Sky Computer

Sky Computer

Share

a complete Computer Solution

27/08/2015

18+ 18+ 18+ এক_ছেলে তার স্ত্রীর সাথে কথা
বলছে………
তার স্ত্রী তাকে বলছেঃ- আমি
আর
তোমার সংসার করতে পারবো না।
ছেলেঃ- কেনো লক্ষ্মী সোনা?.
স্ত্রীঃ- তোমার মা সারাক্ষণ
আমার
সাথে কথা
কাটাকাটি করেন।
ছেলেঃ- মার বয়স হয়েছে। এটা
কোনো বিষয় না। দেখবে মা
তোমাকে অনেক ভালবাসে ও
বাসবেন। তুমি তার মেয়ের মতো।
তখন স্ত্রী বলতেছেঃ- আচ্ছা ধর
একটা
নৌকায় আমি
আর তোমার মা। নৌকাটা ডুবে
যাচ্ছে। যে কোনো একজনকে
বাঁচাতে
হবে তোমার তুমি কাকে বাঁচাব ছেলেটা একটু মুচকি হাসলো. . . . . . .
কিছুক্ষণ পর
বললো দেখো আমি পৃথিবীতে
দুইজন
নারীকে সব চেয়ে বেশী
ভালোবাসি। একজন আমার মা
আর
একজন হলে তুমি। নৌকা যদি ডুবে
যায়।
আমি আগে আমার মাকে বাঁচাবো।
মাকে বাঁচিয়ে-ই তারপর তোমাকে বাচানর চেস্টা করবো। আর যদি তোমাকে বাঁচাতে না পারি্‌,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, eeemmhhemm (একটা কষ্টময় লম্বা শাঁস) নিয়ে
চুপহয়ে গেল্‌,
তখন স্ত্রী বলল- তখন কিকরবে পালাবে!!!????

ছেলেটি তখন তাকে জরিয়ে ধরে বললো, নাহ্‌ সোনা পালাবনা, তখন তোমার সাথে
নৌকায় ডুবে মরে যাবো। সোনা তোমার মনেনেই
তোমাকে ভালোবাসার আগে তোমার হাত ধরে কথা
দিয়েছিলাম
"বাঁচতে
হলে দুজন একসাথে বাঁচবো, আর
মরতে
হলে একসাথেই মরবো"।
এই কথা শোনার পর মেয়েটি কেঁদে
ফেললো। আর কেঁদে কেঁদে বললো আমি
তোমাকে আর কখন কষ্ট
দিবোনা।আমাকে মাফ করে দাও জান!!!

ছেলেঃ- আমি যদি তোমার দেয়া
একটু কষ্ট না সইতে পারি তাহলে
আমার
ভালোবাসাটাই বৃথা...
তারপর থেকে মেয়েটি আর কখনো শাশুড়ির কোন কথায় বিরক্তী বধ করতোনা, যা বলতেন তাই শুনত, কখনো কথার জবাব দিতনা!!!

ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট
করবেন।

Photos 21/08/2015

এই চিত্রকর্মটিই পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অভিমানের চিত্রকর্ম। কিছু চিত্রকর্ম আছে যেখানে অন্যকোন যুক্তি দাঁড় করানো অসম্ভব, অন্যকোন চিন্তা প্রয়োগও অসম্ভব।

