NOOR

NOOR

Share

NOOR is a business Org. For purchase order info. please go to the NOTES or ALBUM section. As a business org we are committed to ethical values.

Fashion can be a good way to spread our thoughts & values. ‘NOOR’ is an initiative for that. It aims to offer better norms that may influence the cultures of society.

Photos 27/05/2017

আলহামদুলিল্লাহ, চলে এলো রমাদান। সংযমের মাস, নফস এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিজেকে তৈরি করার মাস। তবে আসন্ন ঈদের জন্য রমাদানে শপিং করাটা কখনোই সাধারণত বাদ যায়না। কিন্তু এই তীব্র গরমে শপিং করা এই বছর অনেক ভয়াবহ হবে বলে মনে হচ্ছে। আপনাদের শপিং করার অভিজ্ঞতা পুরোপুরি সুখময় করার ক্ষমতা আমরা অবশ্যই রাখিনা, তবে আমাদের তরফ থেকে যা করতে পারবো সেটাই করারই সিদ্ধান্ত নিয়েছি এই মাসে।

হ্যাঁ, রমাদান উপলক্ষে এই পুরো মাস জুড়ে দেশব্যাপি আমাদের সেলসপয়েন্ট এবং অনলাইনে টিশার্ট কেনায় থাকছে বিশেষ ছাড়। কিছুসময় আগেই আমাদের তৈরি করা টিশার্ট যা ছিল ২৬০ টাকায় তা আপনারা এখন পাবেন ২২০ টাকায়!
তাই সুযোগ লুফে নিন, আর আপনার শহর কিংবা এলাকায় থাকা আমাদের সেলস পয়েন্ট গুলোতে গিয়ে নিয়ে নিন পছন্দের টিশার্টটি।

আপনাদের সুবিধার্তে আমাদের টিশার্টগুলোর ছবি কমেন্ট বক্সে দেওয়া হলো। অর্ডার করতে অবশ্যই পাশে থাকা সাইজ চার্ট দেখে ইনবক্সে নাম, ঠিকানা ও নাম্বার দিয়ে অর্ডার করুন।

যারা আমাদের সেলসপয়েন্টগুলো থেকে কিনতে চান তাদের জন্য সেলসপয়েন্টের ঠিকানা নিম্নরূপঃ

>>Dhaka>Chittagong>Khulna>Rajshahi>Noakhali

Photos 10/03/2017

আমরা যে দুনিয়ায় বসবাস করছি তা আসলে তৈরি হয়েছে আমাদের ব্যবহারের জন্য! কিন্তু আমরা ভুলটা করে বসি যখন আমরা চিন্তা করি এই দুনিয়ার জন্যই আমরা তৈরি, তাই দুনিয়াই আমাদের সব! আবার দুনিয়ার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই ধরে নিয়ে সবকিছু ছেড়ে ছুড়ে একেবারে সন্ন্যাসী হয়ে যেতে হবে ব্যাপারটা তাও নয়! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুনিয়ার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেননি! তিনি দুনিয়াকে আখিরাতের পাথেয় হিসেবে যথাযথভাবে ব্যবহার করেছিলেন! তিনি অনুরত ছিলেন শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ সুবহানুতাআলার সাথে। কারণ মহান আল্লাহর কাছ থেকেই তিনি দুনিয়া আর আখিরাত কি জেনেছেন। আল্লাহ্‌ পবিত্র কুর’আনে বলেন-----
“ পার্থিব জীবন ক্রীড়া কৌতুক ছাড়া কিছু নয়, আখিরাতের জীবনই প্রকৃত জীবন- তারা যদি জানত!” [সূরা আনকাবুতঃ৬৪]

তাই দুনিয়ার ক্রীড়া কৌতুক থেকে আলাদা হয়ে পড়াই প্রকৃত বিচ্ছিন্নতা নয়। প্রকৃত বিচ্ছিন্নতা হল আমাদের মনোযোগ যখন আখিরাত থেকে সরে যায়! যখন আমাদের ভেতর ভর করে শুধুমাত্র দুনিয়া! হযরত আলি (রাঃ) এর একটি চমৎকার কথা বর্ণিত আছে, “Detachment is not that you should own nothing. But that nothing should own you"

