Omar Asad Rintu
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Omar Asad Rintu, Politician, Road No 27, Banani Model Town.
11/01/2025
Social program
20/08/2023
আলহামদুলিল্লাহ
#মেজর_হাফিজ_উদ্দিন_আহমেদ_বীর_বিক্রম সিঙ্গাপুরে দুই সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন।
প্রিয় নেতা এখন সুস্থ আছেন, মহান আল্লাহ সুবহানাতায়ালা প্রিয় নেতাকে সুস্থতার সাথে দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন।
08/08/2023
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহ মুহাম্মদ শাহিন কে দেখতে যাই।
02/08/2023
২৮শে জুলাই ২০২৩ এক দফা দাবী আদায়ের আন্দোলনে ঢাকায় মহাসমাবেশে আমরা তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
★ ৮ম রোজার তারাবীহ ★
আজ বৃহস্পতিবার এশার নামাজের পর আগামীকালের ৮ম রোজার তারাবীহ নামাজে পবিত্র কোরআন থেকে ১১তম পারা তেলাওয়াত করা হবে।
১১তম পারা থেকে ( সুরা তাওবার ৯৪নং আয়াত থেকে সুরা হুদের ৫নং আয়াত পর্যন্ত) সংক্ষেপে কিছু অংশ তুলে ধরা হলো:-
•আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল; এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাহে অতঃপর মারে ও মরে। তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেনদেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে। আর এ হলো মহান সাফল্য।[ সুরা তাওবা-১১১ ]
•তারা তওবাকারী, এবাদতকারী, শোকরগোযার, (দুনিয়ার সাথে) সম্পর্কচ্ছেদকারী, রুকু ও সিজদা আদায়কারী, সৎকাজের আদেশ দানকারী ও মন্দ কাজ থেকে নিবৃতকারী এবং আল্লাহর দেওয়া সীমাসমূহের হেফাযতকারী। বস্তুতঃ সুসংবাদ দাও ঈমানদারদেরকে। [ সুরা তাওবা-১১২ ]
•নবী ও মুমিনের উচিত নয় মুশরেকদের মাগফেরাত কামনা করে, যদিও তারা আত্নীয় হোক; একথা সুস্পষ্ট হওয়ার পর যে তারা দোযখী। [ সুরা তাওবা-১১৩ ]
•নিশ্চয় আল্লাহরই জন্য আসমানসমূহ ও যমীনের সাম্রাজ্য। তিনিই জিন্দা করেন ও মৃত্যু ঘটান; আর আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের জন্য কোন সহায়ও নেই, কোন সাহায্যকারীও নেই। [ সুরা তাওবা-১১৬ ]
•হে ঈমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক।[ সুরা তাওবা-১১৯ ]
•নিঃসন্দেহে আল্লাহ সৎকর্মশীল লোকদের হক নষ্ট করেন না। [ সুরা তাওবা-১২০ ]
•তোমাদের কাছে এসেছে তোমাদের মধ্য থেকেই একজন রসূল। তোমাদের দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে দুঃসহ। তিনি তোমাদের মঙ্গলকামী, মুমিনদের প্রতি স্নেহশীল, দয়াময়। [ সুরা তাওবা-১২৮ ]
• বলে দাও, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি। [ সুরা তাওবা-১২৯ ]
•নিশ্চয়ই তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহ। যিনি তৈরী করেছেন আসমান ও যমীনকে ছয় দিনে। অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি কার্য পরিচালনা করেন। কেউ সুপারিশ করতে পাবে না তবে তাঁর অনুমতি ছাড়া। ইনিই আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা। অতএব, তোমরা তাঁরই এবাদত কর। তোমরা কি কিছুই চিন্তা কর না ? [ সুরা ইউনুস-৩ ]
•তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে তোমাদের সবাইকে। আল্লাহর ওয়াদা সত্য। তিনিই সৃষ্টি করেন প্রথমবার, আবার পুনর্বার তৈরী করবেন। তাদেরকে বদলা দেয়ার জন্য যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে ইনসাফের সাথে। আর যারা কাফের হয়েছে, তাদের পান করতে হবে ফুটন্ত পানি এবং ভোগ করতে হবে যন্ত্রনাদায়ক আযাব এ জন্যে যে, তারা কুফরী করছিল। [ সুরা ইউনুস-৪ ]
