Mk Iconic Design
জীবনের যেকোনো সমস্যা,সুখ দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে।
29/10/2025
মেয়েটি যখন পানি চায় তখন একজন মেয়েটির মুখে প্র-স্রাব করে দেয়, মেয়েটি বলে আমি আর সহ্য করতে পারছিনা। আমাকে তোমরা মে-রে ফেল.....😓😓
২০১৬ সালে ১ লাখ টাকা নিয়ে শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য অটোতে উঠলে অটো চালক তাকে অন্য জায়গায় নিয়ে যায়। তখন মেয়েটি চিৎকার করলে তাকে মা-রধর করে,পরে মেয়েটিকে জঙ্গলে নিয়ে ৪ জন মিলে পালাক্রমে জোর করে রাতভর ধ-র্ষন করে.. সকালে রাস্তায় পরে থাকা অবস্থায় এক পথচারী মেয়েটিকে দেখতে পায় পরে সেও তাকে ধ-র্ষন করে। মেয়েটির অবস্থা এমন করে ছিলো বাঁধাও দিতে পারেনি,অনেক খোঁজা খুজির পর তাকে খিস্টান পাড়া জঙ্গল থেকে উ-দ্ধা-র করা হয়। সুইটি এখনও মানসিক ভারসাম্য হীন।
পরে আসামিদের নামে মা-ম-লা করা হয়। দীর্ঘ ৯ বছর পর আদালতে ফাঁসির রায় প্রকাশের পর সবাই কান্নায় ভেঙে পরে। আলহামদুলিল্লাহ ☝️☝️
আসামিদের ৪ জন কে মৃ-ত্যুদ-ন্ড ও নগদ ১ লাখ টাকা করে জ-রি-মা-না করা হয়, আর একজন এখনো প-লা-ত-ক । এখন দ্রুত রায় কার্যকর হোক এটাই প্রত্যাশা।
©️
Follow : Mk Iconic Design & 𝙈𝙆 𝘾𝙞𝙩𝙮
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
29/10/2025
আমি ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারের একজন স্টুডেন্ট, বয়স উনিশ। বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। বাবা-মা দুজনেই চাকরি করেন। ছোটবেলা থেকে একা থেকেছি এ কারণে আমি বেশ জেদী। আমার পরে কেউ চিৎকার করে কথা বললে আমার সেটা ভালো লাগে না। নিজের মাও যদি চিৎকার করে কথা বলে সেটাও কেমন যেন সহ্য হয় না। তবে গত কয়েক বছর ধরে নিজের রাগ কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছি। আমার একটা সমস্যা হচ্ছে আমি রেগে গেলে সু-ইসাইডাল চিন্তাভাবনা মাথায় আসে। আমি কয়েকবার চেষ্টাও করেছি কিন্তু পারিনি,লাস্ট চেষ্টা করেছিলাম যখন ক্লাস টেনে পড়ি তখন। এরপর থেকে অবশ্য বাবা-মায়ের সাথে সম্পর্ক বেশ ভালো হতে থাকে তাই আর এ ধরনের কাজ করার দরকার পড়েনি। আজ সন্ধ্যা বেলায় মায়ের সাথে একটি বিষয়ে আমার বেশ ঝগড়া হয়। বলে রাখি, আমার বাবা আমাদের সাথে থাকেন না আমার বাবা অন্য একটা জায়গায় চাকরি করেন। ছুটি পেলে বাসায় আসেন। বাবা মায়ের সম্পর্ক বেশ ভালো এবং তাদের সাথে আমার সম্পর্কটাও ভালো। তবে আজ প্রায় দীর্ঘ দু'বছর পরে মায়ের সাথে আমার একটু বেশি ঝগড়া লাগে।
হঠাৎ করে কাল চিন্তা আসে মাথায় সু-ইসাইড করবোই। নিজের রুমে গিয়ে ফ্যানের সাথে যখনই নিজের ও-ড়নাটা ঝু-লালাম তখনই বুকের মধ্যে কেমন জানি করে উঠলো। তবুও নিজের সিদ্ধান্ত আমি অনড় ছিলাম। আজ আমি নিজের জী-বন দেবোই । আশ্চর্য একটা ঘটনা ঘটলো। ওড়নাটা ফ্যা-নের কোথায় যেন আটকে গেল। এমন একটা অবস্থায় আটকে গেল যে আমি যদি চাই তাহলে ফা-শ নিতে পারবো তবে আমার পা মাটি টাচ করতে পারবে। দীর্ঘ এক ঘণ্টা চেষ্টা করার পর ফ্যা-ন থেকে ওড়না ছাড়ালাম। এরপর থেকে কেমন যেন ভয় ভয় লাগছে। আমি আগেও এমন সু-ইসাইড করার চেষ্টা করেছি কিন্তু এরকম ভয় কখনো লাগে নি। নিজের রুমের মধ্যে ঢুকতে কেমন জানি ভয় ভয় লাগছে,মনে হচ্ছে যেন রুমটা একদম ভারী হয়ে গিয়েছে রুমের মধ্যে কিছু আছে। নিজের বাসার মধ্যেও কেমন যেন ভয় ভয় লাগছে মনে হচ্ছে বাসায় কিছু একটা আছে । কেন এমন লাগছে আমি ঠিক বুঝতে পারছি না। এত বছর ধরে নিজের বাসায় থাকছি।কোনোদিন এমন লাগেনি। কেউ কিছু জেনে থাকলে প্লিজ আমাকে জানাবেন।
উল্লেখ্য : মায়ের সঙ্গে কথা কা-টাকাটির বিষয়টি ঠিক হয়ে গেছে। ভয় টা এখনো যাচ্ছে না। নিজের রুমের দিকে তাকাতে কেমন যেন ভয় লাগছে,বেডের পরে চেয়ার রেখেছিলাম। চেয়ারটা যখন নিচে নামাচ্ছিলাম তখনও ভয় লাগছিল। আমার এখন কি করা উচিত?
