Learn BlockChain BD
It has been said that,
blockchain will do for transactions,
what the Internet did for information.
শুভ দুপুর
শিল্পবিপ্লবের সময় ইউরোপ মেশিন বানিয়েছে। আমরা তখন বেলুন উড়িয়েছি হাতে বাঁধা ছিলো লাল সুতো। ওরা সেন্টিমিটার মেপে কারখানা গড়েছে, আমরা পাটের দড়ি গুণে দোকান খুলেছি।
ফলাফল? পিছিয়ে পড়েছি এক শতাব্দী।
এবারও ইতিহাসের পাতা ওলটাচ্ছে, মেশিনের জায়গায় এবার AI।
এটা এমন এক প্রযুক্তি, যা শেখে, বোঝে, আপনাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে… আপনি যদি এখনই না বোঝেন, তাহলে আপনি নিজের গল্প থেকে সরে পড়বেন।
২০২৬ সাল থেকে Meta নিজেই আপনার জন্য বিজ্ঞাপন তৈরি করবে। ছবি, ক্যাপশন, ভিডিও সব AI দেবে। আপনি শুধু “Confirm” চাপবেন। আপনার মার্কেটিং টিম তখন বিস্ময় নিয়ে শুধু তাকিয়ে থাকবে। আর যারা এই AI শেখেনি, তারা নীরব হয়ে যাবে ঠিক সেই বেকার মিস্ত্রির মতো, যার রেঞ্জার খুলে কেউ আর দেয়ালে পেরেক গাঁথে না। এমনকি যারা বড় ব্যবসায়ী তারাও ঝুঁকিতে আছেন। কারণ আপনার মার্কেটিং টিম যদি AI না বোঝে,
আপনার ব্র্যান্ড একদিন ছোট হয়ে যাবে, আর যারা AI দিয়ে কাজ করছে, তারা আপনাকে বাইপাস করে সামনে চলে যাবে।
এই AI-এর সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আমার নতুন কোম্পানি এখন যে প্রজেক্টে হাত দিয়েছে, তা হলো বাংলাদেশের লোকাল ব্র্যান্ডগুলোকে পুরো পৃথিবীতে রপ্তানি করা। সুতা না, পোষাক না, আস্ত কোম্পানি রপ্তানি করা। আমার কাছে সব আছে। লাইসেন্স, লোকেশন, সফটওয়্যার, স্ট্র্যাটেজি, স্কেলিং একটি কোম্পানিকে গ্লোবাল করতে যা লাগে, সব।
তবে কথা একটাই, এই সুযোগ থাকবে উইন্টারের পূর্ব পর্যন্ত। কারণ উইন্টারে আমি ঘুমাবো। আমার শরীর শীতে ক্লান্ত হয়ে যায়। আমি তখন নতুন স্বপ্নে ব্যস্ত থাকি। যদি আপনি তখন আসেন, তখন দরজা খোলা থাকবে না।
আমি আমার যোগ্যতায় বিশ্বাস করি, আর আল্লাহর রহমতের উপর ভরসা রাখি। বাংলাদেশি যে সকল কোম্পানি আমার সাথে কোলাব করবে না তারা ছিটকে পরবে যেভাবে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ছিটকে পরেছে ইউটিউবার উত্থানে। সময় শুধু এই সামার। আর পরের সামারে.....
এই সুযোগ যাবে আফ্রিকায়।
কাটাতার ভাজ করে রাখ।
এ তাবৎ বিশ্ব আমার।
পুনশ্চঃ বিশ্বাস করেন আর না করেন, সামারে আমি পাগল থাকি।
Hi Everybody
How are you.
