Riad bin Hossain
আমরা মানুষরা শুধু চেষ্টা করে যেতে পারি... সাফল্য দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহর
💻Freelancing Consultant 💻
Digital marketing one of the best professional course
at Harbor IT Institute
Reality.... মামা চাচা ছাড়া আসলে কিছু হয়না এখন আর
03/06/2025
🔘Facebook Marketing কি?
✔️Facebook Marketing মানে হচ্ছে ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আপনার পণ্য, সার্ভিস বা ব্র্যান্ডকে মানুষের সামনে তুলে ধরা এবং প্রচার করা।
✅ ১. অর্গানিক মার্কেটিং (Organic Marketing)
এখানে আপনি কোনো টাকা খরচ না করেই ফেসবুকে পেজ, গ্রুপ, পোস্ট, রিলস বা ভিডিওর মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছান।
উদাহরণ:
🔘পণ্যের ছবি/ভিডিও পোস্ট করা
🔘কাস্টমারের রিভিউ শেয়ার করা
🔘লাইভে আসা
🔘ফেসবুক স্টোরি দেওয়া
🔘কমেন্ট/ম্যাসেজে মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখা
✅ ২. পেইড মার্কেটিং (Paid Marketing)
এখানে আপনি টাকা খরচ করে ফেসবুককে বলেন: "এই পোস্টটা নির্দিষ্ট বয়স, এলাকা, আগ্রহের মানুষদের দেখাও।"
এর মাধ্যমে আপনি খুব কম সময়েই অনেক মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারেন।
⬛প্রধান ৩টা পেইড অপশন:
🔴Boost Post: আপনার কোনো পোস্টকে টাকা দিয়ে প্রচার করা
🔴Facebook Ads Manager: অ্যাড তৈরি করে বিভিন্ন জায়গায় (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ম্যাসেঞ্জার) দেখানো
🔴Lead Generation Ads: আগ্রহী কাস্টমারদের নাম, ফোন, ইমেইল collect করা
⭐ Facebook Marketing-এর সুবিধা:
🟦খুব অল্প খরচে প্রচুর মানুষকে পৌঁছানো যায়
🟦আপনার টার্গেট অডিয়েন্সকে নির্দিষ্ট করে অ্যাড দেখানো যায়
🟦ব্র্যান্ডের প্রতি বিশ্বাস গড়ে উঠে
🟦বিক্রি বাড়ানো যায়
02/06/2025
Good News 🗣️
Freelancing Digital Marketing (Basic to Advance) Course Class Will Start Very Soon !
√ ক্লাস শিডিউল : লাইভ ক্লাস সপ্তাহে ৩ দিন
* শনিবার * মঙ্গলবার * বৃহস্পতিবার
√ ক্লাসের সময় রাত ৮ টা হতে
√ প্রথম ক্লাস : ০৫ জুম ২০২৫, বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা হতে
শুরু করুন #ফ্রিল্যান্সিং আমাদের সাথেই ।
√ আমাদের সাথে শুরু করলে আপনি যা পাচ্ছেন :
* বেসিক টু এডভান্স ফ্রিল্যান্সিং
* টপ রেটেড ইনস্ট্রাক্টর প্যানেল দ্বারা পরিচালিত ক্লাস
* কম্পিউটার কোর্স সম্পূর্ন ফ্রি ( ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ারপয়েন্ট)
* থাকছে সপ্তাহে ৩ দিন জুম লাইভ ক্লাস
* লাইভ ক্লাস শেষে রেকর্ড প্রদান
