ctv.com.bd
সমৃদ্ধির পথে চলো একসাথে
07/03/2026
চট্রগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকায় সেচ্ছাসেবক দল নেত্রী আয়েশা -কুলসুম এর জমজমাট দেহ ব্যবসা।
#সি টিভি_নিউজ: চট্রগ্রামের খুলশী থানার আমবাগান, সেগুন বাগান, নিউ ঝাউতলা কলোনি সহ বিভিন্ন এলাকায় সেচ্ছাসেবক দল নেত্রীরা চালাচ্ছে অবৈধ দেহ ও মাদক ব্যবসা। প্রসাশন কে মাশোহারা দিয়ে এসব ব্যবসা পরিচালনা করেছেন বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী।
এসব ছাড়াও এই চক্রটির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, চুরি,ছিনতাই এমনকি নারী পাচারের ভয়ংকর অপরাধেরও অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী এলাকা বাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানে নামে সি টিভি নিউজ। অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে চট্রগ্রাম মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের নেতা শাহ আলম ছত্রছায়ায় দেহ ব্যবসা এবং মাদকের ভয়ংকর সিন্ডিকেটের তথ্য।
নগরীর খুলশী থানা এলাকার আমবাগান, সেগুন বাগান, নিউ ঝাউতলা কলোনী, ফয়েজলেক আবাসিক এলাকায় চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা ও মাদকের আখড়া । পাহাড়তলী পুলিশ বিট এর ইনচার্জ এর সখ্যতা থাকায় পুলিশ কোন অভিযানই ধরা পড়ছে না এসব। এতে করে থামছে না দেহ ব্যবসার কাজ। এগুরো আবাসিক দেহ ব্যবসা পাশাপাশি চলে মাদক সেবন ।
অনুসন্ধান এ জানা যায়, আমবাগান এলাকার দেহ ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে সেচ্ছাসেবক দল নেত্রী পরিচয় দেওয়া শাহ আলম এর অনুসারী আয়েশা বেগম। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার এর সময়ে সে ছিল আওয়ামীলীগ এর রাজপথ কাপানো ড্যান্সার। গানের সাথে সাথে অশ্লীল নাচ করে আওয়ামীলীগ পক্ষে ভোট চাওয়ার জন্য তাকে ভাড়া করে নিয়ে যেত অনেক নেতা। ৫ই আগষ্ট এর পর সে রাতারাতি হয়ে যায় সেচ্ছাসেবক দলের নেত্রী। শাহ আলম এর ছত্রছায়ায় আমবাগান এর বিভিন্ন বাসা বাড়িতে মেয়ে রেখে চলে এসব ব্যবসা। আয়েশার বাসায় গেলে নারীর সাথে সহজেই পাওয়া যায় ইয়াবা। নিরাপদ এ বসে খাওয়া যায় ইয়াবা সাথে নারী তাই ব্যবসাও জমজমাট।
সেগুন বাগান এলাকায় এ সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রন করে মনি প্রকাশ লালী নামে আরেক আওয়ামীলীগ নেত্রী। সাবেক কাউন্সিলর এর হীরন এর নারী সাপ্লাইয়ার এ মনি এখন সেগুন বাগান এর লালপাহাড় এ জায়গা দখল করে সেখানে ঘড় তুলে অবাধে চালাচ্ছে দেহ ব্যবসা। তার স্বামী কামাল শাহ আলম এর অনুসারী হওয়াতে এলাকায় লালী বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস নাই কার।
অপরদিকে খুলশী থানার সন্নিকটে নিউ ঝাউতলা কলোনী এলাকায় দেহ ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করে মহিলা মাফিয়া হিসেবে পরিচিত কুলসুম এবং রুনা। রেলওয়ের বাসা দখল সেখানে গড়ে তুলেছে বিশাল দেহ ব্যবসার আখড়া। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায় শাহ আলম এর কিশোর গ্যাং এবং কিরিচ বাহিনীর সব অস্ত্র মজুদ থাকে এই কুলসুম এর বাসায়। কুলসুম এর ছেলে এলাকায় কিশোর গ্যাং সদস্য গ্যারেজ জুয়েল মাদক, ছিনতাই,ডাকাতি সহ একাধিক মামলায় জেলে আছে। এলাকাবাসী জানায় কুলসুম এর সাথে কেউ ভয়ে কথা বলে না। কেউ প্রতিবাদ করলে তার উপর হামালা চালায় কিরিচ বাহিনী। হামলার পাশা-পাশি রুনা এবং তার মেয়ে মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা করে। পরে আপোস এর হাতিয়ে নেয় বিশাল অংকের টাকা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ সেচ্ছাসেবক দলে নেতা শাহ আলম এর ছত্রছায়ায় তার এসব অপরাধ করার সাহস পাচ্ছে। শাহ আলম তাদেরকে দলের বিভিন্ন প্রোগ্রামে নিয়ে গিয়ে তাদেরকে সেচ্ছাসেবক দলের নেত্রীর পরিচয় ট্যাগ লাগিয়ে দেয়। এলাকাবাসী এসব মহিলা নেত্রীদের হাত থেকে তাদের বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুরোধ করেন।
