Muhammad Siam Reza

Muhammad Siam Reza

Share

Assalamualaikum! Welcome to My official page of Muhammad Siam Reza.

23/01/2026

Manifesting the place my soul has been craving all this time...In shā’ Allāh,with my nasheeb 🤍

01/11/2025

Baitul Mukarram National Mosque.
Video Created by Muhammad Nayem

04/09/2025

Jashn-e juloos eid-e milad un nabi (s.)

09/04/2025

গা/জা/য় স/ন্ত্রা/সী ই/জ/রা/ই/লের বোমা হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ছোট্ট একটি মেয়ে ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে, আর সে তার চারপাশে কী ঘটছে তা জানে না... সে জানে না যে তার পুরো পরিবার শ/হী/দ হয়ে গেছে, এবং সে একাই বাকি আছে।

সে ধুলোর মাঝে, রক্তের মাঝে চিৎকার করছে, আর একটি পরিচিত মুখ খুঁজছে। কিন্তু সে সেখানে নীরবতা এবং মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই খুঁজে পাচ্ছে না।

হামলার সময় আঘাতের কারণে সে বোমা বিধ্বস্ত বাড়ির উপর থেকে প্রায় পড়ে যাওয়ার উপক্রম। তার ছোট্ট শরীর দাঁড়াতে পারছে না, কিন্তু তার চোখ পুরো মানুষের গল্প বলে দিচ্ছে।

সে কেবল একজন বেঁচে যাওয়া মানুষ নয়... সে এমন একটি অপরাধের জীবন্ত সাক্ষী যা পৃথিবী কখনও দেখেনি।
আহ্ গা/জা

27/01/2025

বাংলার বা বাংলাদেশের ইসলামের ইতিহাসে হজরত শাহ জালাল (রহ.) এমন এক জিন্দা বাস্তবতা, যে বাস্তবতার কোনো লয় বা ক্ষয় নেই।

আকবর আলি খান তাঁর বাংলায় ইসলাম প্রচারে সাফল্য বইতে লিখেছেন, “বাংলায় ইসলাম প্রচার করেছেন মূলত সুফি সাধকেরা। এঁরা সমুদ্রপথে বাংলায় আসেননি, এসেছেন স্থলপথে। ত্রয়োদশ শতকে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানদের সঙ্গে বাংলার যোগাযোগ অনেক বেড়ে যায়। তাই অনুমান করা হয় যে, চতুর্দশ শতক থেকে শুরু করে বাংলাদেশে বড়ো ধরনের ধর্মান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়।” শামসুল আলম তাঁর ‘হযরত শাহ জালাল (রহ.)’ বইয়ের ভূমিকায় লিখেছেন, “যে সব সূফী সাধকের ত্যাগ ও সাধনার বদৌলতে বাংলাদেশের মানুষ পবিত্র ইসলামের আব-এ-কাওসারের সন্ধান পেয়েছে, তাঁদের মধ্যে সিলেটের হযরত শাহ্ জালাল মুজাররদ (রহ.) অন্যতম এবং অনেকের মতে শ্রেষ্ঠতম।”

এই দুই মন্তব্যকে এক করলে যা পাওয়া যায় তা হলো বৃহৎ বাংলা বা পরবর্তী বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারে সবচেয়ে বড়ো ভূমিকা রেখেছেন সুফি-দরবেশ তথা পীর-আউলিয়াগণ। আর এই সুফি-দরবেশদের মাঝে সবচেয়ে বড়ো ভূমিকাটি রেখেছেন সিলেটের হজরত শাহ জালাল মুজাররদ ইয়ামেনি (রহ.)।

সঙ্গত কারণেই তাই বাংলার আনাচে-কানাচে শাহ জালালের নাম ছড়িয়ে পড়ে এ অঞ্চলে তাঁর আগমনের পর থেকেই। আরবের মরুপ্রান্ত থেকে স্বপ্নাদিষ্ট হয়ে বাংলার তরুপ্রান্ত পর্যন্ত যে সফর তিনি করেছেন, তা মোটেও কোনো মুখের কথা নয়। এ এক বিরাট সাধনযজ্ঞ। তার উপর ব্যাপারটা যদি কেবলই সফরে সীমাবদ্ধ থাকতো তবে না হয় কথা ছিল, কিন্তু তা মোটেও সফরে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাঁকে বাংলায় এসে রীতিমতো ভূমি জয়ে অংশ নিতে হয়েছিল। ফিরোজ শাহের আমলে সিকান্দার গাজি সিলেট জয়ে একাধিক বার যেখানে ব্যর্থ হয়েছিলেন, সেখানেই এসে প্রেরণা জুগিয়েছিলেন হজরত শাহ জালাল (রহ.)। সিকান্দার গাজির বাহিনীতে তাঁর আর নাসির উদ্দিন সিপাহসালারের অন্তর্ভুক্তিই হয়ে উঠেছিল সিলেট জয়ের কারণ।

