Shifa Way

Shifa Way

Share

Shifa way জ্বিন-যাদু,বদনজর, হাসাদ এবং এগুলোর কারণে সৃষ্ট হওয়া শারীরিক এবং মানসিক রোগের শরীয়ত সম্মত চিকিৎসার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

WhatsApp 01602760864

08/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের অধিকাংশ রোগী আসেন পূর্ববর্তী রোগীদের রেফারেন্সের মাধ্যমে।

08/06/2026

নামাজে কেন এতো অলসতা? ইবাদত কি আপনার কাছে পাহাড়ের মতো ভারী মনে হয়? জেনে নিন শয়তানি বাধার রহস্য ও মুক্তির পথ!

বিস্তারিত জানতে লিংক কমেন্ট বক্স 👇

#ইবাদতে_অলসতা #নামাজে_মন_বসে_না #রুকইয়াহ #জিনের_আছর #ওয়াসওয়াসা
#চাঁদপুর_শিফা_ওয়ে_রুকইয়াহ_সেন্টার #রাক্বি_শরি_মাহমুদ #রাক্বি_খালেদ_সাইফুল্লাহ

08/06/2026

বাবা-মা জ্বীন-জাদুর সমস্যায় আক্রান্ত হলে সন্তানের ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে। তাই সন্তানের সুন্দর ও নিরাপদ ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সময়মতো রুকইয়াহর প্রতি গুরুত্ব দিন।

07/06/2026

বরকতময় ফজর, আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রত্যেকের জীবনে বারাকাহ দান করুন।

07/06/2026

দূরবর্তী বা ঝুলন্ত জাদু (Sihr al-Mu'allaq): বাতাসের দোলায় কেন আপনার শরীর ও মন কেঁপে ওঠে?
বিস্তারিত কমেন্ট বক্স 👇

03/06/2026

আলহামদুলিল্লাহ আমাদের শিফা ওয়ে (রুকইয়াহ সেন্টারে) দূর দূরান্ত থেকে রোগী আসছেন রোগীর প্রতি আন্তরিকতা, সেবায় আমাদের প্রতিশ্রুতি।

02/06/2026

ঈদের পর আজকে থেকে আলহামদুলিল্লাহ আমাদের রুকইয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

01/06/2026

আমাদের মা-বোনদের মধ্যে অনেক সময় এমন
কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা যায় যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক এবং বিব্রতকর। এর মধ্যে অন্যতম হলো দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণ বা অনিয়মিত পিরিয়ড। অনেক সময় বছরের পর বছর চিকিৎসা করার পরও এই রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না। আজ এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবো। একে রুকইয়াহর পরিভাষায় 'সিহরুল ইস্তিহাজা' বা 'সিহরুন নাযীফ' (রক্তক্ষরণের জাদু) বলা হয়।

যখন কোনো জাদুকর কোনো মা বা বোনের জরায়ুর ওপর জিনের মাধ্যমে জাদু প্রয়োগ করে, তখন সেই জিনের খাদেম মহিলার জরায়ুতে গিয়ে অবস্থান নেয়। এটি মূলত জরায়ুর একটি শিরায় আঘাত করার মাধ্যমে রক্তক্ষরণ ঘটায়। এটি সাধারণ পিরিয়ড বা হায়য নয়, বরং এটি একটি রোগ বা শয়তানি আঘাত।

এই জাদু কেন এবং কিভাবে কাজ করে?

১. শয়তানের লাথি (আঘাত): হাদীস অনুযায়ী এটি শয়তানের একটি আঘাত। জাদুকর যখন জিনকে
নিযুক্ত করে, তখন সেই জিন মহিলার জরায়ুর বিশেষ শিরায় চাপ সৃষ্টি করে বা আঘাত করে, যার ফলে অনবরত রক্তক্ষরণ হতে থাকে।

২. ইবাদতে বাধা দেওয়া: এই জাদুর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো মা-বোনদের ইবাদত থেকে দূরে রাখা। রক্তক্ষরণ চলতে থাকলে নামাজ, রোজা এবং কুরআন তিলাওয়াতে বিঘ্ন ঘটে এবং মানসিকভাবে তারা ভেঙে পড়েন।

