Islamic knowledge
আল্লাহর বাণী অনুসরণ করাই শ্রেষ্ঠ পথ!
° আল কুরআনুল কারীমে আল্লাহ্ আমাদের বলেছেন!
" তোমরা ধৈর্যধারণ করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন"
(সূরা আল-ইমরান, ৩:১৪৬)।
° আল্লাহর উপর ভরসা করুন আমিন ।
° জাজাকুমুল্লাহ্ খাইরান ।
সালাফি মানহাজ অনুসারী
সূর্য উদয়ের পূর্বে এক রাকাত পেলেই ফজর আদায়ের সৌভাগ্য‼️
🎙️শাইখ ড. মুযাফফর বিন মুহসিন
12/02/2026
10/02/2026
ইসলামে তাওবা (তওবা) করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। আল্লাহ তাআলা বলেন:
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর দিকে খাঁটি তওবা করো। আশা করা যায় যে, তোমাদের রব তোমাদের গুনাহসমূহ মাফ করে দেবেন এবং তোমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন...” (সূরা তাহরীম: ৮)
খাঁটি তওবা কবুল হওয়ার জন্য সাধারণত ৩টি মৌলিক শর্ত পূরণ করতে হয় (যদি গুনাহটি শুধু আল্লাহর সাথে সম্পর্কিত হয়)। অনেক আলিমের মতে এগুলো হলো:
গুনাহের কাজ সম্পূর্ণরূপে ছেড়ে দেওয়া এখন থেকেই বন্ধ করতে হবে, ভবিষ্যতে করব না এমন মনোভাব নিয়ে।
অনুতাপ ও লজ্জা অনুভব করা অন্তর থেকে আফসোস করা যে, আল্লাহর অবাধ্যতা করেছি।
ভবিষ্যতে আর না করার দৃঢ় সংকল্প করা পুনরায় সেই গুনাহে ফিরে না যাওয়ার প্রতিজ্ঞা।
যদি গুনাহটি মানুষের হক/অধিকারের সাথে জড়িত হয় (যেমন: চুরি, গীবত, মিথ্যা অভিযোগ, সম্পদ আত্মসাৎ ইত্যাদি), তাহলে চতুর্থ শর্ত যোগ হয়:
হকদারের কাছ থেকে ক্ষমা চাওয়া ও হক আদায় করা সম্ভব হলে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া, ক্ষমা চাওয়া বা তার সন্তুষ্টি অর্জন করা।
কিছু আলিম (যেমন শায়খ উসাইমীন রহ.)
৫টি শর্তও উল্লেখ করেন, যার মধ্যে অতিরিক্তভাবে “আল্লাহর জন্যই তওবা করা” এবং “গুনাহকে ঘৃণা করা” অন্তর্ভুক্ত।
তওবা করার বাস্তব পদ্ধতি (ধাপে ধাপে)
অজু করে নিন (সুন্নত) পবিত্রতা অর্জন করুন।
দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ুন (তওবার নামাজ) নিয়ত করুন: “আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দুই রাকাত তওবার নামাজ আদায় করছি।” (এটি সুন্নত, ফরজ নয়।)
অন্তর থেকে অনুতপ্ত হোন নিজের গুনাহের কথা স্মরণ করে লজ্জিত হোন।
আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন হাত তুলে দোয়া করুন। কিছু প্রসিদ্ধ দোয়া:
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
(আসতাগফিরুল্লাহ ওয়া আতূবু ইলাইহি)
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর দিকে তওবা করি।
(রাসূল ﷺ নিজে দিনে ৭০-১০০ বার এটি পড়তেন।)
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
(আসতাগফিরুল্লাহাল আযীমাল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি)
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ
(রাব্বিগফিরলী ওয়া তুব আলাইয়্যা ইন্নাকা আনতাত তাওয়্যাবুর রাহীম)
বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ুন দিনে যতবার সম্ভব।
ভালো কাজ বাড়ান নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, দান-সদকা ইত্যাদি করে গুনাহ মুছে ফেলার চেষ্টা করুন।
আল্লাহর রহমত অসীম। তিনি বলেন:
“বলো, হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করেছে, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (সূরা যুমার: ৫৩)
যেকোনো সময় তওবা করা যায়, এমনকি মৃত্যুর শেষ মুহূর্তেও (যদি সত্যিকার অনুতাপ থাকে)। আজই তওবা করুন, আল্লাহ আপনার তওবা কবুল করুন। আমীন।
10/02/2026
▶️ রিজিক বৃদ্ধির উপায় 💟⤵️
Alhamdulillah™️🌟💫
08/02/2026
📌জান্নাতের ঘরের প্রতিশ্রুতি — তিনটি সহজ আমল
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
▪️“আমি জান্নাতের প্রান্তে একটি ঘরের জামিনদার সেই ব্যক্তির জন্য,
যে তামাশার ছলেও মিথ্যা বলা ছেড়ে দেয়;
