Export - Import

Export - Import

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Export - Import, Refrigeration service, Agrabad C/A, Chittagong.

Photos from Export - Import's post 24/06/2024

আহা দেশ রে----😡😡
এখন মধ্যম আয়ের দেশ হওয়াতে আজ এই অবস্থা
কখন যে উন্নত দেশ হবে-😡

19/11/2023

Foreign Currency বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্ন ও জবাব

(১) প্রশ্নঃ বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের বৈধ পক্ষ কারা?
উত্তরঃ বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানই হলো অনুমোদিত বৈধ পক্ষ। যেমনঃ সকল তফসীলি ব্যাংক ও মানি চেঞ্জারগণ। শুধুমাত্র এরাই বিদেশগামী আবার বিদেশ থেকে আগত কোন ব্যক্তির বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় বিক্রয় করতে পারবেন।

(২) প্রশ্নঃ Authorised Dealer কারা?
উত্তরঃ যারা ( তফসীলে ব্যাংক ও মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠান) বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স পেয়েছেন তারাই Authorised Dealer.

(৩) কোন যাত্রী বিদেশ থেকে কী পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আনতে পারবেন?
উত্তরঃ যে কোন পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আনতে পারবেন।

(৪) প্রশ্নঃ কোন যাত্রী কী পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাথে আনলে ঘোষণা দেওয়ার প্রয়োজন নাই?
উত্তরঃ ১০,০০০ মাঃডঃ বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা।

(৫) প্রশ্নঃ কোন যাত্রী ১০,০০০ মাঃডঃ বা সমমূল্যের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আনলে তিনি কী করবেন?
উত্তরঃ যাত্রী বিমানবন্দরে নেমে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিকট FMJ Form সমুদয় অংকের ঘোষণা প্রদান করবেন। অতঃপর FMJ Form সহকারী কমিশনার কর্তৃক স্বাক্ষর করিয়ে ১ কপি তার সাথে নিয়ে যাবেন।

M.H.J

Photos from Export - Import's post 05/07/2023

ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য প্রয়োজন

09/02/2023

LAND ----information

✅ জমি ক্রয়ের পূর্বে ও পরে যা করণীয়।

√√ জমি ক্রয় কালে ক্রেতাদেরকে কী কী সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে তা তুলে ধরা হলোঃ

১। জরিপের মাধ্যমে প্রণীত রেকর্ড অর্থাৎ খতিয়ান ও নকশা যাচাই করতে হবে।

২। জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ জানতে হবে।

৩। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস পর্চা দেখতে হবে।

৪। বিক্রেতা ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা ভায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত হতে হবে।

৫। বিক্রেতা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তার নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।

৬। জরিপ চলমান এলাকায় বিক্রেতার কাছে রক্ষিত মাঠ পর্চা যাচাই করে দেখতে হবে।

৭। বিক্রেতার কাছ থেকে সংগৃহীত দলিল সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস/জেলা রেজিস্ট্রার রেকর্ড রুম হতে যাচাই করে দেখতে হবে।

৮। খতিয়ান/পর্চা/মৌজা ম্যাপ ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিস/উপজেলা ভূমি অফিস/জেলা প্রশাসকের রেকর্ড রুম হতে যাচাই করে দেখতে হবে।

৯। হাল সন পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ আছে কি না দেখতে হবে।

১০। প্রস্তাবিত সম্পত্তির দখল বিক্রেতার আছে কি না। সম্পত্তিতে বিক্রেতার দখল না থাকলে সে জমি ক্রয় করা উচিত হবে না।

১১। ওয়ারিশি জমি কিনতে চাইলে, ঐ সম্পত্তিতে মোট কতজন ওয়ারিশ আছে তা খোজ নিয়ে দেখুন। আপনি যে ওয়ারিশের নিকট থেকে কিনবেন, তার ততটুকু বিক্রয়ের অধিকার আছে কিনা যাচাই করুন।