কৃতজ্ঞতা:MANIK MAHMUD

20/08/2015

১৯৮৬ সালের কথা।
বাংলাদেশের বয়স মাত্র ১৫ বছর, আর
এদেশের ক্রিকেটের বয়স মাত্র ১ বছর।
এশিয়া কাপ খেলতে যাবে, কিন্তু
বিমানের টিকিট কেনার টাকা নেই। এসিসি
টাকা দিতে চেয়েছিলো, বাংলাদেশ
রাজি হলো না, বরং বাসে করেই গেলো।
আমাদের তখন ব্যায়াম করার
জিমন্যাশিয়াম নেই। ওরা ১১ জন বিদেশের
জিমে ব্যায়াম করে ক্লান্ত হয়ে গেল।
ঐ সময় স্যালাইন খাওয়া দরকার। কিন্তু
বিদেশী স্যালাইন কেনার টাকাও যে নেই।
দেশীয় উপায়ে লবন দিয়ে স্যালাইন
বানানো হলো। এ নিয়ে পাকিস্তানি
মিডিয়ায় কত হাসাহাসি।
পরদিন শক্তিশালী পাকিস্তানের সাথে
খেলা। তাইতো রাতে ঘুম এলো না
স্বপ্নচারী ঐ ১১ জনের চোখে । সকালে
খুশি মনে ১১ জন আগেই মাঠে ঢুকে গেলো
প্র্যাকটিসে। কিন্তু পাকিস্তানের কেউ
আসলো না। টসের সময় পাক ক্যাপ্টেন
ইমরান খান মাঠের বাইরে থেকে ইশারায়
ডাকলেন বাংলার ক্যাপ্টেন নান্নুকে।
ইমরানের আপত্তি,তোমাদের সাথে টস করে
কি লাভ? তোমরাই বলো কী চাও?ব্যাট
নাকি বল? নান্নু বললোঃ আমরা টস চাই।
ম্যাচ রেফারিও চাপ দিলো ইমরানকে। তখন
ইমরান বললোঃ তাহলে এখানেই টস করেন।
আমি কষ্ট করে মাঠের পিচ পর্যন্ত যাবো
না। অবশেষে টস হলো মাঠের বাইরে।
বাংলাদেশ ব্যাট করতে নামলো। ইমরান
তার মূল বোলারদের বাদ দিয়ে পার্টটাইম
বোলারদের দিয়ে বল করাতে লাগলো, আর
আমাদের ১টা করে উইকেট পড়তে থাকলো।
ভাষ্যকার হাসতে হাসতে বলে উঠলো: "আজ
যদি পাকিস্তানীদের স্ত্রী রা বল
করতেন, তারাও নিশ্চয়ই উইকেট পেতেন।"
২০১৫ সাল।
পাকিস্তানে বহুদিন ধরে ক্রিকেট বন্ধ।
স্পন্সররা চলে যাচ্ছে। তাদের
একাডেমীগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
জিম,প্র্যাকটিসের জন্য তারা এখন
দুবাইয়ের জিমন্যাসিয়াম ব্যবহার করে।
বাংলাদেশে আসার আগে তাদের বিমানের
টিকেট কেনার টাকা নেই। কে দিবে
টিকেটের টাকা? এগিয়ে আসলো
বাংলাদেশ। যেই দেশটার সামান্য
স্যালাইন কেনার টাকা ছিলো না বলে
হাসাহাসি হয়েছিলো, সেই দেশটা তুলে
দিলো আড়াই লক্ষ ডলার ! খেলার মাঠে
অধিনায়ক মাশরাফি একই কাজ করলেন,
যেটা পাকিস্তান করেছিলো ২৯টি বছর
আগে। মূল বোলারদের বল না দিয়ে বল
দিচ্ছিলো নাসির, সাব্বির, রিয়াদদের।
আর তাতেই পাকিস্তানের একেকটা করে
উইকেট পড়ছিলো। ধারাভাষ্যে তখন বসে
আছেন বাংলাদেশের আতাহার আর
পাকিস্তানের আমীর সোহেল। ২৯ বছর
আগের সেই দিনটাতেও এই ২জন
খেলেছিলেন, ২জনেই ছিলেন ২ দেশের
ওপেনার। কিন্তু ইতিহাস মিললো না। আজ
আতাহার কিন্তু সেভাবে হাসি-ঠাট্টা
করলো না, যেভাবে ২৯ বছর আগে
হেসেছিলো পাকিস্তানী ভাষ্যকার। তবে
খেলা শেষে চুপ থাকতে পারলো না পাশে
বসে থাকা সেদিনের পাকিস্তানী
খেলোয়াড় আমীর সোহেল। তিনি বললেনঃ
" আমি বাংলাদেশের দর্শকদের চোখে আজ
আনন্দের রঙধনু দেখতে পাচ্ছি। আনন্দ, যা
পাকিস্তানকে ছুয়ে গিয়েছিলো সুদূর
অতীতে। সেই আনন্দ হাতবদল করে
ইসলামাবাদ থেকে ঢাকায় ফিরে এসেছে।
আনন্দপ্রিয় এই দেশটি দিন দিন এগিয়ে
যাচ্ছে তাদের ক্রিকেটে,তাদের
অবকাঠামোয়,তাদেরঅর্থনীতিতে। "
২৯ বছর আগের সেদিন ১জন পাকিস্তানি
কথা বলেছিলেন বাংলাদেশের পক্ষে,
তিনি ওয়াসিম আকরাম। তিনি পাকিস্তানি
মিডিয়াকে বলেছিলেন বাংলাদেশকে
নিয়ে বাজে কিছু না লিখতে।তিনি
বলেছিলেন, বাংলাদেশের সুদিন
আসবে,সেদিন তো আপনাদেরকেই লজ্জা
পেতে হবে। আজ ২৯ বছর পর তামিম ইকবাল
একই কাজ করলেন। বাংলাদেশের
মিডিয়াকে বললেনঃ "ক্রিকেটে খারাপ
সময় যায়। এক সময় আমরাও অনেক ম্যাচ
হেরেছি,হারতে হারতে শিখেছি। আমার
শুভকামনা রইলো,তারা খুব জলদি come back
করবে" ইংরেজীতে ১টা কথার কথা আছে,
"History repeats itself" সেই কথাটা যে
এমনভাবে সত্যি হবে,ইতিহাসের দেনাগুলো
যে এভাবে শোধ হবে ভাবিনি।

