PC Solution

PC Solution

Share

PC Solution is one of the leading one stop Sales & Service Point of All kinds of Branded Product, Hardware & Software.

Photos 06/06/2016

সৌরচালিত কম্পিউটার: একের ভেতর তিন

আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে বিশ্বের আধুনিক সেবাগুলো পৌছে দিতে এবার তৈরি করা হলো সৌর বিদ্যুতের সাহায্যে চালিত কম্পিউটার। আর এটাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎচালিত কম্পিউটার। ইতালি ও স্পেনিসের যৌথ উদ্যোগে ওয়াটলি মেশিনের সাহায্যে এই কম্পিউটারটি তৈরি করা হয়েছে। তবে এই কম্পিউটারটি আর দশটি সাধারণ কম্পিউটারের মতো মনে করা হলে ভুল হবে। ওয়াটলির এই যন্ত্রটি ইন্টারনেট সেবার পাশাপাশি দিবে বিদ্যুৎ এবং বিশুদ্ধ পানি। আর এতে করে একসঙ্গে তিনটি সেবা একটি মেশিন দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা যাবে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আফ্রিকার ৬২৫ মিলিয়ন পল্লী এলাকায় এখনও কোন বিদ্যুতের ব্যবস্থা নেই। এমনকি দুই-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যার পানির চাহিদা মেটানোর জন্য রয়েছে ৩৯ শতাংশ লেক ব্যবস্থা, যেখান থেকে এই বিপুল জনগোষ্ঠির জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করা হয়। ওয়াটলির প্রতিষ্ঠাতা মারকো আটিসানি বলেছেন, ‘এটি মানুষের জন্য একটি অবকাঠামোগত সমাধান যা ছাড়া সভ্যতার মৌলিক স্তম্ভে প্রবেশ করা যায় না। এই মানুষগুলো এতদিন ধরে একবিংশ শতাব্দীর সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল, আমারা তাদের সেখানে পৌছানোর চেষ্টা করছি মাত্র।’

সৌর বিদ্যুতের সাহায্যে ফটোভোলটেক প্যানেলের মাধ্যমে যন্ত্রটি কাজ করবে যা সৌর শক্তিকে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত করবে। একই সঙ্গে যন্ত্রটিতে থাকবে পানি ফিল্টারিং এর ব্যবস্থা যা পানিকে একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ফুটিয়ে খাবারের উপযোগী করবে। আর এই ব্যবস্থাপনায় প্রতিদিন ৫ হাজার লিটার পানি বিশুদ্ধ করা যাবে। আর এর ব্যাটারির সাহায্যে তার ছাড়াই ইন্টারনেট সুবিধা পাবে এর ব্যবহারকারীরা।

এছাড়াও বাড়তি সুবিধা হিসেবে থাকছে বিভিন্ন রকম বৈদ্যুতিক ডিভাইজ এবং মোবাইল ফোন চার্জ দেয়ার ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে ওয়াটলি তাদের এই যন্ত্রটি বিভিন্ন দেশে পরীক্ষা করেছে যার মধ্যে রয়েছে ঘানা, নাইজেরিয়া ও সুদান। এ বছরের জুলাইতেই ওয়াটলি আরো কিছু নতুন যন্ত্র নিয়ে হাজির হবে বলে জানিয়েছেন মারকো আটিসানি। তবে তিনি এও বলেন, তাদের পণ্য শুধুমাত্র গ্রামীণ মানুষের কথা মাথায় রেখে বানানো হয় যারা একবিংশ শতাব্দীর সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

Photos 06/06/2016

ব্যাকআপেই ১৫ ঘণ্টা চলবে ল্যাপটপ

জাপানের বিখ্যাত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ফুজিৎসুর ষষ্ঠ প্রজন্মের ১৫ ঘণ্টা ব্যাকআপ দেয়ার ল্যাপটপ বাজারে এনেছে কম্পিউটার সোর্স। ল্যাপটপটির মডেল এস৯৩৬। স্লিম এই ল্যাপটপটি দিয়ে পূর্ণচার্জে ১৫ ঘণ্টারও বেশি ব্যবহার করা যাবে।

১৩ দশমিক ৩ ইঞ্চির এলইডি মনিটরের সঙ্গে ল্যাপটপটিতে আছে ৮ জিবি র‌্যাম। ইন্টেলের কোর আই ৭-৬৫০০ইউ প্রসেসর ও ১ টেরাবাইট হার্ডডিস্ক রয়েছে। উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমে ল্যাপটপটি পরিচালিত হবে।

মূল্য ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। জাপানের তৈরি এই ল্যাপটপটি এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাও রয়েছে।

Photos 06/06/2016

জিওমি টপকে গেল অ্যাপলকে!

