Life Hacks-60 Second

Life Hacks-60 Second

Share

আসসালামু-আলাইকুম বন্ধুরা Life Hacks-60 Second এ আপনাদের স্বাগতম।

17/08/2022

 তুমি বললে, "মুনির, আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে" আমি একগাল হেসে তোমার কপালে চুমু খেয়ে বললাম, "শুভ কামনা! মেয়ে হলে নাম রেখো চারুলতা" তুমি হাউমাউ করে কেঁদে ফেললে। এশার নামায পড়ে ঐ পথ দিয়ে যাওয়া তোমার বাবা বলল "কে, কে ওখানে? কে কাঁদে?" তুমি চোখ মুছে চাপা স্বরে বললে, "যাই!" ব্যাস! আজ একুশ বছর হতে চলল, তোমার সাথে আমার আর দেখা হয়নি,,,,,,,,,

05/08/2022

বিখ্যাত ২ জন শিল্পী
আরজিত সিং এবং নেহা কাক্কার(বাংলা ভার্সন)

05/08/2022

আব্বু কথা রেখেছেন। তিনবার ইন্টারমিডিয়েট ফেল করার পর আমার বোনের বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন রিকশা‌ওয়ালার সাথে।
সব বাবাই যদিও এরকম কথা রা-গ করে বলেন কিন্তু আমার আব্বু এক কথার‌ মানুষ। বলেছেন এবং দিয়েছেন।
আমার রিকশা‌ওয়ালা দুলাভাইকে নিয়ে আমি খুবই বিরক্ত। যখন তখন আমার সাথে এসে শালী শালী বলে ঢং করেন লোকের মধ্যে আমার খুবই বিরক্ত লাগে।
ভয়ে ভয়ে আমি ভালোভাবে পড়াশোনা করছি। আমি ফেল করতে চাইনা। আমি রিকশা‌ওয়ালা বিয়ে করতে আগ্রহী ন‌ই।
দুলাভাইয়ের ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড আমরা জানতাম না। আব্বু একদিন ওনার রিকশায় বাজার করে ফিরছিলেন তখন উনি আব্বুর সব বাজার নিজে হাতে করে বাসায় পৌছে দিয়ে গেছেন দেখে আব্বু মুগ্ধ হয়েছেন। যার ফলস্বরূপ ওনার সাথে আমার বোনের বিয়ে। কিন্তু ওনার ফ্যামিলির সাথে আমাদের এখনো দেখা হয়নি। দুলাভাই সারাদিন রিকশা চালিয়ে বাসায় এসে ঘাম মুছতে মুছতে ডাকেন,"ও ব‌উ,ও শালী!পানি দেও।''
মনের দুঃখে আমার বোন কয়েকবার আত**** ত্যা করতে গেছে। প্রতিবার‌ই আব্বুর কাছে জোরসে থা - প্প ড় খেয়েছে।
দুলাভাইকে আমার বোন দেখতে পারে না। রাতে আমার ঘরে এসে থাকে আর সারারাত কাঁদে, "লাবণ্য এ আমার কি হয়ে গেল রে!! আমার বয়ফ্রেন্ড ছিল সরকারি অফিসার আর আমার বিয়ে হয়ে গেল একটা রিকশা‌ওয়ালার সাথে রে!!!"
আপুকে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা আমার জানা নেই। সামনে আমারো রেজাল্ট আমি খুবই আ-তংকে আছি। হয়তো আমার বর হবে এক অটো‌ওয়ালা। তারপর দুই ভায়রা-ভাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সকালে একজন অটো নিয়ে বের হবে একজন রিকশা। এদিকে আমরা দুই বোন প্রাইভেট কার ছাড়া কোথাও যাই না। কি একটা অবস্থা!
দুঃশ্চিন্তায় শিউরে উঠে আমার আর সেই রাতে ঘুম হয় না।
আমার বিদেশ থাকা ফুপী বাসায় এসেই চিল্লাচিল্লি শুরু করেছেন! আব্বুকে বলছেন,এইটা তুমি কি করলা? এতবড় ক্ষতি কেউ নিজের মেয়ের করে? এরচেয়ে আমার কাছে পাঠিয়ে দিতা, আমি কি ম -রে গেছিলাম?
এসব বলতে বলতে আমার দুলাভাইয়ের কাছে গিয়ে রাগী গলায় বললেন,"you scoundrel, How dare you? I will see you!!"
দুলাভাই বললেন, "You can't,bcz she is my legal wife. And whatever, I have no mistakes actually.."
আমরা সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছি দেখে দুলাভাই আবার বললেন, "আমিও ভালো ঘরের সন্তান।আমিও ইন্টার ফেইল। ইংরেজিতে ভালোই ছিলাম অংকে ধরা খাইছি। এজন্য আমার আব্বুও আমাকে রিকশা কিনে দিছে!"
~সংগৃহীত