১২। সম্পত্তিটি খাস কিংবা সরকারী কিনা যাচাই করুন। সরকারী বা খাস সম্পত্তি বিধিবহির্ভূত ভাবে ক্রয়-বিক্রয় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

১৩। অন্য কোন পক্ষের সাথে বিক্রয় চুক্তি বা বায়না পত্র রেজিস্ট্রি করা আছে কি না তা যাচাই করুন।

১৪। ব্যাংক বা কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট দায়বদ্ধ কি না তা যাচাই করুন।

১৫। জমি বিক্রয়ের জন্য অ্যাটর্নি নিয়োগ করা আছে কিনা তা যাচাই করুন। অ্যাটর্নি নিয়োগ করা থাকলে অ্যাটর্নি ছাড়া মূল মালিকের সম্পাদন গ্রহণযোগ্য নয়।

১৬। জমি নিয়ে মামলা মোকদ্দমা চলছে কিনা যাচাই করুন। মামলাভুক্ত জমি কেনা উচিত নয়।


√√ জমি ক্রয়ের পরে ক্রেতা বা মালিকের করণীয়ঃ

১। জমি রেজিস্ট্রি করার পর ক্রয়কৃত জমির দখল, সীমানা নির্ধারণ এবং জমি ব্যবহার তথা চাষাবাদ বা বাড়ীঘর নির্মাণ করা।

২। রেজিস্ট্রি অফিস হতে মূল দলিল গ্রহন করা। মূল দলিল প্রাপ্তিতে বিলম্ব হলে দলিলের সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করা।

৩। মিউটেশন/নামজারী করার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর অফিসে দলিলের সত্যায়িত কপিসহ নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে মিউটেশন/নামজারী করানোর ব্যবস্থা করা।

৪। নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ না করা হলে জমি নিলাম হয়ে যেতে পারে।

৫। ভালোভাবে জমির সীমানা চিহ্নিত করে না রাখলে অন্যেরা অনধিকার প্রবেশ করার সুযোগ পাবে।
..........M.H. J

05/12/2022

১-- ''খতিয়ান'' কি?
২--''সি এস খতিয়ান'' কি?
৩--''এস এ খতিয়ান'' কি?
৪--''আর এস খতিয়ান'' কি?
৫--''বি এস খতিয়ান'' কি?
৬--“দলিল” কাকে বলে?
৭--“খানাপুরি” কাকে বলে?
৮-- ''নামজারি'' কাকে বলে ?
৯--“তফসিল” কাকে বলে?
১০-“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
১১-“ছুটা দাগ” কাকে বলে?
১২-''পর্চা'' কাকে বলে ?
১৩-''চিটা'' কাকে বলে ?
১৪-''দখলনামা'' কাকে বলে ?
১৫-“খাজনা” ককে বলে?
১৬-''বয়নামা'' কাকে বলে ?
১৭-''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
১৮-''দাখিলা'' কাকে বলে ?
১৯-''DCR'' কাকে বলে ?
২০-“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
২১-“ফারায়েজ” কাকে বলে?
২২-“ওয়ারিশ” কাকে বলে?
২৩-''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
২৪-''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
২৫-"মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
২৬-"আমিন” কাকে বলে?
২৭-"কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
২৮-"সিকস্তি” কাকে বলে ?
২৯-"পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

-------------- M.H.J

30/10/2022

-----In the past 19 year we have made thousands of mistakes. As an entrepreneur, don't learn from other people how they succeed, learn from how these people failed.

06/12/2021

----------------
Help post
-----------------

ঢাকা হার্ট ফাউন্ডেশন এ মুমূর্ষু রোগীর জন্য ও পজেটিব রক্ত প্রয়োজন (দু /এক ঘন্টার মধ্যে)

যোগাযোগ
নাজমুল হোসেন
01834080763

02/12/2021

১০০% রপ্তানিমূখী শিল্প প্রতিষ্ঠান (গার্মেন্টস) তার আমদানি রপ্তানি কিভাবে করে?