স্মার্টওয়াচ বের হওয়ার পর অ্যাপল আর স্যামসাং প্রায় একচেটিয়া রাজত্ব করেছিল। সেই স্মার্টওয়াচে চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান জিওমি টপকে গেল অ্যাপলকে। আর স্যামসাংয়ের স্মার্টওয়াচ পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে।

মার্কেট যাচাইকারী সংস্থা আইডিসি পরিধানযোগ্য ডিভাইসের ওপর সম্প্রতি একটি জরিপ চালিয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, পরিধানযোগ্য ডিভাইসগুলোর মধ্যে প্রথম স্থানে রয়েছে ফিটবিট প্রতিষ্ঠান। এর পরেই জিওমির অবস্থান। অ্যাপেল আগে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও বর্তমানে অ্যাপলের অবস্থান তৃতীয়তে।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে গার্মিন নামে পরিধানযোগ্য ডিভাইস নির্মাণের আরেক প্রতিষ্ঠান। এর পরেই স্যামসাংয়ের অবস্থান।

আইডিসির কর্মকর্তা র‌্যামন লামাস বলেন, ‘প্রতিনিয়ত পরিধানযোগ্য ডিভাইসের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে । তাই পরিধানযোগ্য ডিভাইসের মার্কেটও জমজমাট। কেউ সাফল্যের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারে না। সাফল্যের জন্য চেষ্টা করে যেতে হয়।’

অ্যাপলের স্মার্টওয়াচ এবং স্যামসাংয়ের গিয়ার মানুষের মধ্যে পরিধানযোগ্য ডিভাইসের গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি করে।

Photos 06/06/2016

গেমিং মাউস

গিগাবাইট ব্র্যান্ডের এক্সএম-৩০০ মডেলের গেমিং মাউস বাংলাদেশের বাজারে। স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড মাউসটি বাজারে এনেছে।

প্রফেশনাল গেমার কাজের সুবিধার্থে প্রস্তুতকৃত এই মাউসটিতে রয়েছে গেমিং অপটিক্যাল সেন্সর, ৫০-৬৪০০ ডিপিআই সেন্সিটিভিটি, বিশেষ ডিপিআই সুইচ, স্ট্যান্ডার্ড থ্রিডি স্ক্রলিং, প্রতি সেকেন্ডে ১২৫০০ ফ্রেম রেট, ২০০ ইঞ্চি ট্র্যাকিং স্পিড এবং ২০ মিলিয়ন ক্লিক সুইচ লাইফ।

গুণগতমান নিশ্চিত করে এই মাউসটি অর্জন করেছে সিই, এফসিসি, বিএসএমআই এবং কেসিসি সার্টিফিকেশন।

এক বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাসহ এর দাম রাখা হয়েছে চার হাজার টাকা।

Photos from PC Solution's post 06/06/2016

ছবিতে অ্যাপলের চল্লিশ বছর

Photos 06/06/2016

ছবিতে অ্যাপলের চল্লিশ বছর

আজকের যে অ্যাপেল প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তিতে সারা পৃথিবী নেতৃত্ব দিচ্ছে, আপনি কি জানেন ৪০ বছর আগে তাদের প্রথম কম্পিউটার দেখতে কেমন ছিল? ১৯৭৬ সালে সর্বপ্রথম অ্যাপেল নিজেদের নামে কম্পিউটার তৈরী করে। এই কম্পিউটারটির ডিজাইন করেন স্টিভ ওজনিয়াক। যিনি স্টিভ জবসের বন্ধু ছিলেন। স্টিভ জবস সর্বপ্রথম কম্পিউটারটিকে বিক্রি করার চিন্তা করেন।

১৯৭৭ সালে অ্যাপল সর্বপ্রথম নিজেদের নামে বানিজ্যিকভাবে বাজারে আসে। অ্যাপেল২ নামে এই কম্পিউটারের প্রসেসর ছিল এমওএস টেকনোলজীর প্রসেসর যা ১ মেগাহার্জ গতিতে ৪ কিলোবাইট র‌্যামের সাহায্যে পরিচালিত হতো। বর্তমানের আইফোনে রয়েছে ১৮০০ গুণ বেশি ক্লক স্পিডের প্রসেসর এবং ৫ লাখ গুণ বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন র‌্যাম।

