Md Ruman Mahmud

Md Ruman Mahmud

Share

MD Ruman Mahmud 󱢏ㅤ

দেশ ও মানুষের সেবা করুন।
সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকুন। 🇧🇩

04/06/2026

The best thinking about life

30/05/2026

আপন ভূবন,
যে আপন ছিলো সেই তো অনেক আগেই পরপারে গেছে

27/05/2026

Eid
Mubarak

10/05/2026

তুমি ভাবছো
কেউ দেখছে না?
ভুল ভাবছো...
আল্লাহর লিলাখেলা বড়ই অদ্ভুত, ফাকিঁ দেওয়ার সুয়োগ নাই

28/04/2026
28/04/2026

১২ বছর…
সময়ের হিসাবে খুব বেশি না মনে হলেও, একজন মানুষের জীবনের অর্ধেকটাই যেন কেটে যায় এই সময়ের ভেতর।
রাশেদও ঠিক তেমনই একজন মানুষ।
দারিদ্র্যের তাড়নায়, নতুন স্বপ্নের খোঁজে সে দেশ ছেড়েছিল—মধ্যপ্রাচ্যের এক মরুভূমির দেশে। যাওয়ার সময় তার বউ মিতু ছিল নতুন বউ, আর পেটে ছিল তার প্রথম সন্তান।
“দুই-তিন বছর পরেই ফিরবো”—এই কথা বলে গিয়েছিল সে।
কিন্তু বাস্তবতা গল্পের মতো সহজ না।
একটা কাজ থেকে আরেকটা কাজ, কষ্টের পর কষ্ট, টাকা জমাতে গিয়ে নিজের জীবনটাই যেন ভুলে গিয়েছিল রাশেদ।
মাস শেষে টাকা পাঠাতো—বউয়ের জন্য, সন্তানের জন্য, আর একটা স্বপ্নের জন্য—নিজের একটা পাকা বাড়ি।
১২ বছর পর, একদিন হঠাৎ করেই সে সিদ্ধান্ত নিল—
“আর না, এবার বাড়ি ফিরবো।”
হাতে কিছু টাকা, চোখে অনেক স্বপ্ন নিয়ে সে দেশে ফিরলো।
গ্রামের রাস্তায় পা রাখতেই বুকটা ধুকপুক করতে লাগলো।
সবকিছু আগের মতোই, কিন্তু কোথাও যেন একটা অচেনা ভাব।
নিজের বাড়ির সামনে এসে সে থমকে গেল।
তার জমির এক পাশে বিশাল একটা তিনতলা বিল্ডিং দাঁড়িয়ে।
সে মনে মনে হাসলো—
“মিতু তো সত্যিই আমার স্বপ্ন পূরণ করে ফেলেছে!”
কিন্তু পাশেই চোখ পড়তেই তার হাসি থেমে গেল।
একটা ছোট্ট টিনের ঘর…
ভাঙাচোরা, মাটির উঠান, পাশে একটা পুরোনো চৌকি।
সেখানেই বসে আছে একজন মহিলা—মাথায় ওড়না, মুখে ক্লান্তির ছাপ।