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আপু
Follow : 𝙈𝙆 𝘾𝙞𝙩𝙮 𝙊𝙛 𝙍𝙚𝙖𝙡 𝙎𝙩𝙤𝙧𝙮 & Mk Iconic
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
আমি প্রেগন্যান্ট 7 মাস রানিং, আমি সে ভাবে কোন কাজ করতে পারি না। আমাদের পানির কোন ব্যবস্থা নাই। মানে কল বা মটর নাই, আমার বড় ভাসুরের মটার আছে সেখান থেকে এতদিন পানি ব্যবহার করছি। কাল হটাৎ করে তারা পানির লাইন অফ করে দিছে এখন আমরা কি করব কিছু বুঝতে পারছি না। আমার হাসবেন্ড চাকরি করে মাসে 9 হাজার টাকা পাই। আমার ঔষধ, সংসারের বাজার সব মিলিয়ে কোনো ভাবে টানাটানি করে চলে। এখন সামনে আমার ডেলিভারির খরচ আবার সংসারের নানান ঝামেলা সব মিলিয়ে পানির ব্যবস্থা করা সম্ভব না আর পানি ছাড়া কিভাবে চলব তাও বুঝতে পারছি না।
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আপু
Follow : Mk Iconic Design
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
যে মানুষ টাকে পা-গলের মতো ভালোবেসে ছিলাম তাকে হারানোর ভয়ে পালিয়ে বিয়ে করি। কিন্তু ভাগ্য এক সাথে থাকতে দেয়নি। তার ব্যাবহার আচার আচরণ এতো টা খারাপ হয়ে যায় যে তার সাথে থাকতে দ-ম বন্ধ হয়ে আসতো। আমি মেনে নিতে পারিনি কিছুতেই তার বদলে যাওয়া টা মানতে পারিনি। 😭 আজ শুনলাম সে মানুষ টা ভলো নেই আমার কেনো এতো কষ্ট হচ্ছে তার জন্য। আমি তার কাছে থাকতে সে আমাকে বুঝলো না আমি তো তাকে ছাড়তে চাই নি সেই বাধ্য করছে তার থেকে দূরে যেতে। তাহলে আজ কেনো আবার তার জন্য আমি কষ্ট পাচ্ছি যার জন্য আজ আমি ডিভোর্সের খাতায় নাম লিখেছি। আমি কখনই চাই না সে খারাপ থাকুক তাকে তুমি অনেক ভালো রাখো আল্লাহ 😭।
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আপু
Follow : Mk Iconic Design
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
28/10/2025
২ বছরের রিলেশন ছিল, ডিপ রিলেশন। ওয়াদা করেছিলাম মেয়েটাকে যে বিয়ে করবো তাকে। কিন্তু একটা সময় তাকে বিরক্ত লাগতে থাকে। আমি হঠাত তাকে সহ্য করতে পারিনা। একদিন কোনো কথা ছাড়াই আমি রাতারাতি তাকে ছেড়ে দিলাম। কেন ছাড়লাম আজও জানিনা, সহ্য করতে পারতাম না তাকে।
ঐ অনেক কান্না করেছিল, আমার পা ধরেছিল যেন না ছাড়ি তাকে। ওর মত যত্ন, ভালোবাসা আর কেয়ার আমাকে কখনো কেউ করেনি। আমার ফ্যামিলি ও না। যখন আমার কিছু ছিলনা তখন ঐ ছিল, ২ বছর পর আমার সরকারি জব হলো, তখনও ওর চাওয়া পাওয়া ছিলনা। শুধু বিয়ে বসতে চাইতো মেয়েটা, ওর অনেক সখ ছিল আমার বৌ সাজার। তবুও কেন ছাড়লাম জানিনা।
হয়তো আমার লায়েক মনে করতাম না তাকে। সরকারি জব পাবার পর তার প্রতি অনীহা চলে আসছিল। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যাংকার মেয়েদের বিয়ের প্রস্তাবের সামনে আমার ছোট্ট, কম বয়সের কলেজ পাশ, এতিম মেয়েটাকে ফ্যাকাশে লাগছিল।
মা বললেন, তোকে পড়াইতে অনেক টাকা খরচ করেছি, ছোট ঘরের, এতিম মেয়ে বিয়ে করলে পোষাবে? আমাদের স্টাটাসের সাথে যাবে না। আর এই মেয়ে আমার পছন্দও না। দেখতে মোটা, অসুন্দর, এতিম আর তোর সাথেও মানায় না।