আর আল্লাহ্‌ পবিত্র কুরআনে দুনিয়াকে সম্পদ বলেছেন। “দুনিয়া হল একটি ব্যবহার যোগ্য সম্পদ, এটি একটি হাতিয়ার”. এটা আমাদের পথ, আমাদের গন্তব্য নয়! দুনিয়ার সাথে সম্পর্ক বুঝাতে রাসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “এই দুনিয়ার সাথে আমার সম্পর্ক কি? আমি এই পৃথিবীতে একজন পথিক যে একটি বৃক্ষের ছায়াতলে কিছুক্ষণের জন্যে অবস্থান নেয় এবং ক্ষণিকের বিশ্রাম শেষে বৃক্ষটিকে পিছনে ফেলে আসে”

এটাই ইসলাম! ইসলাম এভাবেই সত্য মিথ্যার পার্থক্য গড়ে দেয়! একজন মুসলিম হিসেবে আমরা আমাদের গন্তব্য জানি, এই পৃথিবীতে আমাদের কি করনীয় তাও জানি! তাই আমাদের যখন প্রশ্ন করা হয় তুমি কি করছ এই দুনিয়ায়? সৃষ্টির উদ্দেশ্য কি?? তখন আমরা মোটা মোটা বইয়ের ফাঁকে মাথা মোটা কাফেরদের থিউরি আর দর্শনে উত্তর খুঁজি না! এই প্রশ্নের উত্তর আল্লাহ্‌ নিজেই দিয়েছেন...

“আমি জিন ও মানবকে সৃষ্টি করেছি শুধুমাত্র এই কারণেই যে, তারা আমারই ইবাদাত করবে”। [ সূরা আয-যা-রিয়াতঃ৫৬]

একজন বিশ্বাসী মুসলিম মাত্রই আখিরাতের ব্যবস্থাকারী, সে আখিরাতের জন্য বাঁচবে। কেন? কারণ তার আছে বিশ্বাস, আস্থা____ মহান আল্লাহর প্রতি! তার প্রতিশ্রুতির প্রতি! আর মহান আল্লাহ্‌ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন____
“আল্লাহ্‌ তায়ালা ইমানদার ব্যক্তিদের কাছ থেকে তাদের জান ও মাল খরিদ করেছেন এবং তার বিনিময়ে তাদের জন্য জান্নাত নির্দিষ্ট করে রেখেছেন”। [সূরা আত-তাওবাঃ১১১]

একজন সত্যিকারের মুসলিম সে মদ পান করবে না, যিনা করবেনা, অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করবেনা এমনকি কারো কাছ থেকে একটা পয়সাও মেরে দেবে না কারণ সে জানে এসবের মাধ্যমে সে হয়ত এই দুনিয়ায় একটু ভাল থাকবে কিন্তু তাকে আখিরাত হারাতে হবে। আর একজন মুসলিমের কাছে দুনিয়া নয় আখিরাতই মুখ্য! নিজের উপর অত্যাচারী শাসকের নির্যাতনের জবাবে ইবন তাইমিয়া যেমন বলেছিলেন---

“তোমরা আমাকে কি করবে?
আমিতো এই পৃথিবীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নই,
আমি আখিরাতের জন্য বাঁচি।”

আজ আমাদের দুনিয়া লোভী ভোগবাদী জীবনদর্শন আমাদের জীবনটাকেই অর্থহীন করে তুলছে দিন দিন। চেতন বা অবচেতন মনে হোক কিংবা চাপিয়ে দেওয়া সিস্টেমের মানসিকতার কারণে হোক আজ আমরা খাও-দাও-ফুর্তি কর জীবনটাকেই বেছে নিচ্ছি আখিরাত ভুলে। আর আমাদের মত হতভাগ্য মানুষগুলোর জন্যই হয়তো আলি (রাঃ) বলেছিলেন, “দুনিয়া হচ্ছে সাপের মত, ধরতে নরম কিন্তু এর কামড় খুব শক্ত”।