আর পাশে এক কিশোর ছেলে, পুরোনো জামা পরে।
রাশেদ এগিয়ে গিয়ে ধীরে বলল—
“মিতু…?”
মহিলাটা তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ।
তারপর হঠাৎ করে কাঁপা গলায় বলল—
“রাশেদ… তুমি…?”
দুজনেই কিছুক্ষণ চুপ।
১২ বছরের দূরত্ব যেন এক মুহূর্তে চোখের জলে ভেসে গেল।
রাশেদ চারপাশে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল—
“এই টিনের ঘরে থাকো কেন? ওই বিল্ডিংটা তো আমাদের… না?”
মিতু মাথা নিচু করে বলল—
“ওটা আমাদের না…”
রাশেদ অবাক—
“মানে? আমি তো এত বছর টাকা পাঠালাম…!”
মিতু ধীরে ধীরে সব খুলে বলল—
“তুমি যে টাকা পাঠাতে, তার অর্ধেকই তোমার বড় ভাই নিয়ে নিতো। বলতো—বাড়ি বানাচ্ছে, জমি কিনছে।
আমরা বিশ্বাস করতাম…
শেষে দেখি, বিল্ডিংটা তার নিজের নামে।”
রাশেদের মাথা ঘুরে গেল।
“আর আমরা…?” সে কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করল।
মিতু চোখ মুছে বলল—
“আমরা এই টিনের ঘরেই থাকি…
তোমার ছেলেকে পড়াতে পারিনি ঠিকমতো…
কিন্তু অপেক্ষা করেছি—তুমি একদিন ফিরবে।”
রাশেদ ছেলের দিকে তাকালো।
ছেলেটা চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে—তার বাবাকে প্রথমবারের মতো দেখছে।
সে ধীরে গিয়ে ছেলেকে জড়িয়ে ধরল।
“আমি দেরি করে ফেলেছি…”
তার গলায় ভাঙা শব্দ।
ছেলেটা আস্তে বলল—
“না বাবা… তুমি এসেছো, এটাই অনেক।”
সেদিন রাতে টিনের ঘরের ভেতরে বসে রাশেদ অনেকক্ষণ চুপ ছিল।
বাইরে সেই বড় বিল্ডিং—যা তার স্বপ্ন ছিল, কিন্তু তার না।
আর ভেতরে—তার সত্যিকারের ঘর, তার পরিবার।
সে মিতুর হাত ধরে বলল—
“আমি আবার শুরু করবো। এবার তোমাদের পাশে থেকে।”
মিতু মৃদু হাসলো—
“এইটাই তো চেয়েছিলাম…”
শেষ কথা:
কখনো কখনো মানুষ ঘর বানাতে গিয়ে, ঘরটাই হারিয়ে ফেলে।
আর ফিরে এসে বুঝে—
টাকা নয়, পাশে থাকা মানুষটাই আসল সম্পদ।

