Seba Medical Hall
Pharmacy/Chemist in
Barishal, Bangladesh.
19/07/2023
08/07/2023
জমি ক্রয় করতে যাচ্ছেন? তাহলে এখনই জেনে নিন জমি ক্রয়ের আগে আপনার করণীয় কী:
১। নাবালকের সম্পত্তি কিনা অবশ্যই যাচাই করে নিন। নাবালকের সম্পত্তি আদালতের অনুমতি পত্র ছাড়া ক্রয় করলে ভবিষ্যতে নাবালক যদি মামলা করে তাহলে আপনি জমি হারাবেন।
২। সম্পত্তিতে বিক্রেতার দখল আছে কি না নির্ণয় করার জন্য আশেপাশের জমি ওয়ালাদের কাছে খবর নিন যে, এই জমির প্রকৃত দখলদার কে ?
৩। হাল রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ান ও দাগ নম্বর সঠিক আছে কি না ভালো করে দেখে নিন।
৪। হাল রেকর্ড ও সাবেক রেকর্ড এর মধ্যে মিল রয়েছে কি না ভালো করে যাচাই করুন।
৫। হিস্যা মোতাবেক বিক্রেতার প্রাপ্য অংশ সঠিক আছে কি না যাচাই করে নিন তা না হলে ভবিষ্যতে মামলা-মোকদ্দমার সম্মুখীন হতে পারেন।
৬। রেন্ট সার্টিফিকেট মামলায় জড়িত সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।
৭। হাল সন পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ আছে কি না যাচাই করে নিন।
৮। বিক্রেতার নামে নামজারি করা আছে কি না যাচাই করে নিন।
৯। অর্পিত/পরিত্যক্ত/অধিগ্রহণকৃত সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।
১০। সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।
১১। নৃ-তাত্ত্বিক জাতি গোষ্ঠীর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের “বিক্রয় অনুমতিপত্র” আছে কি না যাচাই করে নিন।
১২। খাস জমি কি না যাচাই করে নিন।
১৩। বিক্রিত জমিতে সরকারি কোন স্বার্থ জড়িত আছে কি না যাচাই করে নিন।
১৪। সর্বসাধারণের ব্যবহার্য বা পাবলিক ইজমেন্ট সম্পত্তি কি না যাচাই করে নিন।
১৫। বিক্রেতার মালিকানা সঠিক আছে কি না
নির্ণয় করতে হবে। দলিল নাম্বার নিয়ে ভূমি অফিস অথবা তহসিল অফিসে খবর নিলে প্রকৃত মালিক জানতে পারবেন। জমির আশেপাশে যাদের জমি আছে তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে জমির মালিকানা বিষয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে।
১৬। নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে আইনগত অভিভাবক বা আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক নির্ধারণ করা আছে কি না যাচাই করে নিন।
১৭। বিক্রেতা সম্পত্তি উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্য হইলে নিবন্ধিত বণ্টননামা দলিল আছে কি না যাচাই করে নিন।
১৮। হিন্দু কন্যা সন্তান/বিধবা স্ত্রী এর “জীবন স্বত্ব” শর্তে প্রাপ্য সম্পত্তি কি না?
১৯। সম্পত্তি বিক্রয়/হস্তান্তর এর ক্ষেত্রে আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে কি না?
২০। সমর্পিত বা বিক্রেতার ৬০/১০০ বিঘা সিলিং বহির্ভূত সম্পত্তি কি না?
২১। নকশা মোতাবেক জমির অবস্থান ও পরিমাণ সঠিক আছে কি না যাচাই করে নিন।
২২। দলিলে বর্ণিত তফসিল অনুযায়ী রেকর্ড সঠিক আছে কি না?
২৩। সম্পত্তি বন্ধক দেয়া আছে কি না?
২৪। বিক্রেতা বায়না বা বিক্রয় চুক্তি সম্পাদন করেছেন কি না?
২৫। বিক্রেতার প্রদর্শিত খতিয়ান ও দলিল সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে রক্ষিত রেকর্ডপত্রের সাথে মিল আছে কি না?