16/01/2025
ময়ূখ রঞ্জন ঘুষ
অধ্যাপোক ও বিভাগীয় প্রধান
সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগ,
তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয়।
তার এই নতুন প্রাপ্তিতে Learn BlockChain BD এর পক্ষ থেকে জানাই উটপাখির সেদ্ধ ডিম কাচ্চির শুভেচ্ছা।
আশা করি তার ছোঁয়ায় তিতুমীর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা এক সময়ে হবে বিশ্ব বরেন্দ্র সাম্বাদিক।
আমাদের সাথে থাকতে জয়েন করুন :
Blockchain Bd, LEARN BLOCKCHAIN BD_ব্লকচেইন প্রযুক্তি। গ্রুপে
🔥 ব্লকচেইন ইন্ডাস্ট্রি: ২০২৪-এর গেম চেঞ্জিং আপডেটস
🚀 বিগ টেক জায়ান্টদের নতুন মুভ:
• Microsoft: Azure-এ Web3 ইন্টিগ্রেশন চালু
• Amazon: AWS-এ নতুন ব্লকচেইন টুলস লঞ্চ
• Google: ব্লকচেইন ডেটা এনালিটিক্স প্ল্যাটফর্ম শুরু
💰 ফিনটেক রিভোলিউশন:
• Visa: USDC স্টেবলকয়েনে ডিরেক্ট পেমেন্ট সিস্টেম
• PayPal: ক্রিপ্টো ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম এক্সপানশন
• JPMorgan: নতুন ব্লকচেইন পেমেন্ট নেটওয়ার্ক
🎮 গেমিং ইন্ডাস্ট্রির বড় পদক্ষেপ:
• Sony PlayStation: NFT গেমিং সাপোর্ট ঘোষণা
• Epic Games: ব্লকচেইন গেম ইন্টিগ্রেশন
• Ubisoft: নতুন Web3 গেমিং প্ল্যাটফর্ম
🏢 এন্টারপ্রাইজ অ্যাডপশন:
• Walmart: সাপ্লাই চেইন ট্র্যাকিং আপগ্রেড
• Maersk: শিপিং ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন সলিউশন
• IBM: হাইপারলেজার আপডেট
🌐 Web3 ডেভেলপমেন্ট:
• Ethereum: নতুন স্কেলিং সলিউশন
• Polygon: এন্টারপ্রাইজ সলিউশন এক্সপানশন
• Solana: পারফরমেন্স আপগ্রেড
LEARN BLOCKCHAIN BD_ব্লকচেইন প্রযুক্তি।
Learn BlockChain BD
Blockchain Bd
09/10/2024
ব্লকচেইন মুলত ওয়েব ৩.০ এর একটি অংশ যা ব্লকচেইনকে কেদ্র করে ফাংশান করে।ওয়েব ৩.০ তে পর্যন্ত এখনোও পুরোপুরি ট্রান্সফর্ম হওয়া যায়নি।ইন্টারেনেটে ইতিহাস মুলত ৩ভাগে বিভিক্ত।১৯৬৯ সালে The Advanced Research Projects Agency Network(ARPANET) এর মাধ্যমে প্রথম ইন্টারেনেট এই পৃথিবীতে যাত্রা শুরু করে,প্রথম দিকে ইন্টারেনেটের ব্যাবহার ছিল খুবই সীমিত এবং বড় বড় কিছু সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান এটি ব্যাবহার করতে পারত।ARPANET এর প্রায় ২০ বছর পরে ১৯৮৯ সালে প্রথম ওয়েবের ধারণা আসে ইন্টারনেট জগৎ এ যেখানে প্রতিষ্ঠানের বাইরে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাবহার বৃদ্ধি পায়।আজকে আমরা সংক্ষেপে জানব ওয়েব ১.০,২.০ ও ৩.০ সম্পর্কে।
💻ওয়েব ১.০: স্ট্যাটিক ওয়েব (১৯৮৯-২০০৫)
ওয়েব ১.০, যা সাধারণত "রিড-ওনলি" ওয়েব নামে পরিচিত ইন্টারনেটের প্রথম ধাপকে বোঝায়। এই সময়ের ওয়েবসাইটগুলো ছিল বেশিরভাগই স্ট্যাটিক HTML পেজ যা ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র পড়তে পারত কিন্তু ব্যাবহারকারীরা কোন প্রকার লেখালেখালেখি বা ইন্টারঅ্যাকশন করতে পারত না। এই ওয়েবসাইটগুলো ছিল কেন্দ্রীভূতভাবে নিয়ন্ত্রিত যার ফলে কন্টেন্ট শুধু ওয়েবসাইটের মালিক বা ডেভেলপারদের দ্বারা আপডেট করা যেত। ওয়েব ১.০ এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
👉স্ট্যাটিক পেজ: কন্টেন্ট নির্দিষ্ট ছিল এবং খুব কম আপডেট করা হতো।
👉সীমিত ইন্টারঅ্যাকশন: ব্যবহারকারীরা কেবল তথ্য দেখতে পারত কিন্তু তাতে কোনো প্রকার মন্তব্য,রিয়াক্ট বাঅবদান রাখতে পারত না।
👉কেন্দ্রীভূত কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ: কেবল ওয়েবসাইটের মালিক বা অ্যাডমিনিস্ট্রেটররা ডেটা এবং আপডেট নিয়ন্ত্রণ করত।
👉প্রাথমিক ওয়েব ডিজাইন: সাধারণত টেক্সট-ভিত্তিক ওয়েবসাইট যেখানে কম মাল্টিমিডিয়া এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ উপাদান ছিল।
উদাহরণস্বরূপ, ওয়েব ১.০ এর মধ্যে Yahoo! এর মতো প্রথম সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল যা ছিল মূলত ডিজিটাল ব্রোশিওরের মতো।
💻ওয়েব ২.০: ডাইনামিক এবং সোশ্যাল ওয়েব (২০০৬-বর্তমান)
ওয়েব ২.০ যা "রিড-রাইট" ওয়েব নামে পরিচিত এটি ইন্টারনেটে যোগাযোগের ধরণে বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে। এই ওয়েবসাইটে ডাইনামিক কন্টেন্ট,সোশ্যাল মিডিয়া এবং ব্যবহারকারী-উৎপাদিত কন্টেন্টের বিকাশ ঘটায় যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটে আরও সক্রিয় হতে সহায়তা করে। ওয়েব ২.০ এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
👉ডাইনামিক কন্টেন্ট: ওয়েবসাইটগুলো আরও ইন্টারঅ্যাকটিভ হয়ে ওঠে এবং ব্যবহারকারীর ইনপুটের উপর ভিত্তি করে রিয়েল-টাইমে কন্টেন্ট আপডেট করা যেত।
👉ব্যবহারকারী দ্বারা উৎপাদিত কন্টেন্ট: YouTube, Facebook এবং Twitter এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহারকারীদের কন্টেন্ট তৈরি এবং শেয়ার করার সুযোগ দেয়।যেখেনা ওয়েবসাইটে মালিকা ছাড়াই ইন্টারেকশন করতে পারত ব্যাবহারকারীরা।
👉সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং: মানুষ একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে, এবং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তথ্য শেয়ার করতে পারে।
👉রিচ মিডিয়া এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়েব: মাল্টিমিডিয়া (ভিডিও, ছবি) এবং রিচ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন (JavaScript, AJAX) ব্যবহারে আরও আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করা হতো।
👉কেন্দ্রীভূত প্ল্যাটফর্ম: যদিও ওয়েব ২.০ ইন্টারঅ্যাকটিভ ছিল বেশিরভাগ ডেটা বড় কর্পোরেশন বা প্ল্যাটফর্ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হত(যেমন:গুগল,মেটা) যার ফলে গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষার উদ্বেগ দেখা দেয়।
ওয়েব ২.০ ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন মাত্রা যুক্ত করলেও ডেটা মালিকানা,গোপনীয়তা এবং প্ল্যাটফর্মের নিয়ন্ত্রণের সমস্যা তুলে ধরে।
💻ওয়েব ৩.০: ডিসেন্ট্রালাইজড এবং ইন্টেলিজেন্ট ওয়েব (উত্থানমান/আগামী দশক)
ওয়েব ৩.০ যা "রিড-রাইট-এক্সিকিউট" বা "সেম্যান্টিক" ওয়েব নামে পরিচিত ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎকে বোঝায় যেখানে ব্লকচেইন প্রযুক্তি,কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং বিকেন্দ্রীভূত সিস্টেম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
👉বিকেন্দ্রীকরণ: ওয়েব ২.০ এর বিপরীতে ওয়েব ৩.০ বিকেন্দ্রীভূত প্ল্যাটফর্ম এবং সেবা প্রদান করে, যেখানে ডেটা একটি কেন্দ্রীভূত কর্তৃপক্ষের পরিবর্তে ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে বিতরণ করা হয়।
👉ব্লকচেইন প্রযুক্তি: ওয়েব ৩.০ ব্লকচেইনকে একীভূত করে, যা বিকেন্দ্রীভূত অ্যাপ্লিকেশন (dApps), স্মার্ট কন্ট্রাক্ট এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করে। এটি ডেটার উপর আরও বেশি সুরক্ষা, স্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে।
👉কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মেশিন লার্নিং: ওয়েব ৩.০ AI ব্যবহার করে ব্যক্তিগত এবং বুদ্ধিমান সেবা প্রদান করে, যা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন এবং পছন্দ অনুযায়ী সাড়া দেয়।
👉সেম্যান্টিক ওয়েব: ওয়েব ৩.০ ডেটার পিছনের বিষয়বস্তু এবং অর্থ আরও ভালভাবে বোঝার চেষ্টা করে, যার ফলে আরও সংযুক্ত এবং প্রসঙ্গভিত্তিক ওয়েব অভিজ্ঞতা তৈরি হয়।
