Baniya Rasuighor
Pure Homemade Taste ❤️ | Try our Signature dish "Katori Chaat"|Have also Sweet & Spicy Snacks | Fast Food & Biryani Platters— All Made Fresh with Love!
দোকানের খাবারের চেয়ে ঘরের তৈরিকৃত খাবার নিঃসন্দেহে অনেক বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। একমাত্র "বানিয়া রসুইঘর" এই আপনি পাবেন,স্বল্পমূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত ও সুস্বাদু হোম মেড ফুড এবং ফ্রোজেন ফুড। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য খাবার অর্ডার নেয়া হয় এবং তা যথাসময় এ পৌঁছে দেয়া হয়।"বানিয়া রসুইঘর"এর সাথে থাকুন,আমরা আছি আপনাদের সকল চাহিদাপূরণের চেষ্টায়।
আসসালামু আ'লাইকুম,ঈদ মোবারক।
সবার আয়োজন কেমন চলছে?
লাকড়ির চুলায় রান্না চলছে, ইট পাথরের শহরে থেকে একটু গ্রামীণ অনুভূতি নেওয়ার চেষ্টা, আলহামদুলিল্লাহ। 🥰
মা শা আল্লাহ,বারকাল্ল-হু ফিক💞
28/05/2026
🌙তাক্বব্বালাল্ল-হু মিন্না ওয়া মিং কুম🌙
🌟সবাইকে বানিয়া রসুইঘর এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্চা,ঈদ মোবারক।🌟
🌙আল্লাহ আমাদের সকলে কোরবানি কবুল করুন,আমিন।🌙
27/05/2026
আলহামদুলিল্লাহ,টক দই,পরোটা ও সমুচা'র মধ্য দিয়ে এবারের কোরবান এর পরোটা মোবারক শেষ হলো🥰
সাথে ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল টক দই এর গরমা গরম রিভিউও পেয়ে গেলাম।আলহামদুলিল্লাহ।🥰
26/05/2026
রাত পোহালেই বুধবার ফজরের পর থেকে শুরু হয়ে যাবে ওয়াজিব তাকবীর।
যেহেতু এটি একটি ওয়াজিব আমল, তাই আমাদের উচিত অধিক সতর্কতার সাথে এই আমলটি পালন করা।
আর যাদের ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা আছে তাঁরা ৮ জিলহজ তথা আজকে এখনি জায়নামাজে এমন একটি কাগজে "তাকবিরে তাশরিক" কথাটি লিখে পিন দিয়ে লাগিয়ে রাখতে পারেন অথবা মোবাইলে এলার্ম দিয়ে রাখতে পারেন যেন ওয়াজিব তরক না হয়ে যায়।আমলটা সুন্দরভাবে আদায় করা যায়।
➤ ওয়াজিব তাকবীরে তাশরিকের হুকুম :
➭ ৯-জিলহজ ফজরের সালাতের পর থেকে ১৩ জিলহজ আসর সালাত পর্যন্ত, মোট ৫ দিন - ২৩ ওয়াক্ত ফরজ সালাতের সালাম ফেরানোর পর প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের জন্য ১ বার তাকবীরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।
• তাকবীরে তাশরিক :
اَللَّهُ اَكْبَرُ اَللَّهُ اَكْبَرُ
لَا إلَهَ إلَّا اللَّهُ
وَاللَّهُ اَكْبَرُ اَللَّهُ اَكْبَرُ
وَلِلَّهِ الْحَمْدُ
উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
(অবশ্যই আরবী উচ্চারণ দেখে পড়বেন ইনশাআল্লাহ)
• তাকবীরে তাশরিক অর্থ :
আল্লাহ্ মহান, আল্লাহ মহান
তার কোনো শরিক নেই
আল্লাহ্ মহান, আল্লাহ মহান
সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ তা'আলার
➤ ওয়াজিব তাকবীরে তাশরিক কবে_কখন_পড়বেন :
৯ যিলহজ্জ তথা ২৭শে মে বুধবার