19/02/2025
11/07/2024
জনগণের টাকা কিভাবে নয় ছয় করা হয়, তার উজ্জল দৃষ্টান্ত হচ্ছে সরকারী অফিসের এমন আজব কেনাকাটা !!!
27/06/2024
"সুখবর বলবো নাকি দুঃসংবাদ বলবো ভেবে কুল পাচ্ছি না" !!! ✍️ এস এ এম নূর হোসাইন
মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ করে ৫হি'ন্দু যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ ।
টাঙ্গাইলে মাদ্রাসার ছাত্রীকে জোরপূর্বক হিন্দু ছেলের বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, অপহরণ করে ৫হি'ন্দু যুবক পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে। ইসকনের ডেডিকেটেড কর্মী সাগর চন্দ্র শীল পার্শ্ববর্তী এলাকার এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে মাদ্রাসায় আসা যাওয়ার পথে প্রথমে ইভটিজিং করতো পরবর্তীতে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। তাতে মেয়েটি রাজি না হওয়ায় এবার সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব। তাতেও রাজি না হওয়ায়, ঘটনার দিন সকালে ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে শালদাইর ব্রিজের কাছে পৌঁছালে সাগর শীল আরো দুইজন বন্ধুকে নিয়ে মেয়েটিকে প্রকাশ্য দিবালোকে জোর পূর্বক সিএনজিতে তোলে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা এলাকায় নিয়ে যায়।
আবার সেখানে মধুপুর চোরাল জানী গ্রামে সাগর শীলের বন্ধু রাজনের বাড়িতে নিয়ে উঠে। সেখানে তারা ৫ হি'ন্দু যুবক মিলে ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে নিয়ে মাস্তি করে এবং মেয়েটিকে সাগর শীলের সাথে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু সাগর শীল হি'ন্দু হওয়াতে মেয়েটি বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হয় নাই। বিয়েতে রাজি না হওয়ার কারণে ওই রাতেই সাগর শীল তার বন্ধু রাজনের বাড়িতে মেয়েটিকে আটকে রেখে বন্ধুরা জনসহ দুইজনে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
এতে তারা ক্ষান্ত হয়নি। দিনের বেলায় মেয়েটির উপর চলেছে অমানুষিক নির্যাতন। আর রাতে মেয়েটিকে এবার বংশাই নদীর তীরে নিয়ে গিয়ে সেখানে তারা ৫ জন হিন্দু যুবক মিলে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়। মেয়েটির আত্মচিৎকারে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। তাদের ভয়ে কেউ উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। আধ মরা অবস্থায় মেয়েটিকে ফেলে রেখে গেলে ভোরে পথচারীদের সহায়তায় স্বজনেরা এসে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হলে, মূল আসামিকে বাদ দিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষনকারীদের মধ্য থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। মূল আসামি সহ তিনজন পলাতক। তাদেরকে পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না। কিছুই করার নাই। বলতে গেলে অঘোষিতভাবে এখন হিন্দুদের রাজত্ব কায়েম করেছে। এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক কোন বিচার হবে বলে আমার মনে হয় না। দুই একটা মিডিয়া ছাড়া আর কেউ এই নিউজ প্রচারও করবে না। কারণ অতীতে শিক্ষক পরিমলের কোন বিচার হয়নি। মুসলিম গৃহবধূকে ধর্ষণের নের কোন বিচার হয়নি। মুসলিম তরুণীকে জোরপূর্বক মাথায় সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে এবং ধর্ষণের কোন বিচার হয়নি। মিথ্যা অজুহাতে মুসলিম যুবকদেরকে মন্দিরে সাপের মতো পিটিয়ে হত্যার কোন বিচার হয়নি। বিষয়টি শুনতে গা শিউরে উঠে। ভাবতে অবাক লাগে। একজন বিবেকবান মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন !!!
