Basar

Basar

Share

সবার ভালোবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই

10/09/2025

প্রত্যেক'টা মানুষে'র বিয়ে করা উচিৎ কারণ জীব'নে সুখটা'ই সব নয় অশান্তি'র ও দরকার আছে কি বলেন বন্ধুরা।

শুভ সকাল 🌸

29/07/2025

কিছু মানুষ আছে নিজের প্রযোজন শেষ হয়ে গেলে এমন এক'টা ভাব করে মনে হয় সে কখনো আপনাকে চিনে'ই না এই ধরনের মানুষ গুলোর থেকে যত দুরে থাকবেন তত'ই ভালো থাকবেন।

Photos from Basar's post 10/07/2025

অহংকারী মানুষ উড়ায় রঙের ফানুস

শুভ রাত্রি 🌸

28/06/2025

বিনামূল্যে ৩৫০০ "কবর খোঁড়া" মনু মিয়া ইন্তেকাল করেছেন।

04/06/2025

ফুটবল তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে মনে হচ্ছে, ইনশাআল্লাহ্৷

04/06/2025

একটি শিক্ষণীয় গল্প 🔸
মেয়েকে বিয়ে দেয়ার পর যখন সে আবার বাবার বাড়ি আসে তখন মা খুব আগ্রহ ভরে জানতে চায় যে ঐ বাড়িতে তার কেমন লেগেছে ?

মেয়ে জবাবে বলে আমার ওখানে ভালো লাগেনা। মানুষগুলো কেমন যেন।পরিবেশটাও আমার ভালো লাগছেনা।মেয়ের ভেতর এক ধরনের হতাশা দেখতে পায় তার মা। দেখতে দেখতে বেশ কিছুদিন কেটে যায়। মেয়ের চলে যাবার সময় চলে আসে। চলে যাবার ঠিক আগের দিন মা তার মেয়েকে নিয়ে রান্না ঘরে প্রবেশ করেন। মা হাড়িতে পানি দেন এবং তা গরম করতে থাকেন। একসময় যখন তা ফুটতে থাকে তখন মা হাড়িতে গাজর, ডিম আর কফির বিন দেন। এভাবে বিশ মিনিট পর মা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। একটি বাটিতে গাজর,ডিম এবং কফির বিন নামিয়ে রাখেন।এবার তিনি মেয়েকে উদ্দেশ্যকরে বলেন তুমি এখান থেকে কি বুঝতে পারলে আমাকে বল?মেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে বলে আমি দেখলাম তুমি গাজর,ডিম আর কফির বিন সিদ্ধ করলে মাত্র।মেয়ের কথা শুনে মা বললেন হ্যাঁ,তুমি ঠিকই দেখেছ। তবে তুমি কি আরও কিছু লক্ষ্য করনি?মেয়ে বলে না মা, মা বলে গাজর মোটামুটি শক্ত ধরনের, ডিম খুব হালকা আর কফির বিন খুবই শক্ত। কিন্তুযখন এগুলিকে গরম পানিতে রাখা হল তখন তিনটি জিনিসের তিন রকম অবস্থা হল।গাজর খুব নরম হয়ে গেল,আর ডিম শক্ত হয়ে গেল আর কফির বিন সুন্দর ঘ্রান আর মিষ্টি স্বাদে পানিতে মিশে গেল।মা এবার দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যেন অনেক অতীতে চলে যেতে চাইলেন। তারপর আবার বাস্তবে ফিরে এসে মেয়ের দিকে ফিরে বললেন আমি তোমাকে এখন যে কথাগুলি বলব, আমার মাও ঠিক এইভাবেই আমাকে এ কথাগুলি বলেছিল।আমি জানিনা কথাগুলি তোমার কতটুকু উপকারে আসবে, তবে আমার জীবনকে অনেক প্রভাবিত করেছিল।