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।
20/09/2022
ইদানিং চোখ ওঠা রোগ বা কনজাংটিভাইটিস এর প্রকোপ দেখা যাচ্ছে।
সকলে সতর্ক থাকুন।
প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
01/08/2021
নাপা(Napa 500) আর নাপা এক্সটা(Napa Extra) নিয়ে অধিকাংশ মানুষের ভুল ধারনা আছে!
অনেকে ভাবে এক্সটা মানে বেশি বেশি কিন্তু আসলে তেমনটা না।
নাপাতে আছে শুধুমাত্র প্যারাসিটামল, আর নাপা এক্সটাতে প্যারাসিটামল + ক্যাফেইন।
বলার উদ্দেশ্যে হলো কোভিড পজিটিভ অনেক রোগীই ইনসোমনিয়া'র(অনিদ্রা বা ঘুম না আসা) কমপ্লেন করে, কাজেই আপনি যদি অতিরিক্ত তিনবেলা এক্সটা, মানে ক্যাফেইন খান তাহলে
ইনসোমনিয়ার চান্স আরো বেড়ে যেতে পারে।
এজন্য ডাক্তার যদি আপনাকে নাপা(প্যারাসিটামল) খেতে বলে তবে সেটাই খাবেন নিজে থেকে কোন এক্সটা লাগাইতে যাবেন না।
13/10/2020
প্রচণ্ড গরম পরেছে... পাশের সারির সিটে বসেছিল দুই ছেলে... দুজনই ছাত্র...
কৌতূহল নিয়ে দেখছি কি করে!!
হাফ লিটার (৫০০ মি.লি) পানির বোতলে প্রথমে এক প্যাকেট খাবার স্যালাইন ঢালল... একটু ঝাঁকি দিল... এরপর আরেক প্যাকেট স্যালাইন বের করল... সব মিলে দুই প্যাকেট স্যালাইন ঢালল ঐ হাফ লিটার পানির মধ্যেই...
জিজ্ঞাসা করলাম, ভাই দুই প্যাকেট কেন ঢাললেন?
- এক প্যাকেটে অত স্বাদ পাওয়া যায় না... তাছাড়া যে গরম পড়েছে, তাতে বেশি খাওয়াই ভাল।
এরকম ভুল প্রায় লোকই করে... সবাই ভাবে, স্যালাইনই তো... কি আর হবে!! কিন্তু এটা যে কত মারাত্মক ভুল, তা বেশিরভাগ লোকই জানে না...
বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তো আরো বেশি বিপদজনক...
কয়েক মাস আগের কথা... ডায়রিয়া হওয়ার পর খিঁচুনি নিয়ে এক বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে।
একটু সন্দেহ হল... জিজ্ঞাসা করলাম, কি খাওয়াইছেন বাবুকে?
- কেন? স্যালাইন।
- বানাইছেন কিভাবে?
- হাফ গ্লাসের মত পানিতে এক প্যাকেট স্যালাইন গুলছি।
- নিয়ম তো হাফ লিটার বা আধা সের পানিতে স্যালাইন গুলানো। কিন্তু হাফ গ্লাস পানিতে কেন?
- ছোট বাচ্চা, অত আর স্যালাইন খেতে পারবে?
তাড়াতাড়ি বাচ্চাকে মেডিকেলে রেফার করে দিলাম। অল্প পানিতে স্যালাইন গুলানোর কারণে বেশি ঘনত্বের লবণ শরীরের ভেতরে গিয়ে লবনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে খিচুনি শুরু হয়েছে, যা খুবই মারাত্মক... কিডনি নষ্ট হওয়া থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
এভাবে অনেক বাচ্চা মারা যায় ডায়রিয়ার কারণে নয়, ভুলভাবে স্যালাইন বানানোর কারণে।
মনে রাখা উচিত, খাবার স্যালাইন কোন সাধারণ পানীয় নয় যে ইচ্ছেমত খাবেন। এটি ওষুধ... বমি, পাতলা পায়খানা বা গরমের ফলে প্রচন্ডরকম ঘেমে শরীর থেকে যে পানি, লবণ বের হয়ে যায়, তা পূরণ করার জন্য এটি খাওয়া হয়।
এটি নির্দিষ্ট নিয়মেই গুলতে হবে... ছোট-বড় সবার জন্য একই নিয়মে বানাতে হবে... আধা সের বা হাফ লিটার পানির মধ্যে পুরো এক প্যাকেট মিশিয়ে স্যালাইন দ্রবন প্রস্তুত করতে হবে। তবেই তা শরীরে গিয়ে কাজ করবে।
এর কম পানিতে বানালে লবনের ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে কিডনির ক্ষতি করবে... বেশি পানিতে বানালে লবনের ঘনত্ব কমে গিয়ে সঠিকভাবে ঘাটতি পূরণ হবে না।
একবার স্যালাইন বানালে, তা সর্বোচ্চ বারো ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়, তবে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত রাখতেও অনেকে পরামর্শ দেন।
কখনো হাফ প্যাকেট স্যালাইন, এক গ্লাস পানি- এভাবে বানাবেন না... কিংবা পরবর্তিতে বানানোর জন্য প্যাকেটে কিছু স্যালাইন রেখেও দিবেন না... এক প্যাকেট দিয়ে একসাথে হাফ লিটারই বানাবেন...