৩. দাম্পত্য বিচ্ছেদ: দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণের ফলে স্বামী-স্ত্রীর স্বাভাবিক শারীরিক সম্পর্কে বাধা তৈরি হয়। জাদুকর চায় এর মাধ্যমে সংসারে অশান্তি এবং শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদ ঘটাতে।

৪. শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতা: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে শরীর নিস্তেজ হয়ে যায়, চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে পড়ে এবং রোগী চরম বিষণ্নতা বা ডিপ্রেশনে ভোগেন।

এই জাদুর প্রধান লক্ষণসমূহ:

- মাসিক শেষ হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় ধরে রক্তক্ষরণ চলতে থাকা (ইস্তিহাজা)।

- পিরিয়ডের সময় হঠাত অতিরিক্ত রক্তপাত হওয়া এবং কালচে বা দুর্গন্ধযুক্ত রক্ত যাওয়া।

- তলপেটে এবং কোমরের নিচের অংশে স্থায়ী এবং তীব্র ব্যথা হওয়া।

- রক্তক্ষরণ শুরু হওয়ার আগে হঠাত বুক ধড়ফড় করা বা প্রচণ্ড ভয় পাওয়া।

- স্বপ্নে নিজেকে রক্তে ভেজা অবস্থায় দেখা বা কেউ আপনার পেটে আঘাত করছে এমন দেখা।

- রুকইয়াহ শুনলে জরায়ুর আশেপাশে কাঁপনি বা নড়াচড়া অনুভব করা।

=================================

এই সমস্যাটি যে জিনের আঘাত হতে পারে তার স্পষ্ট দলিল হাদীসে রয়েছে।

১. হাদীসের দলিল (রাসুলুল্লাহ সা.-এর বর্ণনা): হজরত হামনাহ বিনতে জাহাশ (রা.) যখন দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণ নিয়ে রাসুল (সা.)-এর কাছে আসলেন, তখন তিনি বলেছিলেন: "এটি শয়তানের আঘাতসমূহের মধ্য থেকে একটি আঘাত।" (সুনানে তিরমিজি: ১২৮, আবু দাউদ: ২৮৭)। অর্থাৎ শয়তান জরায়ুর শিরায় আঘাত করে রক্ত বের করে দেয়।

২. রক্তক্ষরণ বন্ধের ও জাদু ধ্বংসের আয়াত (সূরা হূদ: ৪৪): (এটি রক্ত বন্ধের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী আয়াত)
وَقِيلَ يَا أَرْضُ ابْلَعِي مَاءَكِ وَيَا سَمَاءُ
أَقْلِعِي وَغِيضَ الْمَاءُ وَقُضِيَ الْأَمْرُ

৩. জাদু ও শয়তানি প্রভাব নষ্টে (সূরা ইউনুস: ৮১-৮২):
فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ
مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ ۖ إِنَّ
اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ (৮১) وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ
بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ (৮২)

৪. আরোগ্যের আয়াত (সূরা বনী ইসরাঈল: ৮২):
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ
شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ

বিশেষ রুকইয়াহ দোয়া (রক্তক্ষরণ ও জরায়ুর সুরক্ষা পেতে ৪টি দোয়া):

১)
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ اسْتَقَرَّ فِي الْأَرْحَامِ وَسَبَّبَ النَّزِيفَ وَالِاسْتِحَاضَةَ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আবতিল কুল্লা সিহরিন ইস্তাকারা ফিল আরহামি ওয়া সাব্বাবান নাজীফা ওয়াল ইস্তিহাদা।

অর্থ: হে আল্লাহ! জরায়ুর ভেতর গেড়ে বসা প্রতিটি জাদু যা রক্তক্ষরণ ও ইস্তিহাজা সৃষ্টি করছে, তা আপনি বাতিল করে দিন।

