Infrastructure Development Engineering
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Infrastructure Development Engineering, Business service, AL-TAUFIQ BHABAN, 36 Line Road, Barisal.
শত্রু সম্পত্তি, অর্পিত সম্পত্তি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি কি জেনে নিন।
১. শত্রু সম্পত্তি কী? (Enemy Property)
১৯৬৫ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে পাকিস্তান সরকার “Defence of Pakistan Rules, 1965” জারি করে। এই নিয়ম অনুযায়ী ভারতের নাগরিক, অথবা পাকিস্তানের এমন নাগরিক যারা যুদ্ধের সময় ভারতে চলে যায়, অথবা যাদের ভারতীয় স্বার্থের প্রতি আনুগত্য আছে বলে সন্দেহ করা হয়—তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি পাকিস্তান সরকার হেফাজতে নেয়। এই সম্পত্তিগুলোকে বলা হয় “শত্রু সম্পত্তি”, কারণ তখন ভারত পাকিস্তানের কাছে শত্রু রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত ছিল।
এই আইনের উদ্দেশ্য ছিল ভারতের নাগরিকদের বা ভারতপন্থী ব্যক্তিদের সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় যাতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত না হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত এই Enemy Property আইন কার্যকর ছিল।
২. অর্পিত সম্পত্তি কী? (Vested Property)
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ভারত বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ফলে “শত্রু সম্পত্তি” শব্দটি নতুন রাষ্ট্রের জন্য অযৌক্তিক হয়ে ওঠে। এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭৪ সালে সরকার “Vested and Non-Resident Property (Administration) Act, 1974” প্রণয়ন করে। এই আইনে পূর্বের সব শত্রু সম্পত্তি এবং নির্দিষ্ট কিছু Non-Resident Property বাংলাদেশ সরকারের ওপর ন্যস্ত করা হয়। এর ফলে এগুলোর নতুন নাম হয় “অর্পিত সম্পত্তি” বা Vested Property। সরকার এই সম্পত্তির কাস্টডিয়ান হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ সম্পত্তিগুলো সরকারের কাছে অর্পিত থাকে এবং সরকার এগুলোর প্রশাসন পরিচালনা করে।
সহজ ভাষায়, যে সম্পত্তি ১৯৬৫ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত “শত্রু সম্পত্তি” নামে পরিচিত ছিল, ১৯৭৪ সালের আইনের পর সেই একই সম্পত্তি “অর্পিত সম্পত্তি” নামে পরিচিত হয়।
৩. অর্পিত সম্পত্তির ক তফসিল ও খ তফসিল কী?
অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা নিষ্পত্তি করার জন্য সরকার ২০০১ সালে “অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, ২০০১” প্রণয়ন করে। এই আইনে অর্পিত সম্পত্তিকে দুটি তালিকায় ভাগ করা হয়।
ক তফসিল বলতে এমন অর্পিত সম্পত্তিকে বোঝায় যা সরকারের দখলে আছে বা সরকার ইজারা দিয়ে পরিচালনা করছে। প্রকৃত মালিকেরা চাইলে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা করে এগুলো ফেরত পাওয়ার আবেদন করতে পারেন।
খ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত সম্পত্তিগুলো হল এমন সম্পত্তি, যেগুলো কাগজে অর্পিত হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও বাস্তবে বহু বছর ধরে সাধারণ মানুষের দখলে ও মালিকানায় ছিল। সরকার এই তালিকা বাতিল করেছে, ফলে বর্তমানে খ তফসিলভুক্ত সম্পত্তি সাধারণ জমির মতোই নামজারি ও হস্তান্তরযোগ্য। যদিও কিছু জেলায় প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই করা হয়।
৪. পরিত্যক্ত সম্পত্তি কী? (Abandoned Property)
পরিত্যক্ত সম্পত্তি শত্রু বা অর্পিত সম্পত্তির মতো নয়; এর উৎস সম্পূর্ণ ভিন্ন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় এবং যুদ্ধের পরে বহু পাকিস্তানি নাগরিক বাংলাদেশ ত্যাগ করে পাকিস্তানে চলে যায় এবং তারা আর ফিরে আসে না। এই ধরনের সম্পত্তির আইনগত ভিত্তি হলো রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১৬, ১৯৭২ — “Bangladesh Abandoned Property (Control, Management and Disposal) Order, 1972”।
এই আইনের অধীনে যেসব ব্যক্তি ২৫ মার্চ ১৯৭১-এর পরে বাংলাদেশে ছিলেন না, অথবা ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর পরে আর ফিরে আসেননি, বা বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেননি—তাদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তিকে পরিত্যক্ত সম্পত্তি বলা হয়। এসব সম্পত্তির মালিকানা সরাসরি বাংলাদেশের সরকারের কাছে চলে যায় এবং সরকারের অধীনে পরিচালিত হয়।
৫. অর্পিত সম্পত্তি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তির মধ্যে পার্থক্য কী?