১৯৮৩ সালে অ্যাপল লিসা কম্পিউটার নামে একটি কম্পিউটার আবিষ্কার করে যে কম্পিউটারটির স্ক্রিন এবং মাউস ছিলো। তখনকার যুগে এই কম্পিউটারটির মূল্য ছিল ১০ হাজার ডলার। যা বর্তমানে ২০ হাজার ডলারের সমমূল্য।

১৯৮৪ সালে অ্যাপল সর্বপ্রথম বহনযোগ্য কম্পিউটার তৈরি করে। তবে এই কম্পিউটারের কোন ব্যাটারি ছিলো না। তাই বহনযোগ্য হলেও এই কম্পিউটার চালানোর জন্য বৈদ্যুতিক সংযোগের প্রয়োজন ছিল।

একই বছর অ্যাপেল মেশিনটোস নামে সাধ্যের মধ্যে কম্পিউটার কেনার স্বাদ দেয় গ্রাহকদের। গ্রাফিক্স ব্যবহার করা যায় এমন সুবিধা সম্পন্ন এই কম্পিউটারের মূল্য ছিল ২ হাজার ৪৯৫ ডলার।

১৯৮৫ সালে স্টিভ ওজিনাক প্রস্থানের পর প্রধান নির্বাহী জন স্কালি স্টিভ জবসকে তার পদ থেকে সরাতে উঠে পড়ে লাগেন। পরবর্তীতে জবস নিজে নেক্সট নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান খুলেন। পিক্সার প্রতিষ্ঠানেও জবস বিনিয়োগ করেন। পরে এই প্রতিষ্ঠানটি ডিজনির কাছে বিক্রি করে দেন।

বর্তমানে আমরা যে ল্যাপটপগুলো দেখি সেগুলোর প্রথম সংস্করণ আসে ১৯৯১ সালে। পাওয়ারবুক ১০০ নামে অ্যাপলের ঐ ল্যাপটপটি বাজারে আসে। এই ল্যাপটপটি অ্যাপলের জন্য ডিজাইন এবং উৎপাদন করে জাপানের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান সনি। মেশিনটির মূল্য ছিল ২ হাজার ৫০০ ডলার। আকারে বর্তমান ম্যাকবুক প্রো এর মতো ছিল এই পাওয়ারবুক ১০০।

আজকের আইফোন ২৩ বছর আগে দেখতে এমন ছিলো না। প্রথম নিউটন নামে ম্যাসেজ প্যাড ১২০ আবিস্কৃত হয় ১৯৯৩ সালে। এটি পকেটে রাখার মতো প্রথম কম্পিউটার ছিল অ্যাপেলের। এই ডিভাইসটি নিয়ে গবেষণা করতে সাড়ে ৬ বছর লেগেছে অ্যাপেলের। সর্বপ্রথম পিডিএ(পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট) নামে এই ডিভাইসটি পরিচিত হয়। তবে এই ডিভাইসের রাজত্ব ছিল মাত্র ৫ বছরের।

ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাপলকে কেউ না চিনলেও ১৯৯৪ সালে অ্যাপল সর্বপ্রথম ১ মেগাবাইট স্টোরেজের ক্যামেরা বাজারে আনে। এই ক্যামেরাটি অ্যাপেলের জন্য বানিয়ে দেয় কোডাক। এই ক্যামেরাটির নাম ছিল কুইকটেক ১০০। পরবর্তীতে কুইকটেক ১৫০ ও ২০০ নামে আরো দুইটি ক্যামেরা অ্যাপল বের করে যা নির্মাণ করে দেয় ফুজিফিল্ম।

একই বছর পাওয়ার পিসি অ্যাপল কম্পিউটার নামে একটি কম্পিউটার প্রযুক্তি বাজারে আনে অ্যাপল। ৬৬ মেগাহার্জ প্রসেসর ব্যবহৃত হয় এই পিসিতে। সর্বপ্রথম ইন্টেলের চিপস ব্যবহার করা হয় অ্যাপলের এই পিসিতে।

১৯৯৭ সালে স্টিভ জবস আবার অ্যাপেলে ফিরে আসেন। এবার প্রধান কার্যনির্বাহী হিসেবেই অ্যাপেলে যোগদান করেন তিনি।

