Fahim Raihan
Fahim Raihan is a well-known voice artist. Film | Ovc | Presenter Since 2015 | Student Activist. I'm Fahim Raihan is A filmmaker and social influencer.
08/06/2026
কোনো এক মনিষী বলেছিলেন, "বাংলাদেশের ক্রিকেট শ্যাষ"। এইটাই রিয়ালিটি। আরেকজন বলেছেন, " তোমরা রিয়ালিটি মাইনা নাও।" আপনারাও মেনে নেন।
লিসেন, আগানো তো দূর কী বাত, বাংলাদেশের ক্রিকেট আর ওইদিন আসবে না, যে দিন গেছে। এই সেক্টরের গোল্ডেন পিরিয়ড আমরা আগেই পেরিয়ে এসেছি।
স্পোর্টসে যদি কোথায় বাংলাদেশের সম্ভাবনা থেকে থাকে, সেটা ফুটবল। এবং এই সেক্টরে আমাদের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
এদেশের গ্রামে-গঞ্জে বা শহরে-মফস্বলে, কোনো এক জায়গায় ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করে দেখেন, লোকজন হুড়মুড় করে আসবে। এদেশের মানুষের ব্লাডে ফুটবলের প্রতি টান আছে। জাদুকর সামাদ বা কিংব্যাক মুন্নাদের প্রতি টান আছে।
কিন্তু তারপরও বিগত বহু বছর, বিশেষ করে করোনার আগ পর্যন্ত, গ্যালারীতে কোনো দর্শকই থাকত না। কেন?
সালাহউদ্দিনরা এত পরিমাণ দূর্নীতি করেছিল যে এই প্রবল সম্ভাবনাময় সেক্টরের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছিল।
ইন্টেরিমের সময়ে ফুটবল আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে। কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সামনের দিকে হাঁটতে শুরু করেছে।
এই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পের নায়ক আসিফ মাহমুদ আর তাবিথ আওয়াল। বাট প্রথমে আসিফ মাহমুদই আসবে।
কারণ বিসিবির মতো বাফুফে নির্বাচনেও বিএনপি চেষ্টা করেছিল নিজেদের একটা প্যানেল দিয়ে তাদের জিতিয়ে আনতে। আসিফ তাদের প্রস্তাবে সম্মত হয়নি। তাবিথকে ব্যাক করেছে। তাবিথ জিতেছেও।
এখন তাকে বিসিবির মতো সরানোর ক্ষমতা বিএনপির সেই গ্রুপটার নেই কারণ তাবিথ নিজেই বিএনপি নেতা। আব্দুল আওয়াল মিন্টুর ছেলে ও মেয়র ক্যান্ডিডেট। সে ফুটবলের জন্য নিবেদিত প্রাণ।
দূর্নীতির কারণে ফিফার ফান্ড আসা বন্ধ ছিল। আসিফ দায়িত্ব নেওয়ার পর ঠিক করেছে। ঢাকায় কয়েক বছর ধরে একটা মাঠ পড়ে ছিল। আসিফ ৬ মাসের মধ্যে চালু করেছে। নিজে নিয়মিত ফুটবলের ব্রান্ডিং করার ট্রাই করেছে।
সুলিভান ব্রাদার্স সহ বহু বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিদেশি ফুটবলারের নাগরিকত্ব বিষয়ক জটিলতায় আসিফ মাহমুদ সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে, হেল্প করেছে।
আমাদের কোনো জেলা স্ট্রাকচার নেই। ফলে প্রান্তিক পর্যায় থেকে ট্যালেন্ট উঠে আসার সুযোগ নেই বললেই চলে। আসিফ এই ক্ষেত্রেও মুভমেন্ট দেখিয়েছে। একটা পথ খুলে দিয়ে এসেছে।
আসিফের এমন বহু কর্মকান্ডের ফলাফল বাংলাদেশ ফুটবল এখন পাচ্ছে ও ভবিষ্যতে পাবে। তাছাড়া লার্কি চার্মও বলতে পারেন। ওই সময়ে ফুটবলে বাংলাদেশের সময় খুব ভালো গেছে।
06/06/2026
দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির সমাবেশ শুরু হয়েছে৷ সংবিধান হাতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছেন প্রতিবাদীরা৷ তাঁরা কথা বলছেন সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে, গোদী মিডিয়া এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে। দেখলাম, বামপন্থী ছাত্রছাত্রীদের একাংশ, শীর্ষ বামপন্থী নেতৃত্ব শামিল হয়েছেন জমায়েতে।
আরশোলাদের সামলাতে গিরগিটির মতো রং বদলে ফেলেছে আরএসএস৷ কয়েকদিন আগে আরশোলাদের পাকিস্তানের দালাল বলা হচ্ছিল, এখন সুর নরম করতে বাধ্য হয়েছে সংঘ পরিবার। প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, কিন্তু বলা হচ্ছে গ্রেফতার করা হবে না কাউকে৷ সমাবেশ চালাতে বাধা দেবে না প্রশাসন। সম্ভবত, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপালের ক্ষমতাচ্যুত শাসকদের থেকে শিক্ষা নিয়েছেন ভারতের শাসকরা।
ভারতের মতো বড় ও বহুমাত্রিক দেশে তরুণতরুণীদের এমন আন্দোলনের নজরকাড়া সাফল্য পাওয়া কঠিন৷ কিন্তু কখন কী হয়ে যায়, কে বলতে পারে! একথা স্পষ্ট, মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ভারতের তরুণ প্রজন্ম ক্ষুব্ধ। তারা ফুঁসছে। আরশোলাদের উত্থান সেই ক্ষোভের তীব্র প্রকাশ।
দেখা যাক কী হয়....