২)
اللَّهُمَّ أَخْرِجْ كُلَّ جَانٍّ سَكَنَ الرَّحِمَ وَأَفْسَدَ الدِّمَاءَ وَأَهْلَكَ الصِّحَّةَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আখরিজ কুল্লা জাান্নিন সাকানা র-রাহিমা ওয়া আফসাদা দ্দিমাআ ওয়া আহলাকা স্সিহহাহ।

অর্থ: হে আল্লাহ! যে জিন জরায়ুতে বাস করে রক্ত দূষিত করছে এবং স্বাস্থ্য নষ্ট করছে, তাকে আপনি বের করে দিন।

৩)
اللَّهُمَّ فُكَّ كُلَّ عُقْدَةٍ سِحْرِيَّةٍ تَمْنَعُ الطُّهْرَ وَالْعِبَادَةَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ফুক্কা কুল্লা উকদাতিন সিহরিয়্যাতিন তামনাউত তুহরা ওয়াল ইবাদাহ।

অর্থ: হে আল্লাহ! পবিত্রতা ও ইবাদতে বাধা সৃষ্টিকারী জাদুর প্রতিটি গিঁট আপনি চূর্ণ করে দিন।

আপনার করণীয় ও ব্যবহারিক প্রতিকার:

- মেডিকেল চেকআপ: প্রথমেই অবশ্যই একজন ভালো গাইনী ডাক্তারকে দেখান। যদি কোনো ডাক্তারি কারণ বা ওষুধে কাজ না হয়, তবে দ্রুত রুকইয়াহর দিকে মনোযোগ দিন।

- রুকইয়াহ পানি ও মধু: ওপরের আয়াত ও দোয়াগুলো পড়ে পানিতে ফুঁ দিন। সেই পানি সারাদিন পান করুন এবং সকালে খালি পেটে পড়া মধু সেবন করুন।

- তেল মালিশ: রুকইয়াহ করা যয়তুনের তেল প্রতিদিন রাতে নাভির নিচে ও তলপেটে মালিশ করুন।

- পড়া পানি দিয়ে ইস্তিনজা: রুকইয়াহ করা পানি ব্যবহার করে শৌচকার্য সম্পাদন করা এই জাদুর প্রভাব কমাতে সাহায্য করে।

- হিজামা: কোমরের নিচে এবং জরায়ুর পয়েন্টে হিজামা করালে জাদুর বিষক্রিয়া ও জিনের প্রভাব দ্রুত কমে যায়।

কেন আমাদের শরণাপন্ন হবেন?

মা-বোনদের এই সমস্যাগুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর। অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণ জরায়ুর ক্যান্সার বা স্থায়ী বন্ধ্যাত্বের দিকে নিয়ে যেতে পারে। আমরা চাঁদপুর শিফা ওয়ে রুকইয়াহ সেন্টার-এ দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে মা-বোনদের জন্য বিশেষ গোপনীয়তা রক্ষা করে রুকইয়াহ সেশন পরিচালনা করি। আল্লাহর রহমতে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সঠিক রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসার মাধ্যমে বহু বোন এই মরণব্যাধি থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

📍আমাদের ঠিকানা: চাঁদপুর সদর, Chandpur Diabetic Hospital এর পাশে, ফেমাস
স্পেশালাইজড হসপিটাল সংলগ্ন।

📞 অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য যোগাযোগ করুন: 🟢 হোয়াটসঅ্যাপ: 01602-760864
📞 সরাসরি
কল: +8801714513577

অন্যান্য বোনদের সচেতন করতে এবং সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করুন।

#রক্তক্ষরণের_জাদু #ইস্তিহাজা #রুকইয়াহ #মা_বোনদের_সমস্যা #জিনের_আছর
#জরায়ুর_সুরক্ষা #ইসলামিক_চিকিৎসা #শিফা
#চাঁদপুর_শিফা_ওয়ে_রুকইয়াহ_সেন্টার #রাক্বি_শরিফ_মাহমুদ #রাক্বি_খালেদ_সাইফুল্লাহ