(১) মাস্টার এলসি / এক্সপোর্ট এলসি কী?
উত্তরঃ একজন বিদেশি বায়ার/ক্রেতা এদেশ থেকে রেডিমেড গার্মেন্টস পণ্য ক্রয়ে প্রফর্মা ইনভয়েস-এর বিপরীতে যে মুল এলসি, এ দেশের পণ্য সরবরাহকারীকে, সরবরাহকারীর লিয়েন ব্যাংকে যে এলসি প্রেরণ করেন সেটি হলো মাস্টার এলসি।

(২) মাস্টার এলসি/এক্সপোর্ট এলসি কে প্রদান করে?
উত্তরঃ বিদেশি বায়ার/ক্রেতা প্রদান করে থাকেন।

(৩) বিদেশি বায়ার/ক্রেতা মাস্টার এলসি কয় ভাবে দিতে পারে?
উত্তরঃ দুই ভাবে দিতে পারে;
(ক) এদেশে অবস্থিত বায়িং হাউজের মাধ্যমে;
(খ) পণ্য উৎপাদনকারী গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানকে সরাসরিও দিতে পারে।
এতদ্ব্যতিত সেলস কন্ট্রাক্ট/নিশ্চিত ক্র‍য় আদেশের মাধ্যমে ও বায়ার এদেশে থেকে পণ্য সরবরাহ নিয়ে থাকেন।

(৪) মাস্টার এলসি পাওয়ার পর বায়িং হাউজ/গার্মেন্টস কীভাবে পন্য উৎপাদন করে?
উত্তরঃ মাস্টার্স/এক্সপোর্ট এলসি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, মাস্টার্স এলসি এর বিপরীতে পণ্য উৎপাদনে প্রয়োজন এমন সকল উপকরণ ও এক্সোসরিজ ব্যাক টু ব্যাক এলসি এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ে দেশি অথবা বিদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করে।

এই উপকরণ ও এক্সোসরিজ সর্বমোট মুল মাস্টার /এক্সপোর্ট এলসি এর ৮০% পর্যন্ত সংগ্রহ করতে পারবেন। কোন ভাবেই তার অধিক নয়, কারণ তার অধিক হলে তা আমদানি নীতি আদেশ অনুঃ ২৪ (৯) (রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পণ্যাদি আমদানি) অনুযায়ী তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে নুন্যতম মূল্য সংযোজন হার হওয়ার যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে তা কাভার করবে না। আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী পোশাক শিল্পের ক্ষেত্রে নুন্যতম ভ্যালু এডিশন হবে নিম্নরুপঃ
(ক) নীট পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে ২০%;
(খ) ওভেন পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে ২০%;
(গ) সকল স্যুয়েটার রপ্তানির ক্ষেত্রে ২০%;
(ঘ) সকল প্রকার শিশুর পোশাক রপ্তানিতে ১৫%;
(ঙ) মূল্য ৫ মাঃডঃ/পিস এর ক্ষেত্রে ১৫% ;

উদাহরণস্বরুপঃ মেসার্স রহমান গার্মন্টস ১,০০,০০০ মাঃডঃ এর একটি মাস্টার এলসি বা এক্সপোর্ট এলসি বা মাস্টার এলসি/এক্সপোর্ট এলসি ছাড়া ক্রেতা কর্তৃক নিশ্চিত চুক্তির বিপরীতে সর্বমোট ৮০% মানে ৮০,০০০ মাঃডঃ উপকরণ ও এক্সোসরিজ + উৎপাদন খরচ (CM cost and manufacturing) করতে পারবেন কোন অবস্থায় এর বেশি নয়, কারণ এর বেশি হয়ে গেলে তখন আর আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী ন্যুনতম ভ্যালু এডিশন হারের মধ্যে তা থাকে না।