14/04/2026

#শুভ
#নববর্ষ
১৪৩৩

03/04/2026

যারা নিশ্চয় ইমান এনেছে ও সৎ কর্ম করেছে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতুল ফেরদৌস : সূরা আল কাহাফ
#সূরা #কাহাফ #জেলা #উপজেলা

#ইসলাম #কুরআন #মুসলমান

03/04/2026

“প্রেম যদি স্বার্থ/দেহের হয়,
সে প্রেমে ব্যথা রয়।
প্রেম যদি আত্মার হয়,
সে প্রেমে কি বিচ্ছেদ হয়?

উপরের তথ্য টি মানুষ সারা জিবন সাধনা করে অর্জন করে সে মানুষটি হলো সাধক লালন ফকির, শুধু মাত্র সম্পর্কের গভীর অনুভূতি গুলোকে তুলে ধরার মাধ্যমেই বিশ্লেষন মানব জাতীর কল্যানের জন্য যারা বুঝে বা না বুঝে রক্তের সম্পর্কের ভিন্নতা তৈরী বা অবুঝ কিছু পরিনতির দিকে ধাবিত হয় (ধ্বংস) বা পরিনতির দিকে ঠেলে দেয় (মারাত্মক বিপদ):

❤️ ** ১। স্বার্থ বা দেহের প্রেম সাধারণত কোনো কিছুর বিনিময় বা আকর্ষণ, অভ্যাস, কাছাকাছি থাকা, স্পর্শ—এসবের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। তাই কোনো কিছুর বিনিময়ে বা ত্রুটি হলে, বা দূরত্ব, তর্ক মতামত, আলোচনা বা মতের পার্থক্য, ভুল বোঝাবুঝি, সময় বা পরিস্থিতি বদলালে সেখানে ব্যথা ও বিচ্ছেদ আসে। বিশেষ কারন হলো স্বার্থের কারনে দেখা যায় মতের ভিন্নতা হট্টগোল এবং একে অন্যকে শত্রুতে রুপান্তর বা হানাহানি যা একপর্যায়ে স্হায়ী বিছিন্নতায় রুপ নেয়। রক্তের সম্পর্কের মধ্যে সম্মান স্নেহ ভালোবাসা মমতা টান বিরাজমান থাকে না। বেঁচে থাকতেই যেনো কারো অনুপস্হিতি কারো মনে শুন্যতা তৈরী করে না, থাকে না আপনজনজনদের টান মহব্বত ভালোবাসা, শুধু সকলের মনে এক একটা পক্ষ বা দল তৈরী করে ভিন্ন আর গিবত চর্চা করে নিজেদের ভিন্ন মতাদর্শের মানুষটিকে ঘৃনা বা তার অনুপস্থিতি যেনো কারো কাছেই কোনো বিশেষ কিছুর অনুপস্থিতি টেরও পায় না কেউ, বরং একে অন্য স্বস্তি বোধ করে। মৃত্যুর পর তো দোয়া বা সম্মান শ্রদ্ধা দোয়া ভক্তিতে স্বরণ করা দূরের কথা বরং কারো মনেই কোনো অনুভূতিই তৈরী হবে না মানে হলো মনেই পড়বে না। বরং অনুপস্থিত বা মৃত ব্যক্তির বিষয়ে অনুভূতি কাজ করে একরাশ ভিন্ন ভিন্ন বিকৃতি গিবত আর কুৎসা। এজন্যই স্বার্থ বা দেহের প্রেমে ব্যথা বা বিচ্ছেদ বা কস্ট থাকে। তাই বলা হয় অন্যের কোনো কাজে নিজেকে জরিয়ে নিজেকে বিকৃত পারিবারিক পলিটিক্সের স্বীকার না হওয়া, কারন রক্তের সম্পর্কেও স্বার্থের ব্যঘাত ঘটলেই না থাকে সম্মান শ্রদ্ধা ভালোবাসা বা না থাকে কোনো বিশেষ অনুভূতি প্রেম। ভুল ভাঙার থেকে তৈরী হয় সম্পর্কের যটিলতা বেশি যা মারাত্মক বা বিছিন্ন কস্ট বা দুঃখের অনুভূতির সৃষ্টি করে,
🫶 তাই সাধক বলেছে - প্রেম যদি স্বার্থ / দেহের হয়, সে প্রেমে ব্যথা রয়।

❤️** ২। কিন্তু মন বা হৃদয় থেকে আত্মার প্রেম অন্যরকম। দূরে অবস্হান করলেও প্রতি বিশেষ মুহুর্ত গুলো মনে পরে সেই আদর ভালোবাসা মহব্বতের সেই মানুষ টাকে। বেঁচে থাকতেও যতটা সৃতি আর আবেগ ঘন হয় মৃত্যুর পরোও সেই মানুষগুলো বছরের পর বছর যুগের পর যুগ শতাব্দীর মত প্রিয় মানুষদের হৃদয়ে থেকে যায় অমর হয়ে। এটা সম্মান, দোয়া, মমতা, স্মৃতি, এবং নিঃস্বার্থ অনুভূতির উপর দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানে মানুষ দূরে গেলেও, সম্পর্ক ভেঙে গেলেও—অনুভূতিটা শেষ হয় না।
আত্মার প্রেমে মানুষ হারিয়ে যায় না,
সে থেকে যায়—
মনের ভেতরে, দোয়ায়, স্মৃতিতে, নীরব শক্তি হয়ে। 🌙
তাই সাধক বলেছে- প্রেম যদি আত্ত্বার হয়, সে প্রেমে কি বিচ্ছেদ হয়?

#জেলা #উপজেলা #বিশ্ব

Want your business to be the top-listed Equipment Service in Bogura?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


রাজশাহী বাংলাদেশ
Bogura