ফজর ,যোহর ,আছর, মাগরিব ,ইশা।
১০ যিলহজ্জ তথা ২৮ শে মে বৃহস্পতিবার ঈদের দিন
ফজর, যোহর, আছর, মাগরিব, ইশা।
১১ যিলহজ্জ তথা ২৯ শে মে শুক্রবার
ফজর ,যোহর, আছর, মাগরিব ,ইশা
১২ যিলহজ্জ তথা ৩০ শে মে শনিবার
ফজর ,যোহর, আছর, মাগরিব, ইশা
১৩ যিলহজ্জ তথা ৩১ শে মে রবিবার
ফজর, যোহর, আছর।
➤ ওয়াজিব তাকবীরে তাশরিক পড়ার নিয়ম :
➭ প্রতি ওয়াক্তে ফরয সালাতের সালাম ফেরানোর পর পুরুষরা একবার উচ্চ স্বরে পড়বেন।
➭ প্রতি ওয়াক্তে ফরয সালাতের সালাম ফেরানোর পর নারীরা একবার নিজে শোনার মত আওয়াজে পড়বেন।
➭ কখনো ভুলে গেলে স্মরণ হওয়া মাত্র পড়ে নিবেন।
➭ সুন্নাত / নফল /ওয়াজিব সালাতের ক্ষেত্রে পড়তে হবে না।
❝নিজে আমল করুন এবং অবশ্যই দাওয়াহর নিয়তে অন্যদের মনে করিয়ে দিন ইন শা আল্লাহ
এই জিলহজ তাকবীরে তাশরিকে মুখরিত হোক আমাদের প্রতিটি ঘর — আমিন ইয়া রব্বুল আলামিন❞
(সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)
26/05/2026
আমরা তো জানি আরাফার দিনের দু'আ সবচেয়ে উত্তম দু'আ তাই না? আল্লাহ এ দিনের দু'আ পছন্দ করেন সেটাও তো জানি।
এটাও জানি আল্লাহ থেকে অধিক সংখ্যক মানুষকে এদিনে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবেন। এই অধিক সংখ্যক বান্দাদের মধ্যে নিজেকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে না?
জিলহজের দশ দিনের আমল হোক কিংবা দু'আ সবকিছুর সওয়াব ই অন্য দিনের থেকে অনেক বেশি। আরাফের দিনে তা আবার আরো পছন্দের। তাই আরাফার দিনে আমাদের মুখময় বেশি বেশি দু'আ থাকুক।
কিন্তু দু'আ করতে নিলেই তো সমস্যা শুরু?
দু'আ করতে গেলেই মাথা ব্ল্যাঙ্ক হয়ে যায় আমাদের অনেকের তাই না? কত দু'আ প্রয়োজন অথচ কিছুই মনে আসে না।
এমন ব্লাঙ্ক হলে গেলে এই পোস্ট টা দেখে ধরে ধরে দু'আ করবেন। আজ বলবো নিজের জন্য যেসব দু'আ চাইবেন সেগুলো। চলুন দেখি কী কী দু'আ করবো?
• আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার প্রশংসা করে নিবেন। তারপর দুরুদ পড়বেন এবং তারপর দোয়া শুরু করবেন। প্রশংসার জন্য যত সুন্দর শব্দ ব্যবহার করা যায় করবেন। নিজের যতটুকু আবেগ আছে ততটুকু দিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করবেন। তারপর নিজের দু'আ করবেন।
• নিজের জন্য দু'আর সময় প্রথমে গুনাহ দিয়ে শুরু করবেন। আপনি অনুতপ্ত, এই বিষয় টা আল্লাহ খুব পছন্দ করেন। গুনাহের কথা বলে-বলে, কেঁদে-কেঁদে আল্লাহর কাছে গুনাহের জন্য ক্ষমা চাইবেন। আল্লাহ তওবাকারীদের পছন্দ করেন। আল্লাহর গুণবাচক নাম গফুরুর রহিম ও আফুয়ুন গফুর ধরে বারংবার অনুতপ্ত হবেন। আরাফার সারাদিন তওবার উপরেই থাকবেন। কান্না যদি না আসে কান্নার অভিনয় করবেন। বারংবার তওবা আল্লাহ পছন্দ করেন তাই বারংবার তওবা করবেন। আল্লাহ অবশ্যই মাফ করবেন।
