Confidence Building Design

Confidence Building Design

Share

আধুনিক বাড়ির ডিজাইন ও নির্মাণ কাজ। ন?

16/12/2020

কনফিডেন্স বিল্ডিং ডিজাইন
কনস্ট্রাকশন ওয়ার্ক এন্ড কনসালটেন্ট
এর পক্ষথেকে
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

যাদের মহান আত্মত্যাগে আমাদের এই বিজয়
তাদের জানাই পরম শ্রদ্ধাঞ্জলি......

28/11/2020

সবার স্বপ্ন থাকে সুন্দর একটি বাড়ি বানানোর। তাই আপনার স্বপ্নের বাড়িটি সুন্দর করে ডিজাইন করার জন্য আমরা আছি আপনাদের সেবায় নিয়োজিত।
যে কোন ধরনের বিল্ডিং নির্মান খরচ কমিয়ে,
অল্প সময়ে নিখুঁত ভাবে ডিজাইন করি আমরা।
কম টাকায় স্বপ্নের সুন্দর একটি বাড়ি।
আমাদের সার্ভিস সমুহ:
১. বিল্ডিং প্ল্যান।
২.অনুমোদন (সিটি, পৌরসভা) বহুতল ভবন।
৩.আর্কিটেক্চারাল ডিজাইন।
৪.স্ট্রাকচারাল ডিজাইন।
৫.ইন্টেরিয়র ডিজাইন।
৬.সয়েল টেস্ট।
৭.পাইলিং।
৮. কন্সট্রাকশন।
৯.এস্টিমেটিং এন্ড কস্টিং।
১০.সাইট সুপার ভিশন।