•তিনিই সে মহান সত্তা, যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময়। আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে। এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ। যাতে করে তোমরা চিনতে পার বছরগুলোর সংখ্যা ও হিসাব। আল্লাহ এই সমস্ত কিছু এমনিতেই সৃষ্টি করেননি, কিন্তু যথার্থতার সাথে। তিনি প্রকাশ করেন লক্ষণসমূহ, সে সমস্ত লোকের জন্য যাদের জ্ঞান আছে। [ সুরা ইউনুস-৫ ]
•নিশ্চয়ই রাত-দিনের পরিবর্তনের মাঝে এবং যা কিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও যমীনে, সবই হল নিদর্শন সেসব লোকের জন্য যারা ভয় করে। [ সুরা ইউনুস-৬ ]
•অবশ্য তোমাদের পূর্বে বহু দলকে ধ্বংস করে দিয়েছি, যখন তারা জালেম হয়ে গেছে। অথচ রসূল তাদের কাছেও এসব বিষয়ের প্রকৃষ্ট নির্দেশ নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু কিছুতেই তারা ঈমান আনল না। এমনিভাবে আমি শাস্তি দিয়ে থাকি পাপী সম্প্রদায়কে। [ সুরা ইউনুস-১৩ ]
•গায়েবের কথা আল্লাহই জানেন। [ সুরা ইউনুস-২০ ]
•আল্লাহ জুলুম করেন না মানুষের উপর, বরং মানুষ নিজেই নিজের উপর জুলুম করে। [ সুরা ইউনুস-৪৪ ]
•শুনে রাখ, যা কিছু রয়েছে আসমানসমূহে ও যমীনে সবই আল্লাহর। শুনে রাখ, আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। তবে অনেকেই জানে না।[ সুরা ইউনুস-৫৫ ]
•তিনিই জীবন ও মরণ দান করেন এবং তাঁরই কাছে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। [ সুরা ইউনুস-৫৬ ]
•বস্তুতঃ যে কোন অবস্থাতেই তুমি থাক, এবং কোরআনের যে কোন অংশ থেকেই পাঠ কর, কিংবা যে কোন কাজই তোমরা কর, অথচ আমি তোমাদের নিকটে উপস্থিত থাকি, যখন তোমরা তাতে আত্ননিয়োগ কর। আর তোমার পরওয়ারদেগার থেকে গোপন থাকে না একটি কণাও, না যমীনের এবং না আসমানের। না এর চেয়ে ক্ষুদ্র কোন কিছু আছে, না বড় -যা এই প্রকৃষ্ট কিতাবে নেই। [ সুরা ইউনুস-৬১ ]
•মনে রেখো যারা আল্লাহর বন্ধু, তাদের না কোন ভয় ভীতি আছে, না তারা চিন্তান্বিত হবে। [ সুরা ইউনুস-৬২ ]
•আর তোমার পরওয়ারদেগার যদি চাইতেন, তবে পৃথিবীর বুকে যারা রয়েছে, তাদের সবাই ঈমান নিয়ে আসতো সমবেতভাবে। তুমি কি মানুষের উপর জবরদস্তী করবে ঈমান আনার জন্য? [ সুরা ইউনুস-৯৯ ]
•আর নির্দেশ হয়েছে- আল্লাহ ব্যতীত এমন কাউকে ডাকবে না, যে তোমার ভাল করবে না মন্দও করবে না। বস্তুতঃ তুমি যদি এমন কাজ কর, তাহলে তখন তুমিও জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। [ সুরা ইউনুস-১০৬ ]
•আর আল্লাহ যদি তোমার উপর কোন কষ্ট আরোপ করেন তাহলে কেউ নেই তা খন্ডাবার মত তাঁকে ছাড়া। পক্ষান্তরে যদি তিনি কিছু কল্যাণ দান করেন, তবে তার মেহেরবানীকে রহিত করার মতও কেউ নেই। তিনি যার প্রতি অনুগ্রহ দান করতে চান স্বীয় বান্দাদের মধ্যে তাকেই দান করেন; বস্তুত তিনিই ক্ষমাশীল দয়ালু। [ সুরা ইউনুস-১০৭ ]
•আর তোমরা নিজেদের পালনকর্তা সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর। অনন্তর তাঁরই প্রতি মনোনিবেশ কর। তাহলে তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান করবেন এবং অধিক আমলকারীকে বেশী করে দেবেন। আর যদি তোমরা বিমুখ হতে থাক, তবে আমি তোমাদের উপর এক মহা দিবসের আযাবের আশঙ্কা করছি। [ সুরা হুদ-৩ ]