29/07/2022

ছেলেটার সাত বছরের রিলেশন ছিলো মেয়েটার সাথে। মেয়েটা আমাদের ডিপার্টমেন্টেই পড়তো। নাম মোহনা। . ভাইয়ের নাম ছিলো সামস। আমাদের হলেই থাকতেন। তিন ব্যাচ সিনিয়র। কোনদিনও হাসি ছাড়া দেখিনি উনাকে। এতো ভদ্র ছেলে পুরো ক্যাম্পাসে পাওয়া দুষ্কর ছিল। মেয়েটাকে ভালোও বাসতেন পাগলের মতো। প্রায়ই দেখা যেতো ক্যাম্পাসে হাতে হাত রেখে হেটে চলেছেন দুজনে। আমাদের চোখে চোখ পড়তেই অবশ্য হাত ছেড়ে দিয়ে লাজুক হাসি দিতেন শামস ভাই! মাঝে মাঝেই রাত তিনটা-চারটায় ঘুম থেকে উঠে দেখতাম, হলের করিডোরের এক কোনায় দাড়িয়ে ভাই তখনও গুজুর গুজুর করেই চলেছেন! . একটা চাকরির অভাবে সেই সম্পর্কটাই বদলে গেল কী ভীষনভাবে! ততোদিনে ভাইয়ের মাস্টার্স পাস করা শেষ। চাকরি পাচ্ছেন না বলে হলে থেকে গিয়েছিলেন আরও দেড় বছরের মতো।মেয়েটা ছেড়ে চলে গিয়েছিলো মাস্টার্স শেষের এক বছরের মাথায়। যাবেই না বা কেনো, সুন্দরী মেয়ে, বাসায় বিয়ের প্রস্তাব এসেছে, সেই ছেলে আবার প্রসাশনের ক্যাডার। →যাওয়ার আগে মেয়ে বলে গিয়েছিলো, "চাকরি পাও না, যোগ্যতা নেই, তো প্রেম করতে এসেছিলে কেন?" . ব্রেকাপের পর ভাই প্রায়ই আমার রুমে আসতেন সিগারেট খেতে। হাতে সবসময় কোনো না কোনো বিসিএসের বই থাকতোই। ঘন্টার পর ঘন্টা ধোঁয়া ছাড়তেন আর মাথে মাঝে উনার জীবনের গল্প বলে চলতেন। বাড়ির রান্নাঘরের কোনাটা ভেঙে পড়েছে, বড় বোনটার বিয়ের বয়স হয়ে গিয়েছে, বাপ আবার পেনশনে গেছে এই বছর। মাঝে মাঝে কথা বলা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে থাকতেন। কি যেন ভাবতেন। হয়তো সে ভাবনা আমাদের ধরাছোয়ার বাইরে! মাস্টার্সের দেড় বছরের মাথোয় সামস ভাইকে হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছিলো। বের করে দিয়েছিলো তারাই, যারা সামস ভাইয়ের হেল্প পেতে পেতে এতদূর এসেছে, যাদের হলে ব্যাবস্থা করে দেয়েছিলেন সামস ভাই নিজেই। . যেদিন বেরিয়ে যান, অঝোর ধারায় চোখ থেকে পানি পড়ছিলো। ভার্সিটিতে ক্লাস সেরে এসে দেখি, ভাই বের হয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আমাকে দেখে চোখে পানি নিয়ে অনেক কষ্টে একটা হাসি দিয়ে বলেছিলেন, "আর যাই করিস, প্রেম করতে যাস না ভাই। জীবনটা ছাই বানিয়ে দেবে। " কথাটা কাগজে লিখে দেয়ালে টানিয়ে রেখেছিলাম! উপরের কথাগুলো প্রায় বছর-দশক আগের। ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত একটা কাজে বহুদিন ধরে চেষ্টা করছিলাম কোনো এক কাষ্টমস অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে, বিষেশত ভার্সিটির কোনো বড় ভাইয়ের সাথে। হেল্প বেশি পাওয়া যায় তাহলে।খোজ-খবর নিয়ে যা জানতে পারলাম, মাথা ঘুরে যাবার উপক্রম হলো। শামস ভাই এখন ঢাকা এয়ারপোর্টের নামীদামী কাষ্টমস অফিসার!! . সময় করে একদিন গেলাম ভাইয়ের অফিসে। ঝা চকচকে সেক্রেটারিয়েট টেবিলের একপাশে বসে ছিলেন ভাই, আমাকে দেখে বিশাল এক হাসি দিয়ে এগিয়ে এসে বুকে বুক মেলালেন। একথা সেকথার পর উঠল সংসার জীবনের কথা, বললাম, বিয়ে-থা করিনি এখনো, বোহেমিয়ান জীবনই ভালো লাগছে। ভাইয়ের কথা জিজ্ঞেস করতে বললেন, বিয়ে করেছেন, একটা ফুটফুটে বাচ্চাও হয়েছে। ভাবী আবার সলিমুল্লাহ মেডিকেলের ডাক্তার। . অনেকক্ষন যাবত মনের সধ্যে একটা কথা বাজছিল, শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞেস করেই ফেললাম, "মোহনার কথা মনে পড়েনা, ভাই?" বেশ বড়সড় একটা হাসি দিয়ে বললেন, "না রে। জীবনে যা চেয়েছিলাম, তার চেয়ে অনেক বেশি পেয়ে গিয়েছি। এখন আর এইসব ছোটখাট চাওয়াগুলো পাত্তা পায়না।" জিজ্ঞেস করলাম, "মোহনার আর কোনো খবর পাননি?" কিছুক্ষন চুপ থেকে বললেন, "শুনেছিলাম বছরখানেক আগে ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে। এরপর আর কোনো খবর পাইনি। " . ভাইয়ার গাড়ি তে একসাথে ফেরার পথে ভাইয়ের বলা একটা কথা প্রায়ই কানে বাজে "লাইফে কাউকে ঠকাস না রে। লাইফ কাউকে ছাড় দেয়না, প্রতিশোধ নিয়েই ছাড়ে।

Want your business to be the top-listed Clothing Store in Banani Model Town?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Bannani, Dhaka
Banani Model Town
6600