আমি ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার ইসকনের হিন্দু সন্ত্রাসীদের টার্গেট মুসলিম তরুণী, শীর্ষক পোস্ট করেছিলাম। এখন তার সত্যতার প্রমাণ পেয়েছেন তো ?
প্রিয় মুসলিম ভাই-বোনেরা এখনো কি ভাবার সময় হয়নি? বিষয়ে ভাবতে যদি তোমাদের কষ্ট লাগে! মুখ খুলতে যদি লজ্জা লাগে! তাহলে পরিত্রাণের আর কোন উপায় থাকবে না। এখনো সময় আছে। ভাবতে হবে তোমাকে। সোচ্চার হতে হবে। মুসলিম জাতির ঈমান আকিদা সংস্কৃতি, মুসলিম মেয়েদের মান ইজ্জত এবং দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে হিন্দুদের গভীর ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। মুসলমানদের ইজ্জত সম্মান এবং আমাদের কলিজার টুকরা মেয়েদেরকে হিন্দুদের ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচানোর লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হতে হয়ে রুখে দিতে হবে তাদের সকল নোংরা ষড়যন্ত্র।
এমতাবস্থায় আমাদের শেষ ভরসা, রাষ্ট্র নায়ক বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আকুল আবেদন। আপনি বাংলার নারীদের শিরোমনি। মায়ের জাতি, আপনি পর্দাশীল দ্বীনদার একজন মুসলিম নারী। আপনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। আমাদের মুসলিম মা বোনদের এবং আমাদের কলিজার টুকরা মেয়েদের ইজ্জত সম্ভ্রম রক্ষার্থে উক্ত ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।
পরবর্তীতে আর যাতে করে কেউ কোনো প্রকার আস্কারা না পায়, সে বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে নির্দেশ দানে জন্য সারাদেশের মুসলমানদের পক্ষ থেকে বিনয়ের সাথে আপনাকে অনুরোধ করছি।
এই ধরনের ঘটনার স্বীকার হয়ে, বাংলাদেশের ৬৮হাজার মুসলিম তরুণী বর্তমানে ভারতের পতিতালয়ে আটক আছে।
এর সংখ্যা দিন দিন গাণিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত অনিবার্য।।
12/06/2024
বাংলার সূর্য্য সন্তান ডক্টর মোবারক আহমদ খানের প্লাস্টিকের পরিবর্তে পাটের জাদুকরী উদ্ভাবন
দেখতে হুবহু প্লাস্টিকের ব্যাগ মনে হলেও এটা প্লাস্টিক নয়। পাট থেকে তৈরি করা সোনালী ব্যাগ। ব্যবহারের পর মাটিতে ফেললে কিছুদিনের মধ্যেই মাটির সঙ্গে মিশে জৈব সার হিসেবে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করবে। রাস্তাঘাটে ফেললে সেটা ড্রেনে পৌঁছুলেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না। কারণ কিছুদিন পরই জলের সাথে মিশে মাছের খাদ্যে পরিণত হবে। এ এক জাদুকরী উদ্ভাবন, যার উদ্ভাবক জনাব মোবারক আহমদ খান-- মানিকগঞ্জের কৃতি সন্তান, এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী।
স্যারের সঙ্গে আজ দীর্ঘ আলাপচারিতা হলো। মাটি রক্ষা না হলে গাছ বুনে প্রকৃতি বাঁচানো যাবে না, বাঁচানো যাবে না নদীনালাও। বাজারে গিয়ে পাঁচ পদের জিনিস কিনলে পাঁচটা পলিব্যাগ ধরিয়ে দেবে। সেগুলোর মেয়াদ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। পরবর্তী গন্তব্য বাংলার নদীনালা, খালবিল, পুকুর কিংবা জমিন। বিষয়গুলো সচেতন মানুষমাত্রই অনুভব করেন। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে, এর সমাধান কী? সোনালী ব্যাগ কোথায় পাওয়া যাবে? সাধারণ পলিব্যাগের সাথে দামের পার্থক্য কতটা?
