Afroj Calligraphy

Afroj Calligraphy

Share

ইসলাম নিয়ে কাজ করার খুব ইচ্ছে। আল্লাহর সন্তুষ্টি মূল স্বপ্ন

02/11/2024

উন্নতির সোপান

মাওলানা নযরুল হাফীয সাহেব জিজ্ঞাসা করলেন, হযরত! অনেক সময় তালিবে ইলম মেধাবীও হয় এবং পরিশ্রমীও হয় কিন্তু উন্নতি করতে পারে না। আবার কতক ছাত্র না মেধাবী হয়, না অনেক পরিশ্রমী, কিন্তু আল্লাহ তাকে বড় বানিয়ে দেন। এর কারণ কী?

হযরত জবাবে বলেন : এর অনেক কারণ আছে। বাবা-মার দুআ, হালাল রিযিক, তাকওয়া, আসাতিযাদের সম্মান, গুনাহ থেকে বিরত থাকা ইত্যাদি। মানুষ নিজের মেহনত এবং মেধা দিয়ে কিছু হতে পারে না। কত মানুষ দেখেছি, যারা অত্যন্ত মেধাবী ছিল, মেহনতিও ছিল, কিন্তু কোনো উন্নতি করতে পারেনি। সব জায়গায় ব্যর্থতার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আজ কেউ তাদের নাম পর্যন্ত জানে না। সবচেয়ে বড় জিনিস আল্লাহর অনুগ্রহ এবং তার তাওফীক। এটা ছাড়া মানুষ কিছু বনতে পারে না।

[মাজালিসে হাসানাহ : ১/১৬৫]

Photos from Afroj Calligraphy's post 23/10/2024

মাদ্রাসায় লাইন থেকে অনার্স সম্পূর্ণ করা আমার জন্য বিশাল বড় একটা চ্যালেঞ্জের বিষয় ছিল তাও আবার কওমি মাদ্রাসার কেন্দ্রিক পড়াশোনা। আলহামদুলিল্লাহ চুম্মা আলহামদুলিল্লাহ আমার এই পড়াশোনার পেছনে আমার মায়ের ছিল অক্লান্ত পরিশ্রম, আর আমার রবের অশেষ রহমত আমার উপর, আল্লাহ চাইলে আবারো ও পড়াশোনা শুরু করবো ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ যেনো কোনো উত্তম মাদ্রাসার ব্যবস্থা করে দেয়।

কুরিয়ার থেকে মার্কশিট , সার্টিফিকেট, হাদিয়া পেলাম। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের ইসলামিক অনলাইন মাদ্রাসার খেদমতকে ত্বরান্বিত করুক। আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুক।
আমিন ইয়া রাব্বুল আলামীন।

21/10/2024

"মিথ্যা মানুষকে পাপের দিকে নিয়ে যায়, পাপ তাকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়।" আল- হাদীস।

মিথ্যা আর মিথ্যুককে পরিত্যাগ করুন।

17/10/2024

ফজর নামাজ সময়মতো আদায় করতে না পারলে বা ছুটে গেলে বুঝতে হবে, আপনি ভয়াবহ কোনো গুনাহে লিপ্ত। দ্রুত নিজের কাজকর্ম সংশোধনে মনোযোগি হওয়া জরুরী।

আল্লাহ তাআলা শুধু তার প্রিয় আর বিশেষ বান্দাদেরই ফজরের জন্য জাগিয়ে দেন। ফজর পড়াটা মুনাফিকের জন্য খুবই কষ্টকর এক কাজ, সুতরাং নামাজের প্রতি সচেতন হোন।

— ওস্তাদ নোমান আলী খান।

16/10/2024

ইবনে রজব হাম্বলী বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি যুবক বয়সে শক্তিশালী অবস্থায় আল্লাহর দিকে মনোযোগী হয়, তাহলে ওই ব্যক্তির বৃদ্ধ বয়সে দুর্বল অবস্থায় আল্লাহ তায়ালা তার যত্ন নেবেন। তার এই বৃদ্ধাবস্থায়ই আল্লাহ তায়ালা তাকে ভালো শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি এবং বুদ্ধি দান করবেন।

একজন আলেম একশ বছরেরও বেশি বেঁচেছিলেন। তিনি ছিলেন সুস্বাস্থ্য এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী। একদিন তিনি হঠাৎ স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে লাফ দিয়ে উঠলেন। তাকে হঠাৎ লাফিয়ে উঠার কারণ সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি প্রত্যুত্তরে বলেন, আমি যুবক বয়সে আমার এই শারীরিক শক্তি খারাপ কাজ থেকে বিরত রেখেছিলাম এবং এ কারণেই আল্লাহ তায়ালা আমার শক্তিকে বুড়ো বয়স পর্যন্ত সংরক্ষণ করেছেন।