একবার বানানোর পর, বয়স ও প্রয়োজনভেদে যতটুকু দরকার, সেখান থেকে নিয়ে সেভাবে খাবেন। শেষ হয়ে গেলে আবার হাফ লিটার পানিতে এক প্যাকেট গুলিয়ে নতুন করে বানাবেন।
ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, কিডনি রোগ কিংবা হার্টের রুগীর ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে স্যালাইন খাবেন।
আর হ্যাঁ, বাজারে "টেস্টি স্যালাইন" নামক যা পাওয়া যায়, সেগুলো অবশ্যই খাওয়া যাবে না.. এগুলোতে মাত্রার কোন ঠিক তো নেই-ই, এর পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসনেরও কোন অনুমোদন নেই। বরং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অনেক কোম্পানির টেস্টি স্যালাইনে স্যাকারিন ও কাপড়ের রং পর্যন্ত পাওয়া গেছে।
-Collected post
29/09/2020
হাঁটলেন তো হার্ট কে বাঁচালেন!💝
বাজারে সয়াবিন তেল কিনতে গিয়ে হঠাৎ দেখলাম দোকানদার আমাকে ঠকিয়েছে। বয়স আর কতই বা। ফোর-ফাইভ এ পড়ি। ঠকানোই তো স্বাভাবিক! আমিও বেশ চালাক ছেলে! দোকানীকে ধরে ফেললাম।
: কি ব্যাপার বোতলে ফ্রী লিখা আর আপনি দিচ্ছেন না, কারণ কি?
তখন ফ্রীর যুগ সাবান কিনলে সোপকেস ফ্রী টাইপের।
দোকানদার হতচকিত হয়ে বলল
: দেখি কি ফ্রী
আমি দেখিয়ে দিলাম 'কোলেষ্টেরল ফ্রী' লিখা ইংরেজীতে।
দোকানী ইংরেজি জানে না কিন্তু যখন সে বলল
: আচ্ছা বাবা এই 'কলেষট্যারল' টা কি জিনিস?
এবার আমার অবাক হওয়ার পালা। পুরাই লা জওয়াব!
এই কথা মনে পড়লে এখনো হাসি পরে জেনেছিলাম এই ফ্রী মানে 'কোলেষ্টেরল মুক্ত'। কিন্তু কেন সয়াবিন কে কোলেষ্টেরল ফ্রী করা হলো তা জেনেছি অনেক পরে।
আমাদের শরীর যদি একটা ছোট্ট শহর হয় তবে এই শহরের প্রধান মাস্তান হচ্ছে এই কোলেষ্টেরল। এর সাথে কিছু সাংগ পাংগ আছে। তবে প্রধান সহযোগী ট্রাইগ্লিসারাইড। এদের কাজ হচ্ছে রাস্তায় রাস্তায় মাস্তানি করা, মেয়েদের টিজ করা এসব। হৃৎপিন্ড হলো এই শহরের প্রাণকেন্দ্র। শহরের সব রাস্তাগুলো এসে মিশেছে প্রাণকেন্দ্রে এসে।
মাস্তানের সংখ্যা বেশী হলে কি হয় আপনারা সবাই জানেন। এরা সব রাস্তাগুলো ব্লক করে দিয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র অচল করে দিবে। আপনিও তখন পটল তুলবেন। না তুললেও মাস্তানদের ধর্মঘটে প্রায়ই আপনার প্রিয় শহরে এমন কিছু ঘটবে যে আপনি বেঁচেও মৃতপ্রায় হয়ে থাকবেন। বিয়েতে হাতের রিং তখনও হয়ত হাতেই আছে সাাথে হার্টেও রিং পড়তে হবে!