আপনি চাইলে সোনালী ব্যাগ আপনার বাড়ির পাশের দোকানেই পাওয়া সম্ভব। কেবল আগ্রহটুকু দেখাতে হবে, প্লাস্টিকের পলিব্যাগ বর্জন করতে হবে। আপনার পক্ষ থেকে এটুকুই যথেষ্ট। ক্রেতার আগ্রহ থাকলে বিক্রেতা সে জিনিস দোকানে রাখবেই। সোনালী ব্যাগের দাম খুব বেশি নয়। ব্যবহার এবং আকারের ভিন্নতা অনুসারে বিভিন্ন রকম সোনালী ব্যাগ তৈরি করা হয়। ছবির ব্যাগটির দাম ৮/১০ টাকা, খানিকটা পুরু। এটা শুকনো বাজারের জন্য ব্যবহার করা যাবে, এবং কয়েকবার ব্যবহার করা যাবে। ওদিকে, পাতলা ব্যাগের দাম পড়বে ৫/৬ টাকা । মোবারক স্যার আজ বলছিলেন, সোনালী ব্যাগের দাম আরও কমিয়ে প্রায় শূণ্যের কোঠায় নামানো সম্ভব! কারণ, এক কেজি পাট থেকে এক কেজি সোনালী ব্যাগ তৈরি করা যায়। এক কেজি পাটের দাম ৬০/৭০ টাকার বেশি নয়।
পুরো ব্যাপারটা নির্ভর করছে ভোক্তা পর্যায়ে ব্যবহারের ওপর। আমরা যদি বেশি করে ব্যবহার করি, তাহলে সোনালী ব্যাগ বিনামূল্যেও পাওয়া যাবে। কিভাবে? বাজার করার সময় আপনি বিনামূল্যে যে প্লাস্টিকের পলিব্যাগগুলো পাচ্ছেন, দোকানদারকে সেগুলো ৩২০-৩৫০ টাকা কেজি দরে কিনতে হয়। অতএব, বুঝতেই পারছেন, ৬০/৭০ টাকা কেজি দরে কেনা সোনালী ব্যাগের দাম রাখার প্রশ্নই ওঠেনা। সেদিক থেকে দোকানদারের বরং লাভই হবে। এটা কেবল তখনই সম্ভব হবে যখন আমরা প্লাস্টিক ব্যাগের জায়গাটি সোনালী ব্যাগকে দেবো।
আলাপচারিতা শেষে আজ হরিরামপুর শ্যামল নিসর্গ'র পক্ষ থেকে মোবারক আহমদ স্যারকে ফুলেল ভালোবাসার পাশাপাশি উপহার দেয়া হলো 'নিসর্গপত্র'-- সংগঠনের পরিবেশ বিষয়ক পত্রিকা।
স্যারের বাড়ি থেকে বেরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একটা কথা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিলো। ছেলেবেলা থেকে রচনা লেখায় 'Government should take some necessary steps' লাইনটা লিখেই তো সব দায় সারলাম! এবার নিজে কিছু করি। 'দেশ বদলাবো', 'সমাজ বদলাবো' এগুলো অনেক বড় কথা, দিনশেষে ফলাফলশূণ্য। তারচে ছোট্ট একটা কাজ করি, নিজেকে বদলাই। প্লাস্টিকের পলিব্যাগ বর্জন করি। নিজে সোনালী ব্যাগ ব্যবহার করি, অন্যকে উৎসাহিত করি। দোকানদারকে বারবার জিজ্ঞেস করি, 'ভাই, সোনালী ব্যাগ এনেছেন।
[গ্রন্থনায়: মাহবুব সিদ্দিকী]
08/06/2024
. "হয় আমাদের মরতে দাও!
