STS Design Studio

STS Design Studio

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from STS Design Studio, Engineering service, CDA Avenue Muradpur, Chittagong.

|ডিজিটাল সার্ভে|মাটি পরীক্ষা|পাইলিংয়ের কাজ|উপজেলা পৌরসভা,চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্ল্যান অনুমোদন|আর্কিটেকচারাল|স্টাকচারাল|ইন্টরিয়র ডিজাইন|থ্রিডি ডিজাইন|প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট|প্রজেক্ট সুপারভিশন|সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কাজের প্রয়োজনে
wa.me//+8801675900325 বাড়ি নির্মানের করার কথা ভাবছেন ? প্লান করা দরকার ? আমাদের আছে বুয়েট,চুয়েট,কুয়েট,ডুয়েট সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বাস

04/06/2025

নতুন বিল্ডিং বা কাঠামো নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়:
=================================
1. যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগুলোর অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে সঠিক স্ট্রাকচারাল নকশা না হলে ভূমিকম্পরোধক বিল্ডিং হবে না।

2. বিল্ডিং ডিজাইনের আগেই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটির গুনাগুণ বিশ্লেষণ ও মাটির ধারণক্ষমতা নির্ভুলভাবে নির্ণয়পূর্বক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।

3. বিল্ডিং নির্মাণের সময় অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার) তদারকি রাখতে হবে যাতে গুণগত মান ঠিক থাকে।

4. সঠিক অনুপাতে গুনগতমানের সিমেন্ট, রড, বালির ব্যবহার হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। কংক্রিটের চাপ বহন ক্ষমতা কোনো অবস্থাতেই ৩০০০ পিএসআই-এর নিচে নামানো যাবেনা । তার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে নির্মানাধীন সাইটে দায়িত্বে নিয়োজিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে কিউব অথবা সিলিন্ডার টেস্ট করতে হবে। কংক্রিটের মিক্সাচারে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঢালাইর পরে পানির ব্যবহার করে কংক্রিটের কিউরিং করতে হবে।

5. উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রড পরীক্ষাপুর্বক ব্যবহার করতে হবে। রডের বহন ক্ষমতা ৬০ হাজার পিএসআই-এর কাছাকাছি থাকতে হবে। স্ক্র্যাপ বা গার্বেজ থেকে প্রস্তুতকৃত রড ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।

6. বিল্ডিং-এর প্ল্যান ও এলিভেশান দুই দিকই সামাঞ্জ্য থাকতে হবে।

7. নির্ধারিত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ করবেন না। বিল্ডিং কোড অনুসারে এক্সপানশান ফাঁক রাখতে হবে।

8. বেশি পরিমান সরু ও উঁচু বিল্ডিং-এর পাশ হঠাৎ করে কমাবেন না। যদি কমাতে হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইনামিক বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

9. বিল্ডিং-এর উচ্চতা যদি ভবনের প্রস্থের ৪ (চার) গুণের অধিক হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইমানশন বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

10. সেটব্যাক বা হঠাৎ করে বিল্ডিং-এর পাশের মাপঝোপ কমানো যাবেনা। যদি কমাতেই হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ করে সাইট অ্যাফেক্ট জেনে ডিজাইন করতে হবে।

11. জটিল কাঠামোগত প্লানের জন্য অবশ্যই ত্রিমাত্রিক ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

12. শেয়ার ওয়াল বা কংক্রিটের দেয়াল সঠিক স্থানে বসিয়ে ভূমিকম্পরোধ শক্তির পরিমাণ বাড়াতে হবে।

13. সাপ্রতিক সময়ে যে হারে বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তা মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হলেই ধ্বসে যাবে। সুতরাং বিম, কলাম ও স্ল্যাব বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি করতে হবে।

14. দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে বিল্ডিং-এর প্ল্যান/ ডিজাইন করে ভূমিকম্প রোধক বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে।

15. নিচের তলা পার্কিং-এর জন্য খালি রাখতে হলে, ঐ তলার পিলারগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হবে। প্রয়োজনমতো কংক্রিটের দেওয়াল দিয়ে পিলারগুলোতে বেষ্টনীবদ্ধ করতে হবে।

