Creative World
Do or done
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিয়ে যাদের চাকুরি হয়েছে তাদের নিয়োগ বাতিল সার্টিফিকেট বাতিল ও ভাতা বন্ধ করা পাশাপাশি এতদিন যত টাকা নিয়েছে তা ফেরত নেওয়া উচিত হবে
07/06/2024
আজ পবিত্র জুম্মাবার সবাই কে জুম্মা মোবারক।
আজ -> ২৯ যুল কা'দা, ১৪৪৫ হিজরী, ২৪ জ্যৈষ্ঠ মাস ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।
আজ বাদ মাগরিবের পড়ে হয়তো জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা যাবে। এর পরপরই আসছে ঈদুল আযহা ও কুরবানি। যারা আমরা কুরবানি দিব তাদের নখ-চুল ইত্যাদি কাটা বিষয়ক একটি মাসনূন আমল আজকে জেনে নিব ইনশাআল্লাহ।
কুরবানি দাতার জন্য একটি বিশেষ আমল হচ্ছে:
জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার পর থেকে কুরবানি আদায় করার আগ পর্যন্ত নখ, চুল, গোফ ও শরীরের কোনো পশম না কাটা। পশু কুরবানি হয়ে যাওয়ার পর এগুলো কাটা যাবে। তাই জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার আগেই নখ, চুল, গোফ বা এরকম অন্যান্য কাজগুলো সেরে ফেলা। ঈদের দিন কুরবানি হয়ে যাওয়ার পর আবার এগুলো কেটে পরিচ্ছন্ন হওয়া। হাদীসের আলোকে জানা যায় উক্ত মুস্তাহাব আমলটি যারা কুরবানি দিবেন না তারাও চাইলে করতে পারেন। এতে ইনশাআল্লাহ তারাও সওয়াবের অংশীদার হবেন।
নখ-চুল কবের মধ্যে কাটতে হবে?
এ বছর জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৭ জুন ২০২৪ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার। অর্থাৎ উক্ত দিন জিলক্বদ মাসের ২৯ তারিখ। যদি ৭ জুন শুক্রবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা যায়, তাহলে এরপর থেকে আমরা আর চুল-নখ ইত্যাদি কাটবো না। যদি চাঁদ দেখা না যায় সেক্ষেত্রে পরের দিন শনিবারের সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত নখ-চুল ইত্যাদি কাটার সময় পাওয়া যাবে। যেহেতু চাঁদ কবে উঠবে সেটা আমরা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারি না। তাই আমাদের উচিত হবে যারা কুরবানি দিব, তারা যেন সকলেই ৭ জুন শুক্রবার সূর্যাস্তের আগেই উক্ত কাজগুলো সেরে ফেলি। মনে থাকার সুবিধার্থে আমরা নিজ নিজ ফোনে চুল-নখ কাটার জন্য রিমাইন্ডার অ্যালার্ম সেট করে রাখতে পারি।
হাদীস ১
হযরত উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (সা) বলেছেন:
"যখন তোমরা যিলহাজ্জ মাসের (নতুন চাঁদ দেখতে পাও) আর তোমাদের কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা করে, তবে সে যেন তার চুল না ছাটে ও নখ না কাটে।"
মুসলিম ৫০১৩; ই. ফা. ৪৯৫৭, ই. সে. ৪৯৬৩
হাদীস ২
আরেকটি হাদীসে আছে, একজন সাহাবী একবার হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জানতে চেয়েছেন:
‘আমার একটি মাত্র দুধের বকরি আছে। আমি কি তা কুরবানি করে দেব?’
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ‘না, তুমি বরং তোমার নখ-চুল কাটো, গোফ ছোট করো আর লজ্জাস্থানের লোম পরিস্কার করো। আল্লাহ পাকের নিকট এটাই তোমার কুরবানির পূর্ণতা হিসেবে বিবেচিত হবে।’
07/06/2024
আল্লাহ তা'আলা যাকে অপছন্দ করেন তাকেও অঢেল ধন সম্পদ দান করেন। আর যাকে পছন্দ করেন তাকে দান করেন হিকমাহ।
যাকে হিকমাহ দান করা হয় তার ভিতরে থাকে সাকিনা। আরবি সাকিনা শব্দের অর্থ শান্ত, প্রশান্ত, ধীর, স্থির।
টেবিল ভর্তি খাবার অথচ প্রত্যেকটা খাবারে আপনি দোষ খুঁজে পাচ্ছেন, পেট ভরে খেতে পারছেন না। কেননা আপনাকে সম্পদ দান করা হয়েছে, হিকমাহ দেয়া হয়নি যে কারণে আপনার ভিতর সাকিনা নেই।
আপনাকে হিকমাহ দেয়া হয়েছে যে জন্যে আলু ভর্তা আর ডাল দিয়েও পরম প্রশান্তি নিয়ে পেট ভরে খেয়ে উঠে বলে উঠবেন আলহামদুলিল্লাহ।
উচ্চশিক্ষিতা সুন্দরী স্ত্রী পেয়েও আপনি তাকে নিয়ে সুখী নন, কারণ আপনাকে হিকমা দেয়া হয়নি।
টয়োটা এলিয়নে চড়েও আপনি সুখী নন, আপনার কেন পাজেরো নাই? এর কারণ আপনার মাঝে হিকমাহ নাই, সাকিনা উঠে গেছে। আপনি আপনার অবস্থানে সুখী নন।
আরবি হিকমা শব্দের অর্থ প্রজ্ঞা। যাকে আল্লাহ তা'আলা হিকমা দান করেন সে সর্ব অবস্থায় সন্তুষ্ট থাকে, শান্তিতে থাকে। এর অর্থ নিজেকে মানিয়ে চলা এবং তাতে সন্তুষ্ট থাকা।
রিজিক শব্দের অর্থ অনেক ব্যাপক।