* সিক্রেট অফিসিয়াল ফেসবুক এন্ড ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে এক্সট্রা সাপোর্ট লাইফ টাইম ফ্রি তে
* কোর্স শেষে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রাপ্ত সার্টিফিকেট
* ক্যারিয়ার অপোর্সোনিটি
√ আমাদের সাথে শুরু করার জন্য আপনার যা প্রয়োজন :
👉 ফ্রিল্যান্সিং করতে প্রয়োজন --
* শিখার মানসিকতা
* স্মার্ট ডিভাইস - স্মার্ট ফোন বা লেপটপ
* ইন্টারনেট কানেকশন ভালো
* সময় এবং ধৈর্য
👉 এতে আরো প্রয়োজন -
* ভালো প্লাটফর্ম
* ভালো মেন্টর
* লাইফ টাইম সাপোর্ট
বি:দ্র : স্টুডেন্ট, চাকুরীজীবি, হাউজওয়াইফ কিংবা বেকার সবার জন্য আমাদের এই সাপোর্ট সার্ভিস উন্মুক্ত ।
ফ্রিল্যান্সিং রিলেটেড সঠিক গাইড লাইনের জন্য নিঃসংকোচে যোগাযোগ করতে পারেন আমার সাথে।
✆ ০১৮৬৭-৫৩০ ৩৪৮( রিয়াদ বিন )
#হার্বার_আইটি_ইন্সটিটিউট #ফ্রিল্যান্সিং ゚
29/05/2025
একটি ওয়েবসাইটের জন্য অন পেজ এসইও (On-Page SEO) খুবই গুরত্বপূর্ণ। ২০২৫সালের এই ব্লগিং প্রতিযোগিতার দিনে আমার দৃষ্টিকোণ থেকে মনে হয়, সঠিকভাবে অন-পেজ এসইও করা ছাড়া একটি ওয়েবসাইট গুগল সার্চ ইঞ্জিন বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ রেজাল্টে র্যাংক এ আসা আপনার পক্ষে সম্ভব না।
বর্তমান সময়ে সঠিকভাবে On-Page এসইও করতে পারলে, অফ পেজ এসইও (Off-Page SEO) তে ঘাটতি থাকলেও সার্চ ইঞ্জিনে Rank করা সম্ভব।
মনে রাখবেন অন পেজ এসইও এর সঠিক জ্ঞান ছাড়া আপনি কখনো আপনার ব্লগিং কিংবা এসইও ক্যারিয়ারে সফল হতে পারবেন না। বলা যায়, এসইও এর অর্ধেক জ্ঞানই লুকাইয়িত আছে এই এসইওর মধ্যে। ক্ষেত্র বিশেষে এমনও দেখা গিয়েছে শুধু মাত্র অন পেজ এসইও করেই সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংক করে ফেলে ওয়েবসাইট।
এই পোস্টে আপনি On-page এসইও আসলে কী এবং কীভাবে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য সঠিকভাবে অন পেজ এসইও করবেন তা জানতে পারবেন।
আর পোস্টের শেষের দিকে কয়েকটি অন পেজ এস-ইও টুলস উল্লেখ করেছি। যা আপনার ওয়েবসাইটকে সঠিকভাবে অন পেজ এস-ই-ও করতে সাহায্য করবে।
অন পেজ এসইও কী?
On page SEO হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের ভেতরের কাজ। অর্থাৎ ওয়েবসাইট এর ভেতরে যে কাজগুলো করলে সার্চ ইঞ্জিন ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের উপরে নিয়ে আসে তাকে অন-পেজ এস,ইও বলে।
অন পেজ এস-ই-ও করা হয় সার্চ ইঞ্জিন ও ইউজারকে (Visitors) ঘিরে। এটি একটি ওয়েবসাইটের এসইও এর মূল্যবান এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
On-page এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ?