• আল্লাহর কাছে আল্লাহকে চাইবেন। আমরা যেন আল্লাহ ও তাঁর রসুল ﷺ কে সবথেকে বেশি ভালবাসতে পারি সেই তৌফিক চাইবেন। একসাথেই আল্লাহর কাছে আল্লাহর ভালোবাসা চাইবেন। আল্লাহর ভালোবাসা পেয়ে গেলে আর কিছুর প্রয়োজন হবে না ইনশাআল্লাহ।
• আল্লাহর কাছে জান্নাত চাইবেন ও জাহান্নাম থেকে পানাহ চাইবেন, জাহান্নামের কাঠিন্যে বর্ণনা করে পানাহ চাইবেন। আপনি কমজোর, আপনি জাহান্নামের আগুন সহ্য করতে পারবেন না, জাহান্নামের শাস্তি সহ্য করতে পারবেন না আল্লাহ কে এসব বর্ণনা করবেন। আল্লাহকে বলবেন, "আল্লাহ আমি গুনাহ করেছি কিন্তু শাস্তি সহ্য করার মতো ক্ষমতা আমার নেই, তাই আপনার রহমতের ওসিলায় আপনাকে মাফ করে দিন।"
• আল্লাহর কাছে নিজের জন্য উত্তম আখলাক চাইবেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে সব থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ আখলাক চাইবেন। আপনি যেন বিনয়ী, ভদ্র, নম্র ও উত্তম বান্দা হতে পারেন তা চাইবেন। উত্তম আখলাকের গুণগুলো ধরে ধরে চাইবেন। সাথেই বদ গুণের উপর যেন আপনার নিয়ন্ত্রণ থাকে সেই তৌফিক চাইবেন। যেমন- যদি আপনার রাগ বেশি থাকে, তবে আল্লাহকে বলবেন, "ইয়া আল্লাহ, আমার রাগের উপর আমার কন্ট্রোল দিন এবং রাগকে কমিয়ে দিন। "
• আল্লাহর কাছে হিকমাহ বা প্রজ্ঞা চাইবেন। সঠিক সময়ে সঠিক কথা এবং সঠিক সময়ে সঠিক কাজ যেন করতে পারেন সেই তৌফিক চাইবেন।
• কুরআনের প্রতি অঢেল মুহাব্বত চাইবেন। কুরআন যেন আমাদের জীবনের পাথেয় হয় তা চাইবেন। কুরআন যেন আমাদের হৃদয়ের বসন্ত হয় তা চাইবেন। কুরআনের সাথে যেন পথ চলা সহজ হয় সেটাও চেয়ে নিবেন।
• জীবনে সহজতা চাইবেন খুব করে। যে পরিস্থিতি ই আসুক আপনার জন্য যেন তা সহজ হয়ে যায়। কঠিন পরিস্থিতিও সহজ লাগে। সাথেই আফিয়াত চাইবেন, কল্যাণ চাইবেন।
• যারা অবিবাহিত তারা উত্তম স্বামী চাইবেন। আপনি একজন উত্তম স্বামীর মধ্যে গুণ কল্পনা করেন সে সকল গুন ধরে ধরে দু'আ করবেন। বিনয়ী, রাগ কম থাকা, ম্যাচিউর, দায়িত্বশীল আরও যেসব গুণ আপনি চান সব ধরে দু'আ করবেন। সাথেই দু'আ করবেন তিনি যেন রাসূলুল্লাহ ﷺ এর আদর্শের অনুসারী হন। মনে রাখবেন আপনার হাসবেন্ড শুধু আপনার হাসবেন্ড না বরং পরিবারের অংশ হবেন এবং আপনার সন্তানের পিতা হবেন। তিনি যদি উত্তম না হযন সন্তান উত্তম কামনা করা ও লালনপালন করা খুব কঠিন হয়ে যাবে। তাই দু'আতে কৃপণতা করবেন না। যেসব বোনেরা বিবাহিত তাদের বেশিরভাগ বোনেরাই বলেছেন তারা চাওয়ার থেকে অধিক পেয়েছেন, তাই ধরে ধরে চাইতে কৃপণতা করবেন না।
• নিরাপত্তা চাইবেন আল্লাহর কাছে। বর্তমানের যে পরিবেশ-পরিস্থিতি, সেই পরিবেশ- পরিস্থিতিতে নিরাপদ থাকা একটা নিয়ামত। আল্লাহর কাছে নিজের ও নিজের পরিবারের জন্য নিরাপত্তা চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন, "আল্লাহ এমন কোন কিছু দ্বারা আমাদের পরীক্ষা করবেন না, যা আমরা সহ্য করতে পারবো না। সম্মানহানি থেকে আমাদের রক্ষা করুন এবং সব সময় যেন আমরা নিজের আব্রু রক্ষা করে চলতে পারি সেই তৌফিক দান করুন। "