এর বিপরীত ঘটনাও জানা যায়। যেমন, একজন আলেম দেখলেন একজন ভিক্ষুক মানুষের কাছে ভিক্ষা করছে। তখন তিনি বললেন, এই দুর্বল ব্যক্তিটি যৌবন বয়সে আল্লাহ তায়ালাকে অবজ্ঞা করেছে। এ কারণে আল্লাহ তায়ালাও ওই ব্যক্তির বৃদ্ধ বয়সে অবজ্ঞা করেছেন। (জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম : ১/১৮৬)

[যুবক ভাইদের প্রতি বিশেষ বার্তা : ২৯]

14/10/2024

"ব্যক্তি যখন বাড়িতে আসবে তখন স্ত্রী ও পরিবার-পরিজনকে সালাম দেয়া মুস্তাহাব। অথচ এই আমল থেকে অনেক জাহিল, উদ্ধত ব্যক্তি অহংকারবশত বিমুখ রয়েছে... এছাড়া ব্যক্তি স্ত্রীর কাছে তার অবস্থা জানতে চাইবে। কেননা অনেক ক্ষেত্রেই নারীর নিজস্ব প্রয়োজন থাকে, কিন্তু নিজে থেকে সেটা জানাতে সে লজ্জা পায়। তবে যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয় তখন সে আনন্দের সাথে প্রয়োজনের কথা জানিয়ে দেয়।
আর এটা (স্ত্রীর) জন্য মুস্তাহাব যে বাড়িতে প্রবেশের পর স্বামীকে 'কেমন আছেন' তা জিজ্ঞেস করবে"।
~ ইমাম আন নাওয়াউই [রাহ.]
[ আল মিনহাজ শারহু সাহিহ মুসলিম: ৯/২২৫, দারু ইহইয়াইত তুরাস, বৈরুত, ১৩৯২ হি.] p: 875

13/10/2024

আপনি কথা বলে যাচ্ছেন, আর আপনার সঙ্গী মোবাইল টিপছে; তাকাচ্ছেও না। নিঃসন্দেহে এমন পরিস্থিতিতে খুবই কষ্ট লাগে।

এবার নবিজির অবস্থা দেখুন। পারস্পরিক কথাবার্তায় নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চেহারা সম্পূর্ণভাবে ব্যক্তির দিকে নিবদ্ধ করে রাখতেন, যাতে সে আনন্দ পেতে পারে। নবিজি মানুষকে এমনভাবে মূল্যায়ন করতেন যে, লোকজন ভাবতো, তিনি হয়তো তাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেন! এমনকি তিনি কোনো গোত্রের নিকৃষ্ট ব্যক্তির সাথে কথা বলার ক্ষেত্রেও এভাবেই কথা বলতেন।
[সহিহ শামায়েলে তিরমিযি: ২৬৪]

আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিজে ঠেকে, শিক্ষা পেয়ে, অবহেলিত বা অপমানিত হয়ে শিখতে পছন্দ করি। অথচ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে আছে আমাদের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হয়েও তিনি নিকৃষ্ট ব্যক্তিদেরও সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করতেন। সেখানে আমি-আপনি এমন কী হয়ে গেলাম যে, লোকেরা আমাদের সাথে কথা বলার সময় বিরক্তিবোধ করে, হতাশ হয়!?

একজন সাহাবি বর্ণনা করেন,
‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথায় কঠোরতা বা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের ভাব থাকত না।’
[বায়হাকি, শু‘আবুল ঈমান: ১৩৬২; সহিহ শামায়েলে তিরমিযি: ১৬৭]

কেউ কথা বলার সময় যদি আপনি মোবাইল টিপেন বা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে তো তাকে অবমূল্যায়ন করলেন, তাকে তুচ্ছজ্ঞান করলেন। এমনটি করা উচিত নয়। এটি কোনো মুমিনের সিফাত (বৈশিষ্ট্য) নয়। এছাড়া, আপনি আল্লাহপ্রদত্ত প্রাকৃতিক উপায়ে এর বদলাও পেয়ে যেতে পারেন। দেখবেন, অন্য সময় আপনিও এভাবে অবমূল্যায়ন বা অবহেলার শিকার হচ্ছেন।

একজন প্রকৃত মুমিন সর্বদা মানুষের সাথে সেই আচরণটাই করে, যে আচরণ সে অন্যের কাছ থেকে পেতে ভালোবাসে।

~সংগৃহীত

13/10/2024

ছেলেরা চাইছে মেয়েরা বোরকা পরুক, কিন্তু নিজেদের দৃষ্টি সংযত রাখতে মনে থাকে না।

মেয়েরা চাইছে ‘স্মার্ট’ পোশাক পরতে, সাথে চাইছে ছেলেরা যাতে খারাপ দৃষ্টিতে না তাকায়।

হিপোক্রেসিটা এখানেই। আমি নিজে ধর্ম মানি না, কিন্তু আশা করছি আশেপাশের মানুষ ধর্ম মেনে চলুক!