আমাদের শরীর নামক শহরে কি পুলিশ নেই? যারা মাস্তানদের ক্রসফায়ার করবে,
অথবা জেলে ভরবে।
হ্যাঁ, আছে। তার নাম এইচ ডি এল।
ও পাড়ায় পাড়ায় মাস্তানী করা এসব মাস্তানদের রাস্তা থেকে তুলে এনে জেলে ভরে রাখে। জেলখানা চিনেন তো? লিভার বা কলিজা হল জেলখানা । লিভার এইগুলোকে বাইল সল্ট বানিয়ে শহরের পয়নিষ্কাশন লাইনের মাধ্যমে (পায়খানার সাথে) শহর থেকে বের করে দেয়। কি অদ্ভুত শাস্তি মাস্তানদের!
খুব মজা লাগছে তাই না?
এইচ ডি এল কে বন্ধু বন্ধু লাগছে তাই না?
পুলিশের ছোট ভাই লিটল ডি এল বা সংক্ষেপে এল ডি এল আবার রাজনীতিবিদ। সে লবিং করে জেলখানা থেকে কোলেষ্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইড রুপী মাস্তানদের তুলে এনে আবার রাস্তায় বসিয়ে দেয়। তাদের মাতলামো তে পুরো শরীরে জ্যাম লেগে যায়। আর এলডিএল মুখ টিপে টিপে হাসে।
এইচ ডি এল হায় হায় করে দৌড়ে আসে। কিন্তু সে এলডিএল আর মাস্তানদের যৌথ শক্তির সাথে পেরে ওঠেনা। পুলিশের সংখ্যা যত কমে মাস্তানরা ততই উল্লসিত হয়। শহরের পরিবেশ হয়ে ওঠে অস্বাস্থ্যকর।
এমন শহর কার ভালো লাগে বলুন?
আপনি মাস্তানদের কমিয়ে পুলিশ বাড়াতে চান?
তবে হাঁটুন।
আপনার প্রতি কদমে এইচডিএল (পুলিশ) বাড়বে, এলডিএল (লবিং করা রাজনীতিবিদ) কমবে, মাস্তান (কোলেষ্টেরল) কমবে! আপনার শহর (শরীর) প্রানচাঞ্চল্য ফিরে পাবে।
আপনার প্রানকেন্দ্র (হার্ট) মাস্তানদের অবরোধ (হার্ট ব্লক ) থেকে বাঁচবে।
আর শহরের প্রানকেন্দ্র (হার্ট) বাঁচা মানে আপনিও বাঁচবেন
-Dr.Mobashwer Ahmed
20/09/2020
বাচ্চাদের খাবার রুচি বাড়ানোর কৌশল...😋
এভাবেই চেস্টা করতে পারেন।👍
29/08/2020
বলিউডের ইরফান খানের পরে; হলিউডের চ্যাডউইক বোসম্যান মারা গেলেন কোলন ক্যান্সারে। কোলন ক্যান্সারের অন্যতম কারণ দ্রুত মলত্যাগ করা ও মলত্যাগ করতে বসার পদ্ধতি। প্রচলিত লো-কমোড ওয়াশরুমের চেয়ে হাই-কমোড/সিটিং কমোডে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। সিটিং কমোডে পায়ুনালী সোজা না হয়ে, বাঁকানো থাকে৷ ফলে পরিপূর্ণভাবে মলত্যাগ হয় না। যা ক্ষতের সৃষ্টি করে, ইহা পর্যায়ক্রমে ক্যান্সারে পরিণত হতে পারে। বিলাসিতার জন্য সিটিং কমোড এখন বহুল ব্যবহৃত হয়, তবে পায়ুনালী সোজা রাখতে পায়ের তলায় প্লাস্টিকের টুল ব্যবহার করতে পারেন।
তবে কোলন ক্যান্সারের একমাত্র কারণ এটিই নয়।
খাদ্যাভ্যাস যেমন,অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ আর কম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণের কারণেও এই ক্যান্সার হতে পারে।
বংশগত প্রভাব পূর্বে পরিবারের কারো এই ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে অন্যদের হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে।
(সংগৃহীত)
16/08/2020
ওষুধের মেয়াদ চেক করবেন যেভাবে...