অনেকে অর্পিত সম্পত্তি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তিকে একই ধরনের মনে করেন, যা প্রকৃতপক্ষে ভুল। অর্পিত সম্পত্তির উৎস পাকিস্তান আমলে ভারতীয় নাগরিক বা ভারতপন্থী ব্যক্তিদের সম্পত্তি থেকে এসেছে। অপরদিকে পরিত্যক্ত সম্পত্তির উৎস হলো ১৯৭১ সালে দেশত্যাগী পাকিস্তানি নাগরিকদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তি। এ দুই ধরনের সম্পত্তির প্রশাসনিক পরিচালনাও ভিন্ন। অর্পিত সম্পত্তি ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়, আর পরিত্যক্ত সম্পত্তি সাধারণত কোর্ট অফ সেটেলমেন্ট বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।
ঢাকার গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় বহু সম্পত্তি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল এবং এসব নিয়ে বহু মামলা-মোকদ্দমাও চলমান।
৬. সংক্ষিপ্ত উপসংহার
ভারতপন্থী বা ভারতে চলে যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পত্তি পাকিস্তান সরকার প্রথমে “শত্রু সম্পত্তি” হিসেবে ঘোষণা করেছিল। স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশের সরকার ১৯৭৪ সালের আইনে সেই সম্পত্তির নাম পরিবর্তন করে “অর্পিত সম্পত্তি” করে। অপরদিকে পাকিস্তানে চলে যাওয়া ও আর বাংলাদেশে ফিরে না আসা ব্যক্তিদের ফেলে যাওয়া সম্পত্তিকে ১৯৭২ সালের আইনে “পরিত্যক্ত সম্পত্তি” ঘোষণা করা হয়। এই তিনটি টার্মের ইতিহাস, প্রশাসনিক ধাপ ও আইনি কাঠামো আলাদা হলেও বাংলাদেশের জমি আইন বোঝার ক্ষেত্রে এগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
17/11/2025
Demurrage vs Detention - Know the Difference!
In the world of shipping and logistics, every day counts and so does every container!
Demurrage:
Charged when your container stays inside the port terminal beyond the allowed free time.
Detention:
Charged when your container remains outside the port terminal beyond the free period after pickup.
Understanding these charges helps importers and exporters plan efficiently, avoid unexpected costs, and ensure smoother cargo flow.
Efficient planning = Reduced costs
17/11/2025
মানসম্মত ও নিরাপদ ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করতে গঠিত হচ্ছে 'বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি অথরিটি (BBRA)
Bangladesh Building Regulatory Authority (BBRA) এর প্রধান কার্যাবলী
১। রেজিস্টার্ড পেশাজীবীদের মাধ্যমে স্থাপত্য নকশা, স্ট্রাকচারাল নকশা, ইলেক্ট্রিক্যাল নকশা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মেকানিক্যাল, প্লাম্বিং ও ফায়ার সেইফটি বিষয়ক নকশাসমূহ প্রস্তুতসহ নকশা ভেটিং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে একটি আইটিবেইজড অনলাইন প্ল্যাটফর্ম গঠন।
২। ভবন নির্মাণের সাথে সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের জন্য লাইসেন্সিং সিস্টেম প্রবর্তন ও হালনাগাদকরন।
৩। BNBC 2020 অনুযায়ী ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণসহ ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত নকশা (স্থাপত্য, স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রিকাল ও অন্যান্য) ভেটিং ও অনুমোদন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ/ পরামর্শ প্রদান।