19/08/2015

কাউকে ভুল বুঝার আগে,
দেখো ভুলটা কার ছিল......
কারো মন ভাঙার আগে,
দেখো তোমার মন ভাঙলে
কেমন লাগবে.......
আগে নিজের কষ্ট বুঝো..!!!!!!
তারপর কাউকে কষ্ট দিও

Free Basics by Facebook 19/08/2015

1 GB Internet only on Tk. 9 and Half poisha, One Poisha Call Rate on Tk. 9 Recharge.
To check eligibility, customers can send free SMS from any Robi numbers in the following format: Type "A 018 # # # # # " send to 8050
- This special Pack is only for this offer customer.
প্রতিদিন ৫ এমবি ফ্রিঃ
Recharge your newly bought Airtel SIM card by 19 Taka; and you will get 300 MB of Internet FREE!
বন্ধ সিমে আরও পাচ্ছেনঃ
*ফ্রি ফেইসবুক এবং ওয়াটসঅ্যাপ *৩০০ এমবি *যোগ্যতা চেক করতে যে কোন এয়ারটেল নাম্বার থেকে আপনার নাম্বার টি লিখে 9000 এ SMS করুন
ইন্টারনেট অর্গের ফ্রি নেট
রবির গ্রাহকরা স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে ইন্টারনেট ডট অর্গ নামক অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
অ্যাপটি ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুনঃ https://play.google.com/store/apps/details?id=org.internet&hl=en
অ্যাপটি ইন্সটল করে চালু করুন। এবার সাইন আপ করে লগ ইন করুন। ইন্টারনেট ডট অর্গের অ্যাপটির হোমে ফেসবুক ও উইকিপিডিয়াসহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তালিকা দেখতে পাবেন। কোনো ডেটা চার্জ ছাড়াই এই ওয়েবসাইটগুলোতে যাওয়া যাবে। তবে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, ছবি বা ভিডিওর মতো কোনো ফাইল আপলোড বা ডাউনলোড সুবিধা ইন্টারনেট ডট অর্গে দেওয়া হয়নি।

Free Basics by Facebook

13/08/2015

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহীম। আসসলামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। যাইহোক কাজের কথায় আসি।

۰۪۫F۪۫۰۰۪۫a۪۫۰۰۪۫c۪۫۰۰۪۫e۪۫۰۰۪۫b۪۫۰۰۪۫o۪۫۰۰۪۫o۪۫۰۰۪۫k۪۫۰ ۰۪۫T۪۫۰۰۪۫a۪۫۰۰۪۫g۪۫۰

ফেসবুকে অনাকাঙ্ক্ষিত ট্যাগ বন্ধ করুন

অনেক সময় ফেসবুকে বন্ধুরা অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ছবিতে ট্যাগ করে আপনাকে বিব্রত করতে পারেন। এ ছাড়া সেসব ছবি দিয়ে অন্য বন্ধুদেরও পাতা (নিউজফিড) ভরে যায়। ফলে অনেকে অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পরিচিত বন্ধুদের ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে বাদ দিতে বাধ্য হন।