মোবাইলঃ 01771326879
Kerani Barir Poul,Nobogram Road,Chowmatha,Barishal

17/10/2020

বাড়ি বানাচ্ছেন??
বাজেট কেমন রেখেছেন?? নিশ্চয়ই বেশ ভালো এমাউন্ট বাজেট করেই বিল্ডিং এর কাজে নেমেছেন। সঠিক ভাবে ডিজাইন করে কি কাজ শুরু করেছেন? প্রতিটি বাড়ির নির্মান করার প্রথম শর্ত হচ্ছে অভিজ্ঞ আর্কিটেকচার এবং প্রকৌশলি প্রতিষ্টান দিয়ে ডিজাইন এর কাজ করিয়ে নেয়া। ডিজাইন হচ্ছে একটি বাড়ির কাজের প্রথম ধাপ। এইখানেই মূলত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে থাকে বাড়িটি কেমন হবে, কত বাজেট হবে এবং কতটুকুন কাজ করা হবে। ডিজাইনে যদি ত্রুটি থাকে তবে আপনার এত টাকার কাজ এর শুরুতেই গলদ হবে এবং পুরো কাজটি সুন্দর করে শেষ হবে না এবং বাজেট ফেইল করবে। আল্টিমেটলি আপনার টাকাটা একটা লস প্রজেক্টে ইনভেস্ট হবে যার বোঝা আপনার বাকি জীবন বয়ে চলতে হবে।
ডিজাইন করার আগে প্রথম কাজ হচ্ছে আপনার জমি ভিজিট করা। জমি না দেখে ডিজাইন করা হচ্ছে চোখ বন্ধ করে অন্ধকরে ঢিল ছোড়ার মতন। লাগলেও পারে বা নাও লাগতে পালে। কিন্তু সঠিক ডিজাইন প্রতিষ্টান প্রথমেই আপনার জমিটি ভিজিট করে স্বচক্ষে দেখে আসবে এবং ছবি তুলবে এবং ভিডিও করবে। প্রয়োজনে নিজেই মেজারমেন্ট করবে অথবা সার্ভেয়িং কোম্পানি দিয়ে সার্ভে করিয়ে নেবে। এর পরেই ডিজাইন এর কাজ শুরু হবে।
ডিজাইন বলতে মুলত বেশ কিছু ডিজাইন এর সমষ্টিকে আমরা বুঝিয়ে থাকি। এই ডিজাইনগুলো হচ্ছে ঃ
১) আর্কিটেকচারাল ডিজাইনঃ- আর্কিটেকচারাল ডিজাইন হচ্ছে বিল্ডিং ডিজাইন এর প্রথম ধাপ। এই কাজ করবে একজন আর্কিটেক্ট এবং অবশ্যই তাকে বিএসসি আর্কিটেক্ট হতে হবে। বিশেষ করে হাইরাইজ এবং ডুপ্লেক্স ডিজাইন এর ক্ষেত্রে। প্রথমে বাড়ির মালিক কেমন ডিজাইন চাচ্ছেন এবং ডিজাইনে কি কি চাচ্ছেন সে ব্যাপারে ব্রিফিং হবে তার পরে আর্কিটেক্ট ডিজাইন এর কাজ শুরু করবেন। প্রাথমিক ভাবে একটি ডিজাইন দেখানোর পরে সেটার উপরে চেঞ্জ হবে এবং কিছু কাটছাটের পরেই ডিজাইনটি ফাইনাল হবে পরবর্তী কাজের জন্য । মনে রাখবেন ইঞ্জিনিয়ার কখনো আর্কিটেক্ট এর কাজ করে না। অনেক লোকাল এরিয়াতে দেখা যায় ইঞ্জিনিয়ার নিজেই আর্কিটেকচারাল ডিজাইন করে ক্লায়েন্টকে কিছু একটা বুঝিয়ে দেন। যেটা সম্পুর্ণ ভাবে ভুল এবং অসম্পুর্ণ একটা কাজ।
২) থ্রিডি ডিজাইনঃ- এর পরেই আর্কিটেকচারাল ডিজাইন যাবে থ্রিডি ভিজুয়ালাইজার এর কাছে। অনেক সময় আর্কিটেক্ট নিজেই থ্রিডি ডিজাইন করে থাকেন। তবে ভিজুয়ালাইজার কাজ করলে কাজের সৌন্দর্য বজায় থাকে । থ্রিডি ভিজুয়ালাইজার এর মুল কাজ হচ্ছে সুন্দর একটি বাড়ির শেইপ নিয়ে আসা। অনেক সময় থ্রিডি ভিজুয়ালাইজার আর্কিটেক্ট এর অনুমতি সাপেক্ষে ডিজাইনে কিছু বাড়তি কাজ করেন যা পরবর্তিতে ডিজাইনে আর্কিটেক্ট এডজাস্ট করে দেন।
৩) স্ট্রাকচারাল ডিজাইনঃ- স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার এর কাজ হচ্ছে মুলত এই যে আর্কিটেকচারাল ডিজাইনটি তৈরি হলো তাতে কলাম, বীম এবং স্লাব এর রড এর ডিটেইলস ডিজাইন করা এবং ফাউন্ডেশন এর ডিটেইলস এর ডিজাইন করা। এই কাজ করতে অবশ্যই সয়েল টেস্ট রিপোর্ট এর সহযোগিতা নেবেন। সয়েল টেস্ট রিপোর্ট ছাড়া কোন স্ট্রাকচারাল ডিজাইন মোটেই গ্রহনযোগ্য নয়।