16. বিল্ডিং-এর বিমের থেকে পিলারের শক্তি বেশি করে ডিজাইন করতে হবে। কমপক্ষে ২০% বেশি করতে হবে।

17. মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ ফাউন্ডেশন প্রকৌশলগতভাবে যাচাই বাছাই করে ডিজাইন করতে হবে।

18. ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়ালগুলো ভূমিকম্পের জন্য আদৌ নিরাপদ নয়। তাই এই দেয়ালগুলো ছিদ্রযুক্ত ইটের ভিতরে চিকন রড দিয়ে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে তৈরি করে লিন্টেলের সাথে যুক্ত করে দিতে হবে। সবদিকে লিন্টেল দিতে হবে। বিশেষ করে দরজা বা জানালার খোলা জায়গায় চিকন রড দিয়ে ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়াল যুক্ত করতে হবে।

19. মনে রাখতে হবে, নতুন বিল্ডিং নির্মাণে ভূমিকম্প-প্রতিরোধক নিয়মাবলি প্রয়োগ করলে, শুধুমাত্র ২-৩% নির্মাণ খরচ বৃদ্ধি পায়।

02/04/2025

বান্দরবান,খাগড়াছড়ি,রাঙ্গামাটি,কুমিল্লা,ফেনী,লক্ষীপুর,নোয়াখালী,চাঁদপুর,বি-বাড়িয়া,চট্টগ্রাম,কক্সবাজার এই সকল জেলায় ড্রয়িং ডিজাইন প্ল্যান অনুমোদন প্রক্রিয়া,ডিজিটাল সার্ভে,মাটি পরীক্ষা সহ বাড়ি নির্মাণের যাবতীয় সেবার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।

wa.me

30/03/2025

রমজানের রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত শেষে এলো খুশির ঈদ। আপনার জীবন হোক ঈদের চাঁদের মতো আলোয় ভরা, আনন্দে ও ভালোবাসায় উদ্ভাসিত। ঈদ মোবারক!”

শুভেচ্ছান্তে
প্রকৌশলী ওসমান গনি
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
এসটিএস ডিজাইন স্টুডিও
এসটিএস ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড কন্সট্রাকশন

31/01/2025

🔺🔺 নতুন বিল্ডিং নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয় 🔻🔻

🏡🏡 বাসস্থান মানুষের তৃতীয় মৌলিক চাহিদা। বাংলাদেশের মত ছোট রাষ্ট্রে এক খন্ড জমি মহামূল্যবান। একজন মানুষের জীবদ্দশায় সাধারণত একটি বাড়ি তৈরী করাই স্বপ্নের মত। তাই কী করে সঠিকভাবে নিজের মহামূল্যবান বাড়িটি বানানো যায় তা জেনে নেওয়া জরুরী 🏡🏡

↪️ কি থাকবে স্বপ্নের বাড়িতে?
প্রথমেই সিন্ধান্ত নিন কেমন হবে আপনার স্বপ্নের বাড়িটি। পাঁচতলা নাকি দশতলা, পার্কিং থাকলে কয়টা হবে, লিফট জেনারেটরের সুবিধা থাকবে কিনা, বারান্দা কয়টা চাই, টয়লেট কয়টা দরকার, ছাদে বাগান হবে কিনা ইত্যাদি সম্পর্কে প্রথমেই সিন্ধান্ত নিন। এতে আপনার স্বপ্নের বাড়িটি বাস্তবায়ন করা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

↪️ অর্থায়ন-
বাড়ি বানানোর জন্য অর্থায়ন সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। এর জন্য আপনাকে একজন অভিজ্ঞ পুরকৌশলীর কাছে যেতে হবে। ধরুন, আপনি পাঁচ কাঠার একটি প্লটে পাঁচতলা একটি বাড়ি বানাবেন। একজন পুরকৌশলী খরচের ব্যাপারে আপনাকে আনুমানিক ধারণা দিতে পারবে যার ফলে আপনি খুব সহজেই সিন্ধান্ত নিতে পারবেন বাড়িটি কিভাবে বানাবেন। অনেকেই অর্থায়ন সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে অনেকদূর এগিয়ে গিয়েও নিজের স্বপ্নটি আর পূরণ করতে পারেন না। তাই অর্থায়ন সম্পর্কে ধারণা পেয়ে গেলে সিন্ধান্ত নিতে পারবেন যে, ব্যাংক থেকে লোন নিবেন নাকি ডেভেলপারকে বাড়িটি করতে দিয়ে দিবেন। তবে একাধিক মানুষ একসাথে অর্থায়ন করেও বাড়ি বানানো যেতে পারে।