“প্রতিটি প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে আর তোমাদেরকে (তোমাদের কাজের) পুরোপুরি প্রতিদান কেয়ামতের দিন দিয়ে দেওয়া হবে। ভাল কাজের পুরস্কার বেহেশত আর খারাপ কাজের পুরস্কার জাহান্নাম। অতঃপর যাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হবে আর জান্নাতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে, সেই চূড়ান্ত সফলতা লাভ করল। আর দুনিয়ার জীবনতো ধোঁকার উপকরণ ছাড়া কিছুই নয়”। [সূরা আলে ইমরানঃ ১৮৫]

যারা আখিরাত নিয়ে চিন্তিত থাকবে তারা আখিরাতে নিশ্চিন্ত থাকবে।

Photos 23/02/2017

‘প্রকৃতি তার নিজস্ব নিয়মে চলে’ - এই কথাটা আমরা অনেকবারই শুনেছি জীবনে। না শুনলেও উপলব্ধি করেছি নিশ্চয়ই। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি কে সেই সত্ত্বা যিনি প্রকৃতির এই নিয়ম তৈরি করেছেন??!
আজ আমরা যে খাদ্যটা মুখে তুলে নিচ্ছি আমরা কি জানি সেই খাদ্য কিভাবে কত ঘটনা প্রবাহ পেরিয়ে শত হাত ঘুরে আমাদের কাছে এসেছে??

ধরুন যদি অনেকদিন সূর্য না উঠত? তাহলে কিভাবে গাছপালা ফল ফলাতো??, যদি না পাওয়া যেত ফসল ফলানোর আবশ্যকীয় আবহাওয়া বা অন্যান্য উপাদান?? কার তৈরি করা নিয়মে প্রতিনিয়ত চলছে এইসব??
আমরা কি কখনো উপলব্ধি করেছি আমাদের অনুভুতিগুলো নিয়ে?? কেন আমাদের মধ্যে ভালো লাগা মন্দ লাগার অনুভুতিগুলো তৈরি হয়?! কে সেই সত্বা যিনি আমাদের মধ্যে এই উপাদানগুলো জুড়ে দিয়েছেন?! যে শিশুটির কয়েক ঘন্টা আগে মাত্র চোখ ফুটেছে কিভাবে সে তার মাকে চিনে যায়? কিভাবে এতটা আপন ভাবে??!

বুকের খাঁচায় বসানো রয়েছে অদ্ভুত এক যন্ত্র, নাম তার হৃদযন্ত্র, যা সারা জীবন রক্ত সঞ্চালন করে চলেছে। কার হুকুমে? কার পরিকল্পনায়?! চোখ? সেতো আরেক বিস্ময়! প্রশান্তিতে চারিদিক তাকালেও শান্তি, ক্লান্তিতে দুচোখ বন্ধ করলেও শান্তি। নতুন আইফোন ক্যামেরার রেসুলুসান নিয়ে কতই না কৌতূহল আমাদের। কখনো কি ভেবে দেখেছি আমাদের চোখ জোড়া নিয়ে। আন্দাজ করতে পারেন এগুলো কত রেসলুশানের?? কতটা সফিস্টিকেটেড?!

আমাদের সৃষ্টির এই পরিকল্পনা, এই নির্মাণশৈলী বর্ণনা করে শেষ করার মত নয়। আমরা যা কিছু অনুভব করি, সবই একটি সুপরিকল্পনা ও সুনির্দিষ্ট নিয়মে চলছে এবং গড়ে উঠেছে। এর রয়েছে একজন মহান স্রষ্টা। তিনি এক মহান পরিকল্পনাকারী। The ultimate planner, The programmer...