১৯৯৮ সালে বাসায় ব্যবহার করার জন্য আইমেক কম্পিউটার তৈরি করে অ্যাপেল। আইফোন বের হওয়ার ৯ বছর আগের কম্পিউটার এটি। এই কম্পিউটারে প্রথম ইন্টারনেট ব্যবহার করার পায় ব্যবহারকারীরা।

১৯৯৯ সালে অ্যাপল আইবুক উদ্ভাবন করে। এই ল্যাপটপে প্রথম ওয়াই ফাই সংযোগ বা তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

Photos 06/06/2016

গরমে পরুন এসি জ্যাকেট [ভিডিও]

রাজধানীতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে গরম। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জ্যামজট। এর মাঝে ভারী কাপড় চোপড় পরে থাকা কষ্টের ব্যাপার। গ্রীষ্মকালীন পোশাক পরেও গরম যখন সহ্য হচ্ছে না তখন গায়ের জামাটাই যদি এমন হয় যা দিতে পারে এসি অর্থাৎ এয়ারকন্ডিশনের ঠান্ডা প্রশান্তি, তাহলে? তাহলে কেমন হতো- সেটি বোঝার জন্য এখন কল্পনা শুরু করতে হবে না, অপেক্ষা করেও বসে থাকতে হবে না।

জাপানের বিজ্ঞানীরা এমন এক জামা তৈরি করেছেন, যা এসির মতো-টতো নয়, একেবারে এসির প্রশান্তি দিতে সক্ষম। কেননা জামাটির মধ্যেই রয়েছে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ এসি ব্যবস্থা। জাপানের কুশুফুকু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই এসি জ্যাকেট বানিয়েছে।

জাপানের কুশুফুকু কোম্পানি লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট হিরোশি ইচিগায়া জানিয়েছেন, তারা সম্প্রতি একটি এয়ারকন্ডিশন জ্যাকেট উদ্ভাবন করেছেন। জ্যাকেটটি ঘরে বা অফিস-আদালতে ব্যবহৃত এসির তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও কার্যকর। এটির মধ্যে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি দিয়ে চালিত দুটি বৈদ্যুতিক পাখা রয়েছে। প্রতি সেকেন্ডে জ্যাকেটটি ২০ লিটার পর্যন্ত বাতাস ভেতরে টেনে নিতে পারে। ওই বাতাস জ্যাকেটটির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ঘাড়ের কলার ও হাতের আস্তিন দিয়ে বেরিয়ে যাবে। এ প্রক্রিয়াতে জ্যাকেট পরিধানকারী ব্যক্তির গোটা শরীরে বয়ে যাবে প্রশান্তির বাতাস।

জ্যাকেটটির ওজন ১ কেজিরও কম। একটি এয়ারকন্ডিশন চালাতে যে পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন হয় তার ৫০ ভাগের এক ভাগ খরচ হবে এই এসি জ্যাকেটের আরাম নিতে। ১০টি ভিন্ন ধরনের এই জ্যাকেটটি পাওয়া যায়। এই জ্যাকেট দিয়ে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রিতে নামিয়ে আনা সম্ভব।

প্রতিষ্ঠানটি এ ধরনের জ্যাকেট উদ্ভাবনের নেপথ্যে কারণ হিসেবে জানিয়েছে, ঘরে সাধারণ যেসব এসি ব্যবহার করা হয়, সেগুলোতে প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ হয়। তা ছাড়া পুরো একটি ঘর ঠান্ডা করার চেয়ে ব্যক্তির শরীর ঠান্ডা করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে এই প্রতিষ্ঠান এ ধরনের বাতাসপ্রবাহী ম্যাট্রেস, কুশনসহ আরো কয়েকটি শীতলীকরণ পণ্য উদ্ভাবন ও বাজারজাত করেছে। ভারতেও পাওয়া যাচ্ছে এই জ্যাকেট। জ্যাকেটটির মূল্য ১২০ ডলার। ভ্যাট ও ট্যাক্স ছাড়া বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯ হাজার ৬০০ টাকা।