ছেড়ে দিলাম মায়ের কথায়। সবার আগে মা। উনি আমাকে পড়ালেখা করাইছেন, উনার হক আছে আমার বৌ নির্বাচন করার।
তারপর মা আর পরিবারের সবাই মিলে একজন প্রতিষ্ঠিত মেয়ে বিয়ে করলাম। টাকা পয়সা আরাম আয়েশ সবাছে জীবনে। সামাজিক স্টাটাস আছে, যে কেউ দেখলে খুব তারিফ করে বলে, অনেক শিক্ষিত আর প্রতিষ্ঠিত বৌ বিয়ে করেছি।
অথচ দিনশেষে আমি সুখী না, বৌয়ের অনেক বাজে আচরণ সহ্য করে যাই, কোনভাবেই তার মন পাইনা। তার চাওয়া পাওয়া, ডিমান্ড, নিজের বাবার পরিবার নিয়ে বেশি ইনভল্ব থাকা, আমাকে তার চোখে হ্যান্ডসাম না লাগা,,, আমার জন্য বিশেষ কিছু রান্না না করা, করতে বললে কাজ আছে, টায়ার্ড এসব বলে এভয়েড করা।
কখনো রান্না করলেও সেগুলো অফিসে নিয়ে যাওয়া। ঘন ঘন ঘুরতে বের হওয়া। রাত করে চায়ের আড্ডা দেয়া বন্ধু কলিগ বান্ধবী বান্ধবীর জামাই। অফিসে আজকে এই পার্টি কাল সেই পার্টি। বাচ্চাগুলোর চিন্তা না করা। আমার বয়স্ক মায়ের কাছে ফেলে রাখা। মায়ের সাথে ঝগড়া করা। আমার সাথে ঝগড়া করা। ঘরে অশান্তি আর অশান্তি। এমন আরো অনেক কিছু আছে যেগুলো আমি লেখিনি লিখতে ইচ্ছে করছেনা।
এখন দিনশেষে আমি শুধু ভাবি, আমার সংসার আমার পরিবার তো এমনটা আমি কল্পনায় সাজাইনি। সাজিয়েছিলাম হাসিখুশি একটা জীবন সেই ছোট অপ্রতিষ্ঠিত মেয়েটার সাথে! ভেবেছিলাম শুধু মানুষ চেঞ্জ করলে তো আর আমার সংসারে সাজানোর কল্পনা চেঞ্জ হবেনা। সব তো সেইম ইই থাকবে। শুধু তো মেয়েটাই চেঞ্জ করছি। তারপর একদিন, কোনো এক সন্ধ্যায় আমার এই ভুলটা ভেঙে যায়। 🙂
এখন মাঝে মাঝে প্রায়ই আমার মাথায় ওর ভয়েস ঘুরে, হাসি ঘুরে, কান্না চেহারাটা ঘুরে। ঐ কেমন আছে জানিনা। কোন কনট্যাক্ট রাখেনি আমার সাথে। কোথাও খুজেঁ পাইনা। না ফেসবুক, না অন্য কোথাও। একদিন কি মনে করে যেন তার নাম গুগল সার্চ বারে লেখি।, সবার প্রথমেই তার নাম আর ছবি আসে। অনেক অবাক হয়ে ব্যাক গিয়ে আবারও লেখি। নিজের চোখে বিশ্বাস হচ্ছিল না। যে মেয়েকে আমি সরকারি চাকরি পেয়ে ছেড়ে দিয়েছিলাম, সেই মেয়ে এখন একটা ইন্ডাস্ট্রিয়াল আইকন। আমার মত ১০০ জন আমলা সে হায়ার করার যোগ্যতা রাখে।🙂
আচ্ছা সে কি আমাকে ভুলে গেছে? আমি যদি এখন তার সাথে কথা বলতে যাই শুধুমাত্র ক্ষমা চাইতে সে কি ভাববে যে, সে এখন অনেক ধনী তাই আমি তাকে বিরক্ত করতে চাচ্ছি? আমি এত কিছু জানিনা। শুধু জানি আমি তার সাথে চরম অন্যায় করেছিলাম। সে আমাকে একটা অভিশাপ দিয়েছিল।
তাকে অভিনন্দন, তার দেয়া অভিশাপের প্রত্যেকটি শব্দ আমার লেগেছে। আমার বিবাহিত জীবন আর ব্যক্তিগত জীবন ভিতর থেকে এতটাই কষ্টের যে আমার চাকচিক্য দেখে সেটা বুঝা যায় না।
আমি জানতাম এই পেইজটা তার প্রিয়, তাই এখানে পোস্ট করলাম। যদি কখনো তার চোখে এই পোস্ট পরে, যদি আমার এই পোস্ট তুমি কখনো দেখে থাকো তাহলে তোমাকে অভিনন্দন। তোমার অভিশাপ আমার লেগেছে। 🙂 আচ্ছা তুমি তো আমাকে ভালোবাসতে, আমার দীর্ঘায়ু চাইতে, তাহলে তুমি কি করে আমাকে অভিশাপ দিতে পারলে? এই বিশ্রী জীবন তো তোমার দেয়া অভিশাপেরই ফল!