৪। ভবনের নির্মাণ কাজ চলাকালীন BNBC 2020 যথাযথভাবে প্রতিপালন এবং নির্মাণ কাজের গুনগতমান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কার্যকর ও যুগোপযোগী পরিবীক্ষণ সিস্টেম প্রবর্তন / পরামর্শ প্রদান।
৫। National Council for Licensing of Building Professionals (NClbp) গঠনের মাধ্যমে কার্যকর লাইসেন্সিং সিষ্টেম প্রতিষ্ঠাকরণ।
৬। Quasi- Judicial Dispute Resolution Body গঠন।
৭। আধুনিক ও উন্নততর নির্মাণ সামগ্রী ও প্রযুক্তি সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিল্ডিং কোড নিয়মিত হালনাগাদ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।
৮। BNBC অনুযায়ী অন্যান্য নির্ধারিত কার্যাবলী।
19/10/2025
29/07/2025
লোহা থেকে হালকা, মরিচা প্রতিরোধী, আর স্টিলের চেয়েও বেশি শক্তিশালী—এই নতুন উপাদানটি বিশ্বব্যাপী নির্মাণ খাতে বিপ্লব ঘটাতে পারে।
আমরা বলছি গ্লাস ফাইবার রিইনফোর্সড পলিমার (GFRP) এর কথা—একটি উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প, যা প্রচলিত স্টিলের জায়গা নিচ্ছে ধীরে ধীরে।
🔹 স্টিলের দ্বিগুণ টেনসাইল স্ট্রেন্থ (প্রসারণক্ষমতা)
🔹 লোহার চেয়ে ৪ গুণ পর্যন্ত হালকা
🔹 মরিচা বা করোশনের প্রতি সম্পূর্ণ প্রতিরোধী
🔹 বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় (নন-কনডাক্টিভ)
🔹 নির্মাণ খরচে ৩০% পর্যন্ত সাশ্রয়ী
এই উপাদানটি ইতিমধ্যে ছাদ, কলাম, স্ল্যাব, ফ্লোর, গ্যারেজ, বন্দর ও সামুদ্রিক পরিবেশে ব্যবহার হচ্ছে, যার মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে এর দীর্ঘস্থায়ীত্ব ও বহুমুখিতা।
মাত্র ১৩০ কেজি ফাইবার দিয়ে ১ টন রিইনফোর্সড স্টিল এর জায়গা নেওয়া সম্ভব—আর এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও Building Research Center-এর অনুমোদনপ্রাপ্ত।
এটি নির্মাণ খাতে আরও শক্তিশালী, হালকা এবং টেকসই ভবিষ্যতের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
25/07/2025
🏠 বাড়ি তৈরির হিসাব শেখার ধাপগুলো (Beginner Friendly)
🔹 Step 1: আপনার প্ল্যান বুঝুন
প্রথমেই জানতে হবে—
জমির সাইজ কত? (যেমন: ২০'×৩০' বা ১৫০০ স্কয়ারফুট)
কয়টা তলা করবেন?
কয়টা রুম, বাথরুম, কিচেন, ডাইনিং ইত্যাদি থাকবে?
👉 এগুলোকে বলে Architectural Plan বা "প্ল্যান অনুযায়ী ধারণা"।
---
🔹 Step 2: কাজ ভাগ করে নিন
বাড়ি বানানোর কাজকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করুন:
1. Earth Work (মাটি কাটা ও ভরাট)
2. Foundation Work (ভিত্তি)
3. Column Work
4. Beam Work
5. Slab Work (ছাদ ঢালাই)
6. Brick Work
7. Plastering
8. Flooring (Tiles, Mosaic)
9. Painting
10. Door-Window
11. Sanitary & Electric
---
🔹 Step 3: এককের হিসাব জানুন
প্রতিটি কাজের একটা করে Unit (একক) থাকে। যেমন:
কাজের নাম একক মানে কী
ইটের কাজ CFT (Cubic Feet) ঘনফুট
প্লাস্টার SFT (Square Feet) বর্গফুট
রড KG বা Ton কেজি বা টন
ঢালাই CFT বা Cum ঘনফুট বা কিউবিক মিটার
রং SFT বর্গফুট
---
🔹 Step 4: পরিমাণ বের করুন (Quantity Survey)
একটা উদাহরণ দিই:
ধরুন আপনি ১০' × ১০' × ১০' সাইজের একটা ঘরের ইটের দেয়াল বানাচ্ছেন (চারপাশে ৫" দেয়াল)।