06/06/2026
টাকার ভাজে একটা চিরকুট থাকে যেখানে ফোন নম্বর লিখা থাকে।
যেসব মেয়েরা পাবনা শহরে থাকে, তারা বলতে পারবে রূপকথা গলির কাছে কিছু লোকজন রিক্সাতে থাকা মেয়েদের গায়ে চিরকুটসহ ২০/৫০ টাকা ছুড়ে মারে। এটি আজ বহু বছর ধরে চলছে একই যায়গা একই হাতের লিখা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ।
04/06/2026
এই ছবিটি আমাদের বুঝিয়ে দেয় আমাদের জীবনে অভিভাবকদের গুরুত্ব কতখানি! সে যখন তার খামারী মালিকের কাছে ছিলো তখন তার কত সুন্দর বাহ্যিকরূপ ছিলো। নিয়মিত তাকে গোসল, খাওয়ানো এমনকি ট্রাম্পের মত করে চুলও আচরে দিতো।
দেখতে তাকে একেবারে ধবধবা নাদুসনুদুস সুন্দর লাগতো। সারা বিশ্বের তার সেই সৌন্দর্য এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মত ল্যুক আলোচিত হয়।
এরপর তাকে সরকার কিনে নিয়ে চিড়িয়াখানায় রাখা হয়। তার যত্ন কমতে থাকে। তার বরাদ্দের বিশাল অংশ গায়েব হয়ে যায়। প্রতিদিন শুধু তাকে দেখতেই শত মানুষ চিড়িয়াখানায় যায়। দিন দিন অবহেলা ও অযত্নে মাত্র ১০ দিনেই তাকে আর চেনা যায়না। একবার ভাবুন অন্য প্রাণীরা এখানে বছর কে বছর কেমন আছে?
সেই ট্রেডমার্ক চুল, সোনালি পশম কিংবা চোখের চাহনি হারিয়ে গেছে। গোসল হয়না নিয়মিত। ধবধবে সুন্দর থেকে দুর্বল হয়ে মলিন হয়েছে তার চেহারা।
কিন্তু ঠিক এই মুহুর্তে যদি সে তার খামারি মালিকের কাছে থাকতো তাহলে যথাযথ সেবা পেত এবং তার সৌন্দর্য আগের মতই থাকতো।
একজন প্রকৃত অভিভাবক কতটা গুরুত্বপূর্ণ পশু এবং মানুষের জীবনে এই ছবিটি তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। মালিকের কাছে থাকলে এই কাক তার মাথায় বসতে পারতো না।
একে অতিদ্রুত হয় আগের মালিকের কাছে দিয়ে দিন অথবা তাকে অন্য কোন খামারীর কোন মহিষ পালের সাথে থাকার ব্যবস্থা করে দিন। নাহলে দিনে দিনে তার অবস্থা আরো খারাপ হবে।
#মহিষ
04/06/2026
Justice for Riya.
She was r***d, killed and thrown away in a bag afterwards.
Since Ramisha isn’t trendy anymore
We probably forgot that our girls are still getting r***d everyday!
And that our government is actively failing to protect us in every way possible with no visible justice in sight.