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভাইয়া
Follow : Mk Iconic Design
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
28/10/2025
একটা সময় শুধু ফেসবুকের বন্ধুত্ব ছিলো তাদের মাঝে। প্রতিদিন একটু একটু করে কথোপকথন জমে উঠতে লাগলো, হাসি-ঠাট্টা, খুনসুটি—এর মাঝেই জন্ম নিলো অদ্ভুত এক টান। মুনতাহা বুঝতে পারলেন, এ শুধু বন্ধুত্ব নয়, এর গভীরে আছে ভালোবাসার স্রোত।
কিন্তু একদিন হঠাৎ করেই জানতে পারলেন, যাকে তিনি এতটা আপন করে নিয়েছেন, সেই ছেলেটি একজন প্রতিবন্ধী। মুহূর্তের জন্য থমকে গিয়েছিলেন মুনতাহা। সমাজ, পরিবার—সবকিছুই যেন সামনে এসে দাঁড়াল। কিন্তু ভালোবাসা কি কোনো শরীরের বাঁধনে থেমে যায়? মুনতাহা বুঝলেন, তিনি আসলে ভালোবেসেছেন হৃদয়কে, নয় শরীরকে।
যখন তিনি বিয়ের প্রস্তাব দিলেন, পরিবার মানতে চাইল না। শত বাঁধা, শত আপত্তি, অশ্রু আর কান্না—সবকিছু সহ্য করেও মুনতাহা একদিন সিদ্ধান্ত নিলেন। ভালোবাসার হাত ধরে তিনি বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এলেন। প্রতিবন্ধী ছেলেটির হাত ধরে বললেন—
“আমার সুখ তোমার সাথেই, তোমার হাতেই আমার নিরাপত্তা। পৃথিবী যদি না মানে, তবুও আমি মানি।”
আজ তারা দুজনেই সুখে-শান্তিতে সংসার করছেন। চারপাশ হয়তো এখনো হাজার প্রশ্ন তোলে, কিন্তু তাদের ভালোবাসার কাছে কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন হয় না। মুনতাহা হাসিমুখে বলেন—
“আমি যদি পাগল না হই বা মরে না যাই, তাহলে কোনোদিনও তাকে ছেড়ে যাবো না। এটাই আমার সত্যিকারের ভালোবাসা।”
ভালোবাসা মানে ত্যাগ, সাহস আর অটল প্রতিজ্ঞা—মুনতাহা আর তার প্রিয় মানুষটি সেই গল্পের জীবন্ত প্রমাণ। ❤️
Follow : 𝙈𝙆 𝘾𝙞𝙩𝙮 𝙊𝙛 𝙍𝙚𝙖𝙡 𝙎𝙩𝙤𝙧𝙮
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
28/10/2025
যার স্বামী নিজের স্ত্রীর পাশে রয়না, পুরো পৃথিবীও তাকে আগলাতে পারেনা। কাল রাতের রান্না বসাইছি চুলায়। বাইরে চেঁচামেচি শোনা যাচ্ছিল। বিদেশফেরত জামাই তার বউকে ইচ্ছামত বকতেছে, বউ এতক্ষণ কি করছে কিসের এত কাজ এই সেই। অথচ বউটা দ-ম ফেলার সুযোগ পাচ্ছেনা। এদিক ওদিক ছুটে ছুটে কাজ করতেছে। লোকটা বিরক্ত হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে বাচ্চাটা রাখতে হচ্ছে তার। পাশেই মোড়ায় বসে শাশুড়ি পান চিবায় আর বউয়ের কাঁচুমাচু লজ্জিত মুখের দিকে তাকায় মিটিমিটি হাসে। একবারও বউটার কোনো কাজও আগায় দিলোনা, বকতে থাকা লোকটারেও কিছু বললোনা, এমনকি নাতিটারেও ধরলোনা। যথেষ্ট শক্ত সামর্থ্য একজন মহিলা। অবাক হয়ে ভাবলাম এ কোন প্রজাতি! আর এনার গলার যা জোর, একটা জোরে কথা বললে ক-লিজা কেঁপে উঠে।
এদিকে বউয়ের মুখ কাঁদো কাঁদো। এদের আবার কিছু বলা যায়না। মা-রমুখো হয়ে তেড়ে আসে। আর মুখের যা ভাষা বাপরে ! কোনো সভ্য লোক ওদের সাথে লাগতে যাবেনা। যেমন এই শাশুড়িটা তেমনই তার ছেলেগুলো। তবে প্রায়ই খেয়াল করে দেখি প্রবাসীর বউটারই অযত্ন বেশি হয়, অপমান ওরই সইতে হয় বেশি। ওর পাশে দাঁড়ানোর কেউ নাই। যার স্বামীই পাশে রয়না, পুরো পৃথিবীও তাকে আগলাতে পারেনা।
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আপু
Follow : 𝙈𝙆 𝘾𝙞𝙩𝙮 𝙊𝙛 𝙍𝙚𝙖𝙡 𝙎𝙩𝙤𝙧𝙮 & Mk Iconic Design
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
আজ থেকে প্রায় ৭ বছর আগে আমি একটা সম্পর্কে ছিলাম। সম্পর্কটা ছিল প্রায় এক বছরের মতো। কিন্তু পরে ওর সামাজিক অবস্থান বা ‘স্ট্যাটাস’ নিয়ে সমস্যা হওয়ার কারণে ও আমাকে ছেড়ে দেয়, এমনকি অপমানও করে। যদিও এখন আমি আলহামদুলিল্লাহ, নিজের একটা ভালো ব্যবসা করি। ওর সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর আমি স্কুল বদলাই। নতুন স্কুলে গিয়ে দেখি, আমি যখন নবম শ্রেণিতে পড়ি, তখন এক মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। আমার ছোট বোন না থাকায় ওকে আমি নিজের বোনের মতো করে নিই, আর পুরো স্কুলই জানত ও আমার বোনের মতো। এরপরও আমার আগের প্রেমিকার কথা মনে পড়লেই শরীরের লো-ম খা-ড়া হয়ে যেত—কারণ আমি ওকে সীমাহীন ভালোবাসতাম। ওর জন্য কত পা-গলামিই না করেছি! কিন্তু এখন আমি ওর প্রতি ঘৃণা করতে শিখেছি।