উদাহরণ অনুযায়ী রহমান গার্মেন্টস মাস্টার এলসি পাওয়ার পর এবার উপকরণ সংগ্রহ করবেন অতপর এস,আর,নং ১৫৩-আইন/৯৩/১৫২০/শুল্ক, তাং- ৩রা আগষ্ট ১৯৯৩ খ্রিঃ "সম্পূর্ন রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান (সাময়িক আমদানি) বিধিমালা ১৯৯৩ এর " তফসিল -১" অনুযায়ী ইউডি (বিজিএমইএ/বিকেএমইএ) অনুমোদন করিয়ে নেবেন। উক্ত ইউ,ডি- এর কপি বিভিন্ন দপ্তরে অনুলিপি দিবেন, অতপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য উৎপাদন করবেন, রপ্তানি করবেন। ১০০% রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যাক টু ব্যাক, অথবা মাস্টার এলসি বা ব্যাক টু ব্যাক, মাস্টার এলসি ছাড়া ক্রেতা কর্তৃক নিশ্চিত চুক্তির বিপরীতে ৪ মাসের কাচামাল ও মোড়ক সামগ্রী রিভলভিং পদ্ধতিতে আমদানি করতে পারবেন।

এখানে উল্লেখ্য কোন কোন ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক কর্তৃক নিশ্চিত চুক্তির বিপরীতে রপ্তানি আদেশ সম্পাদনের লক্ষ্যে বিনামূল্যে বা FOC Free of Cost বা (অন নো কস্ট বেসিস) শর্তে পণ্য (উপকরণ ও এক্সোসরিজ) আমদানি করতে পারবেন সেক্ষেত্রে শর্ত গুলো নিম্নরুপঃ

(ক) প্রথমে বিদেশী ক্রেতা ও এদেশে আমদানীকারক তথা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান উভয়ে পণ্য উঠপাদনে নিশ্চিত চুক্তিনামা করবেন;

(খ) বায়ার বা ক্রেতা কাচামাল প্রেরণ করবেন, এ কাচামালের জন্য বাংলাদেশ হতে কোন বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করা যাইবে না;

(গ) আমদানীকারক চুক্তিনামা অনুযায়ী আমদানী পণ্য খালাসের জন্য ব্যাংক থেকে আমদানী ডকুমেন্ট তিনি সংগ্রহ করবেন;

(ঘ) ব্যাংক থেকে অনাপত্তি পত্র সংগ্রহ করবেন। অতঃপর;

(ঙ) প্রতি কনসাইনমেন্ট ভিত্তিতে বিজিএমইএ/বিকেএমইএ হতে এস,আর,ও নং-১৫৩/আইন/৯৩/১৫২০/শুল্ক, তাং-৩/৮/৯৩ ইং অনুযায়ী ইউ,ডি (ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশন) সংগ্রহ করবেন;

(চ) বিজিএমইএ/বিকেএমইএ হতে এ প্রত্যায়ন পত্র সংগ্রহ করবেন;
(ছ) তবে এমন আমদানির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তার সংশ্লিষ্ট বছরের অব্যবহিত পূর্ববতী বছরের রপ্তানিকৃত পণ্যের এক-তৃতীয়াংশ পণ্য উৎপাদনে যে পরিমাণ কাচামাল প্রয়োজন হয়েছিল সে পরিমাণ কাচামাল আমদানি করিতে পারবেন।

অতপর পণ্য উৎপাদন হলো, ব্যাংক থেকে EXP Export Permit সংগ্রহ করা হলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য রপ্তানি হয়ে গেল, রপ্তানির স্বপক্ষে PRC এসে গেছে উক্ত রহমান গার্মেন্টস সকল দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পেয়ে যাবে।
-----M.H.J

03/10/2021

বন্ড ব্যবস্থাপনার মূল উদ্দেশ্য কী?