•আল্লাহর সান্নিধ্যেই তোমাদেরকে ফিরে যেতে হবে। আর তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। [ সুরা হুদ-৪ ]
•নিশ্চয় তিনি জানেন যা কিছু অন্তরসমূহে নিহিত রয়েছে। [ সুরা হুদ-৫ ]
[] সূরা তাকাসুর []
তাকাসুর শব্দের অর্থ হলো, অধিক কামনা করা বা প্রাচুর্য নিয়ে পরস্পর প্রতিযোগিতা করা। ধন-সম্পদ, ক্ষমতা, প্রভাব প্রতিপত্তি এসবের অধিক কামনা এবং প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা আমাদের ভালো মন্দ ও ন্যায় অন্যায়ের মাঝে পার্থক্যের ক্ষমতাকে বিনষ্ট করে দেয়। তখনই নেমে আসে বিপর্যয়। বৈধ পন্থা ব্যতীত অবৈধ পন্থায় সম্পদ সংগ্রহ করা, অবৈধ ক্ষমতা, ধন-সম্পদ, প্রভাব প্রতিপত্তির পেছনে এই যে আমাদের সার্বক্ষণিক পাগলের মত ছুঁটে চলা। কিংবা বৈধ সম্পদও আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য ব্যয় না করা। আমাদের অসীম এই চাহিদা ও পরিতৃপ্তির যেন কোন শেষ নেই! আর এই ক্রমবর্ধমান প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা একসময় আমাদেরকে আল্লাহর হুকুম এবং আখেরাত হতে উদাসীন করে দিয়ে সোজা কবর পর্যন্ত পৌঁছে দিচ্ছে।
এ সম্পর্কে সূরা তাকাসুরে আল্লাহ বলছেন-
১: أَلْهَاكُمُ التَّكَاثُرُ “আল হাকুমুত তাকাসুর”
অর্থ: “প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে।”
তাকাসুর কথাটির অর্থ ব্যাপক। যা টাকা পয়সা, ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি, সহযোগী-পৃষ্ঠপোষক, বংশ-গোত্র, ক্ষমতা, প্রভাব প্রতিপত্তি প্রভৃতি শামিল। প্রত্যেক ঐ বস্তু যার প্রাচুর্য ও আধিক্য মানুষের প্রিয়। যা অধিকভাবে পাবার প্রচেষ্টা ও কামনা মানুষকে আল্লাহর আহকাম এবং আখেরাত হতে উদাসীন করে দেয়। সেটাই এ আয়াতের উদ্দেশ্য। এখানে আল্লাহ তাআলা মানুষের সেই দুর্বলতাকে ব্যক্ত করেছেন, যার শিকার সর্বযুগে অধিকাংশ মানুষকে হতে হয়েছে।
আল্লাহ বলেন, “আর জেনে রাখ, তোমাদের সম্পদ এবং সন্তান–সন্ততি তোমাদের জন্য পরীক্ষা ছাড়া কিছু নয়, আর নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট রয়েছে মহা পুরস্কার (যারা এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে তাদের জন্য)।” (সূরা আনফাল: ২৮)
২: حَتَّى زُرْتُمُ الْمَقَابِرَ “হাত্তা যুরতুমুল মাকাবির”
অর্থ: “যতক্ষণ না তোমরা কবরে পৌঁছে যাও।”
এর অর্থ হল, অত্যাধিক্য ধনসম্পদ উপার্জন করার উদ্দেশ্যে পরিশ্রম করতে করতে মৃত্যু তোমাদেরকে গ্রাস করে ফেলল এবং শেষ পর্যন্ত তোমরা কবরে গিয়ে পৌঁছলে!
৩: كَلَّا سَوْفَ تَعْلَمُونَ “কাল লা, সাওফা তা’লামুন”
অর্থ: “কিন্তু শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে।”
অর্থাৎ সত্য হচ্ছে এই যে মৃত্যু অতি নিকটে। এই পার্থিব জীবনের বাস্তবতা তোমাদের কাছে শীঘ্রই প্রকাশিত হয়ে পড়বে।
৪: ثُمَّ کَلَّا سَوۡفَ تَعۡلَمُوۡنَ “সুম্মা কাল লা সাওফা তা’লামুন” অর্থ: “এবং অতঃপর তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।”
এখানে আল্লাহ একই কথা পুনরাবৃত্তি করার মাধ্যমে এ ব্যাপারটিকে জোড় দিচ্ছেন যে জীবনের বাস্তবতা বুঝতে পারার এই মুহূর্তটি অতি অতি নিকটে!
৫: كَلَّا لَوْ تَعْلَمُونَ عِلْمَ الْيَقِينِ “কাল লা লাও তা’লামুনা ইলমাল ইয়াকিন।”
অর্থ: “যদি তোমরা নিশ্চিতভাবে জানতে!”