• বিবাহিত হন কিংবা অবিবাহিত উত্তম সন্তান চাইবেন। প্রত্যেক নারী তার সন্তান নিয়ে কল্পনা করে তাই না? যে পর্যায়ে আপনি আপনার সন্তানকে দেখতে চান। সেই অনুযায়ী দু'আ করবেন। কী কী দু'আ করা যেতে পারে পরের পোস্ট এ বলবো ইনশাআল্লাহ।
• দ্বীন পালনের মতো শিথিল পরিবেশ চাইবেন রব্বানার কাছে। যে পরিবেশ আপনি থাকেন সে পরিবেশ যেন দ্বীন পালনের জন্য সহজ হয়। সাথেই ভবিষ্যতে যে পরিবেশগুলোতে আপনি যাবেন এই পরিবেশগুলো যেন দ্বীন পালনের জন্য উত্তম হয় সেই দু'আ করবেন।
• উত্তম সহবত চাইবেন, যত উত্তম মানুষদের সাথে মিশতে পারবেন তত বেশি ঈমান তাজা হবে এবং আমলে আগ্রহ আসবে। সাথেই দ্বীন পালন সহজ হবে। তাই আজীবন উত্তম সহবতের মাঝে যেন থাকতে পারেন আল্লাহর কাছে তা চাইবেন, অবশ্যই চাইবেন।
• আল্লাহর কাছে উত্তম জ্ঞান অর্জন করার তৌফিক চাইবেন। যদি আপনি হাফেজা হতে চান, হিফজ করার তৌফিক চাইবেন। আল্লাহ যেন স্মরণশক্তি মজবুত ও বৃদ্ধি করে দেন সেই দু'আ অবশ্যই চাইবেন। যেসব উত্তম জ্ঞান আমরা অর্জন করেছি সেই জ্ঞানগুলো যেন মনে থাকে এবং জ্ঞান অনুযায়ী আমল করা যায় সেই তৌফিক চাইবেন।
• উত্তম আমল করার তৌফিক চাইবেন বেশি বেশি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার তৌফিক ছাড়া কিছুই হয় না। তাই আমলের ক্ষেত্রে তৌফিক চাইবেন। যখন চাইলেও আমল করতে পারবেন না তখন আল্লাহর কাছে নিজের কমজোরি দেখাবেন, আপনি পারছেন না প্রকাশ করবেন। আল্লাহ যেন সেই শক্তি ও মনোবল দিয়ে দেন তা চাইবেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ফরজ নামাজের পর সুন্দর একটি দু'আ শিখিয়ে গেছেন।
দু'আটি হলো-
اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
অর্থ:হে আল্লাহ! আপনার জিকির (স্মরণ) করতে, আপনার শুকরিয়া (কৃতজ্ঞতা) আদায় করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন।
• শোকরগুজার বান্দা হওয়ার তৌফিক চাইবেন। সূরা ইবরাহীমে আল্লাহ বলেছেন শোকোরগুজার বান্দাদের নিয়ামত আল্লাহ বাড়িয়ে দেন। তাই এমন বান্দা হতে যে শোকোরগুজার। যদি পরিপূর্ণভাবে শোকরগুজার বান্দা হতে পারেন তবে আপনার নিয়ামত আপনি গণনা করে শেষ করতে পারবেন না ইন শা আল্লাহ। তাই অধিক পরিমাণে শুকরিয়া আদায় করতে থাকুন। যখন আলহামদুলিল্লাহ পড়বেন অন্তর থেকে সন্তুষ্টি চিত্রে পড়বেন। বারংবার পড়বেন।
• আল্লাহর কাছে সবরকারী বান্দা হতে চাইবেন না। একজন আলেমের পোস্ট দেখেছিলাম যিনি বলেছিলেন, যে বান্দা যত বেশি সবরকারি তার জন্য পরীক্ষাও তত বেশি। তাই সবরকারী হতে চাইবেন না। তবে আল্লাহকে বলবেন," প্রতিটা পরিক্ষায় যেন আমি সবরকারী বান্দা হতে পারি সেই তৌফিক দিন আল্লাহ। প্রতিটা পরীক্ষায় যেন আমি আপনার উপর ভরসা করতে পারি, তাওয়াককুল করতে পারি এবং কষ্ট হলেও সবর করতে পারি। "
• সুস্থতা আল্লাহর অনেক বড় নিয়ামত যে নিয়ামতের বিষয়ে আমরা সবথেকে বেশি গাফেল থাকি। তাই সুস্থ সময় অসুস্থতা থেকে পানাহ চাইবেন। হর হামেশাই আল্লাহর কাছে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা চাইবেন। সুস্থ না থাকলে কোন আমলই উত্তমভাবে করতে পারবেন না। সাথেই আল্লাহর কাছে অন্তরের প্রশান্তিও চাইবেন।
• সঠিক পথ জানা ও বোঝাই যথেষ্ট না। আমৃত্যু তাতে অটল থাকাই সাফল্য, অন্যথায় ধ্বংস। তাই সঠিক পথের উপরে অটল থাকার দু'আ করবেন। আল্লাহর রাসূল ﷺ নিজে এ বিষয়ে দু'আ করেছেন ও আমাদের শিখিয়ে গেছেন।
দু'আটি হলো- يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ
অর্থ- হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আপনি আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের ওপর অবিচল রাখুন।"
• বাইতুল্লাহ সফর করার তৌফিক চাইবেন। সামর্থ্য থাক না থাক অবশ্যই চাইবেন! বারংবার উমরাহ করার তৌফিক চাইবেন।
• বেশি বেশি নিয়ামত চাইবেন আল্লাহর কাছে। জামার প্রয়োজন হোক, জুতার হোক, সাজসজ্জার জিনিসপাতির হোক সব আল্লাহর কাছেই চাইবেন। দেখবেন মিরাকালি সেসব পেয়ে গেছেন।
• আপনার সকল আকাঙ্ক্ষা সব আল্লাহর কাছে পেশ করবেন। আল্লাহ সকল কিছু শুনেন এবং আল্লাহর ভান্ডারে কোন কিছুর কমতি নেই, তাই নিজের জন্য যা যা প্রয়োজন আল্লাহর কাছে চাইবেন।
• অধিক পরিমাণ আল্লাহর রাস্তায় বিনিয়োগ যেন করতে পারেন সেই তৌফিক চাইবেন। অন্তরে যেন কৃপণতা না আসে। মুক্ত হস্ত যেন বিনিয়োগ করা সহজ হয় তা চাইবেন।
• সবশেষে উত্তমভাবে যেন আপনি শা/হা/দাত পান সেই দু'আ অবশ্যই অবশ্যই চাইবেন। চলে তো যেতেই হবে তাহলে সব থেকে উত্তম পন্থায় না কেন?
বেশ অনেকগুলো দোয়া দিয়ে ফেললাম, আমার দৃষ্টিতে এ প্রত্যেকটা দেওয়াই অনেক বেশি জরুরী। আরাফার দিনে যেন কোন দু'আই মিস না যায়। বেশি বেশি দু'আ করে আল্লাহর প্রিয় হয়ে যাই চলুন?
- Tasnim
24/05/2026
📍আগামীকাল দই বসানো হবে,ইং শা আল্লাহ।
📍টক দই স্বাস্থ্য, চুল, ত্বকের জন্য ঠিক কতটা উপকারী তা আমরা কম বেশি সবাই জানি।আর তা যদি হয় খাঁটি দেশি গরুর দুধ দিয়ে তৈরী হয় তাহলে তো কথায় নেই।
📍কোরবান এর আগে কেউ নিতে চাইলে আগামীকাল দুপুরের মধ্যে কনফার্ম করলে পরশু পেয়ে যাবেন,
ইং শা আল্লাহ।
📍নূন্যতম হাফ কেজি নিতে পারবেন।
23/05/2026
📍ক্রিমি টেক্সচার এর টক দই খুঁজছেন⁉️
📍এই গরমে একমাত্র শরীর ঠান্ডা করতে স্বাস্থ্যকর খাবার হলো টক দই।এটা যেমন দ্রুত হজমে সাহায্য করে তেমনি অতিরিক্ত গরম লাগা কিংবা হিট স্ট্রোক কমাতেও সাহায্য করে।।
📍এখন অনেকেই জিলহজ্জ মাসের রোযা রাখছেন,ইফতার এ একবাটি "দই চিড়া" যেন রুহ ঠান্ডা করে দেয়।শরীরকে সতেজ করে দেয়।আর সেটা যদি হয় ঘরে বানানো খাঁটি দেশি গরুর দুধ দিয়ে তাহলে তো লা জবাব।
📍আজকে আমরাও বানিয়ার টক দিয়ে এক বাটি দই চিড়া বানিয়েছি,ছবি রাতে ভালো উঠেনা তাই চ্যাট জিপিটি রে কইলাম একটু সাজাই দাও।।😬
📍দই চিড়া কার কার পছন্দ দেখি হাত তোলেন?
22/05/2026
📍এই গরমে আপনারও কি ইচ্ছে করছেনা একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে?
📍নিশ্চয়ই করছে,বেশ কদিন ধরে ৩১°c তাপমাত্রায় অস্বাভাবিক গরম পড়ছে।কিন্তু তাতে আমাদের কাজ বন্ধ নেই।এই গরমে ঘেমে নেয়ে কাজ করে চলেছি যদি আপনাদের কাছে একটুখানি স্বাস্থ্যকর খাবার পৌঁছে দিতে পারি! আপনাদের কষ্ট টাকে একটু যাতে ভাগ করে নিতে পারি।
📍রুটি পরোটায় খুব বেশি লাভ হয়না,এখানে লাভ এর চেয়ে পরিশ্রম টা বেশি,কিন্তু কর্মব্যস্ত মানুষদের পথচলা একটু সহজ করতে আমাদের এই নিরলস পরিশ্রম।
📍প্রতিদিন #পরোটাগুলো চলে যাচ্ছে যার যার গন্তব্যে আলহামদুলিল্লাহ, আপনি যদি এখনো নিতে চান ২৬ তারিখ অব্দি সময় আছে, আপনিও চাইলে বাকিদের মতো এবারের কোরবান টা একটু আরামে কাটাতে পারেন,ইং শা আল্লাহ।
20/05/2026
📍কি!!দেখে মনে হচ্ছে তো আড়ং এর টক দই???
📍মু আ হা হা😁😁😁 এটা সম্পূর্ণ বাসায় বানানো অথেনটিক টক দই,আলহামদুলিল্লাহ। একদম খাঁটি দেশি গরুর দুধ দিয়ে বানানো ক্রিমি টেকচার এর টক দই।
📍ইদানিং বাইরের টক দই খেয়ে শান্তি লাগছিলোনা কারণ ফ্রোজেন করলে কিংবা একটু রেখে দিলেই টেল টেলে পানি পানি হয়ে যায়।খেয়ে স্বাদ নিতে পারিনা।তাই ভাবলাম বাসায় বানায়।যেহেতু অরিজিনাল স্বাদে আমি পেয়েছি তাই ভাবলাম আপনাদের উপকার এর জন্য কিছু করি।
📍এই দই আপনি আপনার ৯ মাস এর বাচ্চা থেকে শুরু করে সবাইকে নিশ্চিন্তে দিতে পারবেন,ইং শা আল্লাহ।
📍দামও হাতের নাগালে আলহামদুলিল্লাহ।একদম সীমিত লাভ এ দিচ্ছি,শুধুমাত্র ভালো খাবার সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে ইং শা আল্লাহ।
19/05/2026
📍কোনো উপলক্ষ এলেই সবাই দাম বাড়িয়ে দেই,শুধুমাত্র বানিয়াতে দাম বাড়ে না,আগের মূল্যেই থাকে,কিন্তু মান এর কোনো হেরফের হয় না।এটা বানিয়ার বিশেষত্ব💞
📍একদিকে যেমন বাড়ছে গরম,অন্যদিকে বাড়ছে কাজের চাপ!!