▪️আর জান্নাতের মাঝখানে একটি ঘরের জামিনদার সেই ব্যক্তির জন্য,
যে ঝগড়া পরিত্যাগ করে—যদিও সে সত্যের উপর থাকে;
▪️আর জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে একটি ঘরের জামিনদার সেই ব্যক্তির জন্য,
যার চরিত্র সুন্দর।”
📖 সুনানে আবূ দাউদ: ৪৮০০
(শায়খ আলবানী রহ. — হাসান)
◼️এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের জান্নাত লাভের তিনটি সহজ কিন্তু গভীর আমলের কথা জানিয়েছেন।
➤প্রথমত—তামাশার ছলেও মিথ্যা না বলা। অনেক সময় আমরা হাসি-ঠাট্টার মাঝেও অসত্য বলি। অথচ একজন মুমিনের জিহ্বা সর্বদা সত্যের উপর থাকা উচিত।
➤দ্বিতীয়ত—সত্যের উপর থেকেও ঝগড়া পরিহার করা। নিজের হক থাকা সত্ত্বেও তর্ক-বিতর্ক এড়িয়ে যাওয়া বড় চরিত্রের পরিচয়।
➤তৃতীয়ত—উত্তম আখলাক। সুন্দর ব্যবহার, নম্রতা ও মানুষের সাথে ভালো আচরণ—এগুলো ঈমানের পূর্ণতার অংশ।
এই তিনটি আমল আমাদের ব্যক্তিগত জীবনকে সুন্দর করে, সমাজে শান্তি আনে এবং সর্বোপরি জান্নাতের মর্যাদাপূর্ণ ঘরের সুসংবাদ দেয়।
👉 আসুন, আমরা সত্যবাদী হই, ঝগড়া থেকে দূরে থাকি এবং উত্তম চরিত্র গড়ে তুলি—এটাই রাসূল ﷺ এর শিক্ষা।
07/02/2026
রাসুল (সঃ) কত খ্রিষ্টাব্দে মক্কা হতে মদিনায় হিজরত করেন?
উত্তর জানান কমেন্টে_
07/02/2026
মাখরা গুলো শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন ইংশাআল্লহ
07/02/2026
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ
মুসলিম কিছু কথা পক্ষ থেকে
ইফতার বিতরণ প্রজেক্ট ২০২৬
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর
এই পবিত্র মাসে আমাদের উদ্যোগ কিছু অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের জন্য একটি সম্মানজনক ইফতার নিশ্চিত করা।
🕌
আপনার একটি সহযোগিতা কারো সিয়াম পালনের কষ্ট লাঘব করতে পারে, কারো পরিবারে এনে দিতে পারে স্বস্তি ও প্রশান্তি, আর আপনার জন্য হতে পারে অশেষ সওয়াবের মাধ্যম।
আসুন, রমজানে মানবতার পাশে দাঁড়াই।
সহযোগিতা পাঠাতে:
বিকাশে- নগদে -- 01917188429
আপনার সামান্য সহযোগিতাই কারো জন্য বড় নিয়ামত হতে পারে।
#মুসলিম_কিছু_কথা
06/02/2026
আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “বনি ইসরাইলে দুই বন্ধু ছিল। তাদের একজন পাপ করত, দ্বিতীয়জন খুব ইবাদত গুজার ছিল। ইবাদত গুজার তার বন্ধুকে সর্বদা পাপে লিপ্ত দেখত, তাই সে বলত বিরত হও, একদিন সে তাকে কোন পাপে লিপ্ত দেখে বলে: বিরত হও। সে বলল: আমাকে ও আমার রবকে থাকতে দাও, তোমাকে কি আমার ওপর পর্যবেক্ষক করে পাঠানো হয়েছে? ফলে সে বলল: আল্লাহর কসম আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করবেন না, অথবা তোমাকে আল্লাহ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন না। অতঃপর তাদের উভয়ের রূহ কবজ করা হল এবং তারা উভয়ে আল্লাহর নিকটে একত্র হল। তিনি ইবাদত গুজারকে বলেন: তুমি কি আমার ব্যাপারে অবগত ছিলে? অথবা আমার হাতে যা রয়েছে তার ওপর তুমি ক্ষমতাবান ছিলে? আর পাপীকে তিনি বলেন: যাও আমার রহমতে তুমি জান্নাতে প্রবেশ কর। আর অপর ব্যক্তির জন্য বলেন: তাকে নিয়ে জাহান্নামে যাও ।
ব্যাখ্যা: এর অর্থ এই নয় যে, কেউ অন্যায় ও গুনাহ করবে আর অন্য কেউ তার প্রতিবাদ করবে না। এ ব্যাপারে প্রতিবাদ হচ্ছে তিন প্রকারের, হাতে, মুখে বা অন্তরের ঘৃণা। তাকে হাত দিয়ে বাধা, মুখ দিয়ে নিষেধ আর সক্ষম না হলেও অন্তরে তার কর্মকাণ্ডকে ঘৃণা করাই হচ্ছে প্রতিবাদে ভাষা। কিন্তু তার বাইরে প্রতিবাদের সীমা ছড়িয়ে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন না, বলাই অগ্রহণযোগ্য কাজ। যার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ আকারে দেখা দিয়েছে।
গ্রন্থঃ সহিহ হাদিসে কুদসি
হাদিস নম্বরঃ ১৭
হাদিসের মানঃ সহিহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chandpur