মা কিছুক্ষন বিরতি দিয়ে বলতে লাগলেন

তুমি যদি তোমার স্বামীর বাড়িতে নিজেকে কঠিনভাবে উপস্থাপন কর, তবে প্রতিকূল পরিবেশের সাথে তোমার সংঘর্ষ হবে- তোমাকে দুর্বল করে ঠিক গাজরেরমতই নরম করে ফেলবে- তোমার ব্যক্তিত্বকে ভেঙে ফেলবে। যদি তুমি নিজেকে নরম-ভঙ্গুর করে উপস্থাপন কর তবে প্রতিকূল পরিবেশ তোমাকে কব্জা করে ফেলবে, আঘাতের পর আঘাত এসে তোমার হৃদয়কে একসময় কঠিন করে ফেলবে ঠিক ডিমের মত। কিন্তু তুমি যদি তোমার ভালবাসা দিয়ে নিজেকে প্রতিকূল পরিবেশেরসাথে মিশিয়ে দিয়ে তার অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে নিতে পার তবে পরিবেশ সুন্দরহয়ে উঠবে ঠিক যেমন কফির বিন গরম পানির সাথে নিজেকে মিশিয়ে দিয়ে পানিকেসুস্বাদু আর চারপাশকে মিষ্টি ঘ্রানে ভরিয়ে দিয়েছে।🌸

04/06/2025

কিছু মানুষ থাকে,
যারা আপনাকে কখনো সরাসরি ছেড়ে যাবে না, বরং এমন পরিস্থিতি তৈরি করবে, যাতে আপনিই একদিন বাধ্য হয়ে সরে যাবেন। আর সবাই মনে করবে, বিদায়টা যেন আপনার সিদ্ধান্ত মনে হয়, যাতে তারা নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারে। আর শেষে, আপনি দোষ না করেও--দোষীর খাতায় নাম লিখতে বাধ্য হবেন।🥹💔🥀

04/06/2025

“সংসার জীবন সুখী করার জন্য স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক দায়িত্ব…!!!!!!”

সংসার জীবন মানেই কেবল ছাদ, দেয়াল ও গৃহসজ্জা নয়; বরং এটি হল ভালোবাসা, দায়িত্ব, ত্যাগ ও মমতার এক অদৃশ্য বন্ধন। স্বামী ও স্ত্রী – এই দুটি সম্পর্কের মাঝেই গড়ে ওঠে একটি পূর্ণাঙ্গ পরিবার। কিন্তু এই সম্পর্ক যদি দায়িত্ববোধ, সম্মান এবং ভালোবাসায় না গড়া হয়, তবে সংসার শুধু একটি দায় হয়ে ওঠে। আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল সমাজে, যেখানে প্রযুক্তি আমাদের কাছে সময় কমিয়ে দিয়েছে, সেখানে পারিবারিক বন্ধন রক্ষা করা এবং সংসার জীবন সুখময় করা আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। তাই স্বামী ও স্ত্রীর একে অপরের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া এই যুগে আরও গুরুত্বপূর্ণ।

স্ত্রীর প্রতি স্বামীর দায়িত্ব

১. ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা:
একজন স্বামীর প্রধান দায়িত্ব স্ত্রীকে ভালোবাসা ও সম্মান করা। কেবল আর্থিক নিরাপত্তা দেওয়া নয়, মানসিক সঙ্গ, সহানুভূতি এবং যত্নও আবশ্যক। নবী করিম (সাঃ) বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর সাথে উত্তম আচরণ করে।” তাই একজন মুসলিম পুরুষের উচিত তার স্ত্রীকে সবসময় সম্মান ও মর্যাদা দিয়ে দেখা।

২. আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা:
একজন স্বামীর কর্তব্য হলো পরিবারকে যথাযথ ভরণপোষণ দেওয়া। যদিও বর্তমান যুগে অনেক নারীও কর্মজীবী, তবু স্বামীর মৌলিক দায়িত্ব থেকে যায় সংসারের খরচ চালানো।

৩. সহযোগিতা ও সহনশীলতা:
সংসার পরিচালনা শুধু স্ত্রীর একার দায়িত্ব নয়। রান্না, সন্তান পালন কিংবা বাজার করা – এসব ক্ষেত্রেও স্বামীকে সহযোগিতা করতে হবে। এই ছোট ছোট সহানুভূতির কাজগুলোই পারস্পরিক ভালোবাসা বাড়ায়।

৪. বিশ্বাস স্থাপন ও রক্ষা:
স্ত্রীর প্রতি সন্দেহ নয়, বরং বিশ্বাস স্থাপন করা জরুরি। বিশ্বাসহীন দাম্পত্য জীবনে কখনও শান্তি আসে না।