এরপর ওই স্কুলের সেই ছোট বোনটার কথায় আসি। ওর এক ছেলের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল। বন্ধুত্বই বলব, কারণ ওর পক্ষ থেকেই ভালো লাগা তৈরি হয়েছিল। আমি ওকে জিজ্ঞাসা করতাম, “তুই কি ওর সঙ্গে সম্পর্ক করিস?” ও বলত, “না ভাইয়া, তবে একজনকে ভালোবাসি, যাকে কোনোদিন পাব না, জানি তাও ওকে ভুলতে পারি না।”পরে ও যখন এসএসসি দেয়, জানতে পারি যে ও সেই ছেলেটার জন্য অনেক কেঁদেছে কিন্তু ছেলেটা ওকে বুঝেইনি, বরং যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। তখন কাকতালীয়ভাবে আমিও ওকে প্রপোজ করি। ও প্রথমে রাজি হয়নি, বলেছিল—“আপনি তো আমার ভাইয়ের মতো ছিলেন।” অনেক বুঝানোর পর ও রাজি হয়। এরপর আমরা স্বাভাবিকভাবে কথা বলা শুরু করি। ধীরে ধীরে আমি ওকে এমনভাবে নিজের জীবনে জায়গা দিই যে এখন পুরো পরিবারও জানে—ও আমার জীবনের মানুষ, আমার ছোট বোন না।
ওর আগের ছেলেটা পর্যন্ত ওকে ফিরে পায়নি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এখনো ওর মধ্যে সেই ছেলেটার প্রতি একটা আবেগ রয়ে গেছে। যখনই ওর সঙ্গে ছেলেটার কোনো কথা হয়, আমি প্রচণ্ড কষ্ট পাই। এমনও হয়েছে যে, সারাদিন কেঁদেছি, ভেতরটা কেমন যেন হয়ে গেছে।
আগে এমন হলে আমি সম্পর্কটা ছেড়ে দিতাম, কিন্তু এবার পারিনি। কারণ, আমরা একবার একসঙ্গে রু-মডেটে গিয়েছিলাম। সেদিন থেকে আমি ধরে নিয়েছিলাম ওর আগে এসব কিছু হয়নি। আমারও সেটা প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল। ওর আর ওই ছেলেটার মধ্যে সত্যিই কিছু ঘটে নি। ওর পাঠানো ভয়েস রেকর্ড শুনে বুঝেছি, ছেলেটাও এখন অনুশোচনা করছে, আর ও নিজেও কষ্ট পাচ্ছে। সেদিন আমি ওকে বলেছিলাম, “তুমি আমাকে ছেড়ে দাও, ওর কাছেই ফিরে যাও।” কিন্তু ও বলেছিল, “না, আমি তোমাকে ছাড়তে পারব না।” আমি আবার বলেছিলাম, “তুমি ওর সঙ্গে থাকলে হয়তো সুখে থাকবে।” ওর উত্তর ছিল, “আমার কোনো প্রয়োজন নেই, আমার শুধু তুমি লাগবে।”
আমি জানি, আমি ওকে ছেড়ে দিলে ও একেবারে ভেঙে পড়বে। এবং কি অই ছেলে হোক ওর পরিবার হোক অকে কখনই control করতে পারে নি কারন ওর আমাকে হারানোর ভয় আছে তাই আমি ঊট্টে বললে উঠে বসতে বললে বসে। কিন্তু আমারও কষ্ট হচ্ছে। আমি চাই ওর অতীতটা ভুলে যাক, কিন্তু পারছে না। আর ও পারছে না বলেই আমিও শান্তি পাচ্ছি না।
আমাদের সম্পর্ক এখন মাত্র ৬–৭ মাসের কিন্তু সেই সময়ের মধ্যেই আমরা রু-মডেট করেছি, শা-রীরিক সম্পর্ক হয়েছে—যদিও আমি ওকে জোর করেছিলাম, কারণ ও আমায় ভালোবাসে। এখন ওর বয়স মাত্র ১৭। ওর মধ্যে এখন আবেগে ভরা তাই বিষয় টা কে আরো কি সময় দেয়া উচিত তাও কিভাবে দিব বুঝতেছি নাহ। আমাদের দুই পরিবারের অনেকেই জানে আমরা একে অপরকে ভালোবাসি, ভবিষ্যতে বিয়েও করব। তবুও ওর অতীতের সেই ছেলেটার প্রতি আবেগ আমাকে ভেতর থেকে কু-রে কু-রে খাচ্ছে। আমি জানি, এখন বললেই হয়তো ওকে ছাড়তে পারতাম না। কারণ আমি জানি, আমি ওর জীবনের প্রথম পুরুষ, আর ও আমার জীবনের প্রথম নারী।
তবু এখন বুঝতে পারছি না—আমার কী করা উচিত।
সময় দিয়ে ওকে ভালোবাসা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া উচিত ওর আবেগ টাকে , নাকি নিজের মনকে কঠোর করে ওকে ছেড়ে দেওয়া উচিত—আমি সত্যিই জানি না কি করব। সবার শেষে একটাই কথা বলব ও আমাকে ভীষন ভালোবাসে আর আমিও।
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভাইয়া
Follow : Mk Iconic Design
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
বেশ কয়েকদিন আগে কাজিন কে Ai দিয়ে কিছু পিক ইডিট করে দিয়েছিলাম (মূলত ড্রেস চেঞ্জ করে শাড়ি, নায়রা এই টাইপের ড্রেস পরিয়ে দিয়েছিলাম)। সেই ছবি তার ননদ তার গ্যালারিতে দেখে ওর শাশুড়ী কে কান পরা দিছে। অনেক দিন যাবতই নাকি এটা নিয়ে অশান্তি চলতাছে,ওর কথা কেউ বিশ্বাসই করতে চাচ্ছে না। আচ্ছা শ্বশুর বাড়ির লোকজন এরকম কেন??