↪️ প্ল্যান পাস-
জমি, অর্থায়ন সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর একজন আর্কিটেক্ট আপনার মতামত অনুযায়ী বাড়ির প্ল্যান বানাবে। বাড়িটি দেখতে কেমন হবে তা জানানোর জন্যে তিনি এলিভেশন, থ্রিডি, এ্যানিমেশন ইত্যাদি দিয়ে থাকেন। এরপর আপনার বাড়িটি যে এলাকায় করছেন সেখানে খবর নিতে হবে যে বাড়ি বানানোর ছাড়পত্র কোন অথরিটি দিয়ে থাকে। যেমন, ঢাকার জন্য রাজউক, কুমিল্লা বা অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সিটি কর্পোরেশন কতৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট পৌরসভা বা উপজেলা প্রশাসন। এই অথরিটি থেকে জেনে নিতে হবে প্ল্যান পাসের জন্য কী কী ডকুমেন্টস জমা দেওয়া প্রয়োজন। তারপর আপনার নির্ধারিত কনসালটেন্ট এর সহযোগিতায় আপনি সমস্ত ডকুমেন্টস তৈরি করে সংশ্লিষ্ট অথরিটিতে সাবমিশন করবেন। খেয়াল রাখতে হবে যিনি প্ল্যান তৈরি করছেন এবং উক্ত ভবনের স্ট্রাকচারাল ডিজাইন যিনি করেছেন, তিনি যেন অবশ্যই IAB এবং IEB এনলিস্টেড আর্কিটেক্ট এবং প্রকৌশলী হন।

↪️ সয়েল টেস্ট-
প্ল্যান হয়ে গেলেই একজন পুরকৌশলীর মতামত নিয়ে সয়েলটেস্ট করে ফেলতে হবে। আপনার স্বপ্নের বাড়িটি করার জন্যে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি করার পরেই বোঝা যাবে আপনার বাড়িটির ভিত্তি কী রকম হবে। আমাদের দেশে সাধারণত এটিকে খুব কম গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে স্বপ্নের বাড়িটি দুর্বল হয়ে পড়ে যা জীবনের হুমকিস্বরূপ, নাহয় প্রয়োজনের চাইতে অনেক বেশি খরচ হয়ে যায়। তাই সঠিকভাবে একজন জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা সয়েল টেস্ট করানো উচিত।

↪️ স্ট্রাকচারাল ডিজাইন-
প্ল্যান এবং সয়েল টেস্ট করা হয়ে গেলে একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা স্ট্রাকচার বা কাঠামোগত ডিজাইন করাতে হবে। মানব দেহের সাথে তুলনা করলে কাঠামোগত ডিজাইন মূলত আপনার স্বপ্নের বাড়ির কঙ্কালস্বরূপ। তাই এটিকে কোনভাবেই অবহেলা করা যাবে না। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারং ইনিস্টিটিউট (আইইবি) স্বীকৃত পুরকৌশলীর দ্বারাই শুধুমাত্র স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করাতে হবে এবং প্রয়োজনীয় নকশাসহ অন্যান্য সকল এপ্রুভাল শিটে (এমআইইবি) নম্বরধারী পুরকৌশলীর দ্বারা স্বাক্ষর করাতে হবে। তাহলেই আপনার তৈরিকৃত ভবনটি হবে নিরাপদ ও ঝুকিমুক্ত। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী ভুমিকম্প প্রতিরোধক ও টেকসই ভবন নির্মাণের জন্য কোন অবস্থাতেই আইইবি সদস্যবিহীন কোন ইঞ্জিনিয়ার থেকে আপনার স্বপ্নের বাড়ির কাঠামোগত ডিজাইন করানো যাবেনা এবং নকশাসহ অন্যান্য সকল এপ্রুভাল শিটে তাহার স্বাক্ষর নেয়া যাবেনা। কারন আইইবি সদস্যবিহীন কোন ইঞ্জিনিয়ার এর স্বাক্ষর বিএনবিসি অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য না এবং তাঁর স্বাক্ষরে আপনার বাড়ির প্ল্যান বা নকশাটি কোন অথরিটি থেকে পাশ করানো ও যাবে না।