এ ঝামেলা এড়াতে ট্যাগ করাটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন প্রাইভেসি সেটিংসে গিয়ে। এ জন্য প্রথমে ফেসবুকের প্রাইভেসি সেটিংস (link & Screenshot On Comment Box )এ যান।

এরপর Timeline & Tagging পয়েন্টের এডিট সেটিংসে ক্লিক করুন। এরপর একটি নতুন বার আসবে, যাতে Review posts friends tag you in before they appear on your timeline-এর অপশনে গিয়ে Enable করে দিন।

এতে আপনি অনাকাঙ্ক্ষিত ট্যাগিংয়ের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন। যদি কেউ আপনাকে কোনো ছবিতে ট্যাগ করেন, তবে ফেসবুক আপনাকে নোটিফিকেশন পাঠাবে। আপনি সেই নোটিফিকেশনে ক্লিক করে Approved করলেই সেই ছবি আপনার প্রোফাইলে আসবে এবং আপনার ফেসবুক বন্ধুরাও তাঁদের নিউজফিডে দেখতে পারবেন। যদি আপনি Approved না করেন, তাহলে সেই ছবি আপনার প্রোফাইলে দেখাবে না এবং আপনার বন্ধুদের নিউজফিডে গিয়ে বাড়তি ঝামেলা সৃষ্টি করবে না।

এরকম আরো শিক্ষামুলক Post পেতে Sky Computer এর page এ Like দিন.
এরকম আরো শিক্ষামুলক Post পেতে Sky Computer এর page এ Like দিন.

এত কষ্টকরে post করি। আপনার comment পেলে কষ্ট, কষ্ট মনে হয়না, সব কষ্ট আনন্দ পরিনত হয়।

Photos 26/07/2015

'মোবাইল ফোন, সেলুলার ফোন বা হ্যান্ড ফোন (ইংরেজি: Mobile phone) তারবিহীন টেলিফোন বিশেষ। মোবাইল অর্থ ভ্রাম্যমান বা "স্থানান্তরযোগ্য"। এই ফোন সহজে যেকোনও স্থানে বহন করা এবং ব্যবহার করা যায় বলে মোবাইল ফোন নামকরণ করা হয়েছে। এটি ষড়ভূজ আকৃতির ক্ষেত্র বা এক-একটি সেল নিয়ে কাজ করে বলে একে "সেলফোন" নামেও পরিচিত। মোবাইল ফোন বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে যোগাযোগ করে বলে অনেক বড় ভৌগোলিক এলাকায় এটি নিরবিচ্ছিন্নভাবে সংযোগ দিতে পারে। শুধু কথা বলাই নয়, আধুনিক মোবাইল ফোন দিয়ে আরো অনেক সেবা গ্রহন করা যায়। এর উদাহরণ হচ্ছে খুদে বার্তা -এসএমএস বা টেক্সট মেসেজ সেবা, এমএমএস বা মাল্টিমিডিয়া মেসেজ সেবা, ই-মেইল সেবা, ইন্টারনেট সেবা, অবলোহিত আলো বা ইনফ্রা-রেড, ব্লু টুথ সেবা, ক্যামেরা, গেমিং, ব্যবসায়িক বা অর্থনৈতিক ব্যবহারিক সফটওয়্যার ইত্যাদি। যেসব মোবাইল ফোন এইসব সেবা এবং কম্পিউটারের সাধারন কিছু সুবিধা প্রদান করে, তাদেরকে স্মার্ট ফোন নামে ডাকা হয়।

মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত ডঃ মার্টিন কুপার[১] এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে[২][৩][৪] প্রথম মোবাইল ফোনের উদ্ভাবকের মর্যাদা দেয়া হয়ে থাকে। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে একটি প্রায় ১ কেজি (২।২ পাউন্ড) ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন[৫]।