যদি ও ড্রেসগুলো কিনেও থাকতো তাহলেই বা সমস্যা কি? ওর হাজবেন্ডের টাকার উপর কি ওর খরচ করার অধিকার নাই? বিষয় টা জানার পর এতো খারাপ লাগতেছে বুঝাতে পারবো না। এখন শুধু নিজেকেই দোষি মনে হচ্ছে।
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আপু
Follow : 𝙈𝙆 𝘾𝙞𝙩𝙮 𝙊𝙛 𝙍𝙚𝙖𝙡 𝙎𝙩𝙤𝙧𝙮
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
প-রকীয়া কত জঘন্য!
সেদিন ঘুরতে বেরিয়েছিলাম তারপর শপিংয়ে গেলাম। শপিংমলে ড্রেস চুজ করার সময় একজনের কথা কানে এলো। এক মেয়ে ফোনে বলতেছে , "তুই কবে আসবি বল। গ্রামে যাইয়া বউ বাচ্চার প্রতি দরদ বেড়ে গেছে? এটাচমেন্ট তৈরি হয়ে গেছে ? আসতে ইচ্ছে করতেছেনা এখন? চিনোস তুই আমারে ? একদম মিথ্যা বলবিনা। তুই কালকের মধ্যে ফিরবি ! আমারে ভুলে গেছিস? !! "
ওপাশের কথা তো আর শুনিনাই। এটুকু শুনেই মেজাজ এতো খারাপ হইছে কি আর বলব ! দুনিয়াটা কই যাচ্ছে !!
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আপু
Follow : Mk Iconic Design
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
10/10/2025
আমার বয়স ২৬ পেরিয়ে ২৭ ছুঁই ছুঁই। আমার মানসিক অবস্থা দিন দিন এতটাই খারাপ হচ্ছে যা কাউকে বোঝানো সম্ভব নয়। তবুও যদি আপনারা ভালো মনে করেন, কিছু উপদেশ দিয়ে যাবেন; অন্যথায় বাজে কথা বলবেন না, দয়া করে। এবার আসি মূল কথায়—আমি একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের একমাত্র মেয়ে। আমি একটি স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স (মাস্টার্সের পরীক্ষা বাকি আছে) শেষ করেছি। কিছু মাস আগে আমার দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছে। এর নয় বছর আগে আমার প্রথম বিয়েটা পারিবারিকভাবেই হয়েছিল, কিন্তু বিভিন্ন সমস্যার কারণে দুই পরিবারের সম্মতিতে তালাক হয়ে যায়। সেখানে মাত্র কয়েকদিনের সংসার ছিল। এরপর থেকে আমি নিজের পড়াশোনা ও চাকরির প্রস্তুতি নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। বাবা-মা অনেক বললেও আমি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পেতাম।
হঠাৎ করেই রোজার মধ্যে একজন পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে একটি বিয়ের প্রস্তাব আসে। ছেলে ইউরোপের একটি দেশের নাগরিক। আমি প্রথমে মানা করে দিয়েছিলাম, কারণ আমার বাবা অসুস্থ ছিলেন এবং আমার প্রবাসী ছেলে পছন্দ ছিল না। ঈদের কয়েকদিন পর সেই পরিচিত ব্যক্তি জানালেন যে ছেলে আমার সাথে দেখা করতে চাচ্ছে। আমি না করলেও তিনি বললেন, "দেখা করলেই তো আর বিয়ে হবে না।" তাই আমি আমার এক ছোট বোনকে নিয়ে তার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম।
ছেলে হিসেবে সে খারাপ ছিল না। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আমি আমার অতীত বলে দিয়েছিলাম এবং আমার কেমন জীবনসঙ্গী পছন্দ, তাও জানিয়েছিলাম। তখন সে আমার সব কথার সাথে একমত হয়েছিল এবং আমি সেগুলো সত্যি ভেবে নিয়েছিলাম। এর ভেতরে যে তার অন্য রূপ লুকিয়ে ছিল, তা আমার জানা ছিল না। সে বলেছিল, বিয়ের পর সে বউকে নিয়ে তার কাছে চলে যাবে,আমার পরিবার প্রথমে রাজি হয়নি। তবে বেশ কিছুদিন পর তার পরিবার আমাদের বাড়িতে এলো। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও আমার অতীতের কারণে তারা বাড়িতে এসে আর রাজি হয়নি। আমার বাবাও 'না' বলেছিলেন। ছেলে তখন আমাকে বিভিন্নভাবে বোঝালো যে, সে আমাকে দেশে রাখবে না, নিয়ে যাবে—আরও অনেক কিছু বোঝালো। আর আমিও বোকার মতো তার কথা বিশ্বাস করে নিলাম,এর দুই দিন পর সে তার পরিবারকে বুঝিয়ে রাজি করিয়ে (রাজি করানোর জন্য সে নাকি বাড়ি আসা, খাওয়া-দাওয়া সব অফ করে দিয়েছিল) শেষ পর্যন্ত অল্প কিছু টাকা দেনমোহরে আমাকে বিয়ে করে। এতে আমার রাজি হওয়ার কারণ ছিল—টাকা সবকিছু নয়; যদি ভালোবাসা ও সম্মান থাকে, তাহলে দেনমোহর কোনো বিষয় নয়।