. না হয়, খেয়ে-পড়ে বাঁচতে দাও"
বাজেটে নাকি নিত্য পণ্যের দাম কমানো হয়েছে? কথাটা আদু সত্য কিনা? আপনি নিজেও যাচাই করতে পারেন! যেভাবে দফায় দফায় নিত্য পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে, এতে না মরে বাঁচার কোন উপায় নেই। আমরা মৌলিক নিত্যপণ্য বলতে যা বুঝি যেমন: চাল ডাল তেল শিক্ষা সামগ্রী ইত্যাদির কোনোটার দাম একটুও কমেনি। তাহলে বলুন তো এগুলো বাদে বাকি কোন জিনিস নিত্যপণ্য? আচ্ছা আমাদের কি বাঁচার অধিকার নাই? তাহলে আমরা কি করে বাঁচবো?
হয় আমাদের মরতে দাও! না হয়, খেয়ে-পড়ে বাঁচতে দাও!
07/06/2024
এবার দুই পুলিশ কর্মকর্তা দেশের গোপন তথ্য বিক্রি করে দিয়েছে
অনলাইন মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের বিভিন্ন গ্রুপ ও চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের ‘ক্লাসিফায়েড’ তথ্য বিক্রি করে দিয়েছেন পুলিশের দুই কর্মকর্তা। দেশের নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ফোন কলসহ ব্যক্তিগত গোপনীয় তথ্য অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করেছেন তারা। বিষয়টি নজরে এলে ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি)।
শুক্রবার (৭ জুন) এনটিএমসি ডিজি মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এনটিএমসি’র সূত্রে জানা গেছে, ৪২টি সরকারি সংস্থার প্রায় পাঁচ শতাধিক কর্মকর্তা এনআইপি’তে প্রবেশাধিকার পান। বিভিন্ন সরকারি সেবা এবং তদন্ত সংশ্লিষ্ট কাজে প্রবেশাধিকার প্রয়োজন হয় তাদের। এনআইপি’তে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) থাকে। প্রবেশাধিকার প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজেদের ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে এই পোর্টালে প্রবেশ করেন।
লগ সার্ভার বিশ্লেষণ করে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন ও র্যাব-৬ এর এএসপি তারেক আমান বান্নার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অস্বাভাবিক লগ-ইন দেখতে পায় এনটিএমসি। সেখান থেকেই তথ্য চুরির ঘটনাটি জানতে পারে এনটিএমসি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লেখা চিঠিতে এনটিএমসি জানিয়েছে, হাজার হাজার সদস্য আছে ৪৮টি টেলিগ্রাম গ্রুপ ও চ্যানেল এসব ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রিতে জড়িত। এসব গ্রুপের সদস্যদের সংবেদনশীল তথ্যে প্রবেশাধিকার পেতে দুই কর্মকর্তার লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ ও মেসেজিং অ্যাপে বিক্রি হওয়া কল ডেটা রেকর্ড এনটিএমসির সার্ভার থেকে নেওয়া হয়েছে।
সংবেদনশীল তথ্যের অননুমোদিত ব্যবহার এবং অবৈধভাবে হস্তান্তরের যথাযথ তদন্ত শেষে দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে এনটিএমসি।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ২৫ এপ্রিল রাত ৮টা ৫৭ মিনিট থেকে ৯টা ২৭ মিনিটের মধ্যে লগইন রিপোর্টে প্রথম এটি নজরে আসে। ২৫ মার্চ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে এই দুই পুলিশ ও র্যাব কর্মকর্তার আইডি অন্য যে কোনো ব্যবহারকারীর চেয়ে অনেক বেশি তথ্য সংগ্রহ করে।