Photos 21/02/2017

1) Amanah : Halishahar, block ‘K’, gate no 8, house no 6, opposite of artilary road. Chittagong.
Call : 01740316314, 01670-326363

3) Ayaat : 15/c, Gulzar tower (2nd Floor), Gulzar Circle, Chawkbazar, Chittagong.
Chittagong 4000. Call : 01828376184

4) Sunnah Way : 313, Yunusco City Centre (3rd Floor), GEC Circle, CDA Avenue
Chittagong 4000. Call: 01616-515294

Photos 19/02/2017

1) Perfumance: Shop No 171 & 179 , Level-3 , Khilgaon Paka Masjid Market [ opposite to Taltola Super market ] , Khilgaon. Dhaka 1219. Call : 01817024678

2) Taqwa Clothing Store: কেন্দ্রীয় মসজিদ মার্কেট ১, দোকান নং এ - ৬, দক্ষিণ বনশ্রী প্রজেক্ট, খিলগাও, গোরান, ঢাকা -১২১৯। Call: 01681726888

Photos 16/02/2017

বলুন তো, একমাত্র ফরয ইবাদত কোনটি যা এ পৃথিবীতে নয় বরং সপ্ত আসমানে যখন আল্লাহর রাসূল(সাঃ)কে আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ করা হয় তখন ফরয করা হয়েছিল? হ্যাঁ,সেটা হচ্ছে সালাত।

আল্লাহ পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত আমাদের জন্য ফরয করলেও মূসা (আঃ) এর পরামর্শে আল্লাহর রাসূল(সাঃ) যখন বারবার আল্লাহর কাছে ওয়াক্ত সংখ্যা কমানোর আবেদন করেন তখন মাত্র পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময়বাঁধা ফরয হিসেবে সুনির্দিষ্ট করা হয়। কিন্তু সওয়াব ঐ পঞ্চাশ ওয়াক্তেরটাই অক্ষুন্ন রাখা হয়। কত মহান, দয়ালু আমার রব!যিনি মানুষের জন্য প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা সময় দান করেছেন। আমরা কি কিছু সময়ও তার শোকরিয়া করার ফুসরত পাই না? প্রতি রাকাত দু’মিনিট করে অন্তত ১৭ রাকাত ফরয নামাযের জন্য মাত্র ৩৪ মিনিটও কি আমরা বরাদ্দ করতে পারব না সর্বশক্তিমানের জন্য!

মুয়াজ্জিনের “আল্লাহু আকবার-আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ” কথাটির ভার হৃদয়ের মধ্যে কি কোন কাঁপন তৈরি করেনা??! “এসো নামাযের পথে, এসো কল্যাণের পথে” কোন মুখরোচক বুলি নয়, বাস্তব সত্য। হাদীস অনুযায়ী কেউ যখন সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ে,তখন আল্লাহ তার জবাব দেন।

আল্লাহর সাথে কথোপকথনের মোক্ষম এ সুযোগ হাতছাড়া করা বোকামী। চক্ষু-হৃদয় শীতলকারী হিসেবে নামাযের মাহাত্মকে যারা অনুভব করেনি, গড়মসি করা তাদেরই তো সাজে...

Photos from NOOR's post 14/02/2017

শুধুমাত্র ডিজাইন এবং অর্থহীন লেখা নয়। আমরা চাই টিশার্টে থাকুক জীবন নির্ভর কিছু, থাকুক বাস্তবতা নির্ভর কথা। গালিওয়ালা অর্থহীন লেখা সম্বলিত টিশার্ট তো অনেক হলো। এবার চলুন ফ্যাশানে কিছু চেঞ্জ আনা যাক !!
NOOR করে দিচ্ছে সেই ব্যতিক্রমধর্মী স্টাইলের সুযোগ আপনাদের জন্য :)