👉ব্যবহারকারী ডেটার মালিকানা: ওয়েব ৩.০ ব্যবহারকারীদের তাদের ডিজিটাল পরিচয়, সম্পদ এবং ব্যক্তিগত ডেটার মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেয়, যা তৃতীয় পক্ষের কোম্পানির উপর নির্ভর করার পরিবর্তে আরও স্বাধীনতা প্রদান করে।
মূলত ওয়েব ৩.০ একটি আরও বিকেন্দ্রীভূত, সুরক্ষিত এবং বুদ্ধিমান ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা প্রদান করতে যাচ্ছে যা গোপনীয়তা, ব্যবহারকারীর ক্ষমতাবৃদ্ধি এবং বিকেন্দ্রীভূত অ্যাপ্লিকেশনগুলোর উপর গুরুত্ব দেয়। Ethereum, Decentraland এবং ক্রমবর্ধমান বিকেন্দ্রীভূত অর্থব্যবস্থার (DeFi) অ্যাপ্লিকেশনগুলোর উদাহরণগুলো ওয়েব ৩.০ এর উদাহরণ।
-----------------------------------------------------------------------------
ওয়েব ৩.০ ও ব্লকচেইনের উপর জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সম্পুর্ন বাংলায় NonAcademy নিয়ে এল ব্লকচেইনের উপর জব প্লেসমেন্ট গ্যারান্টি সহ Nano Degree কোর্স।পূর্বে ব্লকচেইন বা কোডিং এর কোন জ্ঞান না থাকলেও যে কেউ কোর্সটি ইনরোল করতে পারবেন,এখানে একদম শুণ্য থেকে এক্সপার্ট লেভেল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রযেক্ট ও এসাইনমেন্ট আকারে শেখানো হবে।কোর্সের আসন সংখ্যা সীমিত।
⭐কোর্সের সম্পূর্ণ বিস্তারিত থাকবে কমেন্ট বক্সে।
Blockchain is a International networking system.
It is a very secure algorithm.
51% attack is not hack.
Learn BlockChain BD
LEARN BLOCKCHAIN BD_ব্লকচেইন প্রযুক্তি।
29/04/2024
ক্রিপ্টোগ্রাফি কি?
ক্রিপ্টোগ্রাফি হল কোড ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য এবং যোগাযোগ রক্ষা করার একটি পদ্ধতি, যাতে শুধুমাত্র যাদের জন্য তথ্যটি পাঠানো কেবল তারাই এটি পড়তে এবং প্রক্রিয়া করতে পারে। ক্রিপ্টো শব্দের অর্থ হচ্ছে গুপ্ত বা লুকানো। তাহলে ক্রিপ্টোগ্রাফির বাংলা করলে দাঁড়ায় ‘তথ্যগুপ্তিবিদ্যা’।
ব্যক্তিগত মেসেঞ্জার থেকে কর্পোরেট তথ্য সুরক্ষা এবং অর্থ স্থানান্তর পর্যন্ত প্রযুক্তি বিশ্বের বেশিরভাগ অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে ক্রিপ্টোগ্রাফি পাওয়া যায়।
“ধরা যাক আমার একটি কোম্পানি আছে এবং এই কোম্পানির সমস্ত প্রোফাইলগুলো এবং বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের ইনফর্মেশন আমি কোথাও রাখতে চাই।
আবার এই ইনফর্মেশন গুলো আমার সকল এমপ্লয়ীদের দিতে হবে যাতে তারা এই ইনফর্মেশন গুলো নিয়ে আমার প্রোফাইল এবং একাউন্টে এক্সেস করে কাজ করতে পারে।
কিন্তু সমস্যা হল বাহিরের কেউ যদি এই ইনফরমেশন গুলো জেনে যায় তাহলে সে এই ইনফর্মেশন গুলো মিস ইউজ করতে পারে, যেমন আমার একাউন্টে ঢুকে বিভিন্ন মানুষকে মেসেজ করতে পারে কিংবা আমার ইনফর্মেশন ডিলিট করে দিতে পারে।
তাই আমি যাচ্ছি আমার এই ইনফর্মেশন গুলো শুধুমাত্র আমার এমপ্লয়ীরাই জানুক, তাই আমি আমার ডাটাগুলোকে এনক্রিপ্ট করে আমার এমপ্লয়ীদের কাছে পাঠাব এবং তারা ডিক্রিপ্ট করে ইনফরমেশন গুলো পড়তে পারবে, অন্য কেউ এই ইনফর্মেশন গুলো পড়তে পারবে না কারণ তাদের কাছে ডিক্রিপ্ট করার জন্য কোন প্রাইভেট কি জানা নেই। প্রাইভেট কি শুধুমাত্র আমি আমার এমপ্লয়ীদের সাথে শেয়ার করলাম যাতে তারা প্রাইভেট কি এর মাধ্যমে এই ইনফর্মেশন গুলো পড়তে/ ডিক্রিপ্ট করতে পারে। এই ব্যাপারটাকেই বলা হয় ক্রিপ্টোগ্রাফি।”
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে রুশ উলামা কাউন্সিলের ফতোয়া।
বিস্তারিত কমেন্টে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Chittagong