📍কারণ কোরবান আমেজ শুরু হয়ে গেছে,এই গরমে আগুনের পাশে কাজ করা প্রত্যেক ব্যস্ত নারীর জন্য প্রতিদিনের একটা যুদ্ধ।যাদের ঘরে ছোট বাচ্চা আছে,কিংবা বয়স্ক তাদের জন্য আরও চ্যালেঞ্জিং।
📍তাই তাদের কথা মাথায় রাখতে চেষ্টা করি আমরা,তাদের কষ্ট কে যদি সামান্য ভাগ করে নিতে পারি এর চেয়ে উত্তম কি হতে পারে, একজন উম্মাহর জন্য।
📍দাম না বাড়িয়েও চেষ্টা করি বেস্ট কোয়ালিটি ধরে রাখতে হয়তো সীমিত লাভ কিন্তু তাতেই অদ্ভুত শান্তি।স্রোতের বিপরীতে চলার জন্য দরকার সবর আর সাহসের।আপনাদের একটু ভালোবাসা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা 🥰
📍আলহামদুলিল্লাহ,আমার পোস্ট দেওয়ার আগেই আগের মানুষ গুলো আমাকে প্রতিবার স্মরণ করে।আমি মনে করি এটাই আমার সফলতা।আলহামদুলিল্লাহ
16/05/2026
একই ব্যাচমেট হওয়া স্বত্তেও,সে বলেছিলো: "আপু,আসসালামু আ'লাইকুম।আপু,একটা কথাছিলো,একজন কে একটু গ্রুপে (ভার্সিটির নতুন ফিমেল ব্যাচগ্রুপ) এড করে দিবেন?"
সাল টা ছিলো ২০১৯,সেদিনও খুব হাসি পেয়েছিলো,আজও হাসি পায় সেদিন এর কথা মনে পড়ে।এ কেমন মেয়ে!! একই ব্যাচ এর হয়েও আমাকে আপু ডাকলো?এত সিধে সাদা মানুষ এখনও আছে তাহলে,ভার্সিটি খুললে তাকেই আমার প্রথম দেখতে হবেই হবে।যখন ভার্সিটি খুললো তাকে দেখলাম আসলেই সে দেখতেও সিধে সাদা।
তাকে জিজ্ঞেস করেই বসলাম: "কিরে ভাই তুমি আমাকে আপু ডাকছো কেন? আমরা তো একই ব্যাচ এরই,সে উত্তর এ বললো-" আসলে আমার বয়স কম" পরে জানলাম সে দুবছরের ছোট আমার চেয়ে। তাকে সেদিন বলেছিলাম,বয়স যাই হোক ব্যাচমেট মানে ব্যাচমেট তুমি বয়সে বড় হও,ছোট হও,সেইম বয়স হও,এখানে আপু ডাক এর কোনো জায়গা নাই,হয় তুমি না হয় তুই আর অবশ্যই নাম ধরে ডাকবে।বুঝলা!!
যাক বেশি বোঝাতে হয়নাই পরদিন থেকেই নাম এ চলে এসেছে,এই ভোলাভালা মেয়েটা যে আমার বেস্ট ফ্রেন্ড হবে কোনোদিন কল্পনাও করিনি।কারণ আমি নিয়ত করেই ঢুকেছি,যে হারে প্রতারণা হয়েছি,আর কোনোদিন বেস্টফ্রেন্ড বলে কাউক বন্ধু বানাবো না।বাট নিজের কাছেই নিজে হেরে গেলাম।কারণ এই যুগে সৎ সংগের বড়ই অভাব।এখন এই বেটি টা এমন ভাবে আমার জীবনের সাথে প্যাঁচগোছ খাইসে চাইলেও ঝাইরা ফেলতে পারবোনা😒এখন সে বন্ধু কম আত্নীয় বেশি হয়ে গেছে চারিদিক জুড়েই সম্পর্ক তার আমার সাথে,তার নানী আমার নানীরে সেই জোয়ান কাল থেকে চিনে এভাবে প্যাঁচ টা লাগছে।
এখন তার নানীও আমার নানী হয়ে গেছে।নানুর গাছের আম এখন আমার বাসায়ও পাঠাই দিছে।অনেক অনেক শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা এই মানুষ গুলোর জন্য।আল্লাহ হায়াতে রিজিকে বারকাহ দান করুন নানুকে আন্টিকে আর আমার ভোলাভালাটাকে।আমিন।🥰
বেটি টারেও জাঝাকিল্লাহু খইরন,তার দৌলতে কিছু প্রিয় মানুষ পাইছি।🥰
এখন তারে কত বার বলি একবার আপু ডাক!সে আপু ডাকা তো দূর তুই ছাড়া কথাই বলেনা,বেত্তমিস😒
ছবিতে নানুর গাছের মিষ্টি আম🥰
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Rasulbag, R/A, Ward No:17, A-block, Bakalia
Chittagong
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 22:00 |
| Tuesday | 09:00 - 22:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Saturday | 09:00 - 22:00 |
| Sunday | 09:00 - 22:00 |