৪) ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইনঃ- পরের ধাপের কাজ হচ্ছে এই ডিজাইন এর উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন করা। ইলেকট্রিক্যাল ডিজাইন গুরুত্বপুর্ন এই জন্যে যে,
প্রায়ই দেখা যায় বিল্ডিং বানানোর পরে ইলেকট্রিক্যাল ওয়ারিং এর জন্য বীম কলাম কাটা হয়। যা বিল্ডিং এর লং টাইম স্ট্যাবিলিটি নস্ট করে দেয় এবং স্থায়িত্ব নস্ট করে দেয়। তাই প্রতিটা পয়েন্ট যেমন লাইট, ফ্যান, সুইচিং পয়েন্ট, এসির পয়েন্ট, এডজাস্ট ফ্যান, টিভির লাইন, ইন্টারনেট এবং পিএবিএক্স এর লাইন এর ডিটেইলস থাকবে।
৫) প্লাম্বিং ডিজাইনঃ- এর পরেই প্লাম্বিং ডিজাইন এর কাজ হবে। বাড়ি করার পরে সবগুলা পাইপ উলঙ্গ অবস্থায় বের হয়ে থাকে যা আপনার সুন্দর বাড়িটাকেই উলঙ্গ করে সম্পুর্ন দৃষ্টিকটু করে ফেলে। তাই প্লাম্বিং ডিজাইন করিয়ে নিতে হবে। প্লাম্বিং ডিজাইন এর মধ্যে প্রতিটি বাথরুমে গিজার এর ব্যাবস্থা থাকবে। পুরো বাথরুমে হট এবং কোল্ড পাইপিং এর ব্যাবস্থা থাকবে এবং বাথরুমগুলো সুন্দর করে সাজানোর জন্য সমস্ত ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া কিচেনের লাইন এবং অন্যান্য পাইপিং এর জন্য আলাদা একটা ডিজাইন থাকবে।
৬) ফায়ার সেফটি ডিজাইনঃ- এটি মূলত হাইরাইজ ভবনগুলোর জন্য বেশি প্রয়োজন হয়। ফায়ার সেফটি ডিজাইন এর কাজ মূলত করবে ফায়ার সম্পর্কে অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার। প্রায়ই দেখা যায় এই ডিজাইনে কোন গুরুত্ব দেয়া হয় না যা পরবর্তীতে ভবনে ভয়াবহ সব দুর্ঘটনার জন্য দায়ী থাকে।
৭) এস্টিমেটিং এবং কস্টিংঃ- সবার শেষে পুরো প্রজেক্টটি যাবে এস্টিমেটর এর কাছে। প্রতিটি ডিজাইন প্রতিষ্ঠানে একজন অভিজ্ঞ এস্টিমেটর থাকে। যার কাজ হচ্ছে প্রতিটি প্রজেক্ট এর একটি সঠিক এস্টিমেট এবং কস্টিং করা। আমরা এস্টিমেট এবং কস্টিং মানেই বুঝি যে কত টাকা খরচ হলো তার হিসেব। আসলে এটি ভুল। এস্টিমেট এ দুটি আলাদা পার্ট থাকে একটি হচ্ছে মালামালের কোয়ান্টিটি বের করা এবং অন্যটি হচ্ছে সেই হিসেবে বর্তমান বাজার রেট হিসেব করা। এখানে মালামালের কোয়ান্টিটি হচ্ছে আসল। প্রতিটি ফ্লোরে প্রতিটি আইটেম মালামাল কতটুকুন লাগছে সেই হিসেব করাটাই হচ্ছে আসল কাজ। এই হিসেব কাজে আসে বিল্ডিং এর মালামাল কেনার কাজে এবং অডিটিং এর কাজে। প্রায় বিল্ডিং এর নির্মান জনিত কাজে দুর্নীতি হয় যা খুব সহজে প্রাথমিক ভাবেই আটকানো যায় যদি সঠিক ভাবে এস্টিমেট এবং কস্টিং করা হয়।
৮) এপ্রোভাল ডিজাইনঃ- এপ্রোভাল ডিজাইন এখন একটি অত্যাবশ্যকীয় কাজ। সরকারি নিয়ম অনুযায়ি প্রতিটি জেলায় এবং উপজেলায় ভবন নির্মান এর কাজ করাতে হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়। হোক সেটা রাজউক, সিটিকর্পোরেশন ,পৌরসভা, উপজেলা বা ইউনিয়ন অফিস। এখানে উক্ত প্রতিষ্টান এর নিয়ম অনুযায়ী ডিজাইন শিট প্রস্তুত করে নির্দিষ্ট কাগজে প্রিন্ট করে আর্কিটেক্ট এবং ইঞ্জিনিয়ার স্বাক্ষর করবেন এবং প্লান পাশের জন্য সাবমিট করবেন।