বর্তমান সময়ে গুগল সহ প্রায় সকল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারকারীকে (ভিজিটরের চাহিদা) প্রাধান্য দিয়ে থাকে। ওয়েবসাইটের পেজ (কনটেন্ট) অপটিমাইজেশন করার দ্বারা ইউজারকে সঠিক তথ্য বা প্রয়োজনীয় জিনিস দেয়া সম্ভব। আর এটি অন পেজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। একটি ওয়েবসাইটের জন্য অন পেজ এস-ই-ও এর প্রয়োজনীয়তা বলে শেষ করা যাবে না।
সঠিকভাবে On Page seo করা দ্বারা খুব দ্রুত একটি ওয়েবসাইট র্যাংক করা সম্ভব। সঠিকভাবে এই এসইও করতে না পারলে, অফ পেজ এসইও র্যাংক এর জন্য কাজে আসবেনা। শুধু মাত্র অন পেজ এসইও দ্বারা একটি ওয়েবসাইট র্যাংক করা সম্ভব, কিন্তু শুধু মাত্র অফ পেজ এসইও দ্বারা ওয়েবসাইটকে র্যাংক করানো সম্ভব না।
উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি মিষ্টির দোকানে পর্যাপ্ত স্টক না থাকে তবে এটির উন্নতির সম্ভাবনা কতটা? অবশ্যই ভবিষ্যতে এই দোকানের উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। যেহেতু আমরা খুব সহজেই বলতে পারি, তার দোকানের ভেতর সঠিক কাস্টমাইজেশন না করার কারণে ভবিষ্যৎ সময়ে উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা কম।
তদ্রূপ, আপনার ওয়েবসাইটের ডিজাইন ও কনটেন্ট ( ওয়েব পোস্ট বা পেজ) ব্যবহারকারী ও সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি না হয়, তাহলে আপনারও ওয়েবসাইটের উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশানের কাজ হল ইউজার-ফ্রেইন্ডলী এবং সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেইন্ডলী ওয়েবসাইট এবং বিষয়বস্তু (পোস্ট বা ওয়েব পেজ) ডিজাইন করা।
আর আগেই আপনাদের বলেছি যে, সার্চ ইঞ্জিন গুলো চায় যে, তাদের অডিয়েন্সকে সব থেকে বেস্ট রেজাল্টটি দিতে। আর তাই আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট এবং কন্টেন্ট অডিয়েন্সের জন্য বেস্ট হয় এমন ভাবে তৈরি করতে হবে। শুধু বেস্ট ভাবে তৈরি করলেই হবে না সার্চ ইঞ্জিনকে বুঝাতে হবে আপনার কন্টেন্টই বেস্ট আর তার জন্যই দরকার এসইও।
একটা সময় অন পেজ এস-ই-ও মানে ছিল ঘন ঘন কি-ওয়ার্ড বসানো। যে যত বেশি কি-ওয়ার্ড প্লেস করতে পারবে আর্টিকেলে তার আর্টিকেল তত ভালো র্যাংক করত৷ কিন্তু প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সেই দিন এখন আর নেই ৷ এখন সার্চ ইঞ্জিন গুলোর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি বেড়েছে। তারা বুঝতে পারে কোন আর্টিকেলটি ভালো আর কোন আর্টিকেলে ইনফরমেশন না দিয়েই শুধু কি-ওয়ার্ড প্লেস করেছে।
এমনকি সার্চ ইঞ্জিন এখন এটাও অ্যানালাইসিস করতে পারে যে, কোন আর্টিকেলটি মানুষের পছন্দ হচ্ছে কোনটি হচ্ছে না। তাই এখন সবাইকেই অন-পেজ এসইও নিয়ে অনেক বেশি সিরিয়াস হতে হবে৷ কি-ওয়ার্ড বসিয়ে র্যাংক করার দিন এখন আর নেই। অনেকে এখনও অন পেiজ এস-ই-ও বিষয়টাকে হালকা ভাবে নেই। On-page SEO? এটি কোন বিষয়ই না শুধু কি-ওয়ার্ড বসালেই হবে, এমনটা মনে করে। তারা কিন্তু এমন ভুল ধারণা নিয়ে এই ইন্ডাস্ট্রিতে লং টাইম সারভাইভ করতে পারবে না।
বুঝতেই পারছেন তাহলে, On-Page SEO কোনো অবহেলার বিষয় নয়। এটি খুবই সেনসেটিভ একটি বিষয়। চলুন এবার জেনে আসি কীভাবে On-page এস-ই-ও করবেন।
কীভাবে On-page এসইও করবেন?