ডঃ মার্টিন কুপার
মোবাইল ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে, ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স (DynaTAC 8000x)। ১৯৯০ সাল থেকে ২০১১ সালের মধ্যে পৃথিবীব্যাপী মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২.৪ মিলিয়ন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৬ বিলিয়নের বেশী হয়ে গেছে। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮৭% মোবাইল ফোন যোগাযোগের আওতায় এসেছে[

www.fb.com/manik.sky.ctg

Photos 25/07/2015

"গ্রামীণফোন সিম রিচার্জে সাবধান!"
১২, ১৩, ২২, ২৪, ৩৬, ৫১, ৫৬, ৬১, ৭৮, ৮৪, ৯১, ১১৯, ১২১, ১৯৯, ২১১ টাকা রিচার্জ করলেই অন হয়ে যাবে ইন্টারনেট প্যাক, মিনিট প্যাক, এসএমএস প্যাক সহ বিভিন্ন প্যাক কিন্তু মেইন একাউন্টে কোন টাকা যাবে না। তাই যারা রিচার্জ করে মেইন একাউন্টে টাকা রাখতে চানা তারা রিচার্জের পূর্বে সতর্কতা অবলম্বন করুন এবং উপরে দেয়া অঙ্কের টাকা গুলো রিচার্জ করা থেকে বিরত থাকুন......

আমার page এ like দিয়ে সাথে থাকুন, কথা দিচ্ছি আপনার like বিফল হবে না।
আপনার একটি like আমাকে ভাল কিছু লিখতে ওতসাহ দিবে আর আপনি পাবেন মোবাইল সর্ম্পকে সকল টিপস।