↪️ লে আউট চেক-
আর্কিটেকচারাল ও স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করা হয়ে গেলে তা সাইটে গিয়ে একবার লে-আউট চেক করা ভালো। সাধারণত আমাদের দেশে নির্মাণে যাওয়ার আগে এটি চেক করা হয় না। এটি এ পর্যায়ে করলে বিল্ডিং সেটিং প্ল্যান ঠিক আছে কিনা বা ফাউন্ডেশন অন্যের জমিতে চলে যাবে কিনা প্রাকটিক্যালি তা বোঝা যায় যা কাগজে কলমে অনেক সময় ভুল থাকতে পারে।

↪️ অন্যান্য ড্রয়িং-
আমাদের দেশে আর্কিটেকচারাল এবং স্ট্রাকচারাল ড্রয়িং ছাড়া প্ল্যাম্বিং ও ইলেকট্রিক্যাল ড্রয়িং তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। অথচ এটা খুব ভাইটাল এবং সেনসিটিভ একটা বিষয়। কারণ এর ফলে যেমন বাড়ির সৌন্দর্যগত সমস্যা নিবারণ করা যায়, তেমনি ভবনের ক্ষতি হবে এমন কাজ থেকে বিরত থাকা যায়।

↪️ ডিটেইল বিল অব কোয়ান্টিটি-
সব প্রকারের ড্রয়িং বা নকশা হয়ে গেলে ডিটেইল বিল অব কোয়ান্টিটি বানাতে হবে। অর্থাৎ বাড়িটি করতে ঠিক কত খরচ হবে তার হিসাব লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে। এর ডিটেইল অনেকে অনেকভাবে করে থাকে। ফ্লোর অনুযায়ী হিসাবটা করলে বোঝা অনেক সহজ হয়ে যায়।

↪️ নির্মাণ সামগ্রীর ধারণা-
বাড়ির মোট খরচের পরিমাণ আপনার হাতে চলে আসলে আপনাকে নির্মাণ সামগ্রী সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। কোথায় সুলভ মূল্যে গুণগত মানের নির্মাণ সামগ্রী পাওয়া যায় তার খোঁজ নিতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার আপনাকে সম্যক ধারনা দিবেন বা তাহার থেকে আপনি নির্মাণ সামগ্রীর কোয়ালিটি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিবেন। ডেভেলপাররা বাড়ি নির্মাণ করলে নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবহারিক টেস্ট সম্পর্কে জেনে নিতে হবে। এতে করে একজন মালিক হিসেবে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কোয়ালিটি নির্মাণ সামগ্রী দিয়ে আপনার বাড়িটি বানানো হচ্ছে কিনা। মনে রাখতে হবে, টেকসই ও মজবুত বাড়ি নির্মাণ করতে হলে আপনাকে তিনটি জিনিসের উপর গুরুত্ব দিতে হবে, তা হলো ১। দক্ষ এবং সার্টিফাইড ইঞ্জিনিয়ার ২। ভালো নির্মাণ সামগ্রী ৩। অভিজ্ঞ কন্ট্রাক্টর, এই তিনটি জিনিসের স্বমন্বয়ে আপনার স্বপ্নের ভবন হবে নিরাপদ এবং টেকসই।।

↪️ নির্মাণের জন্য জমি প্রস্তুতকরণ-
বাড়ি নির্মাণের আগে জমি প্রস্তুতকরণও একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সম্পূর্ণ প্লটটি গাছগাছালি ও আবর্জনাশূন্য করতে হবে। আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছেঃ
১। লেবারদের থাকার জন্য জায়গা ও বাথরুম করা প্রয়োজন।
২। বিদ্যুৎ ও গ্যাস, পানির সংযোগ থাকতে হবে কারণ নির্মাণ কাজে এই তিনটি জিনিস সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