এতক্ষণ আমরা On-Page SEO সম্পর্কে জানলাম। এখন কথা হচ্ছে, এটি কীভাবে করবেন? তার আগে বলে রাখি, একটি ওয়েবসাইটের অন পেজ এসইও এর অনেক কাজ রয়েছে। তার মধ্যে কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মানে অন পেজ এসইওর ওই কাজগুলো করা ছাড়া একটি ওয়েবসাইটকে র্যাংক (Rank) নিয়ে আসা সম্ভব নয়।
আবার কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো অ্যাডভান্স লেভেলের। অ্যাডভান্স লেভেলের On-page SEO আপনি কাজ করতে করতে জেনে যাবেন। তাছাড়াও আপনি অ্যাডভান্স লেভেলের এসইও জানতে বিভিন্ন জনপ্রিয় ইংরেজি এসইও ব্লগ পড়তে পারেন।
একটি পোস্টের ভেতরে On-Page এসইও লিখে শেষ করা সম্ভব নয়। তাই আমরা এই পোস্টের ভেতরে অন-পেজ এসইও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ গুলো নিয়ে আলোচনা করব। যেগুলো একটি ওয়েবসাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে র্যাংক করার জন্য।
অনুসন্ধানকারীকে বুঝুন
আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি বা একটি পোস্ট লেখার আগে, আপনার ওয়েবসাইট বা পোস্ট বিষয় গবেষণা করা উচিত।
অর্থাৎ আপনাকে বুঝতে হবে আপনার ওয়েবসাইটটিকে বা আপনার ওয়েবসাইটের পোস্টটিকে মানুষ কীভাবে সার্চ ইঞ্জিনে খুঁজতেছে, মানে ওয়েবসাইট বা পোস্টটি দেখার জন্য সার্চ ইঞ্জিনে কি লিখে সার্চ করছে।
যেমন- আমার এই ওয়েবসাইটের পোস্টটি হচ্ছে অন পেজ এসইও নিয়ে। এটি গুগলে ও অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে লোকেরা বিভিন্নভাবে কি-ওয়ার্ড দিয়ে খুঁজতেছে। যেমন -
On page এসইও কী?
On-Page SEO বাংলা টিউটোরিয়াল
কীভাবে On-page SEO করতে হয়?
ওয়েবসাইট অন পেজ এসইও করার নিয়ম, ইত্যাদি।
এই তথ্যগুলো পাওয়ার পর আমি আমার পোস্টের ভেতরে এই কি-ওয়ার্ডগুলো রেখে ও এই বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে আমার পোস্টটি তৈরি করেছি। সার্চ ইঞ্জিন শুধু মাত্র মানুষের চাহিদাই মেটায় না, আমার পোস্টগুলি কী সম্পর্কে এবং কার জন্য লেখা হয়েছে তা বোঝাও সহজ করে তোলে ৷
কি-ওর্য়াড রিসার্চ
এসইওতে সফল হতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। ব্লগিংয়ের এই প্রতিযোগিতার সময়ে আপনি যদি সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন না করতে পারেন তাহলে আপনার ব্লগিং সফল হওয়ার হার অনেকাংশে কমে যাবে।
টাইটেল অপটিমাইজ
ওয়েবসাইটের পোস্ট অন পেজ অপটিমাইজেশন করে লেখার ক্ষেত্রে সঠিকভাবে টাইটেল অপটিমাইজেশন করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
যখন আমরা Google এবং অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে কিছু খুঁজে বের করার জন্য কিছু সার্চ করি, তখন আমরা যাদের শিরোনাম পছন্দ করি সেই ফলাফলে ক্লিক করি।
আসলে টাইটেল হলো এমন একটি বিষয় যেটা আপনার পুরো আর্টিকেলকে সংক্ষেপে প্রেজেন্ট করে অডিয়েন্স এর কাছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রায় ৪০% ভিজিটরস টাইটেল এর উপর নির্ভর করে৷ সব সময় চেষ্টা করতে হবে পোস্টের সাথে মিলিয়ে আর্কষণীয় টাইটেল ব্যবহার করতে।