Photos 13/02/2017

এক যে ছিল আজব দেশ! যে কেউ সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারত এবং সে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে জীবনযাপন করতে পারত, যা ইচ্ছা তা খরচ করতে পারত। তবে শর্ত ছিল পাঁচ বছর পর তাকে সে দেশের একমাত্র জনমানবহীন দ্বীপে ছেড়ে দিয়ে আসা হব; যে দ্বীপটি ছিল হিংস্র জীব জন্তুতে পরিপূর্ণ। পাঁচ বছর এর সংক্ষিপ্ত,ক্ষনস্থায়ী জীবনের আরাম আয়েশের লোভে পাঁচ বছর পর পর একেকজন আসতো, বল্গাহীন ভোগবাদী জীবন অতিবাহিত করত এবং মেয়াদ শেষের দিন রাতে সেনাবাহিনী তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে দ্বীপে ফেলে দিয়ে আসতো এবং দু’তিন দিনের মধ্যেই সেখানে তার জীবনাবসান হত।

এক জ্ঞানী এবং বুদ্ধিমান লোক সে দেশের প্রধানমন্ত্রীত্বের দায়িত্ব নিল। সে চিন্তা করল পাঁচ বছর পর তো দ্বীপে আমাকে ফেলে দিয়ে আসবে, দ্বীপটাকেই আস্তে আস্তে বাসযোগ্য করে নিলে কেমন হয়? প্রথম বছর, সে তার একদল সেনাবাহিনী পাঠিয়ে বনজঙ্গল সাফ করিয়ে নিল এবং বিপজ্জনক জীব-জন্তুকে নির্মূল করে ফেলল। দ্বিতীয় বছর, তার দেশের সব ইঞ্জিনিয়ারদের পাঠিয়ে থাকার জায়গা, রাস্তাঘাটসহ প্রয়োজনীয় ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করে নিল। তৃতীয় বছর, একদল কৃষক পাঠিয়ে সেখানে জায়গা জমি চাষ করানো শুরু করল। চতুর্থ বছর একদল ডাক্তার,শিক্ষকসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন পেশার লোকজন পাঠিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করল। পঞ্চম বছরে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধবকে সেখানে পাঠিয়ে দিল। মেয়াদ শেষে যখন সেনাবাহিনী তাকে সে দ্বীপে ফেলে দিয়ে আসার জন্য তুলে আনতে গেল সে হাসিমুখে তাদের সাথে সে দ্বীপে চলে আসল এবং দ্বীপে এসে রাজার হালেই চলা শুরু করল।

দ্বীপটাকে যদি আমরা আখিরাত এবং প্রধানমন্ত্রীত্বের পাঁচ বছরকে আমরা দুনিয়া ধরি, তাহলে দেখতে পাব প্রথমোক্ত লোকেরা দুনিয়াকে সবকিছু মনে করে ‘নগদ যা পাও হাতে পেতে নাও’ নীতিতে যাচ্ছেতাই করলো। অপরদিকে সর্বশেষ জ্ঞানী লোকটির লক্ষ্য ছিল কিভাবে আখিরাতটাকে সাজানো যায়! তার প্রত্যেকটি দিনের প্রত্যেকটি বছরের লক্ষ্যবস্তু ছিল আখিরাত। তাই তার শেষ পরিণতি হয়েছিল শুভ,সুন্দর,আনন্দময়।
দুনিয়ার এ ক্ষনস্থায়ী জীবনে প্রত্যেকটি কাজকে আখিরাতে রঙ্গে সাজানোর মনমানসিকতা থাকা আবশ্যক। যেকাজেই দুনিয়া এবং আখিরাতের দ্বান্দিকতার সূত্রপাত হয় সেখানে আখেরাতকে প্রাধান্য দেয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। অন্যথায়, ক্ষনস্থায়ী দুনিয়ার বিনিময়ে চিরস্থায়ী আখিরাতকে জলাঞ্জলী দেয়া বড় ‘লসের কারবার’ হবে বৈকি!

T-shirt collection 2017 12/02/2017

Please inbox your details(name address, phone number) for home delivery. Or you can also find our products from our chosen vendors across the country.