↪️ সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার-
আমাদের দেশে বেশিরভাগ সময়ে ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া শুধু মিস্ত্রি দিয়েও বাড়ি বানানো হয়ে যায় যা একদমই অনুচিত। একজন অভিজ্ঞ সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার আপনার বাড়িটি সঠিকভাবে নির্মাণ করার জন্যে পরামর্শ দিতে পারবেন।

↪️ কন্ট্রাকটর বা ঠিকাদার নিয়োগ-
ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার বা সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শে এবং উপস্থিতিতে আপনাকে একজন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ঠিকাদার নিয়োগ করতে হবে যে আপনার বাড়িটি বানানোর জন্যে লেবার বা শ্রমিক নিয়োগ দিবে এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং এ রাখবে।

↪️ সেফটি-
বাড়ি নির্মাণের আগে সেফটি নিয়েও আলোচনা করতে হবে। প্রতিবছর নির্মাণকাজে অনেক শ্রমিক মারা যায়। যেমনঃ বিদ্যুৎ ব্যবহারে অসাবধানতা, উপর থেকে নির্মাণ সামগ্রী মাথার উপরে পড়া ইত্যাদি। তাই নির্মাণের আগে ঠিকাদার এবং সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা সেফটি প্ল্যান করিয়ে নিতে হবে।

↪️ সিডিউল বা সময়তালিকা-
সবশেষে একটি সময়তালিকা করে নেওয়া জরুরী। এ থেকে কবে প্রজেক্ট শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে তার একটি তারিখ দেওয়া থাকে। কোন ফ্লোর কোন মাসে বা বছরে শেষ হবে জানা থাকলে কাজ যেমন সুন্দর হয়, তেমনি বাজেট নিয়েও ভালোভাবে কাজ করা যায়।

↪️ আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতায় আমরা মানুষের জন্য পরিকল্পিত, টেকসই ও পরিবেশ বান্ধব নগরায়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

⤵️ আমাদের সেবাসমূহঃ

◼️ বিল্ডিং ডিজাইন এন্ড কনস্ট্রাকশন
◼️ আর্কিটেকচারাল প্ল্যান
◼️ স্ট্রাকচারাল ডিজাইন
◼️ ইন্টেরিয়র এবং এক্সটেরিয়র ডিজাইন
◼️ কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন
◼️ এস্টিমেট
◼️ সয়েল টেস্ট
◼️ পাইলিং
◼️ ডিজিটাল সার্ভে
◼️ ব্যাংক লোন শিট
◼️ উপজেলা/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন প্ল্যান পাস শিট।

🔄 বাড়ি নির্মাণে অভিজ্ঞ ও সার্টিফাইড প্রকৌশলীর পরামর্শ নিন এবং নিশ্চিন্তে বসবাস করুন 🔄

👉 অফিস নং-সিডিএ এভিনিউ,মুরাদপুর,চট্টগ্রাম।
📞 মোবাইলঃ

wa.me

17/01/2025

‎‎নতুন বিল্ডিং বা কাঠামো নির্মাণ করার ক্ষেত্রে করণীয়

১। যে কোন বিল্ডিং-এর নকশা তৈরি করার পূর্বেই স্ট্রাকচারাল নকশার বিধিগুলোর অনুসরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে সঠিক স্ট্রাকচারাল নকশা না হলে ভূমিকম্পরোধক বিল্ডিং হবে না।

২। বিল্ডিং ডিজাইনের আগেই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মাটির গুনাগুণ বিশ্লেষণ ও মাটির ধারণক্ষমতা নির্ভুলভাবে নির্ণয়পূর্বক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে।

৩। বিল্ডিং নির্মাণের সময় অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার) তদারকি রাখতে হবে যাতে গুণগত মান ঠিক থাকে।

৪। সঠিক অনুপাতে গুনগতমানের সিমেন্ট, রড, বালির ব্যবহার হচ্ছে কিনা দেখতে হবে। কংক্রিটের চাপ বহন ক্ষমতা কোনো অবস্থাতেই ৩০০০ পিএসআই-এর নিচে নামানো যাবেনা । তার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে নির্মানাধীন সাইটে দায়িত্বে নিয়োজিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেরকে কিউব অথবা সিলিন্ডার টেস্ট করতে হবে। কংক্রিটের মিক্সাচারে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঢালাইর পরে পানির ব্যবহার করে কংক্রিটের কিউরিং করতে হবে।