Photos 06/06/2016

এমএসআই এর নতুন ৪ মাদারবোর্ড বাজারে

এমএসআই ব্র্যান্ডের ৪টি নতুন গেমিং মাদারবোর্ড অবমুক্ত করলো কম্পিউটার সোর্স। কম্পিউটার গেমারদের জন্য এই মাদারবোর্ডগুলো গাজীপুরের রাঙ্গামাটি ওয়াটার রিসোর্টে অনুষ্ঠিত ব্যবসায় অংশীদারদের সম্মেলনে অবমুক্ত করা হয়। মাদারবোর্ডের মডেলগুলো হলো এমএসআই এক্স ৯৯ গডলাইক গেমিং কার্বোন, জেড১৭০এ ক্র্যাইট গেমিং থ্রিএক্স, মাউস সমৃদ্ধ বি১০৫এম গেমিং প্রো এবং এইচ১১০এম গেমিং মাদারবোর্ড।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, অবমুক্ত মাদারবোর্ডগুলোর মধ্যে আটটি র‌্যামের শ্লট বিশিষ্ট এবং ২০১১ ভিথ্রি সকেট ও এলইডি লাইট সমৃদ্ধ। এমএসআই এক্স ৯৯ গডলাইক গেমিং কার্বোন মাদারবোর্ডটি গেমারদের সব চাহিদা মেটাতে পারে।

এসময় ব্যবসায় অংশীদারদের উপস্থিতিতে মাদারবোর্ড গুলোর বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন এমএসআই দক্ষিণ এশিয়ার বিপনন বিশেষজ্ঞ কেন সাং। নানামাত্রিক আয়োজনে বিক্রয় প্রতিনিধিদের এই সম্মেলেনে বক্তব্য রাখেন কম্পিউটার সোর্স এর হেড অব স্ট্র্যাটেজিক বিজনেস ইউনিট মেহেদি জামান তানিম, হেড অব মার্কেটিং তারিক উল হাসান খান, সহ ব্যবস্থাপক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

Photos 06/06/2016

এক মনিটরে চলবে চার পিসি

স্বনামধন্য প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডেল নতুন একটি মনিটর বাজারে অবমুক্ত করেছে। এই মনিটরটি দিয়ে একসাথে চার পিসি ব্যবহার করা যাবে। ৪৩ ইঞ্চির এই মনিটরটিকে মাল্টি ক্লায়েন্ট মনিটর হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। মনিটরটির মডেল ডোজি।

এই মনিটরটি ৪কে রেজ্যুলশনের। মনিটরটিকে চারটি বর্গাকার ভাগে ভাগ করে চারটি কম্পিউটার সংযুক্ত করে ব্যবহার করা যাবে। এছাড়াও একক মনিটর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে মনিটরটি। মনিটরটির রেজ্যুলশন ৬০ হার্জে ৩৮৪০ x ২১৬০ পিক্সেলস। ডোজি মনিটর ৮ মাইক্রো সেকেন্ডের মধ্যেই রেসপন্স করতে সক্ষম। এই মনিটরের সাথে দুটি আট ওয়াটের স্পিকার এবং চারটি ইউএসবি ৩.০ পোর্ট রয়েছে।

ফ্রান্সের কারখানায় এই মডেলের মনিটরগুলো তৈরি করেছে ডেল। চারটি মনিটরের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে মনিটরটিকে।

পি৪৩১৭কিউ মডেলের ডোজি মনিটরের মূল্য ১ হাজার ৩৫০ ডলার। ভ্যাট ও ট্যাক্স ছাড়া বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৮ হাজার টাকা।

Photos 06/06/2016

সিসি ক্যামেরায় কোন হার্ডডিস্ক ব্যবহার করছেন?

নিরাপত্তার জন্য ক্লোস সার্কিট ক্যামেরা (সিসি) বা গোপন ক্যামেরা বেশ জনপ্রিয়। নিজে উপস্থিত না থেকেও যে কোন ঘটনা প্রত্যক্ষ করার জন্য এই ডিভাইসের জুড়ি নেই। সিসি ক্যামেরাগুলো থেকে এখন ইমেজ সরাসরি মোবাইলেও দেখা যায়। ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিদেশে বসেও চোখ রাখা যায় নিজের বাড়ি, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অথবা কোন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়।

সিসি ক্যামেরা ইমেজগুলো ধারণ করে একটি হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করে। সাধারণত, এইচডি মানের ক্যামেরাগুলোতে সারাদিনের দৃশ্য ধারণ করতে ৮ জিবির মতো মেমোরির প্রয়োজন হয়। ক্যামেরার ফুটেজ গুলো সংরক্ষণ করতে ধারণকৃত ভিডিওগুলো হার্ডডিস্কে জমা রাখা হয়। কিন্তু সাধারণ হার্ডডিস্ক কি তথ্য সংরক্ষণের জন্য যথেষ্ট?