মনে রাখা দরকার যে, তিনি কেবল সিলেটের ভূমিই জয় করেননি; জয় করেছেন সিলেটের মানুষকেও। নতুবা পরবর্তী সাত’শ বছরে শাহ জালালের অস্তিত্ব বাংলায় খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হতো। বলাবাহুল্য বীর-যোদ্ধারা কেবল ভূমিই জয় করতে পারেন, মানুষ জয় করতে দরকার পড়ে একটি নিষ্কলুষ পবিত্র আত্মা। সেই আত্মার বাহন ছিলেন শাহ জালাল (রহ.)। তিনি এমন এক পরিশুদ্ধ আত্মার ধারক-বাহক ছিলেন যে আত্মার সংস্পর্শে এসে সিলেটের মুটেমজুর, চাষাভুষা, পাহাড়িয়া-সহ সকল জাতের মানুষ হেদায়তের নুরের সন্ধান লাভ করেছিলেন। যার ফলে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মের হওয়া সত্ত্বেও শাহ জালালকে আপন করে নিতে সিলেটবাসীদের দুইবার ভাবতে হয়নি।

শাহ জালাল আবার একা একা বাংলায় এসে নিজের মতো করে ধর্ম প্রচার করে দায়িত্ব শেষ করেছেন তাও নয়। তাঁর দায়িত্ব ছিল আরও বড়ো। সুদূর আরব থেকে শুরু করে ইরাক-ইরান-আফগানিস্তানের বহু দরবেশকে তিনি সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন। তিনি অবশ্য তাঁদের জোর করে আনেননি, তাঁর মহত্ত্বের উপর মোহিত হয়ে দরবেশরা তাঁর পিছু নিয়েছিলেন। মহত্ত্বে মোহিত হয়ে না এলে কি আর ইয়ামেনের রাজ সিংহাসন ছেড়ে রাজপুত্র শাহ জালালের পিছু নেয়?

যাই হোক, যাঁরা এসেছিলেন তাঁর সাথে, তাঁরাও তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে ইসলাম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। বিশেষ করে সিলেটকেই ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হলেও শাহ জালালের শাগরেদরা ছড়িয়ে পড়েছিলেন সিলেট পেরিয়ে আশপাশের সকল অঞ্চলে। সিলেট থেকে যথেষ্ট দূরত্ব হওয়া সত্ত্বেও কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ঢাকা, সোনারগাঁও ইত্যাদি জায়গা বাদ যায়নি সে মিশন থেকে। বর্তমান ভারতের আসাম, কাছাড়, করিমগঞ্জ, ত্রিপুরা, মালাদ-সহ আশপাশের বিস্তৃত অঞ্চলেও তাঁর শাগরেদরা ইসলাম প্রচারে ছড়িয়ে পড়েছিলেন।

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ ‘ইসলাম প্রসঙ্গ’ বইতে লিখেছেন, “যাঁর বদৌলতে এ অঞ্চলে ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়ে, তিনি হচ্ছেন হযরত শাহ জালাল মুজার্রদ, যাঁর পাক মাযার সিলেটে বিরাজমান রয়েছে।” ড. মুহাম্মদ এনামুল হক ‘বঙ্গে স্বূফী প্রভাব’ বইতে লিখেছেন, “বাঙ্গালার সোহরাওয়ার্দীয়া সাধকদের মধ্যে শ্রীহট্টের বঙ্গ-বিখ্যাত শাহ জালাল মুজাররদ ইয়েমেনি একটি অতি বিশিষ্ট স্থান অধিকার করিয়া রহিয়াছেন। এদেশে ইসলাম বিস্তৃতির জন্য বাঙ্গালার মুসলমান এই স্বনামখ্যাত দরবীশের নিকট প্রভৃত পরিমাণে ঋণী। তিনি যে শুধু নিষ্ক্রিয় ও স্থানুর ন্যায় সংসারত্যাগী সন্ন্যাসী ছিলেন তাহা নহে, তিনি একাধারে ধর্ম-প্রচারক ও যোদ্ধা ছিলেন। খ্রীষ্টীয় চতুর্দশ শতাব্দীর দ্বিতীয় পাদে পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিম আসাম একদিকে যেমন তাঁহার রণ-দুন্দুভি-নিনাদে মুখরিত হইয়া উঠিয়াছিল, ঠিক তেমনিই অপর দিকে তাঁহার প্রচার-তৎপরতা মাতিয়া উঠিয়াছিল। এই বিশাল ভূভাগে তিনিই সর্বপ্রথম উল্লেখযোগ্যরূপে সনাতন ইসলামের বীজ বপন করিয়াছিলেন; তাই এখনও পূর্ববঙ্গের মুসলমানগণ শত শত পল্লীগাঁথায় তাঁহার স্মৃতিরক্ষা করিয়া আসিতেছে।”