👉 তাহলে,
দেয়ালের আয়তন = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ × উচ্চতা
= (40' দৈর্ঘ্য × 0.42' প্রস্থ × 10' উচ্চতা)
= 168 CFT ইটের কাজ হবে।
👉 প্রতি ১,০০০ CFT-এ গড়ে লাগে:
ইট: ১৩,৫০০টা
সিমেন্ট: ১৮-২০ বস্তা
বালি: ১২০–১৫০ CFT
---
🔹 Step 5: রেট (দর) বসান
প্রতি ইউনিটে খরচ কতো তা বসান।
যেমন:
কাজ ইউনিট রেট (প্রায়)
ইটের কাজ প্রতি ১০০০ CFT ৮৫,০০০ টাকা
প্লাস্টার প্রতি ১০০ SFT ৫,০০০ টাকা
ঢালাই প্রতি CFT ১৬০ টাকা
রড প্রতি কেজি ৮৫-৯০ টাকা
এভাবে আপনি মোট খরচ বের করতে পারবেন।
মনে রাখাতে হবে:
Drawing না থাকলে কিছুই হিসাব হবে না।
Measurement tape দিয়ে মাপ নিন।
প্রতিটি কাজের আগে Length × Width × Height/Thickness ফর্মুলা মনে রাখুন।
08/07/2025
ভবন নির্মাণের ৩টি প্রধান ধাপ (মানবদেহের সাথে তুলনা)
1. Architecture (আর্কিটেকচার = চেহারা/বাহ্যিক রূপ)
➤ মানুষের চামড়ার মতো — ভবনের বাহ্যিক রূপ, সৌন্দর্য ও ফাংশনাল ডিজাইন।
➤ কীভাবে মানুষ ব্যবহার করবে, সেটা এখানে ঠিক হয়।
2. Structure (স্ট্রাকচার = কংকাল/ফ্রেম)
➤ মানুষের কঙ্কালের মতো — ভবনের হাড়গোড়, মূল ভিত্তি ও শক্তি।
➤ এটি ভবনের স্থায়িত্ব ও লোড বহনের ক্ষমতা নিশ্চিত করে।
3. MEP (Mechanical, Electrical, Plumbing = অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ)
➤ মানুষের শরীরের ভিতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মতো — ভবনের প্রাণ।
➤ পানির লাইন, বিদ্যুৎ, এসি, পাইপ, নিরাপত্তা সবকিছু এখানেই।
তাই একসাথে মিলেই তৈরি হয় একটি জীবন্ত ভবন!
08/04/2025
লেটার অব ক্রেডিট বিস্তারিত:
আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক কর্তৃক রপ্তানিকৃত পণ্যের মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে আমদানিকারকের পক্ষে ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণপত্র বা লেটার অব ক্রেডিট (এল সি) খোলার প্রচলন হয়।
লেটার অব ক্রেডিট বা ঋণপত্র হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ঋণপত্র ইস্যুকারি ব্যাংক রপ্তানিকারকের প্রতি এই মর্মে অপ্রত্যাহারযোগ্য নিশ্চয়তা প্রদান করে যে, যদি রপ্তানিকারক বা ঋণপত্রের বেনিফিশিয়ারি ঋণপত্রে বর্ণিত শর্তপূরণ সাপেক্ষে ঋণপত্রে নির্দিষ্ট মূল্যের ভিত্তিতে ঋণপত্রে উল্লেখিত পরিমাণ পণ্য বা সেবা রপ্তানি করে ঋণপত্রে বর্ণিত শর্ত পূরণ এর পক্ষে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট (যেমন: ইনভয়েস, প্যাকিংলিষ্ট, পরিবহন দলিল, বিল অব এক্সচেঞ্জ, কান্ট্রি অব অরিজিন ইত্যাদি) ঋণপত্র ইস্যুকারি ব্যাংক বা তার মনোনীত কোন ব্যাংকে যথাযথভাবে উপস্থাপন করে তাহলে ঋণ ইস্যুকারি ব্যাংক ঋণপত্রের বেনিফিশিয়ারকে মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। তাই রপ্তানিকারক এল সি-এর মাধ্যমে তার পণ্যের মূল্য প্রাপ্তি সম্পর্কে যেমন নিশ্চিন্ত হতে পারে তেমনি আমদানিকারকও এল সি-এর বিপরীতে পণ্য প্রাপ্তির পর রপ্তানিকারককে পণ্য মূল্য পরিশোধ করতে পারে।
আমদানিকারকের ধরন
আমদানিকারককে তিনভাগে ভাগ করা যায়:
১. শিল্পকারখানাভিত্তিক আমদানিকারক
২. বাণিজ্যিক আমদানিকারক
৩.ওয়েজ আর্নার বা বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারি আমদানিকারক
লেটার অব ক্রেডিটের ধরন