বন্ড ব্যবস্থাপনার মুল উদ্দেশ্য শুল্কমুক্ত ভাবে আমদানি করা কাচামাল পুনঃ ব্যবহার করে তা দ্বারা নতুন একটি পণ্য উৎপাদন করে তা রপ্তানি করা, অবশেষে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ। উদাহরণস্বরুপঃ লিপি গার্মেন্টস একটি ১০০% রপ্তানিমূখী বন্ড লাইসেন্সধারী শিল্প প্রতিষ্ঠান, তারা আমেরিকায় ডেনিম প্যান্ট রপ্তানি করে। এক্ষেত্রে এই প্যান্ট রপ্তানি কাজটি করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিদেশি ক্রেতার মাস্টার এল সি এর বিপরীতে ব্যাক টু ব্যাক এলসি- এর মাধ্যমে উক্ত প্যান্টের সকল উপকরণ যেমনঃ

(১) ডেনিম ফেব্রিক্স
(২) জিপার
(৩) বোতাম
(৪) সেলাই সুতা
(৫) ভেতরের ইন্টারলাইনিং
(৬) প্রাইস ট্যাগ, স্টীকার
(৭) প্যাকিং ম্যাটরিয়াল

এগুলো সরবরাহ নেবেন অতপর প্যান্ট উৎপাদন করে আমেরিকায় রপ্তানি করবেন। রপ্তানি হওয়ার পর PRC (Proceed realisation certificate) বাস্তবায়ন হবে মানে বৈদেশিক মুদ্রা এদেশে প্রতিষ্ঠানের লিয়েন ব্যাংকে এসে যাবে।

সব কিছু স্বাভাবিক, মানে লিপি গার্মেন্টস দেশে শিল্প প্রতিষ্ঠান করে দেশে কর্মসংস্থান করলেন পাশাপাশি দেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ করে নিয়ে এলেন।

তাহলে বন্ড কমিশনারেট থেকে বন্ড লাইসেন্স দিয়ে দেশ লিপি গার্মেন্টসকে যে শুল্ক সুবিধা দিয়েছে সে প্রতিষ্ঠান তা সদ্ব্যবহার করে দেশের কর্মসংস্থান, বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ, ও দেশে শিল্পোন্নয়নে ভুমিকা রাখলেন। আর যদি তা না করে পুরো বিপরীত মূখী কাজ করলেন আমদানি করা পন্য মিস ইউজ করল মানে দেশের ক্ষতি করলেন।
M.H. J

20/01/2021

For vehicles-----

১০ (দশ) বছর #পুরাতন_ইঞ্জিন কি আমদানি যোগ্য? আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী #পুরাতন_টেক্সটাইল_মেশিনারি, ইঞ্জিন, পুরাতন ক্রেন, পুরাতন গাড়ি, জাহাজ আমদানি করতে কী কী শর্তারোপ করা আছে?

আলোচনাঃ
(১) #পুরাতন_ক্যাপিটাল_মেশিনারিঃ

আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-১৮ এর অনুঃ২৪ এর (৩১) (ক) অনুযায়ী শিল্প কারখানায় ব্যবহার্য সেকেন্ডহ্যান্ড/রিকন্ডিশন্ড ক্যাপিটাল মেশিনারির কথা বলা হয়েছে। পর্যালোচনায় ও বাস্তবতার নিরিখে দেখা যায় আমাদের দেশ অনেক সময় শিল্পের পুরাতন ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানি হয় এবং এ মেশিনারি এদেশের ফ্যাক্টরীতে ব্যবহৃত হয়। আমদানি নীতি আদেশ বলছে এমন ক্যাপিটাল মেশিনারি ( জেনারেটর ব্যতিত) আমদানির ক্ষেত্রে উক্ত মেশিনারির অর্থনৈতিক আয়ুকাল আরো ১০(দশ) বছর রয়েছে এ মর্মে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক মনোনীত বা নির্ধারিত বা স্বীকৃত সার্ভেয়ার কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র অবশ্যই #বিল_অব_লেডিং এর সাথে দাখিল করতে হবে।

ব্যাখ্যাঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের স্বীকৃত সার্ভেয়ার পূর্বে যেমন ব্যুরো ভেরিটাস, ইন্টারটেক টেস্টিং সার্ভিসেস, এসজিএস, অমিক, এমন নামে কিছু প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন কোং ছিল। এরা সবাই আন্তর্জাতিক সার্ভে প্রতিষ্ঠান। তাদের দ্বারা মেশিনারি বিদেশে জাহাজীকরণের আগে পরিদর্শন করিয়ে সনদপত্র ইস্যু করিয়ে নিতে হইবে। এই সনদ বিল অব এন্ট্রি দাখিল কালে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