01/06/2026

আপনি কি জানেন আপনার বাড়ির আঙিনায় বা সিঁড়ির নিচে পশুর হাড় পুঁতে রেখে আপনার রিযিকের পথ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব?
বিস্তারিত কমেন্ট বক্স 👇

#রিযিকের_বাধা #হাড়ের_জাদু #রুকইয়াহ #সিঁড়ির_নিচে_জাদু #ব্যবসায়_উন্নতি #জিনের_আছর #ইসলামিক_চিকিৎসা #শিফা #চাঁদপুর_শিফা_ওয়ে_রুকইয়াহ_সেন্টার #রাক্বি_শরিফ_মাহমুদ #রাক্বি_খালেদ_সাইফুল্লাহ

31/05/2026

রুকইয়াহর অভিজ্ঞতায় সবচেয়ে নোংরা ও ভয়ানক
জাদুর একটি হলো রক্তের মাধ্যমে করা জাদু জাদুকররা যখন কারো জীবন পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে চায়, তখন তারা পশুর রক্ত ব্যবহার করে বিশেষ তলাসিম বা শয়তানি নকশা তৈরি করে। আজ আমি আপনাদের বিস্তারিত জানাবো, কিভাবে আপনার নাম ব্যবহার করে রক্তের মাধ্যমে করা এই জাদু আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও স্বপ্নগুলোকে
তিলে তিলে শেষ করে দিতে পারে।

জাদুকররা যখন কোনো ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে এই জাদুটি করে, তখন তারা পবিত্রতার বিপরীতে চরম অপবিত্রতাকে বেছে নেয়। তারা আল্লাহর নামে জবাই করা হয়নি এমন পশুর রক্ত অথবা অত্যন্ত নোংরা রক্ত দিয়ে ভিকটিমের নাম এবং তার মায়ের নাম লিখে বিশেষ কিছু শয়তানি সংকেত ও নকশা (Talasim) তৈরি করে। এই রক্তমাখা নকশাটি শয়তান ও জিনের জন্য একটি ‘চুক্তিপত্র’ হিসেবে কাজ করে।

এই জাদু কিভাবে আপনার ভবিষ্যৎ ও স্বপ্ন ধ্বংস করে? (বিস্তারিত তথ্য)

১. ভাগ্যের ওপর অদৃশ্য তালা: জাদুকর রক্তের মাধ্যমে যে তলাসিম তৈরি করে, তা আপনার আত্মিক জগতের ওপর একটি ‘অদৃশ্য শেকল’ হিসেবে কাজ করে। এর ফলে আপনার ক্যারিয়ার, প্রমোশন বা বড় কোনো সুযোগ আসার ঠিক আগ মুহূর্তে তা হাতছাড়া হয়ে যায়। একে বলা হয় ‘সিহরু তা’তিল’ বা সব কাজে স্থবিরতা তৈরির জাদু।

২. মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পঙ্গুত্ব: এই জাদুর বিষক্রিয়া রক্তের মাধ্যমে সরাসরি আপনার মস্তিষ্কে আঘাত করে। আপনি আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো পরিকল্পনা করতে পারেন না। আপনার ভেতর প্রচণ্ড
হতাশা, স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া এবং ‘আমি কিছুই পারবো না’—এমন হীনম্মন্যতা তৈরি হয়।

৩. স্বপ্ন ও লক্ষ্যের বিচ্যুতি: আপনি জীবনে বড় যা কিছু করার স্বপ্ন দেখতেন, হঠাত করেই সেই স্বপ্নগুলো আপনার কাছে অর্থহীন মনে হতে শুরু করে। আপনি লক্ষ্যহীন হয়ে পড়েন এবং আজেবাজে নেশা বা অনর্থক কাজে সময় অপচয় করতে শুরু করেন।

৪. ব্যক্তিত্ব ধ্বংস করা: রক্তের জাদুর প্রভাবে মানুষের চেহারার নূর বা স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়। মানুষের সামনে গেলেই আপনি অস্বস্তি বোধ করেন
এবং আপনার ব্যক্তিত্ব অন্যদের কাছে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই জাদুর প্রধান লক্ষণসমূহ:

