MASUM
Masum Electrician.
ইলেকট্রিশিয়ান এবিসি লাইসেন্সের আবেদন শুরু হয়েছে, আবেদনের শেষ তারিখ ১৯/০১/২০২৪ ইং
14/12/2024
বৈদ্যুতিক ঠিকাদারি লাইসেন্সের আবেদনের শেষ তারিখ ১৫/১২/২০২৪ ইং
অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার প্রতিরোধে রাত্রিকালীন অভিযান।
০৫/১২/২০২৪ তারিখ সদর দপ্তরের আওতাধীন এলাকায় হুকিং করে বিদ্যুৎ ব্যবহার কালে হাতে নাতে ধরা পড়ে। সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং তার রিমুভ করা হয়।
০৮/১২/২০২৪ খ্রি. তারিখ বাশাইল অভিযোগ কেন্দ্রের আওতাধীন এলাকায় অবৈধভাবে হুকিং করে ব্যাডমিন্টন খেলায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং তার রিমুভ করা হয়।
১০/১২/২০২৪ খ্রি. তারিখ সদর দপ্তরের আওতাধীন বাবুগঞ্জ এলাকায় হুকিং করে অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাডমিন্টন খেলায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং তার রিমুভ করা হয়।
১১/১২/২০২৪ খ্রি. তারিখ আগৈলঝাড়া জোনাল অফিসের আওতাধীন এলাকায় অবৈধ ভাবে মিটার টেম্পারিং করে অটো রিক্সায় চার্জ দেয়া অবস্থায় হাতেনাতে ধরে গ্রাহকের মিটার ও অন্যান্য তার খুলে আনা হয়।
অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের সকলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বিদ্যুৎ জাতীয় সম্পদ। অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের তথ্য দিয়ে জাতীয় সম্পদ রক্ষা তথা বিদ্যুৎ চুরি রোধ করতে সহায়তা করুন।
28/10/2024
সকল পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকের জন্য প্রয়োজনীয় সতর্ক বার্তা,,,
10/09/2024
দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রর উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধা সাড়ে ৬টায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ওই ইউনিটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ৩টি ইউনিটের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ থাকলেও সচল ছিল তৃতীয় ইউনিটটি যা থেকে প্রতিদিন ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়; যা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক। এর আগে ১ মাস ৬দিন বন্ধ থাকার পর গত শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ১৭ মিনিট থেকে এ উৎপাদন শুরু হয়। যা দুই দিন পরেই বন্ধ হয়ে গেল।
জানা যায়, বড়পুকুরিয়া খনি থেকে উৎপাদিত কয়লা দিয়ে ৫২৫ মেগাওয়াট বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রর উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনাল।
পাঁচ বছরের চুক্তি মোতাবেক আগামী বছর তাদের মেয়াদ শেষ হবে। চুক্তি মোতাবেক, এ সময় উৎপাদন সচল রাখতে ছোট ধরনের মেরামত ও যন্ত্রাংশ সরবরাহের কথা থাকলেও তার কিছুই করেননি চিনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যার কারণেই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বার বার ত্রুটি দেখা দিলেও সঠিকভাবে মেরামত করা সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই বিদ্যুৎ উৎপাদন কাজ ব্যহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে প্রতিটি ইউনিট সচল রাখতে প্রয়োজন হয় দুটি করে ইলেকট্রো হাইড্রোলিক অয়েল পাম্প। যা ওই ইউনিটের জ্বালানি হিসেবে তেল সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখে; কিন্তু ২০২২ সাল থেকেই তৃতীয় ইউনিটের দুটির মধ্যে একটি পাম্প নষ্ট থাকায় যেকোনো সময় বন্ধের ঝুঁকি নিয়ে বিকল্প হিসেবে একটি ইলেকট্রো হাইড্রোলিক অয়েল পাম্প দিয়ে চলে আসছিল এর উৎপাদন কার্যক্রম। ফলে মাঝে মধ্যেই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হতো তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। একাধিকবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিষয়টি অবগত করলে তারা অজ্ঞাত কারণে তা আমলে নেননি।
সর্বশেষ গত ৬ সেপ্টেম্বর মেরামতের মাধ্যমে ইউনিটটি চালু করা হলে দুই দিনের মাথায় আবারও সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে বন্ধ হয়ে যায় সকল কার্যক্রম।
সূত্র মতে তৃতীয় ইউনিট থেকে বর্তমানে উৎপাদিত ১৯০ থেকে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। এটি সচল রাখতে প্রতিদিন দুই হাজার ২০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হয়।
সূত্রটি আরও জানায়, ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে সংস্কার কাজের জন্য বন্ধ আছে। ২ নম্বর ইউনিট ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার হলেও উৎপাদন হতো ৬৫-৭০ মেগাওয়াট।
একইসাথে শুক্রবার (৬ সেপ্টম্বর) রাত ৯টার পর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লাভিত্তিক ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ১ নম্বর ইউনিটি সংস্কার কাজের জন্য বন্ধ করা হয়। ১ নম্বর ইউনিট ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার হলেও উৎপাদন হতো ৬০-৬৫ মেগাওয়াট। একই সঙ্গে বড়পুকুরিয়া তাপ বিদুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্নিত হবে বলে ধারণা করছেন সূত্রটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কোল ইয়ার্ডে কয়লা মজুত রয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে দৈনিক কয়লা সরবরাহ করা হয় প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন হাজার মেট্রিক টন। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির তিনটি ইউনিট চালু রেখে স্বাভাবিক উৎপাদনের জন্য দৈনিক প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন। তবে, তিনটি ইউনিট একই সঙ্গে কখনই চালানো হয়নি। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সরবরাহকৃত কয়লার ওপর নির্ভর করে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।
বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক মুঠোফোনে জানান, প্রতিটি ইউনিটের জন্য দুটি করে ইলেকট্রো হাইড্রোলিক অয়েল পাম্প থকে। যা ওই ইউনিটের জ্বালানি হিসেবে তেল সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখে; কিন্তু ২০২২ সাল থেকেই তৃতীয় ইউনিটের দুটির মধ্যে একটি পাম্প নষ্ট হয়ে যায়। এরপর থেকে একটি পাম্প দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। কিন্তু ওই একটি পম্পও সোমবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর দিনব্যাপী চেষ্টা করেও চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে উৎপাদন। একইসাথে তিনি আরও জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জানানো হয়েছে তারা দু’সপ্তাহ সময় চেয়েছেন। ‘চিন থেকে মেশিন এলেই উৎপাদন শুরু করা যাবে।
21/08/2024
এরকম এ বি সি লাইসেন্স ভাইবার জন্য প্রস্তুতিমূলক সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন ।
মোবা:01729961959
27/07/2024
আলহামদুলিল্লাহ
2200 স্কয়ার ফিট ছাদের পাইপ দিলাম।
বাংলাদেশ,ঢাকা, বরিশাল,আগৈলঝাড়ায়, গৈলা
Alhamdulillah
2200 square feet of roof pipe.
Goila in Agailjhara, Barisal, Dhaka, Bangladesh
12/07/2024
ইলেকট্রিশিয়ান এবিসি লাইসেন্স এর আবেদন এর লাস্ট ডেট ২৪/০৭/২০২৪ ইং
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Agiljhara
Barishal