23/07/2015

শিক্ষনীয় গল্প:
-- ভাইয়া??
-- কি??
-- মা তোরে ভাত
খাইতে ডাকে।
-- যা, আইতাসি।
-- তাড়াতাড়ি আয়, মা
ভাত নিয়া বইয়া
আছে।
-- আইতাসি কইলাম
না?? যা ভাগ এইহান
থাইকা।
এতক্ষণ খুব মনযোগ
দিয়ে একটা অংক
সমাধান
করতে চেষ্টা
করছিল সুমন।
সামনে ওর
এইচ.এস.সি
পরীক্ষা। পরীক্ষা
সামনে অথচ,
একটা পারা অংকের
সমাধান করতে না
পারায়
মেজাজটা খুব খারাপ
হয়ে আছে তার। এই
সময়ে পেছন থেকে
ভাত খাওয়ার জন্য
ডাকতে আসা ছোট
বোনের ঘ্যানর
ঘ্যানর
শুনে মাথাটা গেল
গরম হয়ে। নাহ, এখন
আর
কিছুতেই এই অংক
মেলানো যাবে না।
ভাতের
কথা শুনে পেটের
ভেতর কেমন যেন
ডাকাডাকি শুরু হয়ে
গেছে। তাই আর
অংক
মেলানোর
বৃথা চেষ্টা না করে
খেতে চলে গেল সুমন।
কিন্তু খাবার
টেবিলে গিয়ে মাথাটা
যেন
আরও বেশী গরম
হয়ে গেল সুমনের।
খাবার
টেবিলে মায়ের সাথে
তাই আবার
কথা কাটাকাটি শুরু
হয় সুমনের...
-- এগুলা কি??
-- কি মানে?? চোখে
দেখস না এগুলা কি??
-- প্রত্যেকদিন এই
এক তরকারি দিয়া
ভাত
খাইতে মন চায় না
কতদিন কমু??
-- কেন পারবি না??
তোর বাপ
কি রাজা বাদশা যে
তোরে প্রত্যেকদিন
পোলাও কোরমা
খাওয়াইব?? আমরা
খাইনা??
যা দিসি এগুলা দিয়া
তাড়াতাড়ি খাইয়া
ওঠ।
-- আমি খামুনা এগুলা।
প্রত্যেকদিন এক
তরকারি খাইতে
ভাল্লাগে না আমার।
-- না খাইলে বাইর
হইয়া যা ঘর থাইকা।
এহ
আইসে নবাবের বেটা
পোলাও কোরমা
খাইব।
এত খাইতে মন
চাইলে নিজে ইনকাম
কইরা খাইতে পারস
না??
-- হ থাকুম না আমি
এই ঘরে। যামুগা আমি
সব কিছু
ছাইড়া।
এই কথা বলেই ঘর
থেকে বেড়িয়ে পড়ে
সুমন। মাও
আর বাঁধা দেয় না
সুমনকে। জানে রাগ
কমে গেলে সন্ধ্যার
পর ঠিকই ফিরে
আসবে সে।
এমনটাই হয়
সবসময়।
# # # #.... এদিকে মেজাজ
গরম করে ঘর থেকে
বের
হয়ে আসলেও পেটের
ক্ষুধাটা যেন বেড়েই
চলেছে। শার্টের বুক
পকেট হাতড়ে কোন
রকমে ২৭ টাকা খুঁজে
পেল সে। এর মধ্য
থেকে ১০
টাকা দিয়ে একটা
রুটি আর এক কাপ
চায়ের
সাথে ২ গ্লাস
পানি খেয়ে
কোনরকমে ক্ষিদেটা
চাপা দেয়
সে।
এরপর ৫ টাকা দিয়ে
একটা গোল্ডলিফ
কিনে ধীরপায়ে
এগিয়ে যায়
ষ্টেশনের
দিকে।
মন কিংবা মেজাজ
যখন খুব খারাপ থাকে
তখন
রেল লাইন ধরে একা
একা হেঁটে বেড়ায়
সুমন, আর
মনের সুখে সিগারেট
ফুঁকে। সিগারেটের
ধোঁয়ার সাথে যেন
মনের সব রাগ পুড়িয়ে
দেয়
সে।
৫ টাকা দিয়ে কেনা
সিগারেটটা শেষ
হওয়ার
পর রেল লাইনের এক
কোণে বসে পড়ে
সুমন। এখন
মেজাজ কিছুটা
শান্ত। পেছনে হাত
নিয়ে হাত
দুটোর উপর ভর দিয়ে
বসে, আর
আশেপাশের
মানুষগুলোর কান্ড
কারখানা দেখতে
লাগল।
হঠাৎ একটা জায়গায়
গিয়ে চোখ আটকে
গেল
সুমনের।
রেল লাইনের ধার
ঘেষে গড়ে ওঠা
বস্তিতে
বসবাসকারী এক
মা পরম স্নেহে ভাত
খাইয়ে দিচ্ছে তার
সন্তানকে। সামান্য
পানিভাত, ডাল আর
আলুর
ভর্তা দিয়ে কি
তৃপ্তি নিয়েই না
ভাত
খাচ্ছে ছেলেটি।
অথচ এই খাবার
নিয়ে কোন
অভিযোগ নেই
ছেলেটির। বরং
মায়ের
হাতে এই খাবারই
তার কাছে অমৃত
মনে হচ্ছে।
হঠাৎ বুকের মাঝে
কেমন যেন মোচর
দিয়ে ওঠে সুমনের।
ছোটবেলায় সেও তার
মার
হাতে এভাবেই ভাত
খেত। কই
তখনতো কখনো
খাবার নিয়ে
অভিযোগ
করেনি সে। তবে
আজ কেন এতটা
বদলে গেল সে।
অনুশোচনায় ভোগে
সে। কোন ভুল
করেনিতো সুমন??
# # # #
সন্ধ্যার একটু পরে
বাসার উদ্দ্যেশ্যে
রওনা দেয়
সুমন। বাসায় ঢুকতে
যাবে এমন সময়
বাবা-মার
কিছু কথা শুনে
দাঁড়িয়ে পড়ে সুমন।
-- সুমনের মা কয়টা
বাজে?? এত রাইত
হইল
সুমনতো এহনও
আইলো না।
-- আইয়্যা পড়ব
অহনি। আপনে
চিন্তা কইরেন না।
-- পোলাটা সারাদিন
না খাইয়া আছে। এত
রাইত হইল এহনও
আইতাসে না কেন??
আইলে ভাল
মত খাইতে দিও।
মাছের মাথাটা দিও
তারে।
সুমনে আবার রুই
মাছের মাথা অনেক
পছন্দ করে।
অনেকদিন পর পোলা
রুই মাছের
মাথা দেইখা খুশী
হইব।
-- আইচ্ছা দিমুনে।
-- অভাবের সংসার
আমার।
যে কয়টা টাকা
কামাই করি, ঘর
ভাড়া দিয়া,
পোলা মাইয়ার
লেখাপড়ার খরচ
চালাইয়া কোন রকমে
দিন পার করি।
ভালমন্দ
খাওয়াইতেও পারি না
তোমগোরে। কাপড়
চোপড় কিনা
দেওয়াতো দূরের কথা।
-- থাক এসব কথা
কইয়া আর কষ্ট
পাইয়েন না।
আল্লাহ একদিন সব
দিব আমগোরে।
-- হ আল্লাহ যেন
তাই করে। দেখবা
একদিন সুমন
অনেক বড় চাকরী
করব। দেখবা আর
কোন অভাব
থাকব না আমাগো।
কথাগুলো শুনে যেন
বুক
ফেটে কান্না আসতে
লাগল সুমনের। কোন
রকমে কান্না চেপে
রেখে নিজের
ঘরে গিয়ে ঢুকল
সুমন। একটু পর মা
এসে ঢুকল সুমনের
ঘরে। ছেলের মাথায়
হাত বুলিয়ে বলল
-- আয় বাপ, ভাত
খাইতে আয়। তোর
আব্বা তোর
লাইগা বাজার থাইকা
রুই মাছ নিয়া
আইছে।
-- (নিজের কান্না
আর ধরে রাখতে
পারল
না সুমন,
মাকে জড়িয়ে ধরে
কাঁদতে কাঁদতে
বলতে লাগল
আমারে মাফ কইরা
দাও মা। আমি ভুল
কইরা ফালাইসি।
আমারে মাফ কইরা
দাও। আর
কোনদিন তোমগো
লগে খারাপ ব্যবহার
করুম
না আমি।
ছেলেকে বুকে
জড়িয়ে ধরে
মমতাময়ী মা।
শাড়ির আচল দিয়ে
পরম স্নেহে ছেলের
চোখের
পানি মুছে দেয় সে।
এরপর
ছেলেকে নিয়ে গিয়ে
নিজের হাত ভাত
খাইয়ে দেয় সে।
পাশের ঘরে নীরবে
চোখের পানি মুছ