শুধু আকর্ষণীয় হলে হবে না আপনার টাইটেলে থাকতে হবে আপনার ফোকাস কি-ওয়ার্ড। এবং কি-ওয়ার্ডটি ন্যাচারালি বসাতে হবে জোর করে বসিয়ে দেওয়া যাবে না৷ মনে রাখবেন আপনার টাইটেল যত ভালো হবে আপনার CTR তত বেশি বৃদ্ধি পাবে।
পোস্ট টাইটেল কমপক্ষে ৫০-৬০ অক্ষরের মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন। আবার অনেকেই এসইওর জন্য টাইটেলে মেইন কি-ওয়ার্ড একবারের বেশি ব্যবহার করে। এমনটা করলে কিন্তু নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। মেইন কি-ওয়ার্ড ন্যাচারালি একবারই ব্যবহার করবেন টাইটেলে। টাইটেলকে আকর্ষণীয় করতে টাইটেলকে মডিফাই করুন।
টাইটেল মডিফাই করা
জনপ্রিয় এসইও এক্সপার্ট Brian Dean টাইটেল মডিফাই সম্পর্কে বলেছেন। টাইটেল মডিফাই হলো মূলত টাইটেলকে এমনভাবে আর্কষণীয় করে লিখা যেন অডিয়েন্সের টাইটেল দেখে পোস্টটি পড়তে ইচ্ছা করে।
এক্ষেত্রে টাইটেলে কিছু শব্দ যেমন - best, top, complete guide, review, year ইত্যাদি যুক্ত করা। এসব শব্দ যুক্ত করলে মানুষের পোস্টটির প্রতি আগ্রহ জন্মায়। আপনার কন্টেন্টের সাথে সম্পর্কিত শব্দের সাথে টাইটেল পরিবর্তন করুন। আবার টাইটেল মডিফাই করতে গিয়ে কন্টেন্ট আর টাইটেলের রিলেভেন্সি হারিয়ে ফেলা যাবে না।
Meta description
একটি পোস্টের টাইটেলের পরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মেটা ডেসক্রিপশন। আপনি যখন কোনো পোস্ট সার্চ করেন গুগলে তখন দেখবেন ওয়েবসাইটের টাইটেলের নিচে ছোট ডেসক্রিপশন থাকে একটি সেটিই মেটা ডেসক্রিপশন।
মেটা ডেসক্রিপশন খুবই সেনসেটিভ একটি বিষয়। অতিরিক্ত বড় কিংবা অতিরিক্ত ছোট মেটা ডেসক্রিপশন দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
১৫৫-১৬০ ক্যারেকটারের মধ্যে রাখার চেষ্টা করবেন মেটা ডেসক্রিপশন। ন্যাচারাল ভাবে কি-ওয়ার্ড প্লেসমেন্ট করুন। শুধু মেইন কি-ওয়ার্ড রাখলেই হবে না পাশাপাশি রিলেটেড কি-ওয়ার্ড গুলোও রাখুন।
কিওয়ার্ড ডেনসিটি
আপনার আর্টিকেলে প্রধান কি-ওয়ার্ড কত বার ব্যবহার করা হয়েছে, সেটাকে কি-ওয়ার্ড ডেনসিটি বলে।
আমি যে এই এসইও নিয়ে পোস্ট লিখেছি, এটিতে প্রতি ১০০ শব্দে যতবার এই পোস্টে অন-পেজ এসইও লেখাটি উল্লেখ করেছি, সেটি হল আমার এই পোস্টের কিওয়ার্ড ডেনসিটির হিসাব।
যদি পোস্টটি সর্বমোট ৩,০০০ শব্দের হয়, আর আমি যদি ৩০ বার উল্লেখ করি, তাহলে কিওয়ার্ড ডেনসিটি হবে ১%। কারণ আমি প্রতি ১০০ শব্দে ০১ বার করে আমার মেইন কি ওয়ার্ড উল্লেখ করেছি।
আমরা অনেকেই মনে করি শুধু আর্টিকেলই হলো কন্টেন্ট। কিন্তু কন্টেন্ট বলতে বোঝানো হয় পুরো আর্টিকেলের মধ্যে থাকা সমস্ত বিষয় (যেমন- ছবি, ভিডিও ইত্যাদি)। আপনি কোন কন্টেন্টকে কোয়ালিটি কন্টেন্ট বলবেন? আপনারটা আমি জানি না কিন্তু আমাকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় কোয়ালিটি কন্টেন্ট কি আমি বলব যে কন্টেন্ট তার অডিয়েন্সের প্রয়োজন পূরণ করতে পারে সেটিই কোয়ালিটি কন্টেন্ট।