গত ২ মে এনটিএমসিকে লেখা চিঠিতে এটিইউ বলেছে, প্রাথমিক তদন্তে এটিইউ জানতে পেরেছে, সাইবার ক্রাইম উইংয়ের কনস্টেবল মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র রায় ও অপারেশন উইংয়ের খায়রুল ইসলাম টাকার বিনিময়ে কল ডিটেল রেকর্ডসহ স্পর্শকাতর তথ্য বিক্রির সঙ্গে জড়িত। কনস্টেবলরা জিজ্ঞাসাবাদে তা স্বীকার করেছেন।
গত ২৯ এপ্রিল সাইবার ক্রাইম উইং এর দুই কনস্টেবল মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী এবং অপারেশন্স উইং এর খায়রুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, এসপি ফারহানার লগইন ক্রেডেনশিয়ালের মাধ্যমে অননুমোদিত তথ্য স্থানান্তরের প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, র্যাব-৬ এর ওই কর্মকর্তাকে ক্লোজড করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে তদন্ত চলছে।
আইনগতভাবে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে সমস্ত ইলেকট্রনিক যোগাযোগ পর্যবেক্ষণ করার অধিকারী এনটিএমসি।
প্রযুক্তিবিষয়ক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম টেকক্রাঞ্চে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বাকের বলেন, ‘বিডি সাইবার গাং’ নামক টেলিগ্রাম চ্যানেলসহ একাধিক টেলিগ্রাম চ্যানেল, ফেসবুক গ্রুপ এবং হোয়াটস অ্যাপে সংগৃহীত তথ্য বিক্রি করা হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা এসব গ্রুপের এডমিনদের তথ্য সরবরাহ করতেন। ইন্টারনেটের বিক্রির বিষয়টি সেসব এডমিনরা দেখভাল করতেন। তবে ঠিক কত সংখ্যক নাগরিকের কী পরিমাণ তথ্য এভাবে অনলাইনে বিক্রি হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত করতে পারেননি জেনারেল বাকের।
এ বিষয়ে তদন্ত করতে গিয়ে তথ্য বিক্রির প্রমাণ পায় এনটিএমসি। এর প্রেক্ষিতে দায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি এনআইপি’তে পুলিশের এটিইউ এবং র্যাব-৬ এর প্রবেশাধিকার বন্ধ রেখেছে এনটিএমসি।
এনটিএমসি’র ডিজি মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান বলেন, ‘বিষয়টি সঠিক। আমাদের নজরে এলে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের আগ পর্যন্ত ওই দুই সংস্থার প্রবেশাধিকার (সাময়িকভাবে) বন্ধ রাখা হয়েছে। দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পুলিশ এবং র্যাবকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানি।’
07/06/2024
মন হয় অভিভাবকহীন দেশ! নাই সরকার। নাই প্রশাসন। আছে শুধু লুটেরা নামক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট।
নিয়ন্ত্রণহীন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। বোবা ও অন্ধ ট্যারিফ কমিশন। এমপি মন্ত্রীদের ৮৯% ব্যবসায়ী। যদি দেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি, সাবেক সেনাপ্রধান, সাবেক পুলিশের আইজিপি দুর্নীতিবাজ হয়! তাহলে এতে আর বুঝার বাকি থাকে না যে দেশ কেমন করে চলছে! দেশের এহেন অবস্থা দেখে,একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে নিজের কাছে নিজেকে লজ্জিত মনে হয়।
গতকাল চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের এবি ট্রেডার্সে অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অভিযানে দেখা যায়, এক হাজার ৪৪৪ টাকায় আমদানি করা প্রতি কেজি এলাচ পাইকারিতে বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার ৪৫০ টাকা পর্যন্ত।
