকে)
এত ছোট্ট শিশু কিভাবে দোয়া করতে হয়, কিছুই জানে না।কিন্তু মাদ্রাসায় শিখানো জীবনের প্রথম আয়াতখানা বার বার কবরের সামনে তিলাওয়াত করতে লাগলো।
ওই ছোট্ট মুখের তিলাওয়াতের এমন শক্তি, আমার আল্লাহর দরবারে বিনা বাধায় পৌঁছে গেলো। মালিকের রহমতের দরিয়ায় বাঁধভাঙা জোয়ারের ডাক এসে গেলো!
মহান আল্লাহ্ তায়ালা আজাবের ফেরেশতাদের
বললেন, এই মুহুর্তে ওই কবরবাসীর কবর আজাব বন্ধ করে দাও!
ফেরেশতারা বললোঃ হে দয়াময় পরোয়ারদিগার এই লোকটির আমলনামায় এমন কী পুণ্য পাওয়া গেলো?
যে তার জন্য নির্ধারিত কঠিন কবরের আজাব ক্ষমা করে দেয়া হলো?
ফেরেশতারা শোনো:
কবরের উপরে একটা অবুঝ শিশু বার বার তিলাওয়াত করছে, "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"!
তিলাওয়াতকারী এই কবরবাসীর ওয়ারিশ, তার অবুঝ সন্তান। সে স্বাক্ষী দিচ্ছে আল্লাহ্ রাহমানির রাহিম!
-আল্লাহ্ পরম দয়ালু।
আমি যদি কবরবাসীকে ক্ষমা না করি,তাহলে আমি কেমন দয়ালু?
(সুবহানাল্লাহ)
আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার ও আমল করার তৌফিক দান করুন...
বাবা মার জন্য বেশি বেশি দোয়া করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Agrabad
Chittagong
4100