যেমন আপনারা অন পেজ এসইও নিয়ে জানতে এই পোস্টটি পড়ছেন যদি এই পোস্টটি এই এসইও নিয়ে আপনাদের সঠিক ধারণা দিতে পারে তাহলে এই পোস্টটি একটি কোয়ালিটি পোস্ট হিসেবে বিবেচনা হবে। তাই আপনিও চেষ্টা করবেন আপনার অডিয়েন্সের প্রয়োজন পূরণ করতে এবং on-page seo এর সব বিষয় মেনে আপনার পোস্টকে আরো বেশি ইউজার ফ্রেন্ডলি করতে। তারপর আপনার পোস্টও কোয়ালিটি পোস্ট হবে।
চলুন জেনে আসি একটি কোয়ালিটি কন্টেন্টে কি কি থাকা প্রয়োজন।
১. ১০০% ইউনিক কন্টেন্ট হতে হবে। যদি কপি কন্টেন্ট হয় সেটি কখনো র্যাংক করবে না ৷
২. আর্টিকেলের প্রথম প্যারাতেই বলে দেওয়া উচিত পুরো পোস্টের মধ্যে কি নিয়ে আলোচনা হবে। তার জন্য শুরুতে Table of content ও ব্যবহার করতে পারেন। যাতে ইউজার ওয়েবসাইটে ঢুকেই বুঝতে পারে এই কন্টেন্টটি তার সমস্যার সমাধান দিতে পারবে কিনা ৷ এবং পুরো আর্টিকেল পড়ারও একটা অনুপ্রেরণা পায় ইউজার।
৩. ইউজার ইন্টেন্ট ফিল আপ করতে পারতে হবে। এটি নিয়ে শুরুতেই আলোচনা করেছি। ধরুন আপনি এসইও জানতে এই পোস্টটি পড়ছেন তাহলে এমনভাবে পোস্টটি লিখতে হবে যেন আসলেই আপনি এই পোস্ট পড়ে অন পেজ এসইও সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পান।
৪. প্রয়োজন অনুযায়ী ইমেজ ব্যবহার করা এতে পোস্ট পড়তে ভালো লাগে।
৫. পুরো পোস্টকে ছোট-ছোট প্যারায় ভাগ করে লিখা ৷ এতে পোস্ট পড়তে ইউজারের বিরক্ত লাগে না।
৬. রোবটিক টাইপের পোস্ট সাধারণত অডিয়েন্স পড়তে বিরক্ত হয়। একটি কোয়ালিটি কন্টেন্ট এমন হওয়া উচিত যেটা পড়ে মানুষের যেন মনে হয় সামনা সামনাসামনি কেউ কথা বলছে। অর্থাৎ পোস্টের কথা ন্যাচারাল এবং সহজ সরল হওয়া উচিত।
পারমালিংক অপটিমাইজ
আপনার পোস্টের লিংকটি র্যাংক এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে৷ তাই চেষ্টা করবেন আপনার লিংকটিকে এমনভাবে অপটিমাইজড করতে যেন লিংকের মধ্যে আপনার মেইন কি-ওয়ার্ডটি থাকে। যেহেতু আপনি আপনার টাইটেলেও মেইন কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন টাইটেলটিই পারমালিংক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
ওয়ার্ডপ্রেসে পারমালিংক সেটিংসে গিয়ে পোস্ট নেম অপশন সিলেক্ট করে দিলেই আপনার পোস্টের টাইটেল অনুসারে পারমালিংক হয়ে যাবে৷ বিশেষ প্রয়োজনে আপনি নিজের মতো পারমালিংক এডিট করতে পারবেন৷
আর যদি অন্য কোন সিএমএস ব্যবহার করে থাকেন তাহলে ম্যানুয়ালি লিংক এডিট করতে হয়। যেমন ব্লগারে পোস্ট করার সময় ডান পাশের সেটিংস বারে পারমালিংক নামক একটি অপশন পাবেন। সেখানে গিয়ে আপনার লিংক এডিট করে নিতে পারেন৷
Website Speed Optimization
আমি প্রথমেই বলেছিলাম সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারে কোন আর্টিকেল মানুষের পছন্দ এবং কোনটি পছন্দ না। এটা সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারে কোন ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট দেখে। যদি আপনার ওয়েবসাইটে মানুষ বেশিক্ষণ না থাকে তাহলে আপনার বাউন্স রেট বাড়বে এবং সার্চ ইঞ্জিন বুঝবে আপনার আর্টিকেল অডিয়েন্সের পছন্দ না।