কম্পিউটারের সাধারণ হার্ডডিস্কে সারাদিন কার্যক্ষম থাকে না। ২ থেকে ১০ ঘন্টা ব্যবহারের পর এই হার্ডডিস্কগুলো বিরতি দেয়। তারপর কিছু সময় পর আবার কার্যকর হয়ে ওঠে। এই হার্ডডিস্কগুলোর দিনব্যাপী রাইট স্পিড থাকে ১ জিবি পর্যন্ত এবং রিড স্পিড ২ জিবি পর্যন্ত।

প্রত্যেকটি হার্ডডিস্কে এরর টাইম থাকে। এরর টাইম হলো সেই সময়টা যে সময়টাতে হার্ডডিস্ক কার্যকর থাকার সময়ও বিরতি নেয়। যেমন, কোন একটি ভিডিও ধারণ করা হচ্ছে। ভিডিও ধারণ করার সময় যখন এরর টাইম আসবে তখন হার্ডডিস্ক ক্যামেরার ধারণ করা ফুটেজ সংরক্ষণ করতে পারে না। ডেস্কটপে ব্যবহৃত হার্ডডিস্কগুলোর এরর টাইম ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে।

এখন যদি কোন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এই ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সংঘঠিত হয়, তাহলে হার্ডডিস্কে সে ঘটনার কোন স্মৃতি পাওয়া যাবে না। আবার এই হার্ডডিস্কগুলো ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে। এর ওপরে গেলে হার্ডডিস্ক কাজ করতে অক্ষম হয়ে যায়। তাহলে সমাধান কি?

বিশ্ব বিখ্যাত হার্ডডিস্ক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল (ডব্লিউডি) নতুন একটি হার্ডডিস্ক বাজারে এনেছে যে হার্ডডিস্কটি বেগুনী রঙের। ডব্লিউডি রঙের মাধ্যমে হার্ডডিস্কগুলোর বিভাজন করেছেন। নীল, কালো, লাল, বেগুনী এবং সোনালী রঙে ইন্টার্নাল হার্ডডিস্কগুলো পাওয়া যায়। এর মধ্যে নীল রঙের ইন্টার্নাল হার্ডডিস্কগুলো সাধারণ ডেস্কটপে ব্যবহারের জন্য। গোপন ক্যামেরাগুলোতে যেহেতু প্রতিটি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ সেহেতু বেগুনী রঙের হার্ডডিস্কগুলো এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতা প্রদর্শন করে।

বেগুনী রঙের হার্ডডিস্কগুলোকে ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল সার্ভিল্যান্স পার্পেল হার্ডড্রাইভ বলে। এতে একসাথে ৩২টি এইচডি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করা যায়। এটি ২৪ ঘন্ট/৭দিন অ্যাকটিভ থাকে। প্রতিদিন এই হার্ডডিস্কগুলোর রাইটিং স্পিড ১০০জিবি এবং রিড স্পিড ১৫ জিবি ।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এই হার্ডডিস্কগুলোর এরর টাইম ২৫০ মিলি সেকেন্ড থেকে ১ সেকেন্ড পর্যন্ত। যার ফলে এতে কোন ফুটেজ বাদ পড়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না। তারপরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো তাপমাত্রা। অন্য হার্ডডিস্কগুলো যেখানে কার্যকর থাকা অবস্থায় ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কাজ করতে অক্ষম হয়ে যায়, সেখানে এই হার্ডডিস্কগুলো ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায়ও কার্যকর থাকতে পারে।

ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল পার্পল রঙের হার্ডডিস্কগুলোতে ৩ বছর পর্যন্ত রিপলেসমেন্ট ওয়ারেন্টি দিচ্ছে। আর সাধারণ হার্ডডিস্কগুলোর ক্ষেত্রে এই ওয়ারেন্টি ২ বছর পর্যন্ত প্রযোজ্য। তাই গোপন ক্যামেরায় ব্যবহারের জন্য হার্ডডিস্ক কিনুন বুঝে শোনে।