- শরীরের ভেতর থেকে বা ঘরের কোণা থেকে হঠাত হঠাত কাঁচা মাংস বা রক্তের আঁষটে গন্ধ পাওয়া।

- একটু ভালো কিছু হওয়ার আশা জাগলেই হঠাত কোনো বড় বিপর্যয় এসে সব তছনছ করে দেওয়া।

- নির্ঘুম রাত কাটানো এবং স্বপ্নে নিজেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বা পচা আবর্জনার মধ্যে দেখা।

- ইবাদতে চরম অনীহা এবং আযান বা কুরআন তিলাওয়াত শুনলে প্রচণ্ড রাগ হওয়া।

- শরীরে কালচে বা নীলচে দাগ পড়া, যার কোনো ডাক্তারি কারণ নেই।

- সব সময় মনে হওয়া যে আপনার পেছনে কেউ দাঁড়িয়ে আছে বা আপনাকে কেউ অনুসরণ করছে।

================================

রক্তের মাধ্যমে করা এই ভয়ানক শয়তানি চক্রান্ত নস্যাৎ করতে নিচের আয়াত ও দুআগুলো
অনেক বেশি তিলাওয়াত করা এবং আমল করা অপরিহার্য:

১. শয়তানি চক্রান্তের দুর্বলতা (সূরা নিসা: ৭৬):

الَّذِينَ آمَنُوا يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ۖ وَالَّذِينَ كَفَرُوا يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ الطَّاغُوتِ فَقَاتِلُوا أَوْلِيَاءَ الشَّيْطَانِ ۖ إِنَّ كَيْدَ الشَّيْطَانِ كَانَ ضَعِيفًا

২. জাদু ও নকশা ধ্বংসের আয়াত (সূরা ইউনুস: ৮১-৮২):
فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُم بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ ۖ إِنَّ
اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ (৮১) وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ (৮২)

৩. তলাসিম ও অলীক নকশা নষ্টে (সূরা আল-আরাফ: ১১৭-১২২):
وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ (১১৭) فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ (১১৮)

৪. হাদীসের দলিল (শয়তানের রক্তে বিচরণ): রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের রক্ত চলাচলের শিরায় শিরায় বিচরণ করে।" (সহিহ মুসলিম: ২১৭৪)। জাদুকর এই রক্তকেই তার জাদুর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে।

বিশেষ রুকইয়াহ দোয়া (রক্তের জাদু ও নকশা ধ্বংসের ৪টি দোয়া):

১)
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ كُتِبَ بِالدِّمَاءِ وَالنَّجَاسَاتِ وَعُقِدَ بِهِ مُسْتَقْبَلِي

উচ্চারণ:আল্লাহুম্মা আবতিল কুল্লা সিহরিন কুতিবা বিদ্দিমা আ ওয়ান-নাজাসাতি ওয়া উকিদা বিহি মুস্তাক্ববালি।

অর্থ:হে আল্লাহ! রক্ত ও অপবিত্রতা দিয়ে লেখা এবং আমার ভবিষ্যৎকে বেঁধে রাখা প্রতিটি জাদু আপনি বাতিল করে দিন।

২)
اللَّهُمَّ فُجِّرْ كُلَّ طِلْسَمٍ سِحْرِيٍّ شَتَّتَ أَهْدَافِي وَدَمِّرْ أَحْلَامِي

উচ্চারণ:আল্লাহুম্মা ফুজ্জির কুল্লা তিলসমিন সিহরিয়্যিন শত্তাতাহু আহদাফি ওয়া দম্মির আহলামি।

অর্থ:হে আল্লাহ! আমার লক্ষ্যকে লক্ষ্যচ্যুত করা এবং আমার স্বপ্নগুলোকে ধ্বংসকারী প্রতিটি জাদুকরী নকশা আপনি চূর্ণ করে দিন।

৩)
اللَّهُمَّ طَهِّرْ دَمِي وَعُرُوقِي مِنْ سُمُومِ السِّحْرِ وَأَثَرِ الشَّيَاطِينِ

উচ্চারণ:আল্লাহুম্মা তাহহির দামী ওয়া উরুকি মিন সুমুমি সিহর ওয়া আসারি শায়াতিন।

অর্থ:হে আল্লাহ! জাদুর বিষক্রিয়া এবং শয়তানের কুপ্রভাব থেকে আমার রক্ত ও শিরাগুলোকে পবিত্র করুন।

৪)
اللَّهُمَّ فُكَّ كُلَّ عُقْدَةٍ سِحْرٍ بِاسْمِي وَاسْمِ أُمِّي صُنِعَتْ بِدَمٍ مَسْفُوحٍ

উচ্চারণ:আল্লাহুম্মা ফুক্কা কুল্লা উকদাতিন সিহরিন বিসমি ওয়া বিসমি উম্মি সুন্নিয়াত বিদাম মাসফূহি।

অর্থ:হে আল্লাহ! প্রবাহিত রক্ত দিয়ে আমার নাম ও আমার মায়ের নামে করা জাদুর প্রতিটি গিঁট আপনি খুলে দিন।

আপনার করণীয় ও ব্যবহারিক প্রতিকার:

- হিজামা (সুন্নাহ চিকিৎসা): রক্তের জাদুর ক্ষেত্রে হিজামা (Cupping) সবচেয়ে বেশি কার্যকর। এটি সরাসরি জাদুর বিষক্রিয়া রক্ত থেকে বের করে দেয়।

- রুকইয়াহ পানি ও সিদর: ৭টি বড়ই পাতা গুঁড়ো করে রুকইয়ার পানিতে মিশিয়ে টানা ২১
দিন গোসল করুন। এটি নাপাক জাদুর প্রভাব দ্রুত কাটায়।

- সকাল-সন্ধ্যার আজকার: প্রতিদিন ১০০ বার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ..." দোয়াটি পড়ুন। এটি জিনের আক্রমণ থেকে সুরক্ষার ঢাল।

- ঘর সুরক্ষা: ঘরে নিয়মিত সূরা বাক্বারাহ তিলাওয়াত করুন এবং কোনো প্রকার ছবি বা মূর্তি ঘরে রাখবেন না।

কেন আমাদের শরণাপন্ন হবেন?

রক্তের মাধ্যমে করা জাদু বা ‘সিহরুদ দাম’ অত্যন্ত শক্তিশালী ও নোংরা প্রকৃতির হয়। এটি কেবল একজনের ওপর নয়, অনেক সময় পুরো বংশের ওপর প্রভাব ফেলে। সাধারণ রুকইয়াহতে অনেক সময় এটি কাটতে চায় না। আমরা চাঁদপুর শিফা ওয়ে
রুকইয়াহ সেন্টার-এ জাদুর সেই শয়তানি নকশা ও রক্তের বিষক্রিয়া শনাক্ত করে বিশেষ রুকইয়াহ সেশন পরিচালনা করি। আপনার অন্ধকার ভবিষ্যৎকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করতে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

📍 আমাদের ঠিকানা: চাঁদপুর সদর, Chandpur Diabetic Hospital এর পাশে, ফেমাস
স্পেশালাইজড হসপিটাল সংলগ্ন।

📞 অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য যোগাযোগ করুন: 🟢 হোয়াটসঅ্যাপ: 01602-760864
📞 সরাসরি
কল: +8801714513577

সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় সাহায্য করুন।

Shifa Way
Raqi Sharif Mahmud
Khaled Saifullah

#রক্তের_জাদু #ভবিষ্যৎ_ধ্বংস #রুকইয়াহ #শয়তানি_নকশা #তলাসিম #জিনের_আছর #ক্যারিয়ার_বাধা #ইসলামিক_চিকিৎসা #শিফা
#চাঁদপুর_শিফা_ওয়ে_রুকইয়াহ_সেন্টার
#রাক্বি_খালেদ_সাইফুল্লাহ

Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business in Chandpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Comilla Road, Chandpur Sadar
Chandpur