কিন্তু যখন ওয়েবসাইটের স্পিড স্লো থাকে তখন অডিয়েন্স আর্টিকেল না পড়েই বিরক্ত হয়ে চলে যায়৷ যার ফলে আপনি ভালো আর্টিকেল লেখা শর্তেও সেটি র্যাংকিং হারাবে।
বেশিরভাগ বাংলাদেশি ব্লগাররাই স্পিড অপটিমাইজেশন নিয়ে সচেতন না। কিন্তু এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই প্রথমেই আপনার ওয়েবসাইটের স্পিড চেক করে নিবেন৷ স্পিড চেক করার জন্য GTmetrix নামক ওয়েবসাইট রয়েছে। এছাড়াও google website speed checker রয়েছে।
On-page SEO টুলস
On page এসইও’র জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং উপকারী হলো Yoast SEO ও Rank Math প্লাগইন। অন পেজ এস-ই-ওর প্রায় অর্ধেক কাজই এই প্লাগইন দিয়ে করা যায়। আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন ফ্রিতেই এই প্লাগইন ব্যবহার করতে পারবেন। ফ্রি ভার্সনই যথেষ্ট অন পেজ এস-ই-ও জন্য।
এছাড়াও কি-ওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য গুগলের কি-ওয়ার্ড প্ল্যানার এবং Ubersuggst ব্যবহার করতে পারেন। যদি পেইড টুল নিতে চান তাহলে Ahref, sEmrush নিতে পারেন। কিছু কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস নিচে দেওয়া হলো -
Yoast SEO
Ahref
GTmetrix
Google site speed checker
Ubersuggest
যদি আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিড ৩ সেকেন্ডের কম হয় তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু যদি এর বেশি হয় আপনাকে স্পিড অপটিমাইজেশন করতে হবে।
এতক্ষণ আপনাদের সাথে অন পেজ এসইও কীভাবে করবেন, তার পরিপূর্ণ একটা গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আশা করি এই আর্টিকেলটা পড়ে উপরোক্ত নিয়ম-কানুন যদি আপনি প্রোপারভাবে প্রয়োগ করতে পারেন, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিক ও আসবে এবং আপনার সাইটটি র্যাংক পাবে এবং আপনি চাইলে AdSense এ এপ্ল্যাই করেও ইনকাম করার পথও তৈরি করতে পারবেন।
তোমার ডিগ্রি তোমাকে চাকরি দেবে না—দেবে তোমার প্রস্তুতি!!!
চার বছরের ব্যাচেলর প্রোগ্রাম করে যদি তুমি শুধু সিজিপিএ পাও,
কিন্তু প্রশ্ন করলে মুখ নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকো—
তবে চাকরিদাতা তোমাকে নিবে না, বাদ দিবে!!!
কারণ এখনকার চাকরির বাজারে প্রশ্ন একটাই:
> "তুমি কী পারো?"
এটা না যে: "তোমার সার্টিফিকেটে কী লেখা?"
তাহলে তুমি কী পারো?
প্রেজেন্টেশন দিতে পারো?
কোনো টিমে কাজ করতে জানো?
সমস্যা দেখে সমাধান খুঁজে পেতে পারো?
নিজের আবেগ আর চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারো?
এইগুলো শেখাবে না শুধু বই, শেখাবে না শুধু ক্লাস।
শিখতে হবে তোমাকেই—নিয়মিত নিজের জন্য সময় রেখে, নিজের উপর ইনভেস্ট করে।
তোমার এখন যা করা দরকার:
১. দিনে মাত্র ২ ঘণ্টা নিজের ভবিষ্যতের জন্য কাজ করো
২. নিজের শক্তি-দুর্বলতা চেনো
৩. প্রতিদিন কিছু না কিছু শেখো—চাইতে ছোট হোক
৪. স্মার্টফোনটা শুধু বিনোদনের জন্য নয়, শিখতেও ব্যবহার করো
এটা শুরু, এখানেই শেষ নয়!!!