বিয়ের পর থেকে যে ক'দিন সে দেশে ছিল, সেই দিনগুলো আমার সাথে ভালোভাবেই কাটিয়েছে। তবে একটা বিষয় বলতে হয়—আমি সন্দেহবশত তার ফোন চেক করেছিলাম। তারপর যা দেখলাম, তাতে খুব মর্মাহত হলাম। সে একটা মেয়ের সাথে কথা বলতো। তাকে বিয়ে করতে চেয়েছিল, কিন্তু দুই পরিবারের কেউই রাজি না হওয়ায় বিয়েটা হয়নি। তারপরেও সে মেয়েটির সাথে বাইরে থাকাকালীন সব সময় কথা বলতো; আবার বাড়ি এসে আমার সাথেও ভালোভাবেই কথা বলতো। এসব দেখার পর তাকে বলেছিলাম। সে আমাকে বার বার বলেছিল আর কথা বলবে না, 'পাস্ট ইজ পাস্ট'। এরপর আমি নিজে ব্লক করি, কিন্তু সে বাইরে গিয়েই আবার আনব্লক করতো। এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পর তার কিছু সমস্যার জন্য ছুটি থাকার পরেও আগে আগে সে চলে গেল। আর বলে গেল চার-পাঁচ মাস পরে আবার আসবে।
যাওয়ার পরেও সে ওই মেয়ের সাথে কথা বলেছিল, যা পরবর্তীতে আমি ঐ মেয়ের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম। কিছুদিন পর জানতে পারলাম আমি গর্ভধারণ করেছি,আমার পরিবারের সবাই বলেছিল এখন বাচ্চা না নিতে, এটা ঠিক করে নিতে। আমিও অনেকবার ভেবেছিলাম রাখবো না কিন্তু জানি না কোনো কারণে আমি তা নষ্ট করতে পারিনি। আর তার পরিবার ও সে বলেছিল রেখে দিতে।
গাধার মতো আমি আমার পরিবারের কথা না শুনে ভেবেছিলাম সে হয়তো বাচ্চা হলে সব ঠিক করে নেবে, ভালো হয়ে যাবে বা যত্ন করবে কিন্তু হলো তার উল্টোটা।
এরই দুই মাসের মাথায় আমার বাবা মারা যান, যেটা ছিল আমার জন্য সবচেয়ে খারাপ একটি পরিস্থিতি। এরপর থেকে তার ব্যবহার আরও খারাপ হতে থাকলো। আগের মতো নিয়মিত কথা বলে না। তিন-চার দিন পর একবার দুই-চার মিনিট কথা বলে বিকেলে। কখনও একটু মানসিক সমর্থনও দেয়নি আমাকে। তার এসব কথা তার মা এবং বোনকে শুরু থেকেই বলেছি, তারা সব সময় তার ছেলের পক্ষ নিয়েই কথা বলেছে। তারা আমাকে বোঝায় যে, এখন নাকি এরকমই করে ছেলেরা, একটু আড্ডা দেয়, বাড়ি আসুক তারপর তাকে বোঝাবেন। তার মায়ের সম্পর্কে একটু বলি: তিনি খুবই সংকীর্ণ (ক্রিটিক্যাল) মানসিকতার একজন মানুষ, খুবই বিপজ্জনক। আর তার মুখের ভাষা এতো বেশি জ-ঘন্য যা বলার ভাষা নেই, তার মতো কৃপণ মানুষ এই গ্রামে পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ আছে। আমার এই অবস্থায় তারা চায় আমি তাদের এখানে থেকে সব কাজ করি, রান্না-বান্না করি, সব দেখাশোনা করি কিন্তু আমার শরীর ও মন দুটোই এতো খারাপ যে আমি সব করতে পারি না। এর জন্যও সে বা-জেভাবে কথা শোনায় প্রায়ই; সেগুলো সব মুখ বুজে সহ্য করতে হয় আমাকে। তিনি তার ছেলেকে হাতের মুঠোয় করে রাখেন। আমাকে কিছু দিতে হলেও সে তার মায়ের কাছে বলে তারপর দেয়। অথচ সে অনেক ভালো ইনকাম করে আর নিজের মতো খরচ করে, সেই বেলায় কোনো সমস্যা নেই।
ওদিকে আমার পরিবারের কাছেও কিছু বলতে পারি না। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে মা অসুস্থ হয়ে গেছেন। একটা ভাই আছে, সেও খুব একটা ভালো মানুষ না। কিছু বলার মতো মানুষও নেই। আমার সামনে পরীক্ষা, তাই বলেছি বাবার বাড়ি যাবো, পরীক্ষা দিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে তারপর আসবো। আমার টাকা দরকার, সেগুলো দিতেই সমস্যা। সে বলে তার বাড়ি থাকলে সে সব খরচ করবে। আর বাপের বাড়ি গেলে নাকি সব দায় তাদের। এগুলো নিয়ে সে আমাকে ছোটলোক, ফ-কির, মি-সকিন বলে আমাকে আর আমার পরিবারকে অপমান করছে, আরও অনেক কিছু বলেছে।