প্রধানত: লেটার অব ক্রেডিট (ইররিভোকেবল) অপ্রত্যাহারযোগ্য প্রকৃতির হয়ে থাকে। এছাড়াও অন্য যেসব ধরনের এল সি হয়ে থাকে তা হচ্ছে:
১. ট্রান্সফারেবল এল সি
২. ব্যাক টু ব্যাক এল সি
৩. রেড ক্লজ এর সি
৪. গ্রীণ ক্লজ এল সি
৫. উইথ রিকোর্স এল সি
৬. উইথাউট রিকোর্স এল সি
৭. রিভলভিং এল সি
৮. এ্যাট সাইট এল সি
লেটার অব ক্রেডিট-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত পক্ষসমূহ এল সি-এর সঙ্গে জড়িত পক্ষসমূহ হচ্ছে:
ক. ইম্পোর্টার/বায়ার: যার অনুরোধে ব্যাংক এল সি খোলে তাকে এপ্লিকেন্ট বলে এবং তিনিই ইম্পোর্টার বা বায়ার।
খ. ইস্যুয়িং ব্যাংক: যে ব্যাংক ইম্পোর্টার-এর পক্ষে এল সি খোলে তাকে ইস্যুয়িং ব্যাংক বলে।
গ. রপ্তানিকারক/বিক্রেতা/বেনিফিশিয়ারি: যে পক্ষের অনুকূলে এল সি খোলা হয়ে থাকে রপ্তানিকারক/ বিক্রেতা/ বেনিফিশিয়ারি বলে।
ঘ. এডভাইজিং/নোটিফাইং ব্যাংক: রপ্তানিকারকের দেশে অবস্থিত যে ব্যাংকের মাধ্যমে এল সি এডভাইস পাঠানো হয় তাকে এডভাইজিং ব্যাংক বলে।
ঙ. কনফার্মিং ব্যাংক: যে ব্যাংক ইস্যুয়িং ব্যাংকের অনুরোধে এল সি-তে তার নিশ্চয়তা (কনফার্মেশন) প্রদান করে তাকে কনফার্মিং ব্যাংক বলে। এটা এডভাইজিং ব্যাংকও হতে পারে।
চ. নেগোশিয়েটিং ব্যাংক: এটা এমন এক ব্যাংক (ঋণপত্রে উল্লেখিত ব্যাংক বা ঋণপত্রে উল্লেখ না থাকলেও যেকোন ব্যাংক) যেখানে ঋণপত্রের বেনিফিশিয়ারি উক্ত ঋণপত্রে নিদিষ্ট মূল্যের ভিত্তিতে ঋণপত্রে উল্লেখিত পরিমাণ পণ্য বা সেবা রপ্তানির স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস-এর বিপক্ষে ঋণ নিতে সক্ষম।
ছ. পেয়িং-রিইমবার্সিং ব্যাংক: যে ব্যাংকের উপর বিল এর মূল্য দেওয়া হয় তাকেই পেয়িং-রিইমবার্সিং ব্যাংক বলে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইস্যুয়িং ব্যাংকই পেয়িং-রিইমবার্সিং ব্যাংক হিসেবে কাজ করে।
লেটার অব ক্রেডিট খুলতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহ:
এল সি খুলতে আগ্রহী বায়ার বা ইম্পোর্টার-এর এল সি ইস্যুয়িং ব্যাংক-এ অবশ্যই ব্যাংক একাউন্ট বা ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে। এছাড়া এল সি খোলার জন্য যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন তা হচ্ছে:
১. ইম্পোর্ট রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট (আই আর সি) যা চীফ কন্ট্রোলার অব ইম্পোর্ট এ- এক্সপোর্ট (সি সি আই এ- ই) এর দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে হয়।
২. কোন স্বীকৃত চেম্বার বা এসোসিয়েশনের সদস্য সনদ পত্র
৩. ইন্স্যুরেন্স কভার নোট এবং ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম পরিশোধ রশিদ
৪. ইনডেন্ট বা প্রোফর্মা ইনভয়েস (পি আই) এর কপি
৫. টিন সার্টিফিকেট
৬. ট্রেড লাইসেন্স
৭.ভ্যাট সার্টিফিকেট
৮.জাতীয় পরিচয় পত্র কপি
এছাড়া ব্যাংক-এর সরবরাহ করা নিম্নোক্ত কাগজ পত্রাদি পূরণ ও স্বাক্ষর করে জমা দিতে হয়।
১.এল সি এপ্লিকেশন ফরম
২.আই এম পি ফরম
৩. ব্যাংক চুক্তি সংক্রান্ত ডকুমেন্ট
৪. গ্যারান্টি ফরম
যদি এল সি খোলার সময় জামানত বা সিকিউরিটি প্রদান করতে হয় তাহ’লে উক্ত জামানত বা সিকিউরিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দিতে হবে।
লেটার অব ক্রেডিট সাধারণ আলোচনা