© পর্দা

13/10/2024

প্রতিদিন তিনজনের গিবত করলে, ৬০ বছর হায়াত পেলে, রোজ কেয়ামতে ৬৫,৭০০ জন লোক আমার বিরুদ্ধে আল্লাহর আদালতে মকদ্দমা লড়বে, নাউযুবিল্লাহ।

~শায়খ আতিক উল্লাহ (হাফিঃ)

11/10/2024

যদি নির্জনতার মাধ্যমে শয়তান আপনাকে সবচেয়ে বেশি কাবু করার চেষ্টা করে, তাহলে একাকী থাকা ছেড়ে দিন। কেননা, একাকিত্বের কারণে কিছু গুনাহ মানুষের ওপর চেপে বসে। যখনই সে একাকী হয়, সাথে সাথে শয়তান তার ওপর পরিপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করার জন্য উঠেপড়ে লাগে। ফলে গুনাহে লিপ্ত হওয়ার জন্য তার কুপ্রবৃত্তিকে নাড়া দেয়।

অবসর ও একাকী সময়গুলো পুণ্য অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু সাথে সাথে এটি এমন এক অস্ত্র, যার সামনে একমাত্র সুদৃঢ় মজবুত ও কঠোর ইমানের অধিকারী ছাড়া কেউ টিকতে পারে না। টিকতে না পেরে শয়তানের অস্ত্রে পরিণত হয়ে গুনাহে লিপ্ত হয়ে পড়ে মানুষ। অতএব আপনি যদি দুর্বল ইমানের অধিকারী হয়ে থাকেন, তাহলে কিছুতেই নিজেকে একাকী বা অবসর ছেড়ে দেবেন না। প্রত্যেকেই তো নিজের ইমানের ব্যাপারে জানেন, তাই সে অনুযায়ী কাজ করুন।

[যে রোগে অন্তর মরে : ১৭৬]

11/10/2024

জুমু'আর দিনের গুরুত্বপূর্ণ
তিনটি নেক আমল:

❏ দু'আ করা: 🌸

রাসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “জুমু'আর দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যেখানে এমন কোন মুসলিম নাই যে, সে যদি তখন আল্লাহর নিকট কিছু চায়, আল্লাহ তাকে দিবেন না। আর তোমরা আসরের পরে (মাগরিবের আগের) শেষ ঘণ্টায় সে সময়টা তালাশ করো।”

(আবু দাউদে বর্ণিত এই হাদিসটি সহিহ)

❏ সূরা আল-কাহফ পাঠ: 🌸

রাসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
“যে ব্যক্তি জুমু'আর দিনে সূরা আল-কাহাফ (কুরআনের ১৮ নং সূরা) পাঠ করবে, তার জন্য পরবর্তী জুমু'আ পর্যন্ত আলোকময় হবে

[সহিহ আত-তারগিব: ৭৩৬ হাসান (সহিহ) হাদিস]

❏ অধিক পরিমানে দরুদ পাঠ: 🌸

রাসূলুল্লাহ সল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
“তোমাদের দিনসমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হল জুমু'আর দিন। এই দিনে আদমকে সৃষ্টি করা হয়েছে, এই দিনে তাকে মৃত্যু দেওয়া হয়েছে, এই দিনে সিঙ্গায় ফুঁ দেওয়া হবে এবং ক্বিয়ামত ঘটবে এই দিনেই। তাই এই দিনে তোমরা বেশি বেশি আমার উপর দরুদ পাঠ করবে; কেননা তোমাদের দরুদ আমার উপর পেশ করা হয় জুমু'আর দিনে।

দু'আ কবুলের মুহুর্তে আমরা ফিলিস্তিনবাসীর জন্য দু'আ করতে যেন না ভুলি ইনশাআল্লাহ

10/10/2024

আমি এমন অনেক মানুষকে দেখি, যারা সীমাহীন গোপন ও প্রকাশ্য গোনাহের মধ্যে লিপ্ত। তারা গোনাহ করতে করতে যেন ক্লান্ত হয়ে গেছে। তাদের এগুলো করার কারণ হলো, তারা আল্লাহ তাআলার পাকড়াওয়ের বিষয়টি হালকাভাবে নিয়েছে। তারা ধারণা করছে, তারা যে ভালো কাজগুলো করে যাচ্ছে, এগুলোই সেই গোনাহের সমপরিমাণ ও সমতুল্য হয়ে যাবে। এভাবেই তাদের ধারণার জাহাজ চলতে থেকেছে। কিন্তু কখন যে এখানে আল্লাহর কৌশলের পানি ঢুকে পড়েছে এবং জাহাজকে ডুবিয়েছে—তাদের কোনো খবরই নেই।

[হৃদয়ের দিনলিপি : ২৪০]

Want your establishment to be the top-listed Arts & Entertainment in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Chittagong