Dia-Control Lab

Dia-Control Lab

Share

সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক সাপ্লিমেন্টের সাহায্য ডায়াবেটিস হতে চিরতরে মুক্তি নিন।

20/09/2023

ডায়া'বেটিস বা বহুমূত্র হচ্ছে এমন একটা রাে'গ যা মূলত আপনার শরীরের পর্যাপ্ত ইন'সুলিনের ঘাটতি থেকে হয়ে থাকে।
আর এই ইন'সুলিনের ঘাটতি পূরণ করার জন্য বাইরে থেকে মে'ডিসিন আর ইন'সুলিন এর মাধ্যমে সুগার লেভেল কন্ট্রোলে রাখতে গিয়ে পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার ফলে নিজের শরীরের বিভিন্ন রকম ক্ষতি হয়ে থাকে।......
তাহলে এবার ইন'সুলিন মে'ডিসিন ছাড়াই ন্যাচারাল সাপ্লিমেন্টের সাহায্যে ডায়া'বেটিস মাত্র ২০ দিনেই স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনুন।প্রাকৃতিকভাবে আপনার শরীরে ইন'সুলিন তৈরি করুন,সুস্থ্য জীবন-যাপন করুন!!!
সাথে থাকছে হেলথ অবজারভেশন টিম এর সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ।

দেশের যে কোন প্রান্তে হোম ডেলিভারি, আপনার বয়স বর্তমান কন্ডিশন উল্লেখ্য করে ইনবক্সে মেসেজ করুন এবং আপনার নাম্বার টি দিয়ে রাখুন আমাদের কন্সাল্টেশন সিরিয়াল অনুযায়ী আপনার সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবে।।

Send message অপশন ক্লিক করে বিস্তারিত আলোচনা করুন।।
অথবা কল করুনঃ01836722445

18/09/2023

ডায়া,বেটিস থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি নিন ন্যাচারাল সাপ্লিমেন্টের সাহায্য!! ইন সুলিন কিংবা মে,ডিসিন ছেড়ে দিন মাত্র ১৫-২০ দিনেই।
এবার প্রাকৃতিকভাবে ইন সুলিন উৎপাদ ন করুন।সাথে থাকছে হেলথ অবজারভেশন টিমের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ।
এই সময় হচ্ছে মুখ্য সময়,আর দেরি না এখনি Send Message অপশনে ক্লিক করে নাম ও নাম্বার টি দিন সিনিয়র কনসালটেন্ট বিস্তারিত আলোচনা করবেন। অথবা সরাসরি কল করুন- 01644288775

18/09/2023

ডায়া-বেটিস ভীতি দূর করুন খুব সহজেই, এখনই মেসেজ করুন ইনবক্সে,ইন সুলিন মেডি সিন ছেড়ে দিন মাত্র ২০-২৫ দিনেই সম্পুর্ন ন্যাচারাল সাপ্লিমেন্ট এর সাহায্যে।।
একমাত্র আমরাই সারা দেশে হেলথ্ অবজারভেশটিম এর মাধ্যমে আপনাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।।

সারা দেশে হোম ডেলিভারি সার্ভিস সুবিধা, হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধ।।
আপনার বয়স ও বর্তমান কন্ডিশন উল্লেখ্য করে ইনবক্সে মেসেজ করুন আমদের কন্সাল্টেশন টিম সিরিয়াল অনুযায়ী আপনার সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবে।