06/10/2020

অফার"অফার"অফার"
"আসসালামু-আলাইকুম"
কনফিডেন্স বিল্ডিং ডিজাইনের পহ্ম থেকে, পুরো অক্টোবর মাস জুরে চলছে এক বিশেষ আকর্ষনীয় অফার।কনফিডেন্স বিল্ডিং ডিজাইন প্রতিষ্ঠান থেকে, আপনার বিল্ডিং এর ডিজাইন সম্পূর্ন করলেই পাচ্ছেন সয়েল টেষ্টের জন্য 40% ডিসকাউন্ট।
(ঠিকানা)ঃ-কেরানীবাড়ির পুল,নবগ্রাম রোড,চৌমাথা,বরিশাল।
(Hotline):01771326879
(Gmail):[email protected]

04/10/2020

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------
আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে #শেয়ার করুন.
আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।
পরবর্তী আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন,

04/10/2020

#শাটারিং_খোলার_নিয়মঃ
১. কলাম/রিটেইনিং ওয়াল/ শিয়ার ওয়ালের সাটারিং ৭২ ঘন্টা পর খুলতে হবে।
২. বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ২৪ ঘন্টা পর সাটার খোলা যেতে পারে।
৩. বিমের পাশ ৭২ ঘন্টা পর খুলতে হবে এবং তলা ২৮ দিন পর খুলতে হবে।
৪. Span ছোট হলে ২১ দিন পর খোলা যেতে পারে।
৫. ছাদ খোলার সময় span এর মিডল থেকে চারদিকে সমান ডিন্সট্যান্স এ props গুলি খুলতে হবে।
৬. এমনি ভাবে বিমের পাশের props গুলি খুলতে হবে।
৭. Cantiliver হলে ফ্রি অংশ থেকে আস্তে আস্তে props খুলতে খুলতে বিমের দিকে আস্তে হবে।
৮. ছাদ খোলার সময় সেফটি হিসাবে কলামের সাথে আনুভূমিক ভাবে বাঁশ বাঁধতে হবে

04/10/2020

ইটের প্রকারভেদ সাধারনত নিম্নরুপঃ
১. ১ম শ্রেণীর ইট
২. ২য় শ্রেণীর ইট
৩. ৩য় শ্রেণীর ইট
৪. ঝামা ইট
৫. পিকেড ইট
১ম শ্রেণীর ইটঃ
(ক). ইটের সাইজ ও রঙ সমরুপ থাকে
(খ). সর্বত্র সমান ভাবে পোড়ানো থাকে
(গ). পরস্পর আঘাত করলে ঠন ঠন শব্দ হবে
(ঘ). কন চির বা ফাঁক থাকবে না
(ঙ). তিন ফুট উপর থেকে আরেকটির উপর ফেলে দিলে সহজে ভাংবে না
(চ). পানিতে ডোবালে শোষণ ক্ষমতা ১৫% এর বেশি হবে না
২য় শ্রেণীর ইট
(ক). ১ম শ্রেণীর মতই রঙ ও শক্ত কিন্তু সাইজ এবং সেপ কিছুটা
অসমান এবং ইটের তলা অমসৃণ থাকে
(খ). ইট পোড়ানো কিছুটা কম
(গ). শব্দ তীক্ষ্ণ নয়
(ঘ). ইটের গায়ে ফাটল থাকে
(ঙ). পানি শোষণ ক্ষমতা ২০% এর থেকে বেশি থাকে
৩য় শ্রেণীর ইট
(ক). এই ধরণের ইট পর্যাপ্ত পরিমাণ পোড়ানো থাকে না এবং গুনাগুণ নিম্নমানের
(খ). সহজে ভেঙ্গে যায়
(গ). ঠন ঠন শব্দ হয়
(ঘ). পানি শোষণ ক্ষমতা ২৫% এর চেয়ে বেশি হয়ে থাকে
ঝামা ইট
অতিরিক্ত চাপে পোড়ানো ইট সাধারণত কালো ও ফাঁপা হয়ে থাকে।
পিকেড ইট
(ক). এই ইট ১ম ইটের চেয়ে অধিক মাত্রায় পোড়ানো ইট
(খ). ১ম শ্রেণীর চেয়ে শক্ত ইট
(গ). তীক্ষ্ণশব্দ
(ঘ). উপর থেকে ফেলে দিলে ভাঙ্গে না
(ঙ). ধারগুলো আঁকাবাঁকা ও পিঠগুলো অসমতল