সুতরাং এটা স্পষ্ট যে, সমগ্র বাংলায় ইসলাম প্রচারের যে মিশন ত্রয়োদশ শতাব্দীতে শুরু হয়েছিল তা পূর্ণ মাত্রা পায় চতুর্দশ শতকে শাহ জালাল কর্তৃক সিলেট জয়ের পর। কারণ, গৌর গোবিন্দ তুলনামূলক ছোটো রাজ্যের অধিপতি হলেও তার দক্ষ সেনাবাহিনী, জাদুবিদ্যা আর রণকৌশলে বারবার খেই হারাচ্ছিলেন সিকান্দার গাজি। তার পার্শ্ববর্তী লাউড় রাজ্যেও বহুবার অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ হন তিনি। তাই একটা সময় মনে করা হচ্ছিল সিলেট জয় অসম্ভব প্রায়। কিন্তু শাহ জালালের আধ্যাত্মিক শক্তির বলে হোক, অথবা পরবর্তীতে মুসলিম বাহিনী শক্তিশালী হওয়ার ফলে হোক, যখন সিলেট জয় সম্পন্ন হলো তখন আশপাশের সকল রাজ্যের রাজারা মুসলমানদের সম্পর্কে ভয় পেতে শুরু করেছিল। যার ফলে পরবর্তীতে দরবেশরা তুলনামূলক সহজেই বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে সমর্থ হয়েছিলেন। সব মিলিয়ে বলা চলে শাহ জালালের পরিচয় কেবল সিলেট বিজেতা এবং সিলেটের ইসলাম প্রচারক— এইটুকুতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তিনি বাংলায় ইসলাম প্রচারে রীতিমতো বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন। যার ফলে পরবর্তীতে সমগ্র বাংলা হয়ে উঠেছিল দরবেশদের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র।

বাংলাদেশের মুসলমানদের মাঝে শাহ জালাল এতটাই প্রাসঙ্গিক যে, মানুষ গানে গানে কিংবা কথায় কথায় বলেন উঠে ‘শাহ জালালের বাংলাদেশ’। অর্থাৎ, শাহ জালালকে নিয়ে এ দেশের মুসলমানদের আগ্রহের শেষ নেই। বাংলার নানান জনপদে ঘরে ঘরে শাহ জালালের নামে বহু গল্প এখনও প্রচলিত আছে। আশা করা যায় আরও হাজার বছর পরেও থাকবে। কিন্তু কিংবদন্তিমূলে প্রচারিত এসব গল্পকে যদি কাগজে বাঁধাই করা না হয় তবে মহা বিপদ। সেখানে ভর করতে পারে বিকৃতি ও অসত্য। সেই বিকৃতি ও অসত্য থেকে বাঁচার প্রথম পদক্ষেপটি ছিল ‘গুলজারে আবরার’। এটিই শাহ জালালকে নিয়ে লেখা প্রথম ঐতিহাসিক গ্রন্থ। এর পরে যে গ্রন্থটির নাম পাওয়া যায় সেটি হলো ‘রিয়াজুস সালাতিন’। এর পরবর্তী গ্রন্থের নাম ‘সোহেল-এ-ইয়ামেনি’। পরবর্তীতে যত গ্রন্থ শাহ জালালকে নিয়ে লেখা হয়েছে সবগুলোর ভিত্তিমূল এটি এবং প্রচলিত কিংবদন্তি। যাই হোক, উনিশ-বিশ শতক মিলিয়ে শাহ জালালকে নিয়ে বহু গ্রন্থ, প্রবন্ধ, জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা ভাষার উন্নতির সাথে সাথে ইতিহাস সংরক্ষণের তাগাদা থেকে অনেকেই শাহ জালালকে নিয়ে বাংলা ভাষায় গবেষণায় এগিয়ে এসেছেন।

কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে গবেষণা-নির্ভর অনেক কাজ হলেও বাংলা সাহিত্যের পাঠকদের পাতে শাহ জালালের গল্পকে মাখো মাখো করে তুলে দিতে কেউ এগিয়ে আসেনি এ পর্যন্ত। গল্প-উপন্যাসের মতো করে সহজ-সরল ভাষায় তাঁর রোমাঞ্চকর সফরের গতিপ্রকৃতি, মানস কিংবা বাংলার মুসলমানদের প্রতি তাঁর অপার দানের কথা উঠে আসেনি এখনো পর্যন্ত। অর্থাৎ, বাংলার মানুষের হৃদয়কে সজীব করে তোলার উপকরণ তথা প্রতি জনপদে ধীরে বয়ে চলা নদীর মতো করে, ঝরনার কলকল শব্দের মতো করে, জালালি কইতরের বাক-বাকুম কূজনের মতো করে লেখা হয়নি কোনো বই। এসব অভাবের জায়গা থেকে আমার ক্ষুদ্রতম প্রচেষ্টার নাম ‘মুজাররদ’।