স্বামীর প্রতি স্ত্রীর দায়িত্ব

১. সম্মান ও আনুগত্য:
একজন স্ত্রী তার স্বামীকে সম্মান করবে, তাকে ছোট করে কথা বলবে না বা অসম্মান করবে না। ঘরের বাইরে স্বামীর সম্মান রক্ষা করাও স্ত্রীর দায়িত্ব। ইসলামে স্বামীর প্রতি স্ত্রীর আনুগত্যকে জান্নাতের চাবিকাঠি বলা হয়েছে।

২. দায়িত্বশীলতা ও যত্ন:
সংসার পরিচালনায়, সন্তানের লালনপালনে ও পরিবেশকে আনন্দময় রাখতে স্ত্রীর ভূমিকা অপরিহার্য। একজন সচেতন ও দায়িত্বশীল স্ত্রী-ই পারে একটি ঘরকে “স্বর্গ” বানাতে।

৩. আর্থিক ব্যবস্থাপনায় বুদ্ধিমত্তা:
পরিবারের আয় কম হোক বা বেশি, একজন স্ত্রীর উচিত সেটাকে বুঝে চলা। অপ্রয়োজনীয় খরচ না করে প্রয়োজনীয় সঞ্চয় ও ব্যয়বন্টন করে স্বামীকে সহায়তা করা সংসার রক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ দিক।

৪. ভালোবাসা ও মানসিক সঙ্গ:
স্বামী ঘরে ফিরে মানসিক প্রশান্তি খুঁজে পায় স্ত্রীর মুখে। তাই একজন স্ত্রীর দায়িত্ব, সে যেন নিজের আচরণে, কথাবার্তায় ও ব্যবহারিক দিক থেকে স্বামীর ক্লান্তি দূর করে তার পাশে থাকে।

পারস্পরিক দায়িত্ববোধ: সুখী দাম্পত্যের মূল ভিত্তি

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কেবল অধিকার ও কর্তব্যের সম্পর্ক নয়, বরং এটি হলো পারস্পরিক বন্ধন ও বোঝাপড়ার সম্পর্ক। এখানে “আমি” নয়, “আমরা” গুরুত্বপূর্ণ। ছোট ছোট ভুলে ক্ষমা করা, একে অপরের দোষ না খোঁজা বরং গঠনমূলক আলোচনা করা—এইসব মানবিক গুণগুলো সংসারকে টিকিয়ে রাখে। সন্তানদের সামনে যদি স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে সম্মান দেয়, সন্তানরাও তা শিখে।

সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিকতা

বর্তমানে অনেক সংসার ভাঙছে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝির কারণে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অতিরিক্ত ব্যস্ততা কিংবা বাইরের প্রলোভনে সম্পর্ক দুর্বল হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আমাদের ফিরতে হবে পারস্পরিক বোঝাপড়ার জায়গায়। আত্মমর্যাদা রক্ষা করে কিভাবে দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া যায় তা শিখতে হবে।

উপসংহার

সংসার জীবন শুধু “থাকা” নয়, এটি “একসাথে থাকার আনন্দ”। স্বামী ও স্ত্রী যদি একে অপরের প্রতি দায়িত্বশীল হন, তবে কোনো ঝড়-ঝাপটা সংসারকে নত করতে পারে না। ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, ক্ষমাশীলতা ও পারস্পরিক সহানুভূতিই হল সুখী সংসারের ভিত্তি। আসুন, আমরা প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আমাদের সংসারকে করি ভালোবাসায় পূর্ণ, নিরাপদ এবং সুখময়।

31/05/2025

বাংলা আমার মাতৃভূমি,এমন বাংলা কি চাই
সোনার বাংলা ঠিকই আছে,সোনার মানুষ নাই

Photos from Basar's post 29/05/2025

আজকের আকাশে ঝড়ের সাথে বৃষ্টির যে সমীকরণ, তার চেয়ে বেশি তোমার মনের সাথে আমার মনের সমীকরণ।

বৃষ্টি বিলাস দুপুর বেলা।

23/05/2025

বন্ধুত্ব হোক কিংবা ভালোবাসা,
টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব কিন্তু দু'জনেরই...

Want your business to be the top-listed Media Company in Barisal?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Barguna
Barisal
8700