আমদানি-রপ্তানির প্রতি পদে পদে ঝুঁকি বিরাজমান। রপ্তানিকারকের ভয় থাকে যদি ক্রেতা পণ্যের মূল্য পরিশোধে ব্যর্থ হয়। আবার আমদানিকারকের ভয় থাকে অর্থ পেয়ে যদি বিক্রেতা মালামাল না পাঠায়। এক দেশ থেকে আরেক দেশে দূরত্বের কারণে বিরোধ নিষ্পত্তি করা সহজ হয়না। এসব ঝুঁকি এড়াতে পণ্যের ক্রয় বিক্রয়ে লেটার অব ক্রেডিট বা ডকুমেন্টরি ক্রেডিটের ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠে। এর মাধ্যমে বিক্রেতাকে এক ধরনের গ্যারান্টি প্রদান করা হয় যে, বিক্রেতা তার পণ্যের মূল্য নিশ্চিতভাবে বুঝে পাবে এবং ক্রেতা এই মর্মে নিশ্চিত হবেন যে, পণ্য তার জিম্মায় না পৌঁছানো পর্যন্ত কোন আর্থিক লেন-দেন সম্পন্ন হবে না। লেটার অব ক্রেডিট হচ্ছে মুলত: ব্যাংকের দেওয়া এক ধরনের গ্যারান্টি যে নির্দিষ্ট বিক্রেতা কোন পণ্য বা সেবা বিক্রয়ের জন্য তার প্রাপ্য সে ক্রেতার কাছ থেকে পাবে। ব্যাংক নিশ্চিত ক’রে বলে দেয়, ক্রেতা ঠিক কোন্ সময়ে কোন্ কোন্ কাগজ পত্রের ভিত্তিতে প্রাপ্য অর্থ পাবে। এর বিনিময়ে বিক্রেতার কাছ থেকে অর্থ পাবার জন্য কঠোর শর্ত পালনের অঙ্গীকার গ্রহন করে থাকে। এর মধ্যে থাকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট- যেমন শিপিং-এর প্রমাণ পত্র-বিল অব লেডিং।
লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারে বিক্রেতার সুবিধা
ক্রয়-বিক্রয়ে লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারের ফলে ক্রেতা এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারেন যে, সে কত টাকা পাবে বা কোন্ সময়ে পাবে। রপ্তানিকারকের কাছে লেটার অব ক্রেডিট অর্থ প্রাপ্তির নিরাপদ মাধ্যম। অবশ্য এজন্য তাকেও এল সি-তে বর্ণিত শর্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করতে হয়। অর্থ না পাবার ঝুঁকি এল সি-র ক্ষেত্রে ব্যক্তির থেকে ব্যাংকের কাছে হস্তান্তরিত হয়।
ক্রেতার সুবিধা
এল সি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্রেতা নিশ্চিত হয় যে, বিক্রেতা তার শর্ত যথাযথভাবে পূরণ করেছে কারণ প্রতিটি পদক্ষেপে তাকে ডকুমেন্টরি এভিডেন্স ব্যাংকে জমা দিতে হয়। যেমন পণ্যের শিপমেন্ট হয়েছে কি-না তা বিল অব লেডিংস-এর মাধ্যমে প্রমাণ মেলে। যেহেতু বিল অব লেডিংস শিপিং কোম্পানি অর্থাৎ একটি তৃতীয় পক্ষ প্রদান করে, এখানে ক্রেতা শিপমেন্টের তারিখ নিয়ে ছল-চাতুরি করতে পারে না। তেমনি পণ্যের মানের ক্ষেত্রেও তৃতীয় পক্ষ ইন্সপেকশন কোম্পানি সনদপত্র প্রদান করলে তা ব্যাংকে জমা দিতে হয়। কারণ অনেক সময় এল সি-তে এই সনদ পত্র জমা দেওয়ার বিধান থাকে এবং ব্যাংক এই সনদ পত্র ব্যতিত ক্রেতার প্রাপ্য অর্থ ছাড় করণের পদক্ষেপ গ্রহন করে না।
তবে মনে রাখা দরকার
লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারের ফলে ক্রেতা বা বিক্রেতা উভয়কেই বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয়। লেটার অব ক্রেডিট প্রতিপালনের জন্য ব্যাংক নির্দিষ্ট হারে চার্জ আদায় করে। রপ্তারিকারক হলে তাকে মনে রাখতে হবে লেটার অব ক্রেডিটে বর্ণিত সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে পালন করলেই কেবল সে তার প্রাপ্য দাবি করতে পারে, অন্যথায় তার পাওনা আটকে যেতে পারে। লেটার অব ক্রেডিট ব্যবহারের ফলে পণ্য সরবরাহে দেরি হতে পারে। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ি সকল আমদানি কেবল লেটার অব ক্রেডিটের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে হবে। কিন্তু বিশে^ বেশির ভাগ দেশে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে ক্রেডিট কার্ড, পে-পাল অথবা টি টি-র মত সহজ ট্রানজেকশন জনপ্রিয়। সেকারণে বেশির ভাগ দেশে এল সি সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন স্বচ্ছন্দ নয়। বাংলাদেশী আমদানিকারকেরা এতে রপ্তানিকারককে লেটার অব ক্রেডিটের বিষয়টি বোঝাতে হিমসিম খায়। বিশেষ ক’রে উন্নয়নশীল দেশগুলো অর্থ যাতে সহজে পাচার হয়ে যেতে না পারে সেজন্য এল সি-র মত পদ্ধতি বাধ্যতামুলক করে থাকে। লেটার অব ক্রেডিট সঠিক ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করে তবে সঠিক পণ্যের নিশ্চয়তা দেয়না।
লেটার অব ক্রেডিটের ধরন
-ইররিভোকেবল
-রিভোকেবল
-আনকনফার্মড
-কনফার্মড
-ট্রান্সফারেবল
অন্যান্য ধরনগুলো হচ্ছে:
-স্টান্ড-বাই
-রিভলভিং
-ব্যাক টু ব্যাক
রিভোকেবল এবং ইররিভোবেল এল সি
রিভোকেবল এল সি-ও ক্ষেত্রে যে ব্যাংক এল সি-টি ইস্যু করেছে সে ইচ্ছে করলে যেকোন সময়ে বা যেকোন কারণে তা বাতিল করতে পারে। তবে ইররিভোকেবল এল সি-র ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষ একমত না হলে এর কোন পরিবর্তন বা বাতিল করা যায় না।
কনফার্মড এবং আনকনফার্মড লেটার অব ক্রেডিট
ক্রেতা লেটার অব ক্রেডিট যে ব্যাংকে খোলে তাকে ইস্যুয়িং ব্যাংক বলে। বিক্রেতা চায় তার দেশের কোন ব্যাংক সেই লেটার অব ক্রেডিট সঠিক আছে কি-না তা পরীক্ষা ক’রে দেখুক। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য বিক্রেতা চায় যে ব্যাংক (কনফার্মিং ব্যাংক) এটা পরীক্ষা করেছে তারা একটা নিশ্চয়তাও প্রদান করুক। এই নিশ্চয়তা দেওয়ার ফলে ইস্যুয়িং ব্যাংক যদি বিক্রেতাকে পণ্য মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয় তবে কনফার্মিং ব্যাংক তা পরিশোধ করবে। সেকারণে কনফার্মড লেটার অব ক্রেডিট সবসময় বিক্রেতাকে আনকনফার্মড লেটার অব ক্রেডিটের চেয়ে বেশি নিরাপত্তা দেয়।
ট্রান্সফারেবল লেটার অব ক্রেডিট
ট্রান্সফারেবল লেটার অব ক্রেডিট একজন বেনিফিশিয়ারির কাছ থেকে অপর বেনিফিশিয়ারির কাছে হস্তান্তর করা যায়। এধরনের লেটার অব ক্রেডিট সাধারণতঃ মধ্যস্বত্ব ভোগী জড়িত থাকলে (ক্রয়-বিক্রয়ে) ব্যবহৃত হয়।
স্টান্ড-বাই লেটার অব ক্রেডিট
স্টান্ড-বাই লেটার অব ক্রেডিট হচ্ছে ব্যাংকের এই মর্মে নিশ্চয়তা দেওয়া যে, ক্রেতা পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে সক্ষম এবং বিক্রেতাকে সে মূল্য পরিশোধ করবে।
রিভলভিং লেটার অব ক্রেডিট
একটি রিভলভিং লেটার অব ক্রেডিট হচ্ছে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে একাধিক দেনা-পাওনা মেটানোয় সক্ষম এক বিশেষ এল সি।
ব্যাক টু ব্যাক লেটার অব ক্রেডিট