এ কঠিন কাজটি করার আগ্রহ আসে মূলত সুফি-দরবেশদের নিয়ে আমার অপরিসীম আগ্রহ থেকে। বহুদিন থেকে বাংলার মহান ইসলাম প্রচারক সুফি সাধকদের গল্পগুলোকে সাহিত্যের রঙ মেখে পাঠকদের হাতে তুলে দেওয়ার যে আকাঙ্ক্ষা আমার হৃদয়ের গভীরে সুপ্ত ছিল তার প্রথম প্রকাশ হজরত শাহ জালাল (রহ.), তাঁর সময়, তাঁর মানস এবং তাঁর সুফি আদর্শিক চিন্তাভাবনার সম্মিলিত রূপ ‘মুজাররদ’।

এই বই লিখে শেষ করতে পারায় মহান রব্বুল আলামিনের দরবারে অশেষ কৃতজ্ঞতা আদায় করছি। সাথে সাথে দরুদের নজরানা প্রাণপ্রতিম নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পাক রওজায়। সালাম হজরত শাহ জালাল (রহ.)-সহ বিশ্বের সমস্ত পুণ্যাত্মা অলিদের প্রতি। ধন্যবাদ জানাই বিশেষ দুজনকে। একজন দাঁড়িকমা প্রকাশনীর প্রকাশক আবদুল হাকিম নাহিদ ভাই। তিনিই মূলত আমার মনের সুপ্ত আকাঙ্ক্ষাকে জাগিয়ে দিয়েছিলেন শাহ জালালকে নিয়ে কাজ করার প্রস্তাব দিয়ে। দ্বিতীয় ব্যক্তি হচ্ছে বন্ধুপ্রতিম স্নেহাস্পদ আবু সাইদ নয়ন। কাজ শুরু করার প্রথমদিকেই তার সংগ্রহশালা থেকে একগাদা পুরাতন বইয়ের মজুদ পেয়ে বসি। যা আমার পরবর্তী কাজকে অনেকটা সহজ করে দিয়েছিল। এ ছাড়াও কাছের অনেকেই সুপরামর্শ দিয়ে আমাকে এগিয়ে দিয়েছেন। প্রত্যেকের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

আমার প্রথম বই সাড়াজাগানো ‘প্রশংসিত’ গ্রন্থের মতো এই গ্রন্থের পাতায় পাতায়ও সুপ্তভাবে লেখা আছে বহু রাত জাগার গল্প। বিশেষত ঐতিহাসিক প্রামাণ্য গ্রন্থের অভাবে শাহ জালালের সময়, জন্মভূমি, পীর, সফর, ইসলাম প্রচার, সমসাময়িক বিশ্ব ইতিহাস ও বাংলার ইতিহাস নিয়ে যে অসীম মতানৈক্য-দ্বন্দ্ব, তা থেকে নির্দিষ্ট একটি সিদ্ধান্তে আসার জন্য যে কী পরিমাণ মানসিক আর শারীরিক কসরত করতে হয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। পাহাড় ঠেলে, সমুদ্র ডিঙিয়ে সিদ্ধান্তে না হয় শেষ পর্যন্ত আসা গেল, কিন্তু সেই সিদ্ধান্তকে সাহিত্য বানিয়ে পাঠকের জন্য মচমচে করে তৈরি করা কি আর চাট্টিখানি ব্যাপার? অতএব, প্রচণ্ড শীতের রাতকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিনিদ্র জেগে হজরত শাহ জালাল (রহ.), তাঁর সময়, মানস এবং তাঁর পথ তাসাউফকে সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি গল্পের ভেতর দিয়ে। জানি না সে চেষ্টায় কতটা সফল হতে পেরেছি। তবে পাঠক যদি এই বই স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দ নিয়ে পাঠ করতে পারে, কিঞ্চিৎ উপকৃত হয় কিংবা বাংলার মুসলমানদের শিকড়ের সন্ধান খুঁজে পায়— তাতেই সমস্ত পরিশ্রম সার্থক বলে মনে করতে পারব।

মুহাম্মদ সৈয়দুল হক
১৭ই জানুয়ারি, ২০২৫, জুমাবার।

[বইটি শীঘ্রই আসতে চলেছে ইন-শা-আল্লাহ। অল্পদিনের মাঝেই প্রি-অর্ডার পোস্ট আসবে। শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট বইটির সর্বোচ্চ প্রচার আশা করছি।]

Want your public figure to be the top-listed Public Figure in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Chittagong