বাংলাদেশে এই হার্ডডিস্কগুলোর পরিবেশক স্মার্ট টেকনোলজি লিমিটেড। ৪টেরাবাইটের (টিবি) হার্ডডিস্কের মূল্য ১৩ হাজার ৫০০ টাকা।

Photos 06/06/2016

লাইভস্ট্রিমিং এর জন্য শক্তিশালি রাউটার

লাইভস্ট্রিমিং করার জন্য ভালো ইন্টারনেট সংযোগ এবং গতি থাকা আবশ্যক। আবার সংযোগ এবং গতি ভালো থাকার পরেও ওয়াই ফাই রাউটারের কর্মদক্ষতা উন্নত না হলে সরাসরি অনলাইন ভিডিওতে বারেবার ছেদ পড়বে। দেশের প্রযুক্তি পণ্য বিপণন প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার সোর্স বাজারে নিয়ে আসলো ডিলিংকের নতুন একটি আল্ট্রা ওয়াইফাই রাউটার যা লাইভ স্ট্রিমিং এবং অনলাইন গেমিংয়ের জন্য উপযুক্ত। রাউটারটির মডেল ডিআইআর ৮৯০এল ।

এই রাউটারটি এসি৩২০০ রাউটারটি তিনটি ব্যান্ডেই কাজ করে। এর নেটওয়ার্ক গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩.২জিবি পর্যন্ত। এতে স্মার্ট বিম ফরমিং প্রযুক্তি থাকায় পুরু দেয়ালের সিগন্যাল বাধা জয় করে সহজেই। চতুর্দিকে শক্তিশালী ইন্টার সংযোগ অটুট রাখতে উচ্চমান ৬টি এক্সটার্নাল অ্যান্টেনার পাশাপাশি রাউটারটিতে ৪টি গিগা ল্যান, ১টি গিগা ওয়্যান এবং ২টি ইউএসবি পোর্ট রয়েছে। এর ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে স্টোরেজ ডিভাইস ও প্রিন্টার সংযুক্ত করা যায় অনায়াসে।

রাউটারটির নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেই অনলাইন প্রিন্টিং এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা যায়। উচ্চগতির ইন্টারনেট সম্প্রসারণে এগিয়ে থাকা ডিলিংক ডিআইআর ৮৯০এল মডেলের এসি৩২০০ রাউটারটির মূল্য ২২ হাজার টাকা।

Photos 06/06/2016

মোবাইল স্ক্রিনিং সুবিধা সহ এলইডি মনিটর

বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফিলিপসের এলইডি মনিটর কম্পিউটার জগতে সুনাম অর্জন করেছে। দেশের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় এলইডি মনিটরগুলো পৌঁছে দিতে গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড দেশের বাজারে নিয়ে এসেছে ফিলিপসের কয়েকটি মডেলের মনিটর। এই মনিটরগুলোতে মোবাইল স্ক্রিনিংয়ের সুবিধা রয়েছে।

ফিলিপ্স ২২৪ই৫কিউ এইচএসবি এএইচ-আইপিএস এলইডি ডিসপ্লে মনিটরটির সাইজ ২১.৫ ইঞ্চি। ১৬.৯ আসপেক্ট রেশিও এইচডি ডিসপ্লের এই মনিটরে ওয়ালমাউন্ট ভিইএসএ সিস্টেম রয়েছে। মনিটরটির রেজ্যুলশন ১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেলস। স্ট্যাটিক কন্ট্রাস্ট ও সুপার ক্লিয়ার ট্রু ভিশন টেকনোলজি গ্রাহকদের দিবে ল্যাব কোয়ালিটি স্ক্রিন পারফরম্যান্সের দেখার অভিজ্ঞতা।

মনিটরটির মূল্য ১১ হাজার ২০০ টাকা।

এছাড়াও আরো ৪টি ভিন্ন সাইজের এলইডি মনিটর বাজারে এনেছে গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড। ফিলিপ্স ১৬৩ভি৫এল, ১৯৩ ভি৫এল, ২০৬ ভি৬কিউ এবং ২২৬ভি৬কিউ এএইচ-আইপিএস মডেলের মনিটরগুলো গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।

এই মনিটরগুলোতে ৩ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা পাওয়া যাবে।

Want your business to be the top-listed Computer & Electronics Service in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Jahura Tower, Chittagong Computer City (5th Floor) Shop Name: PC Solution SHOP NO: 508 Chowmuhoni (Bonalota), Agrabad, Chittagong
Chittagong
4000