SkyDriver_V9.zip 15/07/2015

SkyDriver_V9.zip MediaFire is a simple to use free service that lets you put all your photos, documents, music, and video in a single place so you can access them anywhere and share them everywhere.

Photos 20/04/2015

আপনার সিম এ কোন
প্যাকেজটি ব্যবহার
করছেন, তা জানেন না??
•১জিপি:- *111*7*2 #
•২রবি:- *১৪০*১৪ #
•৩বাংলালিংক:- *১২৫ #
•৪এয়ারটেল:- *১২১*১*১*১ #
•৫টেলিটক:- টাইপ করুন tar ও
পাঠিয়ে দিন ২২২ নম্বরে (চার্জ
০.৫৮টাক
ফ্রী নেটের সবার আগে সর্বশেষ
সংবাদ পেতে Like দিয়ে
active থাকুন

27/12/2014

ফেসবুক বিশ্ব-সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থার একটি ওয়েবসাইট। বর্তমানে এই ফেইসবুক খারাপভাবে ব্যবহার হচ্ছে। ফেইসবুকের ফেক আইডি দ্বারা যেকোনো মানুষকে ব্লাকমেইল করা যায় এবং করা হচ্ছে। অনেকের কাছে নিজস্ব একটি ফেইসবুক একাউন্ট ছাড়াও এক বা একাধিক ফেইক একাউন্ট আছে। আর তারা ছেলে হয়ে প্রোফাইলে মেয়েদের নাম লিখে এবং মেয়েদের ছবি আপলোড করে এতে অনেকে তাদেরকে মেয়ে মনে করে তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে।

একটু বুদ্ধি খাটিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করলে এসব বিরক্তকর কারণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আপনার ফেসবুককে কিভাবে আপনি ব্যবহার করবেন তার কিছু কৌশল জানা থাকলে আপনাকে কখনও বিভ্রান্তিকর অবস্থায় বা অসুবিধায় পড়তে হবে না। ফেসবুক ব্যবহারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম জেনে নিন -