■▪রিযিকেরর সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিযিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিযিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিযিক এর পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিযিক খুব গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম না এবং একটিও বেশি না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার রিযিকে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিযিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিযিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিযিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্ তা'ইলা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারওটা খাচ্ছে না, যে যার রিযিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। কেননা,
আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই, যার রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই। তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত। সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে।"
-----(সুরা হুদ : আয়াত ৬)
■■ আল্লাহ তা'আলা অন্যত্র বলেনঃ
-------"যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো না কোনো পথ বের করে দেবেন। আর তাকে (এমন উৎস থেকে) রিযিক দেবেন, যা সে ধারণাও করতে পারবে না।"
-----(সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩)
■▪মহান আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের সঠিক পথ এবং হালাল ও প্রশস্ত কামাই রোজগার ও রিযিক এর ব্যবস্থা করে দিন এবং সকল প্রকার হারাম কামাই রোজগার ও রিযিক থেকে হিফাযত করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, এবং হিফাযত করুন(আমীন)।
(সংগৃহীত)
11/04/2024
ঈদ মোবারক 💝💝💝
#প্রিয় মাইসুন মনি
#সবার প্রিয় জুবরান
#আখি ভাবি
#আশরাফ রুবেল
10/04/2024
ঈদের শুভেচ্ছা
ঈদ মোবারক
💝💝💝
বলা হয়েছে, গীবতকারীকে লাইলাতুল কদরেও ক্ষমা করা হবে না যতক্ষণ না সে তার (যার নামে গীবত করা হয়েছে) কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে।
আমি একজন মানুষ, আমি হয়তো গীবত করেছি বা আপনার সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছি তাই আমি বিনীতভাবে আপনাদের সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।
আমি দুঃখিত, আপনাকে যে সমস্ত ব্যথা দিয়েছি তার জন্য এবং আপনি যদি কোনও দিন কাঁদেন অথবা আমার কারণে খারাপ অনুভব করে থাকেন তার জন্যও। আমাদের আত্মা পরিষ্কার করা ভাল যাতে আমাদের রোজা এবং দোয়া আল্লাহ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) কবুল করেন। আমি আপনার জন্য দোয়া করব, ইন শা আল্লাহ।
একইসাথে আমাকেও যারা কষ্ট দিয়েছেন কখনো, আমার সম্মুখে বা অজ্ঞাতে আমার সমালোচনা বা গীবত করেছেন.....আমি তাদের ক্ষমা করে দিলাম..
আল্লাহ আমাদের সকলকে ক্ষমা করুন।
রাব্বুল আলামীন আমাদের সবাইকে রহমত, বরকত, হিদায়াত, ঈমান, তাকওয়া ও সবর দান করুন।
আমীন।
©
এখন কোথাও ইফতার মাহফিল হয় না
ইফতার পার্টি হয়
★জিহ্বা দিয়ে যে ১৯টি পাপ সংঘটিত হয়★
১) কারও নাম খারাপ করে ডাকা/নাম ব্যঙ্গ করা।
২) খারাপ ঠাট্টা বা বিদ্রূপ করা।
৩) অশ্লীল ও খারাপ কথা বলা।
৪) কাউকে গালি দেয়া।
৫) কারও নিন্দা করা।
৬) অপবাদ দেয়া।
৭) চোগলখুরী করা।
৮) বিনা প্রয়োজনে গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়া।
৯) মুনাফিকী করা ও দুই মুখে (দ্বিমুখী) কথা বলা।
১০) অতিরিক্ত কথা বলা।
১১) বাতিল ও হারাম জিনিস নিয়ে আলোচনা করে আনন্দ লাভ করা।
১২) কারও গীবত করা।
১৩) খারাপ উপনামে ডাকা।
১৪) কাউকে অভিশাপ দেয়া।
১৫) কাউকে সামনা-সামনি বা সম্মুখে প্রশংসা করা।
১৬) মিথ্যা স্বপ্ন বলা।
১৭) অনর্থক চিৎকার বা চেঁচামিচি করা।
১৮) জিহ্বা দিয়ে হারাম বস্তুর স্বাদ নেয়া, গ্রহণ করা বা খাওয়া।
১৯) জিহ্বা দিয়ে খারাপ অর্থে কাউকে কোন ভঙ্গি করা বা দেখানো।
অভিনন্দন
ফিলিস্তিন ফুটবল দলকে
এই প্রথম বাংলাদেশের হারে কোন কষ্ট পেলাম না
হেরে ও জিতে গেলাম মনে হচ্ছে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong