Asraful Insight
I am a textile engineer who loves to explore new places and ideas. Follow my journey for inspiration and discoveries!
09/05/2026
এই হচ্ছেন ‘লালসালু’ উপন্যাসের লেখক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সপরিবারে। নামে মুসলমান হলেও, চিন্তা-চেতনায় তিনি ছিলেন একজন খাঁটি পশ্চিমা সাহেব। বিয়ে করেছিলেন এক ফরাসি নারীকে। মৃত্যুর পর তাঁর কবরও হয়েছে তাঁরই পছন্দের পশ্চিমা দেশ ফ্রান্সে।
এই ‘লালসালু’ উপন্যাসটি আমাদের দেশের এইচএসসি ক্লাসে ৪০ বছর আগে আমরা পড়েছি, এখনও পড়ানো হচ্ছে!
এই হতভাগা মুসলমান সৈয়দ সাহেব ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য নিজে দেখতে পাননি, অন্যকেও দেখাতে পারেননি। তিনি তাঁর দেখা ইসলামের বিকৃত রূপটিকে শৈল্পিক কায়দায় উপস্থাপন করে বিখ্যাত হয়েছেন ইসলামকে অস্পৃশ্য করে রাখা হিন্দুয়ানি বাংলা সাহিত্যের জগতে।
পাঠ্যবইয়ে ‘লালসালু’কে দীর্ঘকাল ধরে অন্তর্ভুক্ত করে রাখা আসলে একটি গভীর ও সুচতুর ইসলামবিরোধী চক্রান্তের অংশ।
এর মাধ্যমে একটি মুসলিম দেশের উঠতি বয়সের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদেরকে ইসলামের নষ্ট ও বিকৃত রূপের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। প্রকারান্তরে তাদের চেতনায় ইসলামবিমুখতাকে গভীর থেকে গভীরতর করে দেওয়া হয়।
অথচ শিক্ষার্থীদের পরিচিত হওয়ার কথা ছিল সর্বশ্রেষ্ঠ মানব, বিশ্ব মুসলিমের একমাত্র আদর্শ ‘উসওয়াতুন হাসানা’ হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনীর সঙ্গে। কিন্তু এ দেশের শিক্ষার্থীরা পুরো শিক্ষাজীবনে রাসূল (সা.)-এর কোনো নির্ভরযোগ্য, প্রামাণিক বা সংক্ষিপ্ত জীবনকাহিনী পড়ার সুযোগই পায় না। এ এক বিস্ময়কর ও অত্যন্ত আক্ষেপের বিষয়!
অথচ রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনী না জানলে কুরআনের শিক্ষা সঠিকভাবে বোঝা যায় না। বোঝা যায় না ইসলাম কত সুন্দর, কত মহান এবং কত বৈপ্লবিক। বোঝা যায় না একজন আদর্শ মুসলমানের জীবনধারা আসলে কেমন হওয়া উচিত। ফলে অনেক মুসলমান থেকে যায় অজ্ঞ ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন - ঠিক ‘লালসালু’র বোকা, গেঁয়ো ও মাজারপূজারী মুসলমানদের মতো। ć
05/05/2026
Today I had the opportunity to attend the recruiting fair hosted by Hochschule Niederrhein, and it turned out to be a highly rewarding experience.
The event offered a unique platform where fashion, textiles, and professional opportunities intersected. Engaging with various companies gave me practical insights into the industry and helped me better understand potential career directions.
Overall, the experience was both insightful and motivating, and I appreciate having been part of such an event.
📍“Düsseldorf moments 🇩🇪”
04/04/2026
Visited Drielandenpunt — the place where three countries meet: the Netherlands, Germany, and Belgium. It felt really interesting to stand in one spot and step into three different countries within seconds. A simple but memorable experience, and definitely worth a visit.
অবশেষে মনে হয়,
কেউ তো কারো নয়।
আমরা যতটা ছাড় দিই,
জুলুম ততটা বড় হয়
24/12/2025
হাদি হতে চান?
হাদি ভাইয়ের একটা বক্তৃতা শুনছিলাম,
সেখানে তিনি বলছিলেন,
" এক তরুণ এসে তাকে বলছিলেন, জান দিয়ে দিবো ভাই।"
হাদি ভাই লক্ষ্য করেছিলেন,
সে ভালো ছবি তুলতে পারে এবং ছবি তুলতে আগ্রহী।
হাদি ভাই তাকে বলছিলেন,
"তোমাকে ফটোগ্রাফির একটা কোর্সে ভর্তি করাই দেই? কয়েকমাসে এই স্কিলটা শিখে ফেলো।"
সেই জান দিতে চাওয়া ছেলেটা বলছিলো,
"এটা পারবো না ভাই।"
এই একটা কথাই আসলে আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।
তরুণরা মরতে প্রস্তুত,
কিন্তু গড়ে উঠতে প্রস্তুত না।
অথচ এই সময়ে আপনাকে এমন সব মানুষের সাথে ফাইট করতে যারা প্রচন্ড স্কিলফুল।
বাস্তবতা হচ্ছে, সেই স্কিলওয়ালা দশ জনের বিরুদ্ধে
আমরা দশ লক্ষ মানুষ মিলেও দাঁড়াতে পারছি না।
তরুণরা হাদি হতে চায়।
কিন্তু, তারা নজরুল পড়তে চায় না,
তারা ইতিহাস পড়তে চায় না,
তারা ভূ-রাজনীতি বুঝতে চায় না
তারা অর্থনীতি নিয়ে জানতে চায় না,
তারা ধর্ম পড়তে চায় না,
তারা ভাবতে শিখতে চায় না।
তারা শুধু স্লোগান দিতে চায়,
কিন্তু নিজের ভেতরের ভিত গড়তে চায় না।
আপনি যে ক্যারিয়ারে বা যে কাজেই থাকেন না কেনো, আপনি চাইলেই হাদি হতে পারেন।
হাদি হওয়া মানে শুধু রাস্তায় নামা না।
হাদি হওয়া মানে,
নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ ইমপ্যাক্ট রাখা।
আপনার সাংবাদিকতা নিয়ে আগ্রহ আছে?
আপনি দেশের সেরা সাংবাদিক হবার চেষ্টা করুন।
আপনার ইউটিউবার হবার ইচ্ছা?
আপনি দেশের সেরা ইউটিউবার হবার চেষ্টা করুন।
মনে রাখবেন, হাদি হতে চাইলে
আগে নিজেকে গড়তে হবে।
দেশ, সমাজ বদলাতে চাইলে,
আগে নিজের মাথা, চিন্তা আর স্কিল বদলাতে হবে।
জাস্ট নিজের কাছে আজকের দিনে ওয়াদা করেন, আপনিও আপনার কাজের মাধ্যমে এই দেশ, সমাজের জন্য ইমপ্যাক্ট রাখবেন।
আর আমাদের ওসমান হাদি ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ আমার ভাইটাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমিন।
মাটির নিচের মেট্রোতে চড়া যেন এক আলাদা রোমাঞ্চ—একদিকে দ্রুত গতিতে শহরের ব্যস্ততা এড়িয়ে যাওয়া, আর অন্যদিকে সেই ঠান্ডা বাতাস আর ভিন্নধর্মী পরিবেশ।
পার্ক স্ট্রিট স্টেশন তো তার মধ্যেই এক বিশেষ অভিজ্ঞতা দেয়—কলকাতার প্রাণকেন্দ্র বলা চলে।
06/04/2025
শানে নুযুল (পটভূমি):
তাবুক যুদ্ধ ছিল একটি কঠিন সময়ের যুদ্ধ। এটি সংঘটিত হয়েছিল ৯ হিজরির রজব মাসে, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরম, খরা ও দুর্ভিক্ষের সময়। রোমান সাম্রাজ্য মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সংবাদ আসে। এই সংবাদ শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবাদের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেন।