আমাদের যদি এই নিশ্চিত জ্ঞান থাকত, তাহলে এই জীবন পরীক্ষার বিষয় হত না। যদি মুমিনদেরকে নিশ্চিত জ্ঞান দেয়া হত, তবে তারা কখনও পথভ্রষ্ট হত না। তারা ফেরেশতায় পরিণত হত। কিন্তু আল্লাহ আমাদের পরীক্ষা করতে চান। বুখারী শরীফের হাদীসে আছে রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন: “আমি যা জানি, তা যদি তোমরা জানতে, তবে তোমরা অল্পই হাসতে এবং অধিক ক্রন্দন করতে।”
৬: لَتَرَوُنَّ الْجَحِيمَ “লা তারাউন্নাল জাহিম।”
অর্থ: “তোমরা অবশ্যই জাহান্নাম দেখতে পাবে।”
আমরা প্রত্যেকেই জাহান্নামের আগুন প্রত্যক্ষ করব। তবে এই জীবনে নয়, মৃত্যুর পরের জীবনে। আল্লাহ সূরা মারইয়ামে উল্লেখ করছেন:
“তোমাদের মাঝে এমন কেউ নেই, যাকে এর (জাহান্নামের আগুনের) নিকটে আনা হবে না…” (সূরা মারইয়াম : ৭১)
৭: ثُمَّ لَتَرَوُنَّهَا عَيْنَ الْيَقِينِ “সুম্মা লাতারাউন্নাহা আইনাল ইয়াকীন।”
অর্থ: “অতঃপর নিশ্চয়ই তোমরা একে (জাহান্নাম) স্বচক্ষে দেখবে।”
মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে আমরা জাহান্নাম স্বচক্ষে দেখতে পারব। আমরা একে নিশ্চিতভাবে দেখব: “আইনুল ইয়াকীন”। রাসূলুল্লাহ (সা) ব্যাখ্যা করেছেন, মুমিনগণ যখন জাহান্নামের আগুন দেখবে, তারা তা দেখে উৎফুল্ল হবে, কেননা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাদেরকে এ থেকে বাঁচিয়েছেন। তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়বে। কিন্তু অবিশ্বাসীদের এ দৃশ্য দেখানোর উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের কষ্ট বৃদ্ধি করা। এ দৃশ্য দেখে তারা চরম দুঃখ, ক্ষোভ (নিজেদের মূর্খতার কারণে), হতাশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়বে, একথা উপলব্ধি করে যে তাদেরকে এখানে থাকতে হবে চিরকাল!
৮: ثُمَّ لَتُسْأَلُنَّ يَوْمَئِذٍ عَنِ النَّعِيمِ “সুম্মা লাতুসআলুন্না ইয়াওমাইযিন আনইন্নাইম।” অর্থ: “অতঃপর সেদিন তোমরা অবশ্যই (পার্থিব) আনন্দ–উপভোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।”
কিয়ামতে এই জিজ্ঞাসা ঐ সকল নিয়ামত (সুখ-সম্পদ) সম্পর্কে হবে, যা দুনিয়াতে আল্লাহ তাআলা মানুষকে দান করে থাকেন। যেমন, চোখ, কান, হৃদয়, মস্তিষ্ক, শান্তি, সুস্থতা, মাল-ধন ও সন্তান-সন্ততি ইত্যাদি। কোন কোন উলামাগণ বলেন, এই জিজ্ঞাসা কেবলমাত্র কাফেরদেরকেই করা হবে। আবার কেউ কেউ বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তিকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হবে। কেননা, শুধুমাত্র জিজ্ঞাসা করা আযাবের জন্য জরুরী নয়। বরং যারা এ সব নিয়ামতকে আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী ব্যবহার করবে, তাকে প্রশ্ন করা সত্ত্বেও আযাব থেকে নিরাপদে রাখা হবে। আর যারা আল্লাহর নিয়ামতকে অস্বীকার করবে, তারা আযাবে পতিত হবে।
সকল বাধা উপেক্ষা করে
লাখো নেতাকর্মীর উপস্থিতে শেষ হলো
বিএনপির খুলনা বিভাগীয় গণসমাবেশ
ঘুরে দাঁড়াও
হরতাল কারফিউ কিছুই মানা হবে না, সব বাধা উপেক্ষা করে নেতাকর্মীরা খুলনায় জনসমাবেশে উপস্থিত হবেন ইনশাল্লাহ। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Road No 27
Banani Model Town
1213