১. বাড়ির ছোট ছেলেমেয়েদের ছবি ফেসবুকে দেয়ার আগে সতর্ক থাকুন। পাবলিক নয়, শুধুমাত্র বন্ধুরাই যেন সেই ছবি দেখতে পায় এমনভাবে প্রাইভেসি সেভ করুন।

২. খুব ব্যক্তিগত কোন তথ্য ফেসবুকে দেবেন না। আপনার বাড়ির ঠিকানা, মোবাইল বা বাড়ির ল্যান্ডলাইন নম্বর, আপনার জন্ম তারিখ ফেসবুকে না দেয়াই ভালো।

৩. কখনই ভাববেন না আপনার ফেসবুক প্রোফাইল শুধুমাত্র আপনিই দেখছেন। বিশ্বজুড়ে হাজারো মানুষ, সব শ্রেণীর মানুষের কাছে আপনার প্রোফাইল নানান তথ্য বিতরণ করছে। আপনার পোস্ট চলে যাচ্ছে এমন অনেক মানুষের কাছে যাদের হয়তো আপনি চেনেনও না। তাই সবসময় কি করছেন, কোথায় যাচ্ছেন-যাবতীয় তথ্য ফেসবুকে না দেয়ায় বুদ্ধিমানের কাজ। গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনে শুধু আপনার নাম টাইপ করলেই ফেসবুকের মাধ্যমে সবার কাছে আপনার যাবতীয় তথ্য ফাঁস হয়ে যাবে।

৪. বাড়িতে বা অফিসে নিজের কম্পিউটারে ফেসবুক প্রোফাইল খুলে রেখে কোথাও যাবেন না। অবশ্যই লগ আউট করবেন। আপনারই কোনো সহকর্মী আপনার অ্যাকাউন্টকে নানান বাজে কাজে ব্যবহার করতে পারে যা আপনি জানতেও পারবেন না।

৫. কোনো অচেনা প্রোফাইল থেকে পাওয়া ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট অ্যকসেপ্ট না করাই ভালো। আপনি হয়তো জানেনও না যে আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে সে আসলে কে? শুধুমাত্র সুন্দরী মেয়ে বা মিষ্টি দেখতে কোনো ছেলের ছবি প্রোফাইল পিকচারে দেখে রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করলে বোকামি করবেন। আজকাল অনেক দুষ্কৃতিকারীও ফেসবুকে প্রোফাইল বানিয়ে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য জানার চেষ্টা করছে অবিরাম।

৬. ‘বাড়িতে একা রয়েছি’-জাতীয় পোস্ট করবেন না কখনই।

৭. ফেসবুক একটি সোশাল মিডিয়া। আপনাকে জীবনের যাবতীয় তথ্য ফেসবুকে না দিলেও চলবে। আপনার দুধের দাঁত কবে ভাঙলো বা আপনার প্রেমিকা অন্য কোনো ছেলের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে আপনাকে না জানিয়ে- এই জাতীয় পোস্ট না দেয়া উচিৎ।

৮. ছেলেমেয়েদের বয়স অন্তত ১৩ না হলে ফেসবুক প্রোফাইল না খোলাই ভালো।

৯. বাড়ির বা অফিসের কম্পিউটারকে সবসময় অ্যান্টি ভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করান। অ্যান্টি ভাইরাস আপডেট করুন।

১০. নিজের মোবাইলসহ অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে সিকিওর রাখুন। নিজের মোবাইল ফোন অন্যের হাতে দেবেন না। ফেসবুকে লগ ইন করে যে কোনো অ্যাপস ব্যবহার করার পর অবশ্যই লগ আউট করবেন।

উপরের কথাগুলো শুধু যে ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যবহার করবেন তা কিন্তু নয়। পৃথিবীতে যত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আছে সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উপরোক্ত নির্দেশনা অনুসরণ করে আপনি সচেতন থাকুন। যাতে করে কখনও কোন সমস্যায় না পড়তে হয়। ধন্যবাদ সবাইকে । copy from. tt

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Chittagong