18/09/2023

# #ডায়াবেটিকস রোগীদের
"১" মিনিট সময় নিয়ে পড়ুন" স্থায়ী সমাধান এর জন্য-বিস্তারিত জানতে কল করুন-০১৬৪৪২৮৮৭৭৫
ডায়া কন্ট্রোল
ডায়াবেটিস কন্ট্রোল ফর্মূলা
# #ডায়া কন্ট্রোল উপকারী
১.রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।
২.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৩.ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।
৪.কোলন পরিক্ষার করে।
৫.রক্ত দূষণ রোধ করে।
৬.অতিরিক্ত মেদ জমাতে বাধাগ্রস্ত করে।
৭.শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল কমায়।
৮.পাকস্থলীর কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটায়।
৯.প্রাকৃতিক ভিটামিন ও মিনারেল এর যোগান দেয়।
১০.প্যানক্রিয়াস সুস্থ্য অবস্থায় ফিরে আনে এবং হৃদপিন্ড ভালো রাখে।
# #ডায়া গার্ডের খাবারের নিয়ম
#নিয়মিত ইনসুলিন নেয়া রোগীদের ক্ষেতে ঃ খালি পেটে অর্থ্যাৎ নাস্তার ৩০ মিনিট পূর্বে ২-৪ চা চামচ ডায়াগার্ড পাউডার এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে মিশিয়ে সেবন এবং রাতের খাবারের ৩০ মিনিট পরে অনুরুপ সেব্য উওম।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ঃ সপ্তাহে অন্তত তিন দিন সকালে এবং রাতে এক চা চামচ হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
#বিশেষ নির্দেশনা ঃ নিরাময়ের জন্য প্রথমদিকে অন্যান্য ঔষধের পাশাপাশি "ডায়াগার্ড" গ্রহন করা উচিৎ। দীর্ঘদিনের ঔষধ সেবনকারী / ইনসুলিন গ্রহণকারীদের কোন অবস্থাতেই একেবারে ঔষধ /ইনসুলিন বাদ দেওয়া অনুচিত। ড্রাগ ছাড়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। তবে, নিয়মিত ঔষধ /ইনসুলিন এর পাশাপাশি "ডায়াগার্ড" গ্রহণ করলে দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘস্হায়ী সুগার লেবেল নিয়ন্ত্রণে থাকতে সহযোগিতা করে।
বিঃদ্রঃ ড্রাগ/ঔষধ নয়, রোগ প্রতিরোধক পুষ্টি খাদ্য।
# #ইনসুলিন এর ক্ষেত্রে
""DIA CAP""

# #রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রক
ডায়া ক্যাপের উপকারিতা
# # রক্তের গ্লুকোজের মাএা নিয়ন্ত্র-ণের জন্য প্রাকৃ-তিক ভেষজ উপাদানে ভরপুর "ডায়া ক্যাপ" টাইপ ১ ও টাইপ ২ ডায়া-বেটিস নিয়-ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী।
# #প্রতিদিন নিয়মিত এ ক্যাপসুল খেলে -
১.শারীরিক গঠন পুনর্বিন্নস্ত হয়।
২.সুগার কমায় ও প্রেসার কমায়।
৩.ক্লোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণ রাখে।
৪.রক্তের দূষণ রোধ করে।
অগ্নাশায়কে ইনসুলিন উৎপাদনের জন্য উদ্দীপ্ত করে।
ডায়া ক্যাপ খাবারে নিয়ম ঃ
সকালে এবং রাতে ১টি করে ক্যাপসুল। সর্বোওম ফলাফলের জন্য ডায়াগার্ড পাউডারের সাথে খাওয়া উওম।
বিশেষ নির্দেশনা ঃ ডায়া-বেটিক রোগীরা নিয়মিত অন্য কোন ঔষধ সেবন করলে এ-ই ডায়াক্যাপ গ্রহণ না করা উচিৎ।
LINE ০১৬৪৪২৮৮৭৭৫

18/09/2023

ডায়াবেটিস এমন একটি শারীরিক অবস্থা যা সারা জীবনের জন্যে বয়ে বেড়াতে হয় ও নিয়মিত ইনসুলিত নিতে হয়, এবং সারা বিশ্বে এর কারণে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

এছাড়া যে কোন ব্যক্তিই এই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন।

শরীর যখন রক্তের সব চিনিকে (গ্লুকোজ) ভাঙতে ব্যর্থ হয়, তখনই ডায়াবেটিস হয়। এই জটিলতার কারণে মানুষের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক হতে পারে।

এছাড়াও ডায়াবেটিসের কারণে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে, নষ্ট হয়ে যেতে পারে কিডনি এবং অনেক সময় শরীরের নিম্নাঙ্গ কেটেও ফেলতে হতে পারে।

সারা বিশ্বেই এই সমস্যা বেড়ে চলেছে। বর্তমানে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৪২ কোটিরও বেশি। ৩০ বছর আগের তুলনায় এই সংখ্যা এখন চার গুণ বেশি- এই হিসাব বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট।

চিকিৎসকরা সব সময় বলে থাকেন, ডায়াবেটিসের এতো ঝুঁকি থাকার পরেও যতো মানুষ এই রোগে আক্রান্ত তাদের অর্ধেকেরও বেশি এই রোগটি সম্পর্কে সচেতন নয়।