কিন্তু তখন অবস্থা এতটাই কঠিন ছিল যে—
প্রচণ্ড গরম,
খাবার পানির সংকট,
অনেকেই কৃষিকাজে ব্যস্ত ছিল (খেজুর পাকছিল),
এবং মুনাফিকরা নানা বাহানা করে যুদ্ধ এড়িয়ে যেতে চাইছিল।
অনেক সত্যিকার মুসলমানও কিছুটা ঢিলেমি দেখাতে শুরু করেন। তারা ভাবতে থাকেন — “এখন তো খুব কষ্টকর সময়, পরে যাওয়া যাবে।”
এই পরিস্থিতিতে আল্লাহ এই আয়াতটি নাজিল করেন:
সূরা তাওবা – আয়াত ৩৮
"হে মুমিনগণ! যখন তোমাদের বলা হয় আল্লাহর পথে রওয়ানা হও, তখন তোমরা জমিনে ভারী হয়ে বসে পড়ো কেন? তোমরা কি আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনকে পছন্দ করো? অথচ দুনিয়ার জীবনের ভোগ-উপভোগ তো আখিরাতের তুলনায় খুবই সামান্য।"
এই আয়াত দ্বারা আল্লাহ মুসলমানদের সতর্ক করেন যে,
আল্লাহর পথে লড়াই করা, কষ্ট সহ্য করা, আখিরাতের চাওয়া—এটাই প্রকৃত মুমিনের পরিচয়।
এভাবে সাহাবাদের উদ্দীপনা ও মনোভাব আবার চাঙ্গা হয় এবং বহু মুমিন সাহসের সঙ্গে তাবুক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
23/11/2024
আলহামদুলিল্লাহ, আজকের মাহফিলের কার্যক্রম বাদ আসর আনুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হবে। ইনশাআল্লাহ, সকলেই জিকিরের সাথে দলে দলে যোগ দিয়ে মাহফিল সফল করুন।
একদিন এক ব্যক্তি রুমির কাছে এসে বলল, "আমি জীবনে অনেক দুঃখ-কষ্ট পেয়েছি। আমি শান্তি খুঁজে পাচ্ছি না। আপনি কি আমাকে শান্তির পথ দেখাতে পারেন?"
রুমি তাকে একটি গ্লাস পানির ভেতরে এক মুঠো লবণ মিশিয়ে পান করতে বললেন। ব্যক্তি যখন সেই পানীয় পান করল, তার মুখ বিকৃত হয়ে গেল, এবং সে বলল, "এটি ভীষণ তেতো!"
এরপর রুমি তাকে একটি হ্রদের কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, "এবার এই একই পরিমাণ লবণ হ্রদের পানিতে মিশাও এবং একটু পান করো।" ব্যক্তি তা-ই করল এবং হ্রদের পানি পান করে বলল, "পানিতে কোনো তেতো স্বাদ নেই।"
তখন রুমি বললেন, "জীবনের দুঃখ-কষ্ট লবণের মতো। তা সবসময় আমাদের থাকবে। তবে আমরা সেই লবণকে কোথায় মিশাচ্ছি, সেটিই আসল ব্যাপার। তুমি যদি কষ্টকে ছোট গ্লাসের মতো সীমিত জায়গায় রাখো, তাহলে তা সহ্য করা কঠিন হয়ে যাবে। কিন্তু যদি তোমার মনকে বিশাল হ্রদের মতো প্রসারিত করতে পারো, তাহলে সেই কষ্টের প্রভাব তোমার জীবনে ছোট হয়ে যাবে। নিজের হৃদয়কে বিস্তৃত করো, শান্তি পাবে।"
এই গল্পের মাধ্যমে রুমি বোঝাতে চেয়েছেন, জীবন আমাদের নানা দুঃখ-কষ্ট দেবে, কিন্তু আমাদের মন যদি প্রশান্ত এবং উদার হয়, তাহলে সেই কষ্ট আমাদের সুখ ও শান্তি নষ্ট করতে পারবে না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the public figure
Telephone
Website
Address
Mohonpur
Chandpur
3641