27/05/2025
ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কি? (What is Instagram Marketing)
ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং (Instagram Marketing) হচ্ছে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে যেকোনো পণ্য, সেবা, অথবা প্রতিষ্ঠানের প্রচার করা। ইনস্টাগ্রাম অনেক শক্তিশালী এবং জনপ্রিয় একটি প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় আপনি খুব সহজেই আপনার পণ্যকে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারবেন। পণ্যের প্রচার করার সাথে সাথে ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসার সম্পর্কে অ্যাওয়ারনেস বৃদ্ধি করতে
পারবেন। যাতে করে কাস্টমারের সাথে আপনার সু-সম্পর্ক স্থাপন হবে এবং আপনার সেলস অনেক বৃদ্ধি পাবে ।
ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কেন করব?
বর্তমানে ইনস্টাগ্রামের ইউজার সংখ্যা বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। তাই আমার মনে হয় না এই প্রশ্ন কারো মনে এখনো থাকার কথা । Instagram ব্যবহার করে আপনি বিপুল সংখ্যক কাস্টমারের কাছে খুব সহজেই পৌঁছাতে পারবেন। শুধু তাই নয় আমেরিকায় প্রায় ৭১% এর বেশি Business Owner-রা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করে।
এছাড়াও আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সার্ভিস দিতে চান তাহলে বাহিরের দেশের ক্লাইন্টের সাথে কমিউনিকেশনের জন্য আপনাকে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার করতেই হবে। কারণ বাহিরের দেশের অধিকাংশ প্রফেশনাল মানুষেরাই তুলনামূলক ইনস্টাগ্রামে বেশি একটিভ থাকে। অর্থাৎ এই বিষয়টা স্পষ্ট যে, বর্তমান সময়ে যদি অনলাইনে ব্যবসা করতে চান তাহলে ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং (Instagram Marketing) এর কোনো বিকল্প নেই ।
ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কত প্রকার?
ইনস্টাগ্রাম মার্কেটিং কে সাধারণত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যেমনঃ
1. Free Instagram Marketing
2. Paid Instagram Marketing
ফ্রিতে অর্গানিকালি মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে অনেক শ্রম এবং সময় ব্যয় করতে হবে। অন্যদিকে পেইড মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার সময় কম ব্যয় হবে এবং আপনি অনেক সহজেই কাঙ্খিত কাস্টমারের কাছে পৌঁছাতে পারবেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, অর্গানিক মার্কেটিং ইজ বেস্ট। পেইড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ইনভেস্ট করা বন্ধ করে দিলে আপনার মার্কেটিং ও বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি যদি অর্গানিকভাবে মার্কেটিং করে পরিচিতি লাভ করতে পারেন তাহলে তা আপনাকে অনেক দূর নিয়ে যাবে।
15/05/2025
স্কিলই এখন ক্যারিয়ারের চাবিকাঠি।
আমি শুধু সময় কাটাচ্ছি না—আমি সময়কে ইনভেস্ট করছি।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের এই যাত্রা আমাকে প্রতিদিন শেখাচ্ছে নতুন কিছু,
নিজেকে গড়ে তোলার এই পথ একবার শুরু করেছি—এখন আর পিছনে ফিরে তাকানোর সময় নেই।
নতুনদের জন্য দারুণ এক সুযোগ নিয়ে এসেছে Harbour IT & Training Institute!
দ্বিধা না করে আজই যুক্ত হন আমাদের ফ্রি ওয়েবিনারে,
শুরু করুন আপনার ক্যারিয়ার গড়ার পথচলা দক্ষতা অর্জনের মধ্য দিয়ে।
এটাই হতে পারে আপনার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট।
সময় এখন নিজেকে প্রস্তুত করার—সময় এখন স্কিলড হবার।
ফ্রিল্যান্সিং মানেই ধৈর্যের পরিক্ষা,আর এ ধৈর্যের পরীক্ষাই বেশির ভাগ পরাজিত হয়,
যারা লেগে থাকে তারাই সর্বোচ্চ পর্যায়ের সফলতা পায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Chittagong, Bahadarhat
Chittagong
4390