৫। উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রড পরীক্ষাপুর্বক ব্যবহার করতে হবে। রডের বহন ক্ষমতা ৬০ হাজার পিএসআই-এর কাছাকাছি থাকতে হবে। স্ক্র্যাপ বা গার্বেজ থেকে প্রস্তুতকৃত রড ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে ।

৬। বিল্ডিং-এর প্ল্যান ও এলিভেশান দুই দিকই সামাঞ্জ্য থাকতে হবে।

৭। নির্ধারিত ডিজাইনের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ফ্লোর নির্মাণ করবেন না। বিল্ডিং কোড অনুসারে এক্সপানশান ফাঁক রাখতে হবে।

৮। বেশি পরিমান সরু ও উঁচু বিল্ডিং-এর পাশ হঠাৎ করে কমাবেন না। যদি কমাতে হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইনামিক বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

৯। বিল্ডিং-এর উচ্চতা যদি ভবনের প্রস্থের ৪ (চার) গুণের অধিক হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক ডাইমানশন বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

১০। সেটব্যাক বা হঠাৎ করে বিল্ডিং-এর পাশের মাপঝোপ কমানো যাবেনা। যদি কমাতেই হয় তাহলে ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণ করে সাইট অ্যাফেক্ট জেনে ডিজাইন করতে হবে।

১১। জটিল কাঠামোগত প্লানের জন্য অবশ্যই ত্রিমাত্রিক ভূমিকম্প বিশ্লেষণ করে ডিজাইন করতে হবে।

১২। শেয়ার ওয়াল বা কংক্রিটের দেয়াল সঠিক স্থানে বসিয়ে ভূমিকম্পরোধ শক্তির পরিমাণ বাড়াতে হবে।

৩। সাপ্রতিক সময়ে যে হারে বিল্ডিং তৈরি হচ্ছে, তা মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প হলেই ধ্বসে যাবে। সুতরাং বিম, কলাম ও স্ল্যাব বিশিষ্ট বিল্ডিং তৈরি করতে হবে।

১৪। দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারকে বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে বিল্ডিং-এর প্ল্যান/ ডিজাইন করে ভূমিকম্প রোধক বিল্ডিং নির্মাণ করতে হবে।

১৫। নিচের তলা পার্কিং-এর জন্য খালি রাখতে হলে, ঐ তলার পিলারগুলো বিশেষভাবে ডিজাইন করতে হবে। প্রয়োজনমতো কংক্রিটের দেওয়াল দিয়ে পিলারগুলোতে বেষ্টনীবদ্ধ করতে হবে।

১৬। বিল্ডিং-এর বিমের থেকে পিলারের শক্তি বেশি করে ডিজাইন করতে হবে। কমপক্ষে ২০% বেশি করতে হবে।

১৭। মাটির গুণাগুণের ওপর ভিত্তি করে যথাযথ ফাউন্ডেশন প্রকৌশলগতভাবে যাচাই বাছাই করে ডিজাইন করতে হবে।

১৮। ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়ালগুলো ভূমিকম্পের জন্য আদৌ নিরাপদ নয়। তাই এই দেয়ালগুলো ছিদ্রযুক্ত ইটের ভিতরে চিকন রড দিয়ে আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে তৈরি করে লিন্টেলের সাথে যুক্ত করে দিতে হবে। সবদিকে লিন্টেল দিতে হবে। বিশেষ করে দরজা বা জানালার খোলা জায়গায় চিকন রড দিয়ে ৫ ইঞ্চি ইটের দেয়াল যুক্ত করতে হবে।

১৯। মনে রাখতে হবে, নতুন বিল্ডিং নির্মাণে ভূমিকম্প-প্রতিরোধক নিয়মাবলি প্রয়োগ করলে, শুধুমাত্র ২-৩% নির্মাণ খরচ বৃদ্ধি পায়।

Want your business to be the top-listed Equipment Service in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


CDA Avenue Muradpur
Chittagong
4203