রপ্তারিকারকের অনুকূলে যখন এল সি খোলা হয় কিন্তু পণ্যাদি সরবরাহ করার মত প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহের রপ্তানি এল সি টি সহায়ক জামানত হিসেবে রেখে এডভাইজিং ব্যাংকে বা তার দেশীয় কোন ব্যাংক পণ্যের মূল্য সরবরাহকারির অনুকূলে আর একটি এল সি খোলা হলে তাকে ব্যাক টু ব্যাক এল সি বলে। প্রথম এল সি-র প্রায় সব শর্তাবলি অবিকল অবস্থায় দ্বিতীয় এল সি-তে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। সাধারণতঃ কোন রপ্তানি এল সি-র বিপরীতে ইউজেন্স ব্যাক টু ব্যাক এল সি খোলা হয়। তবে এক্সপোর্ট ডেভেলপমেন্ট ফা- স্কীম (ই ডি এঅ এস)-এর অধীনে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অর্থায়নের ব্যবস্থা করে “ এট সাইট ব্যাক টু ব্যাক এল সি” খোলা হয়। দেশের রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে রপ্তানি সহায়তা (এক্সপোর্ট ইনসেনটিভ) হিসেবে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক রপ্তানিকারকদের ই ডি এফ সুবিধা প্রদান করে থাকে। এ সুবিধার আওতায় রপ্তানিকারক বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে রপ্তানির বিপরীতে বিদেশ থেকে কাঁচামাল আমদানি করতে পারেন। সেক্ষেত্রে আমদানিকারককে ঋণ গ্রহনের তারিখ হতে ১৮০ দিনের মধ্যে (অনুরোধে ২৭০ দিন) লাইবর রেটের চেয়ে ১% বাড়তি হারে গৃহিত ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হয়। বাংলাদেশে তৈরী পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাক টু ব্যাক এল সি-র মাধ্যমে পোশাক তৈরীর উপকরণাদি সংগ্রহ করে থাকে। রপ্তানিকারককে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ মোতাবেক ব্যাক টু ব্যাক এল সি খুলতে হয়। ব্যাক টু ব্যাক এল সি-র ক্ষেত্রে নীচের শর্তাবলি অবশ্যই পালন করতে হয়।
(ক) শুধুমাত্র অনুমোদিত রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান যাদের সি সি আই এ- ই থেকে রপ্তানি নিবন্ধন সার্টিফিকেট আছে এবং বৈধ বন্ডেড ওয়ারহাউস লাইসেন্স আছে তারাই ব্যাক টু ব্যাক এল সি খুলতে পারে।
(খ) ব্যাক টু ব্যাক এলসি এর মূল্য অবশ্যই মাষ্টার/মাদার এল সি তে উল্লিখিত এফওবি এর মূল্যেও চেয়ে কম হতে হবে ।
(গ) বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বার্টার (স্পেশাল ট্রেড এগ্রিমেন্ট) এর অধীনে রপ্তানীর ক্ষেত্রে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলা যাবে না।
(ঘ) ব্যাক টু ব্যাক আমদানী এলসির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক খ্যতি সম্পন্ন ইন্সপেকশন ফার্ম এর ইন্সপেকশন সার্টিফিকেট সংযোজন করতে হবে।
ব্যাক টু ব্যাক এলসি’র ক্ষেত্রে নিমোক্ত কাগজ ও দলিল দরকার হয় :
১.মাষ্টার এলসি (রপ্তানী এলসি)
২.বৈধ বন্ডেড ওয়ার হাউজ লাইসেন্স
৩.বস্ত্র মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যুকৃত টেক্সটাইল অনুমতিপত্র
৪. লিমিটেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে যৌথ মূলধনী কোম্পানীর ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট
৫.এলসি অবেদন পত্র
৬. আমদানী অনুমতি পত্র
৭. প্রোফরমা ইনভয়েস/ইন্ডেন্ট
৮. টাকা জমা রশিদসহ ইন্সুরেন্স কভার নোট
৯.পূরণকৃত ও সংরক্ষিত এলসি ফরম
১০.সি আই বি রিপোর্ট
১১.কোটার ক্ষেত্রে কোটা কাগজপত্র
১২.ট্রেড লাইসেন্স
১৩.বৈধ আইআরসি ও ইআরসি
১৪. বিজিএমই এর সদস্য সার্টিফিকেট
১৫.টিন সার্টিফিকেট
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
AL-TAUFIQ BHABAN, 36 Line Road
Barisal
8200
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 20:00 |
| Tuesday | 09:00 - 20:00 |
| Wednesday | 09:00 - 20:00 |
| Thursday | 09:00 - 20:00 |
| Friday | 15:00 - 20:00 |
| Saturday | 09:00 - 20:00 |
| Sunday | 09:00 - 20:00 |