(২) #পুরাতন_জেনারেটরঃ

আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-১৮ এর অনুঃ২৪ এর ৩১(খ) অনুযায়ী পুরাতন / রিকন্ডিশন্ড জেনারেটর আমদানির ক্ষেত্রে ৫ (পাচ) বছরের অধিক পুরাতন জেনারেটর আমদানি করা যাইবে না । আমদানিকৃত জেনারেটর ৫ বছরের অধিক পুরাতন নয় এ মর্মে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রত্যয়ন প্রদান করিতে হইবে।

(৩) #পুরাতন_ইঞ্জিন_ও_গিয়ার_বক্সঃ

আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-১৮ অনুঃ২৫ এর (৫০) অনুযায়ী পুরাতন, রিকন্ডিশন্ড ইঞ্জিন ও গিয়ার বক্সঃ
বাস,ট্রাক,কার, মিনিবাস ও মাইক্রোবাসের ইঞ্জিন ও গিয়ার বক্সের অর্থনৈতিক আয়ুস্কাল কমপক্ষে ৭(সাত) বছর রহিয়াছে এই মর্মে রপ্তানিকারক চেম্বার অব কমার্স অথবা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সার্ভেয়ার কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র অবশ্যই পন্য খালাসের সময় শুল্ক কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিতে হইবে।

(খ) কোস্টার জাহাজ, লঞ্চ, স্বয়ং চালিত বার্জ বা এ জাতীয় জলযানে ব্যবহৃত ৩৫ হর্স পাওয়ারের অধিক শক্তি সম্পন্ন সেকেন্ডহ্যান্ড বা রিকন্ডিশন্ড ডিজেল ইঞ্জিন আমদানিযোগ্য হইবে।

(৪) #পুরাতন_জাহাজ_ও_ট্রলারঃ

পুরাতন সমুদ্রগামী জাহাজ, অয়েল ট্যাংকার, ও মাছ ধরার ট্রলারঃ আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-১৮ অনুঃ২৫ এর(৩৭) অনুযায়ী ২৫(পচিশ) বছরের অধিক পুরাতন ব্যবহারের জন্য আমদানি করা যাইবে না। তবে স্ক্র‍্যাপ হিসেবে ২৫ বছরের অধিক পুরাতন জাহাজ আমদানি করা যাইবে।

(৫) #পুরাতন_গাড়ি_ও_মোটরসাইকেলঃ

নিয়ন্ত্রিত পন্য তালিকার ছকে প্রদত্ত হেডিং নং ৮৭.০১ থেকে ৮৭.০৪ এ বর্নিত সকল কার, মাইক্রোবাস, মিনিবাস, জীপসহ সকল পুরাতন যানবাহন ৫ (পাচ) বছরের অধিক পুরাতন গাড়ি আমদানি করা যাইবে না।

হেডিং নং ৮৭.১১ এর সকল এইচ,এস,কোডে বর্নিত ১৬৫ সিসি (পুলিশ ব্যতিত) অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন ৩ (তিন) বছরের অধিক পুরাতন মোটরসাইকেল আমদানি করা যাইবে না।

বিঃদ্রঃ

উপরে বর্নিত আমদানি নীতি আদেশের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেখা যায় পুরাতন ইঞ্জিনের বয়স কত সেটা বিবেচ্য বিষয় নয়, বিবেচ্য বিষয় হলো আমদানিকৃত ইঞ্জিনের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল আরো ৭ (সাত) বছর রয়েছে এমন স্বীকৃত সনদ থাকলেই তা আমদানি করা যাইবে।
---Copy--- (M.H. )

Photos from Export - Import's post 05/10/2020

এসো সত্যের পথে-❤
এসো শান্তির পথে-❤

Want your business to be the top-listed Contractor in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Agrabad C/A
Chittagong
3200

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00