এখন সে আমাকে নেবেও না তার কাছে, আমাকে চাকরিও করতে দেবে না (চাকরি করলে তার সংসার করা যাবে না বলছে)। আবার বাবার বাড়ি গেলে আমার খরচও দেবে না। এখানেই থাকতে হবে, তার বাড়ির সব কাজ করতে হবে আর তাদের মা-ছেলের অপমান সহ্য করতে হবে। আমি আর এসব সহ্য করতে পারছি না। একদিকে তার কথা না বলা, মানসিক একটা চাপ দেওয়া; আবার এখন এগুলো নিয়ে কথা শোনানো—সবকিছু একদম অসহ্য হয়ে যাচ্ছে। তার বাড়িতে তার মা আমার খাবারের খোঁজ রাখে না। আমার এখন যেভাবে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত, সেগুলো এনে দেয় না। বলে যে, না খেলেও কোনো ক্ষতি হয় না। অথচ তার মেয়ে যখন গর্ভবতী ছিল, তখন কি করেছে আর কি খাইয়েছে, সেটা নিজেই গল্প করে। আর আমার বেলায় কিছুই না। আবার আমি যা খেতে পারি না, সেসব কিছু রান্না করতে হয় আমাকে তাদের জন্য। এসব কারণে আমি থাকতে চাই না।
আমার স্বামী আমার সব জেনে, শুনে, বুঝে নাকি আমাকে 'শাসন করার জন্য বিয়ে করেছে—এখন বলছে সেসব কথা। এখন আমার ভালো লাগা, খারাপ লাগা, আবেগের কোনো দামই নেই তার কাছে। বুঝতে পারছি, আমি অনেক বড় ভুল করেছি বাচ্চা রেখে। এটা যদি না হতো, তাহলে কোনো একটা ব্যবস্থা করতে পারতাম কিন্তু এই পরিস্থিতিতে আমি না পারছি কাউকে কিছু বলতে, না পারছি এসব সহ্য করতে, আর না পারছি এখান থেকে বের হতে। অনেক ভেবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কিন্তু এটা যে এভাবে বিপরীত হবে, বুঝতেও পারিনি। চেয়েছিলাম একটা সংসার যেখানে ভালো-খারাপ সব সময় স্বামী পাশে থাকবে, কিন্তু শূন্য হাতে ফিরে এলাম।
আমার আসলে কী করা উচিত আমি জানি না। মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে আ ত্মহত্যা করি, কিন্তু মায়ের জন্য পারছি না। আবার মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে যদি চরমভাবে ঠকে যাওয়া কেউ আমার হাত ধরতো, তাহলে হয়তো আমি বের হতে পারতাম। কিন্তু পুরুষদের আর বিশ্বাস করতেও পারছি না, এতো বাজেভাবে ঠকে গিয়েছি। যেই ব্যক্তি মাধ্যম ছিল বিয়ের, সে সব জেনেই আমাকে এমন একটা পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছে। এখন সে ব্লক করে দিয়েছে আর বলেছে সে নাকি কিছুই জানতো না অথচ সে সব জানতো আর আমি তাকে বিশ্বাস করেও ঠকে গেলাম। ভেবেছিলাম সে আমার খারাপ চাইবে না। কিন্তু আমার কপালই খারাপ যে জীবনের সব ক্ষেত্রে বিশ্বাস করে শুধুই ঠকে গেলাম। লেখাটা অনেক বড় হয়ে গেছে, দয়া করে কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। ধন্যবাদ।
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আপু
Follow : Mk Iconic Design
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
আমার একটা ছেলের সাথে সাড়ে তিন বছরের সম্পর্ক ছিল, ছেলে টা হঠাৎ বিয়ে করে নেয়। আমি তার ওপর কোনো রাগ আভিমান অভিযোগ কিছু করিনি,তার বিয়ে হওয়ার ১০ মাস মত চলতেছে কিন্তু কথা হচ্ছে আমি তাকে প্রতিদিন স্বপ্নে দেখি। হয়তো সে আমার সাথে কথা বলছে নয়তো তার বউয়ের সাথে ভালো সম্পর্ক নেই এসব দেখি। আমি ঠিক মতো ঘুমাইতে পরতেছিনা নিয়মিত সে আমার স্বপ্নে আসে
আমি দোয়া পড়ি ঘুমানোর সময় তাও এমন কেনো হচ্ছে বুঝতে পরছি না ওর সাথে আমার কোনো যোগাযোগ ও হয়নি। আমার এখনো বিয়ে হয়নি কিন্তু এসব স্বপ্ন দেখার মানে কি বুঝতেছি না। আমার কি করা উচিত😭
পাঠিয়েছেন
নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক আপু
Follow : Mk Iconic Design
( জীবনের যেকোনো সমস্যা, সুখ-দুঃখের গল্প শেয়ার করতে চাইলে যোগাযোগ করুন সরাসরি আমাদের পেজে )
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong