CTECH
Electrical & Electronic Project Development Welcome to our world of innovation and learning at the "CTECH" page, curated by Sayed, Mazbah, and Raihan.
As passionate advocates for hands-on education, we have united to bring you a platform dedicated to Electrical Projects tailored for students across schools, colleges, and universities. Sayed, with his keen interest in science and technology, brings a wealth of knowledge to our collaborative effort. His enthusiasm for sparking curiosity in young minds serves as the driving force behind our initiat
27/05/2024
আসসালামুয়ালাইকুম.....
দেশের প্রায় প্রতিটি স্থানে বিদ্যুতের সমস্যা, এর মধ্যে আড়াই কোটি মানুষ সম্পূর্ণরূপে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে....
এমনতাবস্থায় কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করলেও তা সাথে সাথেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে, প্রথমত ঝড় চলাকালীন চাইলেও বিভিন্ন ঝুঁকি থাকে বিধায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা সম্ভব হয়না, দ্বিতীয়ত যখন ঝড় কিছুটা অনুকূলে আসে তখন সরবরাহ দেওয়া হয়, কিন্তু প্রশ্ন হলো এতোক্ষণ পর সরবরাহ দেওয়ার পরও ৫/১০ মিনিটের মধ্যেই বিদ্যুৎ চলে যায়....
এবার দেখা যাক মূল কাহিনী...
প্রায় সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন অনেক কাজ বিদ্যুতের অপেক্ষায় বিদ্যমান রয়ে যায়, যেমন-পানি,.....
বিদ্যুৎ না থাকায় মোটর চালনা সম্ভব নয় সুতরাং ট্যাংক ও খালি, এখন সবাই অপেক্ষায় আছে কারেন্ট আসলেই ট্যাংক পূর্ণ করতে হবে এমন আরো অনেক কিছুই রয়েছে উদাহরণ হিসেবে...
সমস্যাটা কোথায়??
হ্যাঁ ঠিক এই জায়গায় সমস্যা,
দীর্ঘ অপেক্ষার পর যখন বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয় আমরা কি করি সবাই একসাথে সব বৈদ্যুতিক লোড চালু করে দেই ফলে ঘটে বিপত্তি, তখন সরবরাহের তুলনায় চাহিদা হয়ে যায় উর্ধ্বমুখী, উদাহরণ স্বরূপ..
হাটহাজারীতে সচরাচর গড় চাহিদা ৫০মেগা ওয়াট সেই তুলনায় ৫০মেগা ওয়াট সরবরাহ করা হয়, সবচেয়ে বড় কথা হলো জেনারেশন করা বিদ্যুৎ রিজার্ভ করার কোনো সুযোগ থাকেনা বিদায় টোটাল জেনারেশন সরবরাহে দিয়ে দেওয়া হয় নয়তোবা তা অপচয় হয়ে যাবে, তাই চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় আমাদের দেশে, সুতরাং যখন হাটহাজারী ডিস্ট্রিবিউটর চাহিদা মাফিক সরবরাহ চালু করে তখন দেখা যায় কি সবাই একসাথে লোড চালু করার ফলে চাহিদা তখন দ্বিগুণ হয়ে যায় ফলে সিষ্টেমে ঘটে বিপর্যয় অনেক সময় ডিস্ট্রিবিউশন সিষ্টেম বিকল ও হয়ে যেতে পারে, এখন আমাদের করণীয় কি??
আমাদের করণীয় হলো কারণে আসার সাথে সাথেই আমরা সব লোড একসাথে চালু করে দিবো না, প্রয়োজনে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করবো, অর্থাৎ ২০/৩০ মিনিট অপেক্ষার ফলে অনেকে চাহিদা মিটিয়ে নিবে ফলে ঐসব লোড কমে যাবে, কারণ একটি সিষ্টেম বিকল হয়ে গেলে তা পুনরায় চালু করতে অনেক সময় প্রয়োজন, সিষ্টেম অনুযায়ী ৮-১৭ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে ...
তাই ৮-১৭ ঘন্টার অপেক্ষার চেয়ে ২০/৩০ মিনিট অপেক্ষা করা শ্রেয় বলে আমি মনে করি।।।
আমরা অনেক সময় না জেনেই সরবরাহকারীকে গালমন্দ করি আসলে মূল বিষয়বস্তু সকলেরই জানা এবং বুঝা উচিৎ।।
নিজে সচেতন হই অন্যকে এই সম্পর্কে অবগত করি ...