আরো বিস্তারিত জানতে SEND MESSAGE অপশনে ক্লিক করুন।অথবা কল করুন-০১৬৪৪২৮৮৭৭৫

18/09/2023

★ডায়াবেটিস এর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান করুন সুস্থ্য জীবন যাপন করুন।
>ইনসুলিন কিংবা মেডিসিন ছেড়ে দিন,১৫-২০ দিনেই।

আপনার বয়স,এবং বর্তমান কন্ডিশন উল্লেখ্য করে ইনবক্সে মেসেজ করুন এবং আপনার নাম্বার টি দিয়ে রাখুন আমাদের স্পেশালিষ্ট আপনার সাথে বিস্তারিত আলোচনা করবে।

বাংলাদেশ সাইন্সল্যাবের অনুমোদন প্রাপ্ত প্রোডাক্ট কোন প্রকার সাইড এফেক্ট নেই শতভাগ কার্যকরী।

বিস্তারিত জানতে send message অপশন এ ক্লিক করুন অথবা কল করুন 01644288775

18/09/2023

ডায়াবেটিসের প্রকারভেদ ও তাদের পার্থক্যসমূহ
টাইপ-১, টাইপ-২,
৩. গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। ৪. অন্যান্য নির্দিষ্ট কারণভিত্তিক শ্রেণী।

★টাইপ-১
এই ধরনের রোগীদের শরীরে ইনসুলিন একেবারেই তৈরি হয় না। সাধারণত ৩০ বছরের কম বয়সে এ ধরনের ডায়াবেটিস দেখা যায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য এসব রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতেই হয়। অন্যথায় রক্তের শর্করা অতি দ্রুত বেড়ে গিয়ে অল্প সময়ের মধ্যেই রক্তে অম্লজাতীয় বিষক্রিয়ায় অজ্ঞান হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

★টাইপ-২
এই শ্রেণীর রোগীর বয়স অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ৩০ বছরের ওপরে হয়ে থাকে। আজকাল ৩০ বছরের নিচেও এ ধরনের রোগীর সংখ্যা দেখা দিচ্ছে ও দিনে দিনে বেড়ে চলছে। এদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয়। তবে, প্রয়োজনে ইনসুলিন ইনজেকশন না দিলে টাইপ-১ রোগীর মতো এদের বিষক্রিয়া হয় না। অর্থাৎ এরা ইনসুলিন নির্ভরশীল নয়। অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন ও নিয়মিত ব্যায়ামের সাহায্যে এদের চিকিৎসা করা সম্ভব।

★গর্ভকালীন ডায়াবেটিস
অনেক সময় গর্ভবতী অবস্থায় প্রসূতিদের ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। আবার প্রসবের পর ডায়াবেটিস থাকে না। এই প্রকার জটিলতাকেই গর্ভকালীন ডায়াবেটিস বলা হয়। গর্ভবতী মহিলাদের ডায়াবেটিস হলে গর্ভবতী মা ও গর্ভবতী শিশু উভয়ের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। বিপদ এড়ানোর জন্য গর্ভকালীন অবস্থায় ইনসুলিনের মাধ্যমে বিশেষভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা আবশ্যক।

★অন্যান্য নির্দিষ্ট কারণভিত্তিক শ্রেণী
ক. জেনেটিক কারণে ইনসুলিন তৈরি কম হওয়া।
খ. জেনেটিক কারণে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যাওয়া।
গ. অগ্ন্যাশয়ের বিভিন্ন রোগ।
ঘ. অন্যান্য হরমোন আধিক্য
ঙ. ওষুধ ও রাসায়নিক দ্রব্যের সংস্পর্শ।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার কারণসমূহ
যে কেউ যে কোনো বয়সে যেকোনো সময় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে নিম্নোক্ত শ্রেণীর ব্যক্তিদের মধ্যে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে:
ক. যাদের বংশে বিশেষ করে বাবা-মা বা রক্ত সম্পর্কিত নিকটাত্মীয়ের ডায়াবেটিস আছে।
খ. যাদের ওজন অনেক বেশি ও যারা ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রমের কোনো কাজ করেন না।
গ. যারা বহুদিন ধরে কর্টিসোল জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করেন।
ঘ. যেসব মহিলার গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস ছিল আবার যেসব মহিলা ৯ পাউন্ডের বেশি ওজনের বাচ্চা প্রসব করেছেন।
ঙ. যাদের রক্তচাপ আছে এবং রক্তে কোলেস্টেরল বেশি থাকে।

মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস কী?
অনেক সময় গর্ভধারণ করার পর ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। এবং প্রসবের পর রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়। তাকে মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস বলে। গর্ভবতী অবস্থায় মায়ের শরীরে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণে ইনসুলিন প্রয়োজন হয়, রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ স্বাভাবিক রাখার জন্য। যদি এই ইনসুলিন তৈরিতে শরীর অক্ষম হয় তাহলে ওই গর্ভবতী মায়ের গর্ভাবস্থায় রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়, অর্থাৎ মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিস হয়। মাতৃত্বকালীন ডায়াবেটিসের জন্য প্লাসেন্টাল হরমোনও দায়ী।

ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে কী ধরণের জটিলতা হতে পারে?
পক্ষাঘাত স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতা, হৃদরোগ, পায়ে পচনশীল ক্ষত, চক্ষুরোগ, প্রস্রাবে আমিষ বের হওয়া ও পরবর্তীতে কিডনির কার্যক্ষমতা লোপ পাওয়া। পাতলা পায়খানা, যক্ষ্মা, মাড়ির প্রদাহ, চুলকানি, ফোঁড়া, পাঁচড়া ইত্যাদি। তাছাড়া রোগের কারণে যৌনক্ষমতা কমে যায়। মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি ওজনের শিশু জন্ম, মৃত শিশুর জন্ম, অকালে সন্তান প্রসব, জন্মের পরেই শিশুর মৃত্যু এবং নানা ধরনের জন্মগত ত্রুটি দেখা দিতে পারে।

ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় করণীয় কি?
ডায়াবেটিস ব্যবস্থাপনায় চারটি নিয়ম মেনে চলতে হয়-
১. খাদ্য ব্যবস্থা
২. সাধ্যমতো কায়িক পরিশ্রম ও ব্যায়াম
৩. ওষুধ
৪. ডায়াবেটিস সম্পর্কিত শিক্ষা

খাদ্য ব্যবস্থা:
ডায়াবেটিস হলে খাদ্যের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্যের নিয়ম মেনে চলার প্রধান উদ্দেশ্য ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা ও স্বাস্থ্য ভালো রাখা।
আরো বিস্তারিত জানতে কল করুন -০১৬৪৪২৮৮৭৭৫

18/09/2023

যদি আপনার বা আপনার পরিবারে কারো ডায়াবেটিস থাকে
আশা করি ১ মিনিট সময় দিয়ে আমার লেখাটি পড়বেন
বিস্তারিত জানতে- 01644288775 এই নাম্বারে কল করবেন।
ডায়াবেটিস দ্রুত নিয়ন্ত্রনে Dia Control এক নতুন আবিষ্কার।
১৫ দিনের মধ্যে আপনার ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে।
Dia Control প্রতিদিন খাবারের আগে ২/৩ বার সেবন করলে ১৫ দিনের মধ্যে আপনি পাবেন চমৎকার রেজাল্ট।
অবশ্যই সেবনের পূর্বে আপনার সুগারের মাত্রা পরিক্ষা করে সেবন করবেন,তা হলে এর রেজাল্ট দ্রুত দেখতে পাবেন।
আপনার ডায়াবেটিস থাকবে সম্পূর্ন ভাবে নিয়ন্ত্রীত (১০০%গ্যারান্টি )
* দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভূগছেন ?
* কোন ভাবেই সুগার নিয়ন্ত্রনে আনতে পারছেন না ?
* ইনসুলিন নিয়ে ও সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না ?
* দিন দিন বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে হতাশাগ্রস্ত ?

আপনি একটি ফাইল সেবন করে পরিক্ষা করে দেখুন।
১৫ দিনের মাঝেই আপনার সুগার নিয়ন্ত্রনে চলে আসবে।
মাত্র ২ মাসেই ডায়াবেটিসের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করুন।
Dia Control সেবনের পূর্বে অবশ্যই সুগার মেপে সেবন শুরু করুন। আর ১৫ দিন পর আবার পরিক্ষা করে দেখুন ইনশাআল্লাহ আপনার সুগার স্বাভাবিক মাত্রায় চলে আসবে।

আমাদের Dia Control আপনাকে এনে দিবে সচ্ছল জীবন ও সুস্থতায় প্রতিদিন।
Dia Control এটি কোনভাবেই আপনার রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বারাতে দিবে না তাই আপনি সবদিক থেকে থাকবেন নিরাপদ। একবার যাচাই করে দেখুন ইহার জাদুকরি গুনাগুন।

Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Muradpur
Chittagong