Bhola Shop
দ্বীপ জেলা ভোলার মহিষের দুধের টক দই,ছা
ভোলার ঐতিয্যবাহী মহিষের টকদই ফর্মালিন মুক্ত এ খাবারটি প্রতিটি পরিবারে অতি প্রিয় ও সুস্বাধু খাদ্য
ভোলার অন্যতম ঐতিয্যবাহী খাবার মহিষের টকদই । সম্পুর্ন ফর্মালিন মুক্ত এ সু-স্বাধু খাবারটি ভোলার প্রতিটি পরিবারে অতি প্রিয় ও সুস্বাধু খাবার । বিয়ে বাড়িসহ যে কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্পায়নে এ টকদয়ের প্ররিবেশন না হলে খাবারের যেন একটু অপূর্ণতা হয় না । কোন প্রকার ভেজাল ছাড়াই মহিশের কাঁচা দুধ থেকে এ টকদই
ভোলায় মহিষের দুধের দই রফতানি হচ্ছে বিদেশে:
ভোলার বিভিন্ন চরাঞ্চলের মহিষের দুধের দই রফতানি হচ্ছে বিদেশে। ভোলা, মেঘনা ও তেতুলিয়ার মধ্যবর্তী চরাঞ্চলের মহিষের দুধের দই ভোলাসহ দেশে বেশ জনপ্রিয়। দুধের উৎপাদন কম হলেও এর চাহিদা থাকে অনেক বেশি। তাই বেশ লাভবান দই বিক্রেতা আর গোয়ালারাও। যে কারণে দেশের বাহিরেও রফতানি হচ্ছে মহিষের দুধের এই দই। তবে লবন পানি, ঘাসের স্বল্পতা, স্বাস্থ্যসেবা আর চোরের উপদ্রপই হচ্ছে এখন প্রধান সমস্যা।
মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মাঝখানে সৌন্দর্যের রানী হিসেবে আখ্যায়িত এশিয়ার সবচেয়ে বৃহৎ দ্বীপজেলা ভোলা। আর এসব নদীর মাঝখানে জেগে ওঠা চরে ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে উঠেছে অন্তত অর্ধশতাধিক মহিষের খামার। যেসব খামারে এক একজন মালিকের রয়েছে শত শত মহিষের পাল। আর তেমনি একটি চর হচ্ছে মূল-ভূখন্ড থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন মদনপুর, ভোলার চর। তেমনি মনপুরার কোল ঘেষা পাতার চরও। আর সেই চরে রয়েছে একাধিক ব্যক্তির খামার। যে খামারে রয়েছে শত শত মহিষের পাল। বাতানদের সাথে মহিষের এক বিশেষ সম্পর্ক। সকালে খামারের বাতানেরা ঐ মহিষগুলো যখন ছেড়ে দেয় তখন বাতানদের রাখা মহিষের বাহারি ধরনের রাখা নাম ধরে ডাক দিতেই সারা দেয় আর ঐ মহিষের বাচ্চাটি ছুটে যায় তার মায়ের কাছে।
মহিষগুলোর অসাধারণ এক সম্পর্কের প্রতিফলন। তবে তার আগে বাতানেরা মহিষের দুধ সংগ্রহ করে নেয়। এজন্য তারা বাঁশের তৈরি বিশেষ এক ধরনের পাত্র ব্যবহার করে থাকেন। এক একজন বাতান ২ থেকে ৩ শত করে মহিষ রাখেন।
ভোলার ঐতিয্যবাহী মহিষের টকদই ফর্মালিন মুক্ত এ খাবারটি প্রতিটি পরিবারে অতি প্রিয় ও সুস্বাধু খাদ্য
ভোলার অন্যতম ঐতিয্যবাহী খাবার মহিষের টকদই । সম্পুর্ন ফর্মালিন মুক্ত এ সু-স্বাধু খাবারটি ভোলার প্রতিটি পরিবারে অতি প্রিয় ও সুস্বাধু খাবার । বিয়ে বাড়িসহ যে কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্পায়নে এ টকদয়ের প্ররিবেশন না হলে খাবারের যেন একটু অপূর্ণতা হয় না । কোন প্রকার ভেজাল ছাড়াই মহিশের কাঁচা দুধ থেকে এ টকদই উৎপন্ন হয় । এটি সুধু খেতেই সু-স্বাধুই নয় । কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই এটি মানুষের শরিরের ভেক্টেরিয়া জনিত বহু ধরনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
ধান সুপারি আর ইলিশের এই দ্বীপ জেলা ভোলার শত শত বছরের ঐতিয্যবাহী সু-স্বাধু খাবার মহিশের এ টকদই। এটি মহিশের উৎপাদিত একমাত্র কাচা দুধ থেকে তৈরি হয়। জেলার বিভিন্ন চর অঞ্চলের লোনা পানি এলাকায় রাখালরা মহিষ লালন পালন করে। সেখান থেকে গোয়ালরা উৎপাদিত মহিশের দুধ সংগ্রহ করে পৌছে দেয় শহরের বিভিন্ন বাজারেসহ দই ব্যবসায়ীদের কাছে।এ কাঁচা দুধ মাটির টালি ও পাতিলে ঢেলে হালকা গরম জায়গায় রেখে দেয়। একদিন পর সেই দুধ বসে পরিনত হয় সু-স্বাধু খাবার টকদইয়ে।
ভোলার এ টক দইয়ে পর্যাপ্ত প্রোটিন, ক্রিম এবং মাখম। এটি খাবারের অজম শক্তি বাড়ায়। শুধু তাই নয়। এটি মানব দেহের মহোঔষধ। মানুষের শরিররে ভেক্টেরিয়া জনিত বহু রোগ নিরাময়ের একমাত্র কার্যকরি ভুমিকা রাখে বলেও ডাক্তাররা মন্তব্য করেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
H#117, Ward#04, Borhanuddin Municipility
Bhola
8320