03/06/2026
নিচের তিনটা অমানুষ'কে চিনে রাখুন।
হাদিকে মারা হয়েছে কেন এবং কে মেরেছে এটা যারা জানার তারা আগে থেকেই জানেন।
মমতা ব্যানার্জি প্রকাশ করে দেওয়ার পর কিছুটা ওপেনলি কথা বলছেন অনেকে।
আমি ভাবছি অন্য কথা।
এই যে এতো এতো হিংসুক পুরুষ এবং মহিলা টোকাই হাদিরে নিয়ে দুই দিন পর পর কটাক্ষ করে কথা বলে তাদের এখন কি হবে?
তারা কি বুঝবে যে হাদি মাত্র ১ বছরের ব্যবধানে শুধু মাত্র তার ক্যারেক্টার এবং জবানের জোরে এতো গুরুত্বপুর্ণ হয়ে উঠেছিল যে তাকে ভয় পেয়ে একটা রিজিওনাল জিওপোলিটিকাল পাওয়ার একশন নিয়েছিল?
হাদি নিশ্চয় তাদের মসনদ কাপিয়ে দিয়েছিল।
হাদি নিশ্চয়ই এমন গুরুত্বপুর্ণ একজন হয়েছিল স্বল্পতম সময়ের ব্যবধানে যার কারণে একটা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্য মন্ত্রী হাদিকে নিয়ে এখনও কথা বলে।
আর অন্যদিকে এই পুরুষ ও মহিলা টোকাই গুলোকে কাকরাইলের লেরি ডগও কামড়ায় না।
কি যে মর্মান্তিক তাদের গুরুত্বহীন, হিংসুটে জীবন।
03/06/2026
এখন আর ইউনুসের আমলের মতো যমুনা ঘেরাও হয়না। জাতি কি আবারও অন্ধ হয়ে যাচ্ছে!
02/06/2026
মমতা ব্যানার্জি দাবি করলেন, হাদিকে কাকে দিয়ে খুন করানো হয়েছে, তিনি জানেন।
নাম বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে।
এই নাম খুব সম্ভবত আর কখনোই আসবে না।
তবে আমরা এটুকু জানলাম, হাদি ভাই আর হাদি ভাইয়ের রাজনীতি ঠিক কাদের জন্য মাথাব্যথার কারণ হইছিল।
হাদি ভাই নিজেও শহীদি মৃত্যু চাইতেন।
উনার আফসোস থাকার কথাও না।
আফসোস হইতো কিছু জানোয়ারের উল্লাস দেখে।
এরা কেউ দাবি করতো হাদি কে? হাদির আবার রাজনীতি ছিল নাকি? কখনও দাবি করত হাদির কবর নজরুলের পাশে কেন? হাদিকে কেন এত গুরুত্ব দিতে হবে?
আজ প্রমাণ হইলো,হাদিকে কেন এত গুরুত্ব দিতে হবে আমাদের।
সাম্রাজ্যবাদী দেশের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যাকে খুন করানো হয়, তার বিপ্লব আর দেশপ্রেম নিয়ে আর কোন প্রশ্ন থাকে না।
আপনাকে আবারও অভিনন্দন শহীদ শরিফ ওসমান হাদি।
আপনি আবারও জিতে গেলেন।
ঠিক কতটা খাঁটি দেশপ্রেমিক এবং বিপ্লবী হইলে দাদাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পর্যন্ত খুনের সাথে ইনিভলভ হইতে হয়, আমি জানি না।
বাট শেরে বাংলার একটা কথা বিলিভ করি, যে ওপারের দাদারা যতক্ষন আমাকে গালিগালাজ করবে,ততক্ষণই বুঝবে আমি সঠিক পথে আছি।
ওপারের দাদাদের হাতে খুন হয়ে আপনি প্রমাণ করে গেলেন, আপনি বাংলাদেশের কতটা আপন ছিলেন।
লাল সবুজের পতাকাকে ঠিক কতটা আকড়ে ধরলে গেরুয়াদের হাতে খুন হয়ে শহীদ হওয়া যায়, সেইটা আপনি নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেলেন।
মাটি আর মানুষের জন্য আপনার এই কুরবানি আল্লাহ তায়ালা কবুল করুক।
দেশপ্রেমিকদের দেশের মানুষ চিনতে ভুল করতে পারে, শত্রুরা কখনও বিপ্লবীকে চিনতে ভুল করে না।
শহীদ ফেলানি খাতুন, শহীদ আবরার ফাহাদ আর শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির রক্ত যেন আমরা কোনদিন না ভুলি।
©
02/06/2026
মা 💔
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Chandpur