বুধবার ভোক্তা অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ফয়েজ উল্লাহর নেতৃত্বে এ অভিযানে অংশ নেন সহকারী পরিচালক আনিছুর রহমান ও রানা দেবনাথ।
রানা দেবনাথ জানান, জানুয়ারি থেকে এবি ট্রেডার্সের আমদানি ও বিক্রির নথিপত্র দেখেছি আমরা। সর্বশেষ যে এলাচ এনেছে তাতে ১২০ টাকা ডলারের মূল্য ধরলে খরচ পড়ে ১ হাজার ৪৪৪ টাকা। প্রথম দিকে তারা ১ হাজার ৮৫০ টাকায় প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি করতো। ক্রমান্বয়ে বাড়াতে বাড়াতে ৪ হাজার ৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রির স্লিপ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি একইসঙ্গে আমদানিকারক আবার পাইকারি বিক্রেতাও। ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে এলাচের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করছে একটি চক্র।
তিনি জানান, একই অভিযানে সুলতান ট্রেডার্সে হালনাগাদ মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় পাঁচ হাজার টাকা এবং আল আমানত ট্রেডার্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে নিয়মিত বাজার তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
03/06/2024
মাদকের কুফলে সমাজ থেকে মায়া মমতা হারিয়ে যাচ্ছে। দিনদিন মানুষ নিষ্ঠুর ও পাষণ্ড হয়ে যাচ্ছে। যার জ্বলন্ত উদাহরণ;
28/05/2024
জার্মানির এই দুই ভাই পৃথিবীতে আসার উদ্দেশ্য খুঁজছিলেন ,, কেন আমরা পৃথিবীতে এসেছি এটা খোঁজার জন্য এরা দর্শন,ইতিহাস সহ সমস্ত ধর্মগ্রন্থের বই পড়ে ফেলে কিন্তু কোন উত্তর খুঁজে পাই না ,, শেষে তারা পবিত্র আল কুরআন পরে এবং সবটা বুঝতে পারে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে!!!
এখন এরা দুই ভাই পুরো জার্মানি জুড়ে ইসলাম ও কুরআনের বাণী ছড়িয়ে দিচ্ছে
আল্লাহ্ এদের দুই ভাইকে কবুল করুক, আমীন।
26/05/2024
এই প্রথম চট্টগ্রামে মাল্টিপারপাস আন্ডারপাস তৈরি করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম শহরের ব্যস্ততম জংশন বহদ্দারহাট মোড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে মাল্টিপারপাস দৃষ্টিনন্দন আন্ডার পাস। বহদ্দারহাট পুলিশ বক্সের সামনে থেকে আরাকান সড়কের উত্তর পাশে আন্ডারপাসের মধ্যে দিয়ে চলাফেরা করা যাবে। আন্ডারপাসটি হবে ৪১ দশমিক ২ মিটার দীর্ঘ এবং ১০ মিটার প্রশস্ত। এর উচ্চতা ৪ মিটার। দুই প্রবেশ মুখে একটি করে দুইটি সিঁড়ি থাকবে। থাকবে একটি করে দুইটি স্কেলেটরও (চলন্ত সিঁড়ি)। আন্ডারপাসের ভেতর হকার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দুইপাশে ১০টি করে ২০টি দোকান নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি দোকানের জন্য আন্ডারপাসের ২ দশমিক ৭৫ মিটার জায়গা লাগবে। এসব দোকান বাদ দিলে মাঝখানে সাড়ে ৪ মিটার বা প্রায় ১৫ ফুট জায়গা থাকবে মানুষের হাঁটার জন্য।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Ctv Bhoban. 1/D, Khulshi Green Society. Haji Abdul Hannan Lein, Zakir Hossain Road,Khulshi. Chittagong-4209.
Chittagong