21/07/2020
লো কার্বোহাইড্রেট ডায়েট (হালের কিটো ডায়েট) অনিরাপদ এবং অবশ্য বর্জনীয়।
মোটা হয়ে যাওয়া বা স্থূলতা বিশ্বজুড়ে একটা মেজর সমস্যা যা কি না অনেক গুলো ক্রনিক ডিজিজ যেমন- হার্ট এটাক, হাইপারটেনশন, টাইপ টু ডায়বেটিস, ক্যান্সার এর জন্য অনেকাংশে দায়ি। ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন রকম ডায়েট সাজেস্ট করেন অনেকে যেমন- লো কার্বোহাইড্রেট সাথে হাই প্রোটিন ও ফ্যাট।
এই স্টাডিতে US National Health and nutrition Examination Survey (NHANES) থেকে ১৯৯৯ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ২৪,৮২৫ জন মানুষ কে স্যাম্পল হিসেবে নিয়ে গবেষণা করে লো ডায়েটের সাথে সকল মৃত্যু এবং করনারি হার্ট ডিজিজ, সেরেব্রোভাস্কুলার ডিজিজ ও ক্যান্সারে মৃত্যুর মধ্যে সম্পর্ক বের করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এসকল মানুষকে ৬.৪ বছর অবসারভাশনে দেখা গেছে যে, যারা লোয়েস্ট পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট খেয়েছেন তাদের মৃত্যুর হার ৩২% বেশি যারা স্বাভাবিক পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট খেয়েছেন তাদের চেয়ে। তাছাড়াও তাদের মধ্যে করোনারি হার্ট ডিজিজ, সেরেব্রোভাস্কুলার ডিজিজ ( স্ট্রোক) ও ক্যান্সারে মৃত্যুঝুকি বেড়েছে যথাক্রমে ৫১%, ৫০% এবং ৩৫%।
এই ফলাফলগুলো কনফার্ম করা হয়েছে আরো ৭ মেটা এনালাইসিস কোহর্ট স্টাডির মাধ্যমে যেখানে অংশগ্রহণ করেছিলেন ৪৪৭,৫০৬ জন যাদের ফলো আপ করা হয়েছে গড়ে ১৫.৬ বছর। এখানে লো কার্বোহাইড্রেট গ্রহণকারী দের হার্ট এটাক, স্ট্রোক ও ক্যান্সারে মৃত্যুঝুঁকি বেড়েছে যথাক্রমে ১৫%, ১৩% ও ৮%।
এগুলোর কারণ হিসেবে হতে পারে
কিটোডায়েটে অতি মাত্রার প্রাণীজ প্রোটিন যা ক্যান্সার সৃষ্টি করে। অতি মাত্রার সম্পৃক্ত চর্বি যা হার্ট এটাক ও স্ট্রোক তৈরি করে। এছাড়াও ভূমিকা রাখে কিটোডায়েটে ফল-মূলের মতো স্বাস্থ্যকর খাবারের অনুপস্থিতি।
তাই চিকিৎসক নির্ধারিত বিশেষ গ্রুপের মানুষ ছাড়া, এই ডায়েট অনিরাপদ।
তথ্যসূত্র: ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কার্ডিওলজি
সবার জানা দরকার বলে মনে করি। নিজের দ্বায়িত্ববোধ থেকে জানিয়ে গেলাম। মানা না মানার সিদ্ধান্ত আপনার।
Dr Mehedi Hasan Lemon
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Barisal
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 23:00 |
| Tuesday | 09:00 - 23:00 |
| Wednesday | 09:00 - 23:00 |
| Thursday | 09:00 - 23:00 |
| Friday | 09:00 - 23:00 |
| Saturday | 09:00 - 23:00 |
| Sunday | 09:00 - 23:00 |