আমার সংক্ষিপ্ত জ্ঞানে বিষয়টা বিশ্লেষণ করলাম ভুল ত্রুটি মার্জনীয় 🙏🏻🙏🏻
ধন্যবাদ
♦️ 1-φ & 3-φ LOAD PROTECTION
DEVICE ♦️
Made by : MD. MAJBAH UDDIN , CEO (CTECH)🟥
24/11/2023
🛑 ARDUINO 🛑
আরডুইনো কি সেটা বুজতে হলে প্রথমেই আমাদেরকে বুজতে হবে মাইক্রোকন্ট্রোলার কি?
মাইক্রো এবং কন্ট্রোলার দুটি একত্রে একটি ইংরেজি শব্দ মাইক্রোকন্ট্রোলার। মাইক্রো বাংলা অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র এবং কন্ট্রোলার বাংলা অর্থ হচ্ছে নিয়ন্ত্রন করা। তাহলে এতে করে বুঝা যায় ক্ষুদ্র একটি জিনিস নিয়ন্ত্রন করবে। এটিকে আসলে একটি ছোট কম্পিউটার বলা যেতে পারে। এতে প্রসেসর, র্যাম, মেমোরি ইনপুট/আউটপুট প্রান্ত একই সাথে থাকে।অর্থ্যাৎ এই একটি মাইক্রোকন্ট্রোলারের মধ্যে আপনি একটি কম্পিউটারের যাবতীয় সব উপাদান পেয়ে যাবেন। এটি দেখতে একটি সাধারণ আইসির মতোই।
অন্যদিকে আরডুইনোকে এভাবে বলা যায় , “Arduino একটি ওপেন সোর্স মাইক্রো-কন্ট্রোলার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড যা মূলত মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহারকে সহজ করে তুলে।”
আরডুইনো আসলে কিছুই না। এই যে মাইক্রোকন্ট্রোলারের কথা বললাম, এরকম একটা মাইক্রোকন্ট্রোলার আরডুইনোতে দিয়ে দেয়া থাকে। পাশাপাশি মাইক্রোকন্ট্রোলারটিকে যেন খুব সহজেই কম্পিউটার দিয়ে প্রোগ্রাম করা যায় তার জন্য এর মধ্যে বিশেষ সার্কিট রয়েছে যার সাহায্যে একে শুধু একটি ইউএসবি ক্যাবল দিয়ে কম্পিউটারের সাথে লাগালেই হয়। এরপর মাইক্রোকন্ট্রোলারটি যেন সহজে ব্যবহার করা যায় তার জন্য এতে অনেকগুলো ইনপুট আউটপুট পিন সুন্দর করে সাজানো থাকে। অর্থ্যাৎ আরডুইনো হলো মূলত একটি মাইক্রোকন্ট্রোলার বেইজড হার্ডওয়্যার বা সার্কিট যাই বলি। শুধু ব্যাপারটা হলো, মাইক্রোকন্ট্রোলারটা শুধুই একটা আইসি। এর মধ্যে যদি আমরা প্রোগ্রাম আপলোড করতে যাই তাহলে আরো অনেক সার্কিট লাগাতে হবে, তার লাগবে। আবার একে ব্যবহার করতে গেলে তখনও কোন পিনের সাথে কোন তার লাগাবো তা বের করা একটা ঝামেলার ব্যাপার। সেগুলো যেন না করতে হয় তার জন্য এই হার্ডওয়্যারটা ডিজাইন করা হয়েছে। যাকে আমরা আরডুইনো বলে ডাকি।নিচে একটি আরডুইনো বোর্ডের ছবি দেওয়া হল
📛 Completed Project 📛
Name: 𝐖𝐏𝐒 𝐀𝐔𝐓𝐎 𝐏𝐎𝐖𝐄𝐑 𝐒𝐔𝐏𝐏𝐋𝐘 ⚡
Made By: Tanjil Hasan Sayeb
𝘾𝙊𝘿𝙄𝙉𝙂 & 𝙎𝙄𝙈𝙐𝙇𝘼𝙏𝙄𝙊𝙉
Programming Language: 𝐂++
Programmer: মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দীন
📛 Completed Project 📛
🛑Project Name: 𝐒𝐌𝐀𝐑𝐓 𝐒𝐄𝐂𝐔𝐑𝐄𝐃 𝐋𝐈𝐅𝐄
Made By: Mohammad Raiha N
মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দীন
♦️(Co- Founders of CTECH)♦️
Contact with Us for your School/College/Polytechnic Institute Project Submission 😊
09/11/2023
📛 ইলেকট্রনিক্স এর সংজ্ঞা এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস 📛
⛔ ইলেকট্রনিক্স কাকে বলে ⛔
আধুনিক বিজ্ঞান পরে আমরা জেনেছি যে মৌলিক পদার্থের পরমাণু কে ভাঙলে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন পাওয়া যায়।
ইলেকট্রন- ঋণাত্মক বা নেগেটিভ আধান বিশিষ্ট।
প্রোটন- ধনাত্বক বা পজেটিভ আধান বিশিষ্ট।
নিউট্রন- তড়িৎ নিরপেক্ষ এর কোন আধান নেই।
💢ইলেকট্রন যখন কোন ভ্যাকুয়াম, গ্যাস বা সেমিকন্ডাক্টর এর মধ্য দিয়ে প্রবাহ হয়, তখন সেই কথাগুলো বিজ্ঞানের যে শাখায় বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয় তাকে ইলেকট্রনিক্স বলে। 💢
ইলেকট্রনিক্সে সকল প্রকার ইলেকট্রনিক ডিভাইস, এর গঠন ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়।
🛑 ইলেকট্রনিক ডিভাইস 🛑
যে সকল ডিভাইসের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন প্রবাহের ফলে সৃষ্ট কারেন্ট প্রবাহিত হয়, তাদেরকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস বলে। যেমনঃ বিভিন্ন ধরনের ডায়োড, ট্রানজিস্টর, ক্যাপাসিটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি।
07/11/2023
♦️ সার্কিট প্যারামিটার সম্পর্কে ধারণা ♦️
১. সার্কিট প্যারামিটার কাকে বলে ❓
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক সার্কিটে যে সকল উপাদান ব্যবহৃত হয় তাদেরকে সার্কিট প্যারামিটার বলে।
*সরবরাহ ব্যবস্থপনা বা ইলেকট্রিক উৎস অনুসারে ইলেকট্রিক সার্কিট দুই প্রকার।যথঃ-
১. ডিসি সার্কিট ও
২. এসি সার্কিট ।
* ইলেকট্রিক প্যারামিটার তিনপ্রকার । যথাঃ-
১. রেজিস্ট্যান্স --- বাল্ব,হিটার।
২. ইন্ডাকট্যান্স---- মোটর,ইন্ডাক্টর।
৩. ক্যাপাসিট্যান্স-- স্টার্টিক ক্যাপাসিটর,সিনক্রোনাস কনডেন্সার।
🛑 রেজিস্ট্যান্সঃ- কোন পরিবাহী পদার্থের যে ধর্মের ফলে এর ভিতর দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট বাধা পায় তাকে রেজিস্ট্যান্স বলে। ( এর মান পদার্থের দৈর্ঘ্য,ক্ষেত্রফল ও পদার্থের গুণাগুনের উপর নির্ভশীল )
🛑 ইন্ডাকট্যান্সঃ- যে কোন কয়েলের মধ্যদিয়ে কারেন্ট প্রবাহে প্রধান করার বৈশিষ্ট্যকে ইন্ডাকট্যান্স বলে।
⛔ইন্ডাকট্যান্স দুই প্রকার। যথাঃ-
১.সেল্ফ ইন্ডাকট্যান্স ঃ-কোন কয়েলের মধ্য দিয়ে প্রতি অ্যাপিয়ার কারেন্ট প্রবাহের ফলে উহাতে যে টার্ন এর সৃষ্টি হয় তাহলে সেল্ফ ইন্ডাকট্যান্স বলে।
২. মিউচুয়াল ইন্ডাকট্যান্সঃ- পাশাপাশি অবস্থিত দুটি কয়েলের একটির প্রতি একক কারেন্ট সৃষ্টি হয় তাকে ইন্ডাকট্যান্স বলে।
💢 ক্যাপাসিট্যান্সঃ- ক্যাপাসিটরের চার্জ সঞ্চয় করে রাখার বৈশিষ্ট্য বা ধর্মকে ক্যাপাসিট্যান্স বলে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the university
Telephone
Website
Address
Chandgaon
Chittagong
4212