04/10/2020

সিমেন্টের গুনগত মান নিরূপণের জন্য নিম্নে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হলোঃ
১. যদি সিমেন্টের ভিতর কোনো ঢিলা পাওয়া যায় যা আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিয়ে ভাঙ্গা সম্ভব নয়, তাহলে সেটা খারাপ সিমেন্ট বলে বিবেচিত হবে।
২. দুই আঙ্গুলের মাঝে কিছু সিমেন্ট নিয়ে ঘর্ষণ করলে যদি তা রেশমের মত মসৃণ অনুভূত হয় তাহলে তা ভাল সিমেন্ট বলে প্রতীয়মান হবে।
৩. একটি নতুন সিমেন্টের বস্তায় সরাসরি হাত ঢুকিয়ে যদি ঠাণ্ডা অনুভূত হয়, তাহলে তা ভাল সিমেন্ট।
৪. কিছু সিমেন্ট দৃঢ় মুঠিতে ধারণ করে পানির ট্যাপের নিচে ধরা হয় তখন যদি হাতের ভিতরের তাপমাত্রা বাড়ছে বলে অনুভব হয়, তাহলে তা ভাল সিমেন্ট।
৫. কিছু সিমেন্ট একটি পানি ভর্তি গ্লাসে ঢাললে যদি সিমেন্টের সাথে পানি তলিয়ে যায়, তাহলে তা ভাল সিমেন্ট।
৬. ভালো সিমেন্টের রঙ ধূসর।
৭. যদি সিমেন্ট পানিতে ফেলে দেখা যায় যে, তা ডুবে গেছে, তাহলে তা ভাল সিমেন্ট।
৮. সিমেন্ট হাতে নিয়ে স্তূপ তৈরি করলে তা যদি পরবর্তীতে অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে তা ভাল সিমেন্ট।
৯. ২৫ সেমি উচ্চতা ও প্রস্থ বিশিষ্ট ও ২০ সেমি দৈর্ঘ্য করে ব্লক ৭ দিন পানিতে ভিজিয়ে রেখে তার উপর ৩৪ কিলো ওজন চাপালে যদি এই ব্লক না ভাঙ্গে তবে তাকে ভালো সিমেন্ট বলে গণ্য করা হবে।

04/10/2020

নির্মাণ কাজে ব্যবহারের পূর্বে স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান, ইঞ্জিনিয়ার বা কনসাল্টেন্ট কর্তৃক রডের গুনাগুণ পরীক্ষা করা অত্যাবশ্যক। আমাদের দেশের তিন ধরণের শক্তি সম্পন্ন রডের ব্যবহার করা হয়। এগুলো হলো ৪০ গ্রেড, ৬০ গ্রেড ও ৭২.৫ গ্রেডের রড। ৪০ গ্রেডের রডের টান সহ্য ক্ষমতা ৪০,০০০ psi , ৬০ গ্রেডের রডের টান সহ্য করার ক্ষমতা ৬০,০০০ psi , ৭২.৫ গ্রেডের রডের টান সহ্য করার ক্ষমতা ৭২,৫০০ psi
সাধারণ নির্মাণ কাজে ৪০ গ্রেড রড ব্যবহারই উত্তম, যেহেতু বাজারে ৬০ ও ৭২.৫ গ্রেডের রড সহজলভ্য নয় এবং অনেক ক্ষেত্রেই ৪০ গ্রেডকেই ৬০ ও ৭২.৫ গ্রেডের রড হিসেবে চালানো হয়, তাই ৪০ গ্রেড রড বেশি লাগলেও এটা ব্যবহার করা উচিৎ।
কনক্রিট তৈরি করতে ইটের খোয়া ব্যবহার করা হলে ৬০ ও ৭২.৫ গ্রেডের রড ব্যবহার না করাই ভালো। সাধারণত ৬০ ও ৭২.৫ গ্রেডের রড ব্যবহার করতে হলে পাথরের খোয়া ব্যবহার করতে হবে।
লোহার রডের আকার আকৃতি সমান হতে হবে। ফাটল বা চিড় থাকবে না। প্লেইন রড অপেক্ষা ডিফরমড বারে বন্ড ভালো হয়। মরিচা আক্রান্ত রড মরিচা দূর না করে কখনই ব্যবহার করতে নেই।

Want your business to be the top-listed Home Improvement Business in Barishal?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Kerani Barir Poul, Nobogram Road, Chowmatha
Barishal

Opening Hours

Monday 10:00 - 08:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00