Photos 11/02/2017

“দুনিয়া মুমিনদের জন্য জেলখানা এবং কাফিরদের জন্য স্বর্গ”।[আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত, সহীহ মুসলিমে উল্লেখিত]

রাসূল (সঃ)কে স্বল্প কথায় বিস্তৃত এবং গভীর বিষয় বুঝানোর যে একটি মহাগুণ আল্লাহ দান করেছিলেন তার অন্যতম উদাহরণ এ হাদীসটি। আমরা যদি দুচোখ বুঁজে কয়েকটি মুহূর্ত চিন্তা করি তাহলে বুঝব কয়েকটি শব্দে রাসূল কিভাবে মুমিন এবং কাফিরদের জীবন ব্যবস্থার রুপরেখা চিত্রায়িত করেছেন।

একটা জেলখানায় কি ঘটে? একজন লোক সেখানে যাচ্ছেতাই বল্গাহীন স্বাধীনভাবে চলতে পারেনা। তার খাওয়া-দাওয়া, পোষাক-আশাক ততটুকুই হয়, যা একান্ত না হলেই নয়। বিভিন্নরকম কষ্ট তাকে সেখানে ভোগ করতে হয়। আনন্দ, হৈ উল্লাস যেখানে কদাচিৎ।

একদিন মুমিন তেমনি এই দুনিয়াতে যা ইচ্ছা তাই করে বেড়াবে এমন নয়, বরং তাকে আল্লাহ এবং রাসূল প্রদত্ত আইনের বাউন্ডারীতে চলাফেরা করতে হয়। দুনিয়ার হাসি আনন্দ, জৌলুসকে ভুলে আল্লাহকে পাওয়ার আশায়-নেশায় মুমিনরা বিভিন্ন কষ্ট ভোগ করে। সে জানে, তার জন্য তো পরকালে বেহেশতের অফুরন্ত সুখ অপেক্ষা করছে।

অপরদিকে স্বর্গে মানুষ যা ইচ্ছে তাই করে। খাওয়া দাওয়া, পোষাক-আশাক অবারিত। কষ্টের লেশমাত্র যেখানে নেই।হাসি আনন্দ হৈ উল্লাসে মাতোয়ারা চারিদিক।কাফিররা দুনিয়াতে স্বর্গের ন্যায় বল্গাহীন স্বাধীন জীবনে ব্যস্ত। কোন বিধিনিষেধের ধার ধারেনা। নিজের জীবনকে আনন্দময় করার জন্য আল্লাহর নাফরমানী এবং বান্দাদের হয়রানি কোন কিছুতেই পিছপা হয়না।পার্থিব সুখই তার কাছে মূখ্য বাকী সব গৌণ।
ভিন্ন একটি এঙ্গেল থেকে হাদীসটিকে দেখিয়েছেন প্রখ্যাত স্কলার ইবনে হাজার আসকালানী।

একবার এক ইহুদী তাকে বিব্রত করার জন্য প্রশ্ন করল; হে শায়েখ! নবী মুহাম্মদ দুনিয়াকে মুমিনদের জন্য জেলখানা এবং কাফিরদের জন্য স্বর্গ বলেছেন। অথচ দেখেন ঐ ইহুদিকে; যে দুনিয়াতে কষ্ট করছে আর ঐ মুসলমানকে দেখেন; সে কি আয়েশী জীবন অতিবাহিত করছে!নবী হাদীসের সত্যতা রইল কই?

ইবনে হাজার খানিকক্ষণ চিন্তা করে বললেন- ঐ ইহুদী এ অবস্থায় ঈমানহারা হয়ে মৃত্যুবরণ করলে সে পরকালে দোযখের যে কষ্ট অনুভব করবে তার তুলনায় দুনিয়ার এ জীবনে সে স্বর্গে আছে, আর ঐ মুসলমান এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে সে পরকালে যে অবারিত-অফুরন্ত সুখ উপভোগ করবে তার তুলনায় তো সে দুনিয়াতে কয়েদীর জীবনই অতিবাহিত করছে বলা যায়।

Want your business to be the top-listed Business in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Halishohor
Chittagong
4000